এবার সত্যি হবে মাছের স্বপ্ন

এবার সত্যি হবে মাছের স্বপ্ন

কাটসুগও ব্যাগে বিশেষ যন্ত্র লাগানো আছে, যেটা পানির অক্সিজেনের মাত্রা বজায় রাখে।

মাছ সারা জীবন পানিতে থাকে।

স্থলভাগের পৃথিবী দেখার সুযোগ হয় না তাদের।

আমরা মানুষরা মাটিতে বাস করলেও পানিতে নেমে পানির রাজ্য দেখতে পারি।

আমাদের মতো মাছেরও তো অধিকার আছে পানির রাজ্য থেকে বেরিয়ে সবুজ পৃথিবী দেখার।

মাছের সেই স্বপ্ন সত্যি করতে এক জাপানি প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবন করেছে একটি ব্যাগ।

‘কাটসুগও’ নামের এই ব্যাগ দেখতে পাইপের মতো, তবে মাঝের অংশ স্বচ্ছ।

এর ভেতরে পানি ঢেলে সেই পানিতে মাছ নিয়ে খুব সহজেই ঘুরে বেড়ানো যায়।

মাঝের স্বচ্ছ অংশ দিয়ে মাছ চারপাশে নজর রাখতে পারে।

উপভোগ করতে পারে পৃথিবীর সৌন্দর্য।

কাটসুগও ব্যাগে বিশেষ যন্ত্র লাগানো আছে, যেটা পানির অক্সিজেনের মাত্রা বজায় রাখে।

ফলে মাছের কোনো ক্ষতি হয় না।

এবার সত্যি হবে মাছের স্বপ্ন

ভ্রমণ শেষে সুস্থ শরীরে সে আবার ফিরে যেতে পারে পানিতে।

অচিরেই কাটসুগও ব্যাগ বাজারে আসবে।

তখন চাইলেই তুমি কোনো মাছের স্বপ্ন সত্যি করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সামারার নৌকা

সামারার নৌকা

প্রথমে কাগজকে সবুজ রং করেছে। রং শুকালে নৌকার আকারে কাগজটা কেটে নিয়েছে।

তোমরা কি কাগজ ভাঁজ করে নৌকা বানাতে পারো?

খুব সহজ কিন্তু।

যারা পারো, তারা তো পারলেই।

যারা পারো না, তারা বন্ধুদের কাছ থেকে শিখে নেবে।

আজ তোমাদের দেখাব কাগজ কেটে বানানো একটা নৌকা।

আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ খান বানিয়েছে এটা।

প্রথমে কাগজে সবুজ রং করেছে।

রং শুকালে নৌকার আকারে কাগজটা কেটে নিয়েছে।

তারপর চলেছে আরেক প্রস্থ রঙের কাজ।

লাল, হলুদ, সবুজ আর কালো রঙের কাজ শেষে কাগজটা পুরোপুরি নৌকা হয়ে গেছে।

দারুণ না ব্যাপারটা?

তোমরাও কিন্তু কাগজ কেটে পাখা, ছাতা, কম্পিউটার, বল ইত্যাদি বানাতে পারো।

যদি সত্যি সত্যি বানাও, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের কাছে।

আমাদের কাছে পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ছবির সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

দুই বন্ধুর গল্প

দুই বন্ধুর গল্প

কুকুরের কাজ ছিল রাজহাঁস দেখলেই ঘেউ ঘেউ করে তাদের তাড়ানো।

পোল্যান্ডের ন্যাশনাল পার্কে রাজহাঁসের আনাগোনা বেড়ে গিয়েছিল।

ওরা এখানে-সেখানে মল ত্যাগ করে পার্ক নোংরা করছিল।

কর্তৃপক্ষ তাই রাজহাঁস তাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল।

সে জন্য তারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর নিয়োগ করল।

কুকুরের কাজ ছিল রাজহাঁস দেখলেই ঘেউ ঘেউ করে তাদের তাড়ানো।

এই কাজ করতে গিয়ে বাকস্ নামের একটা কুকুরের সাথে বাটনস নামের একটা রাজহাঁসের বন্ধুত্ব হয়ে গেল।

তারা একসঙ্গে পার্কে ঘুরে বেড়াত, খেলত।

এভাবে দিন ভালোই কাটছিল।

হঠাৎ একদিন দুর্ঘটনায় বাকস্ অন্ধ হয়ে গেল।

দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে সে হয়ে পড়ল অসহায়।

দুই বন্ধুর গল্প
বাটনস তার অন্ধ বন্ধুকে নিয়ে পার্কে যাচ্ছে।

কোথাও যেতে পারে না, খেলতে পারে না।

মনমরা হয়ে সারাক্ষণ বসে থাকে।

অসহায় বন্ধুকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলো রাজহাঁস বাটনস।

