দুটি কৌতুক

দুটি কৌতুক

কৌতুকগুলো পাঠিয়েছে আমাদের বন্ধু রেশমা সুলতানা। রেশমা সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।

অন্তুর পড়া

কালকে অন্তুর পরীক্ষা। এখনও অনেক পড়া বাকি। কিন্তু ও খুব দুষ্টু।

ও কী করল জানো?

একটা কয়েন হাতে নিয়ে ভাবল, ‘টস করছি। যদি শাপলা পড়ে, তাহলে ঘুমাব। যদি মানুষ পড়ে, তাহলে গেমস খেলব। আর যদি পয়সাটা না পড়ে আকাশে আটকে থাকে, তাহলে সত্যি সত্যি সারা রাত পড়ব।’

মশার টর্চলাইট

রবি খুব ভালো ছেলে। একদিন মশারি টাঙিয়ে ও ঘুমিয়ে পড়ল। কিন্তু রাতের বেলা হঠাৎ ওর ঘুম ভেঙে গেল। দেখে কী, ওর মশারির ভেতরে কয়েকটা জোনাকি পোকা ঢুকে গেছে।

এদিকে রবি তো আর জোনাকি পোকা চেনে না। তাই ওগুলো দেখে চিৎকার করতে লাগল, ‘মা মা, দেখে যাও, মশারা আমাকে অন্ধকারে কামড়ানোর জন্য টর্চলাইট নিয়ে এসেছে!’

কৌতুকগুলো পাঠিয়েছে আমাদের বন্ধু রেশমা সুলতানা।

রেশমা সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।

রেশমা তার স্কুলের নাম আমাদের কাছে পাঠাতে ভুলে গেছে বলে স্কুলের নাম উল্লেখ করতে পারছি না।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। আঁকতে পারো ছবি। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

বিশাল আকারের শিয়াল, চড়ুই, কাক, গিরগিটি বসে আছে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের এখানে সেখানে।

আমাদের চেনাজানা পশুপাখিগুলো যদি ডাইনোসরের মতো বিশাল আকারের হতো, তাহলে নিশ্চয়ই মজা পেতে?

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে বাস করেন ভাদিম স্লোভিয়েভ চাচ্চু।

তোমাদের মতো করে তিনিও একদিন ভাবলেন, সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে যদি বড় বড় পশুপাখি এসে জড়ো হয় তাহলে কেমন হবে?

সেই ভাবনা থেকেই তিনি কম্পিউটারে ফটোশপ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুললেন মজার সব ছবি।

বিশাল আকারের শিয়াল, চড়ুই, কাক, গিরগিটি বসে আছে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের এখানে সেখানে।

চলো, সেই ছবিগুলো দেখে নেই।

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

ইয়া বড় পশু-পাখি

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

যে সাগরে মানুষ ডোবে না

যে সাগরে মানুষ ডোবে না

মৃতসাগর কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে নিচু জায়গা। এমনকি এটি বিশ্বের সবচেয়ে লবণাক্ত হ্রদের একটি।

আমাদের পৃথিবীতে এমন একটি সাগর আছে যার নাম মৃতসাগর।

মৃতসাগর নাম হলেও সেখানে কখনো মানুষ ডুবে মারা যায়নি।

একে সাগর বলা হলেও আসলে এটি একটি হ্রদ।

এর অবস্থান জর্ডান ও ফিলিস্তিনের মাঝামাঝি স্থানে।

মৃতসাগর কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে নিচু জায়গা।

এমনকি এটি বিশ্বের সবচেয়ে লবণাক্ত হ্রদের একটি।

সাগরে যে পরিমাণ লবণ থাকে তার অন্তত ৯ গুণ বেশি লবণ আছে এই মৃতসাগরে।

তোমরা যদি সাঁতার নাও জানো, তবু মৃত সাগরে ভেসে থাকতে পারবে।

তাই ভয় না পেয়ে তোমরাও গোসলে নেমে যেতে পারবে সাগরটিতে। তবে ভয়ের কারণ আছে অন্য জায়গায়।

