মাথাব্যথা কমাতে ঘরোয়া পদ্ধতি

মাথাব্যথা কমাতে ঘরোয়া পদ্ধতি

ক্যাফেইনের মাথাব্যথা কমানোর সুনাম আছে। তাই কফি খেতে পারেন। রং-চা খেলেও অনেকের মাথাব্যথা কমে আসে।

হঠাৎ করেই শুরু হতে পারে মাথাব্যথা। যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন এই সমস্যায়। ডাক্তারের কাছে গেলে মিলবে ওষুধ। তবে তার আগে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখুন, ব্যথাটা কমে কি না।

ঘরে তীব্র আলো থাকলে মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। তাই আলো কমিয়ে দেখতে পারেন উপকার হয় কি না। সম্ভব হলে ঘর অন্ধকার করে বিশ্রাম নিন।

মাথা ও ঘাড়ে গরম অথবা ঠাণ্ডা সেক দিতে পারেন। এটি ব্যথা কমাতে কার্যকর। সঙ্গে কেউ থাকলে তাকে বলুন, হালকা ম্যাসাজ করতে। তাহলে আরাম পাবেন।

ক্যাফেইনের মাথাব্যথা কমানোর সুনাম আছে। তাই কফি খেতে পারেন। রং-চা খেলেও অনেকের মাথাব্যথা কমে আসে।

কপালের দুই পাশে দুটি শিরা আছে। মাথাব্যথা শুরু হলে আঙুলের ডগা দিয়ে সেগুলোতে চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করলে আরাম পাওয়া যায়।

কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় মাথাব্যথা শুরু হলে ডিভাইসগুলো থেকে সরে আসুন।

অতিরিক্ত কোলাহল এড়িয়ে চলুন। পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখুন।

দিনের বেলা বাইরে গেলে রোদচশমা ব্যবহার করতে পারেন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে

গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে

রঙের দাগ শুকিয়ে গেলে ভয়ের কিছু নেই। এ ধরনের দাগ তুলতে নেইল পলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন।

কেউই চান না তার প্রিয় গাড়িটিতে দাগ লাগুক। কিন্তু দুর্ঘটনাবশত লেগে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। অনেকে মনে করেন এই দাগ তোলা কঠিন। আসলেই কঠিন। তবে কয়েকটি নিয়ম মানলে সহজেই তোলা যায় গাড়িতে লাগা যেকোনো দাগ।

পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ

গাড়ি থেকে পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ তুলতে ব্যবহার করুন বডি স্প্রে। দাগের ওপর স্প্রে করে সুতি কাপড় দিয়ে আলতো করে ঘষতে হবে। এতে দাগ হালকা হবে এবং ধীরে ধীরে চলেও যাবে। কেরোসিন তেল ব্যবহার করেও মার্কারের দাগ তোলা যায়।

অ্যাক্রেলিক রং

হালকা গরম পানিতে গুঁড়া সাবান মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটিতে সুতি কাপড় ভিজিয়ে রং পুরোপুরি না ওঠা পর্যন্ত দাগের ওপরে ঘষুন। তবে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী কার ওয়াশিং সল্যুশন।

শুকিয়ে যাওয়া রং

রঙের দাগ শুকিয়ে গেলে ভয়ের কিছু নেই। এ ধরনের দাগ তুলতে নেইল পলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন।

মরিচার দাগ

মরিচার দাগ তুলতে সবচেয়ে কার্যকর ভিনেগার। যেখানে মরিচা পড়েছে সেখানে অল্প পরিমাণ ভিনেগার স্প্রে করে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

স্প্রে রং

এ ধরনের রং তোলা কিছুটা মুশকিল। তাই এ রং ঢেকে ফেলতে হবে। গ্যারেজে নিয়ে রং লাগা জায়গাটি নতুন করে পলিশ করে নেয়াই ভালো। এরপরও যদি দেখতে খারাপ লাগে তাহলে সম্পূর্ণ রং তুলে নতুন করে রং করে নিতে হবে।

