শিক্ষক-শিক্ষার্থী জোকস

শিক্ষক-শিক্ষার্থী জোকস

ইতিহাস ক্লাসে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন, ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’ নিশি: স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!

শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর সম্পর্ক কখনও কখনও মজারও হয়। বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে এই জোকসগুলো পড়ে দেখো। পাঠিয়েছে আমাদের বন্ধু আরিফ মাহমুদ জকি।

১. শিক্ষক: পানিতে বাস করে এমন ৫টি প্রাণীর নাম বল?

ছাত্র: ব্যাঙ।

শিক্ষক: আর ৪টা?

ছাত্র: ব্যাঙের বাবা, মা, বোন আর দুলাভাই।

২. অন্যমনস্ক এক ছাত্রীকে স্যার বললেন, ‘এই মেয়ে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো ‘

মেয়েটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, ‘কে? আমি?’

শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

৩. শিক্ষক: বল্টু, বল সন্ধি কাকে বলে?

বল্টু: স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি।

শিক্ষক ভাবলেন, বল্টুর মতন পচা ছাত্র সন্ধির শেষেরটুকু পারলেও অনেক ভালো।’ তাই তিনি বললেন, ‘আচ্ছা শেষেরটুকুই বল ‘

বল্টু: স্যার, শেষেরটুকু হলো...তাকে সন্ধি বলে।

৪. ইতিহাস ক্লাসে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন, ‘বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?’

নিশি: স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!

স্যার: কে বলেছে বইয়ে নেই! এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫।

নিশি: ওমা! এটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ! আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন?

৫. শিক্ষক: বাতাস, নদী এবং পানি- এই তিনটির যেকোনো একটির ওপর ৩০ লাইন রচনা লিখ।

ছাত্র: কী বলছেন স্যার! আমি তো কাগজের ওপর ছাড়া অন্য কিছুর ওপর লিখতে পারি না।

আরিফ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প আঁকতে পারো ছবি। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
বাবা দিবসের জোকস
দুষ্টু ছাত্রের কৌতুক
দুটি কৌতুক
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

শেয়ার করুন

মন্তব্য