সিরকো আর তার নেকড়ে বন্ধু

সিরকো আর তার নেকড়ে বন্ধু

ইউক্রেনের উপকথা

রাগে-ভয়ে অস্থির অতিথিদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করে মনিব বলে, ‘সবাই শান্ত হন। কেউ নেকড়েকে মারতে যাবেন না, তাতে সিরকোর পিঠেই ঘা পড়ার আশঙ্কা আছে। বদের হাড্ডি নেকড়েকে শায়েস্তা করতে সিরকো একাই যথেষ্ট।’

গ্রামে এক লোক বউ, ছেলেমেয়ে নিয়ে বাস করত। তার সাথে থাকত সিরকো নামের এক কুকুর। সিরকো অনেক বছর ধরে তার মনিবের সাথে আছে। বয়সের ভারে সে এখন আগের মতো বাড়ি পাহারা দিতে পারে না। কাজ করতে না পারার শাস্তি হিসেবে একদিন সিরকোকে মনিব দিল বাড়ি থেকে বের করে।

‘কত্তগুলো বছর আমি মনিবের খেদমত করেছি। এখন আমার বয়স হয়েছে। দয়ামায়ার ধার না ধেরে, মনিব আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল! মানুষ এত্ত নিষ্ঠুর!’

এসব ভাবতে ভাবতে আপন মনে সিরকো পথ চলছিল। হঠাৎ কোত্থেকে এক নেকড়ে তার সামনে এসে দাঁড়াল।

‘বলি এভাবে ঘোরাফেরা করছো, তোমার কাহিনিটা কী বলো দেখি বাপু।’ কৌতূহল নিয়ে নেকড়েটা সিরকোর কাছে এগিয়ে এলো। হাজার হোক জ্ঞাতিসম্পর্কীয় হালকা-পাতলা একটা আত্মীয়তা তো আছে কুকুর জাতটার সাথে। হয়তো সেটার তাগিদেই সিরকোকে অনেকক্ষণ ধরে এলোপাতাড়ি ঘুরতে দেখে নেকড়ের কেমন একটু মায়াই হয়।

‘আমি আর কাজে লাগছি না দেখে মনিব আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আমার কোত্থাও যাওয়ার নেই।’ দুঃখী দুঃখী গলায় উত্তর দিল সিরকো।

শুনে নেকড়ের মনটা খারাপ হয়ে গেল, ‘আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি। যেভাবে বলব সেভাবে যদি কাজটা করতে পারো তবে নিশ্চিত থাকো, মনিব তোমাকে আবারও বাড়িতে আশ্রয় দেবে।’

‘দয়া করো নেকড়ে ভায়া! আমাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধারের পথ বাতলে দাও।’ সিরকো প্রায় কেঁদে কঁকিয়ে উঠল, ‘এ উপকারটা করলে বিনিময়ে আমিও প্রতিদান দেবার চেষ্টা করব।’

‘বেশ, শোন মন দিয়ে। শিগগিরই ফসল তোলার জন্য তোমার মনিব আর তার স্ত্রী মাঠে যাবে। স্বামীর কাজে সাহায্য করতে মনিবের স্ত্রীও তাদের বাচ্চাটাকে খড়ের গাদায় ঘুম পাড়িয়ে রাখবে। তোমাকে কিন্তু বাচ্চাটার আশপাশেই ঘাপটি দিয়ে থাকতে হবে, যেন আমার বুঝতে সুবিধা হয় বাচ্চাটা ঠিক কোথায় ঘুমোচ্ছে। মনিব আর তার স্ত্রীর ব্যস্ততার সুযোগে আমি সেখানে গিয়ে বাচ্চাটাকে খপ করে মুখে তুলে নেব। তুমি তখন আড়াল থেকে বেরিয়ে বাচ্চাটাকে আমার মুখ থেকে কেড়ে নেবার চেষ্টা করবে। আমাকে একটু ভয় দেখাবার ভান ধরবে। আমিও ভয় পেয়েছি এমন একটা ভান করে মুখ থেকে বাচ্চাটিকে ফেলে পালিয়ে যাব।‘

