× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
প্রজাপতিটাকে খুঁজে বের করো
google_news print-icon

প্রজাপতিটাকে খুঁজে বের করো

প্রজাপতিটাকে-খুঁজে-বের-করো
তোমরা কি ওকে খুঁজে দিতে পারবে? আমার মনে হয়, পারবে।

খুব সুন্দর একটা পার্ক দেখতে পাচ্ছ, তাই না?

রংবেরঙের গাছপালায় ছেয়ে আছে পার্কটা।

ছোট্ট একটা লেকও আছে সেখানে।

লেকের ওপরে পাথর দিয়ে বানানো পায়ে চলা পথও আছে।

আরও আছে শাপলা ফুল।

তোমরা কি এই পার্কে যেতে চাও?

যেতে পারবে। তবে তার আগে একটা প্রজাপতি খুঁজে দিতে হবে।

ছবিটাতে একটা প্রজাপতি চুপ করে লুকিয়ে আছে। একটুও নড়ছেচড়ছে না।

তোমরা কি ওকে খুঁজে দিতে পারবে?

আমার মনে হয়, পারবে।

তাহলে দেরি না করে খোঁজ শুরু করে দাও।

যারা খুঁজে পাবে, তাদের জন্য অভিনন্দন রইল।

আর যারা পাওনি, তারা নিচের ছবিটা দেখে নাও।

ওখানে দুষ্টু প্রজাপতিটাকে চিহ্নিত করা আছে।

প্রজাপতিটাকে খুঁজে বের করো

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
DNCC budget announcement of Tk 4527 crore 74 lakh

ডিএনসিসির ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ডিএনসিসির ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে‌। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বাজেট ঘোষণা করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নগরবাসীর উন্নয়ন, রাজস্ব আদায় ও বাস্তবায়নসহ বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে এ বছর একটি যুগোপযোগী বাস্তবমুখী ও উন্নয়নমূলক বাজেট গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রশাসক জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের সহযোগিতায় বাজেট স্বল্পতা কাটিয়ে উঠেছি। আমরা স্বল্প সংখ্যক বাজেট নিয়েও নগরবাসীর উন্নয়নে বিভিন্ন রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, জলবদ্ধতা দূরীকরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারসহ ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ, সফলভাবে হামের টিকা প্রদান, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণসহ আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতা অর্জন, সম্প্রতি অতি বৃষ্টির ফলে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত সরজমিনে পরিদর্শনসহ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালগুলোর দখল মুক্ত করে খাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করা, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা ও খেলাধুলা সামগ্রী প্রদানসহ নগরবাসীর সেবামূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাজেটকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, এবারের বাজেটে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণসহ মশাবাহিত বিভিন্ন বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ করা, নগরের জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, বিভিন্ন এলাকার ভেঙে পড়ার রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, ম্যানহোল ব্যবস্থা আধুনিককরণ, বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ, আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের সম্প্রসারণ ও আধুনিকরণ, বর্জ্য হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, রোড লাইট ও রোড সেফটির জন্য আধুনিক লাইটিং ব্যবস্থা, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট ও বাজার ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, হকারদের জন্য একটি বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ, বস্তিবাসী উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, ভবিষ্যতে কোরবানির হাট ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সংস্কার করে যাত্রী কল্যাণমুখী করা, বিভিন্ন খাল দখলমুক্ত পরে সংস্কারের মাধ্যমে খালের প্রবাহ ধরে রাখা, উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করণসহ নগরবাসীর সেবায় একটি উন্নত পরিকল্পিত ও আধুনিক বসবাসযোগ্য নগরী গড়ার পরিকল্পনায় একটি বাস্তবমুখী বাজেট ঘোষণা করছি।

প্রশাসক বলেন, ঢাকা নগরীর সব কার্যক্রম ও সংস্থা সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত নয়। রাজউক, ওয়াসা ও পিডব্লিউডি জড়িত আছে। আমরা সিটি করপোরেশন চেষ্টা করছি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে পানি মুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নাগরিক জীবন গড়ে তুলতে। তবে এক্ষেত্রে আপনাদের এবং নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। আপনারা এবং নগরবাসী যদি একটু সচেতন হন, তাহলেই আমরা জলবদ্ধতার হাত থেকে সহজেই রক্ষা পাবো, ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়ে তুলতে পারব।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Necessary initiatives will be taken for the development of temples in Khulna City KCC Administrator 

খুলনা সিটির মন্দিরগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে: কেসিসি প্রশাসক 

খুলনা সিটির মন্দিরগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে: কেসিসি প্রশাসক  ছবি: সংগৃহীত

আমরা রাজনৈতিকভাবে কোনো ধর্মের মানুষকে ব্যবহার করতে চাই না। উন্নয়ন ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাস ও আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এমন মন্তব্য করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত।’ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের পরিবর্তে সব সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘নগরীর প্রতিটি মন্দিরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সন্তানদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে আর্যধর্মসভা মন্দির থেকে এই রথযাত্রা শুরু হয়। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই রথযাত্রার উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার খুলনার পবন কুমারসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ সময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ‘ধর্মীয় সম্প্রীত বজায় রেখে আমরা সকলে মিলে একসাথে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব।’

