পিঁপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে চাইলে

পিঁপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে চাইলে

এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়া মেশান। দ্রবণটি স্প্রে করে দিন পিঁপড়ার লাইন দেখলেই।

যেকোনো সময় বেড়ে যেতে পারে পিঁপড়ার উপদ্রব। এদের দূর করার জন্য বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়। তবে বাড়িতে শিশু থাকলে সেগুলো ব্যবহার না করাই ভালো।

চলুন জেনে নেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে পিঁপড়া তাড়ানোর কিছু উপায়।

লেবুর রস

কয়েকটি লেবু চিপে রস সংগ্রহ করুন। তাতে এক টেবিল চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটা স্প্রে বোতলে ভরে যেখানে পিঁপড়ার উপদ্রব বেশি, সেখানে স্প্রে করুন। খুব দ্রুতই পিঁপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাবেন।

দারুচিনি গুঁড়া

দারুচিনি গুঁড়া করে নিন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে পিঁপড়ার বাসা ও এর আশপাশে গুঁড়াগুলো ছিটিয়ে দিন। সকালে উঠে দেখবেন পিঁপড়ার দল পালিয়েছে।

গরম পানি

এক কাপ গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ লবণ ও মরিচের গুঁড়া মেশান। পানি গরম থাকতে থাকতে পিঁপড়ার আনাগোনা যেখানে, সেখানে ছিটিয়ে দিন। পিঁপড়া দূর হবে সঙ্গে সঙ্গেই।

ভিনেগার

পিঁপড়া তাড়ানোর জন্য কালো ভিনেগার ব্যবহার করুন। কালো ভিনেগার স্প্রে বোতলে নিয়ে ছিটিয়ে দিন রান্নাঘরের আনাচকানাচে। পিঁপড়া দূর হবে।

গোলমরিচ গুঁড়া

এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়া মেশান। দ্রবণটি স্প্রে করে দিন পিঁপড়ার লাইন দেখলেই। মুক্তি পাবেন পিঁপড়ার উপদ্রব থেকে।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

পদ্ম ফুল কমে যাচ্ছে বিলগুলোতে। ছবি: নিউজবাংলা

ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী উপজেলা হরিপুরের ভাতুরিয়া গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এই ধূলিয়া বিল আগে পদ্মফুলে ভরে যেত। বহুদূর থেকে মানুষ ছুটে আসত এই ফুল দেখতে। এখন ফুল থাকলেও আগের মতো নাই। আশপাশের জমি ভরাট হয়ে বিল ছোট হয়ে গেছে। আবার মাছ চাষ করে জাল দিয়ে মাছ ধরে লোকজন। এসব কারণে পদ্মফুল নষ্ট হয়ে যায়।’

ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী উপজেলা হরিপুরের তিন গ্রামের জলাশয়ে বর্ষা থেকে ফুটতে শুরু করে পদ্মফুল। তবে এবার আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে পদ্ম। হাতে গোনা পদ্মে হতাশ দর্শনার্থী ও স্থানীয় লোকজন।

বেশির ভাগ মানুষের অভিযোগ, জলাশয়ে মাছ চাষের কারণে কমছে পদ্ম। স্থানীয় লোকজন এসব পদ্মকে চেনেন বোরল ফুল নামে। উপজেলার মাগুড়া, ভাতুরিয়া ও জাদুরাণী গ্রামের বিলে দেখা মেলে এই ফুলের।

উপজেলার মাগুড়া গ্রামের বিলটি ছেয়ে যেত পদ্মফুলে। একই দৃশ্য দেখা যেত ভাতুরিয়া গ্রামের ধূলিয়া বিলেও। এবার বিল দুটিতে চিরচেনা রূপ নেই। পদ্মের সংখ্যা হাতে গোনা।

কেবল জাদুরাণী গ্রামের তালুকদার বস্তি এলাকায় ‘সবার পুকুর’ নামে পুকুরে আশানুরূপ ফুটে আছে সাদা পদ্ম।

‘সবার পুকুরে’ গিয়ে দেখা গেল, শিশু-কিশোররা পানিতে নেমে তুলছে পদ্মফুল।

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

সবার পুকুরের একাংশের মালিক মোমিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে পুকুরটির প্রায় তিন একর জমি পদ্মফুলে ভরপুর ছিল, কিন্তু বর্তমানে অংশীদার বেড়ে যাওয়ায় দিন দিন পুকুরটি বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে পদ্মফুলের তেমন বিস্তার হতে পারছে না।’

