× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

hear-news
player
print-icon

সিন্ড্রেলা

সিন্ড্রেলা
সিন্ড্রেলা বাইরে বেরিয়ে এলো। এসে গান গাওয়া শুরু করল। তার গান শুনে ঘাসগুলো সতেজ হয়ে গেল। গাছগুলো পাতায় পাতায় ভরে উঠল। নদী জলে ভরে গেল। সঙ্গে কত মাছ। জল খেয়ে বাঁচল রাজপুত্র সমরের প্রাণ।

অনেক অনেক আগের কথা। বহুদূরে ছিল একটা স্বপ্নপুরী। যেখানে পরিরা এসে মানুষের সঙ্গে গল্প করত। পাখিরা, মাছেরা কথা বলত। যেখানে ছিল বৃষ্টি গাছ। যে গাছের নিচে দাঁড়ালেই বৃষ্টি ঝরত আর সঙ্গে মিষ্টি সুবাস ছড়াত। সেখানে ছিল একটা সুখ নদী। যে নদীর পাশে বসে দুঃখের কথা কইলে, নদী তার দুঃখ দূর করে দিত।

সেই নদীর পাশেই ছিল একটা ছোট্ট গ্রাম। সেই গ্রামে থাকত সিন্ড্রেলা নামের এক ছোট্ট মেয়ে। সবাই ওকে খুব আদর করত। নিজের ঘরে ডেকে খাওয়াত। সে যে ভারি লক্ষ্মী মেয়ে।

সারা দিন ঘুরত। প্রজাপতিদের সঙ্গে নাচত। বনের পাখির সঙ্গে গাইত। কি মধুর তার কণ্ঠ। তার গান শুনে বনের সব গাছের পাতা নাচত। জলের মাছ ডাঙায় উঠে সে গান শুনত।

সন্ধ্যাবেলায় আকাশের পরিরা এসে গল্প করত তার সঙ্গে। আর নিয়ে আসত কত্ত আজব আজব উপহার। সেসব পেয়ে খিলখিলিয়ে হাসত সিন্ড্রেলা।

একদিন সুখ নদীর পাশে বসে একমনে কাঁদতে লাগল সিন্ড্রেলা। গাল বেয়ে টুপ করে এক ফোঁটা জল পড়ল সুখ নদীতে। সুখ নদী বলে উঠল, 'ওমা এ কি গো সিন্ড্রেলা, তোমার চোখে জল! কী দুঃখ তোমার? বলো আমায়। সব দূর করে দিব আমি।'

কাঁদতে কাঁদতে সিন্ড্রেলা বলল, 'আমার মা বড্ড অসুস্থ গো সুখ নদী। কেউ কইতে পারে না কী হয়েছে তার। ও পাড়ার দিদিমা বলেছে, মা নাকি বেশি দিন আর বাঁচবে না। মা না থাকলে আমার কী কোনো সুখ থাকবে বলো?'

সিন্ড্রেলার কান্না দেখে পুরো নদীর জল কেঁপে উঠল। মাছেরা সুখ নদীকে মিনতি করে বলল, 'ও গো সুখ নদী, তুমি তো সবাইকে সুখী কর। সিন্ড্রেলার মাকে তুমি ভালো করে দাও। নাইলে আমরা আর কোনো মানুষের জালে ধরা দেব না।'

বনের গাছেরা মাটিকে বলল, 'মাটি তুমি আমাদের সবাইকে বাঁচিয়ে রেখেছ। সিন্ড্রেলার মাকে তুমি বাঁচিয়ে দাও। নাইলে আমরা আর কোনো ফুল ফল দিব না।'

রাতে আলোচনা সভায় বসল সুখ নদী, বনের মাটি, বাতাস আর আকাশের পরিরা। সবাই এটা-সেটা অনেক ভেবে খুঁজে পেল সিন্ড্রেলার মাকে বাঁচানোর উপায়।

সিন্ড্রেলাকে ডেকে বলল, 'তোমার মাকে বাঁচানোর একটা উপায় আমরা পেয়েছি। কিন্তু কাজটা কঠিন।'

