× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
haor filled up with tourist's waste
hear-news
player
print-icon

পর্যটকদের বর্জ্যে সয়লাব হাওর

পর্যটকদের-বর্জ্যে-সয়লাব-হাওর
টাঙ্গুয়ার হাওরের পারে-পানিতে ভাসতে দেখা যায় পর্যটকদের ফেলা বর্জ্য। ছবি: নিউজবাংলা
হাওরের নৌকাচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘মানুষকে নৌকায় ওঠার আগে আমরা বলে দেই যে ময়লাগুলো নির্ধারিত জায়গায় ফেলতে। তারা আমার কথা শোনেন না। প্যাকেট-বোতল আর ভাত-তরকারি সবই হাওরে ফেলেন।’

করোনায় দীর্ঘ সময় ঘরবন্দি থাকা প্রকৃতিপ্রেমীরা এখন ছুটে বেড়াচ্ছেন সাগর থেকে পাহাড়ে। তবে পাহাড় ও জলাশয়ের মিতালি দেখতে দেশের পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য সুনামগঞ্জের তাহিরপুর। সেখানেই আছে বাংলার কাশ্মীর খ্যাত নিলাদ্রি লেক ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠাপানির স্পট টাঙ্গুয়ার হাওর।

সরকারি বিধিনিষেধ শেষে সেখানে ছুটির দিনে উপচে পড়া ভিড় তো থাকেই, কর্মদিবসেও পর্যটকদের আনাগোনায় চাঙা থাকে এলাকা। তবে যে প্রকৃতি দেখে মানুষ মন জুড়িয়ে নিচ্ছেন, যেখান থেকে নিঃশ্বাস নিচ্ছেন প্রাণ ভরে, সে প্রকৃতিকে তারাই আবার দূষিত করছেন বর্জ্যে।

টাঙ্গুয়ার হাওর ও নিলাদ্রি লেকে গত দুই দিন ঘুরে দেখা গেছে, যেখানে-সেখানে পড়ে আছে প্লাস্টিকের বোতল, নানা খাদ্যপণ্যের প্যাকেট এমনকি মাস্কও। এসব বর্জ্য গিয়ে মিশছে জলাশয়ে। তাতে যেমন পর্যটন স্পটের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, তেমন দূষিত হচ্ছে পরিবেশও।

পর্যটকদের বর্জ্যে সয়লাব হাওর

বন্ধুদের নিয়ে কুমিল্লা থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যান ফাইয়াজ ফাহিম। তিনি বলেন, ‘এখানে প্রথমবার এসেছি ঘুরতে। সত্যিই সুন্দর জায়গা। এই সৌন্দর্যটা আমাদেরই ধরে রাখতে হবে।

‘তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয়, হাওরে অনেক পর্যটক আসেন, আমিও একজন পর্যটক, কিন্তু চিপস খাচ্ছেন সেই প্যাকেটটা পানিতে ফেলছেন, পানি খাচ্ছেন সেই বোতলটা পানিতে ফেলছেন। এটা পরিবেশের জন্য খারাপ। আমরা চাইব এগুলো বন্ধ করা হোক। এসব যারা করবে তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা উচিত।’

স্থানীয় নৌকাচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘মানুষকে নৌকায় ওঠার আগে আমরা বলে দেই যে ময়লাগুলো নির্ধারিত জায়গায় ফেলতে। তারা আমার কথা শোনেন না। যার যেখানে ইচ্ছা ফেলতে থাকেন। আমাদের কিছু বলার থাকে না। তারা প্যাকেট-বোতল আর ভাত-তরকারি সবই হাওরে ফেলেন। আমরা দেখলে না করি, কিন্তু কে শোনে কার কথা।’

