× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

কিড জোন
How many squirrels are in the picture?
hear-news
player
print-icon

ছবিতে কয়টি কাঠবিড়ালি আছে

ছবিতে-কয়টি-কাঠবিড়ালি-আছে
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

সুন্দর একটি বন। বনের পাতাগুলো বেশির ভাগই হলুদ । তবে সবুজ পাতাও আছে। এই পাতার ফাঁকে খেলা করছে একঝাঁক কাঠবিড়ালি আর পাখি।

তোমাদের কাজ হলো, এখানে কতগুলো কাঠবিড়ালি আছে তা খুঁজে বের করা।

খুব সহজ কাজ, তাই না?

তাহলে দেরি না করে শুরু করে দাও।

সময় মাত্র এক মিনিট।

কয়টি কাঠবিড়ালি পেলে, এই ঠিকানায় মেইল করে জানিয়ে দিও।

ই-মেইল: [email protected]

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
শামুকটাকে পথ দেখাও
ছবির ভুল বের করো
লেমুরের ছায়াটি খুঁজে বের করো
খরগোশকে পথ দেখাও
বিড়ালটি লুকিয়ে আছে

মন্তব্য

কিড জোন
Jola and seven ghosts

জোলা আর সাত ভূত

জোলা আর সাত ভূত
জোলার রাগ যে হলো, সে আর কি বলব! সে আবার সেই বটগাছতলায় গিয়ে চেঁচিয়ে বলতে লাগল, ‘একটা খাব, দুটো খাব, সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’

এক জোলা ছিল সে পিঠা খেতে বড় ভালোবাসত।

একদিন সে তার মাকে বলল, ‘মা, আমার বড্ড পিঠা খেতে ইচ্ছা করছে, আমাকে পিঠা করে দাও।’

সেই দিন তার মা তাকে লাল-লাল, গোল-গোল, চ্যাপটা-চ্যাপটা সাতখানি চমৎকার পিঠা করে দিল। জোলা সেই পিঠা পেয়ে ভারি খুশি হয়ে নাচতে লাগল আর বলতে লাগল,

‘একটা খাব, দুটো খাব,
সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’

জোলার মা বলল, ‘খালি নাচবিই যদি, তবে খাবি কখন?’

জোলা বলল, ‘খাব কি এখানে? সবাই যেখানে দেখতে পাবে, সেখানে গিয়ে খাব।’ বলে জোলা পিঠাগুলো নিয়ে নাচতে নাচতে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল এবং বলতে লাগল,

‘একটা খাব, দুটো খাব,
সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’

নাচতে নাচতে জোলা একেবারে সেই বটগাছতলায় চলে এলো, যেখানে হাট হয়। সেই গাছের তলায় এসে সে খালি নাচছে আর বলছে,

‘একটা খাব, দুটো খাব,
সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’

এখন হয়েছে কি-সেই গাছে সাতটা ভূত থাকত। জোলা ‘সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব’ বলছে, আর তা শুনে তাদের ত বড্ড ভয় লেগেছে। তারা সাতজনে গুটি গুটি হয়ে কাঁপছে, আর বলছে, ‘ওরে সর্বনাশ হয়েছে! ঐ দেখ, কেত্থেকে এক বিটকেল ব্যাটা এসেছে, আর বলছে আমাদের সাতজনকেই চিবিয়ে খাবে! এখন কি করি বল্‌ ত! অনেক ভেবে তারা একটা হাঁড়ি নিয়ে জোলার কাছে এলো। এসে জোড়হাত করে তাকে বলল, ‘দোহাই কর্তা! আমাদের চিবিয়ে খাবেন না। আপনাকে এই হাঁড়িটি দিচ্ছি, এইটি নিয়ে আমাদের ছেড়ে দিন।’

সাতটি মিশমিশে কালো তালগাছপানা ভূত, তাদের কুলোর মতো কান, মুলোর মতো দাঁত, চুলোর মতো চোখ। তারা জোলার সামনে এসে কাইমাই করে কথা বলছে দেখেই ত সে এমনি চমকে গেল যে, সেখান থেকে ছুটে পালাবার কথা তার মনেই এলো না। সে বলল, ‘হাঁড়ি নিয়ে আমি কী করব?’