উপজেলার তালুকদার বস্তির কৃষক জয়নুল ইসলাম বলেন, ‘সবার পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে এই ফুল ফুটে আসছে। তবে এটা যে পদ্মফুল আমরা তা জানতাম না। স্থানীয়ভাবে বোরল নামে জানি পদ্মফুলকে। অনেক মানুষ দেখতে আসে। অনেকে ফুল তুলে নিয়ে যায়।’

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

মাগুরা ও ভাতুরিয়া গ্রামের বিল ঘুরে দেখা যায়, কিছু পদ্ম সেখানেও ফুটেছে।

সেখানকার লোকজন জানান, কয়েক বছর আগেও এসব বিলে বর্ষায় পদ্মের আড়ালে পানিই দেখা যেত না। এখন সেখানে আর তেমন ফুল ফোটে না।

ভাতুরিয়া গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এই ধূলিয়া বিল আগে পদ্মফুলে ভরে যেত। বহুদূর থেকে মানুষ ছুটে আসত এই ফুল দেখতে। এখন ফুল থাকলেও আগের মতো নাই। আশপাশের জমি ভরাট হয়ে বিল ছোট হয়ে গেছে। আবার মাছ চাষ করে জাল দিয়ে মাছ ধরে লোকজন। এসব কারণে পদ্মফুল নষ্ট হয়ে যায়।’

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী লাবণী পারভীন বলেন, ‘গত বছর হরিপুর উপজেলার মাগুরা গ্রামে একটি পুকুরে পদ্মফুল দেখেছি। এ বছরও গেছিলাম। তবে ওই পুকুরটিতে এবার মাছ চাষ হয়েছে। সে জন্য পদ্মফুল হয়নি। এবার পাশের গ্রাম তালুকদার বস্তি এলাকায় সবার পুকুরে পদ্মফুল দেখেছি। বইয়ে পড়েছি; বাস্তবে দেখে অনেক ভালো লাগছে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের বিলগুলোতে এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেখা দেয় পদ্ম। এর পাতা বেশ বড়, গোলাকার ও পুরু হয়ে থাকে। পদ্মফুল সাধারণত সাদা, গোলাপি, লাল ও নীল রঙের হয়।

একসময় গ্রামের হাট-বাজারে ঝোলাগুড়, মাংস বা ছোট মাছ ক্রেতাদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য পদ্মের পাতা ব্যবহার করা হতো। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে থালা হিসেবে কলাপাতার বদলে পদ্মের পাতাও ব্যবহার হতো।

হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পদ্ম পবিত্রতার প্রতীক। তাদের নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে এই ফুল ব্যবহার হয়।

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রধান নাসরিন জাহান বলেন, ‘পদ্ম সাধারণত উষ্ণমণ্ডলীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশে সাদা, লাল ও নীল রঙের পদ্মফুল পাওয়া যায়। সম্প্রতি হলুদ রঙের পদ্মফুল দেখা গেছে কুমিল্লা জেলায়। এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ গবেষণা চালাচ্ছে।’

নাসরিন জানান, শিল্পায়নের কারণে নদী-নালা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারি জলাশয়গুলো বেদখল হয়ে সেখানে মাছ চাষ হচ্ছে। জলাশয়সংলগ্ন জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কারণে পদ্ম জন্মানোর পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দিনে দিনে কমে আসছে এই জলজ ফুল।

এই অধ্যাপক বলেন, ‘সাদা পদ্মের অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। এর ফলের বীজ হৃদরোগ, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডায়রিয়া সারাতে এর বোটা কাঁচা খায় অনেকে। পদ্মের চাক, বীজ বা বোটা বেশ সুস্বাদু। পদ্মের পাতাতেও ওষধি গুণ আছে। এই পাতা দিয়ে চা-ও বানানো হয়।’

পদ্মফুলকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে সরকারের সচেষ্ট হওয়ার দরকার বলে মনে করেন তিনি।

নাসরিন বলেন, ‘সরকারি জলাশয় যেন বেদখলে না যায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। পানির উচ্চতা ঠিক রাখতে হবে। পদ্মফুলের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিষয়ে সরকারিভাবে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

