বড়োদের অধিকারে

বড়োদের অধিকারে

দূষণের উল্লাস, ধুলোদের সুখ বিরক্তি, হাঁচিমাখা কাশি খুকখুক।

এ শহর বড়োদের; ছোটোদের নয়

যানজট, কোলাহল, সংঘাত, ভয়।

শব্দের আহাজারি, রড, বালু, ইট

মাথাঘোরা, মনপোড়া, রাগ খিটমিট।

দূষণের উল্লাস, ধুলোদের সুখ

বিরক্তি, হাঁচিমাখা কাশি খুকখুক।

শোকাতুর মাঠগুলো নেই কোনো ঘাস

রোবটিক চলাফেরা, রোবটিক শ্বাস।

পড়াশোনা কড়া শোনা, টেনশন, জব

বড়োদের অধিকারে শহরটা সব।

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভূতের ছানা লাইভে

ভূতের ছানা লাইভে

নাম কী তোমার? কোথায় বাড়ি? থাকে কোথায় স্বজন? ভাই-বোনদের সংখ্যা কত, হালি নাকি ডজন? ঘুমাও কখন? কখন ওঠো? খাও কী পেলে খিদে? বসবাসে বলো কেমন হচ্ছে অসুবিধে?

ফেসবুকেতে যে যার মতো নেট ব্রাউজে বিজি,

কারও আছে ওয়াই-ফাই আর কারও ডাটা থ্রিজি।

ইচ্ছেমতো নেট ইউজে নেই তো কারও মানা,

হঠাৎ একী লাইভে এলো মামদোভূতের ছানা!

চোখ করে লাল ভেংচি কাটে, পেট দুলিয়ে নাচে,

সময় তখন রাতের শুরু ঠিক বারোটা পাঁচ-এ।

সাথে সাথেই এ-ধার ও-ধার চলে গেল নিউজ,

আজব লাইভে দৃষ্টি সবার হাজার হাজার ভিউজ।

কত রকম প্রশ্ন তাদের, লাইক-কমেন্টে ভরা,

পরিস্থিতি দেখে ভূতের চক্ষু ছানাবড়া!

রেগেমেগে মুখ ফুলিয়ে, ভাঙা বিশ্রী স্বরে—

দাঁত খিঁচিয়ে মামদোছানা কমেন্টগুলো পড়ে।

‘নাম কী তোমার? কোথায় বাড়ি? থাকে কোথায় স্বজন?

ভাই-বোনেদের সংখ্যা কত, হালি নাকি ডজন?

ঘুমাও কখন? কখন ওঠো? খাও কী পেলে খিদে?

বসবাসে বলো কেমন হচ্ছে অসুবিধে?

প্রতিদিনের রুটিন দেখাও? আছে নিয়ম-নীতি?

বলে ফেলো মজার ছলে দুষ্টু কোনো স্মৃতি।

ফেবুর লাইভে আসছো কেন? নেই কি খেয়ে কাজ আর!’

রকমারি কথায় ভরা প্রশ্ন হাজার হাজার।

কেউ লেখেনি— ভয় পেয়েছি, শরীর ঠান্ডা পুরো,

হাত-পাগুলো কাঁপছে এবং কাঁপছে গলার সুরও।

কমেন্টটাতে রিপ্লাইও নেই, ‘বুকের মাঝে ফুঁ দাও’,

অভিমানে ভূতের ছানা হয়ে গেল উধাও।

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

সাহসী সামদ্রুপ

সাহসী সামদ্রুপ

এদিকে ভূত তো রেগে অস্থির। কিন্তু বেশিক্ষণ খোঁজাখুঁজির সুযোগ পেল না। কারণ দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে। আলো এসে ভূতের গাঁয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

অনেক কাল আগের কথা। হিমালয়ের কোলে ছিল এক ছোট্ট গ্রাম। সেই গ্রামে বাস করত সামদ্রুপ নামের এক অসীম সাহসী তরুণ। সারা দিনমান চমরী গাই চড়াত আর রাতে চুলার পাশে বসে বসে চাদর বুনত। গ্রামে সবাই তাকে ভীষণ পছন্দ করত।

একবার হয়েছি কী, সামদ্রুপের দাদির ভীষণ অসুখ। হেকিম যে ওষুধ আনতে বলল, তা শহর ছাড়া পাওয়া যায় না। ওদিকে শহরে যেতে দুই দিন এক রাত লাগে।

সামদ্রুপের গাঁয়ের সবাই প্রয়োজনে দলবেঁধে শহরে যেত। একা কেউ যেত না, কারণ শহরে যাওয়ার পথে ছিল নানা রকম বিপদ। পাহাড়ি রাস্তা আর গিরি খাদের বাঁকে বাঁকে বন্য পশু আর ইয়েতি ছাড়াও ছিল ভূতের ভয়।