ভূতেরা বলল, ‘আজ্ঞে, আপনার যখন যা খেতে ইচ্ছা হবে, তাই এই হাঁড়ির ভেতর পাবেন।’

জোলা বলল, ‘বটে! আচ্ছা পায়েস খাব।’

বলতে বলতেই সেই হাঁড়ির ভেতর থেকে চমৎকার পায়েসের গন্ধ বেরোতে লাগল। তেমন পায়েস জোলা কখনো খায়নি, তার মাও খায়নি, তার বাপও খায়নি। কাজেই জোলা যারপরনাই খুশি হয়ে হাঁড়ি নিয়ে সেখান থেকে চলে এলো, আর ভূতেরা ভাবল, ‘বাবা! বড্ড বেঁচে গেছি।’

তখন বেলা অনেক হয়েছে, আর জোলার বাড়ি সেখান থেকে ঢের দূরে। তাই জোলা ভাবল, ‘এখন এই রোদে কী করে বাড়ি যাব? বন্ধুর বাড়ি কাছে আছে, এবেলা সেখানে যাই। তারপর বিকেলে বাড়ি যাব।’

বলে সে তার বন্ধুর বাড়ি এসেছে। সে হতভাগা কিন্তু ছিল দুষ্টু। সে জোলার হাঁড়িটি দেখে জিজ্ঞাসা করল, হাঁড়ি কোত্থেকে আনলি রে।’

জোলা বলল, ‘বন্ধু, এ যে-সে হাঁড়ি নয়, এর ভারি গুণ।’

বন্ধু বলল ‘বটে? আচ্ছা দেখি ত কেমন গুণ।’

জোলা বলল, ‘তুমি যা খেতে চাও, তাই আমি এর ভেতর থেকে বার করতে পারি।’

বন্ধু বলল, ‘আমি রাবড়ি, সন্দেশ, রসগোল্লা, সরভাজা, মালপুয়া, পাস্তুয়া, কাঁচাগোল্লা, ক্ষীরমোহন, গজা, মতিচুর জিলিপি, আমৃতি, চমচম- এইসব খাব।’

জোলার বন্ধু যা বলছে, জোলা হাঁড়ির ভেতর হাত দিয়ে তাই বার করে আনছে। এসব দেখে তার বন্ধু ভাবল যে, এ জিনিসটি চুরি না করলে হচ্ছে না।

তখন জোলাকে কতই আদর করতে লাগল! পাখা এনে তাকে হাওয়া করল, গামছা দিয়ে তার মুখ মুছিয়ে দিল, আর বলল, ‘আহা ভাই, তোমার কি কষ্টই হয়েছে! গা দিয়ে ঘাম বয়ে পড়েছে! একটু ঘুমোবে ভাই? বিছানা করে দেব?’

সত্যি সত্যি জোলার তখন ঘুব পেয়েছিল। কাজেই সে বলল, ‘আচ্ছা বিছানা করে দাও।’ তখন তার বন্ধু বিছানা করে তাকে ঘুম পাড়িয়ে, তার হাঁড়িটি বদ্‌লে তার জায়গায় ঠিক তেমনি ধরনের আর একটা হাঁড়ি রেখে দিল। জোলা তার কিছুই জানে না, সে বিকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি চলে এসেছে আর তার মাকে বলছে, ‘দেখো মা, কি চমৎকার একটা হাঁড়ি এনেছি। তুমি কি খাবে, মা? সন্দেশ খাবে? পিঠে খাবে? দেখো আমি এর ভিতর থেকে সে-সব বার করে দিচ্ছি।’

কিন্তু এ ত আর সে হাঁড়ি নয়, এর ভিতর থেকে সে-সব জিনিস বেরুবে কেন? মাঝখান থেকে জোলা বোকা ব’নে গেল, তার মা তাকে বকতে লাগল।

তখন ত জোলার বড্ড রাগ হয়েছে, আর সে ভাবছে, ‘সেই ভূত ব্যাটাদেরই এ কাজ।’ তার বন্ধু যে তাকে ঠকিয়েছে, এ কথা তার মনেই হল না।

কাজেই পরদিন সে আবার সেই বটগাছতলায় গিয়ে বলতে লাগল,

‘একটা খাব, দুটো খাব,
সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’

তা শুনে আবার ভূতগুলো কাঁপতে কাঁপতে একটা ছাগল নিয়ে এসে তাকে হাত জোড় করে বলল, ‘মশাই গো! আপনার পায়ে পড়ি, এই ছাগলটা নিয়ে যান। আমাদের ধরে খাবেন না।’

জোলা বলল, ‘ছাগলের কি গুণ?’