‘টাঙ্গুয়ার হাওরে বন্ধ হবে ইঞ্জিনচালিত নৌকা’

‘টাঙ্গুয়ার হাওরে বন্ধ হবে ইঞ্জিনচালিত নৌকা’

সুনামগঞ্জে হাওর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘একসময় মিঠাপানির টাঙ্গুয়ার হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো। তবে এখন মাছ পাওয়া যায় না, কারণ হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলে। তাই আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বন্ধ করা হবে।’

আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

তাহিরপুর উপজেলার শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি লেক) শনিবার দুপুরে হাওর পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ডিসি জাহাঙ্গীর হোসেন।

ডিসি বলেন, ‘একসময় মিঠাপানির টাঙ্গুয়ার হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো। তবে এখন মাছ পাওয়া যায় না, কারণ হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলে। তাই আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বন্ধ করা হবে।

‘আমরা পর্যটকদের একটি নির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দেব। তারা লগি-বৈঠার নৌকা নিয়ে হাওরে ঘুরতে যাবেন। এটি কার্যকর হলে হাওরবাসীদের জীবনমান উন্নত হবে। তাদের কর্মসংস্থানও বাড়বে।’

উদ্বোধন শেষে ডিসি হাওর এলাকার প্লাস্টিক ও ময়লা আবর্জনা পরিচ্ছন্ন করেন এবং বিভিন্ন নৌকায় সচেতনতামূলক বিলবোর্ড টানান।

ডিসি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সুনামগঞ্জ হাওর বেষ্টিত একটি জেলা। টাঙ্গুয়ার হাওরকে কেন্দ্র করে বিগত সময়ে অনেক পর্যটক এসেছেন।

‘তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাওরে প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের প্লেট, ময়লা-আবর্জনা ফেলে যান, যার কারণে এখানে পরিবেশদূষণ হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে হাওরের জীববৈচিত্র্য। আমরা এগুলো আর মেনে নেব না। নৌকার মাঝি থেকে শুরু করে সব পর্যটকদের সর্তক করে দিতে চাই আমরা।’

জেলা প্রশাসক জানান, তাদের এ অভিযান চলতে থাকবে। এছাড়া হাওরের মাঝিদের তালিকা করে নিবন্ধনের আওতায় এনে মাঝিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

এছাড়া এখন থেকে সব নৌকায় একটি করে ডাস্টবিন থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে। যারা এ নির্দেশনা মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ডিসি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কবির, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক অমল কর, হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা, ইউপি চেয়ারম্যান খসরুল আলমসহ অনেকে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর ও তার আশপাশের হাওর এলাকার পরিবেশদূষণ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

রান্নাঘরে নানা রকম সমস্যা লেগেই থাকে। পিঁপড়া, পাতিল পোড়া, মশলা সতেজ রাখা-এ রকম টুকটাক সমস্যাগুলোর সমাধান এক নজরে দেখে নিন।

১. পিঁপড়ার আক্রমণে বয়ামে চিনি রাখতে পারছেন না? বয়ামের মুখ খুলে চিনির ওপর ৩ থেকে ৪টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ার সমস্যার সমাধান হবে।

২. বিস্কুট এনে রাখতে পারছেন না? নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? বয়ামের ভিতর এক টুকরা ব্লটিং পেপার রেখে তার ওপর বিস্কুট রাখুন। এতে বিস্কুট দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যাবে। মচমচে ভাবও নষ্ট হবে না।

৩. গরম তেল বা আগুনে কোথাও পুড়ে গেছে? পোড়া স্থানে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি ঢালুন। তারপর একটা পাকা কলা চটকে সেখানে লাগিয়ে দিন। এতে জ্বলুনি বন্ধ হবে।

৪. ফ্রিজে কাটা আপেল রাখতে পারছেন না? লালচে হয়ে যায়? আপেলের টুকরাগুলোর ওপর হালকা লেবুর রস মেখে নিন। এতে আপেল লালচে তো হবেই না বরং অনেক দিন ফ্রেশ দেখাবে।

৫. বাজারের মাখন ব্যবহার করে করে নিশ্চয়ই শরীরের কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে। লো স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত মাখন ব্যবহার করুন। এতে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়বে না।