পর্যটকদের বর্জ্যে সয়লাব হাওর

নিলাদ্রি লেক এলাকার বাসিন্দা অরিন্দ দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মানুষ ঘুরতে আসেন, খুব ভালো লাগে। সুনামগঞ্জকে মানুষ চেনেন। তবে আরেক দিকে খারাপ লাগে যে তারা এসে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলেন। টেকেরঘাটের পাড় আর পানির অবস্থাটা দেখেন, কীভাবে ময়লা ফেলে রেখেছে। প্রশাসনের উচিত এখানে নজরদারি বাড়ানো।’

এ বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিমের সঙ্গে।

পর্যটকদের বর্জ্যে সয়লাব হাওর

তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও কিছুদিন আগে টাঙ্গুয়ার হাওরে গিয়েছি। এখানে রাতে উচ্চ শব্দে গান বাজানো, খাবার খেয়ে বর্জ্যগুলো পানিতে ফেলা হয়। এতে করে টাঙ্গুয়ার হাওর এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

‘আমি মনে করি এখানে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একজন সহকারী কমিশনারের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত টহল বাড়াতে হবে, যাতে করে এসব বন্ধ করা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ময়লা-আবর্জনা-প্লাস্টিক ফেলার জন্য মাঝি ও তার সহযোগীদের প্রশিক্ষণ দেয়া জরুরি, যেন তাদের মাধ্যমে পর্যটকরা সচেতন হন। সেই সঙ্গে দেশের বৃহত্তম রামসার সাইট হওয়ায় টাঙ্গুয়ার হাওর সংরক্ষণে পর্যটকদের আনাগোনাও নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

পর্যটকদের বর্জ্যে সয়লাব হাওর

তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কবির বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত এখানে অভিযান চালাচ্ছি। গত বৃহস্পতিবারও আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি।

‘তবে টাঙ্গুয়ার হাওরটি বিশাল হওয়ায় এবং হাওরের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে পর্যটকরা আসায় নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা নিয়মিত এখানে মাইকিং-মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি এবং সেটি অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
উত্তমের কারখানায় পরিত্যক্ত প্লাস্টিক থেকে সুতা
ময়লার ভাগাড়ে সাড়ে তিন বছরের দুর্ভোগ
বায়ুদূষণ: ৪০ শতাংশ ভারতীয়দের আয়ু কমছে
সড়ক যেখানে অপরূপ সুন্দর
আবর্জনার শহরে পরিণত হচ্ছে হবিগঞ্জ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
1 arrested with 16 gold bars from Jessore border

যশোর সীমান্ত থেকে ১৬টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১

যশোর সীমান্ত থেকে ১৬টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১
খুলনা বিজিবি-২১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর রহমান (পিএসসি) জানান, শার্শার গোগা সীমান্ত দিয়ে বৃহৎ একটি স্বর্ণের চালান পাচার হবে- এমন খবর পেয়ে গোগা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকার ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেন। পরে তার শরীরে লুকিয়ে রাখা ১৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়।

যশোরে ১৬টি সোনার বারসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শার্শার গোগা সীমান্ত থেকে বুধবার সকাল ৯টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

৪০ বছর বয়সী জনি বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা বিজিবি-২১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর রহমান (পিএসসি) নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শার্শার গোগা সীমান্ত দিয়ে বৃহৎ একটি স্বর্ণের চালান পাচার হবে- এমন খবর পেয়ে গোগা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকার ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেন। পরে তার শরীরে লুকিয়ে রাখা ১৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়।

‘এ বারগুলোর ওজন এক কেজি ৮৪৬ গ্রাম। আটক সোনার বারের আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি ৫৩ লাখ টাকা।’

সোনার বারসহ আটক আসামি জনিকে শার্শা থানায় দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বাসের সিটের নিচে ১০ পিস সোনার বার
১ গ্রামের স্বর্ণের বার বাজারে আনলেন সাকিব
লক্ষ্মীদাঁড়ি সীমান্তে ১৫টি সোনার বারসহ আটক ১
যশোরে ২০টি সোনার বার উদ্ধার, আটক ১
২.৪ কেজি সোনা ফেলে দৌড় 

মন্তব্য

জীবনযাপন
Chittagong naval base mosque bomb 5 militants sentenced to death

চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটির মসজিদে বোমা: ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটির মসজিদে বোমা: ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ৫ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম বুধবার সকালে এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মনোরঞ্জন দাশ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও আসছে...