ভূতরা বলল, ‘ওকে সুড়সুড়ি দিয়ে ও হাসে, আর ও মুখ দিয়ে খালি মোহর পড়ে।’

অমনি জোলা ছাগলের গায়ে সুড়সুড়ি দিতে লাগল। আর ছাগলটাও ‘হিহি হিহি’ করে হাসতে লাগল, আর মুখ দিয়ে ঝর ঝর করে খালি মোহর পড়তে লাগল। তা দেখে জোলার মুখে ত আর হাসি ধরে না। সে ছাগাল নিয়ে ভাবল যে, এ জিনিস বন্ধুকে না দেখালেই নায়।

সেদিন তার বন্ধু তাকে আরো ভাল বিছানা করে দিয়ে দুহাতে দই পাখা দিয়ে হাওয়া করল। জোলার ঘুমও হল তেমনি। সেদিন আর সন্ধ্যার আগে তার ঘুম ভাঙল না। তার বন্ধু ত এর মধ্যে কখন তার ছাগল চুরি করে তার জায়গয় আর-একটা ছাগল রেখে দিয়েছে।

সন্ধ্যার পর জোলা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে তার বন্ধুর সেই ছাগলটা নিয়ে বাড়ি এল। এসে দেখল, যে তার মা তার দেরি দেখে ভারি চটে আছে। তা দেখে সে বলল, ‘রাগ আর করতে হবে না, মা। আমার ছাগলের গুণ দেখলে খুমি হয়ে নাচবে!’ বলেই সে ছাগলের বগলে আঙুল দিয়ে বলল, ‘কাতু কুতু কুতু কুতু কুতু!!!’

ছাগল কিন্ত তাতে হাসলো না, তার মুখ দিযে মোহরও বেরুল না। জোলা আবার তাকে সুড়সুড়ি দিলে বলল, ‘কাতু কুতু কুতু কুতু কুতু কুতু কুতু কুতু!!’

তখন সেই ছাগল রেগে গিয়ে শিং বাগিয়ে তার নাকে অমনি বিষম গুঁতো মারল যে, সে চিত হয়ে পড়ে চেঁচাতে লাগল। আর তার নাক দিয়ে রক্তও পড়ল প্রায় আধ সের তিন পোয়া। তার উপর আবার তার মা তাকে এমনি বকুনি দিল যে, তেমন বকুনি সে আর খায় নি।

তাতে জোলার রাগ যে হল, সে আর কি বলব! সে আবার সেই বটগাছতলায় গিয়ে চেঁচিয়ে বলতে লাগল,

‘একটা খাব, দুটো খাব,
সাত বেটাকেই চিবিয়ে খাব!’

‘বেটারা আমাকে দুবার ফাঁকি দিয়েছিস, ছাগল দিয়ে আমার নাক থেঁতলা করে দিয়েছিস-আজ আর তোদের ছাড়ছি নে!’

ভূতেরা তাতে ভারি আশ্চর্য হয়ে বলল, সে কি মশাই, আমার কি করে আপনাকে ফাঁকি দিলুম, আর ছাগল দিয়েই বা কিরে আপনার নাক থেঁতলা করলুম?’

জোলা তার নাক দেখিয়ে বলল, ‘এই দেখ না, গুঁতো মেরে সে আমার কি দশা করেছ। তোদের সব কটাকে চিবিয়ে খাব!’

ভূতেরা বলল, ‘সে কখনো আমাদের ছাগল নয়। আপনি কি এখান থেকে সোজাসুজি বাড়ি গিয়েছিলেন?’