সিন্ড্রেলা কেঁদে কেঁদে বলল, 'বল কী সেই উপায়। মাকে বাঁচাতে আমি সব করতে পারব।'

'বেশ, তবে কাল ভোরে সূর্য মামা যখন পুব আকাশে উঁকি দিবে তখন একটা ফানুসে করে তোমায় উড়িয়ে দিবে। সে ফানুস যেখানে গিয়ে পড়বে, সেখানেই মিলবে তোমার মাকে বাঁচানোর উপায়'- বলল নদী।

ভোরবেলায় একটা বড় ফানুসে বসিয়ে সিন্ড্রেলাকে আকাশে উড়িয়ে দিলো সবাই। কাঁদল আকাশের পরি, গ্রামের মানুষ, নদী, গাছ, মাছ সবাই।

উড়তে উড়তে বহুদূর চলে গেল ফানুস। গিয়ে পড়ল অচেনা এক রাজ্যে। সেখানে ঘাসগুলো ফ্যাকাসে। গাছে নেই কোনো পাতা। নদীতে নেই জল।

হাঁটতে হাঁটতে এক বিরাট রাজ প্রাসাদের সামনে এসে দাঁড়াল সিন্ড্রেলা। অন্দরমহলে ঢুকে দেখল রাজা বসে কাঁদছে। তার কাছে গিয়ে বলল, 'আপনি কাঁদছেন কেন?'

রাজা মাথা তুলে দেখল লাল পেড়ে ঘিয়ে রঙের শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে এক মেয়ে। বলল, 'কে তুমি মা? কোথায় থেকে এসেছ? আমার এই রাজ্যে যে সন্যাসীর অভিশাপ পড়েছে। তাই কোনো গাছে ফল নেই, নদীতে জল নেই। না খেতে পেরে আমার সব প্রজারা মরে যাচ্ছে। আমার একমাত্র নয়নের মণি রাজপুত্র সমরও পানির অভাবে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।'

'আমি পারব আপনার রাজ্যকে বাঁচাতে' – বলল সিন্ড্রেলা।

'কী বললে মা তুমি! তুমি পারবে? কী করে? কথা দিচ্ছি যদি তুমি সত্যি আমার রাজ্য, আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারো, যা চাও তাই পাবে'- বলল রাজা।

সিন্ড্রেলা বাইরে বেরিয়ে এলো। এসে গান গাওয়া শুরু করল। তার গান শুনে ঘাসগুলো সতেজ হয়ে গেল। গাছগুলো পাতায় পাতায় ভরে উঠল। নদী জলে ভরে গেল। সঙ্গে কত মাছ। জল খেয়ে বাঁচল রাজপুত্র সমরের প্রাণ।

সমরের সঙ্গে গল্প করতে করতে দুঃখের কথা বলল সিন্ড্রেলা। সমর বলল, 'আমি জানি কী করে তোমার মাকে বাঁচাবে।'

সিন্ড্রেলা বলল, 'কী করে? বলো আমায় সে উপায়।'

সমর বলল, 'এ রাজ্যের পূর্ব কোণে আছে এক বৃষ্টিগাছ। সে গাছের নিচে দাঁড়ালেই বৃষ্টি হয়। সেই বৃষ্টির জল যদি খাওয়াতে পারো তোমার মাকে, বাঁচবে তিনি।'

তারপর দুজন মিলে চলে গেল সে বৃষ্টিগাছের কাছে। শিশি ভরে নিলো সেই বৃষ্টির জল। তারপর রাজকুমার তার ঘোড়ায় চাপিয়ে সিন্ড্রেলাকে নিয়ে গেল তার মায়ের কাছে। বৃষ্টির জল খেয়ে সুস্থ হয়ে গেল সিন্ড্রেলার মা।

কয়েক বছর পর খবর পাঠিয়ে সিন্ড্রেলাকে রাজ পুত্রবধূ করে নিল রাজকুমার সমর।

আরও পড়ুন:
গাধার বুদ্ধি
জোলা আর সাত ভূত
শেয়ালের বুদ্ধি
কাযিম আর তার শিক্ষক
তিন মুসাফির

মন্তব্য

গান

গান
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ভাই তার ছোট বোনকে গান শুনিয়েছে…

ভাই : আমার গান তোর কেমন লাগল?