কিন্তু সামদ্রুপ তার দাদিকে ভীষণ ভালোবাসত। তাই সে ঝুঁকি নিয়ে তৈরি হলো শহরে যেতে।

খুব সকালে সূর্য যখন পাহাড়ের বরফ ঢাকা চূড়াগুলোকে সোনালি আভায় আলোকিত করতে শুরু করেছে, তখনই সে রওনা দিল। বাড়ির সবাই তাকে বলে দিল সাবধানে থাকতে।

সারা দিন হাঁটতে হাঁটতে ,ফুল পাখিদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আর নিজের মনে গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে সে এসে পৌঁছাল পাহাড়ের ঢালে। কিছুক্ষণ পর সূর্য চলে গেল পাহাড়ের আড়ালে।

সাহসী সামদ্রুপ তারপরও হাঁটতে লাগল। মাঝরাতে হঠাৎ তার দেখা হলো এক ভূতের সঙ্গে।

‘কে রে তুই? এত রাতে কোথায় যাচ্ছিস?’ খ্যানখ্যানে গলায় হেঁকে উঠল ভূত।

সামদ্রুপ বলল, ‘আমি সামদ্রুপ। আমার দাদি অসুস্থ্। তার জন্য ওষুধ আনতে যাচ্ছি।’

‘তাই নাকি? আমিও তো ওষুধ আনতে ওদিকেই যাচ্ছি। চল একসঙ্গে যাই।’ বলল ভূতটা।

ভূতের হাতে ছিল এক বিশাল বস্তা। ভূত সামদ্রুপকে সেই বস্তাটা দিয়ে বলল, ‘আমার বস্তাটা কাঁধে নিয়ে হাঁট।’ আমার ঘাড় ব্যথা করছে।’

মনে মনে রাগ হলেও কিছুই করার ছিল না সামদ্রুপের। সে ভূতের কথা মতোই কাজ করল।

আশ্চর্য ব্যাপার, এত্ত বড় বস্তা অথচ বাতাসের মতো হালকা-আনমনে ভাবল সামদ্রুপ।

এরপর তারা একসঙ্গে হাঁটতে শুরু করল। কিছুদূর যাওয়ার পর ভূত বেশ খোশ মেজাজে গল্প শুরু করল।

‘ইয়ে, বস্তাটা এত্ত বড় কিন্তু ওজনে হালকা কেন’, মিনমিন করে জিজ্ঞেস করল সামদ্রুপ।

‘আরে বোকা, হালকা তো হবেই। ওর মাঝে আছে শুধু রাজকন্যার আত্মা। আমি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছি।’ খ্যানখ্যানিয়ে বলে উঠল ভূত।

‘বলছ কী? আত্মা ছাড়া রাজকন্যার কী অবস্থা?’ আঁতকে উঠে জিজ্ঞাসা করল সামদ্রুপ।

‘খুব খারাপ। এই জন্যই তো রাজকন্যা ভীষণ অসুস্থ।’ হাসিমুখে উত্তর দিল ভূত।

‘ওমা! তাহলে তো রাজকন্যা বাঁচবে না?’ আবারও বলল সামদ্রুপ।

‘পৃথিবীর কোন হেকিমের সাধ্য নাই এই আত্মা ছাড়া ওকে বাঁচায়!’, সদম্ভে উত্তর দিল ভূত।

‘হুম’ , আস্তে করে বলল সামদ্রুপ। হঠাৎ করেই দয়ালু সামদ্রুপের মনটা ভারী হয়ে উঠল রাজা আর রাজকন্যার জন্য।

সে করল কী, সুযোগ বুঝে বস্তা নিয়ে লুকিয়ে পড়ল গমক্ষেতে।

এদিকে ভূত তো রেগে অস্থির। কিন্তু বেশিক্ষণ খোঁজাখুঁজির সুযোগ পেল না। কারণ দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে।

আলো এসে ভূতের গাঁয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

দেরি না করে সামদ্রুপ দৌড় দিল রাজার প্রাসাদে।

আত্মা ফিরে পেয়ে মরণাপন্ন রাজকন্যা ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকাল। চারপাশে বয়ে গেল খুশির বন্যা।

রাজা সামদ্রুপের কাছে সব শুনে ওষুধ জোগাড় করে পাইক-পেয়াদা দিয়ে পাঠিয়ে দিল সামদ্রুপের গাঁয়ে।

আর রাজকন্যার বিয়ে দিল সাহসী, দয়ালু আর বুদ্ধিমান সামদ্রুপের সঙ্গে।

সামদ্রুপ পরবর্তী সময়ে সে রাজ্যের রাজা হয়ে সুখে দিন কাটাতে লাগল।

ধীরে ধীরে সেই রাজ্যের নাম হয়ে গেল সামদ্রুপ ঝংখা, যা আজও ভুটানের এক শহর হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

পাইলট বুঝতে পারছে না, কোন পথে সে রানওয়ের কাছে যাবে। তুমি কি পাইলটকে রানওয়েতে যাবার পথটা দেখিয়ে দিতে পারবে?

