আজ তোমাদের নিয়ে এসেছি একটি পুতুল কারখানায়। নানা রঙের সুন্দর সুন্দর পুতুল বানানো হচ্ছে এখানে।
কারখানার এখানে-সেখানে লুকিয়ে আছে নানা রকম পুতুল আর খেলনা।
সেখান থেকে তোমাদের নিচের ছবিতে দেয়া ১১টা জিনিস খুঁজে বের করতে হবে।
তাহলে আর দেরি কেন। শুরু করে দাও।
সময় মাত্র ৫ মিনিট।
সময় শেষ হলে নিচের ছবি দেয়া উত্তরের সঙ্গে তোমার উত্তরগুলো মিলিয়ে নাও।
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।
পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]
ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের নবগঠিত উপজেলা মাতামুহুরীতে নিখোঁজের প্রায় ৪৫ ঘণ্টা পর ওয়াহিদুল ইসলাম (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা জানা গেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত জলাশয় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়া গ্রামের মো. তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে ওয়াহিদ নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন একটি পরিত্যক্ত জলাশয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়।
পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, 'সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি ছোট খালে শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।' তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, 'প্রাথমিক তদন্তে শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক তিন ব্যক্তি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।'
পুলিশ জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ছবি: নিউজ বাংলা
উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আমের বাজার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে তিনি হাটে এসে বিভিন্ন আমের আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান ও পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড সহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত হাটে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আমের স্বাদ গ্রহণ করেন।
হাটে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এমন সফরে তারা আনন্দিত। এতে রাজশাহীর আম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিতি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, রাজশাহীর আমের গুণগত মান ও স্বাদ বিশ্বব্যাপী পরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের এ ধরনের পরিদর্শন দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহীতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটি আমার প্রথম সফর। ২০২০ সালে একবার এসেছিলাম, তবে এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। আমি এখানে আসতে পেরে সত্যিই আনন্দিত। আমি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছি। পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয় সেখানে যাওয়ার মতো সেরা অভিজ্ঞতা আর নেই—সবচেয়ে তাজা, সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় এবং সেরা জিনিসটি দেখার সুযোগ সেখানে পাওয়া যায়। সেই অভিজ্ঞতার কোনো তুলনা হয় না।
তিনি আরও বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। যদিও আমরা সাধারণত সেগুলো হিমায়িত অবস্থায় পাই এবং শেক তৈরিতে ব্যবহার করি। যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া যায়, তবে আমি মনে করি না সেখানে এখানকার মতো এত তাজা আম পাওয়া সম্ভব।
বাংলাদেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে পরামর্শ দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশের আরও কোল্ড চেইন (হিমাগার ব্যবস্থা) প্রয়োজন। কারণ সারা বছর আমের সহজলভ্যতার জন্য হিমায়িত আম রপ্তানির জন্য সবচেয়ে উপযোগী। তাই সারা বছর আমের উন্নত উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য বাংলাদেশের কোল্ড চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।
ছবি: নিউজ বাংলা
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় অবৈধ দখল ও যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। অভিযানে অবৈধভাবে স্থাপিত ১২টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ৩টি মামলায় ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কুলাউড়া থানাপুলিশ ও পৌরসভার সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুল ইসলাম।
অভিযানকালে রেলস্টেশন রোডের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সড়কে অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিং করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার অভিযোগে ৩টি মামলা দায়ের করে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কুলাউড়া পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে কয়েকদিন থেকেই মাইকিংয়ের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছিলো। নির্দেশনা না মানায় জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সড়ক ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ছবি: নিউজ বাংলা
গাজীপুরের টঙ্গীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ।
সোমবার(১৫ জুন) দিবাগত রাত ৯টার দিকে টঙ্গী আউচপাড়া আক্কেল আলী সড়কের বাবর গাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নরসিংদী জেলার বাধবদী থানার চর দিঘলদী গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৬) ও নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার মৃত আমির হোসেনের ছেলে শাওন (২৬)। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৫৮ লাখ টাকা, ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ওই এলাকার বাবর গাজীর বাড়িতে বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে রাত ৯টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার এসআই এসএম মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আনোয়ার ও শাওনকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের হেফাজত থেকে ১০হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৫৮ লাখ টাকা, তিনটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত আলামতসহ দুই মাদক কারবারিকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
এব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, এঘটনায় থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ছবি: নিউজ বাংলা
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক ও চাল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ চেক ও চালের ডিও বিতরণ করা হয়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.রাহাত উজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পরিতোষ কুমার বিশ্বাস।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে প্রেরিত উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত ৩ জন ব্যক্তির জন্য ৩০ কেজি করে ৯০ কেজি চাল ও ৪৭ হাজার ৫০০ টাকার চেক ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রাহাত উজ্জামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চেকের মাধ্যমে টাকা ও চালের ডিও বিতরণ করা হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ জুন) সকালে কারাগার থেকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত এই আদেশ প্রদান করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজধানীর ওয়ারী থানায় দায়ের করা ওই মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি একটি অনলাইন প্রতারক চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। চক্রটি তাকে বিভিন্ন ধাপে টাকা বিনিয়োগ করতে প্ররোচিত করে এবং শুরুতে কিছু লভ্যাংশ দিয়ে আস্থা অর্জন করে। পরবর্তীতে মুনাফাসহ আসল টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এই ঘটনায় সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরপর থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন। বর্তমান মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় কারাগারে থাকা রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই আদেশ প্রদান করেন। তবে জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালত অধ্যাপক কলিমুল্লাহর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তারোপ করেছেন।
উচ্চ আদালতে কলিমুল্লাহর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও আইনজীবী কাজী আহসান হাবিব। দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী খান মো. মইনুল হাসান লিপন এবং রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অধ্যাপক কলিমুল্লাহর আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে জামিন দিয়েছেন। তবে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানান যে, কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তার কারামুক্তিতে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ও এ কে এম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিল দুদক। মামলার এজাহারে শেখ হাসিনা ছাত্রী হল ও ড. ওয়াজেদ মিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়ায় প্রায় চার কোটি টাকার অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে উচ্চ আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন সাবেক এই উপাচার্য।
মন্তব্য