হাতির ছিল জ্বর

হাতির ছিল জ্বর

আবহাওয়া অফিস থেকে শেষে বলা হয়, বনটি কাঁপার কারণ মোটেই ভূমিকম্প নয়।

ভূমিকম্প ভূমিকম্প

কাঁপছে পুরো বন,

ভয়ের চোটে কাঁপলো দেহ

কাঁপলো সবার মন।

আবহাওয়া অফিস থেকে

শেষে বলা হয়,

বনটি কাঁপার কারণ মোটেই

ভূমিকম্প নয়।

পরের দিনই জানা গেল

হাতির ছিল জ্বর,

বিশাল দেহে কাঁপুনিও

করেছিল ভর।

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হয়ে আকাশে গ্রহাণু খুঁজে বের করার কাজ করে অলিভেইরা। ইতিমধ্যে সে ১৮টি নতুন গ্রহাণু খুঁজেও পেয়েছে।

বন্ধুরা, আজ তোমাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব পৃথিবীর সবচেয়ে খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানীর সঙ্গে।

তোমরা জ্যোতির্বিজ্ঞানী মানে জানো?

যারা মহাকাশ, বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহ নিয়ে গবেষণা করে তাদেরই জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলে।

ওর নাম নিকোল অলিভেইরা।

সেই ছোটবেলা থেকেই তার আগ্রহ আকাশ আর তারাদের নিয়ে।

এখন তার বয়স ৮ বছর। বাস করে ব্রাজিলে।

আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার হয়ে সে আকাশে গ্রহাণু খুঁজে বের করার কাজ করে।

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

ইতিমধ্যে সে ১৮টি নতুন গ্রহাণু খুঁজেও পেয়েছে।

নাসা এই গ্রহাণুগুলো সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছে।

সত্যিই যদি এগুলো নতুন গ্রহাণু হয়, তাহলে ১৮ বছর বয়সী ইতালিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী লুইজি সান্নিনোর রেকর্ড সে ভেঙে ফেলবে।

তখন অলিভেইরা হবে পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়সী গ্রহাণু আবিষ্কারক।

অলিভেইরা যে ঘরটিতে থাকে সেটি কেমন জানো?

নানা রকম যন্ত্রপাতিতে ঠাসা ওর ঘর।

ঘরে ঢুকতেই দেখা যাবে দেয়ালজুড়ে বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহের ছবি ও পোস্টারে ছেয়ে আছে।

টেবিল, চেয়ার ও বিছানা ছোটো ছোটো রকেট আর স্টার ওয়ার্স সিনেমার চরিত্রদের পুতুলে ভরা।

বর্তমানে সে নাসার যে প্রজেক্টে কাজ করছে তার নাম হলো ‘অ্যাস্ট্রয়েড হান্টার্স’।

অ্যাস্ট্রয়েড হান্টার্স মানে গ্রহাণু শিকারি।

অলিভেইরার ইচ্ছা, সে যে গ্রহাণুগুলো খুঁজে পেয়েছে সেগুলোর নাম রাখবে তার মা-বাবা এবং ব্রাজিলের বিজ্ঞানীদের নামে।

অলিভেইরা ব্রাজিলের ফর্তালেজা শহরের একটি প্রাইভেট স্কুলে পড়াশোনা করছে।

স্কুলের জ্যোতির্বিজ্ঞানের শিক্ষক হেলিওমারজিও রড্রিগেজ কিন্তু অলিভেইরাকে অত্যন্ত ভালোবাসেন।

তিনি বলেন, মহাশূন্যের ছবিগুলো দেখেই সে গ্রহাণুর মতো দেখতে যে স্পটগুলো আছে সেগুলো চিনে ফেলতে পারে।

অলিভেইরার মা কী বলেন জানো?

খুদে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভেইরা

তিনি বলেন, অলিভেইরার বয়স যখন ২ বছর, তখনই সে ২ হাত আকাশের দিকে তুলে বলত, মা আমাকে একটি তারা এনে দাও। ৪ বছর বয়সে সে তার জন্মদিনে উপহার হিসেবে কী চেয়েছিল জানো? একটি টেলিস্কোপ।

তোমরা শুনে অবাক হবে, অলিভেইরা টেলিস্কোপের জন্য এতটাই মরিয়া ছিল যে সে তার বাবা-মা কে বলেছিল, ভবিষ্যতের সব বার্থডে পার্টির বিনিময়ে হলেও যেন তাকে একটি টেলিস্কোপ কিনে দেয়া হয়।

অলিভেইরার স্বপ্ন সে বড় হয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানী হবে।

