আরিফ হাসানের ছড়া

আরিফ হাসানের ছড়া

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছড়া লিখে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। আঁকতে পার ছবি, লিখতে পার গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

ছোট্ট বোন রুমিকে নিয়ে ছড়া লিখেছে আমাদের বন্ধু আরিফ হাসান। পড়ে দেখো তো কেমন হয়েছে ছড়াটা।

আমার ছোট্ট বোন

রুমি আমার ছোট্ট বোন

অনেক বাসি ভালো!

কাঁদলে রুমি, মনটা আমার

হয় যে এলোমেলো।

খেলনা দিলে খেলে না

কামড়ে কামড়ে খায়,

বকা দিলে কেঁদে ফেলে

আম্মুর কোলে যায়।

আরিফ হাসান মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস থ্রিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছড়া লিখে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। আঁকতে পার ছবি, লিখতে পার গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

পায়ে ব্যথা তাতে কী হয়েছে? চিঠি লিখবে তো হাত দিয়ে! পা দিয়ে কি তুমি চিঠি লিখবে নাকি? তোমার কথা শুনলে হাসি পায়। তোমার মতো এমন কথা কোথাও শুনিনি।

ভাঁড় অর্থ হলো যারা মজার মজার কথা বলে বা মজার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়।

গোপাল ভাঁড় ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।

১৭১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়।

রসবোধের জন্যে তার খ্যাতি ছিল। তার উপস্থিত বুদ্ধিও ছিল অনেক।

বুদ্ধির জোরে তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করতেন।

আজ থাকছে তেমনই একটি ঘটনা।

গোপালের চিঠি লেখা

একদিন এক বুড়ি এসে গোপালকে বলল, ‘গোপাল দাদা, আমার একখানা চিঠি লিখে দাও না। আমার ছেলে পুরী থেকে ১০ ক্রোশ দূরে নাগেশ্বরপুর গেছে। কোনো খবর পাচ্ছিনে বেশ কয়েক দিন হলো। টাকা-পয়সাও নাই যে কাউকে পাঠাব।’

বুড়ির কথা শুনে গোপাল বলল, ‘আজ তো আমি চিঠি লিখতে পারব না ঠাকুরমা।’

‘কেন ভাই, আজ কি যে, তুমি চিঠি লিখতে পারবে না? অনেক দিন হয়ে গেছে। আজ না লিখলেই নয়। আর তোমার দেখা সব সময় পাই না যে তোমাকে চিঠি লিখতে বলি। আজ দেখা পেয়েছি। একখানা চিঠি লিখে দাও না।’ বুড়ি বলল।

- আমার যে পায়ে ব্যথা গো ঠাকুরমা।

- পায়ে ব্যথা তাতে কি হয়েছে? চিঠি লিখবে তো হাত দিয়ে! পা দিয়ে কি তুমি চিঠি লিখবে নাকি? তোমার কথা শুনলে হাসি পায়। তোমার মতো এমন কথা কোথাও শুনিনি।

গোপাল হেসে বলল, ‘চিঠি তো লিখব হাত দিয়েই। কিন্তু আমার হাতের লেখা এত জঘন্য যে, সেটা অন্য কেউ পড়তে পারবে না। আমার লেখা চিঠি আমাকে গিয়ে পড়ে দিয়ে আসতে হবে। আমার যে এখন পায়ে ব্যথা। এখান থেকে পুরী আবার পুরী থেকে ১০ ক্রোশ দূরে নাগেশ্বরপুরে চিঠিটা তো আমি পড়ে দিয়ে আসতে পারব না। তুমি অন্য কাউকে দিয়ে চিঠিখানা এবারকার মতো লিখিয়ে নাও, ঠাকুরমা। আমার পা ভালো হলে চিঠি লিখে দেব এবং নিজে গিয়ে পড়ে আসব।’

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

হরিণ এবং গলার টায়ার

হরিণ এবং গলার টায়ার

টায়ারটা স্থায়ীভাবে এলকের গলায় আটকে গেল। এখন গলায় টায়ার নিয়েই সে হাঁটে, টায়ার নিয়েই খায়, ঘুমায়। এভাবে দুই বছর চলে গেল।

এলক এক ধরনের হরিণজাতীয় প্রাণী। আমেরিকা ও এশিয়ার বনে এদের পাওয়া যায়।

আজ আমরা আমেরিকার কলোরাডো প্রদেশের একটি এলকের কথা বলব।

তখন এলকের বয়স ২ বছর। ঠিকমতো শিং গজায়নি।

একদিন সে বনের মধ্যে হেঁটে বেড়াচ্ছিল। পাশেই পড়ে ছিল একটি গাড়ির টায়ার।

সেই টায়ারটা নিয়ে খেলতে শুরু করল সে। খেলতে খেলতেই হঠাৎ তার গলায় টায়ারটা আটকে গেল।