মৃতসাগরের পানি কোনোভাবেই খাওয়া যাবে না। ভুলেও যদি সে পানি পেটে যায় তবে সঙ্গে সঙ্গে বমি বা পেটের ব্যামো শুরু হবে।

মৃতসাগরের পানিতে কেন মানুষ ডোবে না জানো? মানুষের শরীরের ঘনত্বের চেয়ে মৃত সাগরের পানির ঘনত্ব বেশি। তাই ডোবে না কেউ।

ও হ্যাঁ, আরেকটি কথা; মৃতসাগরের পানি অতিরিক্ত লবণাক্ত হওয়ায় সেখানে কোনো মাছ নেই।

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

ঢুলি বাজায় ঢোল

ঢুলি বাজায় ঢোল

ঢোলের শব্দ শুনে এ গাছ থেকে ওই গাছে পাখিরা উড়ে বেড়াচ্ছে। তারা খুব মজা পাচ্ছে।

গভীর রাত।

আকাশে বিশাল তারা উঠেছে।

তবু চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার।

ফুটে আছে নাম না জানা অনেক ফুল।

ফুলের ওপরই মনের আনন্দে ঢোল বাজাচ্ছে ঢুলি।

ঢোলের শব্দ শুনে এ গাছ থেকে ওই গাছে পাখিরা উড়ে বেড়াচ্ছে।

তারা খুব মজা পাচ্ছে।

তোমরা কি কখনো ঢুলি দেখেছো?

তোমরা না দেখলে কী হবে, জারিফ কিন্তু ঠিকই দেখেছে।

না দেখলে এত চমৎকার করে ঢুলির ছবি আঁকল কীভাবে?

জারিফের পুরো নাম জারিফ ওয়াজির মিয়া।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

ঈশপের পশুপাখির গল্প

ঈশপের পশুপাখির গল্প

সিংহের প্রস্তাব শুনে বিড়াল খুব খুশি হলো। মনে মনে ভাবল, শিকার ভাগ করার দায়িত্ব দিয়ে সিংহ তাকে বিরাট সম্মান দেখিয়েছে।

ঈশপের নাম তো নিশ্চয়ই শুনেছো। খ্রিস্টপূর্ব ৬২০ সালে প্রাচীন গ্রিসে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মজার মজার শিক্ষামূলক গল্প বলাতে তার জুড়ি নেই। পশুপাখি নিয়ে তিনি অনেক গল্প লিখেছেন। আজ তোমাদের সে রকম তিনটি গল্প বলব।

১. একদিন বিড়াল ও শিয়াল বনের রাজা সিংহের সঙ্গে চুক্তি করল। চুক্তিতে বলা হলো এখন থেকে তারা তিনজন একসঙ্গে শিকার করবে। শিকার যা পাওয়া যাবে, তা সমানভাবে ভাগ করে নেবে।

তিনজন একসঙ্গে শিকার করলে কাউকে না খেয়ে থাকতে হবে না বলেই এই চুক্তি।

সিদ্ধান্ত হলো বিড়াল বনের দিকে নজর রাখবে। শিকার দেখতে পেলে সেটার দিকে এগিয়ে যাবে এবং নিজের পরিচয় দেবে।

অন্য দুজন আড়াল থেকে বিড়ালের দিকে নজর রাখবে। বিড়াল পরিচয়পর্ব শেষ করার পর শিয়াল আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে চিৎকার করে উঠবে। প্রাণীটি তখন ভয় পেয়ে যাবে। দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করবে। তখন শিয়াল তাকে ধাওয়া করবে।

প্রাণীটি তখন শিয়ালকে এড়াতে সোজা দৌড় দেবে আর গিয়ে পড়বে সিংহের কবলে। সিংহ তখন এক আঘাতে তার দফারফা করবে।

পরিকল্পনা অনুসারে তারা একটা হরিণ শিকার করল। তারপর বিড়াল, শিয়াল, সিংহ বসল ভাগ-বাটোয়ারা করতে বসল।