মাঠের ফসল পেকে উঠলে যথাসময়ে সিরকোর মনিব বউ-বাচ্চা নিয়ে মাঠে গেল। মাঠের কাছাকাছি জায়গায় বাচ্চাটাকে ঘুম পাড়িয়ে ফসল তোলার কাজে স্বামীকে সাহায্য করতে শুরু করল স্ত্রী।

ওদিকে নেকড়ের কথামতো খড়ের গাদার ওপাশে ঘাপটি মেরে থাকা সিরকোর উঁকি দেয়া কান দেখে নেকড়ের বুঝে নিতে দেরি হলো না বাচ্চাটা কোথায়। ফন্দি মাফিক নেকড়ে সেখানে গিয়ে বাচ্চাটিকে তুলে দিল দৌড়। নেকড়ের পিছু পিছু ঘেউ ঘেউ করতে করতে সিরকোও ছুটল। এমন ভয়ংকর কাণ্ড দেখে মনিব সব ভুলে সিরকোকে উদ্দেশ করে বলে উঠল, ‘ধর ওকে সিরকো!’

সিরকো ছুটে গিয়ে নেকড়ের মুখ থেকে বাচ্চাটিকে ছিনিয়ে নিয়ে মনিবকে ফিরিয়ে দিল। কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে মনিব সিরকোকে এক টুকরো রুটি আর গোশত খেতে দিল। সন্ধ্যায় বাড়ির পথে রওনা দেয়ার সময় সিরকোকেও সঙ্গে নিয়ে নিল।

বাড়ি ফিরেই মনিব সিরকোকে গরম গরম খাবার দিল। সেই খাবার হুড়োহুড়ি করে খেতে গিয়ে সিরকোর জিভ গেল পুড়ে। সবাই সেটা নিয়ে হাসাহাসি করল।

বাচ্চাকে বাঁচানোর পুরস্কারস্বরূপ সিরকো আবার মনিবের বাড়িতে আশ্রয় পেল। বন্ধু নেকড়ের জন্যই এটা সম্ভব হয়েছিল, সে কথাটা সিরকো ভুলে যায়নি। কীভাবে বন্ধুর উপকারের প্রতিদান দেয়া যায় সেটা নিয়ে সে ভাবতে লাগল।

মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে দারুণ সব খাবারের অয়োজন হয় একদিন। সিরকো মাঠে গিয়ে নেকড়েকে দাওয়াত দিয়ে আসে, ‘শোনো ভাই, আগামী রোববার সন্ধ্যায় তুমি আমাদের সবজিবাগানে এসে ঘাপটি দিয়ে বসে থেকো। সময়মতো এসে তোমাকে চুপিচুপি ভেতর বাড়িতে নিয়ে যাব। খাসা আয়োজন হয়েছে খাওয়াদাওয়ার। কবজি ডুবিয়ে খেয়ো ভায়া! ভরপেট খাইয়ে তোমার দয়ার প্রতিদান দিতে পারব আশা করি। ‘

সিরকোর কথামতো বিয়ের দিন সবজিবাগানে ঘাপটি মেরে বসে থাকে নেকড়ে। সিরকো সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে চুপিচুপি নেকড়েকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসে। তারপর টেবিলের তলায় লুকিয়ে রাখে। অতিথিদের জন্য সাজিয়ে রাখা মজাদার সব খাবার থেকে কিছু খাবার নিয়ে টেবিলের তলায় লুকিয়ে থাকা নেকড়েকে দেয়।

অল্প সময়ের মধ্যেই নেকড়ে গপাগপ সাবাড় করে ফেলে। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরকো আবারও খাবার নিয়ে আসে। আবারও সে গপাগপ করে সবটা খেয়ে ফেলে। নেকড়েকে খাবার জোগাতে গিয়ে একপর্যায়ে সিরকোর পিঠেই অতিথিদের পিটুনি পড়তে যাচ্ছিল।

মনিব সেটা দেখে তাদের বিরত করে বলে, ‘দয়া করে ওকে কেউ মারবেন না। আমার বাচ্চাটাকে নেকড়ের মুখ থেকে বাঁচিয়ে সিরকো আমাদের কৃতজ্ঞতায় বেঁধে ফেলেছে। ওকে এ পরিবারেরই একজন সদস্য হিসেবে দেখার অনুরোধ থাকল সবার প্রতি।’