তা ছাড়া সে নাকি রকেটও বানাবে।

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

গিরগিটির ছায়া খুঁজে বের করো

গিরগিটির ছায়া খুঁজে বের করো

ছবির ডানে কয়েকটি ছায়া আছে। এই ছায়াগুলোর মধ্যে লুকিয়ে আছে গিরগিটির সেই ছায়া।

ওপরের ছবিতে একটি গিরগিটিকে দেখতে পাচ্ছ।

ওপরের দিকে তাকিয়ে কী যেন দেখছে।

মনে হয় কোনো পোকা দেখতে পেয়েছে।

এদিকে ও যখন পোকা দেখছে, ঠিক তখন মাটিতে তার ছায়া পড়ে।

ছবির ডানে কয়েকটি ছায়া আছে।

এই ছায়াগুলোর মধ্যে লুকিয়ে আছে গিরগিটির সেই ছায়া।

এবার দেখব, তোমরা আসল ছায়াটি খুঁজে বের করতে পারো কি না।

উত্তর দেখতে নিচের ছবিতে চোখ রাখো।

গিরগিটির ছায়া খুঁজে বের করো

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

লি চাচ্চুর পশুপাখি

লি চাচ্চুর পশুপাখি

তার পশুপাখি বানানোর স্টাইলটা একটু অন্য রকম। স্টেইনলেস স্টিলের রডকে বাঁকিয়ে, প্যাঁচিয়ে ভাস্কর্য বানান তিনি।

দক্ষিণ কোরিয়ার আমাদের এক চাচ্চু আছেন।

তার নাম লি স্যাংসু।

তিনি পেশায় আর্টিস্ট।

পশু পাখির ভাস্কর্য বানাতে ভালোবাসেন।

তবে তার পশুপাখি বানানোর স্টাইলটা একটু অন্য রকম।

স্টেইনলেস স্টিলের রডকে বাঁকিয়ে, প্যাঁচিয়ে ভাস্কর্য বানান তিনি।

সবশেষে রং লাগান।

চলো দেখে নেই লি চাচ্চুর কিছু ভাস্কর্য।

লি চাচ্চুর পশুপাখি
ইমু
লি চাচ্চুর পশুপাখি

ফ্লেমিংগো

লি চাচ্চুর পশুপাখি
শুকর

লি চাচ্চুর পশুপাখি
কাকাতুয়া
লি চাচ্চুর পশুপাখি
বিড়াল
লি চাচ্চুর পশুপাখি
কুকুর

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

লোকটি সিঁদ কেটে যখন ঘরের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দেখল যে, সামনেই একটি টাকাভর্তি কলসী বসানো আছে। সে দেরি না করে কলসিটা মাথায় তুলে মনের আনন্দে রাজবাড়ীর দিকে এগোতে লাগল।

ভাঁড় অর্থ হলো যারা মজার মজার কথা বলে বা মজার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়।

গোপাল ভাঁড় ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।

১৭১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়।

রসবোধের জন্যে তার খ্যাতি ছিল। তার উপস্থিত বুদ্ধিও ছিল অনেক।

বুদ্ধির জোরে তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করতেন।

আজ থাকছে তেমনই একটি ঘটনা।

চোরকে জব্দ

একদিন গোপালের জ্বর হওয়ায় রাজসভায় যেতে পারেনি। মহারাজ সভাসদদের নিয়ে নানা আলাপ-আলোচনা করতে করতে হঠাৎ বললেন, `আমার সভার মধ্যে এমন কি কেউ আছে, যে গোপালের ঘর থেকে কিছু চুরি করে আনতে পারে? যদি কেউ পারে, তবে সে সামান্য জিনিস হলেও আমি তাকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করব। তোমরা কেউ রাজি থাকলে বলো।'

মহারাজ পুরস্কারের লোভ দেখালেও কেউ রাজি হচ্ছিল না গোপালের ঘরে চুরি করতে। কারণ গোপাল বিরাট চালাক। তার চোখে ধুলো দেয়া সহজ নয়। ধরা পড়লে নাকালের শেষ থাকবে না। নাকানি-চোবানি তো খেতে হবেই, আর গোপাল একদিন না একদিন প্রতিশোধ নেবেই।

সব শেষে ভূপাল নামের এক লোক পুরস্কারের লোভে মাঝরাতে গোপালের বাড়িতে সিঁদ কেটে প্রবেশ করল। গোপাল আগে থেকেই রাজসভার কথা জানতে পেরেছিল, তাই সে লোভি লোকটাকে জব্দ করার জন্য তৈরি হয়ে রইল।

পূর্ব প্রস্তুতি মতো গোবরে পূর্ণ একটা কলসির ওপরে কিছু টাকা রেখে দিয়ে একপাশে লুকিয়ে রইল।

লোকটি সিঁদ কেটে যখন ঘরের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দেখল যে, সামনেই একটি টাকাভর্তি কলসি বসানো আছে। সে দেরি না করে কলসিটা মাথায় তুলে মনের আনন্দে রাজবাড়ীর দিকে এগোতে লাগল।

