ফিজার গ্রাম

ফিজার গ্রাম

গ্রামটি পাখিদেরও খুব পছন্দ। গ্রামের আকাশে ঝাঁকবেঁধে উড়ে বেড়ায় নাম না জানা পাখিরা।

আমাদের ছোট্ট বন্ধু মাইশা মেহজাবিন ফিজা এঁকেছে গ্রামের ছবি।

সবুজ আর পার্পেল রঙের গাছপালায় ঘেরা সেই গ্রাম।

পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে খুব সুন্দর একটা নদী।

গ্রামটা পাখিদেরও খুব পছন্দ।

গ্রামের আকাশে ঝাঁকবেঁধে উড়ে বেড়ায় নাম না জানা পাখিরা।

তোমরা কি এই গ্রামে বেড়াতে যেতে চাও?

তাহলে যোগাযোগ করো ফিজার সঙ্গে।

কারণ এই গ্রামের ঠিকানা শুধু ফিজাই জানে।

ফিজা নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে ক্লাস থ্রিতে পড়ে।

ফিজার গ্রাম
আম্মুর সঙ্গে আমাদের ছোট্ট বন্ধু ফিজা।

তোমরাও যদি ফিজার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পারো, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিডজোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটা ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রূপকথার দেশে যাই

রূপকথার দেশে যাই

তার মানে, ওই দেশে সারা বছর কেউ পড়াশোনা করে না? অবশ্যই করে না। আমি জানি, ওখানে কোনও শ্রুতলিপি নেই, পরীক্ষা নেই, আছে শুধু ছুটি আর আনন্দ।

সন্ধে ঘনিয়ে এসেছে। বালকটি তবু দাঁড়িয়ে আছে স্টেশনের গেটে। বোঝাই যাচ্ছে কিসের জন্য যেন অপেক্ষা করছে। আমি তাকে ডাকলাম, ‘এই যে, শোনো। তুমি এখানে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে আছ কেন?’

‘ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি’, উত্তর দিল সে।

‘কোথায় যেতে চাও?’

‘রূপকথার দেশে। পিনোকিওর মতো।’

ছেলেবেলায় পড়া কাঠের পুতুলের রূপকথার গল্পটি (পিনোকিও) মনে পড়ল আমার।

‘সত্যিই নাকি? তা দেশটা কেমন?’

‘জাদুর দেশ। সে দেশে বৃহস্পতিবারে কেউ স্কুলে যায় না।’

‘খুব মজার ব্যাপার তো! আর বাকি দিনগুলো?’

‘ওখানে সপ্তাহে এক দিন শুক্রবার, বাকি ছয় দিন বৃহস্পতিবার।’

‘ওহ। তার মানে সারা সপ্তাহ খেলা আর বিশ্রাম?’

‘হ্যাঁ। আর ওখানে ছুটি শুরু হয় পয়লা জানুয়ারি থেকে আর শেষ হয় একত্রিশে ডিসেম্বরে। এ কথা তো পিনোকিওকে নিয়ে লেখা রূপকথার বইটিতেও লেখা আছে!’

‘তার মানে, ওই দেশে সারা বছর কেউ পড়াশোনা করে না?’

‘অবশ্যই করে না। আমি জানি, ওখানে কোনও শ্রুতলিপি নেই, পরীক্ষা নেই, আছে শুধু ছুটি আর আনন্দ।’

আশার আলো জ্বলে উঠল আমার চোখে। সঙ্গে সঙ্গে বললাম, ‘আমাকে তুমি নেবে তোমার সঙ্গে?’

‘ঠিক আছে, তাহলে একসঙ্গেই যাব আমরা’, বলল সে।

‘তার আগে আমাকে বলুন, আপনি কে?’

গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, ‘স্কুলের প্রধান শিক্ষক।’

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে

কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে

বলতে হবে, নুডলসের ওপরের দিকের মাথাটা ধরে টানলে কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে।

নুডলস খেতে দারুণ মজা তাই না?