মনে রাখতে হবে, দাগ তোলার ক্ষেত্রে মেটাল স্ক্র্যাবার ব্যবহার করা যাবে না। তাতে গাড়ির রং উল্টো উঠে যেতে পারে। দাগ তুলতে পেট্রোল ব্যবহারও নিষেধ। কারণ পেট্রোল গাড়ির উজ্জ্বলতা নষ্ট করে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

সুস্থ শরীর আত্মবিশ্বাস জোগাতে সাহায্য করে। ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়লে মন ভেঙে যায়। কমে যায় আত্মবিশ্বাসও।

‘আত্মবিশ্বাস’ মানুষকে বিজয়ী করে তুলতে সাহায্য করে। তবে আমরা অনেকেই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারি না। যার কারণে সহজ লক্ষ্যে পৌছাতেও বেগ পেতে হয়। জীবনে সাফল্য পেতে চাইলে আত্মবিশ্বাস থাকতেই হবে।

কিছু কৌশল মেনে চললে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়। চলুন দেখে নেই কী সেগুলো।

নিজেকে জানুন

প্রথমেই নিজেকে জানতে চেষ্টা করুন। নিজের সম্পর্কে যে খারাপ ধারণাগুলো আপনার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেগুলো পরিবর্তন করুন। মনে রাখবেন, কোনো মানুষই পুরোপুরি সঠিক হতে পারেন না। তাই কোনো বিষয়েই নিজেকে দোষারোপ না করে বরং ইতিবাচক চিন্তা করুন। যত কঠিন কাজই হোক না কেন, নিজেকে বলুন, ‘আমিও পারি’।

শারীরিক সুস্থতা জরুরি

সুস্থ শরীর আত্মবিশ্বাস জোগাতে সাহায্য করে। ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়লে মন ভেঙে যায়। কমে যায় আত্মবিশ্বাসও। তাই শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। সঠিক খাদ্যাভাস গড়ে তুলুন।

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা থাকলে কাজ করতে সহজ হয়। আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রম দিয়ে ধীরে ধীরে লক্ষ্যের দিকে আগানো যায়। একসঙ্গে অনেক বড় লক্ষ্য নির্ধারণ না করে ছোট ছোট স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটানো বুদ্ধিমানের কাজ।

মন শক্ত রাখুন

‘আমি বোধ হয় পারব না’ বা ‘আমাকে দিয়ে হবে না’- এ ধরনের ভাবনা মনে আসতে দেয়া যাবে না। কারণ মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে আত্মবিশ্বাসও কমে যায়। মনকে প্রফুল্ল রাখার জন্য ঘুরতে যান, গান শুনুন কিংবা নিজেকেই নিজে উপহার দিন।

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

অন্যকে সাহায্য করুন

অন্যকে সাহায্য করলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ‘আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না’- যারা ভাবেন, তারা অন্যকে সাহায্য করলে মানসিক প্রশান্তি পাবেন। উদাহরণ স্বরূপ রক্তদান করতে পারেন। তাহলে দেখবেন, আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। বুঝতে পারবেন, আপনাকে দিয়েও কিছু হয়।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ মেপে দেখেছে, লুয়ের প্রতিটি কান ১২.৩৮ ইঞ্চি লম্বা।

কুকুরটির নাম লু।

আমেরিকার ওরেগন রাজ্যের পেইগি ওলসেনের পোষা কুকুর সে।

সম্প্রতি লু গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠিয়েছে।

পৃথিবীতে তার চেয়ে লম্বা কান আর কোনো কুকুরের নেই।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ মেপে দেখেছে, লুয়ের প্রতিটি কান ১২.৩৮ ইঞ্চি লম্বা।

ব্ল্যাক অ্যান্ড ট্যান কুনহাউন্ড জাতের কুকুর লু। ওর বয়স ৩ বছর।

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড
লু আর তার মালিক পেইগি ওলসেন।

