এবার তিস্তার তীরে মৃত ডলফিন

এবার তিস্তার তীরে মৃত ডলফিন

কাউনিয়া উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বলেন, ‘উজানের ঢলে মাছটি ভারত থেকে ভাসতে ভাসতে চলে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে... এর ওজন প্রায় সাড়ে তিন মণ।’

রংপুরের কাউনিয়ায় তিস্তা নদীর তীরে ভেসে এসেছে সাড়ে তিন মণ ওজনের একটি মৃত ডলফিন।

উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নে তিস্তা নদীর তীর থেকে মঙ্গলবার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে সেটি।

কাউনিয়া উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জেলেরা সকালে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ওই মরা ডলফিনটি দেখতে পান। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে সেটি উদ্ধার করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি এটি ডলফিনের বাচ্চা। মাছটির দৈর্ঘ্য ৯ ফুট এবং প্রস্থ ৩ ফুট। এর ওজন প্রায় সাড়ে তিন মণ।’

জহুরুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক জেলে বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন নদীতে মাছ ধরি। আজ সকালে চরগনাই এলাকায় মাছ ধরতে যাই। হঠাৎ দেখি কী যেন ভাসছে। আমরা ভেবেছি মরা মানুষ হবে। পরে দেখি মানুষ না। এরপর আমরা তুলি নিয়ে আসি।’

টেপামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি জানান, মৎস্য কর্মকর্তারা গিয়ে মাছটি ডলফিন বলে শনাক্ত করেন।

মৎস কর্মকর্তা মাহবুবুল বলেন, ‘উজানের ঢলে মাছটি ভারত থেকে ভাসতে ভাসতে চলে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাটিতে এটিকে পুঁতে ফেলা হবে।’

এর আগে এ বছর বিভিন্ন সময় পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, কক্সবাজার, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, হালদা ও কর্ণফুলীতে ভেসে এসেছিল ১৪টির বেশি মৃত ডলফিন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কাঁচকি মাছের চানাচুর, বার

কাঁচকি মাছের চানাচুর, বার

গবেষক মোবারক হোসেন বলেন, প্রতি কেজি মাছের তৈরি বার বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা ৬০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন। মাছের চানাচুরের দাম নির্ধারণ করা হবে মাছের পরিমাণের ওপর। চানাচুরে মাছের পরিমাণ যত বেশি হবে তার দামও তত বেশি হবে।

কাঁচকি মাছের পুষ্টি ছড়িয়ে দিতে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চানাচুর, কুড়কুড়ে বাদাম ও তিলের বার তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের একদল গবেষক।

হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাঁচকি মাছ গুরুত্বপূর্ণ। তবে পুষ্টিসমৃদ্ধ এ মাছ খেতে শিশুসহ অনেকেই অনাগ্রহী। তাই মাছটির পুষ্টিগুণ বিবেচনায় মুখরোচক খাবার হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে প্রকল্পের আওতায় গবেষণাটি পরিচালনা করেন গবেষকরা।

গবেষক দলের প্রধান ছিলেন- ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের মুহম্মদ নুরুল হায়দার ও সহযোগী গবেষক ছিলেন একই বিভাগের মোবারক হোসেন।

সোমবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন গবেষক দলের প্রধান।

নুরুল হায়দার বলেন, কাঁচকি মাছ পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ দেশি প্রজাতির কাঁটাযুক্ত, খুব ছোট ও প্রায় স্বচ্ছ একটি মাছ। মাছটি দেশের নদ-নদী, খাল-বিলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। আকারে ছোট ও কাঁটাযুক্ত হওয়ায় অনেকেই এটি খেতে পছন্দ করেন না। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা খেতে চায় না। বিকল্প উপায়ে তাদের সেই পুষ্টি গ্রহণের উপায় গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিশুসহ সব বয়সী মানুষের চানাচুর এবং বার জাতীয় খাবারটি খুব পছন্দের। তাই ক্যাটাগরি-১ এর পণ্যগুলো মূলত চানাচুর জাতীয়। অন্যদিকে ক্যাটাগরি-২ এর পণ্যগুলো মূলত কুড়কুড়ে বাদাম ও তিলের বার জাতীয় করে তৈরি করা হয়েছে। এতে করে তারা এসব মুখরোচক খাবারের সঙ্গে মাছের পুষ্টিও নিতে পারবেন।

মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশ নিউট্রিশন ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখা গেছে- চানাচুর জাতীয় পণ্যগুলোতে গড়ে ৪-৫ শতাংশ ময়েশ্চার, ২৬-৩০ শতাংশ লিপিড, ১৮-২২ শতাংশ প্রোটিন, ৫ শতাংশ মিনারেল, ২ শতাংশ ফাইবার এবং ৩৯-৪২ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। যেখানে সাধারণ চানাচুরে প্রোটিন থাকে ১২-১৩ শতাংশ।

বার জাতীয় পণ্যগুলোতে ২০-২২ শতাংশ ময়েশ্চার, ১৩-১৯ শতাংশ লিপিড, ১৩-১৫ শতাংশ প্রোটিন, ১২-১৫ শতাংশ মিনারেল, ২-৩ শতাংশ ফাইবার এবং ৩২-৩৪ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়।