বাটনস তার কুকুর বন্ধুকে পথ দেখিয়ে পার্কে নিয়ে আসা শুরু করল।

আগের মতো ঘুরতে আর একসঙ্গে খেলতে শুরু করল।

এখন বাকস্ অনেক খুশি।

দুই বন্ধুর গল্প
রাজহাঁসের সঙ্গে খেলছে কুকুর বাকস্।

দেখতে না পেলেও আগের মতো খেলতে পারছে, ঘুরতে পারছে বলে সে এখন আনন্দিত।

আমাদেরও রাজহাঁস বাটনসের মতো হওয়া উচিত।

বিপদে পড়া কুকুর বন্ধুকে সে যেমন ছেড়ে যায়নি, তেমনি আমাদেরও উচিত, যেসব বন্ধু বিপদে পড়েছে তাদের ছেড়ে না গিয়ে সাহায্য করা।

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

যেন

যেন

আলোর জোনাক দেখতে যেন নেমে আসা তারা, মধ্যরাতের প্যাঁচা যেন মাতাপিতা-হারা।

সূর্য-থালা দেখতে যেন ঝলসে যাওয়া সোনা,
ঘাসখামারের শিশির যেন হীরে-কুচির পোনা।


রোদের শরীর দেখতে যেন হলুদমাখা শাড়ি,
কদম ফুলের পাপড়ি যেন বুড়োর খোঁচা দাড়ি।


শূন্য ঘুড়ি দেখতে যেন ধনুক আকাশ-পানে,
শোঁ শোঁ করা বাতাস যেন সারেগামা জানে।


তপ্ত গ্রীষ্ম দেখতে যেন চাতকমনের খরা,
বর্ষাকালে মেঘের যেন কলস উপুড় করা।


আলোর জোনাক দেখতে যেন নেমে আসা তারা,
মধ্যরাতের প্যাঁচা যেন মাতাপিতা-হারা।


আকাশটাকে দেখতে যেন লক্ষ তুলির ছোঁয়া,
জোছনামাখা চাঁদটা যেন গরুর দুধে ধোঁয়া।

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

রঙের গ্রাম

রঙের গ্রাম

রংবেরঙের তালগাছের নিচে ছোট্ট দুটি বাড়ি। বাড়ির সামনে একটা দিঘি। দিঘির পানিতে তালগাছের ছায়া পড়েছে।

আমাদের বন্ধুরা সবাই গ্রাম ভালোবাসে।

তাই তো সবাই গ্রামের ছবি আঁকে।

আজকের ছবিটা দেখো।

খুব সুন্দর একটা গ্রাম।

রংবেরঙের তালগাছের নিচে ছোট্ট দুটি বাড়ি।

বাড়ির সামনে একটা দিঘি।

দিঘির পানিতে তালগাছের ছায়া পড়েছে।

দূরে দেখা যাচ্ছে গাছের সারি।

নীল রঙের গাছ, লাল রঙের গাছ, সবুজ রঙের গাছ...আরও অনেক রকমের রং ছড়িয়ে আছে সেখানে।

এই গ্রামটার নাম কী হতে পারে বল তো?

আমার মনে হয়, এর নাম রঙের গ্রাম।

তবে সঠিক উত্তর দিতে পারবে মুইদ।

কারণ এই চমৎকার ছবিটি সেই এঁকেছে।

মো. মুইদ আল হাসান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

তেনালি রামনের গল্প

তেনালি রামনের গল্প

রাতে আহারের পর তেনালি পায়চারি করার জন্য বাগানের কাছে গেলেন। ঝোপের পেছনে খচমচ আওয়াজ শুনে বুঝতে পারলেন বাগানে চোর ঢুকেছে।

তেনালি রামকৃষ্ণ ছিলেন মহারাজা কৃষ্ণদেব রায়ের দরবারের একজন কবি এবং পরামর্শদাতা। তাকে আমরা চিনি তার অসাধারণ রসিকতা, কৌতুক-রসবোধ এবং অসামাণ্য বুদ্ধিমত্তার জন্য। আজ শুনব তার একটি মজার ঘটনা।

চোর এবং কুয়ো

একদিন মহারাজ কৃষ্ণদেব রায় জেলখানা পরিদর্শনে গেলেন। তখন দুজন সিঁধেল চোর তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করল। জানাল তারা দুজনেই সিঁধ কাটায় পারদর্শী এবং বিশেষজ্ঞ। অভিজ্ঞতা দিয়ে তারা রাজ্যের অন্য চোরদের ধরে দিতে মহারাজকে সাহায্য করবে।

মহারাজ দয়ালু ব্যক্তি ছিলেন। তখনই ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে এক শর্তে। বললেন, ‘আমি পরীক্ষা করে দেখব তোমরা কত বড় চোর। আমার পরামর্শদাতা তেনালি রামনের বাড়িতে চুরি করে দেখাতে হবে। যদি পারো, তবেই মুক্তি মিলবে, মিলবে চাকরি।’