লুয়ের মালিক পেইগি বলেন, `ব্ল্যাক অ্যান্ড ট্যান কুনহাউন্ড জাতের কুকুরের কান এমনিতেই লম্বা হয়। তবে লুয়ের কান অন্যদের চেয়ে অনেক লম্বা।’

তিনি আরও বলেন, ‘লুর লম্বা কান অনেক আগে থেকেই আমি খেয়াল করেছিলাম কিন্তু কখনো মাপিনি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় যখন ওকে আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে আসি, তখন আমি কান মেপে অবাক হয়ে যাই। এরপরই আমি গিনেস ওয়ার্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুরু টিকাদান ক্যাম্পেইন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুরু টিকাদান ক্যাম্পেইন

গত টিকাদান ক্যাম্পেইনের সময় একটি কেন্দ্রের সামনে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এটি আসলে গণটিকা নয়। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

নিউজবাংলাকে রোববার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। ওই সময় যারা করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শেষ হয়।

আগের ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার দেয়া হয় নারী ও বয়স্কদের। সে ক্যাম্পেইনে ৪৬ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হয়।

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এটি আসলে গণটিকা নয়। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন।’

এর আগে গত রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

তিনি বলেছিলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাসে ২ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যের ডিজি বলেছিলেন, ‘টিকা সরবরাহ এখন বেশ ভালো। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। আমরা সামনের দিনগুলোতে টিকা পাওয়ার উৎসও নিশ্চিত করেছি।

‘এরই ধারবাহিকতায় মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১ কোটি থেকে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। সে লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কী করে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করা যায়, এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট আছি।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

ডাবের পানির উপকারিতা

ডাবের পানির উপকারিতা

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ডাবের পানি কার্যকর। কেননা এটি ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডাবের পানি অত্যন্ত সুস্বাদু। ছোট-বড় প্রায় সবাই এটি পছন্দ করে। প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এই পানীয়টির রয়েছে নানা উপকারিতা।

ডাবের পানির উপকারিতা

বিভিন্ন খনিজ পদার্থে পূর্ণ ডাবের পানি ক্লান্ত শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং সতেজ রাখে। এক কাপ (২৪০ মিলি) ডাবের পানিতে আছে ৬০ ক্যালরি, ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৮ গ্রাম চিনি।

এ ছাড়া দৈনিক চাহিদার ৪% ক্যালসিয়াম, ৪% ম্যাগনেসিয়াম, ২% ফসফরাস এবং ১৫% পটাশিয়ামও পাওয়া যায়।

ডাবের পানিতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট দেহকোষ ধ্বংসকারী ফ্রি-র‍্যাডিকাল থেকেও শরীরকে রক্ষা করে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ডাবের পানি কার্যকর। কেননা এটি ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

কিডনিতে পাথর হওয়া রোধেও ডাবের পানি উপকারী। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়। তাছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো, রক্তচাপের মাত্রা কমানো এবং স্বাভাবিক রাখাতেও এই পানীয়র জুড়ি নেই।

রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে এর অ্যান্টি- থ্রমবোটিকের ভূমিকা রয়েছে। ডাবের পানির পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হৃদপিণ্ড সচল রাখে এবং ওজন কমাতেও সহায়তা করে। এটি অ্যান্টিভাইরাল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

গবেষণা বলে, ব্যায়ামের পর অন্যান্য পানীয়র চাইতে ডাবের পানি অধিক কার্যকর। কেননা এতে প্রচুর পরিমাণ ইলেক্ট্রোলাইটস থাকে। আর এতে থাকা অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টি ত্বকের দাগ ও বলিরেখা দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে।

সূত্র: হেলথলাইন

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

সুরমা যেন আবর্জনার ভাগাড়

সুরমা যেন আবর্জনার ভাগাড়

সিলেট নগরের কুশীঘাট থেকে টুকেরবাজার প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই সুরমাকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে একেবারে বিবর্ণ হয়ে গেছে সুরমা। নদীর পানিতে ভাসছে অসংখ্য আবর্জনার স্তুপ।

