স্যারের চশমা হারিয়েছে

স্যারের চশমা হারিয়েছে

স্যারের চশমাটা হারিয়ে গেছে। কোথায় যে পড়েছে তিনি বুঝতেই পারছেন না।

গণিত ক্লাস চলছে।

কিন্তু ছোট্ট বন্ধুরা খুব দুষ্টু।

ক্লাস করার বদলে ওরা সবাই মজা করছে।

কেউ কাগজের বিমান বানিয়ে ওড়াচ্ছে।

কেউ পাশের জনের চুল টানছে।

একজন তো আরও দুষ্টু।

সে ঘুমিয়ে পড়েছে।

এদিকে স্যার রেগে আছেন।

কেন রেগে আছেন, জানো?

স্যারের চশমাটা হারিয়ে গেছে।

কোথায় যে পড়েছে তিনি বুঝতেই পারছেন না।

দুষ্টু বন্ধুরাও কেউ সাহায্য করছে না।

আচ্ছা, তুমি কি চশমাটা খুঁজে দিতে পারবে?

দাওনা খুঁজে?

চশমাটা পেলে স্যার খুব খুশি হবেন।

তাহলে তিনি সুন্দরভাবে ক্লাসটা নিতে পারবেন।

যারা চশমা খুঁজে পাবে, তাদের জন্য অভিনন্দন রইল।

আর যারা পাওনি, তারা নিচের ছবিটা দেখে না।

ওখানে চশমাটা চিহ্নিত করা আছে।

স্যারের চশমা হারিয়েছে

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা

গোপাল বলল, ‘তোর বাবা আর আমি খুব ভালো বন্ধু, বুঝলি? আমার নাম মাছি। কয়েকটা মিষ্টি খাই? তোর বাবা কিচ্ছু মনে করবে না।’

ভাঁড় অর্থ হলো যারা মজার মজার কথা বলে বা মজার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়।

গোপাল ভাঁড় ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।

১৭১০ সালের দিকে নদীয়া জেলার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাসদ ছিলেন গোপাল ভাঁড়।

রসবোধের জন্যে তার খ্যাতি ছিল। তার উপস্থিত বুদ্ধিও ছিল অনেক।

বুদ্ধির জোরে তিনি অনেক সমস্যার সমাধান করতেন।

আজ থাকছে তেমনই একটি ঘটনা।

গোপালের মিষ্টি খাওয়া

গোপাল এক দিন মিষ্টির দোকানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।

যাবার সময় দোকানের তাকে সাজানো মিষ্টি দেখে গোপালের খুব লোভ হলো।

এদিকে তার পকেটে নেই একটি পয়সাও।

গোপাল মনে মনে ভাবল, মিষ্টি খাবার জন্য কোনেআ একটা বুদ্ধি বের করতে হবে।

সে দোকানে ঢুকে দেখল, দোকানদারের ছোট ছেলেটি বসে আছে।

গোপাল জিজ্ঞেস করল, ‘কি রে, তোর বাবা কই?’

ছেলেটা বলল, ‘দোকানের পেছনে বিশ্রাম নিচ্ছে।’

গোপাল বলল, ‘তোর বাবা আর আমি খুব ভালো বন্ধু, বুঝলি? আমার নাম মাছি। কয়েকটা মিষ্টি খাই? তোর বাবা কিচ্ছু মনে করবে না।’

বলেই গোপাল টপাটপ মিষ্টি মুখে পুরতে শুরু করল।

চোখের নিমিষে মিষ্টি শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে ছেলে চেঁচিয়ে বলল, ‘বাবা, মাছি আমাদের সব মিষ্টি খেয়ে ফেলছে!’

শুনে পেছন থেকে ময়রা বলল, ‘আরে খেতে দে! চিন্তার কিছু নেই। মাছি আর কট্টুকু খাবে?’

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াতে দ্বিতীয় টলেমির রাজত্বকালে খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০ অব্দের দিকে লাইটহাউস বানানো হয়েছিল। উচ্চতা ছিল ৪৪০ ফুট।

সপ্তাশ্চর্য মানে হাচ্ছে সাতটি আশ্চর্য জিনিস। প্রাচীনকালে হেলেনীয় সভ্যতার পর্যটকরা পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য নামে তালিকা প্রকাশ করেন। তালিকায় সমসাময়িক পৃথিবীর মানুষের বানানো আশ্চর্যজনক স্থাপনাগুলোর নাম ছিল। চলো দেখে নেই স্থাপনাগুলো কী কী।

মিশরের পিরামিড

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

ফারাও (সম্রাট) খুফু মিশরের গিজায় নীলনদের পশ্চিম পারে, খ্রিষ্টপূর্ব ২৫৭৫ এবং ২৪৬৭ অব্দের মাঝামাঝি সময়ে গ্রেট পিরামিড বা মহাপিরামিড তৈরি করেন। তিনটি পিরামিডের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়।

ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

আনুমানিক ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রাজা দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার তৈরি করেন বিভিন্ন তলাযুক্ত অতিকায় এক বাগান। এখন যেখানে ইরাক-ব্যাবিলন ছিল, সেখানে।

আর্তেমিসের মন্দির

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫৬ অব্দে শিকার আর ফসলের দেবী আর্তেমিসকে উৎসর্গ করে ৩৪২ ফুট বাই ১৬৪ ফুট আকারের এই মন্দিরটি বানানো হয়। ১২৭টি ৬০ ফুট লম্বা পিলারের ওপর দাঁড়ানো ছিল এটি। যেখানে এটি বানানো হয়, সেই ইফেসাস নগরী বর্তমানে তুরস্কের অন্তর্গত।

অলিম্পিয়ার জিউসের মূর্তি

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

জিউস হলেন গ্রিক দেবতাদের প্রধান। খ্রিষ্ট পূর্ব ৫০০ অব্দের কোনো একসময়ে ফিডিয়াস নামের একজন গ্রিক ভাস্কর তার স্মরণে এটি তৈরি করেন। এই মূর্তি বানাতে ব্যবহার করা হয়েছিল হাতির দাঁত আর স্বর্ণ। এটি ৪০ ফুট উঁচু ছিল।

হ্যালিকারনেসাসের সমাধি

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

৩৫৩ থেকে ৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে প্রাচীন হ্যালিকারনেসাসে রাজা মোসোলাসের মৃত্যুর পর তার স্মরণে অতিকায় এই সমাধি মন্দিরটি তৈরি করে রানী আর্তেমেসিয়া।

রোডসের মূর্তি

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

গ্রিক সূর্যদেবতা হিলিয়সের মূর্তি বানানো হয়েছিল ব্রোঞ্জ দিয়ে। ২৮০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে গ্রিসের দ্বীপ রোড্‌স-কে পাহারা দেয়ার জন্য বানানো হয়েছিল হিলিয়সের মূর্তি। রোড্‌স দ্বীপের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে ছিল সে। লম্বায় ছিল ১০৫ ফুট।

আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর

প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য

মিশরের আলেকজান্দ্রিয়াতে দ্বিতীয় টলেমির রাজত্বকালে খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০ অব্দের দিকে এই লাইটহাউস বানানো হয়েছিল। উচ্চতা ছিল ৪৪০ ফুট, যা ৪০ তলা ভবনের সমান। গভীর সমুদ্রে চলাচলকারী জাহাজগুলোর পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করত এটি।

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

প্যালারামের ছড়া

প্যালারামের ছড়া

খুশি হয়ে দিয়ে পায় শেষে করি হায় হায়

শখ করে এনে দাদা পুঁতেছিনু ওল
গিন্নি দিয়েছে রেঁধে তাই দিয়ে ঝোল।
এক গ্রাস খাওয়া যেই
আমি আর আমি নেই
চক্ষের নিমেষেই গাল গলা ঢোল।

আগ্রায় গিয়ে আমি হয়ে যাই তাগড়া
তাড়াতাড়ি কিনে ফেলি ইয়া এক নাগরা
খুশি হয়ে দিয়ে পায়
শেষে করি হায় হায়
ভিতরে কাঁকড়া বিছে

কী দারুণ বাগড়া।

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

জার্সি পরা প্রজাপতি

জার্সি পরা প্রজাপতি

আজ এমন একটা প্রজাপতির কথা বলব, যে এমনিতে খেলাধুলা না করলেও সব সময় জার্সি পরেই থাকে। ওর জার্সি নম্বর ৮৮

সাকিব আল হাসানের খেলা দেখেছ?

যখন সে খেলতে নামে, তখন সে জার্সি পরে।

তার জার্সি নম্বর ৭৫।

মেসি-নেইমার ওরা ফুটবল খেলে জার্সি পরে।

দুজনের জাতীয় দলের জার্সি নম্বর ১০।

আজ এমন একটি প্রজাপতির কথা বলব, যে এমনিতে খেলাধুলা না করলেও সব সময় জার্সি পরেই থাকে।

ওদের বেশির ভাগের জার্সি নম্বর ৮৮। তবে কেউ কেউ ৮৯ এবং ৯৮ নম্বরের জার্সিও পরে।

জার্সি পরা প্রজাপতি

‘আন্নার ৮৮’ নামের এই প্রজাপতি পাওয়া যায় মধ্য আমেরিকায়।

এর ডানার সামনের অংশে দেয়া লাল রং দেখলে মনে হয়, কেউ তুলির আচড়ে রংটা মাখিয়ে দিয়েছে।

