শহীদ মিনারে ছড়া

শহীদ মিনারে ছড়া

বাবা বলেন বাংলা ভাষার জন্য যারা প্রাণ

শহীদ মিনার এসে ছড়া

বাবার কাছে বলে

মানুষ কেন খালি পায়ে

ফুল দিয়ে যায় চলে?

বাবা বলেন বাংলা ভাষার

জন্য যারা প্রাণ-

দিয়েছিলেন তাদেরকে দেয়

বাঙালি সম্মান।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বঙ্গবাণী

বঙ্গবাণী

যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী/ সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি

কিতাব পড়িতে যার নাহিক অভ্যাস

সে সবে কহিল মোতে মনে হাবিলাষ।

তে কাজে নিবেদি বাংলা করিয়া রচন

নিজ পরিশ্রম তোষি আমি সর্বজন।

আরবি ফারসি শাস্ত্রে নাই কোন রাগ

দেশী ভাষে বুঝিতে ললাটে পুরে ভাগ।

আরবি ফারসি হিন্দে নাই দুই মত

যদি বা লিখয়ে আল্লা নবীর ছিফত।

যেই দেশে যেই বাক্য কহে নরগণ

সেই বাক্য বুঝে প্রভু আপে নিরঞ্জন।

সর্ববাক্য বুঝে প্রভু কিবা হিন্দুয়ানী

বঙ্গদেশী বাক্য কিবা যত ইতি বাণী।

মারফত ভেদে যার নাহিক গমন

হিন্দুর অক্ষর হিংসে সে সবের গণ।

যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী

সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।

দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুয়ায়

নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়।

মাতা পিতামহ ক্রমে বঙ্গেত বসতি

দেশী ভাষা উপদেশ মনে হিত অতি।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

কাগজের সিংহ

কাগজের সিংহ

দ্বিতীয় কাপটার ওপরে চোখ দুটো লাগিয়ে নিতে হবে। মার্কার দিয়ে আঁকতে হবে মুখ, গোঁফ আর নাক। নাক কাগজ কেটেও বানাতে পারো। ব্যস হয়ে গেলো আমাদের সিংহ।

কাপ কেক কে না পছন্দ করে?

কাপকেক যে কাপে থাকে, সেটাকে কাগজ দিয়ে বানানো।

এটাকে ফেলে না দিয়ে নানা কাজে লাগানো যায়।

আজ আমরা এই কাপ দিয়ে সিংহ বানাব।

যা যা লাগবে

১. কাপকেকের তিনটি কাপ (দুটো একই আকারের, অন্যটা ছোট)

২. দুটো রঙ্গিন মোটা কাগজ

৩. খেলনা চোখ

৪. কালো মার্কার

৫. কাঁচি

৬. আঠা

Lion

প্রথমে মোটা কাগজের ওপরে একটা বড় কাপ আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। কাঁচি দিয়ে দ্বিতীয় বড় কাপটার চারপাশ ছবিতে দেখানো পদ্ধতিতে কেটে নিতে হবে। তারপর লাগিয়ে দিতে হবে অন্য কাপটার একপাশে। খেয়াল রাখতে হবে, দ্বিতীয় কাপটার কিছু অংশ যেন প্রথম কাপটার ওপরে উঠে থাকে। ছোট কাপটা দ্বিতীয় কাপটার মাঝখানে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে।

Lion

অন্য মোটা কাগজটা কেটে সিংহের চারটি পা আর লেজ বানাতে হবে। এটা করতে ছবি দেখে আইডিয়া নিতে পারো। লেজের শেষ অংশটা মার্কার দিয়ে কালো করে দিতে হবে।

Lion

দ্বিতীয় কাপটার ওপরে চোখ দুটো লাগিয়ে নিতে হবে। মার্কার দিয়ে আঁকতে হবে মুখ, গোঁফ আর নাক। নাক কাগজ কেটেও বানাতে পারো। ব্যস হয়ে গেলো আমাদের সিংহ।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