জোলা বলল, ‘না, আগে বন্ধুর ওখানে গিয়েছিলুম।সেখানে খানিক ঘুমিয়ে তারপর বাড়ি গিয়েছিলুম।’

ভূতেরা বলল, ‘তবেই ত হছেয়ে! আপনি যখন ঘুমোচ্ছিলেন, সেই সময় আপনার বন্ধু আপনার ছাগল চুরি করেছে।’ একথা শুনেই জোলা সব বুঝতে পারল। সে বলল, ‘ঠিক ঠিক। সে বেটাই আমার হাঁড়ি চুরি করেছে। এখন কি হবে?’

ভূতেরা তাকে একগাছি লাঠি দিয়ে বলল, ‘এই লাঠি আপনার হাঁড়িও এনে দেবে, ছাগলও এনে দেবে। ওকে শুধু একটিবার আপনার বন্ধুর কাছে নিয়ে বলবেন, ‘লাঠি লাগ। ত!’ তা হলে দেখবেন, কি মজা হবে! লাখ লোক ছুটে এলেও এ লাঠির সঙ্গে পারবে না, লাঠি তাদের সকলকে পিটে ঠিক করে দেবে।’

জোলা তখন সেই লাঠিটি বগলে করে তার বন্ধুর গিয়ে বলল, ‘বন্ধু, একটা মজা দেখবে?’

বন্ধু ত ভেবেছে, না জানি কি মজা হবে। তারপর যখন জোলা বলল, ‘লাঠি, লাগ্‌ ত!’ তখন সে এমনি মজা দেখল, যেমন তার জন্মে আর কখনো দেখে নি। লাঠি তাকে পিটে পিটে তার মাথা থেকে পা অবধি চামড়া তুলে ফেলল। সে ছুটে পালাল, লাঠি তার সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাকে পিটতে পিটতে ফিরিয়ে নিয়ে এল। তখন সে কাঁদতে কাঁদতে হাত জোড় করে বলল, ‘তার পায়ে পড়ি ভাই, তোর হাড়ি নে, তোর ছাগল নে আমাকে ছেড়ে দে।’

জোলা বলল, ‘আগে ছাগল আর হাঁড়ি আন্‌, তবে তোকে ছাড়ব।’

কাজেই বন্ধুমশাই আর করেন? সেই পিটুনি খেতে খেতেই হাঁড়ি আর ছাগল এনে হাজির করলেন। জোলা হাঁড়ি হাতে নিয়ে বলল, ‘সন্দেশ আসুক ত“!’অমনি হাঁড়ি সন্দেশে ভরে গেল। ছাগলকে সুড়সুড়ি দিতে না দিতেই সে হো হো করে হেসে ফেলল, আর তার মুখ দিয়ে চারশোটা মোহর বেরিয়ে পড়ল। তখন সে তার লাঠি, হাঁড়ি আর ছাগল নিয়ে বাড়ি চলে গেল।

এখন আর জোলা গরিব নেই, সে বড়মানষ হয়ে গেছে। তার বাড়ি, তার গাড়ি হাতি-ঘোড়া-খাওয়া-পরা, চাল-চলন, লোকজন সব রাজার মতন। দেশের রাজা তাকে যার পর নাই খাতির করেন, তাকে জিজ্ঞাসা না করে কোন ভারি কাজে হাত দেন না।

এর মধ্যে একদিন হয়েছে কি, আর কোন দেশের এক রাজা হাজার লোকজন নিয়ে এসে সেই দেশ লুটতে লাগল। রাজার সিপাইদের মেরে খোঁড়া করে দিয়েছে, এখন রাজার বাড়ি লুটে কখন তাঁকে ধরে নিয়ে যাবে, তার ঠিক নেই।

রাজামশাই তাড়াতাড়ি জোলাকে ডাকিয়ে বললেন, ভাই, এখন কি করি বল্‌ ত? বেঁধেই ও নেবে দেখছি।’

জোলা ললর, ‘আপনার কোন ভয় নেই। আপনি চুপ করে ঘরে বসে থাকুন, আমি সব ঠিক করে দিচ্ছি।’

বলেই সে তার লাঠিটি বগলে করে রাজার সিংহদরজার বাইরে গিয়ে চুপ ক’রে বসে রইল। বিদেশী রাজা লুটতে লুটতে সেই দিকেই আসছে, তার সিপাই আর হাতি ঘোড়ার গোলমালে কানে তালা লাগছে, ধুলোয় আকাশ ছেয়ে গিয়েছে। জোলা খালি চেয়ে দেখছে, কিছু বলে না।