ওর তো আর হাত নেই যে গলা থেকে টায়ারটা নামিয়ে ফেলবে।

নানাভাবে সে চেষ্টা করেও সেটা গলা থেকে নামাতে পারল না।

গলার মালার মতো টায়ারটা ওর গলায় ঝুলে রইল।

হরিণ এবং গলার টায়ার
গলায় টায়ার নিয়ে বনের মধ্যে ঘুরছে হরিণটা।

দিন গেল। মাস গেল। তত দিনে হরিণটার শিংও গেল বড় হয়ে।

ব্যাস! টায়ারটা স্থায়ীভাবে এলকের গলায় আটকে গেল।

এখন গলায় টায়ার নিয়েই সে হাঁটে, টায়ার নিয়েই খায়, ঘুমায়।

এভাবে দুই বছর চলে গেল।

তারপর একদিন বনের পাশের এক বাসিন্দার চোখে পড়ল ব্যাপারটা।

তিনি উদ্ধারকর্মীদের খবর দিলেন। কিন্তু যতক্ষণে উদ্ধারকর্মীরা এলো, ততক্ষণে হরিণটা আবার বনের গভীরে চলে গেছে।

এবারের মতো ব্যর্থ হলেও উদ্ধারকর্মীরা কিন্তু এলকের কথা ভুলে গেলেন না। তারা খোঁজ করতে থাকলেন।

খুঁজতে খুঁজতে ঠিকই আরেক দিন পেয়ে গেলেন হরিণটাকে।

অজ্ঞান করার ইনজেকশন দিয়ে দূর থেকে এলককে ঘুম পারিয়ে দেয়া হলো।

হরিণ এবং গলার টায়ার
হরিণটাকে অজ্ঞান করা হয়েছে।

তারপর শুরু হলো কাঁচি দিয়ে টায়ার কাটার পালা।

এখানেও দেখা দিলো সমস্যা।

টায়ারের মধ্যে স্টিলের তার থাকে। সেগুলো কাঁচি দিয়ে কাটা যাচ্ছিল না। ওদিকে হরিণটারও চেতনা ফিরে আসার সময় হয়ে যাচ্ছে।

বাধ্য হয়ে তারা শিং কেটে টায়ার বের করে আনলেন।

হরিণ এবং গলার টায়ার
চলছে টায়ার কাটার চেষ্টা। অবশেষে শিং কেটে উদ্ধার করা হয়েছে টায়ার।

হরিণের শিং আমাদের চুলের মতো। কাটলে ব্যথা লাগে না।

শিং কাটার কিছক্ষণের মধ্যে এলকের চেতনা ফিরে এলো। উঠে দাঁড়াল সে। টলতে টলতে ফিরে গেল বনের মধ্যে।

গলায় টায়ার না থাকায় এলকটা খুশি হয়েছিল কি না জানা যায়নি। তবে উদ্ধারকর্মীরা কিন্তু খুশি।

একটা প্রাণীকে কষ্ট থেকে মুক্তি দিলে খুশি না হয়ে কী পারা যায়।

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

চড়াই আর কাকের কথা

চড়াই আর কাকের কথা

মোষ, মোষ! দে তো শিং, খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি, তুলব জল, ধোব ঠোঁট- তবে খাব চড়াইর বুক।

কাক আর চড়াই পাখিতে খুব ভাব ছিল।
গৃহস্থদের উঠানে চাটাই ফেলে ধান আর লঙ্কা রোদে দিয়েছে। চড়াই তা দেখে কাককে বললে, ‘বন্ধু, তুমি আগে লঙ্কা খেয়ে শেষ করতে পারবে, না আমি আগে ধান খেয়ে শেষ করতে পারব?’

কাক বললে, ‘না, আমি লঙ্কা আগে খাব।’

চড়াই বললে, ‘না, আমি ধান আগে খাব।’

কাক বললে, ‘যদি না খেতে পার, তবে কি হবে?’

চড়াই বললে, ‘যদি না খেতে পারি, তবে তুমি আমার বুক খুঁড়ে খাবে। আর যদি তুমি না খেতে পার, তবে কি হবে?’