লাল রঙের বিমানটি এয়ারপোর্টের ওপরে চলে এসেছে।

এখন বিমানটি ল্যান্ড করবে।

সমস্যা হচ্ছে, পাইলট বুঝতে পারছে না, কোন পথে এটি রানওয়ের কাছে যাবে।

তুমি কি পাইলটকে রানওয়েতে যাবার পথটা দেখিয়ে দিতে পারবে?

আমার মনে হয় পারবে।

সময় কিন্তু মাত্র এক মিনিট।

বেশ, তাহলে শুরু করে দাও।

আর যদি না পারো, তাহলে নিচের ছবিটা দেখে নাও। সেখানে পথটা চিহ্নিত করা আছে।

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বাতিল কিংবা ফেলে দেয়া চামচ, স্কেল, খাবারের ক্যান, কাপড়, দাবার ঘুঁটি, বোতাম, চাকু, প্লেটসহ হাজারো জিনিস দিয়ে বানানো হয়েছে ভাস্কর্যগুলো।

বারবারা ফ্রাঙ্ক খালামনি বাস করেন লন্ডনে।

অবসর সময়ে তিনি কী করেন জানো?

ফেলে দেয়া এটা-সেটা দিয়ে পশুপাখির ভাস্কর্য বানান।

ঘোড়া, ভেড়া, জেব্রা, শিয়াল, কুকুর থেকে শুরু করে পাখি, মাছ- কী নেই তার বানানোর তালিকায়।

সেগুলো এত সুন্দর যে, দেখলেই কোলে নিতে মন চাইবে।

বাতিল কিংবা ফেলে দেয়া চামচ, স্কেল, খাবারের ক্যান, কাপড়, দাবার ঘুঁটি, বোতাম, চাকু, প্লেটসহ হাজারো জিনিস দিয়ে বানানো হয়েছে ভাস্কর্যগুলো।

চলো তাহলে দেরি না করে বারবারা খালামনির কয়েকটি ভাস্কর্য দেখে নিই।

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি
নিজের পশুপাখিদের সাথে বারবারা খালামনি।

ভাস্কর্যের আরও ছবি দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক কর।

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল বলল, ‘তোর বাবা আর আমি খুব ভালো বন্ধু, বুঝলি? আমার নাম মাছি। কয়েকটা মিষ্টি খাই? তোর বাবা কিচ্ছু মনে করবে না।’

ভাঁড় অর্থ হলো যারা মজার মজার কথা বলে বা মজার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়।

গোপাল ভাঁড় ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।

১৭১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়।

রসবোধের জন্যে তার খ্যাতি ছিল। তার উপস্থিত বুদ্ধিও ছিল অনেক।

বুদ্ধির জোরে তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করতেন।

আজ থাকছে তেমনই একটি ঘটনা।

গোপালের মিষ্টি খাওয়া

গোপাল এক দিন মিষ্টির দোকানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।

যাবার সময় দোকানের তাকে সাজানো মিষ্টি দেখে গোপালের খুব লোভ হলো।

এদিকে তার পকেটে নেই একটি পয়সাও।

গোপাল মনে মনে ভাবল, মিষ্টি খাবার জন্য কোনেআ একটা বুদ্ধি বের করতে হবে।

সে দোকানে ঢুকে দেখল, দোকানদারের ছোট ছেলেটি বসে আছে।

গোপাল জিজ্ঞেস করল, ‘কি রে, তোর বাবা কই?’

ছেলেটা বলল, ‘দোকানের পেছনে বিশ্রাম নিচ্ছে।’

গোপাল বলল, ‘তোর বাবা আর আমি খুব ভালো বন্ধু, বুঝলি? আমার নাম মাছি। কয়েকটা মিষ্টি খাই? তোর বাবা কিচ্ছু মনে করবে না।’

বলেই গোপাল টপাটপ মিষ্টি মুখে পুরতে শুরু করল।

চোখের নিমিষে মিষ্টি শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে ছেলে চেঁচিয়ে বলল, ‘বাবা, মাছি আমাদের সব মিষ্টি খেয়ে ফেলছে!’