বিদেশী রাজা পাহাড়ের মতন এক হাতি চড়ে সকলের আগে আগে আসছে, আর ভাবছে, সব লুটে নেবে। আর, জোলা চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে আর ভাবছে, আর একটু কাছে এলেই হয়।

তারপর তারা যেই কাছে এসেছে, অমনি জোলা তার লাঠিকে বলল, ‘লাঠি, লাগ্‌ ত।’ আর যাবে কোথায়? তখনি এক লাঠি লাখ লাখ হয়ে রাজা আর তার হাতি- ঘোড়া সকলের ঘাড়ে গিয়ে পড়ল্‌ আর পিটুনি যে কেমন দিল, সে যারা সে পিটুনি খেয়েছিল তারাই বলতে পারে।

পিটুনি খেয়ে রাজা চেঁচাতে চেঁচাতে বলল, ‘আর না বাবা, আমাদের ঘাট হয়েছে, এখন ছেড়ে দাও, আমরা দেশে চলে যাই।’

জোলা কিছু বলে না, খালি চুপ করে চেয়ে দেখছে আর একটু একটু হাসছে।

শেষে রাজা বলল, ‘তোমাদের যা লুটেছি, সব ফিরিয়ে দিচ্ছি, আমার রাজ্য দিচ্ছি, দোহই বাবা, ছেড়ে দাও।’

তখন জোলা গিয়ে তার রাজাকে বলল, ‘রাজামশাই, সব ফিরিয়ে দেবে বলছে, আর তাদের রাজ্যও আপনাকে দেবে বলছে, আর বলছে, দোহাই বাবা, ছেড়ে দাও। এখন কি হুকুম হয়?’

রাজামহাশয়ের কথায জোলা তার লাঠি থামিযে দিলে। তারপর বিদেশী রাজা কাঁদতে কাঁদতে এসে রাজামশাইয়ের পায়ে পড়ে মাপ চাইল।

রাজামশাই জোলাকে দেখিয়ে বললেন,‘ আর এই লোকটিকে যদি তোমার অর্ধেক রাজ্য দাও, আর তার সঙ্গে তোমার মেয়ের বিয়ে দাও, তা হলে তোমার মাপ করব।’

সে ত তার সব রাজ্যই দিতে চেয়েছিল। কাজেই জোলাকে তার অর্ধেক রাজ্য আর মেয়ে দিতে তখনি রাজি হল।

তারপর জোলা সেই অর্ধেক রাজ্যের রাজা হল,আর রাজার মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হল। আর ভোজের কি যেমন তেমন ঘটা হল! সে ভোজ খেয়ে যদি তারা শেষ করতে না পেরে থাকে, তবে হয়ত এখনো খাচেছ। সেখানে একবার যেতে পারলে হত।

আরও পড়ুন:
একটি বর
দৈত্য ও নাপিত
তৈয়ব আখন্দের আশ্চর্য বাগান
ভাগাভাগি
রানির হাসি

মন্তব্য

কিড জোন
Books written by Bella

বেলার লেখা বই

বেলার লেখা বই
দ্য লস্ট ক্যাট বা হারানো বিড়াল নামের বইটি লেখার মাধ্যমে সে বিশ্ব রেকর্ডও গড়েছে। সবচেয়ে কম বয়সে (৫ বছর ২১১ দিন) বই লিখে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেলা।

ইংল্যান্ডের ওয়েমাউথে আমাদের এক ছোট্ট বন্ধু বাস করে। ওর নাম বেলা জে ডার্ক। বয়স ৫ বছর। সে কী করেছে জানো?