উল্লেখ্য, আষাঢ় মাসের শুক্ল দ্বিতীয়া এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। কারণ, এই দিন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা তাদের মাসি অর্থাৎ রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের পত্নী গুন্ডিচার বাড়িতে যান। আর সাত দিন পর আবার মন্দিরে ফিরে আসেন। মাসি বাড়ি যাওয়াকে রথযাত্রা ও মাসি বাড়ি থেকে ফেরাকে উল্টোরথ যাত্রা বলে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, রথযাত্রার মধ্য দিয়ে জগন্নাথ ধরাধামে ভক্তকূলের মাঝে নেমে আসেন এবং জগৎ এর মঙ্গল করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Financial crisis in liver and heart treatment is Kalams desire to survive

লিভার ও হৃদরোগ চিকিৎসায় আর্থিক সংকট, কালামের বাঁচার আকুতি

লিভার ও হৃদরোগ চিকিৎসায় আর্থিক সংকট, কালামের বাঁচার আকুতি ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁ সদর উপজেলার খাস নওগাঁ মহল্লার বাসিন্দা কালাম হোসেন (৪১), পিতা মৃত মির বক্স। প্রায় এক বছর ধরে লিভার ও হৃদরোগে ভুগছেন তিনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার উন্নত চিকিৎসা জরুরি। তবে অর্থাভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে পারছেন না। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, বেকারত্ব ও আর্থিক সংকটে এখন মানবিক সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।

একসময় মাইক্রোবাস চালিয়ে সংসার চালাতেন কালাম হোসেন। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকে আর গাড়ি চালানোর মতো শারীরিক সক্ষমতা নেই। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন। শুধু ওষুধ কিনতেই প্রতি মাসে প্রায় ৬ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আশায় দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা হারান কালাম। পরে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের শেষ সম্বল প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতক জমি আপন ভাইয়ের কাছে বিক্রি করে দেন। বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে একটি টিনশেড ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালামের ঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও নেই বললেই চলে। আগামী দিনের খাবারের নিশ্চয়তাও নেই। তবুও সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। বর্তমানে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও কিছু মানবিক মানুষের সহায়তায় কোনোমতে চিকিৎসা ও সংসার চলছে।

কালাম হোসেন বলেন, আমি বাঁচতে চাই। সুস্থ হয়ে আবার কাজ করতে চাই। কিন্তু চিকিৎসার খরচ বহন করার সামর্থ্য নেই। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ যদি আমার পাশে দাঁড়ান, তাহলে হয়তো আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, লিখিত দরখাস্ত পেলে সমাজসেবাসহ তিনটি দপ্তরের পর্যালোচনায় তার রোগ অনুযায়ী সরকারি অনুদান দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে তার হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হবে।

মানবিক সহায়তা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা কালাম হোসেনের বিকাশ/নগদ নম্বর: ০১৭১৭-১৩৮৮০৮-এ যোগাযোগ বা আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন।

চিকিৎসার অর্থসংকটে প্রতিটি দিনই কালামের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত হলে হয়তো তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Divisional Commissioner in Sherpur to inspect the river erosion affected areas

শেরপুরে নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার

শেরপুরে নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলার নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। গত বুধবার (১৫ জুলাই) দিনব্যাপী সফরে তার সঙ্গে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জাহাঙ্গীর আলম, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল মালেক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সফরের শুরুতে বিভাগীয় কমিশনার নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। পরে তিনি চেল্লাখালী নদীর পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত ও নদীভাঙনকবলিত এলাকা, নালিতাবাড়ী থানা, পৌরসভা, উপজেলা ভূমি অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

উপজেলা পরিষদে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জনসেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বাড়ানো এবং স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন বিভাগীয় কমিশনার।

সফরকালে তিনি উত্তর নাকসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করেন। এ ছাড়া বিদ্যালয় ও উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পরে বিভাগীয় কমিশনার নকলা উপজেলার চরমধুয়া নামাপাড়া এলাকায় মৃগী নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের মাঝেও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় তিনি নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB raid at Keraniganj Regional Passport Office arrested 7

কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে র‍্যাবের অভিযান, গ্রেপ্তার ৭

কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে র‍্যাবের অভিযান, গ্রেপ্তার ৭ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের সাত সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১০)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‍্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে এবং র‍্যাব-১০ এর সদর কোম্পানির সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হানিফ (৪০), উসমান ফারুক মাহিম (২১), মো. রাতুল (২৪), সব্বির (২৫), মোরাদ (২৪), আবুল হাসান (৩৮) ও মো. আরমান (৪৫)।

