× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

কিড জোন
Watermelon instead of apples
hear-news
player
google_news print-icon

আপেলের বদলে তরমুজ

আপেলের-বদলে-তরমুজ
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

দুষ্টু রাতুল: ইশ! কেন যে নিউটনের মাথায় আপেল না পরে তরমুজ পড়ল না!

বাবা: কেন রে?

রাতুল: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্রটা মুখস্থ হচ্ছে না বাবা।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ডাক্তারের চেম্বারে
ডাক্তারের চেম্বারে
রচনা
উপায়
উল্টো জব্দ

মন্তব্য

একা নয়

একা নয়
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

শিক্ষক রেগে রাতুলকে বললেন, ‘একজন ছাত্র কী করে এত ভুল করতে পারে আমি ভেবে পাচ্ছি না।’

রাতুল: ছাত্র একজন নয় স্যার, সঙ্গে আমার আম্মুও আছে। সেও হোমওয়ার্ক করতে আমাকে সাহায্য করেছে।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
অফিসের বস
চাকরি
পালস
নাম
নেপালের রাজধানী

মন্তব্য

কিড জোন
Fun with clouds

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা
ছবিগুলো ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা।

এখন শরৎকাল। এই সময় আকাশে ভেসে বেড়ায় নানা আকারের মেঘ। সেই মেঘ নিয়েই মজা করেছেন নাম না জানা কিছু আর্টিস্ট চাচ্চু। চলো তাদের মেঘগুলো দেখে নেই।

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

মেঘের সঙ্গে মজা

ছবিগুলো ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা।

আরও পড়ুন:
ব্যায়াম করছে মুরগির ছানা
বিশালাকার পশুপাখি
কার্টুন প্যানকেক
সারাহ আন্টির পশুপাখি
ছবি আঁকা শূকর

মন্তব্য

রেইনকোট

রেইনকোট
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

বৃষ্টির মধ্যে এক লোক রেইনকোট পড়ে যাচ্ছিল…

মিঠু: বলতো রবি, ঐ লোকটি রেইনকোট পড়ে যাচ্ছে কেন?

রবি: বৃষ্টি হচ্ছে এই জন্য।

মিঠু: আরে না! ঐ লোকটি রেইনকোটটাকে ধুয়ে নিচ্ছে আর কি!

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
চাকরি
পালস
নাম
নেপালের রাজধানী
পাগল

মন্তব্য

গান

গান
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ভাই তার ছোট বোনকে গান শুনিয়েছে…

ভাই : আমার গান তোর কেমন লাগল?

বোন : তোমার আসলে টিভিতে চান্স পাওয়া উচিত।

ভাই : আমি কি সত্যিই এত ভালো গান করি?

বোন : না, মানে টিভিতে হলে চ্যানেলটা বদলে দিতে পারতাম।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
পালস
নাম
নেপালের রাজধানী
পাগল
তুলনা

মন্তব্য

ভুল অ্যানসার

ভুল অ্যানসার
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ছেলে: জানো বাবা, আমি না আজকের পরীক্ষায় একটাও ভুল অ্যানসার দেইনি।

বাবা: বাহ! তার মানে সবই সঠিক দিয়েছ?

ছেলে: না বাবা। আমি সাদা খাতা জমা দিয়েছি। অ্যানসার ভুল হওয়ার সুযোগই নেই।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
নাম
নেপালের রাজধানী
পাগল
তুলনা
জ্যোতিষির দরবারে

মন্তব্য

কিড জোন
A wolfs sense of smell is 100 times better than a humans

নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি

নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি
নেকড়েদের একটি দল যখন চিৎকার করে তখন ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। তাদের চিৎকারের মানে হলো অন্য দলকে ডাকা বা বিপদ নিয়ে সতর্কতা। প্রতিটি দলের নিজস্ব ডাক আছে।

নাম তার ধূসর নেকড়ে। নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে একটি হিংস্র প্রাণীর ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু নেকড়েদের জীবনযাপন নিয়ে এমন কিছু তথ্য আছে, যা হয়তো তোমার জানা নেই। এগুলো জানলে তুমি অবাকও হতে পারো।

