শরতে ফুটেছে কাশফুল

শরতে ফুটেছে কাশফুল

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সৃজার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমরা তো জানই, শরৎকালে কাশফুল ফোটে।

এ সময় নদীর তীরে কাশফুলের বন দেখা যায়।

বাতাসে যখন কাশফুল দোলে, মনে হয় যেন সাদা মেঘের ভেলা ভেসে চলেছে।

তেমনই এক বনে গিয়েছিল আমাদের ছোট্ট বন্ধু সৃজা।

সেই দৃশ্য এঁকে আমাদের কাছে পাঠিয়েছে সে।

খুব সুন্দর হয়েছে ওর ছবিটা, তাই না?

সৃজা বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

শরতে ফুটেছে কাশফুল

আমাদের ছোট্ট বন্ধু সৃজা।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সৃজার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটা ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঘরে এলো ব্যাঙ

ঘরে এলো ব্যাঙ

তোমরা কে কে ব্যাঙ ভালোবাসো? সবাই? বাহ! তাহলে দেরি কেন? চলো সবাই আজ এটা-সেটা দিয়ে ব্যাঙ বানাই।

বর্ষাকালে ব্যাঙ

ডাকে ঘ্যাঙরঘ্যাং।

তোমরা কে কে ব্যাঙ ভালোবাসো?

সবাই? বাহ!

তাহলে দেরি কেন?

চলো সবাই আজ এটা-সেটা দিয়ে ব্যাঙ বানাই।

ব্যাঙ বানানোর জন্য যে জিনিসগুলো লাগবে...

ঘরে এলো ব্যাঙ

১. টয়লেট পেপারের খালি রোল

২. সবুজ রঙের কাগজ

৩. মোটা সাদা সুতা

৪. কালো ও লাল রঙের মার্কার পেন

৫. কাঁচি, স্ট্যাপলার মেশিন এবং আঠা

ঘরে এলো ব্যাঙ

সবুজ কাগজ দিয়ে টয়লেট পেপারের রোলটাকে মুড়ে দাও। কাগজের প্রান্তগুলো আঠা দিয়ে রোলের সঙ্গে লাগিয়ে নাও।

ঘরে এলো ব্যাঙ

রোলের এক প্রান্ত স্ট্যাপলার দিয়ে আটকে দাও। এ সময় স্ট্যাপলারের পিনের সঙ্গে সুতাটাও আটকে দিও। রোলের খোলা প্রান্তের ভেতরের দিকে লাল রঙের কাগজ লাগিয়ে নাও।

ঘরে এলো ব্যাঙ

সবুজ কাগজ কাঁচি দিয়ে কেটে ব্যাঙের হাত-পা বানাও। হাত-পায়ের আকৃতি কেমন হবে তা ছবিতে দেখে নাও। সেগুলো আঠা দিয়ে রোলের সঙ্গে লাগিয়ে নাও। রোলের ওপরের দিকে চোখ আঁকো এবং মার্কার পেন দিয়ে ছবিতে দেখানো অনুসারে দাগ দাও।

সুতার শেষ প্রান্তে একটা পোকা আটকে দিলেই শেষ হয়ে যাবে ব্যাঙ বানানো।

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

আমি আবার চিনি ছাড়া দুধ খেতে পারি না। অথচ একজনের খাওয়ার মতোই চিনি আছে আমার কাছে। তাই বলছিলাম যে, তুমি অর্ধেকটা খেয়ে নিলে বাকিটা আমি চিনি দিয়ে খাব।

লবণ দিয়ে খাই

হোজ্জা আর তার এক বন্ধু একবার এক হোটেলে ঢুকল কিছু খাওয়ার জন্য। খাওয়া শেষে হিসাব করে দেখল যে, দুই গ্লাস দুধ খাওয়ার মতো টাকা ওদের হাতে নেই। তাই দুজনের জন্য এক গ্লাস দুধ চাইল। দুধ আসার পর হোজ্জার বন্ধুটি বলল, ‘ভাই, তুমি আগে অর্ধেকটা খেয়ে ফেল।'

হোজ্জা জানতে চাইল, কেন?