চমৎকার একটা বই লিখে ফেলেছে।

দ্য লস্ট ক্যাট বা হারানো বিড়াল নামের বইটি লেখার মাধ্যমে সে বিশ্ব রেকর্ডও গড়েছে।

সবচেয়ে কম বয়সে (৫ বছর ২১১ দিন) বই লিখে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেলা।

শুধু কী লেখা! বইয়ের কভারসহ পাতায় পাতায় থাকা ছবিগুলোও এঁকেছে বেলা।

বেলার লেখা বই

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রকাশ হয়েছে বেলার দ্য লস্ট ক্যাট। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ১০০০ কপির বেশি বই বিক্রিও হয়ে গেছে।

বইটি লিখতে এবং ছবিগুলো আঁকতে পাঁচ দিন সময় নিয়েছে সে।

বেলার আগে সবচেয়ে কম বয়সে বই লিখেছিলেন ডরোথি স্ট্রেইট। ১৯৬৪ সালের আগস্টে যখন ডরোথির বই প্রকাশিত হয়, তখন তার বয়স ছিল ছয় বছর।

বেলার লেখা বই

আরও পড়ুন:
জনের মাথায় আস্ত গাড়ি
কাটবিল চাচ্চুর চকলেট ব্যালেন্স রেকর্ড

মন্তব্য

কিড জোন
Show the way to the butterfly

প্রজাপতিকে পথ দেখাও

প্রজাপতিকে পথ দেখাও
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

ছবিতে খুব সুন্দর একটি প্রজাপতি দেখতে পাচ্ছ।

ওর কী হয়েছে জানো?

ক্ষুধা লেগেছে প্রজাপতিটার। এক্ষুনি উড়ে গিয়ে কোনো ফুল থেকে মধু না খেলে তার চলছেই না।

দূরে কয়েকটা ফুল দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে কীভাবে যাবে বুঝতে পারছে না সে।

তোমরা কী ওকে ফুলের কাছে যাওয়ার পথ দেখাতে পারবে।

আমার মনে হয় পারবে।

তাহলে শুরু করে দাও। সময় মাত্র এক মিনিট।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

উত্তর দেখে নাও নিচের ছবিতে।

প্রজাপতিকে পথ দেখাও

আরও পড়ুন:
পান্ডাকে খুঁজে বের করো
ছবির ভুল বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
শামুকটাকে পথ দেখাও
ছবির ভুল বের করো

মন্তব্য

কিড জোন
Gopal eats sweets

গোপালের মিষ্টি খাওয়া

গোপালের মিষ্টি খাওয়া
তখন ভরদুপুর। দোকানি ছাড়া আর কেউ ছিল না। গোপাল আর গোপালের বন্ধু আগে থেকে মতলব এটে নিয়ে দোকানে ঢুক পড়ল। দুজনই বেশ পেটপুরে যা ইচ্ছা সব রকম মিষ্টিই খেয়ে নিল । জাঁদরেল খদ্দের ভেবে দোকানদার একটু একটু করে কৃতার্থের হাসি হাসে।

এক দিন গোপাল ও তার বন্ধু রাস্তা দিয়ে ভিন গাঁয়ে যাচ্ছিল। যেতে যেতে দেখতে পেল একটি মিষ্টির দোকানে থালায় থালায় থরে থরে মিষ্টি সাজানো আছে। মিষ্টি দেখেই দুজনের জিভে জল এসে গেল। দুজন পকেট হাতড়িয়ে দেখে মিষ্টি খাবার মতো পয়সা পকেটে নেই। কিন্তু মিষ্টি না চেখে চলে যেতে তাদের পা উঠছে না। তারা দুজনই লোভ সামলাতে পারল না। সঙ্গে পয়সা না থাকলেও গোপাল ও গোপালের বন্ধুর পোশাক-পরিচ্ছদের দিক থেকে বেশ পরিপাটিই ছিল। দেখে বেশ বনেদি পয়সাওয়ালা ঘরের মনে হচ্ছিল।

তখন ভরদুপুর। দোকানি ছাড়া আর কেউ ছিল না। গোপাল আর গোপালের বন্ধু আগে থেকে মতলব এটে নিয়ে দোকানে ঢুক পড়ল। দুজনই বেশ পেটপুরে যা ইচ্ছা সব রকম মিষ্টিই খেয়ে নিল । জাঁদরেল খদ্দের ভেবে দোকানদার একটু একটু করে কৃতার্থের হাসি হাসে।

দোকানদার যখন দাম চাইলে তখন গোপাল বললে, আমি দিচ্ছি। কত দাম হয়েছে তোমার? গোপালের বন্ধুটি বললে, না আমি দিচ্ছি, কত দাম বলো। দুজনের মধ্যে দাম দেওয়া নিয়ে দস্তরমতো রেষারেষি শুরু হয়ে গেল। গোপাল দাম দিতে যায়, তার বন্ধুটি বাধা দেয়। বন্ধুটি দাম দিতে এগোয়, গোপাল বাধা দেয়। না তুমি দেবে না, আমি দেব- এই বলে দুজনের মধ্যে কে আগে দেবে এই মনোভাব যেন। দোকানি এসব দেখে হেসে লুটোপুটি।

পরিশেষে গোপাল দোকানিকে বলল মশায়, আপনার কাঁধের গামছাখানা দিয়ে আপনার চোখ বেঁধে দিচ্ছি। আপানি চোখ বাঁধা অবস্থায় আমাদের দুজনের মধ্যে যাকে প্রথমে এসে ধরবেন- সেই খাবারের দাম দেবে। বলুন রাজি আছেন? দোকানি গোপালের প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেল।

গোপাল দোকানির কাঁধের গামছাখানা দিয়ে তার চোখ দুটোকে কষে বেঁধে দিল। তারপর গোপাল আর গোপালের বন্ধু দোকান থেকে তাড়াতাড়ি আরও কিছু মিষ্টি নিয়ে কেটে পড়ল। দোকানি দুই হাতে এদিক-ওদিক করে যেতে লাগল।

বেশ কিছুদূর চলে আসার পর গোপালের বন্ধুটি গোপালকে বলল, অনেক দিন পর বেশ কানামাছি খেললে তো। গোপাল বন্ধুর কথা শুনে মুচকি হেসে বললে, আমি আর কানামাছি খেললুম কোথায়? দোকানি ব্যাটা এখনও বোধ হয় খেলছে। তারপর দুজনে হাসতে হাসতে জোরে জোরে পা চালিয়ে পগারপার। যদি পেছনে এসে পড়ে।

আরও পড়ুন:
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

মন্তব্য

কিড জোন
Find the shadow

ছায়া খুঁজে বের করো

ছায়া খুঁজে বের করো
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

ওরা তিন বন্ধু। শূকর, হাঁস এবং মুরগি। তিনজনেরই সেলফি তোলার খুব শখ। আজও ওরা একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে সেলফি তোলার জন্য।

এই সময় ঘটেছে একটা মজার ঘটনা। পাশের মাটিতে পড়েছে ওদের ছায়া। ছবিতে তোমরা মোট ছয়টি ছায়া দেখতে পাচ্ছ। এর মধ্যে একটি ছায়া এই তিন বন্ধুর। তোমরা কি সেই ছায়াটা খুঁজে বের করতে পারবে?

আমার মনে হয় পারবে।

তাহলে ছায়া খোঁজা শুরু করে দাও। সময় মাত্র এক মিনিট।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

উত্তর দেখে নাও নিচের ছবিতে।

ছায়া খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
ছবির ভুল বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
শামুকটাকে পথ দেখাও
ছবির ভুল বের করো
লেমুরের ছায়াটি খুঁজে বের করো

মন্তব্য

জাইমার পরী

জাইমার পরী
তোমরা যদি জাইমার মতো আঁকতে পারো, তাহলে তোমাদের আঁকা ছবিটা পাঠিয়ে দিও আমাদের কাছে। আমরা সেগুলো প্রকাশ করব। ছবির সঙ্গে তোমার নাম এবং ঠিকানাও লিখে দিও।

চমৎকার একটি পরী এঁকেছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু জাইমা। গোলাপি রঙের পরীটার দুটো ডানা আছে। সেই ডানা দিয়ে সে প্রজাপতির মতো আকাশে উড়তে পারে।

পরীর হাতে একটা ছানা দেখা যাচ্ছে। মনে এটা পরীর ছানা। এখনও উড়তে শেখেনি বলে মায়ের হাতে বসে ওড়ার চেষ্টা করছে।

বন্ধুরা, তোমরা যদি জাইমার মতো আঁকতে পারো, তাহলে তোমাদের আঁকা ছবিটা পাঠিয়ে দিও আমাদের কাছে। আমরা সেগুলো প্রকাশ করব। ছবির সঙ্গে তোমার নাম এবং ঠিকানাও লিখে দিও।