কাঁচকি মাছের চানাচুর, বার


গবেষক মোবারক হোসেন বলেন, ছোট মাছের কাঁটা খেতে হবে চিবিয়ে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম পাওয়া যাবে। অন্যদিকে গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে এ কাঁচকি মাছ।

তিনি বলেন, এজন্য দুটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৬টি পণ্য উৎপাদন করেছি। ক্যাটাগরি-১ এর পণ্যগুলো মূলত চানাচুর জাতীয় অন্যদিকে, ক্যাটাগরি-২ এর পণ্যগুলো মূলত কুড়কুড়ে বাদাম ও তিলের বার (যা স্থানীয়ভাবে তিল বাদাম তক্তি হিসেবে পরিচিত) তৈরি করা হয়েছে। এতে এসব মুখরোচক খাবারে সঙ্গে মাছের পুষ্টিও গ্রহণ করতে পারবে।

খাদ্যপণ্য তৈরির বিষয়ে তিনি বলেন, তিল এবং বাদামের পণ্যগুলো তৈরি করা হয় বাদাম, মাছ, তিল এবং গুঁড়ের সমন্বয়ে। প্রথমে উপাদানগুলো হাইজেনিক পদ্ধতিতে শুষ্ক করে নেয়া হয়। ভেজে নেয়া হয় মাছ, তিল এবং বাদাম। মাছগুলো ভাজা হয় মিডিয়াম তাপমাত্রায়। পরে আখের গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা হয় বার।

অন্যদিকে বাজারের তৈরি চানাচুরের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত মাছ মিশিয়ে তৈরি করা হয়েছে চানাচুর। মাছ দিয়ে তৈরি এসব পণ্যে মাছের কোনো গন্ধ থাকে না। জিপার ব্যাগে পণ্যগুলো দুই মাসের বেশি সময় পর্যন্ত ভালো থাকে।

পণ্যগুলোর বাজারমূল্য সম্পর্কে মোবারক হোসেন বলেন, প্রতি কেজি মাছের তৈরি বার বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা ৬০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন। মাছের চানাচুরের দাম নির্ধারণ করা হবে মাছের পরিমাণের ওপর। চানাচুরে মাছের পরিমাণ যত বেশি হবে তার দামও তত বেশি হবে।

বাজারে প্রাণ-এর ২৫ গ্রাম ওজনের যে পিনাট বার পাওয়া যায় তার দাম ১০ টাকা। তবে মাছের তৈরি বিশেষ এ বারের দাম পড়তে পারে ১৫-২০ টাকা।

ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ফাতেমা হক শিখা বলেন, কাঁচকি মাছ দিয়ে তৈরি খাদ্যপণ্যগুলো পুষ্টিসমৃদ্ধ। এ ধরনের পণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা গেলে দেশীয় পুষ্টিকর ছোট মাছগুলো সব শ্রেণির ভোক্তাদের মাঝে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। যা বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি মুখরোচক খাদ্য হিসেবেও জনপ্রিয়তা পাবে।

শেয়ার করুন

আর ধোঁকা খেতে রাজি নই, প্রধানমন্ত্রীকে সাকি

আর ধোঁকা খেতে রাজি নই, প্রধানমন্ত্রীকে সাকি

সাকি বলেন, ‘প্রয়োজনে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। তার জন্য সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে তাদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। যারা যারা এখনো গড়িমসি করে রাস্তায় নামছেন না, তাদের রাস্তায় নামাতে হবে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ছাড়া নির্বাচনে গিয়ে আর ধোঁকা খেতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

রংপুরের সুমি কমিউনিটি হলরুমে সোমবার দুপুরে দলটির ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সাকি বলেন, ‘আপনি বলেছিলেন সুষ্ঠু নির্বাচন দেবেন কিন্তু কথা রাখেন নাই। কথা না রেখে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। কাজেই আপনার কথায় আর কেউ বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ আপনার পদত্যাগ চায়।’

তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনে আপনাকে সম্মান দিয়ে আমরা রাজনৈতিক দলগুলো আপনার ডাকে গিয়েছিলাম। ২৯ তারিখ রাতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী দিয়ে, প্রশাসনের লোকজন দিয়ে, নিজেদের গুন্ডাবাহিনী দিয়ে রাতে ব্যালট ছাপিয়ে নিলেন। ব্যালট বাক্স ভরে নিলেন।

‘কোথাও কোথাও ভোটই আছে ১০০ সেখানে পড়েছে, ১১০ বা ১২০টা। এতই অতি উৎসাহী ছিলেন তারা। আমরা জনগণ আর ধোঁকা খেতে রাজি নই। সুষ্ঠু নির্বাচনের নমুনা মানুষ দেখেছে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেশে আরেকটি নির্বাচনের জন্য লড়াইয়ের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। তার জন্য সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে তাদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

‘যারা যারা এখনো গড়িমসি করে রাস্তায় নামছেন না, তাদের রাস্তায় নামাতে হবে। সবাইকে আন্দোলনে নামিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পথ সৃষ্টি করতে হবে।’

