ঘরে এলো ব্যাঙ

ঘরে এলো ব্যাঙ

তোমরা কে কে ব্যাঙ ভালোবাসো? সবাই? বাহ! তাহলে দেরি কেন? চলো সবাই আজ এটা-সেটা দিয়ে ব্যাঙ বানাই।

বর্ষাকালে ব্যাঙ

ডাকে ঘ্যাঙরঘ্যাং।

তোমরা কে কে ব্যাঙ ভালোবাসো?

সবাই? বাহ!

তাহলে দেরি কেন?

চলো সবাই আজ এটা-সেটা দিয়ে ব্যাঙ বানাই।

ব্যাঙ বানানোর জন্য যে জিনিসগুলো লাগবে...

ঘরে এলো ব্যাঙ

১. টয়লেট পেপারের খালি রোল

২. সবুজ রঙের কাগজ

৩. মোটা সাদা সুতা

৪. কালো ও লাল রঙের মার্কার পেন

৫. কাঁচি, স্ট্যাপলার মেশিন এবং আঠা

ঘরে এলো ব্যাঙ

সবুজ কাগজ দিয়ে টয়লেট পেপারের রোলটাকে মুড়ে দাও। কাগজের প্রান্তগুলো আঠা দিয়ে রোলের সঙ্গে লাগিয়ে নাও।

ঘরে এলো ব্যাঙ

রোলের এক প্রান্ত স্ট্যাপলার দিয়ে আটকে দাও। এ সময় স্ট্যাপলারের পিনের সঙ্গে সুতাটাও আটকে দিও। রোলের খোলা প্রান্তের ভেতরের দিকে লাল রঙের কাগজ লাগিয়ে নাও।

ঘরে এলো ব্যাঙ

সবুজ কাগজ কাঁচি দিয়ে কেটে ব্যাঙের হাত-পা বানাও। হাত-পায়ের আকৃতি কেমন হবে তা ছবিতে দেখে নাও। সেগুলো আঠা দিয়ে রোলের সঙ্গে লাগিয়ে নাও। রোলের ওপরের দিকে চোখ আঁকো এবং মার্কার পেন দিয়ে ছবিতে দেখানো অনুসারে দাগ দাও।

সুতার শেষ প্রান্তে একটা পোকা আটকে দিলেই শেষ হয়ে যাবে ব্যাঙ বানানো।

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

১ আলোকবর্ষ মানে আলো এক বছরে যতটা পথ অতিক্রম করে। সংখ্যায় বললে সেটা হয় ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার।

আমাদের প্রিয় পৃথিবীতে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির সময় আকাশ থেকে পানি ঝরে পড়ে। তাই বলে ভেবো না, মহাকাশের অন্য গ্রহতেও পানির বৃষ্টি হবে। বিজ্ঞানীরা সৌরজগতের বাইরে এমন সব গ্রহ আবিষ্কার করেছেন যেখানে অদ্ভুত সব বৃষ্টি হয়। চলো সেই গ্রহগুলোর কথা জেনে নেই।

এইচডি ১৮৯৭৩৩বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে ৬২ আলোকবর্ষ দূরে এই গ্রহের অবস্থান। এই গ্রহে সব সময় কাচের বৃষ্টি হতে থাকে। শুধু কি তাই, এখানে বাতাস এত জোরে বইতে থাকে যে, সেকেন্ডে দুই কিলোমিটার চলে যায়।

ডব্লিউএএসপি ৭৬বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে ৬৪০ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটিতে লোহা বৃষ্টি হয়। গ্রহটি সূর্যের এত কাছে যে এর তাপমাত্রা থাকে প্রায় ২৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপে সহজেই লোহা গলে তরল হয়ে যায়। সেই তরল লোহাই বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে।

কে২ ১৪১বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে ২০২ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহটিতে আছে লাভার সমুদ্র। ৬০ কিলোমিটার গভীর এই সমুদ্রে পাথরের বৃষ্টি হয়। বুঝতেই পারছো, এই বৃষ্টিতে ছাতা মেলে ধরলেও লাভ নেই। ছাতা ভেঙে মাথায় পাথর পড়বেই।

এইচএটি পি ৭বি

গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার আলোকবর্ষ দূরে গেলে পাওয়া যাবে এই গ্রহটাকে। এই গ্রহে রত্ন পাথরের বৃষ্টি হয়। রুবি ও মণি চাইলে চলে যেতে পারো এইচএটি পি ৭বি গ্রহে।

বি.দ্র.: ১ আলোকবর্ষ মানে আলো এক বছরে যতটা পথ অতিক্রম করে। সংখ্যায় বললে সেটা হয় ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার।

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা

কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা

প্রজাপতিটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ? লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

খুব সুন্দর একটি প্রজাপতি উড়ে যাচ্ছে।

কোথায় যাচ্ছে জানো?