কাক বললে, ‘তুমি আমার বুক খুঁড়ে খাবে।’

এই বলে তো দুজনে ধান আর লঙ্কা খেতে লাগল। চড়াই কুট-কুট করে এক-একটি ধান খায়, আর কাক খপ-খপ করে একটি-একটি লঙ্কা খায়। দেখতে-দেখতে কাক সব লঙ্কা খেয়ে শেষ করলে, চড়াইয়ের তখন ধানের সিকিও খাওয়া হয়নি।

তখন কাক বললে, ‘কি বন্ধু, এখন?’

চড়াই বললে, ‘এখন আর কি হবে। বন্ধু হয়ে যদি আমার বুক খেতে চাও, তবে খাবে। তবে ঠোঁট দুটো ধুয়ে নিও, তুমি নোংরা জিনিস খাও।’

কাক বললে, ‘আমি ঠোঁট ধুয়ে আসছি।’ বলে সে গঙ্গায় ঠোঁট ধুতে গেল।

তখন গঙ্গা তাকে বললে, ‘তোর নোংরা ঠোঁট আমার গায়ে ছোঁয়াসনে। জল তুলে নিয়ে ঠোঁট ধো।’

তাতে কাক বললে, ‘আচ্ছা, আমি ঘটি নিয়ে আসছি।’ বলে সে কুমোরের কাছে গিয়ে বললে-

কুমোর, কুমোর! দে তো ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-

কুমোর বললে, ‘ঘটি তো নেই। মাটি আন, গড়ে দি।’ শুনে কাক মোষের কাছে তার শিং চাইতে গেল, সেই শিং দিয়ে মাটি খুঁড়বে। কাক বললে-

মোষ, মোষ! দে তো শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

শুনে মোষ রেগে তাকে এমনি গুঁতোতে এল যে সে সেখান থেকে দে ছুট! তারপর সে কুকুরের কাছে গিয়ে বললে-

কুত্তা, কুত্তা! মারবি মোষ,
লব শিং, খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

কুকুর বললে, ‘আগে দুধ আন, খেয়ে গায়ে জোর করি, তবে মোষ মারব এখন।’ শুনে কাক গাইয়ের কাছে গিয়ে বললে-

গাই, গাই! দে তো দুধ,
খাবে কুত্তা, হবে তাজা,
মারবে মোষ, লব শিং,
কুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

গাই বলরে, ‘আগে ঘাস আন খাই, তারপর দুধ দেব।’

শুনে কাক মাঠের কাছে গিয়ে বললে-

মাঠ, মাঠ! দে তো ঘাস,
খাবে গাই, দেবে দুধ,
খাবে কুত্তা, হবে তাজা
মারবে মোষ, লব শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইব বুক।

মাঠ বললে, ‘ঘাস তো রয়েছে, নিয়ে যা না!’

তখন কাক কামারের বাড়ি গিয়ে বললে-

কামার, কামার! দে তো কাস্তে,
কাটব ঘাস, খাবে গাই,
দেবে দুধ, খাবে কুত্তা,
হবে তাজা, মারবে মোষ, লব শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

কামার বললে, ‘আগুন নেই। আগুন নিয়ে আয়, কাস্তে গড়ে দি।’ তা শুনে কাক গৃহস্থদের বাড়ি গিয়ে বললে-

গেরস্ত ভাই, দাও তো আগুন,
গড়বে কাস্তে, কাটব ঘাস,
খাবে গাই, দেবে দুধ, খাবে কুত্তা,
হবে তাজা, মারবে মোষ, লব শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইব বুক।

তখন গৃহস্থ এক হাঁড়ি আগুন এনে বললে, ‘কিসে করে নিবি?’

বোকা কাক তার পাখা ছড়িয়ে বললে, ‘এই আমার পাখার উপরে ঢেলে দাও।’

গৃহস্থ সেই হাঁড়িসুদ্ধ আগুন কাকের পাখার উপর ঢেলে দিলে, আর সে বেটা তখুনি পুড়ে মরে গেল। তার আর চড়াইর বুক খাওয়া হল না।

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

রঙিন মাছ

রঙিন মাছ

কোথায় যাচ্ছে জানো? সাঁতার কাটতে। সুন্দর একটি নদী পেলেই মনের মতো করে সাঁতার কাটবে সে।

খুব সুন্দর একটি মাছ।

কোথায় যাচ্ছে জানো?

সাঁতার কাটতে।

সুন্দর একটি নদী পেলেই মনের মতো করে সাঁতার কাটবে সে।

মাছটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ?

লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

তাকে রং মাখার কাজটি করে দিয়েছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ খান।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সামারার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

হেকিম: আচ্ছা, গতবার তোমাকে কী ওষুধ দিয়েছিলাম, একেবারেই মনে করতে পারছি না। ‘তাহলে ওই ওষুধ এখন থেকে আপনি নিজেই খাবেন’, হোজ্জা বিনীত গলায় বললেন।

ওষুধ

হোজ্জা একবার স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য এক হেকিমের কাছ থেকে ওষুধ নিয়েছিলেন।

কয়েক মাস পর হোজ্জা আবার সেই হেকিমের কাছে গেলেন ওই ওষুধ আনার জন্য।

হেকিম: আচ্ছা, গতবার তোমাকে কী ওষুধ দিয়েছিলাম, একেবারেই মনে করতে পারছি না।

‘তাহলে ওই ওষুধ এখন থেকে আপনি নিজেই খাবেন’, হোজ্জা বিনীত গলায় বললেন।

উটের গাড়িতে

হোজ্জা একবার উটের গাড়িতে চড়েছেন মাত্র। গাড়িচালক হোজ্জার কাছে ভাড়া চাইল। শুনে হোজ্জা হুড়মুড় করে গাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন।

চালক বাধা দিয়ে বললেন, ‘ভাড়া না দিয়ে আপনি যাচ্ছেন কোথায়?’

হোজ্জা: আমি হলাম বাদশার খাস বন্ধু। আমার কাছে তুমি ভাড়া চাইছ।

চালক: ঠিক আছে, আপনিই যে হোজ্জা, তার প্রমাণ কী?

হোজ্জা বললেন, ‘তুমি কি আমাকে গাড়িতে উঠতে দেখেছ?’

চালক: নিশ্চয়ই দেখেছি।

হোজ্জা: তুমি কি আমাকে চেন?

চালক: না, চিনি না।

হোজ্জা: তাহলে কী করে জানলে যে আমি গাড়ি থেকে নেমে যাচ্ছি?

হোজ্জার গাধা

একদিন হোজ্জা গাধার পিঠে লবণ বোঝাই করে বাজারের দিকে রওনা দিলেন।

পথে একটি নদী পড়ল। গাধাসহ নদী পার হলেন। কিন্তু নদীর পানিতে লবণ গলে একাকার।

পণ্য হারিয়ে হোজ্জা বিরক্ত। গাধা তো মহা খুশি বোঝা থেকে বেঁচে গিয়ে।

এর পরের বারও হোজ্জা ওই পথ দিয়ে গেলেন, তবে এবার তুলা বোঝাই করে। গাধা যখন নদী পার হলো তখন তুলা ভিজে ওজন বেড়ে গেল। গাধা ওজনদার মাল নিয়ে টলমল পায়ে এগিয়ে যেতে লাগল।

‘হাহ্!’ হোজ্জা চেঁচিয়ে বললেন, ‘ভেবেছিলি প্রতিবার পানি দিয়ে গেলে পিঠের ওপরের মালের ওজন কমে যাবে, তাই না?’

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

চড়ুই থেকে শুরু করে বালিহাঁস- এমন কোনো পাখি নেই যে তিনি বানাননি। তার বানানো পাখিগুলো এতই জীবন্ত যে, দেখলে মনে হয় এখনই উড়ে যাবে।

কলম্বিয়ার ডায়না খালামণি কী করেন জানো?

তিনি রঙিন কাগজ দিয়ে পাখি বানান।

চড়ুই থেকে শুরু করে বালিহাঁস- এমন কোনো পাখি নেই যে তিনি বানাননি।

তার বানানো পাখিগুলো এতই জীবন্ত যে, দেখলে মনে হয় এখনই উড়ে যাবে।

চলো তাহলে, ডায়না খালামণির বানানো কিছু কাগজের পাখি দেখে নেই।

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি

কাগজের পাখি
নিজের বানানো কাগজের পাখি হাতে ডায়না খালামণি।
আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন

বেলুনটাকে খুঁজে বের করো

বেলুনটাকে খুঁজে বের করো

লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি- নানা রঙের ফুলের সমাহার এখানে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ফুলের মাঝেই লুকিয়ে আছে একটা বেলুন।

এখনও বসন্তকাল আসেনি অথচ ছবিটাতে কত ফুল দেখেছ?

লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি- নানা রঙের ফুলের সমাহার এখানে।

তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ফুলের মাঝেই লুকিয়ে আছে একটা বেলুন।

তোমাদের সেই বেলুনটা খুঁজে বের করতে হবে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

উত্তর দেখে নাও নিচের ছবিতে।

বেলুনটাকে খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
পুজো হলো এমন মিঠাই
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি

শেয়ার করুন