× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

কিড জোন
The largest snake is the green anaconda
hear-news
player
google_news print-icon

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা

সবচেয়ে-বড়-সাপ-গ্রিন-অ্যানাকোন্ডা
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ হলো গ্রিন অ্যানাকোন্ডা বা সবুজ অ্যানাকোন্ডা। ওজন ও দৈর্ঘ্য উভয় দিক দিয়েই এরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ।

বলো তো দেখি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপের নাম কী?

তোমরা হয়তো বলবে, অজগর।

না। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ হলো গ্রিন অ্যানাকোন্ডা বা সবুজ অ্যানাকোন্ডা। ওজন ও দৈর্ঘ্য উভয় দিক দিয়েই এরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ। এরা প্রায় ৩০ ফুট লম্বা হতে পারে। ওজন হতে পারে সারে ৫ মণ।

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা

গ্রিন অ্যানাকোন্ডার বৈজ্ঞানিক নাম Eunectes murinus। এরা সরীসৃপ গোত্রের ও মাংসাশী। এরা গড়ে ১০ বছর বাঁচে।

এরা বিষধর সাপ নয়। এদের শিকার করার প্রণালীটা একটু অন্য রকম। এরা দেহ দিয়ে শিকারকে প্যাঁচিয়ে ধরে। শিকারের শ্বাস বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত চেপে ধরে রাখে। এক সময় শিকার দম বন্ধ হয়ে মরে গেলে এরা ভোজনপর্ব শুরু করে।

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা

অ্যানাকোন্ডার চিবিয়ে খায় না, বরং শিকারকে গিলে ফেলে। এদের মুখ এতটাই বড় যে, জাগুয়ার ও ছোট হরিণ এমনকি মানুষও গিলে ফেলতে পারে। গ্রিন অ্যানাকোন্ডা দক্ষিণ আমেরিকায় বাস করে।

মন্তব্য

সাঁতার

সাঁতার
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

শিক্ষক: রাসেল, তুমি সাঁতার জানো?

রাসেল: জানি, স্যার।

শিক্ষক: কোথায় সাঁতার শিখেছ?

রাসেল: পানিতে স্যার।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
টেলিভিশন এবং সংবাদপত্র
আম চোর
কৃপণ
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম

মন্তব্য

পরীক্ষার চাপ

পরীক্ষার চাপ
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

হাবলুর দুই দিন পর পরীক্ষা। এদিকে পড়াশোনার নামগন্ধ নেই। সারা দিন টইটই করে ঘুরে বেড়ায়।

মা: হাবলু, তোর না সামনে পরীক্ষা! পড়াশোনা করছিস না যে!

হাবলু: পরীক্ষার এত চাপ, পড়ার সময়ই পাচ্ছি না মা!

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
আম চোর
কৃপণ
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম
সাঁতার

মন্তব্য

কিড জোন
Tasfia painted a picture of Sapur

সাপুড়ের ছবি এঁকেছে তাসফিয়া

সাপুড়ের ছবি এঁকেছে তাসফিয়া
তোমাদের আঁকা ছবিগুলো পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। সেগুলো প্রকাশ করবে কিডজোন।

খুব সুন্দর একটা দৃশ্য এঁকেছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু রিফাহ তাসনিম তাসফিয়া।

সাপুড়ে ভাই সাপের খেলা দেখাচ্ছে।

পাশে দাঁড়িয়ে সেটাই দেখছে তোমাদের মতো ছোট ছোট শিশুরা।

চমৎকার ছবিটি আঁকার জন্য তাসফিয়াকে ধন্যবাদ।

সে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

আমরা জানি, তোমরাও তাসফিয়ার মতো সুন্দর সুন্দর ছবি আঁকতে পারো।

তাহলে দেরি কেন?

তোমাদের আঁকা ছবিগুলো পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। সেগুলো প্রকাশ করবে কিডজোন। ছবির সঙ্গে তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

ই-মেইলে তোমার আঁকা ছবি পাঠাবে [email protected] ঠিকানায়।

আরও পড়ুন:
ময়ূর এঁকেছে শিমুল
ঈদের চাঁদ
গ্রামের হাট
খোকা-খুকু আর নৌকা
ভাষাশহীদদের স্মরণ করেছে নিলয়

মন্তব্য

কিড জোন
Fish dont talk

মাছ কথা বলে না

মাছ কথা বলে না
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ম্যাডাম: বাচ্চারা বলতো, মাছ কথা বলতে পারে না কেন?

রন্টি: ম্যাডাম, আমি যদি আপনার মাথাটা পানির মধ্যে ডুবিয়ে ধরি, আপনি পারবেন কথা বলতে?

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
কৃপণ
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা

মন্তব্য

দুই গরু

দুই গরু
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

প্রথম গরু: সেদিন ঘাস খেতে খেতে হঠাৎ করে সিনেমার টিকিট খেয়ে ফেলেছিলাম।

দ্বিতীয় গরু: তারপর?

প্রথম গরু: তারপর চোখ দিয়ে দেখি ঝরঝর করে পানি পড়ছে।

দ্বিতীয় গরু: কেন?

প্রথম গরু: বোধ হয় সিনেমাটা খুব দুঃখের ছিল।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা
সাইবেরিয়ার পাখি

মন্তব্য

কিড জোন
White chicken black chicken

সাদা মুরগি-কালো মুরগি

সাদা মুরগি-কালো মুরগি
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

সাদা মুরগি আর কালো মুরগির মধ্যে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কথা হচ্ছে…

কালো মুরগি: আমরাই শ্রেষ্ঠ।

সাদা মুরগি: কেন?

কালো মুরগি: কারন আমরা কালো মুরগি হয়েও সাদা ডিম পাড়তে পারি, অথচ তোমরা সাদা মুরগি হয়ে কালো ডিম পাড়তে পারো না।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ল্যাংড়া আম
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা
সাইবেরিয়ার পাখি
হোটেলে একদিন

মন্তব্য

ব্যবসা

ব্যবসা
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

প্রথম লোক: সবাই আমার ব্যবসায় নাক গলায়।

দ্বিতীয় লোক: খুব খারাপ।

প্রথম লোক: না, তাতেই আমি খুশি।

দ্বিতীয় লোক: কেন?

প্রথম লোক: আমার তো রুমালের ব্যবসা।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা
সাইবেরিয়ার পাখি
হোটেলে একদিন
ডিম

মন্তব্য

p
উপরে