× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

কিড জোন
ঘরে এলো মেঘ বৃষ্টি রোদ
hear-news
player
print-icon

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

ঘরে-এল-মেঘ-বৃষ্টি-রোদ
প্লেট শুকিয়ে গেলে ওটাকে কাঁচি দিয়ে ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে, সেভাবে কেটে নাও। এটাই কিছুক্ষণ পর সূর্য হয়ে আমাদের আলো দেবে।

ইদানীং কখনও মেঘ, কখনও বৃষ্টি আবার কখনওবা রোদের দেখা পাওয়া যায়। আমরা আজ সেই মেঘ, বৃষ্টি, রোদকে ঘরে নিয়ে আসব। সে জন্য আমাদের কিছু জিনিস লাগবে।

যা যা লাগবে

১. নীল ও সাদা কাগজ।

২. তুলা।

৩. কাগজের প্লেট।

৪. হলুদ রং।

৫. আঠা।

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

৬. স্বচ্ছ টেপ।

৭. কাঁচি।

৮. সুতা।

৯. রং করার তুলি।

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

কাঁচি দিয়ে সাদা কাগজটাকে মেঘের আকারে কেটে নাও। নীল কাগজটাকে কেটে অনেক পানির ফোঁটা বানাও। ১০ ইঞ্চি আকারের কমপক্ষে ৪টি সুতার টুকরা নিয়ে নাও। স্বচ্ছ টেপ ব্যবহার করে ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবে মেঘ, সুতা এবং পানির ফোঁটা জুড়ে দাও।

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

কাগজের প্লেটটাকে হলুদ রং করতে হবে। এ জন্য তুলি ব্যবহার করো। রং শুকানোর জন্য প্লেটটাকে কিছুক্ষণ রোদে রেখে দাও।

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

প্লেট শুকিয়ে গেলে ওটাকে কাঁচি দিয়ে ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে, সেভাবে কেটে নাও। এটাই কিছুক্ষণ পর সূর্য হয়ে আমাদের আলো দেবে।

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

কাগজের সূর্যটাকে মেঘের পেছনে আঠা দিয়ে জুড়ে দাও। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল আমাদের মেঘ, বৃষ্টি, রোদ।

ঘরে এল মেঘ বৃষ্টি রোদ

এবার এটাকে কালো বোর্ডে লাগিয়ে তোমার শোয়ার ঘরে টানিয়ে নাও।

আরও পড়ুন:
কাগজের সিংহ
তরমুজের ড্রাগন
ডিমের খোসায় খুদে টব
বাইনোকুলার লাগবে?
বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর

মন্তব্য

পরিদর্শক

পরিদর্শক
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

স্কুলে পরিদর্শক এসেছেন। ছাত্রদের মেধা যাচাই করতে ক্লাসে ঢুকে তিনি প্রশ্ন করলেন-

পরিদর্শক: আচ্ছা বলো তো, টুইন টাওয়ার কে ভেঙেছিল?

ছাত্ররা: আমরা ভাঙিনি স্যার।

পাশে দাঁড়ানো শিক্ষক: স্যার, যে-ই ভেঙে থাকুক, ফাজিলের দল স্বীকার করবে না।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
উপদেশ
ভালো কাজ
গুন্ডাগিরি
সাইনবোর্ড
পরীক্ষার রেজাল্ট

মন্তব্য

কিড জোন
giant animal

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি
ফটোশপ অ্যাপস ব্যবহার করে একদল শিল্পী এ কাজটাই করেছেন। বড় করে ফেলেছেন হাঁস, বিড়াল, জিরাফসহ আরও অনেক পশুপাখিকে।

আমাদের পরিচিত পশুপাখিগুলো যদি হঠাৎ করে আকারে অনেক বড় হয়ে যায়, তাহলে কেমন হবে?

নিশ্চয়ই ব্যাপারটা খুব অদ্ভুত হবে, তাই না।

ফটোশপ অ্যাপস ব্যবহার করে একদল শিল্পী এ কাজটাই করেছেন। বড় করে ফেলেছেন হাঁস, বিড়াল, জিরাফসহ আরও অনেক পশুপাখিকে। চলো তাদের ছবিগুলো দেখে নিই।

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

বিশালাকার পশুপাখি

আরও পড়ুন:
ফুরলানি চাচ্চুর পাথরের পশুপাখি
দু-পেয়ে প্রাণী
হাইপার রিয়েলিস্টিক চিত্রকর্ম
কাছ থেকে দেখা
ফল ও সবজির আর্ট

মন্তব্য

কিড জোন
One day in class

ক্লাসে এক দিন

ক্লাসে এক দিন
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

শিক্ষক: মনে করো সাগরের মাঝখানে একটা লেবুগাছ। তুমি কীভাবে সেই গাছ থেকে লেবু পেড়ে আনবে?

বনি: পাখি হয়ে উড়ে যাব স্যার! তারপর লেবু পেড়ে আনব।

শিক্ষক: কী উল্টোপাল্টা বলছিস! মানুষ কখনো পাখি হয় নাকি?

বনি: উল্টোপাল্টা কথা তো আপনিই শুরু করলেন স্যার। আগে বলুন, সাগরের মাঝখানে লেবুগাছ হয় নাকি?

