পুজো হলো এমন মিঠাই

পুজো হলো এমন মিঠাই

পুজোর দিনে সব অপরাধ ক্ষমা পুজো মানে ফুর্তিরই তরজমা।

আর দুটি দিন- সপ্তমীতেই দুর্গাপূজা শুরু

বুকের ভেতর উতল হাওয়া মনটা উড়ু উড়ু।

পুজোর দিনে হয় না যেতে স্কুলে

পড়তে কি হয় ইংরেজি বই খুলে?

মোটেই না তো। তাও বড়রা কোঁচকাবে না ভুরু!

পুজোর দিনে সব অপরাধ ক্ষমা

পুজো মানে ফুর্তিরই তরজমা।

চোখরাঙানি নেই, বুকে তাই হয় না দুরু দুরু।

যা খুশি খাও ফুচকা, পাঁপড়, গজা

যা খাও সেটাই লাগবে দারুণ মজা।

পুজো হলো এমন মিঠাই সরটা যাতে পুরু!

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১০টি পার্থক্য খুঁজে বের করো

১০টি পার্থক্য খুঁজে বের করো

মিটিংয়ে উপস্থিত আছে তিমি, জেলিফিস, ক্লাউন ফিস, স্টার ফিসসহ আরও অনেকে। একটা ডুবোজাহাজও কিন্তু আছে সেখানে। ডুবোজাহাজও পানিতে বাস করে। তাই পানির অধিবাসীদের মিটিংয়ে থাকার অধিকার তারও আছে।

সাগরের গভীরে প্রাণীদের মিটিং চলছে।

মিটিংয়ে উপস্থিত আছে তিমি, জেলিফিস, ক্লাউন ফিস, স্টার ফিসসহ আরও অনেকে।

একটা ডুবোজাহাজও কিন্তু আছে সেখানে।

ডুবোজাহাজও পানিতে বাস করে।

তাই পানির অধিবাসীদের মিটিংয়ে থাকার অধিকার তারও আছে।

১০টি পার্থক্য খুঁজে বের করো

১০টি পার্থক্য খুঁজে বের করো

ছবি দুটি আপাতত একই রকম মনে হলেও এদের মধ্যে বেশ কয়েকটি পার্থক্য আছে।

তোমার কাজ হচ্ছে পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করা।

তাহলে দেরি না করে খোঁজ শুরু করে দাও।

সময় মাত্র ৩ মিনিট।

সময় শেষ হলে নিচের ছবি দেয়া উত্তরের সঙ্গে তোমার উত্তরগুলো মিলিয়ে নাও।

১০টি পার্থক্য খুঁজে বের করো

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

একঝাঁক ধাঁধা

একঝাঁক ধাঁধা

তোমরাও ধাঁধা বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

ধাঁধা পাঠিয়েছে আমাদের বন্ধু রিফাত মাহমুদ সৌরভ।

দেখি, তোমাদের মধ্যে কে কে সমাধান করতে পারো।

১. আমার এক লাল ঘোড়া

যাই দেই তাই খায়

পানি দিলে মইরা যায়।

২. ইরিক বিরিক চিরিক চাই

লাল ফলটার বিচি নাই।

৩. উড়িতে ঝমঝম, দেখিতে বাহার

কী এমন পাখি সে, করে না আহার।

৪. এরা আসে দলে দলে গানের সুরে সুরে

এরা থাকে আকাশের উপরে উপরে।

৫. জল-এ আছে, ডাঙ্গায় নাই

বিল-এ আছে, নদীতে নাই।

বেশ এবার উত্তরের পালা।

কে কে পেরেছ, হাত তোলো।

ধন্যবাদ।

এবার তোমাদের উত্তরের সঙ্গে সৌরভের পাঠানোর উত্তর মিলিয়ে নাও।

উত্তর: ১. আগুন ২. পেঁয়াজ ৩. বিমান ৪. বৃষ্টি ৫. ল অক্ষর

বন্ধুরা, চাইলে সৌরভের মতো তোমরাও ধাঁধা বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

অরিহার আঁকা গ্রাম

অরিহার আঁকা গ্রাম

সেই নদীতে নৌকা চালিয়ে মাঝি ভাই কোথায় যেন যাচ্ছে। নদীর পাড়ে ফুটেছে কাশফুল। আরও আছে তাল এবং নারিকেলগাছ।

খুব সুন্দর একটি গ্রামের ছবি এঁকেছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু অরিহা।

সেই গ্রামের পাশ দিয়ে নদী বয়ে গেছে।

নদীর পানি টলটলে নীল।

সেই নদীতে নৌকা চালিয়ে মাঝি ভাই কোথায় যেন যাচ্ছে।

নদীর পাড়ে ফুটেছে কাশফুল।

আরও আছে তাল এবং নারিকেলগাছ।

সুন্দর এই গ্রামটার নাম কী?