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
কন্যাকে পায়ে পিষে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড
ব‍্যবসায়ী হত‍্যা মামলায় ২ জনের মৃত‍্যুদণ্ড
স্ত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ক্ষমা বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

জীবনযাপন
Medical students protest in Barishal demanding safe halls

নিরাপদ হলের দাবিতে ব‌রিশা‌লে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বি‌ক্ষোভ

নিরাপদ হলের দাবিতে ব‌রিশা‌লে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বি‌ক্ষোভ অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তরা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

নিরাপদ হলের দাবিতে অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্রশাস‌নিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তিনটি করে আলাদা ছয়টি হল রয়েছে; যার প্রতিটি হলের অবস্থাই জরাজীর্ণ। প্রায় প্রতিনিয়তই হলগুলোর ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ে। এতে অনেক সময় অনেক শিক্ষার্থী আহত হচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ বলছেন, শিগগির তারা সংস্কার কাজ শুরু করবেন।

হলের আবা‌সিক শিক্ষার্থী লিসা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছাত্রী হ‌লের অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিনিয়ত আতংকের মধ্যে থাকতে হয় আমাদের। এখন নিরাপদ হল আমা‌দের দাবি।’

শিক্ষার্থী এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তরা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

তাহসিন আহ‌ম্মেদ বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। দ্রুত এই ছাত্রদের পুন:আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

আবাসন সংকট নিরসনের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, কিন্তু হল নির্মাণ করা হয়নি। আবাসন সংকট নিরসনে নতুন হল নির্মাণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

হুঁশিয়ারি দিয়ে চতুর্থ ব‌র্ষের শিক্ষার্থী সাগর ‌হো‌সেন ব‌লেন, ‘সাত দি‌নের ম‌ধ্যে হল নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ দেখ‌তে চাই। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ হ‌লের ছাত্র-ছাত্রী‌দের নিরাপদ স্থা‌নে রাখার দাবি জানাই। তা না হ‌লে অ‌নি‌র্দিষ্টকা‌লের জন্য অ্যাকা‌ডে‌মিক কার্যক্রম বন্ধ থাক‌বে।’

মেডিক্যাল ক‌লেজের অধ্যক্ষ ম‌নিরুজ্জামান শাহীন নিউজবাংলাকে ব‌লেন, ‘স‌চিব ম‌হোদয় কিছুক্ষণ আ‌গে ফোন ক‌রে হো‌স্টেল সংস্কা‌রের কথা ব‌লে‌ছেন। আমরা অ‌তি দ্রুত কাজ শুরু কর‌ব। এ ছাড়া ক‌লে‌জে দুই‌টি হো‌স্টেল নির্মাণ কাজ শিগগির শুরু হ‌বে।’

আরও পড়ুন:
রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও
হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ
সাংবাদিক মারধরে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের পিটুনি: ঢাবিতে বিক্ষোভ
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মন্তব্য

জীবনযাপন
20 were injured in the clash over arranging the wedding gate stage

‘বিয়ের গেট-মঞ্চ সাজানো’ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০

‘বিয়ের গেট-মঞ্চ সাজানো’ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) শাহিন বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়েছে। দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ানোর কারণে টানা আড়াই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরের মধ্যে মামলা হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় ২০ জন আহত হওয়ার খবর জানা গেছে। এ ঘটনায় সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দৌলতপুর ও সীতারামপুর গ্রামের লোকজনদের মধ্যে দফায় দফায় মঙ্গলবার রাতে এ সংঘর্ষ হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সীতারামপুর গ্রামের রিয়াজুদ্দিন গোষ্ঠীর রাজুর বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছিল। রাতে ছিল গায়ে হলদু। তবে সেই বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের কাজ পেল দৌলতপুর গ্রামের হাসান আলী বাড়ির এক ছেলে।