ছবি পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ভাষাশহীদদের স্মরণ করেছে নিলয়
শহীদ মিনার এঁকেছে মিনহা
রাজকন্যা এঁকেছে সাফিয়া
সুমাইলার সূর্যমুখী
হরিণ এঁকেছে আদনী

মন্তব্য

কিড জোন
The foxs intellect
ছোটদের মজার গল্প

শেয়ালের বুদ্ধি

শেয়ালের বুদ্ধি
কি করে কচ্ছপটাকে খাবে, বাঘ তার কোনো কায়দা করতে পারছে না। কচ্ছপের পিঠের আবরণ এত শক্ত যে তাতে দাঁত ফোটে না। নখ বসে না। কোনো রকমে জুত করতে না পেরে বাঘ এদিক-ওদিক তাকায়। উপায় খোঁজে।

গভীর বনের ধারে গাছগাছালি আর ঝোপঝাড়ে ঘেরা একটি পুকুর। সেই পুকুরে বাস করে এক কচ্ছপ, আর বড় একটি গাছের গোড়ার গর্তে এক শেয়াল। দুজনের মধ্যে ভারি বন্ধুত্ব।

এক দিনের কথা। তারা সুখ-দুঃখের গল্প করছিল। সেই মুহূর্তে আচমকা সেখানে লাফিয়ে পড়ল এক গেছো বাঘ। ক্ষিপ্রগতির ধূর্ত শেয়াল বাউলি মেরে সটকে পড়ল। কিন্তু চাকা লাগানো গোল চাকতির মতো কচ্ছপ তো গড়াতে গড়াতে পুকুরের দিকে যেতেই তার ওপর হামলে পড়ে গেছো বাঘ। পা দিয়ে তাকে চেপে ধরে ঘাড় মটকাতে গিয়ে দেখে ভারি বজ্জাত আর কৌশলী তার শিকার। ঘাড় নেই, গলা আছে—তবে সুরুত করে তাকে শরীরের ভেতর লুকিয়ে ফেলে।

কী করে কচ্ছপটাকে খাবে, বাঘ তার কোনো কায়দা করতে পারে না। কচ্ছপের পিঠের আবরণ এত শক্ত যে তাতে দাঁত ফোটে না। নখ বসে না। কোনো রকমে জুত করতে না পেরে বাঘ এদিক-ওদিক তাকায়। উপায় খোঁজে। শেয়াল তখন আপন ডেরার নিরাপদ আশ্রয় থেকে মুখ বার করে একটু ফেচকি হাসে।

তারপর বলে, ‘মামা, তুমি এক নচ্ছার জীবকে ধরেছ। এ জিনিস খেতে ভালো, একেবারে মুরগির মাংসের স্বাদ পাবে। তবে কিনা ওই খোসা নরম করার কায়দাটা না জানলে শত চেষ্টা করেও জিহ্বার সুখ পাবে না।’

বাঘ বলে: ভাগ্নে, জলদি বলনা ছাই, এই জিনিস খাওয়ার কায়দাটি কী? আমার আর তর সইছে না।

শেয়াল: ওই জিনিসের খোসা নরম করার একটাই উপায়। ওকে পানিতে ফেলে দাও। খানিকক্ষণ ভিজলে খোসা নরম হয়ে ভেসে উঠবে। তখন টেনে এনে মজাসে খাও।

বোকা বাঘ তাই করে। কচ্ছপ দ্রুত জলে মিলিয়ে যায়।

শেয়াল বলে: মামা, বসে বসে অপেক্ষা করো। তোমার খাবার তৈরি হয়ে ভেসে উঠবে।।

শেয়াল বন্ধুকে বাঁচাতে পেরে খুব খুশি।

গিন্নিকে বলে: বউ, একটু সরষের তেল দে। নাকে দিয়ে ঘুমাই। বিকেলে ঘুম থেকে উঠে বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দেব আর বোকা বাঘের পিণ্ডি চটকাব।

আরও পড়ুন:
দৈত্য ও নাপিত
তৈয়ব আখন্দের আশ্চর্য বাগান
ভাগাভাগি
রানির হাসি
জয়ী

মন্তব্য

p
উপরে