বন্ধুটি বলল, ‘আমি আবার চিনি ছাড়া দুধ খেতে পারি না। অথচ একজনের খাওয়ার মতোই চিনি আছে আমার কাছে। তাই বলছিলাম যে, তুমি অর্ধেকটা খেয়ে নিলে বাকিটা আমি চিনি দিয়ে খাব।’

চিনি না দেয়ায় হোজ্জা মনে মনে রেগে গেল। সে তার বন্ধুকে শিক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল।

হোজ্জা তখন গ্লাসটায় অনেকটা লবণ ঢেলে বলল, ‘তাহলে আমার অর্ধেক ভাগটা আমি লবণ দিয়ে খেয়ে নিলাম। বাকিটা তুমি চিনি মিশিয়ে মিষ্টি করে খেয়ো!’

বিড়াল সব মাংস খেয়ে ফেলেছে

হোজ্জা এক কেজি মাংস কিনে এনে গিন্নিকে দিয়ে বলল, ‘মাংসগুলো রান্না করো। আমি গোসল করে আসছি।’

গিন্নি মাংস রান্না করতে গিয়ে একটু একটু টেস্ট করতে করতে সব মাংস খেয়ে ফেলল।

হোজ্জা নদী থেকে গোসল সেরে এসে খেতে বসে মাংস না দেখে জিজ্ঞাসা করলে গিন্নি জানালো, বিড়ালে সব মাংস খেয়ে ফেলেছে।

হোজ্জা তাড়াতাড়ি বিড়ালটাকে ধরে ওজন করে দেখল যে সেটার ওজন এক কেজি।

গিন্নিকে তখন বলল, ‘এটা যদি বিড়াল হয় তবে মাংস কোথায়, আর এটা যদি মাংস হয়, তবে বিড়ালটা কোথায়?’

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

ভূতের ছানা লাইভে

ভূতের ছানা লাইভে

নাম কী তোমার? কোথায় বাড়ি? থাকে কোথায় স্বজন? ভাই-বোনদের সংখ্যা কত, হালি নাকি ডজন? ঘুমাও কখন? কখন ওঠো? খাও কী পেলে খিদে? বসবাসে বলো কেমন হচ্ছে অসুবিধে?

ফেসবুকেতে যে যার মতো নেট ব্রাউজে বিজি,

কারও আছে ওয়াই-ফাই আর কারও ডাটা থ্রিজি।

ইচ্ছেমতো নেট ইউজে নেই তো কারও মানা,

হঠাৎ একী লাইভে এলো মামদোভূতের ছানা!

চোখ করে লাল ভেংচি কাটে, পেট দুলিয়ে নাচে,

সময় তখন রাতের শুরু ঠিক বারোটা পাঁচ-এ।

সাথে সাথেই এ-ধার ও-ধার চলে গেল নিউজ,

আজব লাইভে দৃষ্টি সবার হাজার হাজার ভিউজ।

কত রকম প্রশ্ন তাদের, লাইক-কমেন্টে ভরা,

পরিস্থিতি দেখে ভূতের চক্ষু ছানাবড়া!

রেগেমেগে মুখ ফুলিয়ে, ভাঙা বিশ্রী স্বরে—

দাঁত খিঁচিয়ে মামদোছানা কমেন্টগুলো পড়ে।

‘নাম কী তোমার? কোথায় বাড়ি? থাকে কোথায় স্বজন?

ভাই-বোনেদের সংখ্যা কত, হালি নাকি ডজন?

ঘুমাও কখন? কখন ওঠো? খাও কী পেলে খিদে?

বসবাসে বলো কেমন হচ্ছে অসুবিধে?

প্রতিদিনের রুটিন দেখাও? আছে নিয়ম-নীতি?

