নদীর তীরের স্কুলটা

নদীর তীরের স্কুলটা

স্কুলে শিশুরা এসেছে নতুন বই নেয়ার জন্য। শিক্ষক একে একে ওদের হাতে তুলে দিচ্ছেন বই। বই পেয়ে ওরা খুব খুশি।

সুন্দর একটা স্কুলের ছবি এঁকেছে জান্নাতি।

স্কুলে শিশুরা এসেছে নতুন বই নেয়ার জন্য।

শিক্ষক একে একে ওদের হাতে তুলে দিচ্ছেন বই।

বই পেয়ে ওরা খুব খুশি।

হবেই না বা কেন?

ওদের স্কুলটা নদীর তীরে।

সেই নদী দিয়ে মাঝি ভাই নৌকা নিয়ে যাচ্ছে।

তোমরা কি এই স্কুলে পড়বে?

নদীর তীরের স্কুলটা
ওয়াহিদা জান্নাতি আদনী

ছবিটা এঁকেছে আমাদের বন্ধু ওয়াহিদা জান্নাতি আদনী।

সে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি আদনীর মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পারো, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রঙিন মাছ

রঙিন মাছ

কোথায় যাচ্ছে জানো? সাঁতার কাটতে। সুন্দর একটি নদী পেলেই মনের মতো করে সাঁতার কাটবে সে।

খুব সুন্দর একটি মাছ।

কোথায় যাচ্ছে জানো?

সাঁতার কাটতে।

সুন্দর একটি নদী পেলেই মনের মতো করে সাঁতার কাটবে সে।

মাছটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ?

লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

তাকে রং মাখার কাজটি করে দিয়েছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ খান।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সামারার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

হেকিম: আচ্ছা, গতবার তোমাকে কী ওষুধ দিয়েছিলাম, একেবারেই মনে করতে পারছি না। ‘তাহলে ওই ওষুধ এখন থেকে আপনি নিজেই খাবেন’, হোজ্জা বিনীত গলায় বললেন।

ওষুধ

হোজ্জা একবার স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য এক হেকিমের কাছ থেকে ওষুধ নিয়েছিলেন।

কয়েক মাস পর হোজ্জা আবার সেই হেকিমের কাছে গেলেন ওই ওষুধ আনার জন্য।

হেকিম: আচ্ছা, গতবার তোমাকে কী ওষুধ দিয়েছিলাম, একেবারেই মনে করতে পারছি না।

‘তাহলে ওই ওষুধ এখন থেকে আপনি নিজেই খাবেন’, হোজ্জা বিনীত গলায় বললেন।

উটের গাড়িতে

হোজ্জা একবার উটের গাড়িতে চড়েছেন মাত্র। গাড়িচালক হোজ্জার কাছে ভাড়া চাইল। শুনে হোজ্জা হুড়মুড় করে গাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন।

চালক বাধা দিয়ে বললেন, ‘ভাড়া না দিয়ে আপনি যাচ্ছেন কোথায়?’

হোজ্জা: আমি হলাম বাদশার খাস বন্ধু। আমার কাছে তুমি ভাড়া চাইছ।

চালক: ঠিক আছে, আপনিই যে হোজ্জা, তার প্রমাণ কী?

হোজ্জা বললেন, ‘তুমি কি আমাকে গাড়িতে উঠতে দেখেছ?’

চালক: নিশ্চয়ই দেখেছি।

হোজ্জা: তুমি কি আমাকে চেন?

চালক: না, চিনি না।

হোজ্জা: তাহলে কী করে জানলে যে আমি গাড়ি থেকে নেমে যাচ্ছি?

হোজ্জার গাধা

একদিন হোজ্জা গাধার পিঠে লবণ বোঝাই করে বাজারের দিকে রওনা দিলেন।

পথে একটি নদী পড়ল। গাধাসহ নদী পার হলেন। কিন্তু নদীর পানিতে লবণ গলে একাকার।

পণ্য হারিয়ে হোজ্জা বিরক্ত। গাধা তো মহা খুশি বোঝা থেকে বেঁচে গিয়ে।

এর পরের বারও হোজ্জা ওই পথ দিয়ে গেলেন, তবে এবার তুলা বোঝাই করে। গাধা যখন নদী পার হলো তখন তুলা ভিজে ওজন বেড়ে গেল। গাধা ওজনদার মাল নিয়ে টলমল পায়ে এগিয়ে যেতে লাগল।

‘হাহ্!’ হোজ্জা চেঁচিয়ে বললেন, ‘ভেবেছিলি প্রতিবার পানি দিয়ে গেলে পিঠের ওপরের মালের ওজন কমে যাবে, তাই না?’