বোন : তোমার আসলে টিভিতে চান্স পাওয়া উচিত।

ভাই : আমি কি সত্যিই এত ভালো গান করি?

বোন : না, মানে টিভিতে হলে চ্যানেলটা বদলে দিতে পারতাম।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
পালস
নাম
নেপালের রাজধানী
পাগল
তুলনা

মন্তব্য

ভুল অ্যানসার

ভুল অ্যানসার
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ছেলে: জানো বাবা, আমি না আজকের পরীক্ষায় একটাও ভুল অ্যানসার দেইনি।

বাবা: বাহ! তার মানে সবই সঠিক দিয়েছ?

ছেলে: না বাবা। আমি সাদা খাতা জমা দিয়েছি। অ্যানসার ভুল হওয়ার সুযোগই নেই।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
নাম
নেপালের রাজধানী
পাগল
তুলনা
জ্যোতিষির দরবারে

মন্তব্য

কিড জোন
A wolfs sense of smell is 100 times better than a humans

নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি

নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি
নেকড়েদের একটি দল যখন চিৎকার করে তখন ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। তাদের চিৎকারের মানে হলো অন্য দলকে ডাকা বা বিপদ নিয়ে সতর্কতা। প্রতিটি দলের নিজস্ব ডাক আছে।

নাম তার ধূসর নেকড়ে। নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে একটি হিংস্র প্রাণীর ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু নেকড়েদের জীবনযাপন নিয়ে এমন কিছু তথ্য আছে, যা হয়তো তোমার জানা নেই। এগুলো জানলে তুমি অবাকও হতে পারো।

প্রথমেই বলে রাখি, নেকড়েরা দল বেঁধে বাস করে। এদের দলকে ইংরেজিতে বলে প্যাক। একটি দলে সাত থেকে আটটি নেকড়ের পরিবার। যেখানে মা-বাবা এবং সন্তান থাকে। এরা শিকার, সন্তান লালন এবং নিজেদের অঞ্চল রক্ষা করতে একসঙ্গে কাজ করে।

নেকড়েদের যোগাযোগ দক্ষতা অসম্ভব ভালো। তাদের বেঁচে থাকার জন্য এই যোগাযোগ দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নেকড়েরা চিৎকার করে যোগাযোগ করে। এ ছাড়া যোগাযোগের জন্য নিজেদের শরীরে উৎপাদিত ঘ্রাণ ব্যবহার করে। একটি নেকড়ের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

তাদের ঘ্রাণের অন্যতম উৎস হলো প্রস্রাব। প্রসাবের গন্ধের মাধ্যমে তারা নিজেদের অঞ্চল চিহ্নিত করে। এমনকি অন্য নেকড়েকে নিজেদের দলে ফেরত আনতে এটাকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করে।

তাদের যোগাযোগের আরেকটি মাধ্যম হলো শরীরী ভাষা। কোনো নেকড়ে আত্মবিশ্বাসী বোধ করলে সে মাথা এবং লেজ উঁচু করে রাখে। এ সময় তার কান দুটিও খাড়া থাকে। কিন্তু কোনো নেকড়ে যদি ভয় পেয়ে যায় তাহলে তার শরীর নিচু থাকে এবং দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। এ সময় তার কান দুটিও চ্যাপ্টা হয়ে যায়।

নেকড়েদের একটি দল যখন চিৎকার করে তখন ১০ মাইল দূর থেকে শোনা যায়। তাদের চিৎকারের মানে হলো অন্য দলকে ডাকা বা বিপদ নিয়ে সতর্কতা। প্রতিটি দলের নিজস্ব ডাক আছে। যখন কোনো নেকড়ে খেলতে চায় তখন তার শরীরটি ধনুকের মতো করে ফেলে। এভাবে সে তার আনন্দ প্রকাশ করে। কিন্তু যখন সে রাগান্বিত হয় তখন কপাল চাপড়ায় বা গর্জন করে। একটি নেকড়ের শরীরী ভাষা অনেকটা কুকুরের মতো। অবশ্য নেকড়ে এবং কুকুর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং তাদের যোগাযোগের প্রক্রিয়া প্রায় একই রকম।