ফুলের খোঁজে।

একটি খুঁজে পেলেই ফুল থেকে মধু খেয়ে ক্ষুধা মেটাবে।

প্রজাপতিটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ?

লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

তাকে রং মাখার কাজটি করে দিয়েছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সামারার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে

খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে

স্কুলের টিফিনের সময় স্মিতা ক্লাসের সবাইকে ডেকে দেখাল, তার মামার বিদেশ থেকে আনা একটি ভারি সুন্দর পুতুল।  পুতুলটি এত সুন্দর ছিল যে, সবাই একবার করে ধরে দেখছিল।

কোনো এক সুন্দর শহরে রূপকথা নামের একটি মেয়ে বাস করত। হাসি-খুশি লক্ষ্মী মেয়েটি সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করত বলে সবাই তাকে খুব ভালোবাসত। স্কুলেও সে ছিল সবার চোখের মণি।

একদিনের এক ছোট্ট ঘটনা পাল্টে দিলো তাকে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল স্কুলেই। অন্যান্য দিনের মতো সেই দিনটিও ছিল রোদে উজ্জ্বল একটি দিন। সেদিন স্কুলের টিফিনের সময় স্মিতা ক্লাসের সবাইকে ডেকে দেখাল, তার মামার বিদেশ থেকে আনা একটি ভারি সুন্দর পুতুল। পুতুলটি এত সুন্দর ছিল যে, সবাই একবার করে ধরে দেখছিল। রূপকথাও পুতুলটি হাতে নিলো। তারপর এমন কি হলো যে, সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিলো ক্লাসের সব্বাই?

সেই ঘটনা জানতে হলে পড়তে হবে গল্পটি। তাহলে রূপকথাদের সঙ্গে তুমিও চিৎকার করে বলে উঠবে, খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে।

চমৎকার এই বইটি লিখেছেন তোমাদের প্রিয় লেখক সত্যজিৎ বিশ্বাস।

খুশি হতে হয় সবাইকে নিয়ে
সত্যজিৎ বিশ্বাস

বইটির প্রচ্ছদ ও পাতায় পাতায় চমৎকার গ্রাফিক ডিজাইনে ছিলেন আতিকুল ইসলাম মানিক। শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন কার্টুনিস্ট আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

রূপকথার দেশে যাই

রূপকথার দেশে যাই

তার মানে, ওই দেশে সারা বছর কেউ পড়াশোনা করে না? অবশ্যই করে না। আমি জানি, ওখানে কোনও শ্রুতলিপি নেই, পরীক্ষা নেই, আছে শুধু ছুটি আর আনন্দ।

সন্ধে ঘনিয়ে এসেছে। বালকটি তবু দাঁড়িয়ে আছে স্টেশনের গেটে। বোঝাই যাচ্ছে কিসের জন্য যেন অপেক্ষা করছে। আমি তাকে ডাকলাম, ‘এই যে, শোনো। তুমি এখানে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে আছ কেন?’

‘ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি’, উত্তর দিল সে।

‘কোথায় যেতে চাও?’

‘রূপকথার দেশে। পিনোকিওর মতো।’

ছেলেবেলায় পড়া কাঠের পুতুলের রূপকথার গল্পটি (পিনোকিও) মনে পড়ল আমার।

‘সত্যিই নাকি? তা দেশটা কেমন?’

‘জাদুর দেশ। সে দেশে বৃহস্পতিবারে কেউ স্কুলে যায় না।’

‘খুব মজার ব্যাপার তো! আর বাকি দিনগুলো?’

‘ওখানে সপ্তাহে এক দিন শুক্রবার, বাকি ছয় দিন বৃহস্পতিবার।’

‘ওহ। তার মানে সারা সপ্তাহ খেলা আর বিশ্রাম?’

‘হ্যাঁ। আর ওখানে ছুটি শুরু হয় পয়লা জানুয়ারি থেকে আর শেষ হয় একত্রিশে ডিসেম্বরে। এ কথা তো পিনোকিওকে নিয়ে লেখা রূপকথার বইটিতেও লেখা আছে!’

‘তার মানে, ওই দেশে সারা বছর কেউ পড়াশোনা করে না?’