বলে ফেলো মজার ছলে দুষ্টু কোনো স্মৃতি।

ফেবুর লাইভে আসছো কেন? নেই কি খেয়ে কাজ আর!’

রকমারি কথায় ভরা প্রশ্ন হাজার হাজার।

কেউ লেখেনি— ভয় পেয়েছি, শরীর ঠান্ডা পুরো,

হাত-পাগুলো কাঁপছে এবং কাঁপছে গলার সুরও।

কমেন্টটাতে রিপ্লাইও নেই, ‘বুকের মাঝে ফুঁ দাও’,

অভিমানে ভূতের ছানা হয়ে গেল উধাও।

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

সাহসী সামদ্রুপ

সাহসী সামদ্রুপ

এদিকে ভূত তো রেগে অস্থির। কিন্তু বেশিক্ষণ খোঁজাখুঁজির সুযোগ পেল না। কারণ দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে। আলো এসে ভূতের গাঁয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

অনেক কাল আগের কথা। হিমালয়ের কোলে ছিল এক ছোট্ট গ্রাম। সেই গ্রামে বাস করত সামদ্রুপ নামের এক অসীম সাহসী তরুণ। সারা দিনমান চমরী গাই চড়াত আর রাতে চুলার পাশে বসে বসে চাদর বুনত। গ্রামে সবাই তাকে ভীষণ পছন্দ করত।

একবার হয়েছি কী, সামদ্রুপের দাদির ভীষণ অসুখ। হেকিম যে ওষুধ আনতে বলল, তা শহর ছাড়া পাওয়া যায় না। ওদিকে শহরে যেতে দুই দিন এক রাত লাগে।

সামদ্রুপের গাঁয়ের সবাই প্রয়োজনে দলবেঁধে শহরে যেত। একা কেউ যেত না, কারণ শহরে যাওয়ার পথে ছিল নানা রকম বিপদ। পাহাড়ি রাস্তা আর গিরি খাদের বাঁকে বাঁকে বন্য পশু আর ইয়েতি ছাড়াও ছিল ভূতের ভয়।

কিন্তু সামদ্রুপ তার দাদিকে ভীষণ ভালোবাসত। তাই সে ঝুঁকি নিয়ে তৈরি হলো শহরে যেতে।

খুব সকালে সূর্য যখন পাহাড়ের বরফ ঢাকা চূড়াগুলোকে সোনালি আভায় আলোকিত করতে শুরু করেছে, তখনই সে রওনা দিল। বাড়ির সবাই তাকে বলে দিল সাবধানে থাকতে।

সারা দিন হাঁটতে হাঁটতে ,ফুল পাখিদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আর নিজের মনে গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে সে এসে পৌঁছাল পাহাড়ের ঢালে। কিছুক্ষণ পর সূর্য চলে গেল পাহাড়ের আড়ালে।

সাহসী সামদ্রুপ তারপরও হাঁটতে লাগল। মাঝরাতে হঠাৎ তার দেখা হলো এক ভূতের সঙ্গে।

‘কে রে তুই? এত রাতে কোথায় যাচ্ছিস?’ খ্যানখ্যানে গলায় হেঁকে উঠল ভূত।

সামদ্রুপ বলল, ‘আমি সামদ্রুপ। আমার দাদি অসুস্থ্। তার জন্য ওষুধ আনতে যাচ্ছি।’

‘তাই নাকি? আমিও তো ওষুধ আনতে ওদিকেই যাচ্ছি। চল একসঙ্গে যাই।’ বলল ভূতটা।

ভূতের হাতে ছিল এক বিশাল বস্তা। ভূত সামদ্রুপকে সেই বস্তাটা দিয়ে বলল, ‘আমার বস্তাটা কাঁধে নিয়ে হাঁট।’ আমার ঘাড় ব্যথা করছে।’