শেয়ার করুন

ধলেশ্বরী নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার 

ধলেশ্বরী নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার 

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদী থেকে শেখ মো. মাহতাব নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

রোববার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন মাহতাব। রাতে বাড়ি না ফিরলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে তার সন্ধান পাওয়া যায় না। সোমবার দুপুরে তার মরদেহ মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদী থেকে উদ্ধার করে নৌপুলিশ।

মুন্সিগঞ্জ সদরে ধলেশ্বরী নদী থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।

সদরের পুরাতন কাঠপট্টি লঞ্চঘাট এলাকা থেকে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মুক্তারপুর নৌপুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলামিন।

মৃত ব্যক্তির নাম শেখ মো. মাহতাব। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বাতানপাড়া গ্রামে।

পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন মাহতাব। রাতে বাড়ি না ফিরলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে তার সন্ধান পাওয়া যায় না।

সোমবার সকালে স্থানীয়রা কাঠপট্টি ঘাটের কাছে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে ৯৯৯-এ কল করে জানায়। মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।

এসআই আলামিন জানান, মাহতাবের পকেটে থাকা কাগজপত্র থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। সুরতহালে মাহতাবের দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গ্রামের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

কর্ণসূতি গ্রামের মোড়ল শামিম আহম্মেদ জানান, জান্নাতুল ও প্রতিবেশী মিথিলা বাড়ির পাশে খালে ভেলায় করে খেলছিল। একপর্যায়ে তারা দুজনই খালের পানিতে পড়ে যায়। পরে তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে জান্নাতুলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরেক শিশু।

উপজেলার কর্ণসূতি গ্রামে সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

৫ বছর বয়সি জান্নাতুল খাতুন ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে।

এ ঘটনায় মিথিলা নামে আরেক শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কর্ণসূতি গ্রামের মোড়ল শামিম আহম্মেদ জানান, কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে শিশু জান্নাতুল তাদের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। জান্নাতুল ও প্রতিবেশী মিথিলা বাড়ির পাশে খালে ভেলায় করে খেলছিল।

একপর্যায়ে তারা দুজনই খালের পানিতে পড়ে যায়। মিথিলা ছটফট করতে থাকলে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

মোড়ল শামিম আরও জানান, বাড়ির আশপাশে কোথাও জান্নাতুলকে না পেয়ে খালে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে জাল দিয়ে খুঁজতে খুঁজতে পানির নিচ থেকে জান্নাতুলকে উদ্ধার করা হয়।

পরে দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে জান্নাতুলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত মিথিলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শেয়ার করুন

দালাল চক্রের ৩ সদস‍্যকে জরিমানা

দালাল চক্রের ৩ সদস‍্যকে জরিমানা

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের তিন সদস‍্যকে জরিমানা করেছে ভ্রাম‍্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাহী ম‍্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম জানান, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে একটি দালাল চক্র রোগীদের ভুল তথ‍্য দিয়ে ব‍্যক্তিমালিকানাধীন বেসরকারি ক্লিনিক ও বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করে আসছিল।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের তিন সদস‍্যকে জরিমানা করেছে ভ্রাম‍্যমাণ আদালত।

সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন, শাজাহান আলী, বাকের আলী এবং সোহাগ হোসেন।

নির্বাহী ম‍্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম জানান, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের একটি দালাল চক্র রোগীদের ভুল তথ‍্য দিয়ে ব‍্যক্তিমালিকানাধীন বেসরকারি ক্লিনিক ও বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করে আসছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বেলা ২টার দিকে ওই হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তিন দালালকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ সময় কয়েকজনকে মুচলেকা দিয়ে এমন অপরাধ না করার শর্তে ছেড়ে দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর আর নেই

সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর আর নেই

সুনামগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক পীর মারা গেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

একজন প্রতিবাদী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি জেলাব্যাপী শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের সময় চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মিছিল করে গ্রেপ্তার হন।

সুনামগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সদস্যসচিব মারা গেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হোসেন পীর সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় মারা যান। এ সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী তেঘরিয়া পীর বাড়ির ছয় সন্তানের মধ্যে সবার বড় মালেক হোসেন পীর। ১৯৭১ সালে দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বাড়ি থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তিনি।

যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পাশাপাশি সামাজিক নানা আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন।

জেলাব্যাপী একজন প্রতিবাদী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তিনি এরশাদ সরকারের সময় চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মিছিল করে গ্রেপ্তার হন।

জেলা আওয়ামী লীগের দুই বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল হুদু মুকুট, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আরও অনেকে।

শেয়ার করুন

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

সাগর হালদারের জালে ১৬ কেজি ওজনের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে প্রায় ১৬ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে পদ্মা নদী থেকে সোমবার দুপুর ১টার দিকে জেলে সাগর হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

তিনি জানান, দুপুর ১টার দিকে ১৫ কেজি ৮০০ গ্রামের মাছটি পেয়ে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কে শাকিল সোহান মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। আড়ত মালিক শাজাহান শেখ মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

পরে মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ মোবাইলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে ঢাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে ২৩ হাজার ৭০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

শেয়ার করুন