শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শব্দগুলো হলো CAT, cord, MIRROR, TILES, STRAW এবং COUCH।

দুই ভাইবোন ঘরের মধ্যে খেলছে।

একজন বানিয়েছে তাঁবু।

অন্যজন বালিশ নিয়ে যাচ্ছে সেখানে ঘুমাবে বলে।

এদিকে পোষা বিড়ালটা মনে মনে ভাবছে, তাকে কখন ঘরে ঢুকতে দেয়া হবে।

খুব সুন্দর না দৃশ্যটা?

এই সুন্দর দৃশ্যের মধ্যে ছয়টি শব্দ লুকানো আছে।

শব্দগুলো হলো CAT, cord, MIRROR, TILES, STRAW এবং COUCH।

তোমাদের এই শব্দগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

সময় মাত্র ৫ মিনিট।

দেখব, কে কে পারো।

...বেশ, ৫ মিনিট শেষ।

যারা পেরেছ, তাদের ধন্যবাদ।

আর যারা পারোনি, তারা উত্তর দেখে নাও।

নিচের ছবিতে উত্তর দেয়া আছে।

শব্দগুলো খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পপকর্ন সম্পর্কে জেনে নাও

পপকর্ন সম্পর্কে জেনে নাও

আমেরিকার আদিবাসীরা পপকর্ন নানা ধরনের শুকনা মসলা দিয়ে মাখিয়ে খায়। এমনকি তারা পপকর্নের স্যুপও বানিয়ে খায়।

কে কে পপকর্ন পছন্দ করো, হাত তোলো।

ওমা, সবাই দেখি হাত তুলেছে!

তার মানে সবাই পপকর্ন পছন্দ করো।

চলো তাহলে, এই মজার খাবারটি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই।

পপকর্ন সম্পর্কে জেনে নাও
বিভিন্ন ফ্লেভারের পপকর্ন।

ভুট্টার দানা থেকে পপকর্ন বানানো হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানতে পেরেছেন, ৪৭০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে পেরুর অধিবাসীরা পপকর্ণ খেতেন।

তোমরা তো জানো, পপকর্ন ভাজার সময় এটি লাফিয়ে ওঠে। তবে এটি কি জানো যে, এরা লাফিয়ে তিন ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে?

পপকর্নের মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশ পানি থাকে।

ভুট্টার দানায় তাপ দিলে ভেতরে যে পানি থাকে তা বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাষ্প খোসায় চাপ সৃষ্টি করে। সেই চাপে একসময় খোসাটি ফুটে যায়। তৈরি হয় পপকর্ন।

আঠারো শতকের শুরুর দিকে অনেকে দুধ এবং চিনির মধ্যে পপকর্ন মিশিয়ে খেতে পছন্দ করতেন।

একটি ভুট্টার দানা যখন পপকর্ন হয়, তখন এটি আগের আকারের চেয়ে সর্বোচ্চ ৩০ গুণ বড় হতে পারে।

পপকর্ন দিয়ে বানানো সবচেয়ে বড় বলটির উচ্চতা ছিল ১২ ফুট।

পপকর্ন সম্পর্কে জেনে নাও
পপকর্ন দিয়ে বানানো সবচেয়ে বড় বল।

১৮৯৩ সালে চার্লস ক্রেটরস প্রথম পপকর্ন তৈরির মেশিন আবিষ্কার করে।

আমেরিকার আদিবাসীরা পপকর্ন নানা ধরনের শুকনা মসলা দিয়ে মাখিয়ে খায়। এমনকি তারা পপকর্নের স্যুপও বানিয়ে খায়।

ভুট্টার শস্যে অন্য যেকোনো শস্য দানার চেয়ে বেশি প্রোটিন রয়েছে। একটি ডিমের চেয়ে বেশি আয়রন ও আলুর চিপসের চেয়ে বেশি ফাইবার রয়েছে।

