পানির চাহিদা পূরণে যেসব সবজি খাবেন

পানির চাহিদা পূরণে যেসব সবজি খাবেন

শসায় আছে  ৯৬ দশমিক ৭ শতাংশ পানি। তাই পানিশূন্যতা পূরণে শসার জুড়ি নেই। আস্ত শসা লবণ মাখিয়ে খাওয়া যায়।

গরমের এই মৌসুমে পরিশ্রম করলে শরীর দ্রুত পানি হারায়। পানি পান করার মাধ্যমে এই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব। তবে এমন কিছু সবজি আছে যেগুলো পানিশূন্যতা পূরণে সাহায্য করে। এই সবজি খেয়ে শরীরের পানির চাহিদার ২০ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করা সম্ভব।

শসা

শসায় আছে ৯৬ দশমিক ৭ শতাংশ পানি। তাই পানিশূন্যতা পূরণে শসার জুড়ি নেই। আস্ত শসা লবণ মাখিয়ে খাওয়া যায়। চাইলে সালাদ করে খেতে পারবেন। পুদিনা পাতা ও টক দইয়ের সঙ্গে শসা ব্লেন্ড করে জুস বানিয়েও খাওয়া যায়।


টমেটো

শসার মতো টমেটোতেও ৯৬ শতাংশ পানি পাবেন। পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’-এর চমৎকার উৎস টমেটো। দিনের কোনো সময় কেবল নাশতা হিসেবে টুকরো করা তাজা টমেটো খাওয়া যেতে পারে।

ক্যাপসিকাম

ক্যাপসিক্যামে পানির অভাব নেই। তবে সবচেয়ে বেশি পানি পাবেন সবুজ ক্যাপসিকামে। প্রায় ৯৩ শতাংশ। সালাদ বা নাশতায় সবুজ ক্যাপসিকাম যোগ করতে পারেন। তাতে আপনার শরীর পানি পাবে।

লাউ

লাউ, চাল কুমড়া ইত্যাদি থেকে পানি পাওয়া যায়। পানি ছাড়াও ফলেট, ভিটামিন ‘সি’ আছে এসব সবজিতে। লাউতে ক্যালরির পরিমাণ কম বলে বেশি খেলেও ওজন বাড়ে না। তাই রাতে ভাতের পরিবর্তে শুধু এক বাটি লাউ খেতে পারেন।

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জলকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনা, উদ্যোগ নেই

জলকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনা, উদ্যোগ নেই

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

হাওরকেন্দ্রিক পর্যটন দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু একটি পর্যটন কেন্দ্রে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকার কথা, তা এখনও গড়ে ওঠেনি। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ করার মতো যথেষ্ট কর্মকাণ্ড ও সুযোগ-সুবিধা নেই।

বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি রয়েছে নদীমাতৃক দেশ হিসেবে। নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে এ দেশের বেশিরভাগ শহর-বন্দর।

সরকারি হিসাবে দেশে নদীর সংখ্যা ৩১০টি। এ ছাড়া রয়েছে অসংখ্য হাওর-বাঁওড়-বিল। আছে সুবিশাল সমুদ্রতট।

এসব কারণে জলভিত্তিক পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশের জলাশয়কেন্দ্রিক ভূ-প্রকৃতির নিজস্ব সৌন্দর্য আছে, যা অনন্য। বিশ্বের কোথাও এর তুলনা পাওয়া যাবে না।

সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, সিলেট, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৭ লাখ ৮৪ হাজার হেক্টর জলাভূমিতে রয়েছে ৪২৩টি হাওর। সুনামগঞ্জে আছে ১৩৩টি, কিশোরগঞ্জে ১২২টি, নেত্রকোনায় ৮০টি, সিলেটে ৪৩টি, হবিগঞ্জে ৩৮টি, মৌলভীবাজারে ৪টি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আছে তিনটি হাওর। বিপুল এ সম্ভাবনার খুব অল্পই কাজে লাগানো হয়েছে।

সম্প্রতি হাওরকেন্দ্রিক পর্যটন দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু একটি পর্যটন কেন্দ্রে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকার কথা, তা এখনও গড়ে ওঠেনি। যতটুকু আছে, তাও মানসম্মত নয়।

জলকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনা, উদ্যোগ নেই

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো গেলে তা দেশের পর্যটনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের (পাটা) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব তৌফিক রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন হাওরে যা চলছে, সেটা কোনোক্রমে গ্রহণযোগ্য না। যে বোটগুলো রয়েছে, সেগুলো খুব একটা ভালো না। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ছেলেপেলেরা যায়, তাদের জন্য হয়তো ঠিক আছে, কিন্তু কোনো পর্যটকই পরিবার নিয়ে এখানে থাকতে পারবে না। বিদেশি পর্যটকরা তো পারবেই না।

‘তারপর এখানে কোনো অ্যাক্টিভিটি নাই। বোটে করে যাচ্ছেন তো যাচ্ছেনই। বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে হলে এখানে কিছু সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে হাজংপাড়া আছে, গারো পাড়া আছে, খাসিয়াপাড়া আছে। তাদেরকে সাথে নিয়ে হোম স্টে করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কালচারাল অ্যাক্টিভিটি আছে। সেখানে মন্দির আছে, গির্জা আছে, মসজিদ আছে, মানে একটি রিলিজিয়াস হারমনি আছে। এটাকে কাজে লাগানো যেতে পারে।

‘যাদুকাটা নদের এ পাশে একদিকে পাহাড়, একদিকে নদী। কিন্তু এখানে কোনো অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। যেহেতু কিছু এখনও গড়ে ওঠেনি, তাই পরিকল্পনা করে এখানে কিছু একটা করা সম্ভব। সম্ভাবনা আছে, কিন্তু পর্যটনের দিক দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক নাজুক অবস্থায় রয়েছে।’

দেশি ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন টোয়াব বলছে, হাওর বা জলকেন্দ্রিক পর্যটন তখনই জনপ্রিয় হবে, যখন এখানে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

টোয়াব সভাপতি রাফেউজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি টাঙ্গুয়ার হাওরের কথা বলি, এর একদিকে পাহাড়, অন্য দিকে জলাভূমি, যেটি স্বচ্ছ। এটা শীতকালে একরকম, বর্ষায় একরকম, আর গ্রীষ্মে আরেক রকম। কিন্তু পর্যটকদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা এখানে এখনও গড়ে ওঠেনি। যেমন: থাকার কোনো সুবিধা এখানে নেই। দুই-একটি অবকাঠামো থাকলেও সেগুলো মানসম্মত না।

‘আর রেস্টুরেন্টেও তেমন সুযোগ-সুবিধা নেই। যে কয়েকটি আছে, সেগুলো ঘরোয়া পর্যটনের জন্যই মানসম্মত নয়; বিদেশিদের জন্য তো নয়ই। কমিউনিকেশনটাও আরও সহজ হতে হবে। সুনামগঞ্জ থেকে ট্রলারে বা মোটরবাইকে এখানে যাওয়া এটা সাধারণত যথেষ্ট না। এসব ক্ষেত্রে গণপরিবহন থাকতে হয়। তাহলেই জনপ্রিয় হয়।’

এ ধরনের পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে তুলে ধরতে ব্র্যান্ডিং ও সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।

টোয়াব সভাপতি বলেন, ‘আমরা যদি চলন বিলের কথা বলি, আমরা কিন্তু মার্কেটে সাড়া জাগাতে পারিনি। আমরা হাকালুকির কথা বলি, ঘরোয়া বা আন্তর্জাতিক কোনো ক্ষেত্রেই কিন্তু এগুলোকে পণ্য হিসেবে তৈরি করতে পারিনি। এটার জন্য সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে।

‘ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রচার চালালেও সরকারের সমর্থন না থাকলে এটি আগাতে পারবে না। সরকারকেই ব্র্যান্ডিংয়ে এগিয়ে আসতে হবে।’

সরকার বলছে, দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই তা চূড়ান্ত হবে। এ মহাপরিকল্পনায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পর্যটনের উন্নয়নে যে মহাপরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে, তার মধ্যে সবকিছু থাকবে। আমরা সব জেলাগুলোকে এই মহাপরিকল্পনার আওতায় নিয়ে আসছি। হাওর বা জলকেন্দ্রিক পর্যটনও এর মধ্যে থাকবে।’

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে

গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে

রঙের দাগ শুকিয়ে গেলে ভয়ের কিছু নেই। এ ধরনের দাগ তুলতে নেইল পলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন।