খোকা আর বুড়ি

খোকা আর বুড়ি

খোকা এবং বুড়ি- দুজনে খায় মায়ের হাতের বানানো গুড়মুড়ি।

এক যে আছে বুড়ি

সারাটাদিন উড়িয়ে বেড়ায় ঘুড়ি;

খেলে খেলে দিনটা কাটায়

হাতভরা তার চুড়ি।

এক যে আছে খোকা

ভেবো না সে একটুখানি বোকা;

সারাটাদিন এ-গাঁ সে-গাঁ

নেই সে লেখাজোঁখা।

খোকা এবং বুড়ি-

দুজনে খায় মায়ের হাতের

বানানো গুড়মুড়ি।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

তালির রেকর্ড

তালির রেকর্ড

তালি দেয়ার রেকর্ড করেছে সেভেন ওয়েড। ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ সালে ওয়েডের বয়স যখন ৯ বছর, তখন এক মিনিটে ১০৮০ তালি দিয়ে এই রেকর্ড গড়ে সে। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জানিয়েছে, এর আগের রেকর্ডটি ছিল এক মিনিটে ৬০টি তালি দেয়ার।

খুশি হলে আমরা কী করি?

হাসি। মাঝে মাঝে হাত তালি দিই। তাই না?

৯ বছর বয়সী ছোট্ট মেয়ে সেভেন ওয়েড একদিন ভাবল, শুধু খুশি হলেই তালি দেয়া ঠিক না।

চাইলে এমনি এমনিও তালি দেয়া যায়।

ভাবনা অনুযায়ী কাজ। সে এমনি এমনি তালি দেয়া শুরু করল। একসময় তালি দেয়ার বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ফেলল।

২০১৮ সালে ওয়েডের বয়স যখন ৯ বছর, তখন এক মিনিটে ১০৮০ তালি দিয়ে এই রেকর্ড গড়ে সে।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জানিয়েছে, এর আগের রেকর্ডটি ছিল এক মিনিটে ৬০টি তালি দেয়ার।

ওয়েড এই রেকর্ড গড়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে।

দিনে তিনবার প্র্যাকটিস করত সে। সপ্তাহে পাঁচ দিন প্র্যাকটিস না করলে তার ঘুমই হতো না।

মাঝে মাঝে এমন হতো যে, তালি দেয়ার প্র্যাকটিস করতে করতে তার হাতে ফোসকা পড়ে যেত।

তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু ওয়েডের সেই রেকর্ড এখনও কেউ ভাঙতে পারেনি।

সে আমেরিকার ফ্লোরিডায় থাকে।

ওয়েডের তালি দেয়ার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সেই অফিশিয়াল ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করতে পারো।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

অভ্যাসটা যে শুধু মানুষের মধ্যেই আছে, ব্যাপারটা তা নয়। হাতির ছানারাও এটা করে। ওরা আঙুল চুষতে পারে না। তার বদলে ওরা চোষে শুঁড়।

কখনও কি খেয়াল করেছ, তোমার ছোট ভাইবোন কিংবা প্রতিবেশীর ছোট শিশুটা আঙুল চুষছে?

এটা অনেকেই করে।

হয়তো তুমিও করেছ।

মনের অজান্তেই বাচ্চারা এটা করে।

কারও কারও তো এটা অভ্যাসই হয়ে যায়।

তাই বড় হয়ে যাবার পরেও অনেকে আঙুল চোষে।

তবে এই অভ্যাসটা যে শুধু মানুষের মধ্যেই আছে, ব্যাপারটা তা নয়।

হাতির ছানারাও এটা করে।

ওরা আঙুল চুষতে পারে না।

তার বদলে ওরা চোষে শুঁড়।

যখন একা থাকে, ক্ষুধা লাগে কিংবা খেলতে খেলতে মনের অজান্তেই ওরা শুঁড় চোষে।

বড় হলে একসময় এই বাজে অভ্যাসটা ওরা ভুলে যায়।

Hati

বাজে অভ্যাস কেন বলছি জানো?

