ব্যাঙটাকে খুঁজে বের কর

ব্যাঙটাকে খুঁজে বের কর

এই পাতার মধ্যেই লুকিয়েছে একটা ব্যাঙ। দেখি তোমরা ওকে খুঁজে বের করতে পার কি না।

আজ আবার খেলব লুকোচুরি খেলা।

আজ লুকিয়েছে একটা ব্যাঙ।

উপরের ছবিতে তো দেখছ, রাশি রাশি পাতা পড়ে আছে।

এই পাতার মধ্যেই লুকিয়েছে একটা ব্যাঙ।

দেখি তোমরা ওকে খুঁজে বের করতে পার কি না।

নিচের ছবিতে ব্যাঙের অবস্থান দেখানো হয়েছে।

যারা ওকে খুঁজে পাবে না, তারা সেটা দেখে নিতে পারো।

তবে, দেখার আগে অবশ্যই চেষ্টা করবে।

Quiz
ব্যাঙটাকে দেখতে পেয়েছ?

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দুষ্টু রাতুল

দুষ্টু রাতুল

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও হিভার মতো ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

রাতুল খুব দুষ্টু একটা ছেলে।

সব সময় মজা করে।

আজও সে মজা করেছে তার চাচ্চুর সাথে।

সেই ঘটনা নিয়েই কমিকস এঁকেছে আমাদের বন্ধু হিভা রহমান।

হিভা মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও হিভার মতো কমিকস এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

তাহলে চলো, দুষ্টু রাতুল কী করলো দেখে নিই।

Comic

Comic

Comic
আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

অদ্ভুত সিগাল

অদ্ভুত সিগাল

সিগালটা একদিন খাবারের খোঁজে উড়ছিল। হঠাৎ সে দেখল, এক হোটেলের বাইরে চিকেন টিক্কা মাসালা বানানোর জন্য গামলায় মসলা মাখানো মুরগি রাখা আছে। সেখান থেকে এক পিস চিকেন নেয়ার জন্য সে ছুটে গেল।

সিগালটাকে দেখে তোমার কি অদ্ভুত লাগছে?

লাগারই কথা।

কারণ সিগালের রং হয় সাদা। কিন্তু এটার রং কমলা।

এবার আসল ঘটনা বলি।

হয়েছে কী, সিগালটা একদিন খাবারের খোঁজে উড়ছিল।

হঠাৎ সে দেখল, এক হোটেলের বাইরে চিকেন টিক্কা মাসালা বানানোর জন্য গামলায় মসলা মাখানো মুরগি রাখা আছে।

সেখান থেকে এক পিস চিকেন নেয়ার জন্য সে ছুটে গেল।

চিকেন খাওয়ার খুশিতে সে এত জোরে উড়ছিল যে, মসলার গামলায় হুমড়ি খেয়ে পড়ল।

ব্যস, তারপর যা হওয়ার তাই হলো।

সিগালের পুরো শরীর মসলায় মাখামাখি হয়ে গেল।

মসলার কারণে সে উড়তেও পারছিল না।

উদ্ধারকর্মীরা তাকে পশু হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।

সেখানে তাকে তিনবার সাবান দিয়ে ধোয়ার পরও গায়ের রং উঠল না।

অগত্য ভালো করে খাইয়ে-দাইয়ে সুস্থ হওয়ার পর সিগালকে ছেড়ে দেয়া হলো।

এ থেকে আমরা কী বুঝলাম?

বুঝলাম, কাজে কখনই হুড়োহুড়ি করা যাবে না।

করলে কাজ তো হবেই না, উল্টো বিপদে পড়তে হবে।

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

এই লোকটা কে

এই লোকটা কে

রাজা হোক বা মন্ত্রী, লোকটাকে খুব সুন্দর করে বানানো হয়েছে। কে বানিয়েছে জানো? আমাদের ছোট্ট বন্ধু অভ্র নীল।

উপরের ছবির লোকটাকে ঠিক চিনতে পারছি না।

কে হতে পারে, বলো তো?

লোকটার ইয়া বড় গোঁফ।

মাথায় রাজকীয় টুপি।

গলায় মালাও আছে।

মনে হচ্ছে অনেক আগের দিনের কোনো রাজা।

রাজা হোক বা মন্ত্রী, লোকটাকে খুব সুন্দর করে বানানো হয়েছে।

কে বানিয়েছে জানো?

আমাদের ছোট্ট বন্ধু অভ্র নীল।

শুধু কাগজ আর নানা রকম রং ব্যবহার করে বানানো হয়েছে এটা।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও এমন ছোট ছোট জিনিস বানিয়ে ছবি তুলে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প, কৌতুক কিংবা আঁকতে পারো ছবি। সেগুলো প্রকাশ করবে কিডজোন। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

ওবাটা আন্টির প্লাস্টিকের খাবার

ওবাটা আন্টির প্লাস্টিকের খাবার

ওবাটা আন্টির সংগ্রহের প্লাস্টিকের খাবার।

২০১৫ সালে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ ওবাটা আন্টিকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের খাবার সংগ্রাহক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দেয়। সারা দিন খুঁজে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ তার বাসায় ৮০৮৩টি খাবার খুঁজে পায়।

জাপানের আকিকো ওবাটা আন্টির এক অদ্ভূত শখ আছে।

আমরা অনেকেই পুতুল, মুদ্রা, ডাকটিকিট সংগ্রহ করি। ওবাটা আন্টি কী সংগ্রহ করেন জানো?

প্লাস্টিকের তৈরি খাবারের রেপ্লিকা।

প্লাস্টিকের চকলেট, প্লাস্টিকের বার্গার, প্লাস্টিকের পিৎজা, প্লাস্টিকের আইসক্রিম...কী নেই তার রুমে!