দেখে মনে হতে পারে একটা ড্রেন; আবর্জনার ভাগাড়ও মনে হতে পারে। এমনই দশা সিলেট নগরের বুক চিড়ে বয়ে চলা সুরমা নদীর। যেন নগরীর সব কদর্যতা ধারণ করে আছে সুরমা।

তার উপর নদীর দুই তীর দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্থাপনা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসেবেই, সিলেটে সুরমার দুই তীর দখল করে রেখেছেন ১১১ দখলদার। তারা গড়ে তুলেছেন দুই শতাধিক স্থাপনা। তবে পরিবেশকর্মীদের হিসাবে দখলদারের সংখ্যা আরও বেশি।

অব্যাহত দখল ও দূষণে হুমকির মুখে দেশের দীর্ঘতম এই নদী।

বিশ্বের সব দেশের মতো পালিত হচ্ছে বিশ্ব নদী দিবস। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালিত হয় এই দিবস। এবার দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘মানুষের জন্য নদী’।

নদী দিবসে যেন সুরমা তার দুঃখ মেলে ধরেছে। শুষ্ক মৌসুমে এমনিতেই শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয় সুরমা। হেঁটেই পার হওয়া যায় নদীর এপার থেকে ওপার। পলি জমে গজিয়ে ওঠে চর। এর মধ্যে তীর দখল ও নদীতে বর্জ্যের কারণে এখন মৃতপ্রায় সুরমা। বর্ষায় তীর উপচে পানি ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের জনপদে। দেখা দেয় বন্যা।

সিলেট নগরের কুশীঘাট থেকে টুকেরবাজার প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই সুরমাকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে একেবারে বিবর্ণ হয়ে গেছে সুরমা। নদীর পানিতে ভাসছে অসংখ্য আবর্জনার স্তুপ।

নগরীর কাজীর বাজার মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায় ককশিট ও মাছের খাঁচা ভাসছে নদীতে। বাজারের সব আবর্জনা সরাসরি ফেলে দেয়া হয় নদীতে।

কাজীরবাজারের মাছের আড়তের শৌচাগারের পাইপ সরাসরি নামানো হয়েছে নদীতে। সরেজমিন দেখা গেছে, নদীতে গিয়ে পড়ছে শৌচাগারের ময়লা। এছাড়া পাশের বস্তির টয়লেটের ময়লার পাইপও নদীতে সরসরি লিংক করা সুরমায়।

একইভাবে সিলেটের পাইকারী বাজার কালীঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ভেসে যাচ্ছে নদীতে। কালীঘাটের সব আবর্জনা সরাসরি নদীতে ফেলা হয় বলে জানালেন ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবুল হোসেন।

তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে যে আবর্জনা নিয়ে যায় তার চেয়ে পাঁচগুণ আবর্জনা ফেলা হয় নদীতে। নদীর পানি দিন দিন দুষিত হয়ে পড়ছে। ওই পানি হাতে লাগলে চুলকায়।

নগরীর মাছিমপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গৃহস্থালির যাবতীয় ময়লা ফেলা হচ্ছে নদীতে। আবার পাশেই দলবেঁধে নদীতে গোসল করছেন এলাকার লোকজন।

নগরীতে বর্জ্য ব্যবস্থা গড়ে না ওঠা ও পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার নগরবাসীর সচেতনতার অভাবকেও দায়ী করেছেন তারা।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এমরান হোসেন বলেন, ‘নদীর এ চিত্র আমাকেও পীড়া দেয়। আমাদের অফিসটাও নদীর পাশেই। সিলেট সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি আছে। তারা চাইলে নদীর পানি দূষণ রোধ ও আবর্জনা ফেললে ব্যবস্থা নিতে পারত, কিন্তু তারা সেটি করছে না। তারা যদি ব্যবস্থা নেয় তাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা যাবে।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হচ্ছে না। সবার আগে অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। সচেতন হতে হবে। সচেতন হলেই আমাদের নদী রক্ষা করা সম্ভব।’