‘অবশ্যই করে না। আমি জানি, ওখানে কোনও শ্রুতলিপি নেই, পরীক্ষা নেই, আছে শুধু ছুটি আর আনন্দ।’

আশার আলো জ্বলে উঠল আমার চোখে। সঙ্গে সঙ্গে বললাম, ‘আমাকে তুমি নেবে তোমার সঙ্গে?’

‘ঠিক আছে, তাহলে একসঙ্গেই যাব আমরা’, বলল সে।

‘তার আগে আমাকে বলুন, আপনি কে?’

গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, ‘স্কুলের প্রধান শিক্ষক।’

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে

কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে

বলতে হবে, নুডলসের ওপরের দিকের মাথাটা ধরে টানলে কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে।

নুডলস খেতে দারুণ মজা তাই না?

সে জন্যই তো আজ তোমাদের সামনে রাখা হয়েছে এক প্লেট নুডলস।

তবে খাওয়ার আগে আমরা ছোট্ট একটা খেলা খেলব।

তোমাদের বলতে হবে, নুডলসের ওপরের দিকের মাথাটা ধরে টানলে কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে।

সময় মাত্র এক মিনিট।

তবে চলো শুরু করা যাক।

যারা পারবে না, তারা নিচের ছবিটা দেখে নিও। ওখানে উত্তর দেয়া আছে।

কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

সন্তানের অসদাচরণে শাস্তি পাবে মা-বাবা

সন্তানের অসদাচরণে শাস্তি পাবে মা-বাবা

ফাইল ছবি

চলতি সপ্তাহে চীনা পার্লামেন্ট এনপিসির স্থায়ী কমিটির অধিবেশনে পারিবারিক শিক্ষার প্রচারবিষয়ক খসড়া আইন পর্যালোচনা করা হবে। এতে বিশ্রাম, খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য সন্তানকে সময় দিতেও মা-বাবাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সন্তানের অসদাচরণের জন্য মা-বাবাকে শাস্তি দেয়ার বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে চীন। এরই মধ্যে আইনের খসড়াও তৈরি করেছে চীনা সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা পার্লামেন্টে নতুন একটি আইন বিবেচনাধীন। ছোট ছোট শিশুরা ‘খুব খারাপ আচরণ’ করলে কিংবা কোনো অপরাধ করলে মা-বাবাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে বলে উল্লেখ আছে সম্ভাব্য আইনটিতে।

পারিবারিক শিক্ষার প্রচারবিষয়ক খসড়া আইনটিতে বলা হয়েছে, কোনো শিশুর আচরণ ‘খুব খারাপ’ কিংবা অপরাধমূলক বলে কৌঁসুলিরা প্রমাণ পেলে তার অভিভাবকদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আইন অনুযায়ী তাদের তিরষ্কার করা হবে এবং পারিবারিক শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচির অধীনে প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য করা হবে।

চীনের শীর্ষ রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও জাতীয় আইনসভা ন্যাশনাল পিপল’স কংগ্রেসের (এনপিসি) অধীনে আইনবিষয়ক কমিশনের মুখপাত্র জ্যাং তিয়েবেই বলেন, ‘অপ্রাপ্তবয়স্করা অনেক কারণেই অসদাচরণ করতে পারে। কিন্তু পারিবারিক শিক্ষার অভাবটাই মুখ্য কারণ।’

চলতি সপ্তাহে এনপিসির স্থায়ী কমিটির অধিবেশনে পারিবারিক শিক্ষার প্রচারবিষয়ক খসড়া আইনটি পর্যালোচনা করা হবে।

এ আইনে বিশ্রাম, খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য সন্তানকে সময় দিতেও মা-বাবাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিশু-কিশোরদের বিকাশের স্বার্থে চলতি বছর অভিভাবককেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে বেইজিং।

গত মাসে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটকের চীনা সংস্করণ দুইনেতে দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট সময় কাটানো যাবে বলে শিশুদের সময় বেঁধে দেয় চীনা সরকার। নতুন নিয়মে চীনে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে যে কোনো সময় সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে শিশুরা। ১৪ বছরের কমবয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য এ নিয়ম।

এর আগে আগস্টে অনলাইন ভিডিও গেমসেও শিশুদের দৈনিক সময়সীমা বেঁধে দেয় চীনা সরকার। ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য সাপ্তাহিক কর্মদিবস, অর্থাৎ স্কুল খোলা থাকার দিনগুলোতে ভিডিও গেমসে সময় দেয়া নিষিদ্ধ করেছে বেইজিং। শুধু শুক্র, শনি ও রোববার সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা করে ভিডিও গেমস খেলতে পারবে শিশুরা।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে স্কুলে মোবাইল ফোন নেয়া নিষিদ্ধ করে বেইজিং।

