× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

কিড জোন
A wolfs sense of smell is 100 times better than a humans
hear-news
player
google_news print-icon

নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি

নেকড়ের-ঘ্রাণশক্তি-মানুষের-চেয়ে-১০০-গুণ-বেশি
নেকড়েদের একটি দল যখন চিৎকার করে তখন ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। তাদের চিৎকারের মানে হলো অন্য দলকে ডাকা বা বিপদ নিয়ে সতর্কতা। প্রতিটি দলের নিজস্ব ডাক আছে।

নাম তার ধূসর নেকড়ে। নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে একটি হিংস্র প্রাণীর ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু নেকড়েদের জীবনযাপন নিয়ে এমন কিছু তথ্য আছে, যা হয়তো তোমার জানা নেই। এগুলো জানলে তুমি অবাকও হতে পারো।

প্রথমেই বলে রাখি, নেকড়েরা দল বেঁধে বাস করে। এদের দলকে ইংরেজিতে বলে প্যাক। একটি দলে সাত থেকে আটটি নেকড়ের পরিবার। যেখানে মা-বাবা এবং সন্তান থাকে। এরা শিকার, সন্তান লালন এবং নিজেদের অঞ্চল রক্ষা করতে একসঙ্গে কাজ করে।

নেকড়েদের যোগাযোগ দক্ষতা অসম্ভব ভালো। তাদের বেঁচে থাকার জন্য এই যোগাযোগ দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নেকড়েরা চিৎকার করে যোগাযোগ করে। এ ছাড়া যোগাযোগের জন্য নিজেদের শরীরে উৎপাদিত ঘ্রাণ ব্যবহার করে। একটি নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

তাদের ঘ্রাণের অন্যতম উৎস হলো প্রস্রাব। প্রসাবের গন্ধের মাধ্যমে তারা নিজেদের অঞ্চল চিহ্নিত করে। এমনকি অন্য নেকড়েকে নিজেদের দলে ফেরত আনতে এটাকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করে।

তাদের যোগাযোগের আরেকটি মাধ্যম হলো শরীরী ভাষা। কোনো নেকড়ে আত্মবিশ্বাসী বোধ করলে সে মাথা এবং লেজ উঁচু করে রাখে। এ সময় তার কান দুটিও খাড়া থাকে। কিন্তু কোনো নেকড়ে যদি ভয় পেয়ে যায় তাহলে তার শরীর নিচু থাকে এবং দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। এ সময় তার কান দুটিও চ্যাপ্টা হয়ে যায়।

নেকড়েদের একটি দল যখন চিৎকার করে তখন ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। তাদের চিৎকারের মানে হলো অন্য দলকে ডাকা বা বিপদ নিয়ে সতর্কতা। প্রতিটি দলের নিজস্ব ডাক আছে। যখন কোনো নেকড়ে খেলতে চায় তখন তার শরীরটি ধনুকের মতো করে ফেলে। এভাবে সে তার আনন্দ প্রকাশ করে। কিন্তু যখন সে রাগান্বিত হয় তখন কপাল চাপড়ায় বা গর্জন করে। একটি নেকড়ের শরীরী ভাষা অনেকটা কুকুরের মতো। অবশ্য নেকড়ে এবং কুকুর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং তাদের যোগাযোগের প্রক্রিয়া প্রায় একই রকম।

বাচ্চা নেকড়েরা কমপক্ষে দুই বছর ধরে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে প্যাকে থাকে। এরপর কেউ কেউ অন্য দলে যোগ দেয়। কেউবা নিজেদের দলেই থেকে যায়। অন্য দলে যোগ দেয়ার ফলে তারা মা-বাবার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। বাচ্চা নেকড়েরা খেলতে খেলতে বড় হয়। যেমন- তারা লাফালাফি করে, এখানে-ওখানে ঝাঁপ দেয়, একে অন্যকে তাড়া করে এবং কুস্তি খেলে। এমনি তারা লুকোচুরিও খেলে।

নেকড়েদের জীবনযাপন কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মতো। যেমন- আমাদের বড় ভাই বা বোন ছোট ভাই-বোনের দেখাশোনা করে, তেমনি বড় নেকড়ে তাদের ছোট ভাই-বোনদের জন্য খাবার জোগাড় করে। তাদের যত্ন নেয়। নেকড়ে ৬ থেকে ৮ বছর বাঁচে।

মন্তব্য

সাঁতার

সাঁতার
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

শিক্ষক: রাসেল, তুমি সাঁতার জানো?

রাসেল: জানি, স্যার।

শিক্ষক: কোথায় সাঁতার শিখেছ?

রাসেল: পানিতে স্যার।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
টেলিভিশন এবং সংবাদপত্র
আম চোর
কৃপণ
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম

মন্তব্য

পরীক্ষার চাপ

পরীক্ষার চাপ
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

হাবলুর দুই দিন পর পরীক্ষা। এদিকে পড়াশোনার নামগন্ধ নেই। সারা দিন টইটই করে ঘুরে বেড়ায়।

মা: হাবলু, তোর না সামনে পরীক্ষা! পড়াশোনা করছিস না যে!

