সবচেয়ে বড় ঈগল

সবচেয়ে বড় ঈগল

একটি পোষা হার্পি ঈগল।

পূর্ণ বয়স্ক একটা হার্পি ঈগলের ওজন হতে পারে ৩০ কেজি পর্যন্ত। উচ্চতা হতে পারে সাড়ে তিন ফুট। ডানা মেললে এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তের দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ছয় ফুট। 

ঈগল পাখি তো সবাই চেন?

পৃথিবীতে নানা রকম ঈগল দেখতে পাওয়া যায়।

গোল্ডেন ঈগল, ইন্ডিয়ান ঈগল, ভেরাক্স ঈগল আরও কত কি।

এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হচ্ছে হার্পি ঈগল।

পূর্ণ বয়স্ক একটা হার্পি ঈগলের ওজন হতে পারে ৩০ কেজি পর্যন্ত।

উচ্চতা হতে পারে সাড়ে তিন ফুট। ডানা মেললে এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তের দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ছয় ফুট।

ইয়া বড় বড় বাঁকানো নখ তার। ব্লেডের মতো ধার সেই নখে।

এদের থাবাও ঈগলদের মধ্যে সবচেয়ে বড়।

থাবায় এত জোর যে, শিকারি প্রাণীর হাড় পর্যন্ত ভেঙে ফেলতে পারে।

সাত কেজি ওজনের শিকারকে নখে গেঁথে অনায়াসে তুলে উড়াল দিতে পারে হার্পি ঈগল।

সবচেয়ে বড় ঈগল
বানরছানা শিকার করেছে হার্পি ঈগল।

তাইতো খরগোশ, বানর কিংবা ভেড়ার ছানা এদের দেখলে দৌড়ে পালায়।

পালালে কী হবে! হার্পি ঈগলের হাত থেকে বাঁচা খুব কঠিন।

কারণ লম্বা লেজ থাকায় ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়েও এরা অনায়াসে উড়তে পারে।

আকারে বড় বলেই এরা বাসাও বানায় বড় বড়।

সবচেয়ে বড় ঈগল
বাসায় হার্পি ঈগল ও তার ছানা।

গাছের শিখরে পাতার আড়ালে এমনভাবে বাসা বানায় যে, নিচ থেকে ওদের খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

মূলত লতাপাতা ডাল দিয়ে বানানো বাসা সর্বোচ্চ চার ফুট বাই পাঁচ ফুট হতে পারে।

খামার থেকে ভেড়া, ছাগল আর মুরগি চুরির কুখ্যাতি আছে হার্পি ঈগলের।

জেনে মজা পাবে যে, তোমাদের সবার প্রিয় হ্যারি পটার সিনেমায় দেখানো ফ্যকস দ্য ফিনিক্স বা ডাম্বলডোরের বাহন হিসেবে এই হার্পি ঈগল ব্যবহার করেছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

তার রোবটগুলো দেখতে খুব সুন্দর। তবে সমস্যা হচ্ছে, এগুলো নড়াচড়া করতে পারে না।

বতসোয়ানায় আমাদের এক বিজ্ঞানী চাচ্চু বাস করেন।

তার নাম ক্যারল নোয়াক।

তিনি কী করেন জানো?

ঘড়ির পার্টস, পুরোনো বোতাম, ফেলে দেয়া এটা-সেটা দিয়ে রোবট বানান।

তার রোবটগুলো দেখতে খুব সুন্দর।

তবে সমস্যা হচ্ছে, এগুলো নড়াচড়া করতে পারে না।

চলো তাহলে, রোবটগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিই।

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

ক্যারল চাচ্চুর রোবট

শেয়ার করুন

স্কুল জোকস

স্কুল জোকস

স্যার, আজ তো প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস আছে। আর আপনি তো প্রায়ই বলেন, অনেক গাধা পিটিয়ে মানুষ করেছেন, তাই আজ স্বচক্ষে দেখব বলে ঠিক করেছি।

স্কুল খুলে গেছে।

শুরু হয়েছে ক্লাস।

চলো, এই সুযোগে স্কুল নিয়ে কিছু জোকস শুনে নেই।

জোকসগুলো পাঠিয়েছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু মারজান আহমেদ।

ও মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি স্কুলে চতর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

১. গণিত শিক্ষক: এই সমীকরণের সমাধান করে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এক্সের মান হলো ১০।

শিক্ষার্থী: এক মিনিট স্যার! কোথাও ভুল হচ্ছে না তো? গতকালই আপনি বলেছিলেন এক্সের মান ৫।

২. শিক্ষক: কী ব্যাপার সেন্টু, অ্যাসাইনমেন্ট দিতে বললাম আর তুমি জমা দিয়েছ সাদা একটা পাতা!