সিংহ তিন ভাগ করতে বলল বিড়ালকে।

সিংহের প্রস্তাব শুনে বিড়াল খুব খুশি হলো। মনে মনে ভাবল, শিকার ভাগ করার দায়িত্ব দিয়ে সিংহ তাকে বিরাট সম্মান দেখিয়েছে।

যাই হোক বিড়াল খুব সাবধানতার সঙ্গে হরিণটাকে সমান তিন ভাগে ভাগ করল। তারপর শিয়াল ও সিংহের উদ্দেশে বলল, ‘ভাগের কাজ শেষ। এখন আপনারা দুজন দয়া করে নিজেদের ভাগ গ্রহণ করুন।’

বিড়ালের কথা শুনে সিংহ ভাগগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর বলল, ‘তাহলে তোর মতে আমাদের তিনজনের ভাগ সমান হওয়া উচিত। তাই না? তুই কি মনে করেছিস, হরিণের সঙ্গে তোর ইনিয়ে-বিনিয়ে গল্প করা আর আমার শিকার করার কাজটা একই সমান?’

এ কথা বলেই বিড়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে খেয়ে ফেলল সিংহ। তারপর শিয়ালকে বলল হরিণটাকে সঠিকভাবে দুই ভাগ করতে।

বিড়ালের পরিণতি দেখে শিয়াল ভয়ে থরথর করে কাঁপছিল। অনেক কষ্টে সে নিজেকে সামলে নিয়ে ভাগ করতে বসল।

বলতে গেলে হরিণের পুরোটাই সিংহের ভাগে রেখে নিজের জন্য সামান্য কিছু রাখল। বড় ভাগটা নেয়ার জন্য সিংহকে অনুরোধ করল।

শিয়ালের ভাগ করা দেখে সিংহ বেজায় খুশি হলো। বলল, ‘এত চমৎকার আর ন্যায্য ভাগের কৌশল তোকে কে শিখিয়েছে?’

শিয়াল বিনয়ের সঙ্গে বলল, ‘একটু আগে বিড়ালের পরিণতি দেখে নিজে নিজেই ভাগ করা শিখেছি, জনাব।’

এ কথা বলে শিয়াল সিংহের সামনে থেকে চলে গেল। আর মনে মনে সিদ্ধান্ত নিল, ভবিষ্যতে আর কোনো কাজে সিংহকে সঙ্গে নেবে না।

২. একদিন নেকড়ের শরীর খুব খারাপ হয়ে গেল। কিছুতেই নড়তে পারছিল না। চলাফেরা করতে না পারার কারণে শিকারও সংগ্রহ করতে পারছিল না। তাই পশু শিকারের জন্য একটি ফন্দি আঁটল।

নেকড়ের পাশ দিয়েই যাচ্ছিল একটি ভেড়া। নেকড়ে তাকে ডেকে কাছের ঝরনা থেকে পানি এনে দেয়ার অনুরোধ জানাল। কাকুতি-মিনতি করে নেকড়ে বলল, ‘শরীরটা ভীষণ খারাপ। এক আঁজলা পানি এনে দিলেই চলবে। গোশতের ব্যবস্থা আমি নিজেই করে নিতে পারব।’

নেকড়ের কখা শুনে ভেড়া বলল, ‘ভালোই ফন্দি এঁটেছো। আমি পানি এনে দিই আর তুমি আমাকে দিয়েই গোশত জোগাড় করার কাজটাও সেরে ফেলো।’

. বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে, পশুদের মধ্যে শিয়ালকে সবচেয়ে চালাক মনে করা হয়। আর ছাগলকে বলা হয় সবচেয়ে বোকা। একদিন এক শিয়াল একটা কুয়োর মধ্যে পড়ে গেল। অনেক চেষ্টা করেও সে সেই কুয়ো থেকে উঠতে পারল না। এদিকে একটা ছাগলের ওই সময় খুব পিপাসা পেল। ছাগলটি ঘুরতে ঘুরতে কুয়োর পাশে এসে হাজির হল।