কারণ, এটা করলে পেটে জীবাণু চলে গিয়ে গোলমাল বাধাতে পারে বলে।

তাই, তুমি বা তোমার আশপাশে কেউ যদি এখন আঙুল চোষে, তাহলে তাকে বিরত রাখার চেষ্টা করা উচিত।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

ধনধান্য পুষ্পভরা

ধনধান্য পুষ্পভরা

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানী সে যে-আমার জন্মভূমি।

ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা

তাহার মাঝে আছে দেশ এক- সকল দেশের সেরা;

সে যে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা;

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,

সকল দেশের রানী সে যে-আমার জন্মভূমি।

চন্দ্র-সূর্য গ্রহ তারা, কোথায় উজল এমন ধারা!

কোথায় এমন খেলে তড়িৎ এমন কালো মেঘে!

ও তার পাখির ডাকে ঘুমিয়ে পড়ি পাখির ডাকে জেগে।

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি

সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।

এত স্নিগ্ধ নদী কাহার, কোথায় এমন ধুম্র পাহাড়;

কোথায় এমন হরিৎক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে।

এমন ধানের ওপর ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে।

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি

সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।

পুষ্পে পুষ্পে ভরা শাখী; কুঞ্জে কুঞ্জে গাহে পাখি

গুঞ্জরিয়া আসে অলি পুঞ্জে পুঞ্জে ধেয়ে-

তারা ফুলের ওপর ঘুমিয়ে পড়ে ফুলের মধু খেয়ে।

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি

সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।

ভায়ের মায়ের এমন স্নেহ কোথায় গেলে পাবে কেহ?

ওমা তোমার চরণ দুটি বক্ষে আমার ধরি,

আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি-

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি

সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন

চকলেটের মোটরসাইকেল

চকলেটের মোটরসাইকেল

চকলেট দিয়ে তৈরি করেছে মোটরসাইকেল

মোটরসাইকেল তৈরিতে লেগেছে ৭ কেজি চিনি, ৭ কেজি মাখন, ১২৪টা ডিম, ৭ কেজি ময়দা, ৩১ চামচ বেকিং পাউডার, ২ কেজি তরল গ্লুকোজ আর ৬০ কেজি ডার্ক চকলেট।

সামনে চকলেট পেলে আমরা সবাই গপাগপ করে খেয়ে ফেলি, তাই না?

ইংল্যান্ডে এক খালামণি আছেন। তিনি আমাদের মতো না।

চকলেট পেলে তিনি সেটা না খেয়ে দারুণ সব জিনিস বানান।

সম্প্রতি তিনি কি বানিয়েছেন জানো?

চকলেটের মোটরসাইকেল।

খালামণিটার নাম প্রুডেন্স স্টেইট।

মোটরসাইকেল বানানোর আগে এক মাস ধরে পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

তারপর সংগ্রহ করেছেন নানা উপাদান।

৭ কেজি চিনি, ৭ কেজি মাখন, ১২৪টা ডিম, ৭ কেজি ময়দা, ৩১ চামচ বেকিং পাউডার, ২ কেজি তরল গ্লুকোজ আর ৬০ কেজি ডার্ক চকলেট লেগেছে এটা বানাতে।

আর সময়?

পুরো ১৫ দিন কঠোর পরিশ্রম শেষে চকলেটগুলো মোটরসাইকেলের আকৃতি পেয়েছে।

মোটরসাইকেল বানানোর পর সবাই মিলে সেটা চেটেপুটে খেয়েছেন।

আচ্ছা, তুমি এটা হাতের কাছে পেলে কী করতে?

আরও পড়ুন:
গাধার কান
পণ্ডশ্রম
খোকার সাধ
শিশুর পণ
হনহন পনপন

শেয়ার করুন