সেন্টু: স্যার, আপনিই তো বলেছিলেন, অ্যাসাইনমেন্টটাকে যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখতে আর অপ্রয়োজনীয় বাক্য বাদ দিয়ে দিতে।

৩. একদিন কোথা থেকে একটা গাধা জোগাড় করে সেটাকে ক্লাসে নিয়ে হাজির বল্টু। দেখে তো শিক্ষকের চোখ কপালে।

শিক্ষক: বল্টু, তুই এই গাধাটাকে এখানে এনেছিস কেন?

বল্টু: স্যার, আজ তো প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস আছে। আর আপনি তো প্রায়ই বলেন, অনেক গাধা পিটিয়ে মানুষ করেছেন, তাই আজ স্বচক্ষে দেখব বলে ঠিক করেছি।

৪. শিক্ষক: বল তো ১৮০৯ সালে কে জন্মেছিল?

ছাত্র: আব্রাহাম লিংকন।

শিক্ষক: ১৮১৯ সালে কী ঘটেছিল?

ছাত্র: তাঁর ১০ বছর বয়স হয়েছিল স্যার।

৫. মা: আজ স্কুলে কী করলে খোকা?
খোকা: ‘যেমন খুশি তেমন লিখো’ খেললাম।
মা: কিন্তু আজ না তোমার গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা?
খোকা: ওটার কথাই তো বলছি!

শেয়ার করুন

ঘরে এলো ব্যাঙ

ঘরে এলো ব্যাঙ

তোমরা কে কে ব্যাঙ ভালোবাসো? সবাই? বাহ! তাহলে দেরি কেন? চলো সবাই আজ এটা-সেটা দিয়ে ব্যাঙ বানাই।

বর্ষাকালে ব্যাঙ

ডাকে ঘ্যাঙরঘ্যাং।

তোমরা কে কে ব্যাঙ ভালোবাসো?

সবাই? বাহ!

তাহলে দেরি কেন?

চলো সবাই আজ এটা-সেটা দিয়ে ব্যাঙ বানাই।

ব্যাঙ বানানোর জন্য যে জিনিসগুলো লাগবে...

ঘরে এলো ব্যাঙ

১. টয়লেট পেপারের খালি রোল

২. সবুজ রঙের কাগজ

৩. মোটা সাদা সুতা

৪. কালো ও লাল রঙের মার্কার পেন

৫. কাঁচি, স্ট্যাপলার মেশিন এবং আঠা

ঘরে এলো ব্যাঙ

সবুজ কাগজ দিয়ে টয়লেট পেপারের রোলটাকে মুড়ে দাও। কাগজের প্রান্তগুলো আঠা দিয়ে রোলের সঙ্গে লাগিয়ে নাও।

ঘরে এলো ব্যাঙ

রোলের এক প্রান্ত স্ট্যাপলার দিয়ে আটকে দাও। এ সময় স্ট্যাপলারের পিনের সঙ্গে সুতাটাও আটকে দিও। রোলের খোলা প্রান্তের ভেতরের দিকে লাল রঙের কাগজ লাগিয়ে নাও।

ঘরে এলো ব্যাঙ

সবুজ কাগজ কাঁচি দিয়ে কেটে ব্যাঙের হাত-পা বানাও। হাত-পায়ের আকৃতি কেমন হবে তা ছবিতে দেখে নাও। সেগুলো আঠা দিয়ে রোলের সঙ্গে লাগিয়ে নাও। রোলের ওপরের দিকে চোখ আঁকো এবং মার্কার পেন দিয়ে ছবিতে দেখানো অনুসারে দাগ দাও।