ডেকোরেশনের মধ্যে ছিল বিয়ের গেট ও মঞ্চ আলোকসজ্জা করা। ডেকোরেশনের এ কাজ সিতারামপুর গ্রামের লোকজনের ভালো লাগেনি দেখে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়েছে। দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ানোর কারণে টানা আড়াই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরের মধ্যে মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
জমিতে মিলল বাইকচালকের মরদেহ, আটক ২
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
প্রবাসে যাওয়ার টাকা ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০
পার্লার ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
পুলিশ বন্ধু, ভোলার প্রাণহানি দুর্ঘটনা: বিএনপি নেতা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Girder accident Burial of Rubel in Meherpur

গার্ডার দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে দাফন রুবেলের

গার্ডার দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে দাফন রুবেলের মেহেরপুরে রুবেলের মরদেহ পেয়ে স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় রুবেল হোসেনের দাফন নিজ বাড়ি মেহেরপুরে হয়েছে।

সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ভোরে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে তার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট ছিটকে প্রাইভেট কারে পড়ে দুই শিশুসহ পাঁচ আরোহী নিহত হন। দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

তারা হলেন ২৬ বছর বয়সী হৃদয় ও ২১ বছর বয়সী রিয়ামনি, যাদের বিয়ে হয়েছে গত শনিবার। সোমবার ছিল বউভাত।

হৃদয়ের বাড়ি রাজধানীর কাওলায়। বউভাত শেষে কনের বাড়ি আশুলিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা। ছেলের বাবা রুবেল গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

রুবেল ছাড়াও যারা মারা গেছেন তারা হলেন কনের মা ফাহিমা বেগম, তার বোন ঝরনা বেগম, ৬ বছর বয়সী জান্নাত ও দুই বছর বয়সী জাকারিয়া।

নিহত এই চারজনের দাফন মঙ্গলবার রাতে জামালপুরে সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গাফিলতি যারই থাকুক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সড়ক সচিব
পাঁচ প্রাণ ঝরার পর নিরাপত্তায় জোর বিআরটি এমডির
বিআরটি প্রকল্প পরিচালককেও তদন্তের আওতায় চান প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের
গার্ডার দুর্ঘটনা: স্ত্রী-সন্তান হারানোর শোক কীভাবে সইবেন জাহিদ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Girder accident 4 people buried

গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের

গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজনের দাফন হয়েছে জামালপুরে। ছবি: নিউজবাংলা
সরেজমিনে দেখা যায়, লাল নীল বাতির সঙ্গে সাইরেন বাজিয়ে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি এগিয়ে এলে ভিড় জমায় শত শত উৎসুক জনতা। আর অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় স্বজনদের চিৎকার। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ। হঠাৎ এমন মৃত্যুতে হতবাক নিহতদের স্বজনসহ এলাকাবাসীও।

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় চারজনের দাফন হয়েছে নিজ বাড়ি জামালপুরে।

মেলান্দহ উপজেলার আগ পয়লা গ্রামে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঝরনা বেগম এবং তার দুই শিশুসন্তান জাকারিয়া ও জান্নাতের দাফন সম্পন্ন হয়।

ইসলামপুর উপজেলার লাউদত্ত গ্রামে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে কনের মা ফাহিমা বেগমকে নিজ বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হয়।

গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের

সরেজমিনে দেখা যায়, লাল নীল বাতির সঙ্গে সাইরেন বাজিয়ে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি এগিয়ে এলে ভিড় জমায় শত শত উৎসুক জনতা। আর অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় স্বজনদের চিৎকার। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ। হঠাৎ এমন মৃত্যুতে হতবাক নিহতদের স্বজনসহ এলাকাবাসীও।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের ভায়াডাক্ট ছিটকে প্রাইভেট কারে পড়ে দুই শিশুসহ পাঁচ আরোহী নিহত হন। দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তারা হলেন ২৬ বছর বয়সী হৃদয় ও ২১ বছর বয়সী রিয়ামনি, যাদের বিয়ে হয়েছে গত শনিবার। সোমবার ছিল বউভাত।