শুনে পেছন থেকে ময়রা বলল, ‘আরে খেতে দে! চিন্তার কিছু নেই। মাছি আর কট্টুকু খাবে?’

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াতে দ্বিতীয় টলেমির রাজত্বকালে খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০ অব্দের দিকে লাইটহাউস বানানো হয়েছিল। উচ্চতা ছিল ৪৪০ ফুট।

সপ্তাশ্চর্য মানে হাচ্ছে সাতটি আশ্চর্য জিনিস। প্রাচীনকালে হেলেনীয় সভ্যতার পর্যটকরা পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য নামে তালিকা প্রকাশ করেন। তালিকায় সমসাময়িক পৃথিবীর মানুষের বানানো আশ্চর্যজনক স্থাপনাগুলোর নাম ছিল। চলো দেখে নেই স্থাপনাগুলো কী কী।

মিশরের পিরামিড

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

ফারাও (সম্রাট) খুফু মিশরের গিজায় নীলনদের পশ্চিম পারে, খ্রিষ্টপূর্ব ২৫৭৫ এবং ২৪৬৭ অব্দের মাঝামাঝি সময়ে গ্রেট পিরামিড বা মহাপিরামিড তৈরি করেন। তিনটি পিরামিডের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়।

ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

আনুমানিক ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রাজা দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার তৈরি করেন বিভিন্ন তলাযুক্ত অতিকায় এক বাগান। এখন যেখানে ইরাক-ব্যাবিলন ছিল, সেখানে।

আর্তেমিসের মন্দির

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫৬ অব্দে শিকার আর ফসলের দেবী আর্তেমিসকে উৎসর্গ করে ৩৪২ ফুট বাই ১৬৪ ফুট আকারের এই মন্দিরটি বানানো হয়। ১২৭টি ৬০ ফুট লম্বা পিলারের ওপর দাঁড়ানো ছিল এটি। যেখানে এটি বানানো হয়, সেই ইফেসাস নগরী বর্তমানে তুরস্কের অন্তর্গত।

অলিম্পিয়ার জিউসের মূর্তি

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

জিউস হলেন গ্রিক দেবতাদের প্রধান। খ্রিষ্ট পূর্ব ৫০০ অব্দের কোনো একসময়ে ফিডিয়াস নামের একজন গ্রিক ভাস্কর তার স্মরণে এটি তৈরি করেন। এই মূর্তি বানাতে ব্যবহার করা হয়েছিল হাতির দাঁত আর স্বর্ণ। এটি ৪০ ফুট উঁচু ছিল।

হ্যালিকারনেসাসের সমাধি

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

৩৫৩ থেকে ৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে প্রাচীন হ্যালিকারনেসাসে রাজা মোসোলাসের মৃত্যুর পর তার স্মরণে অতিকায় এই সমাধি মন্দিরটি তৈরি করে রানী আর্তেমেসিয়া।

রোডসের মূর্তি

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

গ্রিক সূর্যদেবতা হিলিয়সের মূর্তি বানানো হয়েছিল ব্রোঞ্জ দিয়ে। ২৮০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে গ্রিসের দ্বীপ রোড্‌স-কে পাহারা দেয়ার জন্য বানানো হয়েছিল হিলিয়সের মূর্তি। রোড্‌স দ্বীপের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে ছিল সে। লম্বায় ছিল ১০৫ ফুট।

আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াতে দ্বিতীয় টলেমির রাজত্বকালে খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০ অব্দের দিকে এই লাইটহাউস বানানো হয়েছিল। উচ্চতা ছিল ৪৪০ ফুট, যা ৪০ তলা ভবনের সমান। গভীর সমুদ্রে চলাচলকারী জাহাজগুলোর পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করত এটি।

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন

প্যালারামের ছড়া

প্যালারামের ছড়া

খুশি হয়ে দিয়ে পায় শেষে করি হায় হায়

শখ করে এনে দাদা পুঁতেছিনু ওল
গিন্নি দিয়েছে রেঁধে তাই দিয়ে ঝোল।
এক গ্রাস খাওয়া যেই
আমি আর আমি নেই
চক্ষের নিমেষেই গাল গলা ঢোল।

আগ্রায় গিয়ে আমি হয়ে যাই তাগড়া
তাড়াতাড়ি কিনে ফেলি ইয়া এক নাগরা
খুশি হয়ে দিয়ে পায়
শেষে করি হায় হায়
ভিতরে কাঁকড়া বিছে

কী দারুণ বাগড়া।

আরও পড়ুন:
খোলা চিঠি
জাতীয় কবির জন্য ভালোবাসা
ঘন্টু ও বিড়ালছানা
ঘুড়ির ছড়া

শেয়ার করুন