সুতার শেষ প্রান্তে একটা পোকা আটকে দিলেই শেষ হয়ে যাবে ব্যাঙ বানানো।

শেয়ার করুন

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

আমি আবার চিনি ছাড়া দুধ খেতে পারি না। অথচ একজনের খাওয়ার মতোই চিনি আছে আমার কাছে। তাই বলছিলাম যে, তুমি অর্ধেকটা খেয়ে নিলে বাকিটা আমি চিনি দিয়ে খাব।

লবণ দিয়ে খাই

হোজ্জা আর তার এক বন্ধু একবার এক হোটেলে ঢুকল কিছু খাওয়ার জন্য। খাওয়া শেষে হিসাব করে দেখল যে, দুই গ্লাস দুধ খাওয়ার মতো টাকা ওদের হাতে নেই। তাই দুজনের জন্য এক গ্লাস দুধ চাইল। দুধ আসার পর হোজ্জার বন্ধুটি বলল, ‘ভাই, তুমি আগে অর্ধেকটা খেয়ে ফেল।'

হোজ্জা জানতে চাইল, কেন?

বন্ধুটি বলল, ‘আমি আবার চিনি ছাড়া দুধ খেতে পারি না। অথচ একজনের খাওয়ার মতোই চিনি আছে আমার কাছে। তাই বলছিলাম যে, তুমি অর্ধেকটা খেয়ে নিলে বাকিটা আমি চিনি দিয়ে খাব।’

চিনি না দেয়ায় হোজ্জা মনে মনে রেগে গেল। সে তার বন্ধুকে শিক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল।

হোজ্জা তখন গ্লাসটায় অনেকটা লবণ ঢেলে বলল, ‘তাহলে আমার অর্ধেক ভাগটা আমি লবণ দিয়ে খেয়ে নিলাম। বাকিটা তুমি চিনি মিশিয়ে মিষ্টি করে খেয়ো!’

বিড়াল সব মাংস খেয়ে ফেলেছে

হোজ্জা এক কেজি মাংস কিনে এনে গিন্নিকে দিয়ে বলল, ‘মাংসগুলো রান্না করো। আমি গোসল করে আসছি।’

গিন্নি মাংস রান্না করতে গিয়ে একটু একটু টেস্ট করতে করতে সব মাংস খেয়ে ফেলল।

হোজ্জা নদী থেকে গোসল সেরে এসে খেতে বসে মাংস না দেখে জিজ্ঞাসা করলে গিন্নি জানালো, বিড়ালে সব মাংস খেয়ে ফেলেছে।

হোজ্জা তাড়াতাড়ি বিড়ালটাকে ধরে ওজন করে দেখল যে সেটার ওজন এক কেজি।

গিন্নিকে তখন বলল, ‘এটা যদি বিড়াল হয় তবে মাংস কোথায়, আর এটা যদি মাংস হয়, তবে বিড়ালটা কোথায়?’

শেয়ার করুন

ভূতের ছানা লাইভে

ভূতের ছানা লাইভে

নাম কী তোমার? কোথায় বাড়ি? থাকে কোথায় স্বজন? ভাই-বোনদের সংখ্যা কত, হালি নাকি ডজন? ঘুমাও কখন? কখন ওঠো? খাও কী পেলে খিদে? বসবাসে বলো কেমন হচ্ছে অসুবিধে?

ফেসবুকেতে যে যার মতো নেট ব্রাউজে বিজি,

কারও আছে ওয়াই-ফাই আর কারও ডাটা থ্রিজি।

ইচ্ছেমতো নেট ইউজে নেই তো কারও মানা,

হঠাৎ একী লাইভে এলো মামদোভূতের ছানা!

চোখ করে লাল ভেংচি কাটে, পেট দুলিয়ে নাচে,

সময় তখন রাতের শুরু ঠিক বারোটা পাঁচ-এ।

সাথে সাথেই এ-ধার ও-ধার চলে গেল নিউজ,

আজব লাইভে দৃষ্টি সবার হাজার হাজার ভিউজ।

কত রকম প্রশ্ন তাদের, লাইক-কমেন্টে ভরা,

পরিস্থিতি দেখে ভূতের চক্ষু ছানাবড়া!

রেগেমেগে মুখ ফুলিয়ে, ভাঙা বিশ্রী স্বরে—

দাঁত খিঁচিয়ে মামদোছানা কমেন্টগুলো পড়ে।

‘নাম কী তোমার? কোথায় বাড়ি? থাকে কোথায় স্বজন?