হাবলু: পরীক্ষার এত চাপ, পড়ার সময়ই পাচ্ছি না মা!

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
আম চোর
কৃপণ
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম
সাঁতার

মন্তব্য

কিড জোন
Tasfia painted a picture of Sapur

সাপুড়ের ছবি এঁকেছে তাসফিয়া

সাপুড়ের ছবি এঁকেছে তাসফিয়া
তোমাদের আঁকা ছবিগুলো পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। সেগুলো প্রকাশ করবে কিডজোন।

খুব সুন্দর একটা দৃশ্য এঁকেছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু রিফাহ তাসনিম তাসফিয়া।

সাপুড়ে ভাই সাপের খেলা দেখাচ্ছে।

পাশে দাঁড়িয়ে সেটাই দেখছে তোমাদের মতো ছোট ছোট শিশুরা।

চমৎকার ছবিটি আঁকার জন্য তাসফিয়াকে ধন্যবাদ।

সে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।

আমরা জানি, তোমরাও তাসফিয়ার মতো সুন্দর সুন্দর ছবি আঁকতে পারো।

তাহলে দেরি কেন?

তোমাদের আঁকা ছবিগুলো পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। সেগুলো প্রকাশ করবে কিডজোন। ছবির সঙ্গে তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

ই-মেইলে তোমার আঁকা ছবি পাঠাবে [email protected] ঠিকানায়।

আরও পড়ুন:
ময়ূর এঁকেছে শিমুল
ঈদের চাঁদ
গ্রামের হাট
খোকা-খুকু আর নৌকা
ভাষাশহীদদের স্মরণ করেছে নিলয়

মন্তব্য

কিড জোন
Fish dont talk

মাছ কথা বলে না

মাছ কথা বলে না
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ম্যাডাম: বাচ্চারা বলতো, মাছ কথা বলতে পারে না কেন?

রন্টি: ম্যাডাম, আমি যদি আপনার মাথাটা পানির মধ্যে ডুবিয়ে ধরি, আপনি পারবেন কথা বলতে?

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
কৃপণ
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা

মন্তব্য

দুই গরু

দুই গরু
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

প্রথম গরু: সেদিন ঘাস খেতে খেতে হঠাৎ করে সিনেমার টিকিট খেয়ে ফেলেছিলাম।

দ্বিতীয় গরু: তারপর?

প্রথম গরু: তারপর চোখ দিয়ে দেখি ঝরঝর করে পানি পড়ছে।

দ্বিতীয় গরু: কেন?

প্রথম গরু: বোধ হয় সিনেমাটা খুব দুঃখের ছিল।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
থানায় এক দিন
ল্যাংড়া আম
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা
সাইবেরিয়ার পাখি

মন্তব্য

কিড জোন
White chicken black chicken

সাদা মুরগি-কালো মুরগি

সাদা মুরগি-কালো মুরগি
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

সাদা মুরগি আর কালো মুরগির মধ্যে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কথা হচ্ছে…

কালো মুরগি: আমরাই শ্রেষ্ঠ।

সাদা মুরগি: কেন?

কালো মুরগি: কারন আমরা কালো মুরগি হয়েও সাদা ডিম পাড়তে পারি, অথচ তোমরা সাদা মুরগি হয়ে কালো ডিম পাড়তে পারো না।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ল্যাংড়া আম
সাঁতার
ঝিনুক ক্রেতা
সাইবেরিয়ার পাখি
হোটেলে একদিন

মন্তব্য

কিড জোন
The largest snake is the green anaconda

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ হলো গ্রিন অ্যানাকোন্ডা বা সবুজ অ্যানাকোন্ডা। ওজন ও দৈর্ঘ্য উভয় দিক দিয়েই এরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ।

বলো তো দেখি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপের নাম কী?

তোমরা হয়তো বলবে, অজগর।

না। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ হলো গ্রিন অ্যানাকোন্ডা বা সবুজ অ্যানাকোন্ডা। ওজন ও দৈর্ঘ্য উভয় দিক দিয়েই এরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ। এরা প্রায় ৩০ ফুট লম্বা হতে পারে। ওজন হতে পারে সারে ৫ মণ।

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা

গ্রিন অ্যানাকোন্ডার বৈজ্ঞানিক নাম Eunectes murinus। এরা সরীসৃপ গোত্রের ও মাংসাশী। এরা গড়ে ১০ বছর বাঁচে।

এরা বিষধর সাপ নয়। এদের শিকার করার প্রণালীটা একটু অন্য রকম। এরা দেহ দিয়ে শিকারকে প্যাঁচিয়ে ধরে। শিকারের শ্বাস বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত চেপে ধরে রাখে। এক সময় শিকার দম বন্ধ হয়ে মরে গেলে এরা ভোজনপর্ব শুরু করে।

সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা

অ্যানাকোন্ডার চিবিয়ে খায় না, বরং শিকারকে গিলে ফেলে। এদের মুখ এতটাই বড় যে, জাগুয়ার ও ছোট হরিণ এমনকি মানুষও গিলে ফেলতে পারে। গ্রিন অ্যানাকোন্ডা দক্ষিণ আমেরিকায় বাস করে।

মন্তব্য

p
উপরে