৬. কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে হিমশিম খাচ্ছেন? বাদামগুলোকে গরম পানিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে খোসা নরম হবে এবং ছাড়াতে সুবিধা হবে।

৭. জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

৮. করলার স্বাদ বাড়াতে চান? করলাগুলো ধুয়ে মাঝখান দিয়ে কেটে নিন। তারপর ভেতরে লবণ, ময়দা আর দইয়ের মিশ্রণ ঢুকিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর রান্না করুন। স্বাদ বেড়ে যাবে।

৯. পাতিলে খাবারের পোড়া দাগ লেগে গেছে? কীভাবে তুলবেন বুঝতে পারছেন না? চিন্তার কিছু নেই। কয়েকটা পেঁয়াজ কেটে নিন। এরপর পাতিলটিতে গরম পানির সঙ্গে পেঁয়াজগুলো ৫ মিনিট রেখে দিন। এবার ধুয়ে দেখুন। পোড়া দাগ সম্পূর্ণ উঠে যাবে।

১০. সবজি কাটতে প্লাস্টিকের চপিংবোর্ড ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন কাঠের বোর্ডে সবজি কাটতে। নইলে সবজির সঙ্গে প্লাস্টিকের কুচি মিশে যেতে পারে।

১১. রান্নাঘরে তেলাপোকার উপদ্রব বেড়ে গেছে? সিঙ্কের কোনাগুলোতে বরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা পালাবে।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

আপনার সন্তান যখন কোনো ভালো কাজ করবে তার প্রশংসা করুন। কাজটি করতে ভালোবাসলে তাকে উৎসাহিত করুন। পারলে কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন।

অনেক মা-বাবার অভিযোগ, সন্তান তাদের কথা শুনছে না। দিন দিন আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। আবার হঠাৎ করেই সন্তানের জেদ প্রচণ্ড বেড়েছে কিংবা মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এটি দুশ্চিন্তা করার মতোই ব্যাপার। কেননা এর ফলে শিশুরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তবে এর সমাধান রয়েছে। অভিভাবকরা যদি একটু সাবধানে সেগুলো খেয়াল করেন, তাহলে এই সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।

নিজের ভুল বুঝতে শিখুন

অনেক মা-বাবাই বুঝতে চান না যে তাদের দ্বারাও ভুল হতে পারে। তারা মনে করেন সন্তানই সব সময় ভুল করে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে না। মা-বাবার উচিত তাদের ভুল বুঝতে শেখা এবং তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলা।

আপনার ভুলের জন্য সন্তানের কাছে ক্ষমা চাইতে কার্পণ্য করবেন না। তাকে বোঝান ভুলটির জন্য আপনি অনুতপ্ত। এতে আপনার আর সন্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে সম্পর্ক আরও সতেজ হয়ে উঠবে।

সবকিছু বয়স দিয়ে বিবেচনা করবেন না

অনেকে মনে করেন, বয়সে বড় বলেই তারা সব সময় সঠিক। এটি একেবারেই অনুচিত। সন্তানের মতামতকে গুরুত্ব দিতে শিখুন। সন্তানের ওপর সব সময় নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তার মতামতটাও শুনুন। যেকোনো মতামতে যুক্তিকে প্রাধান্য দিন। বয়সে ছোটো হলেও যে কেউ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এটি বুঝতে শিখুন। তাকে আলাদা সত্তার মানুষ হিসেবে মানতে শিখুন এবং তার পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব দিন।

প্রশংসা করার অভ্যাস করুন

আপনার সন্তান যখন কোনো ভালো কাজ করবে তার প্রশংসা করুন। কাজটি করতে ভালোবাসলে তাকে উৎসাহিত করুন। পারলে কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন। এর ফলে তার আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে, তেমনি আপনার প্রতি শ্রদ্ধাও বাড়বে।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার থাকার সুযোগ দিন

ছেলে-মেয়েরা বড় হতে হতে মিথ্যা বলা শিখবে, এটা স্বাভাবিক। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব। সন্তান যখন আপনার সঙ্গে কোনো কিছু শেয়ার করতে সংকোচ বোধ করবে তখন মাঝেমধ্যে নিজের ভুলটি ঢাকতে সে মিথ্যা বলবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই তাকে নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখান। তার অবস্থান সম্পর্কে সব সময় পরিষ্কার থাকার সুযোগ দিন।