মনে মনে রাগ হলেও কিছুই করার ছিল না সামদ্রুপের। সে ভূতের কথা মতোই কাজ করল।

আশ্চর্য ব্যাপার, এত্ত বড় বস্তা অথচ বাতাসের মতো হালকা-আনমনে ভাবল সামদ্রুপ।

এরপর তারা একসঙ্গে হাঁটতে শুরু করল। কিছুদূর যাওয়ার পর ভূত বেশ খোশ মেজাজে গল্প শুরু করল।

‘ইয়ে, বস্তাটা এত্ত বড় কিন্তু ওজনে হালকা কেন’, মিনমিন করে জিজ্ঞেস করল সামদ্রুপ।

‘আরে বোকা, হালকা তো হবেই। ওর মাঝে আছে শুধু রাজকন্যার আত্মা। আমি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছি।’ খ্যানখ্যানিয়ে বলে উঠল ভূত।

‘বলছ কী? আত্মা ছাড়া রাজকন্যার কী অবস্থা?’ আঁতকে উঠে জিজ্ঞাসা করল সামদ্রুপ।

‘খুব খারাপ। এই জন্যই তো রাজকন্যা ভীষণ অসুস্থ।’ হাসিমুখে উত্তর দিল ভূত।

‘ওমা! তাহলে তো রাজকন্যা বাঁচবে না?’ আবারও বলল সামদ্রুপ।

‘পৃথিবীর কোন হেকিমের সাধ্য নাই এই আত্মা ছাড়া ওকে বাঁচায়!’, সদম্ভে উত্তর দিল ভূত।

‘হুম’ , আস্তে করে বলল সামদ্রুপ। হঠাৎ করেই দয়ালু সামদ্রুপের মনটা ভারী হয়ে উঠল রাজা আর রাজকন্যার জন্য।

সে করল কী, সুযোগ বুঝে বস্তা নিয়ে লুকিয়ে পড়ল গমক্ষেতে।

এদিকে ভূত তো রেগে অস্থির। কিন্তু বেশিক্ষণ খোঁজাখুঁজির সুযোগ পেল না। কারণ দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে।

আলো এসে ভূতের গাঁয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

দেরি না করে সামদ্রুপ দৌড় দিল রাজার প্রাসাদে।

আত্মা ফিরে পেয়ে মরণাপন্ন রাজকন্যা ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকাল। চারপাশে বয়ে গেল খুশির বন্যা।

রাজা সামদ্রুপের কাছে সব শুনে ওষুধ জোগাড় করে পাইক-পেয়াদা দিয়ে পাঠিয়ে দিল সামদ্রুপের গাঁয়ে।

আর রাজকন্যার বিয়ে দিল সাহসী, দয়ালু আর বুদ্ধিমান সামদ্রুপের সঙ্গে।

সামদ্রুপ পরবর্তী সময়ে সে রাজ্যের রাজা হয়ে সুখে দিন কাটাতে লাগল।

ধীরে ধীরে সেই রাজ্যের নাম হয়ে গেল সামদ্রুপ ঝংখা, যা আজও ভুটানের এক শহর হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

পাইলট বুঝতে পারছে না, কোন পথে সে রানওয়ের কাছে যাবে। তুমি কি পাইলটকে রানওয়েতে যাবার পথটা দেখিয়ে দিতে পারবে?

লাল রঙের বিমানটি এয়ারপোর্টের ওপরে চলে এসেছে।

এখন বিমানটি ল্যান্ড করবে।

সমস্যা হচ্ছে, পাইলট বুঝতে পারছে না, কোন পথে এটি রানওয়ের কাছে যাবে।

তুমি কি পাইলটকে রানওয়েতে যাবার পথটা দেখিয়ে দিতে পারবে?