র‍্যাব-১০ এর অধিনায়কের পক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি তপন সরকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে একটি দালাল চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সুবিধা আদায়ের আশায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও প্রতারণা করে আসছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ গ্রেপ্তারকৃতদের সাজা প্রদান করেন। আদালতের রায়ে হানিফ, উসমান ফারুক মাহিম, মো. রাতুল ও সব্বিরকে ২০ দিন করে, মোরাদ ও আবুল হাসানকে ১৫ দিন করে এবং মো. আরমানকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দালাল চক্রের তৎপরতা সেবা প্রত্যাশী সাধারণ মানুষের জন্য হয়রানি ও ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এসব চক্র সরকারি সেবার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার পাশাপাশি অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনস্বার্থে সরকারি দপ্তরগুলোতে দালাল চক্রের অপতৎপরতা বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে।’ একই সঙ্গে তিনি সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের দালালের আশ্রয় না নিয়ে নির্ধারিত নিয়মে সরকারি সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mithamain Upazila BNP president hacked to death 3 hired killers arrested

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, ৩ ভাড়াটে খুনি আটক

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, ৩ ভাড়াটে খুনি আটক অভিযুক্ত তিন ভাড়াটে খুনি - হেলাল, মহিন ও শাকিল। ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর (৫৮) নিজ বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, ঢাকা থেকে আসা ভাড়াটে খুনিরাই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত। তবে কারা পরিকল্পনা করেছে এবং কী উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন বরগুনার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন (২৫), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দুধরাজপুর গ্রামের মহিন উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামের শাকিল হোসেন ওরফে শাহীন (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন বাজারে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন জাহাঙ্গীর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়া। বাড়ির সামনে মোটরসাইকেল থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে ওঁত পেতে থাকা তিন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। বাধা দিতে গেলে হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।

চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে চাপাতিসহ হেলালকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে আটক করে পুলিশ।

গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর ও হাদিস মিয়াকে প্রথমে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্পিডবোটে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিহত জাহাঙ্গীরের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এশার নামাজের পর কিশোরগঞ্জ শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর মিঠামইন হেলিপ্যাডে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। জাহাঙ্গীরের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিয়া দাবি করেন, একটি প্রভাবশালী চক্র ভাড়াটে খুনি দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জানাজা ও দাফনের পর এ বিষয়ে দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল আওয়াল বলেন, স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে আটক হেলাল ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে বিভিন্নজনের কাছে শুনেছেন।

নিহতের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদও একই ধরনের তথ্য বিভিন্ন সূত্রে শুনেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এই নেতাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিঠামইন বেড়িবাঁধের প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পান। ওই ঘটনার পর বিএনপি তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছিল। গত ৫ জুলাই কেন্দ্রীয় কমিটি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে। এর ১১ দিনের মাথায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা হওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 fake nurse arrested in Shariatpur for trying to steal newborn baby

শরীয়তপুরে নবজাতক চুরি চেষ্টার অভিযোগে ১ ভুয়া নার্স আটক

শরীয়তপুরে নবজাতক চুরি চেষ্টার অভিযোগে ১ ভুয়া নার্স আটক ছবি: সংগৃহীত

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক পরিবারের সতর্কতা এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপে রক্ষা পেল এক নবজাতক। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের পুরাতন ভবনের একটি কেবিন থেকে এক ভুয়া নার্সকে আটক করা হয়েছে।

দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে পুরাতন ভবনের ২০২১ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন এক প্রসূতির কেবিনে সাদা অ্যাপ্রন পরা শারমিন বেগম (২৬) নামের এক নারী প্রবেশ করেন। তিনি নিজেকে নার্স দাবি করে মা ও শিশু ছাড়া বাকি সবাইকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এতে সন্দেহ হলে প্রসূতির স্বামী মিন্টু চৌকিদার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন, শারমিন নিজেকে নতুন যোগদান করা নার্স হিসেবে দাবি করে যা পরবর্তীতে বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়।

পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে ডিউটিরত আনসার সদস্য মোঃ কাওসার, মোঃ আজিজুল হক এবং পিসি মোঃ মুসলিম উদ্দিন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা ঐ ভুয়া নার্সকে আটক করেন। ইতোমধ্যে হাসপাতালের আসল নার্স এসে নিশ্চিত করেন যে শারমিন নামের ঐ নারী সেখানে কর্মরত নয়, সে ভুয়া নার্স।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মূলত নবজাতক শিশুটিকে চুরি করার উদ্দেশ্যেই ছদ্মবেশে ঘরে ঢুকে সবাইকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন শারমিন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, আনসার সদস্যরা আটক ঐ ভুয়া নার্সকে পালং থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও সেবাগ্রহীতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা তৎপর রয়েছে। শরীয়তপুরের এই ঘটনায় আনসার সদস্যদের সার্বক্ষণিক সতর্কতা ও নিষ্ঠা একটি পরিবারকে বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছে।

মন্তব্য

p
উপরে