জানে একমাত্র এলিন সবুর অরিহা।

কারণ গ্রামটা একমাত্র সে-ই দেখেছে।

এলিন সবুর অরিহা পড়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে দ্বিতীয় শ্রেণিতে।

অরিহার আঁকা গ্রাম
ছবি আঁকছে অরিহা।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি অরিহার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পারো, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

১ আলোকবর্ষ মানে আলো এক বছরে যতটা পথ অতিক্রম করে। সংখ্যায় বললে সেটা হয় ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার।

আমাদের প্রিয় পৃথিবীতে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির সময় আকাশ থেকে পানি ঝরে পড়ে। তাই বলে ভেবো না, মহাকাশের অন্য গ্রহতেও পানির বৃষ্টি হবে। বিজ্ঞানীরা সৌরজগতের বাইরে এমন সব গ্রহ আবিষ্কার করেছেন যেখানে অদ্ভুত সব বৃষ্টি হয়। চলো সেই গ্রহগুলোর কথা জেনে নেই।

এইচডি ১৮৯৭৩৩বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে ৬২ আলোকবর্ষ দূরে এই গ্রহের অবস্থান। এই গ্রহে সব সময় কাচের বৃষ্টি হতে থাকে। শুধু কি তাই, এখানে বাতাস এত জোরে বইতে থাকে যে, সেকেন্ডে দুই কিলোমিটার চলে যায়।

ডব্লিউএএসপি ৭৬বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে ৬৪০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটিতে লোহা বৃষ্টি হয়। গ্রহটি সূর্যের এত কাছে যে এর তাপমাত্রা থাকে প্রায় ২৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপে সহজেই লোহা গলে তরল হয়ে যায়। সেই তরল লোহাই বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে।

কে২ ১৪১বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে ২০২ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটিতে আছে লাভার সমুদ্র। ৬০ কিলোমিটার গভীর এই সমুদ্রে পাথরের বৃষ্টি হয়। বুঝতেই পারছো, এই বৃষ্টিতে ছাতা মেলে ধরলেও লাভ নেই। ছাতা ভেঙে মাথায় পাথর পড়বেই।

এইচএটি পি ৭বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার আলোকবর্ষ দূরে গেলে পাওয়া যাবে এই গ্রহটাকে। এই গ্রহে রত্ন পাথরের বৃষ্টি হয়। রুবি ও মণি চাইলে চলে যেতে পারো এইচএটি পি ৭বি গ্রহে।

বি.দ্র.: ১ আলোকবর্ষ মানে আলো এক বছরে যতটা পথ অতিক্রম করে। সংখ্যায় বললে সেটা হয় ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার।

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা

কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা

প্রজাপতিটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ? লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

খুব সুন্দর একটি প্রজাপতি উড়ে যাচ্ছে।

কোথায় যাচ্ছে জানো?

ফুলের খোঁজে।

একটি খুঁজে পেলেই ফুল থেকে মধু খেয়ে ক্ষুধা মেটাবে।

প্রজাপতিটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ?

লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

তাকে রং মাখার কাজটি করে দিয়েছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সামারার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে

খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে

স্কুলের টিফিনের সময় স্মিতা ক্লাসের সবাইকে ডেকে দেখাল, তার মামার বিদেশ থেকে আনা একটি ভারি সুন্দর পুতুল।  পুতুলটি এত সুন্দর ছিল যে, সবাই একবার করে ধরে দেখছিল।

কোনো এক সুন্দর শহরে রূপকথা নামের একটি মেয়ে বাস করত। হাসি-খুশি লক্ষ্মী মেয়েটি সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করত বলে সবাই তাকে খুব ভালোবাসত। স্কুলেও সে ছিল সবার চোখের মণি।

একদিনের এক ছোট্ট ঘটনা পাল্টে দিলো তাকে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল স্কুলেই। অন্যান্য দিনের মতো সেই দিনটিও ছিল রোদে উজ্জ্বল একটি দিন। সেদিন স্কুলের টিফিনের সময় স্মিতা ক্লাসের সবাইকে ডেকে দেখাল, তার মামার বিদেশ থেকে আনা একটি ভারি সুন্দর পুতুল। পুতুলটি এত সুন্দর ছিল যে, সবাই একবার করে ধরে দেখছিল। রূপকথাও পুতুলটি হাতে নিলো। তারপর এমন কি হলো যে, সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিলো ক্লাসের সব্বাই?

সেই ঘটনা জানতে হলে পড়তে হবে গল্পটি। তাহলে রূপকথাদের সঙ্গে তুমিও চিৎকার করে বলে উঠবে, খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে।

চমৎকার এই বইটি লিখেছেন তোমাদের প্রিয় লেখক সত্যজিৎ বিশ্বাস।

খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে
সত্যজিৎ বিশ্বাস

বইটির প্রচ্ছদ ও পাতায় পাতায় চমৎকার গ্রাফিক ডিজাইনে ছিলেন আতিকুল ইসলাম মানিক। শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন কার্টুনিস্ট আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন

রূপকথার দেশে যাই

রূপকথার দেশে যাই

তার মানে, ওই দেশে সারা বছর কেউ পড়াশোনা করে না? অবশ্যই করে না। আমি জানি, ওখানে কোনও শ্রুতলিপি নেই, পরীক্ষা নেই, আছে শুধু ছুটি আর আনন্দ।

সন্ধে ঘনিয়ে এসেছে। বালকটি তবু দাঁড়িয়ে আছে স্টেশনের গেটে। বোঝাই যাচ্ছে কিসের জন্য যেন অপেক্ষা করছে। আমি তাকে ডাকলাম, ‘এই যে, শোনো। তুমি এখানে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে আছ কেন?’

‘ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি’, উত্তর দিল সে।

‘কোথায় যেতে চাও?’

‘রূপকথার দেশে। পিনোকিওর মতো।’

ছেলেবেলায় পড়া কাঠের পুতুলের রূপকথার গল্পটি (পিনোকিও) মনে পড়ল আমার।

‘সত্যিই নাকি? তা দেশটা কেমন?’

‘জাদুর দেশ। সে দেশে বৃহস্পতিবারে কেউ স্কুলে যায় না।’

‘খুব মজার ব্যাপার তো! আর বাকি দিনগুলো?’

‘ওখানে সপ্তাহে এক দিন শুক্রবার, বাকি ছয় দিন বৃহস্পতিবার।’

‘ওহ। তার মানে সারা সপ্তাহ খেলা আর বিশ্রাম?’

‘হ্যাঁ। আর ওখানে ছুটি শুরু হয় পয়লা জানুয়ারি থেকে আর শেষ হয় একত্রিশে ডিসেম্বরে। এ কথা তো পিনোকিওকে নিয়ে লেখা রূপকথার বইটিতেও লেখা আছে!’

‘তার মানে, ওই দেশে সারা বছর কেউ পড়াশোনা করে না?’

‘অবশ্যই করে না। আমি জানি, ওখানে কোনও শ্রুতলিপি নেই, পরীক্ষা নেই, আছে শুধু ছুটি আর আনন্দ।’

আশার আলো জ্বলে উঠল আমার চোখে। সঙ্গে সঙ্গে বললাম, ‘আমাকে তুমি নেবে তোমার সঙ্গে?’

‘ঠিক আছে, তাহলে একসঙ্গেই যাব আমরা’, বলল সে।

‘তার আগে আমাকে বলুন, আপনি কে?’

গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, ‘স্কুলের প্রধান শিক্ষক।’

আরও পড়ুন:
ভূতের ছানা লাইভে
প্যালারামের ছড়া
বড়োদের অধিকারে
খোলা চিঠি
লাউয়াছড়ায় ১৯ দিনে আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব

শেয়ার করুন