কেউই চান না তার প্রিয় গাড়িটিতে দাগ লাগুক। কিন্তু দুর্ঘটনাবশত লেগে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। অনেকে মনে করেন এই দাগ তোলা কঠিন। আসলেই কঠিন। তবে কয়েকটি নিয়ম মানলে সহজেই তোলা যায় গাড়িতে লাগা যেকোনো দাগ।

পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ

গাড়ি থেকে পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ তুলতে ব্যবহার করুন বডি স্প্রে। দাগের ওপর স্প্রে করে সুতি কাপড় দিয়ে আলতো করে ঘষতে হবে। এতে দাগ হালকা হবে এবং ধীরে ধীরে চলেও যাবে। কেরোসিন তেল ব্যবহার করেও মার্কারের দাগ তোলা যায়।

অ্যাক্রেলিক রং

হালকা গরম পানিতে গুঁড়া সাবান মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটিতে সুতি কাপড় ভিজিয়ে রং পুরোপুরি না ওঠা পর্যন্ত দাগের ওপরে ঘষুন। তবে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী কার ওয়াশিং সল্যুশন।

শুকিয়ে যাওয়া রং

রঙের দাগ শুকিয়ে গেলে ভয়ের কিছু নেই। এ ধরনের দাগ তুলতে নেইল পলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন।

মরিচার দাগ

মরিচার দাগ তুলতে সবচেয়ে কার্যকর ভিনেগার। যেখানে মরিচা পড়েছে সেখানে অল্প পরিমাণ ভিনেগার স্প্রে করে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

স্প্রে রং

এ ধরনের রং তোলা কিছুটা মুশকিল। তাই এ রং ঢেকে ফেলতে হবে। গ্যারেজে নিয়ে রং লাগা জায়গাটি নতুন করে পলিশ করে নেয়াই ভালো। এরপরও যদি দেখতে খারাপ লাগে তাহলে সম্পূর্ণ রং তুলে নতুন করে রং করে নিতে হবে।

মনে রাখতে হবে, দাগ তোলার ক্ষেত্রে মেটাল স্ক্র্যাবার ব্যবহার করা যাবে না। তাতে গাড়ির রং উল্টো উঠে যেতে পারে। দাগ তুলতে পেট্রোল ব্যবহারও নিষেধ। কারণ পেট্রোল গাড়ির উজ্জ্বলতা নষ্ট করে।

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

সুস্থ শরীর আত্মবিশ্বাস জোগাতে সাহায্য করে। ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়লে মন ভেঙে যায়। কমে যায় আত্মবিশ্বাসও।

‘আত্মবিশ্বাস’ মানুষকে বিজয়ী করে তুলতে সাহায্য করে। তবে আমরা অনেকেই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারি না। যার কারণে সহজ লক্ষ্যে পৌছাতেও বেগ পেতে হয়। জীবনে সাফল্য পেতে চাইলে আত্মবিশ্বাস থাকতেই হবে।

কিছু কৌশল মেনে চললে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়। চলুন দেখে নেই কী সেগুলো।

নিজেকে জানুন

প্রথমেই নিজেকে জানতে চেষ্টা করুন। নিজের সম্পর্কে যে খারাপ ধারণাগুলো আপনার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেগুলো পরিবর্তন করুন। মনে রাখবেন, কোনো মানুষই পুরোপুরি সঠিক হতে পারেন না। তাই কোনো বিষয়েই নিজেকে দোষারোপ না করে বরং ইতিবাচক চিন্তা করুন। যত কঠিন কাজই হোক না কেন, নিজেকে বলুন, ‘আমিও পারি’।

শারীরিক সুস্থতা জরুরি

সুস্থ শরীর আত্মবিশ্বাস জোগাতে সাহায্য করে। ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়লে মন ভেঙে যায়। কমে যায় আত্মবিশ্বাসও। তাই শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। সঠিক খাদ্যাভাস গড়ে তুলুন।

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা থাকলে কাজ করতে সহজ হয়। আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রম দিয়ে ধীরে ধীরে লক্ষ্যের দিকে আগানো যায়। একসঙ্গে অনেক বড় লক্ষ্য নির্ধারণ না করে ছোট ছোট স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটানো বুদ্ধিমানের কাজ।