বাচ্চা নেকড়েরা কমপক্ষে দুই বছর ধরে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে প্যাকে থাকে। এরপর কেউ কেউ অন্য দলে যোগ দেয়। কেউবা নিজেদের দলেই থেকে যায়। অন্য দলে যোগ দেয়ার ফলে তারা মা-বাবার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। বাচ্চা নেকড়েরা খেলতে খেলতে বড় হয়। যেমন- তারা লাফালাফি করে, এখানে-ওখানে ঝাঁপ দেয়, একে অন্যকে তাড়া করে এবং কুস্তি খেলে। এমনি তারা লুকোচুরিও খেলে।

নেকড়েদের জীবনযাপন কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মতো। যেমন- আমাদের বড় ভাই বা বোন ছোট ভাই-বোনের দেখাশোনা করে, তেমনি বড় নেকড়ে তাদের ছোট ভাই-বোনদের জন্য খাবার জোগাড় করে। তাদের যত্ন নেয়। নেকড়ে ৬ থেকে ৮ বছর বাঁচে।

মন্তব্য

গণিত

গণিত
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

গণিত শিক্ষক: তোমাদের বয়সে আমি অঙ্কে ১০০ তে ১০০ পেতাম।

ছাত্র: তাই নাকি! তখন মনে হয় আপনাদের আরও ভালো টিচার গণিত পড়াতেন?

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
নেপালের রাজধানী
পাগল
তুলনা
জ্যোতিষির দরবারে
মাস্তান

মন্তব্য

কিড জোন
king of the forest

বনের রাজা

বনের রাজা
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

একদিন সিংহ বনের সবাইকে ডেকে জিজ্ঞাসা করল, বনের রাজা কে?

বানর: কে আবার, আপনি।

শিয়াল: হুজুর অবশ্যই আপনি বনের রাজা।

এরপর হাতির কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল। প্রশ্ন শুনে হাতি তাকে শুঁড় দিয়ে প্যাঁচিয়ে মারল এক আছাড়।

সিংহ: প্রশ্নের উত্তর না জানলে বলবে, জানি না। তাই বলে এত ক্ষেপে যাবার কী আছে।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
পাগল
তুলনা
জ্যোতিষির দরবারে
মাস্তান
মশা

মন্তব্য

অফিসের বস

অফিসের বস
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

অফিসের সাধারণ কর্মচারী ক্যান্টিনে ফোন দিতে গিয়ে ভুলে তার বসকে ফোন দিলো।

কর্মচারী: এক কাপ চা আর একটা সমুচা পাঠান।

বস: তুমি জানো আমি কে?

কর্মচারী: না, কে আপনি?

বস: আমি এই অফিসের বস।

কর্মচারী: খাইছে। তা আপনি জানেন আমি কে?

বস: না, কে তুমি?

কর্মচারী মনে মনে বলল, ‘যাক বাবা বাঁচলাম।’

তারপর ফোন রেখে দিল।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
তুলনা
জ্যোতিষির দরবারে
মাস্তান
মশা
আমার চাচা

মন্তব্য

কিড জোন
A beautiful village

সুন্দর একটি গ্রাম

সুন্দর একটি গ্রাম
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

খুব সুন্দর একটি গ্রাম।

নানা রকম গাছপালায় ছেয়ে আছে। ফুলে ফুলে ছেয়ে আছে কৃষ্ণচূড়া গাছ।

একপাশ দিয়ে চলে গেছে মাটির রাস্তা। আকাশও গাঢ় নীল রঙে ছেয়ে আছে।

চমৎকার এই গ্রামের ছবিটি এঁকেছে আমাদের বন্ধু মো. মুইদ আল হাসান।

মুইদ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
গ্রামের হাট
খোকা-খুকু আর নৌকা
ভাষাশহীদদের স্মরণ করেছে নিলয়
শহীদ মিনার এঁকেছে মিনহা
রাজকন্যা এঁকেছে সাফিয়া

মন্তব্য

p
উপরে