এসব খাবারের কোনোটা খুব ছোট্ট, আবার কোনোটা পাঁচ ফুট লম্বা।

২০০০ সালের দিকে তিনি এসব সংগ্রহ শুরু করেন।

জমাতে জমাতে তার সংগ্রহে এত বেশি প্লাস্টিকের খাবার জমে যায় যে ২০১৫ সালে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের খাবার সংগ্রাহক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দেয়।

সারা দিন খুঁজে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ ওবাটা আন্টির বাসায় ৮ হাজার ৮৩টি খাবার খুঁজে পায়।

প্লাস্টিকের খাবার

গত পাঁচ বছরে তার সংগ্রহে আরও খাবার জমেছে।

এখন তার কাছে ১০ হাজারের বেশি প্লাস্টিকের খাবার আছে।

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

ফাহমিদার রঙিন মাছ

ফাহমিদার রঙিন মাছ

কী রং নেই এই মাছটার শরীরে! কমলা, নীল আছে। লাল, হলুদ, গোলাপি আছে। শুধু কি তাই! সাদাও আছে।

এ রকম রঙিন মাছ কি আগে দেখেছ?

মনে হয় দেখোনি।

কী রং নেই এই মাছটার শরীরে!

কমলা, নীল আছে। লাল, হলুদ, গোলাপি আছে।

শুধু কি তাই!

সাদাও আছে।

ফাহমিদা আমাদের এই মাছটার নাম জানায়নি।

তবে আমরা এর একটা নাম দিয়েছি।

এর নাম রঙিন মাছ।

দেখেছ, নাম শুনে মাছটা কি দারুণ খুশি হয়েছে?

তোমরাও একে রঙিন মাছ নামেই ডাকবে। কেমন?

মাছটি এঁকেছে ফাহমিদা ইসলাম।

সে আমাদের জানায়নি কোন স্কুলে পড়ে, কোন ক্লাসে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ফাহমিদার মতো ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

ঈদ এসেছে

ঈদ এসেছে

সেমাই খাব, পোলাউ খাব আরও খাব দই

ঈদ এসেছে ঈদ এসেছে

করব হই চই,

সবার বাড়ি ঘুরব আমি

রাখব ফেলে বই।

সেমাই খাব, পোলাউ খাব

আরও খাব দই,

বড়দের দেখলে বলব

আমার সালামি কই?

ছড়াটি লিখেছে আবির হোসেন শুভ। সে মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও ছবি এঁকে আমাদের কাছে পাঠাতে পারো। লিখতে পারো ছড়া, গল্প কিংবা কৌতুক। লেখার সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড়ো এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।

পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন

রাজহাঁসের এক পা

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প

রাজহাঁসের এক পা

আসলে সে সময় রাজহাঁসগুলো প্রাসাদের পাশের লেকে এক পা গুটিয়ে অন্য পায়ে ভর করে দাঁড়িয়েছিল। তাই ভাগ্যক্রমে হোজ্জার কথার সাথে দাঁড়ানো রাজহাঁসের দৃশ্য মিলে গেল।

নাসিরুদ্দিন হোজ্জা একদিন একটা রাজহাঁস রোস্ট করে বাদশার দরবারের দিকে রওনা দিলেন। রোস্ট করা রাজহাঁসটা তিনি বাদশাকে উপহার দেবেন।

পথে চলতে চলতে রোস্টের ঘ্রাণে হোজ্জার খিদে পেয়ে গেল।

অগত্য একটা গাছের ছায়ায় বসে রাজহাঁসটার একটা পা কেটে খেয়ে ফেললেন।

প্রাসাদে এসে হোজ্জা বাদশাকে রোস্টের থালাটা উপহার দিলেন। ঢাকনা খুলে বাদশা দেখেন, রাজহাঁসটার পা একটা।

তিনি হোজ্জাকে বললেন, ‘সে কী! তোমার রাজহাঁসের মাত্র একটা পা কেন?’

হোজ্জা ভেবেছিলেন, বাদশা উপহারটি পেয়ে বাবুর্চির হাতে তুলে দেবেন। বাবুর্চি সেটাকে কেটেকুটে এনে বাদশার সামনে পরিবেশন করবে। কিন্তু হলো উল্টোটা।

বাদশার প্রশ্নে থতমত খেয়ে হোজ্জা বললেন, ‘হুজুর, ওই দেখুন, লেকের পানির রাজহাঁসগুলোর একটাই পা।’

আসলে সে সময় রাজহাঁসগুলো প্রাসাদের পাশের লেকে এক পা গুটিয়ে অন্য পায়ে ভর করে দাঁড়িয়েছিল। তাই ভাগ্যক্রমে হোজ্জার কথার সঙ্গে দাঁড়ানো রাজহাঁসের দৃশ্য মিলে গেল।

ওদিকে বাদশা কিন্তু হোজ্জার চালাকি ধরে ফেললেন।

তিনি একজন রক্ষীকে বললেন, রাজহাঁসগুলোকে লাঠি দিয়ে তাড়াতে।

লাঠির ভয়ে রাজহাঁসগুলো দুই পায়ে ভর দিয়ে দৌড়ে পালাল।

বাদশা বললেন, ‘হোজ্জা, দেখলে তো, ওদের দুটো করে পা?’

হোজ্জা বললেন, ‘হুজুর, ওরা তো সামান্য রাজহাঁস। ও রকম লাঠি দিয়ে তাড়ালে আমারও দুই পায়ের জায়গায় চার পা গজাত।’

আরও পড়ুন:
ধাঁধা এবং ধাঁধা
শব্দগুলো খুঁজে বের করো

শেয়ার করুন