সে জন্যই তো আজ তোমাদের সামনে রাখা হয়েছে এক প্লেট নুডলস।

তবে খাওয়ার আগে আমরা ছোট্ট একটা খেলা খেলব।

তোমাদের বলতে হবে, নুডলসের ওপরের দিকের মাথাটা ধরে টানলে কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে।

সময় মাত্র এক মিনিট।

তবে চলো শুরু করা যাক।

যারা পারবে না, তারা নিচের ছবিটা দেখে নিও। ওখানে উত্তর দেয়া আছে।

কোন নুডলসটা বেরিয়ে আসবে

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

সন্তানের অসদাচরণে শাস্তি পাবে মা-বাবা

সন্তানের অসদাচরণে শাস্তি পাবে মা-বাবা

ফাইল ছবি

চলতি সপ্তাহে চীনা পার্লামেন্ট এনপিসির স্থায়ী কমিটির অধিবেশনে পারিবারিক শিক্ষার প্রচারবিষয়ক খসড়া আইন পর্যালোচনা করা হবে। এতে বিশ্রাম, খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য সন্তানকে সময় দিতেও মা-বাবাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সন্তানের অসদাচরণের জন্য মা-বাবাকে শাস্তি দেয়ার বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে চীন। এরই মধ্যে আইনের খসড়াও তৈরি করেছে চীনা সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা পার্লামেন্টে নতুন একটি আইন বিবেচনাধীন। ছোট ছোট শিশুরা ‘খুব খারাপ আচরণ’ করলে কিংবা কোনো অপরাধ করলে মা-বাবাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে বলে উল্লেখ আছে সম্ভাব্য আইনটিতে।

পারিবারিক শিক্ষার প্রচারবিষয়ক খসড়া আইনটিতে বলা হয়েছে, কোনো শিশুর আচরণ ‘খুব খারাপ’ কিংবা অপরাধমূলক বলে কৌঁসুলিরা প্রমাণ পেলে তার অভিভাবকদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আইন অনুযায়ী তাদের তিরষ্কার করা হবে এবং পারিবারিক শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচির অধীনে প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য করা হবে।

চীনের শীর্ষ রাষ্ট্রীয় পরিষদ ও জাতীয় আইনসভা ন্যাশনাল পিপল’স কংগ্রেসের (এনপিসি) অধীনে আইনবিষয়ক কমিশনের মুখপাত্র জ্যাং তিয়েবেই বলেন, ‘অপ্রাপ্তবয়স্করা অনেক কারণেই অসদাচরণ করতে পারে। কিন্তু পারিবারিক শিক্ষার অভাবটাই মুখ্য কারণ।’

চলতি সপ্তাহে এনপিসির স্থায়ী কমিটির অধিবেশনে পারিবারিক শিক্ষার প্রচারবিষয়ক খসড়া আইনটি পর্যালোচনা করা হবে।

এ আইনে বিশ্রাম, খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য সন্তানকে সময় দিতেও মা-বাবাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিশু-কিশোরদের বিকাশের স্বার্থে চলতি বছর অভিভাবককেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে বেইজিং।

গত মাসে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটকের চীনা সংস্করণ দুইনেতে দৈনিক সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট সময় কাটানো যাবে বলে শিশুদের সময় বেঁধে দেয় চীনা সরকার। নতুন নিয়মে চীনে প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে যে কোনো সময় সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে শিশুরা। ১৪ বছরের কমবয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য প্রযোজ্য এ নিয়ম।

এর আগে আগস্টে অনলাইন ভিডিও গেমসেও শিশুদের দৈনিক সময়সীমা বেঁধে দেয় চীনা সরকার। ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য সাপ্তাহিক কর্মদিবস, অর্থাৎ স্কুল খোলা থাকার দিনগুলোতে ভিডিও গেমসে সময় দেয়া নিষিদ্ধ করেছে বেইজিং। শুধু শুক্র, শনি ও রোববার সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা করে ভিডিও গেমস খেলতে পারবে শিশুরা।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে স্কুলে মোবাইল ফোন নেয়া নিষিদ্ধ করে বেইজিং।

স্কুল থেকে বাড়িতে ফেরার পর এবং সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটির দিনে যেন খুব বেশি পড়াশোনা করতে না হয় শিশুদের, তা নিশ্চিতেও ব্যবস্থা নিয়েছে বেইজিং। শিক্ষার্থীদের ওপর পড়াশোনা বোঝা হয়ে চেপে বসছে- এমন উদ্বেগ থেকে নেয়া হয় এ পদক্ষেপ।

ইন্টারনেটে চীনের শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম প্রচুর বাড়তি সময় কাটাচ্ছে বলে গত তিন বছর ধরে সতর্ক করে আসছিল দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হচ্ছিল, বিষয়টি পরবর্তী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মজার ঘটনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মজার ঘটনা

একবার আসরের বাইরে তিনি জুতা খুলে আসার কারণে তাঁর জুতা চুরি হয়ে যায়। অগত্যা, পরের দিন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জুতা দুটি কাগজে মুড়ে বগলদাবা করে আসরে ঢুকলেন।