কিছু দূর যেতেই গোপাল ঢিল ছুঁড়ে ব্রাহ্মণের মাথার কলসিটা ভেঙে দিল। কলসি চুরমার হয়ে সঙ্গে সঙ্গে লোকটির সারা শরীর গোবরে মাখামাখি হয়ে গেল।

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি

টম ও জেরি। ওদের জন্ম ১৯৪০ সালে। সে হিসেবে ওদের বয়স ৮১ বছর।

ওরা যদি সত্যি সত্যি বুড়ো হতো, তাহলে ওদের কেমন দেখাত? সেটাই কল্পনা করেছেন রাশিয়ার আর্টিস্ট অ্যান্ড্রু তারুসভ।

আমাদের পরিচিত কার্টুন চরিত্রগুলোর বেশির ভাগেরই জন্ম গত শতাব্দীর প্রথম দিকে।

সে হিসাবে ওদের বয়স এখন ১০০ বছরের কাছাকাছি।

মানে ওরা এখন প্রায় বুড়ো।

কিন্তু কার্টুনে ওরা এখনো আগের মতোই আছে।

আগের মতোই ছোট, আগের মতোই দুষ্টু।

ওরা যদি সত্যি সত্যি বুড়ো হতো, তাহলে ওদের কেমন দেখাত?

সেটাই কল্পনা করেছেন রাশিয়ার আর্টিস্ট অ্যান্ড্রু তারুসভ।

চলো তাহলে দেখে নেই বুড়ো হওয়া কার্টুন চরিত্রগুলোকে।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
বাগস বানি ও লোলা বানি। ওদের জন্ম ১৯৩৮ সালে। সে হিসাবে ওদের বয়স ৮৩ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
ডাফি ডাক। ওর জন্ম ১৯৩৭ সালে। সে হিসাবে ওর বয়স ৮৪ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
ডেইজি ডাক। ওর জন্ম ১৯৪০ সালে। সে হিসাবে ওর বয়স ৮১ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
ডোনাল্ড ডাক। ওর জন্ম ১৯৩৪ সালে। সে হিসাবে ওর বয়স ৮৭ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
গুফি। ওর জন্ম ১৯৩২ সালে। সে হিসাবে ওর বয়স ৮৯ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
মিকি মাউস ও মিনি মাউস। ওদের জন্ম ১৯২৮ সালে। সে হিসাবে ওদের বয়স ৯৩ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
পোর্কে পিগ। ওর জন্ম ১৯৩৫ সালে। সে হিসাবে ওর বয়স ৮৬ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
রোড রানার ও উইলি ই কয়োটি। ওদের জন্ম ১৯৪৯ সালে। সে হিসাবে ওদের বয়স ৭২ বছর।

ওরা এখন বুড়ো-বুড়ি
টুইটি ও সিলভেস্টার। ওদের জন্ম ১৯৪২ সালে। সে হিসাবে ওদের বয়স ৭৯ বছর।

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

মুইদের আঁকা ছবি

মুইদের আঁকা ছবি

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। লিখতে পার ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

খুব সুন্দর ছবি আঁকে মুইদ।

আজ সে এঁকেছে ছেলেদের ক্যারম খেলার ছবি।

চমৎকার একটা গ্রাম।

সবুজ গাছপালায় ছেয়ে আছে চারদিক।

এখানে-সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ছোট ছোট বাড়ি।

এরই মাঝে বাইরে এসে ক্যারম খেলছে চার বন্ধু।

ছবির আঁকিয়ে মো. মুইদ আল হাসান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। লিখতে পার ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন

লুকানো শব্দ খুঁজে বের করো

লুকানো শব্দ খুঁজে বের করো

এই সুন্দর দৃশ্যের মধ্যে ছয়টি শব্দ লুকানো আছে। শব্দগুলো হলো PARTY, MUSIC, CHEESE, yummy, RED এবং HUNGRY

পার্টি চলছে।

সবাই পিজা খাচ্ছে। পিজার সঙ্গে আছে জুস।

একজন বাজাচ্ছে মিউজিক।

মিউজিক শুনতে শুনতে পিজা খাবার মজাই আলাদা, তাই না?

খুব সুন্দর না দৃশ্যটা?

এই সুন্দর দৃশ্যের মধ্যে ছয়টি শব্দ লুকানো আছে।

শব্দগুলো হলো PARTY, MUSIC, CHEESE, yummy, RED এবং HUNGRY

তোমাদের এই শব্দগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

সময় মাত্র ৫ মিনিট।

দেখব, কে কে পারো।

...বেশ, ৫ মিনিট শেষ।

যারা পেরেছ, তাদের ধন্যবাদ।

আর যারা পারোনি, তারা উত্তর দেখে নাও।

নিচের ছবিতে উত্তর দেয়া আছে।

লুকানো শব্দ খুঁজে বের করো

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
টিয়ার কাণ্ড
আলাভোলা ব্যাঙ
রুমির ভাবনা
সময়
যেন

শেয়ার করুন