মনিবের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো খাবার চাখার অনুমতি পেয়ে সিরকোর তো পোয়াবারো। সে ভালো ভালো গোশতের টুকরো, পিঠা, কেক, মিষ্টি সমানে টেবিলের তলায় চালান দিতে থাকল। এত এত খেয়ে নেকড়েটার শুধু পেটই ভরে উঠল না, মনটাও খুশিতে বাগবাগ হয়ে গেল। খুব খুশিতে থাকলে নেকড়ের আবার গান গাইবার ঝোঁক চাপে।

যেই না নেকড়ে সুর তুলেছে, সুরের বদলে তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসা বেসুরো চিৎকারে অতিথিরা চমকে ওঠে। আতঙ্ক নিয়ে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। অনেকেই নেকড়েকে মারবে বলে লাঠিসোটা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। মতিগতি সুবিধার না দেখে সিরকো নিজেই লাফ দিয়ে নেকড়ের ওপর গিয়ে পড়ে। ভাবখানা তার এমন যে ব্যাটাকে আজ মেরে আর আস্ত রাখবে না!

ওদিকে রাগে-ভয়ে অস্থির অতিথিদের শান্ত হবার অনুরোধ করে মনিব বলে, ‘সবাই শান্ত হন। কেউ নেকড়েকে মারতে যাবেন না, তাতে সিরকোর পিঠেই ঘা পড়ার আশঙ্কা আছে। বদের হাড্ডি নেকড়েকে শায়েস্তা করতে সিরকো একাই যথেষ্ট।’

সিরকো নেকড়েকে টানতে টানতে মাঠে নিয়ে গেল। বলল, ‘একবার তুমি আমার উপকার করেছিলে। আজ সেই উপকারের প্রতিদান দিলাম বন্ধু। তুমি পালাও জলদি।’

এরপর, দুই বন্ধু একে অন্যকে বিদায় জানিয়ে আলো ঝলমল বিয়েবাড়ির দিকে একজন, অন্যজন মাঠ পেরিয়ে দূরের বনের দিকে হাঁটা দেয়।

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অনীশের বৃষ্টিবিলাস

অনীশের বৃষ্টিবিলাস

অনীশকে নিয়ে কমিকস এঁকেছে আমাদের বন্ধু হিভা রহমান।

এখন বর্ষাকাল।

যখন-তখন আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে এই সময়ে।

বৃষ্টির সঙ্গে থাকে ঝোড়ো বাতাস।

তেমনই একটা দিনে দুষ্টু অনীশ কী করল জানতে আজকের কমিকসটা পড়ে দেখ।

অনীশকে নিয়ে কমিকস এঁকেছে আমাদের বন্ধু হিভা রহমান।

হিভা মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও হিভার মতো কমিকস এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

তাহলে চলো, দুষ্টু অনীশ কী করল দেখে নিই।

অনীশের বৃষ্টিবিলাস

অনীশের বৃষ্টিবিলাস

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

পনিরের কাছে নিয়ে চল

পনিরের কাছে নিয়ে চল

সমস্যা হচ্ছে পনির কোথায় ইঁদুরটা ঠিক জানে না। তোমরা কি ওকে পথ দেখিয়ে পনিরের কাছে নিয়ে যেতে পারবে?

ইঁদুরটার ক্ষিধে পেয়েছে।

ওদিকে বাসায় খাবার নেই।

কী করবে ভেবে পাচ্ছে না।

হঠাৎ সে বাইরে এল।

তখনই তার নাকে লাগল পনিরের ঘ্রাণ।

মহূর্তেই মনটা খুশিতে ভরে উঠল।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে পনিরটা কোথায় ও ঠিক জানে না।

তোমরা কি ওকে পথ দেখিয়ে পনিরের কাছে নিয়ে যেতে পারবে?