কুয়োর মধ্যে শিয়ালকে দেখে সে জানতে চাইল, কুয়োর খাওয়ার মতো পানি আছে কি না। শিয়াল তখন নিজের দুরাবস্থা চেপে গিয়ে এক গাল হাসিতে মুখ ভরিয়ে নানাভাবে সেই কূপের পানির প্রচুর প্রশংসা করল। বলল, ‘এই কুয়োর পানি এত সুমিষ্ট যে আশপাশের কোথাও এমন পানি পাবে না। তুমি নিচে নেমে এসে প্রাণভরে পানি খাও; কেউ তোমাকে কিছু বলবে না।’

শিয়ালের মিষ্টি কথায় পটে গিয়ে ছাগল কুয়োর ভিতর লাফিয়ে পড়ল। পেট ভরে পানি পান করার পর শিয়ালকে ধন্যবাদ দিল।

এ সময় শিয়াল তাকে জানাল, তারা আটকা পড়েছে। এই বিপদ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ছাগলের কাছে সে একটা প্রস্তাব রাখল। বলল, ‘তুমি যদি তোমার সামনের পা দুটো তুলে কুয়োর দেয়ালে ভর দিয়ে খাড়া হয়ে দাঁড়াও আর তোমার মাথাটা নিচু করে রাখো, আমি তাহলে তোমার পিঠের উপর দিয়ে দৌড়ে কুয়োর বাইরে চলে যাব। আমি একবার বের হতে পারলে তোমাকেও তখন উদ্ধার পেতে সাহায্য করতে পারব।’

ছাগল কোনো ভাবনা-চিন্তা না করে সঙ্গে সঙ্গে শিয়ালের প্রস্তাব অনুযায়ী দাঁড়িয়ে গেল। শিয়াল লাফ দিয়ে ছাগলের পিঠে চড়ল। তার শিং ধরে নিজেকে সোজা করল। তারপর নিরাপদে কুয়োর বাইরে এসেই একটুও দেরি না করে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য দৌড় দিল।

এটা দেখে ছাগল গেল রেগে।

ছাগলকে রাগতে দেখে শিয়াল চিৎকার করে বলল, ‘ওরে বোকা, তোর শরীরে যত চুল, তোর মাথায় যদি সেই পরিমাণ বুদ্ধি থাকত তা হলে উপরে ওঠার পথ ঠিক না করে তুই নিচে ঝাঁপিয়ে পড়তি না। যেই বিপদ থেকে রেহাই পাওয়ার কোনো উপায় তোর জানা নেই, সেই বিপদের দিকে নিজেই নিজেকে এইভাবে ঠেলে দিতিস না।’

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শব্দগুলো হলো DAMP, StoRM, WET, PUDDLE, SHOWERS এবং CLOUDS।

এইমাত্র পড়েছে ছুটির ঘণ্টা।

বাচ্চারা স্কুল থেকে বেরিয়েছে।

ওদিকে টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছে।

বৃষ্টিতে মজা করছে সবাই।

খুব সুন্দর না দৃশ্যটা?

এই সুন্দর দৃশ্যের মধ্যে ছয়টি শব্দ লুকানো আছে।

শব্দগুলো হলো DAMP, StoRM, WET, PUDDLE, SHOWERS এবং CLOUDS।

তোমাদের শব্দগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

সময় মাত্র ৫ মিনিট।

এবার দেখব, কে কে পারো।

...বেশ, ৫ মিনিট শেষ।

যারা পেরেছো, তাদের ধন্যবাদ।

আর যারা পারোনি, তারা উত্তর দেখে নাও।

নিচের ছবিতে উত্তর দেয়া আছে।

শব্দগুলো খুঁজে বের করো

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

সামারার নৌকা

সামারার নৌকা

প্রথমে কাগজকে সবুজ রং করেছে। রং শুকালে নৌকার আকারে কাগজটা কেটে নিয়েছে।

তোমরা কি কাগজ ভাঁজ করে নৌকা বানাতে পারো?