দাড়িশ্বর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক সংগীতের আসরে নিমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। আসরে সংগীত পরিবেশন করবেন বিখ্যাত ধ্রুপদ গানের শিল্পী গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়।

কবি তার গান শুনে মুগ্ধ। গোপেশ্বরের গাওয়া শেষ হলে উদ্যোক্তারা রবীন্দ্রনাথের কাছে এসে অনুরোধ করলেন, ‘গুরুদেব, এবার আপনাকে গান গাইতে হবে।’
সেদিনের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ শুধু গান শুনতেই গিয়েছিলেন। গান গাওয়ার কথা ছিল না।

উদ্যোক্তাদের অনুরোধ শুনে তিনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘বুঝেছি, বুঝেছি, গোপেশ্বরের পর এবার দাড়িশ্বরের পালা।’
রবীন্দ্রনাথের মুখে এই কথা শুনে আসরে হাসির রোল উঠল।

পাদুকাপুরাণ

রবীন্দ্রনাথের অভ্যাস ছিল তিনি যখনই কোনও উপন্যাস লিখতেন তখন সেটা শান্তিনিকেতনে গুণিজন সমাবেশে পড়ে শোনাতেন। তাঁর সেই আসরে মাঝে মধ্যেই যোগদান করতেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

একবার আসরের বাইরে তিনি জুতা খুলে আসার কারণে তাঁর জুতা চুরি হয়ে যায়। অগত্যা, পরের দিন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জুতা দুটি কাগজে মুড়ে বগলদাবা করে আসরে ঢুকলেন।

কবি সেটা বুঝতে পেরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করলেন, ‘শরৎ তোমার বগলে ওটা কী পাদুকাপুরাণ?’

রবি ঠাকুরের মুখে এই কথা শুনে সবাই হাসতে শুরু করলেন।

শাস্তি

একবার শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক নেপাল রায়কে রবীন্দ্রনাথ লিখে পাঠালেন, 'আজকাল আপনি কাজে অত্যন্ত ভুল করছেন। এটা খুবই গর্হিত অপরাধ। এ জন্য কাল বিকেলে আমার এখানে এসে আপনাকে দণ্ড নিতে হবে।'

এ কথা শুনে চিন্তিত নেপালবাবু পরের দিন কবির কাছে উপস্থিত হলেন। আগের রাতে দুশ্চিন্তায় তিনি ঘুমাতেও পারেননি। তার পরও তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ চিন্তার মধ্যেই বসিয়ে রেখেছেন কবিগুরু। অবশেষে একটি মোটা লাঠি হাতে এলেন কবি। নেপালবাবুর তখন ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান লুপ্তপ্রায় হওয়ার অবস্থা। তিনি ভাবলেন, সত্যিই বুঝি লাঠি তাঁর মাথায় পড়বে। কবি সেটি বাড়িয়ে ধরে বললেন, 'এই নিন আপনার দণ্ড! সেদিন যে এখানে ফেলে গেছেন, তা একদম ভুলে গেছেন।'

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

একই রকম ছাতা দুটি খুঁজে বের করো

একই রকম ছাতা দুটি খুঁজে বের করো

এখানে এমন দুটি ছাতা আছে, যেগুলো দেখতে একই রকম। তোমাদের সেই ছাতা দুটি খুঁজে বের করতে হবে।

এখন বর্ষাকাল না। তবু বৃষ্টি পড়ছে।

বৃষ্টির এই দিনে আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার ছাতা।

ছাতা ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই।

ছবিতে তোমরা অনেক ছাতা দেখতে পাচ্ছ।

একেকটা একেক রকম।

মনে হয় কথাটা ঠিক হলো না।

সব আলাদা নয়। এর মধ্যে দুটি ছাতা আছে, যেগুলো দেখতে একই রকম।

তোমাদের সেই ছাতা দুটি খুঁজে বের করতে হবে।

সময় মাত্র এক মিনিট।

চলো তাহলে শুরু করা যাক।

যারা অনেক খুঁজেও ছাতা দুটি পাবে না, তাদের মন খারাপ করার কিছু নেই।

নিচের ছবিতে ছাতা দুটি চিহ্নিত করা আছে।

একই রকম ছাতা দুটি খুঁজে বের করো

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

আরিফ হাসানের ছড়া

আরিফ হাসানের ছড়া

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছড়া লিখে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। আঁকতে পার ছবি, লিখতে পার গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

ছোট্ট বোন রুমিকে নিয়ে ছড়া লিখেছে আমাদের বন্ধু আরিফ হাসান। পড়ে দেখো তো কেমন হয়েছে ছড়াটা।

আমার ছোট্ট বোন

রুমি আমার ছোট্ট বোন

অনেক বাসি ভালো!