ভাই-বোনেদের সংখ্যা কত, হালি নাকি ডজন?

ঘুমাও কখন? কখন ওঠো? খাও কী পেলে খিদে?

বসবাসে বলো কেমন হচ্ছে অসুবিধে?

প্রতিদিনের রুটিন দেখাও? আছে নিয়ম-নীতি?

বলে ফেলো মজার ছলে দুষ্টু কোনো স্মৃতি।

ফেবুর লাইভে আসছো কেন? নেই কি খেয়ে কাজ আর!’

রকমারি কথায় ভরা প্রশ্ন হাজার হাজার।

কেউ লেখেনি— ভয় পেয়েছি, শরীর ঠান্ডা পুরো,

হাত-পাগুলো কাঁপছে এবং কাঁপছে গলার সুরও।

কমেন্টটাতে রিপ্লাইও নেই, ‘বুকের মাঝে ফুঁ দাও’,

অভিমানে ভূতের ছানা হয়ে গেল উধাও।

শেয়ার করুন

সাহসী সামদ্রুপ

সাহসী সামদ্রুপ

এদিকে ভূত তো রেগে অস্থির। কিন্তু বেশিক্ষণ খোঁজাখুঁজির সুযোগ পেল না। কারণ দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে। আলো এসে ভূতের গাঁয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

অনেক কাল আগের কথা। হিমালয়ের কোলে ছিল এক ছোট্ট গ্রাম। সেই গ্রামে বাস করত সামদ্রুপ নামের এক অসীম সাহসী তরুণ। সারা দিনমান চমরী গাই চড়াত আর রাতে চুলার পাশে বসে বসে চাদর বুনত। গ্রামে সবাই তাকে ভীষণ পছন্দ করত।

একবার হয়েছি কী, সামদ্রুপের দাদির ভীষণ অসুখ। হেকিম যে ওষুধ আনতে বলল, তা শহর ছাড়া পাওয়া যায় না। ওদিকে শহরে যেতে দুই দিন এক রাত লাগে।

সামদ্রুপের গাঁয়ের সবাই প্রয়োজনে দলবেঁধে শহরে যেত। একা কেউ যেত না, কারণ শহরে যাওয়ার পথে ছিল নানা রকম বিপদ। পাহাড়ি রাস্তা আর গিরি খাদের বাঁকে বাঁকে বন্য পশু আর ইয়েতি ছাড়াও ছিল ভূতের ভয়।

কিন্তু সামদ্রুপ তার দাদিকে ভীষণ ভালোবাসত। তাই সে ঝুঁকি নিয়ে তৈরি হলো শহরে যেতে।

খুব সকালে সূর্য যখন পাহাড়ের বরফ ঢাকা চূড়াগুলোকে সোনালি আভায় আলোকিত করতে শুরু করেছে, তখনই সে রওনা দিল। বাড়ির সবাই তাকে বলে দিল সাবধানে থাকতে।

সারা দিন হাঁটতে হাঁটতে ,ফুল পাখিদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আর নিজের মনে গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে সে এসে পৌঁছাল পাহাড়ের ঢালে। কিছুক্ষণ পর সূর্য চলে গেল পাহাড়ের আড়ালে।

সাহসী সামদ্রুপ তারপরও হাঁটতে লাগল। মাঝরাতে হঠাৎ তার দেখা হলো এক ভূতের সঙ্গে।

‘কে রে তুই? এত রাতে কোথায় যাচ্ছিস?’ খ্যানখ্যানে গলায় হেঁকে উঠল ভূত।

সামদ্রুপ বলল, ‘আমি সামদ্রুপ। আমার দাদি অসুস্থ্। তার জন্য ওষুধ আনতে যাচ্ছি।’

‘তাই নাকি? আমিও তো ওষুধ আনতে ওদিকেই যাচ্ছি। চল একসঙ্গে যাই।’ বলল ভূতটা।

ভূতের হাতে ছিল এক বিশাল বস্তা। ভূত সামদ্রুপকে সেই বস্তাটা দিয়ে বলল, ‘আমার বস্তাটা কাঁধে নিয়ে হাঁট।’ আমার ঘাড় ব্যথা করছে।’