চোররা রাজি হয়ে গেল।

সেই রাত্রিতেই চোর দুজন তেনালি রামনের বাড়ির কাছে গেল এবং ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে পড়ল।

রাতে আহারের পর তেনালি পায়চারি করার জন্য বাগানের কাছে গেলেন। ঝোপের পেছনে খচমচ আওয়াজ শুনে বুঝতে পারলেন বাগানে চোর ঢুকেছে।

কিছুক্ষণ পরে ঘরে ঢুকে স্ত্রীকে চেঁচিয়ে বললেন, ‘আমাদের উচিত ধনসম্পদ আগলে রাখা। কারণ চারদিকে চুরি বেড়েছে। এখনই সাবধান না হলে পরে পস্তাতে হবে।’

আরও বললেন, ‘বাসার সব সোনাদানা ট্রাঙ্কের মধ্যে ভরে ফেলো।’

চোররা তেনালির সব কথাই শুনল। আর শুনবেই না বা কেন? তেনালি তো ওদের শোনানোর জন্য জোরে জোরে কথা বলেছেন।

কিছুক্ষণ পর তেনালি ট্রাঙ্কটিকে বাড়ির পেছনের কুয়োর কাছে নিয়ে গেলেন। তারপর সেটাকে কুয়োর মধ্যে ফেলে দিলেন।

চোররা সবই দেখল।

কাজ শেষে তেনালি আর তার স্ত্রী যখন ঘরের ভেতর ঢুকে গেলেন, তখনই চোর দুজন বেরিয়ে কুয়োর পানি তুলতে শুরু করল।

সারা রাত পানি তুলল তারা।

ভোরের দিকে অনেক কষ্টে তারা বাক্সটি তুলতে পারল। কিন্তু খুলে যা দেখল তাতে মাথা ঘুরে গেল। ট্রাঙ্কে সোনাদানা নেই, শুধু পাথর।

সেই সময় তেনালি তার ঘর থেকে বেরিয়ে এসে চোরদের ধন্যবাদ দিয়ে বললেন, ‘গাছগুলোকে সারা রাত পানি দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।’

চোররা বুঝতে পারল, তেনালি তাদের বোকা বানিয়েছে।

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

ছোট্ট একটা গ্রাম

ছোট্ট একটা গ্রাম

সবুজ গাছপালার ওপর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে সূর্য। মাঝখানে সবুজ ধানের ক্ষেত।

চমৎকার গ্রামের দৃশ্য এঁকেছে আমাদের ছোট্ট বন্ধু সুমাইলা নূর করিম।

ওর ছবিতে বাংলাদেশের গ্রামের চিত্রটা ফুটে উঠেছে।

সবুজ গাছপালার ওপর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে সূর্য।

মাঝখানে সবুজ ধানের ক্ষেত।

ক্ষেতের ওপর দিয়ে উড়ে চলেছে নাম না জানা দুটো পাখি।

গ্রামের পাশে একটা বড় নদী।

ওদিকে মাঝি ভাই নৌকা নিয়ে হাটে যাচ্ছেন।

মাছগুলো মেতে আছে খেলায়।

তবে তোমাদের মতো শিশুদের দেখা যাচ্ছে না।

ওরা সম্ভবত ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসেছে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো গল্প, কৌতুক কিংবা মজার ঘটনা। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন

দুষ্টু ছাত্রের কৌতুক

দুষ্টু ছাত্রের কৌতুক

ছোট্ট ফাহিম দুদিন স্কুলে ক্লাস করার পর বাসায় এলে বাবা জিজ্ঞেস করলেন, ‘স্কুল কেমন লাগে?’ ফাহিম: একদম বিরক্তিকর লাগে।

শিক্ষক: খোকা, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন?
ছাত্র : স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি।
শিক্ষক: তাতে কী হয়েছে?
খোকা: আপনি তো হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।


ছোট্ট ফাহিম দুদিন স্কুলে ক্লাস করার পর বাসায় এলে বাবা জিজ্ঞেস করলেন, ‘স্কুল কেমন লাগে?’
ফাহিম: একদম বিরক্তিকর লাগে।
বাবা: কেন?
ফাহিম: ওখানে স্যাররা কিছু পারে না। সব পড়া আমাদের জিজ্ঞেস করে।


শিক্ষক: পড়া না পারলে তোদের মাথার সব চুল ছিঁড়ে নেব!
ছাত্র: এতদিনে বুঝলাম, আপনার মাথায় চুল নেই কেন!

কৌতুকগুলো পাঠিয়েছে আমাদের বন্ধু জিনিয়া মিতু।

মিতু পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে কৌতুক পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। আঁকতে পারো ছবি। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
হরেক রকম ব্যাঙ, করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চর্বি আর সাবানের শত্রুতা

শেয়ার করুন