সঠিক-ভুল নিয়ে উগ্র হবেন না

সন্তান ভুল করলে তার ওপর ক্ষেপে যাওয়া অস্বাস্থ্যকর। সে কোনো ভুল করলে সময় নিন। তার সঙ্গে কথা বলুন। সে যা করেছে তা যে ভুল, সেটি বোঝাতে চেষ্টা করুন। এতে সে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে এবং পরবর্তী সময়ে একই ভুল করার আগে বুঝতে পারবে যে এটি করা ঠিক নয়।

পর্যাপ্ত সময় দিন

ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে সন্তানের কাছ থেকে মা-বাবার আদর-স্নেহ কেড়ে নেবেন না। তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন। খেয়াল রাখুন সে কী করছে, কাদের সঙ্গে মিশছে। আপনার সময়ের অভাবে সে খারাপ পথে চলে যেতে পারে।

সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠুন

সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। ছুটির দিনে একসঙ্গে বাইরে ঘুরতে যান। বাসায় নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ান। মন দিয়ে তাদের কথা শুনুন। একসঙ্গে খেলাধুলা করুন। সন্তানকে আয়ত্তে আনতে হলে অবশ্যই তাদের বুঝতে হবে, বকাঝকা করে কঠোর হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। এতে হীতে বিপরীত হয়।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

বাইডেন পেল দুই বোন

বাইডেন পেল দুই বোন

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দুটি মেয়ে শাবকের জন্ম দিয়েছে বাঘিনী জয়া। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কিউরেটের শাহাদাত হোসেন জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর মেয়ে শাবক দুইটির জন্ম হয়। শাবক দুটি সুস্থ আছে। সবকিছুই এখন স্বাভাবিক।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জয়া নামের বাঘিনী দুই মেয়ে শাবকের জন্ম দিয়েছে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর শাবক দুটির জন্ম হলেও বিষয়টি শনিবার গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন চিড়িয়াখানার কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ।

শাহাদাত জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর মেয়ে শাবক দুইটির জন্ম হয়। শাবক দুটি সুস্থ আছে। সবকিছুই এখন স্বাভাবিক।

তিনি আরও জানান, গত বছরের ১৪ নভেম্বর প্রথম ছেলে শাবকের জন্ম দেয় জয়া। ওই শাবকের নাম রাখা হয় জো বাইডেন। তবে ওই শাবকের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করায় সেটিকে চিড়িয়াখানার তত্ত্বাবধানে ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে বড় করা হয়।

ক্যাপটিভ ব্রিডিং বলতে কৃত্রিম অবরুদ্ধ পরিবেশে যে কোনো ছানাকে তা (উত্তাপ) দেয়াকে বোঝায়।

শাহাদাত বলেন, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর ১১ মাস বয়সী রাজ এবং ৯ মাস বয়সী পরী নামের দুটি বাঘকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আনা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই রাজ-পরি যুগলের তিনটি ছানার জন্ম হয়, যার মধ্যে দুটি ছিল হোয়াইট টাইগার, অন্যটি কমলা-কালো ডোরাকাটা।

পরদিন একটি হোয়াইট টাইগার মারা যায়। অন্য সাদা বাঘিনীটির নাম রাখা হয় শুভ্রা। কমলা-কালো বাঘিনীটির নাম দেয়া হয় জয়া। সেই জয়ার ঘরেই জন্ম নিলো দুই মেয়ে শাবক।

নগরীর ফয়’স লেক এলাকায় ১৯৮৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বর্তমানে ৬৬ প্রজাতির ৬২০টি পশু-পাখি রয়েছে। এর মধ্যে বাঘ, সিংহ, কুমির, জেব্রা, ময়ূর, ভালুক, উটপাখি, ইমু, হরিণ, বানর, গয়াল, অজগর, শিয়াল, সজারু ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এদিকে নতুন দুই বাঘ শাবক নিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২টি।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মানসিক চাপ কমাতে মিষ্টি আলু উপকারী। এতে স্নায়ু শিথিল হয়।

বিভিন্ন কারণে আমরা সবাই কমবেশি মানসিক চাপে ভুগি। এর বাজে প্রভাব শরীরের ওপরেও পড়ে। যার ফলে অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ, হজমের সমস্যা এবং স্নায়ুর সমস্যার মতো শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়।