খুব সহজ কিন্তু।

যারা পারো, তারা তো পারলেই।

যারা পারো না, তারা বন্ধুদের কাছ থেকে শিখে নেবে।

আজ তোমাদের দেখাব কাগজ কেটে বানানো একটা নৌকা।

আমাদের ছোট্ট বন্ধু সামারা আহাদ খান বানিয়েছে এটা।

প্রথমে কাগজে সবুজ রং করেছে।

রং শুকালে নৌকার আকারে কাগজটা কেটে নিয়েছে।

তারপর চলেছে আরেক প্রস্থ রঙের কাজ।

লাল, হলুদ, সবুজ আর কালো রঙের কাজ শেষে কাগজটা পুরোপুরি নৌকা হয়ে গেছে।

দারুণ না ব্যাপারটা?

তোমরাও কিন্তু কাগজ কেটে পাখা, ছাতা, কম্পিউটার, বল ইত্যাদি বানাতে পারো।

যদি সত্যি সত্যি বানাও, তাহলে সেটা পাঠিয়ে দিও আমাদের কাছে।

আমাদের কাছে পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

ছবির সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন

দুই বন্ধুর গল্প

দুই বন্ধুর গল্প

কুকুরের কাজ ছিল রাজহাঁস দেখলেই ঘেউ ঘেউ করে তাদের তাড়ানো।

পোল্যান্ডের ন্যাশনাল পার্কে রাজহাঁসের আনাগোনা বেড়ে গিয়েছিল।

ওরা এখানে-সেখানে মল ত্যাগ করে পার্ক নোংরা করছিল।

কর্তৃপক্ষ তাই রাজহাঁস তাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল।

সে জন্য তারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর নিয়োগ করল।

কুকুরের কাজ ছিল রাজহাঁস দেখলেই ঘেউ ঘেউ করে তাদের তাড়ানো।

এই কাজ করতে গিয়ে বাকস্ নামের একটা কুকুরের সাথে বাটনস নামের একটা রাজহাঁসের বন্ধুত্ব হয়ে গেল।

তারা একসঙ্গে পার্কে ঘুরে বেড়াত, খেলত।

এভাবে দিন ভালোই কাটছিল।

হঠাৎ একদিন দুর্ঘটনায় বাকস্ অন্ধ হয়ে গেল।

দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে সে হয়ে পড়ল অসহায়।

দুই বন্ধুর গল্প
বাটনস তার অন্ধ বন্ধুকে নিয়ে পার্কে যাচ্ছে।

কোথাও যেতে পারে না, খেলতে পারে না।

মনমরা হয়ে সারাক্ষণ বসে থাকে।

অসহায় বন্ধুকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলো রাজহাঁস বাটনস।

বাটনস তার কুকুর বন্ধুকে পথ দেখিয়ে পার্কে নিয়ে আসা শুরু করল।

আগের মতো ঘুরতে আর একসঙ্গে খেলতে শুরু করল।

এখন বাকস্ অনেক খুশি।

দুই বন্ধুর গল্প
রাজহাঁসের সঙ্গে খেলছে কুকুর বাকস্।

দেখতে না পেলেও আগের মতো খেলতে পারছে, ঘুরতে পারছে বলে সে এখন আনন্দিত।

আমাদেরও রাজহাঁস বাটনসের মতো হওয়া উচিত।

বিপদে পড়া কুকুর বন্ধুকে সে যেমন ছেড়ে যায়নি, তেমনি আমাদেরও উচিত, যেসব বন্ধু বিপদে পড়েছে তাদের ছেড়ে না গিয়ে সাহায্য করা।

আরও পড়ুন:
তিনটি করে দেখছে পৃথুল
গোপাল ভাঁড়ের মজার ঘটনা
দেখি কত হাসতে পারো
ক্রিকেট জোকস

শেয়ার করুন