আমার মনে হয় পারবে।

সময় কিন্তু মাত্র এক মিনিট।

বেশ, তাহলে শুরু করে দাও।

আর যদি না পারো, তাহলে নিচের ছবিটা দেখে নাও। সেখানে পথটা চিহ্নিত করা আছে।

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বাতিল কিংবা ফেলে দেয়া চামচ, স্কেল, খাবারের ক্যান, কাপড়, দাবার ঘুঁটি, বোতাম, চাকু, প্লেটসহ হাজারো জিনিস দিয়ে বানানো হয়েছে ভাস্কর্যগুলো।

বারবারা ফ্রাঙ্ক খালামনি বাস করেন লন্ডনে।

অবসর সময়ে তিনি কী করেন জানো?

ফেলে দেয়া এটা-সেটা দিয়ে পশুপাখির ভাস্কর্য বানান।

ঘোড়া, ভেড়া, জেব্রা, শিয়াল, কুকুর থেকে শুরু করে পাখি, মাছ- কী নেই তার বানানোর তালিকায়।

সেগুলো এত সুন্দর যে, দেখলেই কোলে নিতে মন চাইবে।

বাতিল কিংবা ফেলে দেয়া চামচ, স্কেল, খাবারের ক্যান, কাপড়, দাবার ঘুঁটি, বোতাম, চাকু, প্লেটসহ হাজারো জিনিস দিয়ে বানানো হয়েছে ভাস্কর্যগুলো।

চলো তাহলে দেরি না করে বারবারা খালামনির কয়েকটি ভাস্কর্য দেখে নিই।

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি

বারবারা খালামনির পশুপাখি
নিজের পশুপাখিদের সাথে বারবারা খালামনি।

ভাস্কর্যের আরও ছবি দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক কর।

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল বলল, ‘তোর বাবা আর আমি খুব ভালো বন্ধু, বুঝলি? আমার নাম মাছি। কয়েকটা মিষ্টি খাই? তোর বাবা কিচ্ছু মনে করবে না।’

ভাঁড় অর্থ হলো যারা মজার মজার কথা বলে বা মজার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়।

গোপাল ভাঁড় ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।

১৭১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়।

রসবোধের জন্যে তার খ্যাতি ছিল। তার উপস্থিত বুদ্ধিও ছিল অনেক।

বুদ্ধির জোরে তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করতেন।

আজ থাকছে তেমনই একটি ঘটনা।

গোপালের মিষ্টি খাওয়া

গোপাল এক দিন মিষ্টির দোকানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।

যাবার সময় দোকানের তাকে সাজানো মিষ্টি দেখে গোপালের খুব লোভ হলো।

এদিকে তার পকেটে নেই একটি পয়সাও।

গোপাল মনে মনে ভাবল, মিষ্টি খাবার জন্য কোনেআ একটা বুদ্ধি বের করতে হবে।

সে দোকানে ঢুকে দেখল, দোকানদারের ছোট ছেলেটি বসে আছে।

গোপাল জিজ্ঞেস করল, ‘কি রে, তোর বাবা কই?’

ছেলেটা বলল, ‘দোকানের পেছনে বিশ্রাম নিচ্ছে।’

গোপাল বলল, ‘তোর বাবা আর আমি খুব ভালো বন্ধু, বুঝলি? আমার নাম মাছি। কয়েকটা মিষ্টি খাই? তোর বাবা কিচ্ছু মনে করবে না।’

বলেই গোপাল টপাটপ মিষ্টি মুখে পুরতে শুরু করল।

চোখের নিমিষে মিষ্টি শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে ছেলে চেঁচিয়ে বলল, ‘বাবা, মাছি আমাদের সব মিষ্টি খেয়ে ফেলছে!’

শুনে পেছন থেকে ময়রা বলল, ‘আরে খেতে দে! চিন্তার কিছু নেই। মাছি আর কট্টুকু খাবে?’

আরও পড়ুন:
আফিয়ার গ্রাম
সায়মার হাতপাখা
স্কুলের কথা মনে পড়ে
ফিজার গ্রাম
তাসফিয়ার আঁকা ছবি

শেয়ার করুন