আমার মনে হয় পারবে।

তাহলে দেরি না করে পথ দেখানো শুরু কর।

যারা পথ দেখাতে পারবে না, তারা নিচের ছবিটা দেখ।

ওখানে পনিরের কাছে যাবার পথ দেখানো আছে।

পনিরের কাছে নিয়ে চল

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

সানজিদার রঙিন মাছ

সানজিদার রঙিন মাছ

মনে হয় আজ ওর স্কুলে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতা হচ্ছে। সেখানে অংশ নিচ্ছে মাছটা।

খুব সুন্দর একটা মাছ এঁকেছে আমাদের বন্ধু সানজিদা নাহার।

নানা রং দিয়ে সেজেছে সে।

কেন সেজেছে?

মনে হয় আজ ওর স্কুলে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতা হচ্ছে।

সেখানে অংশ নিচ্ছে মাছটা।

আমার মনে হচ্ছে সেখানে মাছটা অবশ্যই প্রথম পুরস্কার পাবে।

তোমার কী মনে হচ্ছে?

চমৎকার রঙিন মাছটা আঁকার জন্য সানজিদাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

তোমরাও তো সানজিদার মতো সুন্দর সুন্দর ছবি আঁকতে পারো।

সেই ছবিগুলো আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিলে আমরা সেটা প্রকাশ করব।

তাহলে দেরি কেন?

তোমাদের আঁকা ছবিগুলো পাঠিয়ে দাও আমাদের কাছে। এ ছাড়া ছড়া, গল্প, কমিক, জোক লিখেও পাঠাতে পারো। লেখার বা আঁকার সঙ্গে তোমার নাম, ক্লাস, স্কুলের নাম এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দিতে কিন্তু ভুলবে না।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

ইঁদুরটাকে খুঁজে বের করো

ইঁদুরটাকে খুঁজে বের করো

আরও বিস্কুট খেয়ে ফেলার আগে ইঁদুরটাকে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

খুব সুন্দর একটা রান্নাঘর দেখতে পাচ্ছ তোমরা।

খালামণি বিস্কুট বানিয়ে রেখেছেন।

জুসও বানানো আছে।

একটু পরেই টেবিলে পরিবেশন করা হবে।

ওদিকে জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে নীল আকাশ।

কিছু গাছপালাও দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, একটা দুষ্টু ইঁদুর প্লেট থেকে একটা বিস্কুট নিয়ে গেছে।

রান্নাঘরের কোথাও লুকিয়ে লুকিয়ে খাচ্ছে সে।

আরও বিস্কুট খেয়ে ফেলার আগে ইঁদুরটাকে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

তাহলে দেরি না করে খোঁজ শুরু করে দাও।

যারা খুঁজে পাবে, তাদের জন্য অভিনন্দন রইল।

আর যারা পাওনি, তারা নিচের ছবিটা দেখে না।

ওখানে দুষ্টু ইঁদুরটাকে চিহ্নিত করা আছে।

ইঁদুরটাকে খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণি বার্গার, চিকেন ফ্রাই, জুস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসহ নানা রকম খাবারের আংটি বানিয়েছেন।

তোমরা যারা খেতে ভালোবাসো তাদের জন্য সোফিয়া মোলনার খালামণি বানিয়েছেন দারুণ কিছু আংটি।

তিনি এগুলোর নাম দিয়েছেন ‘খাবার আংটি’।

কারণ সবগুলো আংটিতেই রয়েছে তোমাদের পছন্দের খাবার।

বার্গার, চিকেন ফ্রাই, জুস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসহ নানা রকম খাবারের আংটি বানিয়েছেন তিনি।

প্লাস্টিক দিয়ে বানানো আংটিগুলো খুব সুন্দর।

সোফিয়া খালামণি কানাডার নাগরিক হলেও এখন থাকেন জাপানে।

সে কারণে তার বেশিরভাগ আংটি বানিয়েছেন জাপানিজ খাবার অনুসরণ করে।

দেরি না করে চলো সোফিয়া খালামণির বানানো কিছু আংটি দেখে নিই।

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

সোফিয়া খালামণির আংটি

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

বাবা দিবসের জোকস

বাবা দিবসের জোকস

বাবা: জানিস, তোর পড়ালেখার পেছনে আমার কত খরচ হয়? মেয়ে: হ্যাঁ বাবা। আর জানি বলেই তো কম কম পড়ালেখা করে তোমার খরচ কমানোর চেষ্টা করি।