ডানার পেছনের অংশে আছে সাদার উপরে কালো রেখা।

জার্সি পরা প্রজাপতি

মাঝখানে সাদার ওপর কালো রঙে ইংরেজিতে নম্বরগুলো লেখা থাকে।

মনে মনে হয়তো ভাবছ, ইংরেজিতে নম্বরটা না লিখে বাংলায় লিখলেও তো পারত।

আসলে হয়েছে কী, জার্সি নম্বর সাধারণত ইংরেজিতেই লেখা থাকে।

তাই হয়তো ওদের নম্বরটাও ইংরেজিতে দেয়া আছে।

এরা পচা জিনিস ছাড়া খেতেই পারে না।

জার্সি পরা প্রজাপতি

এমনিতে এরা পচা ফলের রস খায়।

অনেক সময় গোবরের রস খেতেও দেখা যায়।

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

১০টি পার্থক্য বের করো

১০টি পার্থক্য বের করো

মিটিংয়ে উপস্থিত আছে মাকড়সা, প্রজাপতি, ভ্রমর, ঘাসফড়িং, পিঁপড়াসহ আরও অনেকে। সবার একটাই দাবি- তোমাদের মতো ওরাও স্কুলে যেতে চায়।

বনের পোকামাকড়দের মিটিং চলছে।

মিটিংয়ে উপস্থিত আছে মাকড়সা, প্রজাপতি, ভ্রমর, ঘাসফড়িং, পিঁপড়াসহ আরও অনেকে।

সবার একটাই দাবি!

তোমাদের মতো ওরাও স্কুলে যেতে চায়।

বই পড়া শিখতে চায়, বই লিখতে চায়।

নিচে সেই মিটিংয়ের দুটি ছবি দেখতে পাচ্ছ।

ছবি দুটি আপাতত একই রকম মনে হলেও এদের মধ্যে ১০টি পার্থক্য আছে।

১০টি পার্থক্য বের করো

১০টি পার্থক্য বের করো

তোমার কাজ হচ্ছে পার্থক্যগুলো খুঁজে বের করা।

তাহলে দেরি না করে খোঁজ শুরু করে দাও।

সময় মাত্র ৩ মিনিট।

সময় শেষ হলে নিচের ছবি দেয়া উত্তরের সঙ্গে তোমার উত্তরগুলো মিলিয়ে নাও।

১০টি পার্থক্য বের করো

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

বড়োদের অধিকারে

বড়োদের অধিকারে

দূষণের উল্লাস, ধুলোদের সুখ বিরক্তি, হাঁচিমাখা কাশি খুকখুক।

এ শহর বড়োদের; ছোটোদের নয়

যানজট, কোলাহল, সংঘাত, ভয়।

শব্দের আহাজারি, রড, বালু, ইট

মাথাঘোরা, মনপোড়া, রাগ খিটমিট।

দূষণের উল্লাস, ধুলোদের সুখ

বিরক্তি, হাঁচিমাখা কাশি খুকখুক।

শোকাতুর মাঠগুলো নেই কোনো ঘাস

রোবটিক চলাফেরা, রোবটিক শ্বাস।

পড়াশোনা কড়া শোনা, টেনশন, জব

বড়োদের অধিকারে শহরটা সব।

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন

হরেক রকম মাকড়সার জাল

হরেক রকম মাকড়সার জাল

বিজ্ঞানীরা এই পর্যন্ত ৩৭,২৯৬ ধরনের মাকড়সার খোঁজ পেয়েছেন। একেক ধরনের মাকড়সার জাল একেক রকম।

আজ তোমাদের পরিচয় করিয়ে দেব মাকড়সার জালের সঙ্গে।

মানুষ যেমন জাল দিয়ে মাছ ধরে, মাকড়সা তেমনি জাল দিয়ে পোকা ধরে।

পোকার আনাগোনা যেখানে বেশি, মাকড়সা সেখানে জাল বুনে অপেক্ষা করতে থাকে।

সেই জালে কোনো পোকা পড়লেই জড়িয়ে যায়।

এই সুযোগে মাকড়সা এসে শিকারকে ধরে ফেলে।

বিজ্ঞানীরা এ পর্যন্ত ৩৭ হাজার ২৯৬ ধরনের মাকড়সার খোঁজ পেয়েছেন।

একেক ধরনের মাকড়সার জাল একেক রকম।

চলো, আজ সুন্দর কিছু মাকড়সার জাল দেখে নিই।

হরেক রকম মাকড়সার জাল
আরজিওপ মাকড়সার জাল দেখে নাও।

হরেক রকম মাকড়সার জাল
এই জালটি বুনেছে অর্ব ওয়েবস মাকড়সা।

হরেক রকম মাকড়সার জাল
এটা গোল্ডেন অর্ব ওয়েভার মাকড়সার জাল।

হরেক রকম মাকড়সার জাল
সেন্ট এন্ড্র্যু ক্রস মাকড়সার জাল।

হরেক রকম মাকড়সার জাল
অগ্রে-ফেইসড মাকড়শা তার পায়ে জাল বানায়।

আরও পড়ুন:
শব্দগুলো খুঁজে বের করো
মহাকাশচারীকে পথ দেখাও
ধাঁধা আর ধাঁধা
পাঁচটি পার্থক্য বের করো
লুকানো সাপের খোঁজে

শেয়ার করুন