হৃদয়ের বাড়ি রাজধানীর কাওলায়। বউভাত শেষে কনের বাড়ি আশুলিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা। ছেলের বাবা রুবেল গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

রুবেল ছাড়াও যারা মারা গেছেন তারা হলেন কনের মা ফাহিমা বেগম, তার বোন ঝরনা বেগম, ৬ বছর বয়সী জান্নাত ও দুই বছর বয়সী জাকারিয়া।

আরও পড়ুন:
গাফিলতি যারই থাকুক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সড়ক সচিব
পাঁচ প্রাণ ঝরার পর নিরাপত্তায় জোর বিআরটি এমডির
বিআরটি প্রকল্প পরিচালককেও তদন্তের আওতায় চান প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের
গার্ডার দুর্ঘটনা: স্ত্রী-সন্তান হারানোর শোক কীভাবে সইবেন জাহিদ

মন্তব্য

জীবনযাপন
As a result the students of Khubi returned with the assurance of meeting the demands

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে খুবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বঁটি চালান। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বঁটি, চাকু এমনকি রাইস কুকারও নিষিদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রশাসনের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে মধ্যরাতে হলে ফিরে গেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

হল থেকে রাইস কুকার ও রান্নার অন্যান্য সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশনা বাতিলসহ ১১ দফা দাবিতে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করেন অপরাজিতা হলের ছাত্রীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে অবস্থান নেন তারা। সেখানে তাদের সঙ্গে যোগ দেন অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরাও।

রাত দেড়টার দিকে শিক্ষর্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে লিখিত দেন অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রহিমা নুসরাত রিম্মি। পরে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যান।

শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বঁটি চালান। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বঁটি, চাকু এমনকি রাইস কুকারও নিষিদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

অপরাজিতা হলের ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘আমাদের ডাইনিংয়ের খাবারের মান খুবই খারাপ। তার মধ্যে রাইস কুকার নিষিদ্ধ করা হলো। রান্নার সব সরঞ্জামও হলে রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।’

লীমা নামের আরেক ছাত্রী বলেন, ‘আন্দোলনে আসতে আমাদের বাধা দেয়া হয়েছিল। আমরা হলের দুটি তালা ভেঙে নেমেছিলাম।’

আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মো. শরীফ হাসান লিমন এসেছিলেন। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে ফিরে যান।

পরে রাত দেড়টায় প্রভোস্ট শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে লিখিত দেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-

১. রাইস কুকার ও হলের রান্নার সরঞ্জামাদি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।

২. সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্টের প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলার কারণে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারিবারিক শিক্ষা তুলে কথা বলায় ক্ষমা চাইতে হবে।

৩. হলে প্রয়োজনে অভিভাবক ও মহিলা আত্মীয়দের থাকার অনুমতি প্রদান করতে হবে।

৪. পানির পোকা ও খাবারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

৫. প্রভোস্ট তার নিজ ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টদের ডেকে নিয়ে ব্যক্তিগত এবং অ্যাকাডেমিক বিষয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে ও ক্ষমা চাইতে হবে।

৬. হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

৭. যেকোনো পরিস্থিতিতে সিট বাতিলের হুমকি দেয়া বন্ধ করতে হবে।

৮. যেকোনো পরিস্থিতিতে হলের ছাত্রীদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

৯. হলের মিল খাওয়া বাধ্যতামূলক করা যাবে না।

১০. আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেয়া যাবে না।

১১. এ দাবিগুলো না মানলে প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

মন্তব্য

p
উপরে