মন শক্ত রাখুন

‘আমি বোধ হয় পারব না’ বা ‘আমাকে দিয়ে হবে না’- এ ধরনের ভাবনা মনে আসতে দেয়া যাবে না। কারণ মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে আত্মবিশ্বাসও কমে যায়। মনকে প্রফুল্ল রাখার জন্য ঘুরতে যান, গান শুনুন কিংবা নিজেকেই নিজে উপহার দিন।

আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে

অন্যকে সাহায্য করুন

অন্যকে সাহায্য করলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। ‘আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না’- যারা ভাবেন, তারা অন্যকে সাহায্য করলে মানসিক প্রশান্তি পাবেন। উদাহরণ স্বরূপ রক্তদান করতে পারেন। তাহলে দেখবেন, আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। বুঝতে পারবেন, আপনাকে দিয়েও কিছু হয়।

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ মেপে দেখেছে, লুয়ের প্রতিটি কান ১২.৩৮ ইঞ্চি লম্বা।

কুকুরটির নাম লু।

আমেরিকার ওরেগন রাজ্যের পেইগি ওলসেনের পোষা কুকুর সে।

সম্প্রতি লু গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠিয়েছে।

পৃথিবীতে তার চেয়ে লম্বা কান আর কোনো কুকুরের নেই।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ মেপে দেখেছে, লুয়ের প্রতিটি কান ১২.৩৮ ইঞ্চি লম্বা।

ব্ল্যাক অ্যান্ড ট্যান কুনহাউন্ড জাতের কুকুর লু। ওর বয়স ৩ বছর।

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড
লু আর তার মালিক পেইগি ওলসেন।

লুয়ের মালিক পেইগি বলেন, `ব্ল্যাক অ্যান্ড ট্যান কুনহাউন্ড জাতের কুকুরের কান এমনিতেই লম্বা হয়। তবে লুয়ের কান অন্যদের চেয়ে অনেক লম্বা।’

তিনি আরও বলেন, ‘লুর লম্বা কান অনেক আগে থেকেই আমি খেয়াল করেছিলাম কিন্তু কখনো মাপিনি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় যখন ওকে আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে আসি, তখন আমি কান মেপে অবাক হয়ে যাই। এরপরই আমি গিনেস ওয়ার্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’

লুয়ের বিশ্বরেকর্ড

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুরু টিকাদান ক্যাম্পেইন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুরু টিকাদান ক্যাম্পেইন

গত টিকাদান ক্যাম্পেইনের সময় একটি কেন্দ্রের সামনে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এটি আসলে গণটিকা নয়। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

নিউজবাংলাকে রোববার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। ওই সময় যারা করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শেষ হয়।

আগের ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার দেয়া হয় নারী ও বয়স্কদের। সে ক্যাম্পেইনে ৪৬ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হয়।

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি বলেন, ‘এটি আসলে গণটিকা নয়। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন।’

এর আগে গত রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

তিনি বলেছিলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাসে ২ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যের ডিজি বলেছিলেন, ‘টিকা সরবরাহ এখন বেশ ভালো। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। আমরা সামনের দিনগুলোতে টিকা পাওয়ার উৎসও নিশ্চিত করেছি।

‘এরই ধারবাহিকতায় মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১ কোটি থেকে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। সে লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কী করে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসারণ করা যায়, এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট আছি।’

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

ডাবের পানির উপকারিতা

ডাবের পানির উপকারিতা

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ডাবের পানি কার্যকর। কেননা এটি ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডাবের পানি অত্যন্ত সুস্বাদু। ছোট-বড় প্রায় সবাই এটি পছন্দ করে। প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এই পানীয়টির রয়েছে নানা উপকারিতা।

ডাবের পানির উপকারিতা

বিভিন্ন খনিজ পদার্থে পূর্ণ ডাবের পানি ক্লান্ত শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং সতেজ রাখে। এক কাপ (২৪০ মিলি) ডাবের পানিতে আছে ৬০ ক্যালরি, ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৮ গ্রাম চিনি।

এ ছাড়া দৈনিক চাহিদার ৪% ক্যালসিয়াম, ৪% ম্যাগনেসিয়াম, ২% ফসফরাস এবং ১৫% পটাশিয়ামও পাওয়া যায়।