কাঁদলে রুমি, মনটা আমার

হয় যে এলোমেলো।

খেলনা দিলে খেলে না

কামড়ে কামড়ে খায়,

বকা দিলে কেঁদে ফেলে

আম্মুর কোলে যায়।

আরিফ হাসান মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস থ্রিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছড়া লিখে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। আঁকতে পার ছবি, লিখতে পার গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হয়ে আকাশে গ্রহাণু খুঁজে বের করার কাজ করে অলিভেইরা। ইতিমধ্যে সে ১৮টি নতুন গ্রহাণু খুঁজেও পেয়েছে।

বন্ধুরা, আজ তোমাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব পৃথিবীর সবচেয়ে খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানীর সঙ্গে।

তোমরা জ্যোতির্বিজ্ঞানী মানে জানো?

যারা মহাকাশ, বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহ নিয়ে গবেষণা করে তাদেরই জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলে।

ওর নাম নিকোল অলিভেইরা।

সেই ছোটবেলা থেকেই তার আগ্রহ আকাশ আর তারাদের নিয়ে।

এখন তার বয়স ৮ বছর। বাস করে ব্রাজিলে।

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হয়ে সে আকাশে গ্রহাণু খুঁজে বের করার কাজ করে।

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

ইতিমধ্যে সে ১৮টি নতুন গ্রহাণু খুঁজেও পেয়েছে।

নাসা এই গ্রহাণুগুলো সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছে।

সত্যিই যদি এগুলো নতুন গ্রহাণু হয়, তাহলে ১৮ বছর বয়সী ইতালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী লুইজি সান্নিনোর রেকর্ড সে ভেঙে ফেলবে।

তখন অলিভেইরা হবে পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়সী গ্রহাণু আবিষ্কারক।

অলিভেইরা যে ঘরটিতে থাকে সেটি কেমন জানো?

নানা রকম যন্ত্রপাতিতে ঠাসা ওর ঘর।

ঘরে ঢুকতেই দেখা যাবে দেয়ালজুড়ে বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহের ছবি ও পোস্টারে ছেয়ে আছে।

টেবিল, চেয়ার ও বিছানা ছোটো ছোটো রকেট আর স্টার ওয়ার্স সিনেমার চরিত্রদের পুতুলে ভরা।

বর্তমানে সে নাসার যে প্রজেক্টে কাজ করছে তার নাম হলো ‘অ্যাস্ট্রয়েড হান্টার্স’।

অ্যাস্ট্রয়েড হান্টার্স মানে গ্রহাণু শিকারি।

অলিভেইরার ইচ্ছা, সে যে গ্রহাণুগুলো খুঁজে পেয়েছে সেগুলোর নাম রাখবে তার মা-বাবা এবং ব্রাজিলের বিজ্ঞানীদের নামে।

অলিভেইরা ব্রাজিলের ফর্তালেজা শহরের একটি প্রাইভেট স্কুলে পড়াশোনা করছে।

স্কুলের জ্যোতির্বিজ্ঞানের শিক্ষক হেলিওমারজিও রড্রিগেজ কিন্তু অলিভেইরাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন।

তিনি বলেন, মহাশূন্যের ছবিগুলো দেখেই সে গ্রহাণুর মতো দেখতে যে স্পটগুলো আছে সেগুলো চিনে ফেলতে পারে।

অলিভেইরার মা কী বলেন জানো?

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

তিনি বলেন, অলিভেইরার বয়স যখন ২ বছর, তখনই সে ২ হাত আকাশের দিকে তুলে বলত, মা আমাকে একটি তারা এনে দাও। ৪ বছর বয়সে সে তার জন্মদিনে উপহার হিসেবে কী চেয়েছিল জানো? একটি টেলিস্কোপ।

তোমরা শুনে অবাক হবে, অলিভেইরা টেলিস্কোপের জন্য এতটাই মরিয়া ছিল যে সে তার বাবা-মা কে বলেছিল, ভবিষ্যতের সব বার্থডে পার্টির বিনিময়ে হলেও যেন তাকে একটি টেলিস্কোপ কিনে দেয়া হয়।

অলিভেইরার স্বপ্ন সে বড় হয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানী হবে।

তা ছাড়া সে নাকি রকেটও বানাবে।

আরও পড়ুন:
তাসফিয়ার আঁকা ছবি
রঙিন গ্রামে একদিন
মাছের নাম রঙিন পুঁটি
চাঁদ দেখছে তাজরি
সাফিয়ার আঁকা পরি

শেয়ার করুন