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

চড়ুই থেকে শুরু করে বালিহাঁস- এমন কোনো পাখি নেই যে তিনি বানাননি। তার বানানো পাখিগুলো এতই জীবন্ত যে, দেখলে মনে হয় এখনই উড়ে যাবে।

কলম্বিয়ার ডায়না খালামণি কী করেন জানো?

তিনি রঙিন কাগজ দিয়ে পাখি বানান।

চড়ুই থেকে শুরু করে বালিহাঁস- এমন কোনো পাখি নেই যে তিনি বানাননি।

তার বানানো পাখিগুলো এতই জীবন্ত যে, দেখলে মনে হয় এখনই উড়ে যাবে।

চলো তাহলে, ডায়না খালামণির বানানো কিছু কাগজের পাখি দেখে নেই।

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি
নিজের বানানো কাগজের পাখি হাতে ডায়না খালামণি।
আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

বেলুনটাকে খুঁজে বের করো

বেলুনটাকে খুঁজে বের করো

লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি- নানা রঙের ফুলের সমাহার এখানে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ফুলের মাঝেই লুকিয়ে আছে একটা বেলুন।

এখনও বসন্তকাল আসেনি অথচ ছবিটাতে কত ফুল দেখেছ?

লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি- নানা রঙের ফুলের সমাহার এখানে।

তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ফুলের মাঝেই লুকিয়ে আছে একটা বেলুন।

তোমাদের সেই বেলুনটা খুঁজে বের করতে হবে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

উত্তর দেখে নাও নিচের ছবিতে।

বেলুনটাকে খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

তোমাদের পাঠানো জোকস

তোমাদের পাঠানো জোকস

শিক্ষক: বলো তো টমি, রঙিন টিভি আর সাদাকালো টিভির মধ্যে পার্থক্য কী? ছাত্র: স্যার, রঙিন টিভিতে যেটা ‘গাজর’ সাদাকালো টিভিতে সেটা ‘মূলা’!

আজ তোমাদের জন্য থাকছে জোকস।

পাঠিয়েছে আমাদের বন্ধু সোহান।

সে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।

বিবিসি মানে

শিক্ষক: আচ্ছা, ‘বিবিসি’ মানে কী বলো তো?

ছাত্র: বেলা বিস্কুট কোম্পানি।

শিক্ষক: বেয়াদব! বাড়ি কোথায়?

ছাত্র: এটাও হতে পারে, স্যার।

রঙিন টিভি আর সাদাকালো টিভি

শিক্ষক: বলো তো টমি, রঙিন টিভি আর সাদাকালো টিভির মধ্যে পার্থক্য কী?

ছাত্র: স্যার, রঙিন টিভিতে যেটা ‘গাজর’ সাদাকালো টিভিতে সেটা ‘মূলা’!

সবচেয়ে চালাক প্রাণী

শিক্ষক: বলো তো পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী কোনটি?

ছাত্র: পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী হচ্ছে গরু।

শিক্ষক: গরু কীভাবে সবচেয়ে চালাক প্রাণী হয়? ব্যাখ্যা করো।

ছাত্র: ব্যাখ্যা তো আরও সহজ! বাংলা দ্বিতীয় পত্রে প্রবাদ আছে- অতি চালাকের গলায় দড়ি। বেশির ভাগ গরুর গলায় দড়ি থাকে। সুতরাং গরুই সবচেয়ে চালাক প্রাণী।

ক্লাসে ঘুম

শিক্ষক: এই যে ছেলে, তুমি আমার ক্লাসে কিছুতেই ঘুমাতে পারো না।

ছাত্র: পারি স্যার, আপনি একটু আস্তে লেকচার দিলেই পারি।

বিশ্বাস

শিক্ষক: জানো, তোমাদের বয়সে আমার একটা বিশ্বাস ছিল।

ছাত্র: কী বিশ্বাস ছিল স্যার?

শিক্ষক: বিশ্বাস ছিল, আমি সব জানি।

ছাত্র: তাহলে এখন কী হলো?

শিক্ষক: এখন এই ৬০ বছর বয়সে এসে বুঝতে পারছি, আমি কিছুই জানি না।

ছাত্র : এ কথা বুঝতে আপনার এত বছর লাগল স্যার! আমরা তো আপনাকে দেখামাত্রই বুঝে নিয়েছি।

সিংহের তাড়া

শিক্ষক: মনে করো একটি সিংহ তোমাকে তাড়া করেছে। কী করবে?

ছাত্র: আমি দেয়াল টপকে যাব।

শিক্ষক: সিংহও যদি দেয়াল টপকে তোমার পিছু নেয়?