যে ভুট্টা ফ্রিজে রাখা হয়, সেই ভুট্টা দিয়ে পপকর্ন বানানো যায় না। ফ্রিজে রাখার কারণে ভুট্টার আর্দ্রতা কমে যায় বলে এমনটা হয়।

পপকর্ন সম্পর্কে জেনে নাও
বালি দিয়ে ভাজা হচ্ছে পপকর্ন।

প্রথম দিকে মানুষ বালু গরম করে সেখানে ভুট্টার দানা ফুটিয়ে পপকর্ন তৈরি করত।

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

ডাইনোসরের ছানাকে পথ দেখাও

ডাইনোসরের ছানাকে পথ দেখাও

চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

ডিম ফুটে বেরিয়েছে ডাইনোসরের ছানা।

বেরিয়েই চোখ ছানাবড়া!

তাকিয়ে দেখে, আশপাশে মা নেই।

মা ছাড়া ছানাটার কী ভালো লাগে বলো?

ও এখনই যেতে চায় মায়ের কাছে।

কিন্তু সেখানে যাবার পথটা চেনে না।

তুমি কি ওকে চিনিয়ে দিতে পারবে?

আমার মনে হয় পারবে।

সময় কিন্তু মাত্র এক মিনিট।

বেশ, তাহলে শুরু করে দাও।

আর যদি না পারো, তাহলে নিচের ছবিটা দেখে নাও। সেখানে পথটা চিহ্নিত করা আছে।

ডাইনোসরের ছানাকে পথ দেখাও

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

বৃষ্টির ছড়া

বৃষ্টির ছড়া

বৃষ্টি বৃষ্টি চলে যাও, ছাই মাঠে যাব খেলতে সে উপায় নাই।

বৃষ্টি নিয়ে ছড়া লিখেছে আমাদের বন্ধু বিভোর। পড়ে দেখো তো কেমন হয়েছে ছড়াটা।

চলে যাও বৃষ্টি

রিমঝিম বৃষ্টি

সারা দিন পরে

তাই আমি একা একা

বসে আছি ঘরে।

বৃষ্টি বৃষ্টি

চলে যাও, ছাই

মাঠে যাব খেলতে

সে উপায় নাই।

ছড়াটা লিখেছে রেহান মাহমুদ বিভোর। সে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছড়া লিখে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। আঁকতে পারো ছবি, লিখতে পারো গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

পায়ে ব্যথা তাতে কী হয়েছে? চিঠি লিখবে তো হাত দিয়ে! পা দিয়ে কি তুমি চিঠি লিখবে নাকি? তোমার কথা শুনলে হাসি পায়। তোমার মতো এমন কথা কোথাও শুনিনি।

ভাঁড় অর্থ হলো যারা মজার মজার কথা বলে বা মজার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়।

গোপাল ভাঁড় ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।

১৭১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়।

রসবোধের জন্যে তার খ্যাতি ছিল। তার উপস্থিত বুদ্ধিও ছিল অনেক।

বুদ্ধির জোরে তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করতেন।

আজ থাকছে তেমনই একটি ঘটনা।

গোপালের চিঠি লেখা

একদিন এক বুড়ি এসে গোপালকে বলল, ‘গোপাল দাদা, আমার একখানা চিঠি লিখে দাও না। আমার ছেলে পুরী থেকে ১০ ক্রোশ দূরে নাগেশ্বরপুর গেছে। কোনো খবর পাচ্ছিনে বেশ কয়েক দিন হলো। টাকা-পয়সাও নাই যে কাউকে পাঠাব।’

বুড়ির কথা শুনে গোপাল বলল, ‘আজ তো আমি চিঠি লিখতে পারব না ঠাকুরমা।’

‘কেন ভাই, আজ কি যে, তুমি চিঠি লিখতে পারবে না? অনেক দিন হয়ে গেছে। আজ না লিখলেই নয়। আর তোমার দেখা সব সময় পাই না যে তোমাকে চিঠি লিখতে বলি। আজ দেখা পেয়েছি। একখানা চিঠি লিখে দাও না।’ বুড়ি বলল।