পরিবেশ অধিদপ্তরের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি তাদের দায়িত্ব। তারা এ ব্যপারে ব্যবস্থা নিতে পারে।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) সিলেটের সমন্বয়ক শাহ শাহেদা জানান, ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে নদী, খাল, পুকুর ভরাট ও দূষণ করা যাবে না, এমনকি শ্রেণি পরিবর্তণ করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। একইভাবে ২০১৩ সালের পানি অধিকার আইনেও পানি নিষ্কাশনে বাধা দেয়া যাবে না বা দূষণ করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া ২০০০ সালের জলাধার আইনেও নদীর শ্রেনী পরিবর্তন করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা থেকে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর পানি দূষণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। এসব তথ্য সংগ্রহ হলেই বেলার পক্ষ থেকে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

বন্ধ উচ্ছেদ অভিযান

২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সুরমা নদীর দখলদারের চিহ্নিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এর মধ্যে সিলেট নগরে সুরমা নদীর ১১১ দখলদারকে চিহ্নিত করা হয়। তারা নদীর ৩ হাজার ৬০০ মিটার জায়গা দখর করে রেখেছেন বলে জানা যায়।

পাউবোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নদীর তীর দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ স্থাপনায় আছে চাউলের আড়ত, মাইকের দোকান, কাপড়-জুতার দোকান, সেলুন, ফার্নিচার, সোনার দোকান, ফাস্টফুডের দোকান ও মাংসের দোকান। তবে প্রকৃত চিত্র এর চেয়ে আরও ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালিকা করার পর ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর সারা দেশে একযোগে নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়। সিলেট নগরসহ কয়েকটি উপজেলায় চলে এই অভিযান। তবে একমাস পরেই এই উচ্ছেদ অভিযান মাঝপথে থেমে যায়।

উচ্ছেদ অভিযান থেমে যাওয়ার পর দখলমুক্ত হওয়া অনেক জায়গায় আবারও অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে।

এ ব্যাপারে পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘প্রকৃত দখলদারের সংখ্যা তালিকার চেয়েও বেশি সন্দেহ নেই। উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ হয়নি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। অভিযান সব সময় চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় পুনরায় দখল হচ্ছে। বিষয়টি আমাদের নোটিসে আছে। যে কোনো সময় সেগুলো আবার উচ্ছেদ করা হবে।’

মৃতপ্রায় বেহাল সুরমার বিষয়ে নদী সুরক্ষার আন্তর্জাতিক অ্যালায়েন্সের সদস্য সুরমা রিভার ওয়াটার কিপার আব্দুল করিম কিম বলেন, ‘অব্যাহত দখল ও দূষণে এই নদী এখন অস্তিত্ব সঙ্কটে। নদীর দূষণ ও দখল ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যে খাবারগুলো খাবেন

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যে খাবারগুলো খাবেন

কোনো কিছু শেখা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ানো, মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বাড়ানো, নিউরনকে সুরক্ষিত রাখাসহ আরও কিছু কাজে ডার্ক চকলেটের ভূমিকা আছে।

আগে চট করে মনে পড়ত, এখন অনেক চেষ্টা করেও প্রয়োজনীয় তথ্য মনে করতে পারেন না?

এ রকম হলে বুঝতে হবে, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমছে।

বয়স বাড়লে এটা হতে পারে। তবে আপনার গ্রহণ করা খাবার থেকে মস্তিষ্ক তার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো না পেলেও স্মৃতিশক্তি কমবে।

তাই আমাদের নজর দিতে হবে খাবারের দিকে। কোন উপাদানগুলো মস্তিষ্কের দরকার, সেটা মাথায় রেখে খাবার গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি আবার ফিরে আসবে।

চলুন দেখে নেই, কোন খাবারগুলো মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন।