মনে মনে রাগ হলেও কিছুই করার ছিল না সামদ্রুপের। সে ভূতের কথা মতোই কাজ করল।

আশ্চর্য ব্যাপার, এত্ত বড় বস্তা অথচ বাতাসের মতো হালকা-আনমনে ভাবল সামদ্রুপ।

এরপর তারা একসঙ্গে হাঁটতে শুরু করল। কিছুদূর যাওয়ার পর ভূত বেশ খোশ মেজাজে গল্প শুরু করল।

‘ইয়ে, বস্তাটা এত্ত বড় কিন্তু ওজনে হালকা কেন’, মিনমিন করে জিজ্ঞেস করল সামদ্রুপ।

‘আরে বোকা, হালকা তো হবেই। ওর মাঝে আছে শুধু রাজকন্যার আত্মা। আমি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছি।’ খ্যানখ্যানিয়ে বলে উঠল ভূত।

‘বলছ কী? আত্মা ছাড়া রাজকন্যার কী অবস্থা?’ আঁতকে উঠে জিজ্ঞাসা করল সামদ্রুপ।

‘খুব খারাপ। এই জন্যই তো রাজকন্যা ভীষণ অসুস্থ।’ হাসিমুখে উত্তর দিল ভূত।

‘ওমা! তাহলে তো রাজকন্যা বাঁচবে না?’ আবারও বলল সামদ্রুপ।

‘পৃথিবীর কোন হেকিমের সাধ্য নাই এই আত্মা ছাড়া ওকে বাঁচায়!’, সদম্ভে উত্তর দিল ভূত।

‘হুম’ , আস্তে করে বলল সামদ্রুপ। হঠাৎ করেই দয়ালু সামদ্রুপের মনটা ভারী হয়ে উঠল রাজা আর রাজকন্যার জন্য।

সে করল কী, সুযোগ বুঝে বস্তা নিয়ে লুকিয়ে পড়ল গমক্ষেতে।

এদিকে ভূত তো রেগে অস্থির। কিন্তু বেশিক্ষণ খোঁজাখুঁজির সুযোগ পেল না। কারণ দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে।

আলো এসে ভূতের গাঁয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

দেরি না করে সামদ্রুপ দৌড় দিল রাজার প্রাসাদে।

আত্মা ফিরে পেয়ে মরণাপন্ন রাজকন্যা ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকাল। চারপাশে বয়ে গেল খুশির বন্যা।

রাজা সামদ্রুপের কাছে সব শুনে ওষুধ জোগাড় করে পাইক-পেয়াদা দিয়ে পাঠিয়ে দিল সামদ্রুপের গাঁয়ে।

আর রাজকন্যার বিয়ে দিল সাহসী, দয়ালু আর বুদ্ধিমান সামদ্রুপের সঙ্গে।

সামদ্রুপ পরবর্তী সময়ে সে রাজ্যের রাজা হয়ে সুখে দিন কাটাতে লাগল।

ধীরে ধীরে সেই রাজ্যের নাম হয়ে গেল সামদ্রুপ ঝংখা, যা আজও ভুটানের এক শহর হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

শেয়ার করুন

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

পাইলট বুঝতে পারছে না, কোন পথে সে রানওয়ের কাছে যাবে। তুমি কি পাইলটকে রানওয়েতে যাবার পথটা দেখিয়ে দিতে পারবে?

লাল রঙের বিমানটি এয়ারপোর্টের ওপরে চলে এসেছে।

এখন বিমানটি ল্যান্ড করবে।

সমস্যা হচ্ছে, পাইলট বুঝতে পারছে না, কোন পথে এটি রানওয়ের কাছে যাবে।

তুমি কি পাইলটকে রানওয়েতে যাবার পথটা দেখিয়ে দিতে পারবে?

আমার মনে হয় পারবে।

সময় কিন্তু মাত্র এক মিনিট।

বেশ, তাহলে শুরু করে দাও।

আর যদি না পারো, তাহলে নিচের ছবিটা দেখে নাও। সেখানে পথটা চিহ্নিত করা আছে।

বিমানটিকে রানওয়ের পথ দেখাও

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

শেয়ার করুন