এমনকিছু খাবার আছে, যা খেলে মানসিক চাপ কেটে যেতে পারে। আসুন সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিই।

কাঠবাদাম

কাঠবাদামে ভিটামিন বি আর ই রয়েছে। এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত থাকলে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো সমস্যা কমে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টা কাঠবাদাম খেলে সুফল পাওয়া যাবে।

চিনি

তাৎক্ষণিকভাবে মানসিক চাপ কমাতে স্বল্প পরিমাণে চিনি খাওয়া একটি কার্যককরী উপায়। কেননা এতে মস্তিষ্কের উত্তেজিত পেশিগুলো শান্ত হয়। ফলে মানসিক চাপও কমতে শুরু করে। তবে অতরিক্ত চিনি খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের এই পদ্ধতি অবলম্বন না করাই ভালো। যাদের চিনিতে সমস্যা রয়েছে তারা মধু খেতে পারেন। এ ছাড়া মধুর অন্যান্য অনেক কার্যকারিতা রয়েছে।

মিষ্টি আলু

মানসিক চাপ কমাতে মিষ্টি আলু উপকারী। এতে স্নায়ু শিথিল হয়।

ডার্ক চকলেট

মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে ডার্ক চকলেটের সুনাম আছে। চকলেট খাওয়ার ফলে অ্যান্ডোরফিন নামে একধরনের হরমোন নিঃসরণ ঘটে, যা মানসিক চাপ বা উদ্বেগ কমায়। তবে মিষ্টি চকলেট নয়। অতিরিক্ত মিষ্টি চকলেট স্বাস্থ্যহানি ঘটায়। ডার্ক চকলেটে সেই সমস্যা নেই।

সবুজ সবজি

শসা, ব্রকলির মতো সবুজ সবজিতে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড আর ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান মস্তিষ্কে তৃপ্তির অনুভূতি সৃষ্টি করে। এসব খাওয়ার পর মানসিক চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন

বাসে যাতায়াতের টিপস

বাসে যাতায়াতের টিপস

বাসে জানালার পাশের সিটে বসলে বাইরের বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। তাই চেষ্টা করুন জানালার পাশের সিটে বসতে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসায় সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে ভাইরাস কিন্তু এখনও পুরোপুরি চলে যায়নি। তাই সাবধানতা মেনে চলতে হবে।

বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের বাসে যাতায়াতের প্রয়োজন পড়ে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, গাদাগাদি করে বাসে উঠলে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি।

তাই বাসে ওঠার আগে ও পরে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। চলুন সেগুলো দেখে নেই।

মাস্ক পরুন

বাসে ওঠার আগে তিন স্তরবিশিষ্ট মাস্ক পরে নিন। পথে-ঘাটে যে সার্জিক্যাল মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে, তা সাধারণত দুই স্তরবিশিষ্ট। এ ধরনের মাস্ক একসঙ্গে দুটি ব্যবহার করুন। লোকাল বাসে উঠলে মাস্কের পাশাপাশি ফেস শিল্ড ব্যবহার করলে আরও ভালো।

বাসে ভিড় এড়িয়ে চলুন

যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে বাসা থেকে বের হন। বাসে ওঠার আগে দেখে নিন সেটাতে ভিড় কেমন। বেশি ভিড় হলে এড়িয়ে চলাই উত্তম। সে ক্ষেত্রে পরের বাসের জন্য অপেক্ষা করুন।

জানালার পাশের সিটে বসুন

বাসে জানালার পাশের সিটে বসলে বাইরের বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। তাই চেষ্টা করুন জানালার পাশের সিটে বসতে।

নাকে-মুখে হাত না দেয়া

কোনো অবস্থাতেই নাকে, মুখে বা চোখে হাত দেবেন না। একান্ত দিতেই হলে হাত স্যানিটাইজ করে নিন। সে ক্ষেত্রে সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
নতুন জুতা থেকে ফোসকা পড়লে যা করবেন
ভিটামিন ডি পাবেন যেভাবে
রাগ বশ করবেন যেভাবে
শসার উপকারিতা জেনে নিন
চশমার যত্ন কীভাবে

শেয়ার করুন