আজ বাবা দিবস। এ উপলক্ষে থাকছে বাবা এবং তার ছেলে-মেয়ে নিয়ে কয়েকটা জোকস।

১. হাবলু: বাবা, এক ভদ্রলোক এসেছেন। তিনি সুইমিংপুল বানাবেন। চাঁদা চাইছেন।

বাবা: ওকে এক মগ পানি দিয়ে বিদায় করে দে।

২. ছেলে: বাবা তুমি অন্ধকারে লিখতে পারো?

বাবা: পারি। কী লিখতে হবে?

ছেলে: বেশি কিছু না বাবা। শুধু আমার রিপোর্ট কার্ডে স্বাক্ষর দিলেই হবে।

৩. মেয়ে: বাবা ১০টা টাকা দাও।

বাবা: কেন?

মেয়ে: এক অসহায় বৃদ্ধকে সাহায্য করব।

বাবা: খুব ভালো কথা। এই নে ১০ টাকা। তা বৃদ্ধ লোকটি কোথায়?

মেয়ে: বৃদ্ধ লোকটা রাস্তার ধারে আইসক্রিম বিক্রি করছে।

৪. বাবা: খোকা, তোমার রিপোর্ট কার্ডটা নিয়ে এসো দেখি।

খোকা: বাবা, আমার রিপোর্ট কার্ডটা আমার এক বন্ধু ধার নিয়েছে।

বাবা: কেন? বন্ধুর রেজাল্ট কি খুব খারাপ হয়েছে? তোমার কার্ড দেখিয়ে বকার হাত থেকে বাঁচতে চায়?

খোকা: না, ও ওর বাবা-মাকে ভয় দেখাতে চায়।

৫. খাবার টেবিলে বসে...

মেয়ে: বাবা, তেলাপোকা খেতে কেমন?

বাবা: খাওয়ার সময় বাজে কথা বলতে হয় না। চুপচাপ খাওয়া শেষ করো। পরে তোমার কথা শুনব।

খাওয়া শেষ হওয়ার পর...

বাবা: হুম, কী যেন বলছিলে?

মেয়ে: বলছিলাম, ডালে একটা তেলাপোকা ছিল। কিন্তু তুমি তো সেটাকে ভাতের সঙ্গে খেয়ে নিয়েছ।

৬. ছেলে: বাবা, আমাকে আরেক গ্লাস পানি দাও।

বাবা: তোমার এত পানি লাগে কেন? তোমাকে ইতিমধ্যে ১০ গ্লাস পানি দিয়েছি।

ছেলে: কিন্তু বাবা, বিছানায় যে আগুন ধরিয়েছি, সেটা তো নিভছে না!

৭. বাবা: জানিস, তোর পড়ালেখার পেছনে আমার কত খরচ হয়?

মেয়ে: হ্যাঁ বাবা। আর জানি বলেই তো কম কম পড়ালেখা করে তোমার খরচ কমানোর চেষ্টা করি।

৮. বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?

ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে বাবা।

বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে তাহলে?

ছেলে: না, বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি।

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন

সময়

সময়

ঠিক সময়ে হারিয়ে যাওয়া তথ্য খুঁজে দিচ্ছে।

কোথায় কী কী ঘটছে, সময়
সবটা লিখে নিচ্ছে,
ঠিক সময়ে হারিয়ে যাওয়া
তথ্য খুঁজে দিচ্ছে।

শুনতে পেয়ে কৌতুহলে
মৌলি এসে চেঁচিয়ে বলে:
‘সময়’ তুমি কোথায় আছো
একটু শুনে যাও না,
কাল হারানো রঙ-পেন্সিল
একটু খুঁজে দাও না।

আরও পড়ুন:
ঈশপের গল্প
ঘুমন্ত পুরী
জ্ঞানের পৃথিবী
এই শোনো না কত হাসির গল্প বলে যাই
স্বর্ণকারের প্রার্থনা ও রাজার আংটি

শেয়ার করুন