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
উপদেশ
ভালো কাজ
গুন্ডাগিরি
সাইনবোর্ড
পরীক্ষার রেজাল্ট

মন্তব্য

কিড জোন
Learn about Mars

মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে জেনে নাও

মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে জেনে নাও পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহ
মঙ্গল গ্রহে ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটে এক দিন হয়। এক বছর হতে পৃথিবীর ৬৮৭ দিন সময় লাগে।

১. সৌরজগতের চতুর্থ গ্রহের নাম মঙ্গল গ্রহ। ইংরেজিতে এর নাম মার্স। রোমান যুদ্ধের দেবীর নাম অনুসারে এই নাম রাখা হয়েছে।

২. মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহও বলা হয়। কারণ এটা দেখতে লাল। মঙ্গলের মাটিতে আয়রন অক্সাইড নামের পদার্থ থাকার কারণে এটাকে লাল দেখায়।

মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে জেনে নাও
মঙ্গল গ্রহ দেখতে লাল রঙের।

৩. আকারের দিক থেকে মঙ্গল সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ। সবচেয়ে ক্ষুদ্র গ্রহের নাম বুধ। মঙ্গলের ব্যাস প্রায় ৬ হাজার ৭৯১ কিলোমিটার। এটা আকারে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক।

৪. মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। বিষুব রেখায় তাপমাত্র ২০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উঠলেও মেরু অঞ্চলে তাপমাত্রা থাকে সাধারণত মাইনাস ১৪০ ডিগ্রি।

৫. সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্বত আছে মঙ্গলে। এর অলিম্পাস মন্স পর্বতটি আমাদের এভারেস্ট পর্বতের চেয়ে তিন গুণ উঁচু।

মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে জেনে নাও
অলিম্পাস মন্স পর্বত

৬. মঙ্গলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর চেয়ে তিন গুণ কম। তাই পৃথিবীতে লাফ দিয়ে তুমি যতটুকু উঁচুতে উঠতে পারো, মঙ্গলে তার চেয়ে তিনগুণ বেশি উচ্চতায় উঠতে পারবে।

৭. পৃথিবীর চাঁদ একটি, কিন্তু মঙ্গল গ্রহের চাঁদ দুটি। ওদের নাম ফোবোস ও ডিমোস।

মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে জেনে নাও
মঙ্গল গ্রহের দুটি চাঁদ, ফোবোস ও ডিমোস।

৮. মঙ্গল গ্রহে ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটে এক দিন হয়। এক বছর হতে পৃথিবীর ৬৮৭ দিন সময় লাগে।

৯. মঙ্গল গ্রহের বাতাস পৃথিবীর চেয়ে হালকা। ওখানকার বাতাসে অক্সিজেন নেই বললেই চলে। তার বদলে আছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ও আর্গন। পৃথিবীর মতো মঙ্গল গ্রহেও ঋতু পরিবর্তন হয়।

আরও পড়ুন:
মঙ্গলে সূর্যগ্রহণ দেখল ‘পারসিভারেন্স’
মঙ্গলে ডেল্টার অস্তিত্ব পেল অধ্যবসায়

মন্তব্য

পড়াশোনা

পড়াশোনা
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ছেলে: জানো বাবা, গতকাল না আমি রাত ২টা পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি।

বাবা: মিথ্যা কথা বলছ কেন? গতকাল রাত ১২টা থেকে তো লোডশেডিং ছিল।

ছেলে: ওহ, তাই না কি! আসলে আমি পড়াশোনায় এতই মনোযোগী ছিলাম যে টেরই পাইনি।

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
উপদেশ
ভালো কাজ
গুন্ডাগিরি
সাইনবোর্ড
পরীক্ষার রেজাল্ট

মন্তব্য

বুদ্ধিমান বাবা

বুদ্ধিমান বাবা
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

বাবা: সব কিছুতে তর্ক করিস না। আমি কি তোর থেকে কম জানি?

ছেলে: বাবারা কি সব কিছুই ছেলের থেকে বেশি জানেন?

বাবা: অবশ্যই।

ছেলে: বলো তো, মাধ্যাকর্ষণ কে আবিষ্কার করছিল?

বাবা: নিউটন।

ছেলে: তাহলে নিউটনের বাবা ওটা আবিষ্কার করতে পারেননি কেন?

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
উপদেশ
ভালো কাজ
গুন্ডাগিরি
সাইনবোর্ড
পরীক্ষার রেজাল্ট

মন্তব্য

কিড জোন
I and the train

আমি ও রেলগাড়ি

আমি ও রেলগাড়ি
বন্ধুরা, তোমরাও ছবি ছড়া লিখতে পারো, তবে পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। ঠিকানা: [email protected]

রেলগাড়ি কই যাবে?

থামো দেখি ফের।

থামব না থামব না

কাজ আছে ঢের।

-

কই যাবে রেলগাড়ি

দূরে কতদূর?

যাব আজ ঢাকা হতে

ওই রংপুর।

-

লোকজন ঢের আছে

সময় তো নাই

যাই তবে আজ। পরে

কথা হবে ভাই।

-

যাও তবে রেলগাড়ি

সাবধানে যেও,

পরে যদি আসো তুমি

আমাকেও নিয়ো।

-

ছড়াটি পাঠিয়েছে ফকিরপাড়া, দিনাজপুর থেকে আমাদের বন্ধু শাকিব হুসাইন।

বন্ধুরা, তোমরাও ছবি ছড়া লিখতে পারো, তবে পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। ঠিকানা: [email protected]

মন্তব্য

p
উপরে