ডাবের পানিতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট দেহকোষ ধ্বংসকারী ফ্রি-র‍্যাডিকাল থেকেও শরীরকে রক্ষা করে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ডাবের পানি কার্যকর। কেননা এটি ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

কিডনিতে পাথর হওয়া রোধেও ডাবের পানি উপকারী। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়। তাছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো, রক্তচাপের মাত্রা কমানো এবং স্বাভাবিক রাখাতেও এই পানীয়র জুড়ি নেই।

রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে এর অ্যান্টি- থ্রমবোটিকের ভূমিকা রয়েছে। ডাবের পানির পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হৃদপিণ্ড সচল রাখে এবং ওজন কমাতেও সহায়তা করে। এটি অ্যান্টিভাইরাল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

গবেষণা বলে, ব্যায়ামের পর অন্যান্য পানীয়র চাইতে ডাবের পানি অধিক কার্যকর। কেননা এতে প্রচুর পরিমাণ ইলেক্ট্রোলাইটস থাকে। আর এতে থাকা অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টি ত্বকের দাগ ও বলিরেখা দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে।

সূত্র: হেলথলাইন

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন

সুরমা যেন আবর্জনার ভাগাড়

সুরমা যেন আবর্জনার ভাগাড়

সিলেট নগরের কুশীঘাট থেকে টুকেরবাজার প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই সুরমাকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে একেবারে বিবর্ণ হয়ে গেছে সুরমা। নদীর পানিতে ভাসছে অসংখ্য আবর্জনার স্তুপ।

দেখে মনে হতে পারে একটা ড্রেন; আবর্জনার ভাগাড়ও মনে হতে পারে। এমনই দশা সিলেট নগরের বুক চিড়ে বয়ে চলা সুরমা নদীর। যেন নগরীর সব কদর্যতা ধারণ করে আছে সুরমা।

তার উপর নদীর দুই তীর দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্থাপনা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসেবেই, সিলেটে সুরমার দুই তীর দখল করে রেখেছেন ১১১ দখলদার। তারা গড়ে তুলেছেন দুই শতাধিক স্থাপনা। তবে পরিবেশকর্মীদের হিসাবে দখলদারের সংখ্যা আরও বেশি।

অব্যাহত দখল ও দূষণে হুমকির মুখে দেশের দীর্ঘতম এই নদী।

বিশ্বের সব দেশের মতো পালিত হচ্ছে বিশ্ব নদী দিবস। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালিত হয় এই দিবস। এবার দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘মানুষের জন্য নদী’।

নদী দিবসে যেন সুরমা তার দুঃখ মেলে ধরেছে। শুষ্ক মৌসুমে এমনিতেই শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয় সুরমা। হেঁটেই পার হওয়া যায় নদীর এপার থেকে ওপার। পলি জমে গজিয়ে ওঠে চর। এর মধ্যে তীর দখল ও নদীতে বর্জ্যের কারণে এখন মৃতপ্রায় সুরমা। বর্ষায় তীর উপচে পানি ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের জনপদে। দেখা দেয় বন্যা।

সিলেট নগরের কুশীঘাট থেকে টুকেরবাজার প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই সুরমাকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে একেবারে বিবর্ণ হয়ে গেছে সুরমা। নদীর পানিতে ভাসছে অসংখ্য আবর্জনার স্তুপ।

নগরীর কাজীর বাজার মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায় ককশিট ও মাছের খাঁচা ভাসছে নদীতে। বাজারের সব আবর্জনা সরাসরি ফেলে দেয়া হয় নদীতে।

কাজীরবাজারের মাছের আড়তের শৌচাগারের পাইপ সরাসরি নামানো হয়েছে নদীতে। সরেজমিন দেখা গেছে, নদীতে গিয়ে পড়ছে শৌচাগারের ময়লা। এছাড়া পাশের বস্তির টয়লেটের ময়লার পাইপও নদীতে সরসরি লিংক করা সুরমায়।

একইভাবে সিলেটের পাইকারী বাজার কালীঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ভেসে যাচ্ছে নদীতে। কালীঘাটের সব আবর্জনা সরাসরি নদীতে ফেলা হয় বলে জানালেন ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবুল হোসেন।

তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে যে আবর্জনা নিয়ে যায় তার চেয়ে পাঁচগুণ আবর্জনা ফেলা হয় নদীতে। নদীর পানি দিন দিন দুষিত হয়ে পড়ছে। ওই পানি হাতে লাগলে চুলকায়।

নগরীর মাছিমপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গৃহস্থালির যাবতীয় ময়লা ফেলা হচ্ছে নদীতে। আবার পাশেই দলবেঁধে নদীতে গোসল করছেন এলাকার লোকজন।

নগরীতে বর্জ্য ব্যবস্থা গড়ে না ওঠা ও পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার নগরবাসীর সচেতনতার অভাবকেও দায়ী করেছেন তারা।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এমরান হোসেন বলেন, ‘নদীর এ চিত্র আমাকেও পীড়া দেয়। আমাদের অফিসটাও নদীর পাশেই। সিলেট সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি আছে। তারা চাইলে নদীর পানি দূষণ রোধ ও আবর্জনা ফেললে ব্যবস্থা নিতে পারত, কিন্তু তারা সেটি করছে না। তারা যদি ব্যবস্থা নেয় তাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা যাবে।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হচ্ছে না। সবার আগে অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। সচেতন হতে হবে। সচেতন হলেই আমাদের নদী রক্ষা করা সম্ভব।’

পরিবেশ অধিদপ্তরের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি তাদের দায়িত্ব। তারা এ ব্যপারে ব্যবস্থা নিতে পারে।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) সিলেটের সমন্বয়ক শাহ শাহেদা জানান, ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে নদী, খাল, পুকুর ভরাট ও দূষণ করা যাবে না, এমনকি শ্রেণি পরিবর্তণ করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। একইভাবে ২০১৩ সালের পানি অধিকার আইনেও পানি নিষ্কাশনে বাধা দেয়া যাবে না বা দূষণ করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া ২০০০ সালের জলাধার আইনেও নদীর শ্রেনী পরিবর্তন করা যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা থেকে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদীর পানি দূষণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। এসব তথ্য সংগ্রহ হলেই বেলার পক্ষ থেকে আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

বন্ধ উচ্ছেদ অভিযান

২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সুরমা নদীর দখলদারের চিহ্নিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এর মধ্যে সিলেট নগরে সুরমা নদীর ১১১ দখলদারকে চিহ্নিত করা হয়। তারা নদীর ৩ হাজার ৬০০ মিটার জায়গা দখর করে রেখেছেন বলে জানা যায়।

পাউবোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নদীর তীর দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ স্থাপনায় আছে চাউলের আড়ত, মাইকের দোকান, কাপড়-জুতার দোকান, সেলুন, ফার্নিচার, সোনার দোকান, ফাস্টফুডের দোকান ও মাংসের দোকান। তবে প্রকৃত চিত্র এর চেয়ে আরও ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালিকা করার পর ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর সারা দেশে একযোগে নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়। সিলেট নগরসহ কয়েকটি উপজেলায় চলে এই অভিযান। তবে একমাস পরেই এই উচ্ছেদ অভিযান মাঝপথে থেমে যায়।

উচ্ছেদ অভিযান থেমে যাওয়ার পর দখলমুক্ত হওয়া অনেক জায়গায় আবারও অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে।

এ ব্যাপারে পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘প্রকৃত দখলদারের সংখ্যা তালিকার চেয়েও বেশি সন্দেহ নেই। উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ হয়নি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। অভিযান সব সময় চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় পুনরায় দখল হচ্ছে। বিষয়টি আমাদের নোটিসে আছে। যে কোনো সময় সেগুলো আবার উচ্ছেদ করা হবে।’

মৃতপ্রায় বেহাল সুরমার বিষয়ে নদী সুরক্ষার আন্তর্জাতিক অ্যালায়েন্সের সদস্য সুরমা রিভার ওয়াটার কিপার আব্দুল করিম কিম বলেন, ‘অব্যাহত দখল ও দূষণে এই নদী এখন অস্তিত্ব সঙ্কটে। নদীর দূষণ ও দখল ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বমির যন্ত্রণায় গাড়িতে চড়তে ভয় পাচ্ছেন?
সকালের রোদ কেন দরকার
জেনে নিন চায়ের গুণাগুণ
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
অবসর সময়ে কী করবেন

শেয়ার করুন