- আমার যে পায়ে ব্যথা গো ঠাকুরমা।

- পায়ে ব্যথা তাতে কি হয়েছে? চিঠি লিখবে তো হাত দিয়ে! পা দিয়ে কি তুমি চিঠি লিখবে নাকি? তোমার কথা শুনলে হাসি পায়। তোমার মতো এমন কথা কোথাও শুনিনি।

গোপাল হেসে বলল, ‘চিঠি তো লিখব হাত দিয়েই। কিন্তু আমার হাতের লেখা এত জঘন্য যে, সেটা অন্য কেউ পড়তে পারবে না। আমার লেখা চিঠি আমাকে গিয়ে পড়ে দিয়ে আসতে হবে। আমার যে এখন পায়ে ব্যথা। এখান থেকে পুরী আবার পুরী থেকে ১০ ক্রোশ দূরে নাগেশ্বরপুরে চিঠিটা তো আমি পড়ে দিয়ে আসতে পারব না। তুমি অন্য কাউকে দিয়ে চিঠিখানা এবারকার মতো লিখিয়ে নাও, ঠাকুরমা। আমার পা ভালো হলে চিঠি লিখে দেব এবং নিজে গিয়ে পড়ে আসব।’

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

হরিণ এবং গলার টায়ার

হরিণ এবং গলার টায়ার

টায়ারটা স্থায়ীভাবে এলকের গলায় আটকে গেল। এখন গলায় টায়ার নিয়েই সে হাঁটে, টায়ার নিয়েই খায়, ঘুমায়। এভাবে দুই বছর চলে গেল।

এলক এক ধরনের হরিণজাতীয় প্রাণী। আমেরিকা ও এশিয়ার বনে এদের পাওয়া যায়।

আজ আমরা আমেরিকার কলোরাডো প্রদেশের একটি এলকের কথা বলব।

তখন এলকের বয়স ২ বছর। ঠিকমতো শিং গজায়নি।

একদিন সে বনের মধ্যে হেঁটে বেড়াচ্ছিল। পাশেই পড়ে ছিল একটি গাড়ির টায়ার।

সেই টায়ারটা নিয়ে খেলতে শুরু করল সে। খেলতে খেলতেই হঠাৎ তার গলায় টায়ারটা আটকে গেল।

ওর তো আর হাত নেই যে গলা থেকে টায়ারটা নামিয়ে ফেলবে।

নানাভাবে সে চেষ্টা করেও সেটা গলা থেকে নামাতে পারল না।

গলার মালার মতো টায়ারটা ওর গলায় ঝুলে রইল।

হরিণ এবং গলার টায়ার
গলায় টায়ার নিয়ে বনের মধ্যে ঘুরছে হরিণটা।

দিন গেল। মাস গেল। তত দিনে হরিণটার শিংও গেল বড় হয়ে।

ব্যাস! টায়ারটা স্থায়ীভাবে এলকের গলায় আটকে গেল।

এখন গলায় টায়ার নিয়েই সে হাঁটে, টায়ার নিয়েই খায়, ঘুমায়।

এভাবে দুই বছর চলে গেল।

তারপর একদিন বনের পাশের এক বাসিন্দার চোখে পড়ল ব্যাপারটা।

তিনি উদ্ধারকর্মীদের খবর দিলেন। কিন্তু যতক্ষণে উদ্ধারকর্মীরা এলো, ততক্ষণে হরিণটা আবার বনের গভীরে চলে গেছে।

এবারের মতো ব্যর্থ হলেও উদ্ধারকর্মীরা কিন্তু এলকের কথা ভুলে গেলেন না। তারা খোঁজ করতে থাকলেন।