স্যামন

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎকৃষ্ট উৎস হলো চর্বিওয়ালা মাছ। মাছের এই চর্বি মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন, কারণ এতে ‘বেটা-অ্যামিলয়েড প্রোটিন’এর মাত্রা কম থাকে। ‘আলৎঝাইমার’স রোগে আক্রান্ত রোগীদের মস্তিষ্কে ‘প্লাক‘ তৈরি করে এই প্রোটিন। সপ্তাহে দুবার মাছ খাওয়া উচিত, তবে এমন মাছ বেছে নিতে হবে, যাতে পারদের মাত্রা কম। এ ক্ষেত্রে স্যামন হলো আদর্শ। কারণ এতে পারদ নেই এবং ‘ওমেগা থ্রি’ বেশি।

জামজাতীয় ফল

মস্তিষ্কের তথ্য ধারণক্ষমতা বাড়াতে এবং বয়সজনিত ক্ষয় কমাতে জামজাতীয় ফলগুলো বিশেষ উপকারী। এতে প্রচুর ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ থাকে, যা মস্তিষ্কের ‘ফ্রি র‌্যাডিক্যাল’ বা মুক্ত মৌলকে নিষ্ক্রিয় করে। আর এ জন্যই জামজাতীয় ফলকে বলা হয় ‘নিউরোপ্রোটেক্টর’।

ফার্মেন্টেড খাবার

ফার্মেন্টেড খাবার মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখে, কারণ তা সরাসরি ‘নিউরোট্রান্সমিটার’কে প্রভাবিত করতে সক্ষম। ফার্মেন্টেড বা প্রোবায়োটিক খাবারের মধ্যে আছে কমবুচা, দই, টকদই ইত্যাদি।

কফি

সকালে কফি পান না করলে অনেকেরই মাথা কাজ করে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘কফি শুধু মস্তিষ্ককে চাঙ্গা করে তা-ই নয়, নতুন কোনো ঘটনাকে স্থায়ীভাবে মনে রাখাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।’

কফি ‘সাইকোস্টিমুলেন্ট’ হিসেবে কাজ করে অর্থাৎ নতুন তথ্য সামাল দেওয়ার গতি বাড়ায়। আর এই প্রভাব কফি পান করা শেষ হওয়ার পরও বজায় থাকে। এ ছাড়াও মস্তিষ্কে তৈরি হওয়া বিষাক্ত উপাদান অপসারণে ক্যাফেইনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

বাদাম ও বীজ

বিভিন্ন ধরনের বাদাম, কুমড়ার বীজে আছে ম্যাগনেসিয়াম। আমাদের দেহের প্রতিটি কোষে এর অস্তিত্ব আছে এবং শরীরের অসংখ্য দৈনিক কার্যাবলি সম্পাদনে এটি জরুরি এক উপাদান, এমনকি মস্তিষ্কের জন্যও।

কুমড়ার বীজে আরও থাকে আনস্যাচুরেইটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, দস্তা, কপার ও লৌহ। সবই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ডার্ক চকলেট

এতে থাকে ফ্লাভানয়েড, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান। কোনো কিছু শেখা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ানো, মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ বাড়ানো, নিউরনকে সুরক্ষিত রাখাসহ আরও কিছু কাজে ডার্ক চকলেটের ভূমিকা আছে। ৭০ শতাংশ কোকো আছে এমন ডার্ক চকলেট বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

পানি

মস্তিষ্কের ৭৫ শতাংশই পানি। তাই শরীরে পানির অভাব থাকলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমাবে। পানির অভাবে মনোযোগ কমে, সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হয় এবং স্বল্প সময়ের জন্য স্মৃতিশক্তি কমার লক্ষণ দেখা দেয়।

ডিম

কোলিন নামক উপাদান থাকে ডিমে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মস্তিষ্কের গঠন বজায় রাখতে কাজ করে। মনোযোগ বাড়াতেও এর ভূমিকা আছে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু রোগীর খাবার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার উপকারিতা
ইলেকট্রিক শক খেলে যা করবেন
রাস্তা পারাপারের নিয়ম জেনে নিন
দারুচিনির গুণের খবর জানেন কী?

শেয়ার করুন