ছাত্র: আমি গাছে উঠে যাব।

শিক্ষক: সিংহও যদি গাছে উঠে তোমার দেখাদেখি।

ছাত্র: নদীতে ঝাঁপ দিয়ে, সাঁতরে চলে যাব দূরে।

শিক্ষক: সিংহটাও যদি নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে, সাঁতরাতে শুরু করে?

ছাত্র: স্যার, আপনি কি আমার পক্ষে না সিংহের?

আলুর ভাগ

শিক্ষক: তোমাকে যদি ১০টি আলু দিয়ে সাতজনকে সমানভাগে ভাগ করে দিতে বলা হয়, কীভাবে ভাগ করবে?

ছাত্র: এ আর এমন কী? আলুগুলো সিদ্ধ করে ভর্তা বানিয়ে সাত ভাগ করে দেব।

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

কুমির সম্পর্কে জেনে নাও

কুমির সম্পর্কে জেনে নাও

কুমির ৩০ থেকে ৪০ বছর বাঁচে। তবে লবণ পানির কুমিরকে ৬০ থেকে ৭০ বছরও বাঁচতে দেখা যায়।

১. কুমির সবচেয়ে বড় সরীসৃপ। তবে কুমিরের মধ্যে লবণ পানির কুমির আকারে সবচেয়ে বড় হয়। এরা লম্বা হতে পারে ২০ ফুটের বেশি। ওজন হতে পারে এক টন।

২. ইউরোপ, উত্তর ও দক্ষিণ মেরু ছাড়া পৃথিবীর সব জায়গাতেই কুমির দেখা যায়।

৩. কুমির ৩০ থেকে ৪০ বছর বাঁচে। তবে লবণ পানির কুমিরকে ৬০ থেকে ৭০ বছরও বাঁচতে দেখা যায়।

৪. ডাইনোসরদের সময়েও কুমির ছিল। তবে সেগুলো আকারে ছিল অনেক বড়। নিচের ছবিতে সেই যুগের কুমিরগুলোর আকার দেখে নাও।

কুমির সম্পর্কে জেনে নাও

৫. লবণ পানির কুমিরদের চোয়াল খুব শক্তিশালী। ওরা এক কামড়ে ১৬৭৮ কেজি শক্তি প্রয়োগ করে। সিংহের চোয়ালে শক্তি কত জানো? মাত্র ১৩৪ কেজি।

৬. কুমিররা অন্ধকারে বেশ ভালো দেখতে পায়।

৭. কুমিররা ডিম দেয়ার আগে মাটিতে গর্ত করে। সেই গর্তে একবারে ৩০ থেকে ৭০টি ডিম পারে। ডিম পারা শেষে গর্ত ভরাট করে দেয়। ডিম ফুটে বের হবার পর ছানারা যে শব্দ করে, মা কুমির দূর থেকেই সেটা শুনতে পায়। সে তখন ছুটে আসে এবং মুখে করে ছানাদের নিয়ে পানিতে ছেড়ে দেয়।

৮. কুমিরের ছানা সহজেই অন্য প্রাণীর শিকারে পরিণত হয় বলে ওদের মৃত্যু হার অনেক বেশি। পাখি, সাপ, হায়েনা এবং অন্য প্রজাতির কুমিররা ছানাদের খেয়ে ফেলে।

কুমির সম্পর্কে জেনে নাও

৯. অন্যান্য সরীসৃপের মতো কুমিরও শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী।

১০. কুমির একবার খাবার খাওয়ার পর অনেক দিন না খেয়ে থাকতে পারে। ওরা খাবার চিবায় না, সরাসরি গিলে খায়।

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন

ব্যাংটাকে খুঁজে বের করো

ব্যাংটাকে খুঁজে বের করো

এই পাতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে একটি দুষ্টু ব্যাং। তুমি কি ব্যাংটাকে খুঁজে বের করতে পারবে?

শীতকাল প্রায় চলে এসেছে।

তোমরা তো জানো, এই সময়ে গাছের পাতা ঝরে যায়।

শীত শেষে আবার নতুন পাতা গজায়।

ওপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছ, গাছের ঝরা পাতা জমে আছে মাটিতে।

লাল, সবুজ, বেগুনি নানা রঙের পাতার সমাহার সেখানে।

এই পাতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে একটি দুষ্টু ব্যাং।

তুমি কি ব্যাংটাকে খুঁজে বের করতে পারবে?

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

উত্তর দেখে নাও নিচের ছবিতে।

ব্যাংটাকে খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
অরিহার আঁকা গ্রাম
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা
মুইদের আঁকা ছবি
ঘুড়ি ওড়াতে বাবার সঙ্গে
বনে চলছে উৎসব

শেয়ার করুন