খুঁজতে খুঁজতে ঠিকই আরেক দিন পেয়ে গেলেন হরিণটাকে।

অজ্ঞান করার ইনজেকশন দিয়ে দূর থেকে এলককে ঘুম পারিয়ে দেয়া হলো।

হরিণ এবং গলার টায়ার
হরিণটাকে অজ্ঞান করা হয়েছে।

তারপর শুরু হলো কাঁচি দিয়ে টায়ার কাটার পালা।

এখানেও দেখা দিলো সমস্যা।

টায়ারের মধ্যে স্টিলের তার থাকে। সেগুলো কাঁচি দিয়ে কাটা যাচ্ছিল না। ওদিকে হরিণটারও চেতনা ফিরে আসার সময় হয়ে যাচ্ছে।

বাধ্য হয়ে তারা শিং কেটে টায়ার বের করে আনলেন।

হরিণ এবং গলার টায়ার
চলছে টায়ার কাটার চেষ্টা। অবশেষে শিং কেটে উদ্ধার করা হয়েছে টায়ার।

হরিণের শিং আমাদের চুলের মতো। কাটলে ব্যথা লাগে না।

শিং কাটার কিছক্ষণের মধ্যে এলকের চেতনা ফিরে এলো। উঠে দাঁড়াল সে। টলতে টলতে ফিরে গেল বনের মধ্যে।

গলায় টায়ার না থাকায় এলকটা খুশি হয়েছিল কি না জানা যায়নি। তবে উদ্ধারকর্মীরা কিন্তু খুশি।

একটা প্রাণীকে কষ্ট থেকে মুক্তি দিলে খুশি না হয়ে কী পারা যায়।

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

চড়াই আর কাকের কথা

চড়াই আর কাকের কথা

মোষ, মোষ! দে তো শিং, খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি, তুলব জল, ধোব ঠোঁট- তবে খাব চড়াইর বুক।

কাক আর চড়াই পাখিতে খুব ভাব ছিল।
গৃহস্থদের উঠানে চাটাই ফেলে ধান আর লঙ্কা রোদে দিয়েছে। চড়াই তা দেখে কাককে বললে, ‘বন্ধু, তুমি আগে লঙ্কা খেয়ে শেষ করতে পারবে, না আমি আগে ধান খেয়ে শেষ করতে পারব?’

কাক বললে, ‘না, আমি লঙ্কা আগে খাব।’

চড়াই বললে, ‘না, আমি ধান আগে খাব।’

কাক বললে, ‘যদি না খেতে পার, তবে কি হবে?’

চড়াই বললে, ‘যদি না খেতে পারি, তবে তুমি আমার বুক খুঁড়ে খাবে। আর যদি তুমি না খেতে পার, তবে কি হবে?’

কাক বললে, ‘তুমি আমার বুক খুঁড়ে খাবে।’

এই বলে তো দুজনে ধান আর লঙ্কা খেতে লাগল। চড়াই কুট-কুট করে এক-একটি ধান খায়, আর কাক খপ-খপ করে একটি-একটি লঙ্কা খায়। দেখতে-দেখতে কাক সব লঙ্কা খেয়ে শেষ করলে, চড়াইয়ের তখন ধানের সিকিও খাওয়া হয়নি।

তখন কাক বললে, ‘কি বন্ধু, এখন?’

চড়াই বললে, ‘এখন আর কি হবে। বন্ধু হয়ে যদি আমার বুক খেতে চাও, তবে খাবে। তবে ঠোঁট দুটো ধুয়ে নিও, তুমি নোংরা জিনিস খাও।’

কাক বললে, ‘আমি ঠোঁট ধুয়ে আসছি।’ বলে সে গঙ্গায় ঠোঁট ধুতে গেল।

তখন গঙ্গা তাকে বললে, ‘তোর নোংরা ঠোঁট আমার গায়ে ছোঁয়াসনে। জল তুলে নিয়ে ঠোঁট ধো।’

তাতে কাক বললে, ‘আচ্ছা, আমি ঘটি নিয়ে আসছি।’ বলে সে কুমোরের কাছে গিয়ে বললে-

কুমোর, কুমোর! দে তো ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-

কুমোর বললে, ‘ঘটি তো নেই। মাটি আন, গড়ে দি।’ শুনে কাক মোষের কাছে তার শিং চাইতে গেল, সেই শিং দিয়ে মাটি খুঁড়বে। কাক বললে-