স্কুল থেকে বাড়িতে ফেরার পর এবং সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটির দিনে যেন খুব বেশি পড়াশোনা করতে না হয় শিশুদের, তা নিশ্চিতেও ব্যবস্থা নিয়েছে বেইজিং। শিক্ষার্থীদের ওপর পড়াশোনা বোঝা হয়ে চেপে বসছে- এমন উদ্বেগ থেকে নেয়া হয় এ পদক্ষেপ।

ইন্টারনেটে চীনের শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম প্রচুর বাড়তি সময় কাটাচ্ছে বলে গত তিন বছর ধরে সতর্ক করে আসছিল দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হচ্ছিল, বিষয়টি পরবর্তী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মজার ঘটনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মজার ঘটনা

একবার আসরের বাইরে তিনি জুতা খুলে আসার কারণে তাঁর জুতা চুরি হয়ে যায়। অগত্যা, পরের দিন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জুতা দুটি কাগজে মুড়ে বগলদাবা করে আসরে ঢুকলেন।

দাড়িশ্বর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক সংগীতের আসরে নিমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। আসরে সংগীত পরিবেশন করবেন বিখ্যাত ধ্রুপদ গানের শিল্পী গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়।

কবি তার গান শুনে মুগ্ধ। গোপেশ্বরের গাওয়া শেষ হলে উদ্যোক্তারা রবীন্দ্রনাথের কাছে এসে অনুরোধ করলেন, ‘গুরুদেব, এবার আপনাকে গান গাইতে হবে।’
সেদিনের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ শুধু গান শুনতেই গিয়েছিলেন। গান গাওয়ার কথা ছিল না।

উদ্যোক্তাদের অনুরোধ শুনে তিনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘বুঝেছি, বুঝেছি, গোপেশ্বরের পর এবার দাড়িশ্বরের পালা।’
রবীন্দ্রনাথের মুখে এই কথা শুনে আসরে হাসির রোল উঠল।

পাদুকাপুরাণ

রবীন্দ্রনাথের অভ্যাস ছিল তিনি যখনই কোনও উপন্যাস লিখতেন তখন সেটা শান্তিনিকেতনে গুণিজন সমাবেশে পড়ে শোনাতেন। তাঁর সেই আসরে মাঝে মধ্যেই যোগদান করতেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

একবার আসরের বাইরে তিনি জুতা খুলে আসার কারণে তাঁর জুতা চুরি হয়ে যায়। অগত্যা, পরের দিন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জুতা দুটি কাগজে মুড়ে বগলদাবা করে আসরে ঢুকলেন।

কবি সেটা বুঝতে পেরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করলেন, ‘শরৎ তোমার বগলে ওটা কী পাদুকাপুরাণ?’

রবি ঠাকুরের মুখে এই কথা শুনে সবাই হাসতে শুরু করলেন।

শাস্তি

একবার শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক নেপাল রায়কে রবীন্দ্রনাথ লিখে পাঠালেন, 'আজকাল আপনি কাজে অত্যন্ত ভুল করছেন। এটা খুবই গর্হিত অপরাধ। এ জন্য কাল বিকেলে আমার এখানে এসে আপনাকে দণ্ড নিতে হবে।'

এ কথা শুনে চিন্তিত নেপালবাবু পরের দিন কবির কাছে উপস্থিত হলেন। আগের রাতে দুশ্চিন্তায় তিনি ঘুমাতেও পারেননি। তার পরও তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ চিন্তার মধ্যেই বসিয়ে রেখেছেন কবিগুরু। অবশেষে একটি মোটা লাঠি হাতে এলেন কবি। নেপালবাবুর তখন ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান লুপ্তপ্রায় হওয়ার অবস্থা। তিনি ভাবলেন, সত্যিই বুঝি লাঠি তাঁর মাথায় পড়বে। কবি সেটি বাড়িয়ে ধরে বললেন, 'এই নিন আপনার দণ্ড! সেদিন যে এখানে ফেলে গেছেন, তা একদম ভুলে গেছেন।'

আরও পড়ুন:
আজ বানাব কাগজের কুকুর
চলো অক্টোপাস বানাই
টিস্যুবক্স হবে মেছোভূত
এবার বানাও পশুর রাজা সিংহ
ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

শেয়ার করুন