প্রথমেই বলে রাখি, নেকড়েরা দল বেঁধে বাস করে। এদের দলকে ইংরেজিতে বলে প্যাক। একটি দলে সাত থেকে আটটি নেকড়ের পরিবার। যেখানে মা-বাবা এবং সন্তান থাকে। এরা শিকার, সন্তান লালন এবং নিজেদের অঞ্চল রক্ষা করতে একসঙ্গে কাজ করে।

নেকড়েদের যোগাযোগ দক্ষতা অসম্ভব ভালো। তাদের বেঁচে থাকার জন্য এই যোগাযোগ দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নেকড়েরা চিৎকার করে যোগাযোগ করে। এ ছাড়া যোগাযোগের জন্য নিজেদের শরীরে উৎপাদিত ঘ্রাণ ব্যবহার করে। একটি নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

তাদের ঘ্রাণের অন্যতম উৎস হলো প্রস্রাব। প্রসাবের গন্ধের মাধ্যমে তারা নিজেদের অঞ্চল চিহ্নিত করে। এমনকি অন্য নেকড়েকে নিজেদের দলে ফেরত আনতে এটাকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করে।

তাদের যোগাযোগের আরেকটি মাধ্যম হলো শরীরী ভাষা। কোনো নেকড়ে আত্মবিশ্বাসী বোধ করলে সে মাথা এবং লেজ উঁচু করে রাখে। এ সময় তার কান দুটিও খাড়া থাকে। কিন্তু কোনো নেকড়ে যদি ভয় পেয়ে যায় তাহলে তার শরীর নিচু থাকে এবং দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। এ সময় তার কান দুটিও চ্যাপ্টা হয়ে যায়।

নেকড়েদের একটি দল যখন চিৎকার করে তখন ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। তাদের চিৎকারের মানে হলো অন্য দলকে ডাকা বা বিপদ নিয়ে সতর্কতা। প্রতিটি দলের নিজস্ব ডাক আছে। যখন কোনো নেকড়ে খেলতে চায় তখন তার শরীরটি ধনুকের মতো করে ফেলে। এভাবে সে তার আনন্দ প্রকাশ করে। কিন্তু যখন সে রাগান্বিত হয় তখন কপাল চাপড়ায় বা গর্জন করে। একটি নেকড়ের শরীরী ভাষা অনেকটা কুকুরের মতো। অবশ্য নেকড়ে এবং কুকুর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং তাদের যোগাযোগের প্রক্রিয়া প্রায় একই রকম।

বাচ্চা নেকড়েরা কমপক্ষে দুই বছর ধরে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে প্যাকে থাকে। এরপর কেউ কেউ অন্য দলে যোগ দেয়। কেউবা নিজেদের দলেই থেকে যায়। অন্য দলে যোগ দেয়ার ফলে তারা মা-বাবার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। বাচ্চা নেকড়েরা খেলতে খেলতে বড় হয়। যেমন- তারা লাফালাফি করে, এখানে-ওখানে ঝাঁপ দেয়, একে অন্যকে তাড়া করে এবং কুস্তি খেলে। এমনি তারা লুকোচুরিও খেলে।

নেকড়েদের জীবনযাপন কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মতো। যেমন- আমাদের বড় ভাই বা বোন ছোট ভাই-বোনের দেখাশোনা করে, তেমনি বড় নেকড়ে তাদের ছোট ভাই-বোনদের জন্য খাবার জোগাড় করে। তাদের যত্ন নেয়। নেকড়ে ৬ থেকে ৮ বছর বাঁচে।

মন্তব্য

গণিত

গণিত
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

গণিত শিক্ষক: তোমাদের বয়সে আমি অঙ্কে ১০০ তে ১০০ পেতাম।

ছাত্র: তাই নাকি! তখন মনে হয় আপনাদের আরও ভালো টিচার গণিত পড়াতেন?

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
নেপালের রাজধানী
পাগল
তুলনা
জ্যোতিষির দরবারে
মাস্তান

মন্তব্য

p
উপরে