মোষ, মোষ! দে তো শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

শুনে মোষ রেগে তাকে এমনি গুঁতোতে এল যে সে সেখান থেকে দে ছুট! তারপর সে কুকুরের কাছে গিয়ে বললে-

কুত্তা, কুত্তা! মারবি মোষ,
লব শিং, খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

কুকুর বললে, ‘আগে দুধ আন, খেয়ে গায়ে জোর করি, তবে মোষ মারব এখন।’ শুনে কাক গাইয়ের কাছে গিয়ে বললে-

গাই, গাই! দে তো দুধ,
খাবে কুত্তা, হবে তাজা,
মারবে মোষ, লব শিং,
কুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

গাই বলরে, ‘আগে ঘাস আন খাই, তারপর দুধ দেব।’

শুনে কাক মাঠের কাছে গিয়ে বললে-

মাঠ, মাঠ! দে তো ঘাস,
খাবে গাই, দেবে দুধ,
খাবে কুত্তা, হবে তাজা
মারবে মোষ, লব শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইব বুক।

মাঠ বললে, ‘ঘাস তো রয়েছে, নিয়ে যা না!’

তখন কাক কামারের বাড়ি গিয়ে বললে-

কামার, কামার! দে তো কাস্তে,
কাটব ঘাস, খাবে গাই,
দেবে দুধ, খাবে কুত্তা,
হবে তাজা, মারবে মোষ, লব শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইর বুক।

কামার বললে, ‘আগুন নেই। আগুন নিয়ে আয়, কাস্তে গড়ে দি।’ তা শুনে কাক গৃহস্থদের বাড়ি গিয়ে বললে-

গেরস্ত ভাই, দাও তো আগুন,
গড়বে কাস্তে, কাটব ঘাস,
খাবে গাই, দেবে দুধ, খাবে কুত্তা,
হবে তাজা, মারবে মোষ, লব শিং,
খুঁড়ব মাটি, গড়বে ঘটি,
তুলব জল, ধোব ঠোঁট-
তবে খাব চড়াইব বুক।

তখন গৃহস্থ এক হাঁড়ি আগুন এনে বললে, ‘কিসে করে নিবি?’

বোকা কাক তার পাখা ছড়িয়ে বললে, ‘এই আমার পাখার উপরে ঢেলে দাও।’

গৃহস্থ সেই হাঁড়িসুদ্ধ আগুন কাকের পাখার উপর ঢেলে দিলে, আর সে বেটা তখুনি পুড়ে মরে গেল। তার আর চড়াইর বুক খাওয়া হল না।

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

রঙিন মাছ

রঙিন মাছ

কোথায় যাচ্ছে জানো? সাঁতার কাটতে। সুন্দর একটি নদী পেলেই মনের মতো করে সাঁতার কাটবে সে।

খুব সুন্দর একটি মাছ।

কোথায় যাচ্ছে জানো?

সাঁতার কাটতে।

সুন্দর একটি নদী পেলেই মনের মতো করে সাঁতার কাটবে সে।

মাছটার শরীরে কত রঙের খেলা দেখেছ?

লাল, সবুজ, হলুদসহ আরও অনেক রং মেখেছে সে।

তাকে রং মাখার কাজটি করে দিয়েছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ খান।

বন্ধুরা, তোমরাও যদি সামারার মতো সুন্দর করে ছবি আঁকতে পার, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের ঠিকানায়।

তোমার আঁকা ছবি প্রকাশ করবে কিড জোন। ছবির সঙ্গে তোমার একটি ছবি, তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

আমাদের ই-মেইলের ঠিকানা [email protected]

আরও পড়ুন:
একই রকম কচ্ছপ দুটি খুঁজে বের করো
পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করো
হরিণটাকে খুঁজে বের করো
শামুককে পথ দেখাও
ক্ষীরের বাটিগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন