× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অনুসন্ধান
যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা আনার নেপথ্যে কারা?
google_news print-icon

যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা আনার নেপথ্যে কারা?

যুক্তরাষ্ট্র-থেকে-টিকা-আনার-নেপথ্যে-কারা?
বাম থেকে নেফ্রলজিস্ট প্রফেসর ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ সাদেক, কার্ডিওলজিস্ট প্রফেসর ডা. মাসুদুল হাসান, সাবেক সিনিয়র ইউএন অফিসিয়াল মাহমুদ উস শামস চৌধুরী ও কার্ডিওলজিস্ট প্রফেসর ডা. চৌধুরী হাফিজ আহসান।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে টিকা পাওয়ার পেছনের কথা জানতে নিউজবাংলা কথা বলেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ডা. মাসুদুল হাসানের সঙ্গে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্যও নিয়েছে নিউজবাংলা।

টিকার জোগান নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তি নিয়ে এসেছে কোভ্যাক্স। বিশ্বজুড়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে গড়ে তোলা প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উৎপাদক প্রতিষ্ঠান মডার্নার ৫৫ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা এসেছে দেশে।

কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অন্তত আট কোটি ডোজ টিকা সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের। এর মধ্যে প্রথম ধাপে দেয়া হচ্ছে আড়াই কোটি ডোজ। আর সেখান থেকেই বাংলাদেশ পাচ্ছে ৫৬ লাখ ডোজ টিকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব টিকা পাওয়ায় জন্য সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে কাজ করেছেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (গ্যাভি) এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের (সিইপিআই) উদোগে গড়ে তোলা হয়েছে কোভ্যাক্স প্ল্যাটফর্ম। কোভ্যাক্সের আওতায় বিভিন্ন দেশে টিকা বিতরণে সহযোগিতা করছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ।

মূলত স্বল্প ও মধ্য আয়ের দেশগুলোকে ধনী দেশগুলো বিনা মূল্যে টিকা সরবরাহ করবে- এমন লক্ষ্যে গত বছরের এপ্রিলে গঠিত হয় কোভ্যাক্স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গত বছরের আগস্টের তথ্য অনুযায়ী, কোভ্যাক্স উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে ১৭২টি দেশ এবং টিকা উৎপাদক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এসব দেশের একটি অংশ টিকা গ্রহীতা এবং বাকিরা দাতার ভূমিকা পালন করছে।

কোভ্যাক্সের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া টিকা বিভিন্ন দেশ কীভাবে এবং কতটা পরিমাণে পাবে, তা ঠিক করতে একটি ‘ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটি’ করেছে বাইডেন প্রশাসন। বিভিন্ন দেশে টিকা সরবরাহের একটি পরিকল্পনাও জুনের শুরুতে প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। তাতে দেখা গেছে, কোভ্যাক্সের আওতায় প্রথম ধাপে আড়াই কোটি টিকা বাংলাদেশসহ ৪০টির বেশি দেশে সরবরাহ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় এসব দেশকে বাছাই করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটি, যেখানে প্রতিনিধি রয়েছেন ১৮ দেশের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই কমিটিতে শুরুতে বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। তবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের তৎপরতায় পরে এই কমিটিতে যুক্ত হন কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. চৌধুরী হাফিজ আহসান।

যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে ডা. হাফিজকে যুক্ত করতে জোর প্রচেষ্টা চালানো প্রবাসীদের মধ্যে সামনের সারিতে ছিলেন আরও তিন বাংলাদেশি-আমেরিকান। তারা হলেন কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মাসুদুল হাসান, নেফ্রলজিস্ট অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ সাদেক এবং সাবেক সিনিয়র ইউএন অফিশিয়াল মাহমুদ উস শামস চৌধুরী।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা আনার নেপথ্যে কারা?


যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে টিকা পাওয়ার পেছনের কথা জানতে নিউজবাংলা কথা বলেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ডা. মাসুদুল হাসানের সঙ্গে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্যও নিয়েছে নিউজবাংলা।

ডা. মাসুদুল হাসান নিউজবাংলাকে জানান, বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে মডার্না ও ফাইজারের টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করতে আমেরিকান চার চিকিৎসকের সরাসরি অবদান ছিল। এ ছাড়া অনেক বড় ভূমিকা রেখেছেন আমেরিকায় অবস্থান করা বাংলাদেশিরা। বাইডেন প্রশাসনের কাছে আমরা একটি তালিকা দিয়েছিলাম, সেখানে আমেরিকায় অবস্থান করা বাঙালিদের স্বাক্ষর ছিল।

‘এ ছাড়া বড় ভূমিকা পালন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম। ওনারও অনেক চেষ্টা করেছেন, তবে বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটি তালিকায় যুক্ত করার কাজটি সরাসরি আমরা চার চিকিৎসক করেছি।’

টিকা পাওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্যোগ তুলে ধরে ডা. মাসুদুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশে টিকাসংকট দেখা দেয়ার পর সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে জোগান নিশ্চিতে কাজ শুরু করে। এর অংশ হিসেবে তিন মাস আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন আমাকে ফোন করে বলেন, আপনারা একটু চেষ্টা করে দেখেন কিছু করতে পারেন কি না। তখন থেকেই প্রফেসর ডা. চৌধুরী হাফিজ আহসানের নেতৃত্বে আমরা চার চিকিৎসক টিকা নিশ্চিতের কাজ করেছি।’

ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে বাংলাদেশ কীভাবে অন্তর্ভুক্ত হলো, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল বাইডেন প্রশাসনের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে ঢোকা। কাজটি খুবই কঠিন ছিল আমাদের জন্য। কমিটিতে ঢুকতে না পারলে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ ছিল না।

‘সিনেটর ক্যাথরিনের ব্যক্তিগত কার্ডিওলজিস্ট হলেন ডা. হাফিজ। ক্যাথরিনের মাধ্যমে আমরা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের শরণাপন্ন হই। কমলা হ্যারিস ও ক্যাথরিনের আন্তরিক সহযোগিতায় ডা. হাফিজ কমিটিতে ঢুকতে সক্ষম হন।’

বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রে সম্প্রতি ডা. মাসুদুল হাসানকে উদ্ধৃত করে লেখা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের টিকা পাবে এমন দেশের সংখ্যা মাত্র ১৮টি। এই তালিকায় শুরুতে বাংলাদেশের নাম ছিল না, তবে ডা. হাফিজ পরে ওই তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. মাসুদুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পত্রিকাটি আমার বক্তব্য মিসকোট করেছে। কোভ্যাক্সের আওতাভুক্ত সব দেশই আমেরিকার টিকা পাবে। তবে কোন দেশ কত পরিমাণ টিকা পাবে এবং কখন পাবে, সেটা নির্ধারণ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটি। টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোভ্যাক্সের সদস্যদেশের সংখ্যা অনেক হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যাকসিন ডিস্ট্রিবিউশন কমিটিতে ১৮টি দেশ যুক্ত হয়েছে। এই টিম নির্ধারণ করবে কারা, কখন, কী পরিমাণ টিকা পাবে। আমাদের সৌভাগ্য হচ্ছে, এই ১৮টি দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।’

কোভ্যাক্সের আওতায় ফেব্রুয়ারিতে প্রথম বিনা মূল্যে টিকা পায় ঘানা। এরপর থেকে বাংলাদেশ, ব্রাজিল, ইথিওপিয়া, ফিজিসহ বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে টিকা বিতরণ করেছে কোভ্যাক্স। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও অনুদান হিসেবে টিকা সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, সুইডেনসহ প্রায় ৩০টি দেশ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আসা টিকার বিষয়ে ডা. মাসুদুল হাসান বলেন, ‘এটা আমেরিকার উপহার হিসেবে আসছে। তবে কোভ্যাক্স শুধু ক্যারি করছে। আপনারা জানেন মডার্নার টিকা আমেরিকায় উৎপাদন হচ্ছে। এই টিকাটা তারা আমাদের বিনা মূল্যে দিচ্ছে, এমনকি পরিবহন খরচও বিনা মূল্যে হওয়ার কথা। তবে পরিবহন খরচ দিতে হচ্ছে কি না, সেটা সরকার ভালো বলতে পারবে।’

চলতি বছরের শুরুতে কোভ্যাক্স বিভিন্ন দেশে টিকা বণ্টনের যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে জুনের শেষ নাগাদ বাংলাদেশের ১ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ডোজ কোভিড-১৯ টিকা পাওয়ার কথা ছিল। এই টিকার বড় অংশ ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে সংগ্রহ করার কথা ছিল। তবে ভারত সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় কোভ্যাক্স সময়মতো টিকা সংগ্রহ করতে পারেনি।

আমেরিকার টিকা পেতে সরকারের তৎপরতা ফেব্রুয়ারি থেকে

দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে গণটিকা কার্যক্রম শুরু করে সরকার। তবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট রপ্তানি স্থগিত রাখায় এই টিকাদান পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় রোজার ঈদের পর।

সংকট এড়াতে বছরের শুরুর দিক থেকেই বিকল্প উৎস খোঁজার কথা জানিয়েছে সরকার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন নিউজবাংলাকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা আনতে ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হয় আলোচনা।

তিনি বলেন, ‘জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ফেব্রুয়ারিতে বাইডেন প্রশাসনের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাই। তখনও ভারত থেকে সিরামের টিকা পেতে তেমন কোনো সংকট দেখা যায়নি। প্রতি মাসে তারা আমাদের ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ ছিল। তবু আমি যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে টিকার বিষয়ে আলাপ করি। সেবার এ নিয়ে আমার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিনকেন, সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান বব মেনেন্দেজসহ আরও কয়েকজন সিনেটরের বৈঠক হয়।

‘আমি সব বৈঠকেই কোভিডের ভয়াবহতার কথা তুলে ধরে টিকা বিষয়ে সহায়তা চাই। এরপর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে (৯ এপ্রিল) ঢাকায় আসেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক উপদেষ্টা জন কেরি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাইডেনের আমন্ত্রণপত্র তুলে দিতে আসেন তিনি। আমার সঙ্গে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার বৈঠক হয়। তখন টিকা নিয়ে ভারত সমস্যায় পড়তে শুরু করেছে। আমি সে সময় টিকার বিষয়ে তার সহায়তা চাই।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৬ মে টিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারের সঙ্গে আমার জরুরি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে আমি জরুরি ভিত্তিতে দুই কোটি ডোজ টিকা চাই। এর মধ্যে দেশের চলমান টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তত ৪০ লাখ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা চাওয়া হয়।’

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের হাতে থাকা ৬০ মিলিয়ন ডোজ টিকা বিভিন্ন দেশকে দিতে রাজি হলো, তখন বাংলাদেশের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কম ছিল। এ কারণে তাদের তালিকায় তখন বাংলাদেশের নাম ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার ছিল ভারত, ব্রাজিল ও নেপাল। কারণ দেশগুলোতে কোভিড ভয়াবহতায় রোমহর্ষক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

‘তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিলার আমাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় কমিউনিটি খুবই শক্তিশালী। তারা বাইডেনের নির্বাচনে প্রচুর খরচ করছেন। তারা চায় আগে যুক্তরাষ্ট্র ভারতে টিকা পাঠাক। তাদের কারণেই বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশে মৃত্যুহার কম থাকায় টিকা দিতে পারছে না। তিনি তখন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি কমিউনিটিকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।’

প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তরিকতার প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এরপরই আমি আমাদের কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ করি। আমরা টিকা পেতে মরিয়া ছিলাম। বিশ্বের প্রতিটি কোনায় টিকা পেতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা পেতে আমাদের প্রবাসী ভাইবোনেদের অবদান অস্বীকার করার নয়। তারা স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। হোয়াইট হাউসে সেই স্বাক্ষর জমা দিয়েছেন, সর্বোচ্চ লবিং চালিয়েছেন। তারা সরকারের পক্ষে বড় প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করেছেন।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা আনার নেপথ্যে কারা?


যা বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের বাইরে থেকে টিকা বা অন্য কোনো চিকিৎসাসামগ্রী আনতে হলে নিয়ম অনুসারে আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করি। এরপর তারাই সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো দেশের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পন্ন করে জানালে, তখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ম মেনে ক্রয় প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়। তবে প্রাথমিক যোগাযোগের কাজটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করে থাকে।’

তিনি বলেন, ‘টিকার মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বা আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক যেটাই হোক না কেন, সেটা রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক। সেখানে ব্যক্তি মানুষের ভূমিকা সহায়ক হতে পারে, তবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের ভূমিকাই সর্বোচ্চ।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অনুসন্ধান
Marginal voice ushers in new era in Ansar VDPs PR Information Minister

আনসার-ভিডিপির জনসংযোগে ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ নতুন যুগের সূচনা: তথ্যমন্ত্রী

আনসার-ভিডিপির জনসংযোগে ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ নতুন যুগের সূচনা: তথ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন সংগ্রাম, সাফল্য, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বহুমাত্রিক অবদানকে জাতীয় পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্যে বাহিনীর নতুন মিডিয়া সেল ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে

বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মিডিয়া সেলটির উদ্বোধন করেন। তিনি ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’-কে সরকারের উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং মাটি ও মানুষের কল্যাণে বাহিনীর কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে অভিহিত করেন।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিশাল সদস্যশক্তিকে প্রচলিত কর্মকাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবর্তনশীল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, প্রযুক্তিনির্ভর ও গতিশীল কর্মধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, বাহিনীর প্রায় ৬০ লাখ সদস্যকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা, সক্ষমতা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে আরও কার্যকরভাবে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আনসার ও ভিডিপি একটি আরও আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে। এ লক্ষ্য অর্জনে ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ একটি সময়োপযোগী ও দূরদর্শী উদ্যোগ, যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া মানুষের অবদান তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, আজকের আয়োজন কেবল একটি মিডিয়া সেলের উদ্বোধন নয়; বরং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্য ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করার নতুন সূচনা। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাহিনীর ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করবে এবং সরকারের আস্থাশীল অংশীদার হিসেবে বাহিনীর কার্যক্রমকে নতুন মাত্রা প্রদান করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ সত্য, নির্ভুল ও যাচাইকৃত তথ্য প্রচারের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে বাহিনীর সাফল্য, উদ্ভাবন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, আনসার ও ভিডিপির বিশাল জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সরকারের আর্থসামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরও সুসংগঠিত ও গতিশীলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর সদস্যদের অবদান, প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম, সাফল্যের গল্প এবং বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও বাস্তব চিত্র রয়েছে, যা মূলধারার সংবাদমাধ্যমে সবসময় স্থান পায় না। ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ সেইসব তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্যভিত্তিক যোগাযোগ জোরদার এবং জনগণ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেও এ প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানে বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশিদ, উপমহাপরিচালকবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হয়। ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’-এর যাত্রা বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্যপ্রবাহকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনমুখী করে তোলার পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

অনুসন্ধান
Conspiracy against BNP I am with Trinamool leaders and activists Deepen Dewan

বিএনপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, আমি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আছি: দীপেন দেওয়ান

বিএনপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, আমি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আছি: দীপেন দেওয়ান ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান পদত্যাগের প্রায় এক মাস পর নিজ নির্বাচনী এলাকা রাঙামাটিতে এসে দলীয় নেতাকর্মীদের সংবর্ধনায় সিক্ত হয়েছেন।

বুধবার (১ জুলাই) রাঙামাটিতে পৌঁছালে জেলার প্রবেশদ্বার বেতবুনিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল, স্লোগান ও ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। পরে গাড়িবহরসহ তিনি শহরের কাঠালতলীস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে আবেগঘন পরিবেশে নেতাকর্মীদের সংবর্ধনার জবাবে বক্তব্য রাখেন তিনি।

দীপেন দেওয়ান বলেন, "বিএনপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি সেই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান, তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তাঁর নেতৃত্বে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমি এগিয়ে যেতে চাই।"

মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের ঘটনায় হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি এখনো সংসদ সদস্য আছি। আপনাদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধানে আগের মতোই কাজ করে যাব।"

তিনি আরও বলেন, "বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। দলের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।" এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, গত ১ জুন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এরপর তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অংশ নেন।

সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় তিন মাসের মাথায় তাঁর পদত্যাগ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে তাঁর পদত্যাগ প্রত্যাহার করে পুনর্বহালের দাবিতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও আন্দোলন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মন্তব্য

অনুসন্ধান
Good relations with one country will not affect relations with other countries Minister of State for External Affairs

এক দেশের সাথে ভাল সম্পর্ক অন‍্য দেশের সাথে সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

এক দেশের সাথে ভাল সম্পর্ক অন‍্য দেশের সাথে সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

সব দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনন‍্য। এক দেশের সাথে ভাল সম্পর্ক হলে তা অন‍্য দেশের সাথে সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না-বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সব দেশের সাথে সু সম্পর্ক রেখে আমাদের দেশের স্বার্থ হাসিল করা। বুধবার (১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামিনীর জানাযায় অংশ নিতে স্পিকারের ইরান গমনের বিষয়টি ঢাকা ও তেহরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন। বিরোধী দলের কেউ ইরানে ব্যক্তিগতভাবে গেলে এটি তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। বিগত ১৭ বছরে যে দেশগুলোতে টাকা পাচার হয়েছে সে নামগুলো আপনারাও জানেন। সে সকল দেশের সাথে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও জোরদার আছে।

তিনি আরও বলেন, দশটি দেশ থেকে পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে বাংলাদেশের সাথে যে চুক্তি এটি আমাদের জন্য বড় অগ্রগতি। টাকা ফেরতের বিষয়ে একটি প্রপার মেকানিজম আছে। এটা রাতারাতি হওয়ার মতো কোন বিষয় না। টাকা ফেরতের কাজ চলমান আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, চীন আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে শক্তিশালী অংশীদার। তাদের সাথে আমাদের দেশের সম্পর্ক বরাবরই ভাল ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের মধ্য দিয়ে তা আরো জোরদার হয়েছে। আমরা আমাদের দেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ার আশা করছি।

চীনের প্রস্তাবিত টু প্লাস টু বৈঠক ও করিডোরের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ। দেশের স্বার্থ রক্ষা হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য

অনুসন্ধান
The association condemned the planned disinformation campaign against the police

পুলিশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে, অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা

পুলিশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে, অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা ফাইল ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি শামীমা পারভীন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ, পেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্য ছড়িয়ে দ্রুত ভাইরাল করা হচ্ছে।

অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। এরপর দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পুলিশ বাহিনী নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়ে বাহিনীর কার্যক্রম, জনসেবা ও পেশাদারিত্ব জোরদার করার এই কার্যকলাপে বাধা সৃষ্টি করতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, অপপ্রচারকারী চক্রটি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে একযোগে মিথ্যা ও গুজব সম্বলিত পোস্ট তৈরি করে তা দ্রুত ভাইরাল করছে। বিশেষ করে বিগত সময়ে বৈষম্যের শিকার যেসব দক্ষ, সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা বর্তমানে দুর্নীতি, অপরাধ ও অনিয়ম দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন, তারাই বেশি এই অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন। এর উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যরা নতুন উদ্যমে যেন কাজ করতে না পারেন এবং বাহিনীর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

আইন ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি কেবল ব্যক্তিগত সুনামহানির চেষ্টা নয়, বরং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র। এই ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ইতোমধ্যেই কঠোর নজরদারি শুরু করেছে।

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আশা প্রকাশ করেছে, এই ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি রুখে দিয়ে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইন প্রয়োগে আরও কঠোর ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

মন্তব্য

অনুসন্ধান
"Dhaka University is the only institution in the world that gave birth to a nation"

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যা একটি দেশের জন্ম দিয়েছে”

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান, যা একটি দেশের জন্ম দিয়েছে” ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা একটি দেশের জন্ম দিয়েছে। এমন মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সবার সহযোগিতা চান তিনি।

অনুষ্ঠানের উপস্থিত অতিথিরা বলেন, দেশ বিনির্মাণে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিদেশেও গৌরবজ্জ্বল অবদান রাখছেন তারা।

এ সময় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বড় অর্জন হল, ক্যাম্পাসে এখন সব সংগঠন সমানভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে, শূন্যে নেমে এসেছে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসবাদ।

মন্তব্য

অনুসন্ধান
The top leadership of the opposition party on a platform to solve the civic problems in the capital

রাজধানীতে নাগরিক সমস্যা সমাধানে এক মঞ্চে সরকারি-বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃত্ব

রাজধানীতে নাগরিক সমস্যা সমাধানে এক মঞ্চে সরকারি-বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-১৫ আসনের দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যা সমাধানে এক মঞ্চে দাঁড়িয়েছেন সরকারি দল ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা। বুধবার (১ জুলাই) সকালে মিরপুর ও শেওড়াপাড়ার চারটি স্থানে পৃথক মতবিনিময় সভায় এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখা যায়। সভায় এলাকার তীব্র পানি ও গ্যাস সংকট নিরসন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ এবং কিশোর গ্যাং দমনে জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৯টায় পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ৩ নম্বর গলিতে প্রথম আনুষ্ঠানিক পরিদর্শন শুরু হয়। পরে নেতারা পূর্ব মনিপুর বাইতুর রহিম জামে মসজিদ এলাকা, বাইশটেকী সরকার বাড়ি মোড় (৪ নম্বর ওয়ার্ড) এবং ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন। তারা স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে পানি সংকট, গ্যাস সমস্যা, ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও পশ্চিম শেওড়াপাড়া খালের অবৈধ দখল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অভিযোগ শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগের বিষয়ে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে আমার কথা শুনেছেন এবং রেখেছেন। এরই আলোকে আজ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সরকারি দল ও বিরোধী দল আমরা একত্রে এলাকার সমস্যা সমাধানে মিলিত হয়েছি এবং জনগণের সহায়তায় আমরা সকল সমস্যার সমাধান করব ইনশাল্লাহ।

এলাকার সংকটের কথা তুলে ধরে জামায়াতের আমির আরও বলেন, এলাকায় তীব্র পানির সংকট রয়েছে, গ্যাসের সমস্যা ও কিশোর গ্যাংয়ের সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। তবে এই সমস্যা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব না। এই সমস্যা সমাধানে সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে জনগণের সহায়তায় সমাধান করা হবে। জনগণ যদি এগিয়ে না আসে, তাহলে কোনোদিনও এই সমস্যা সমাধান করা যাবে না।

এলাকার প্রতিটি নাগরিককে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকারকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি। একই সাথে, এই জনকল্যাণমুখী মতবিনিময় সভা আয়োজনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই তারা ডিএনসিসির পুরো টিমকে নিয়ে জনগণের অভাব ও অভিযোগ শুনতে এসেছেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে ঢাকা-১৫ আসনের সকল সমস্যা সমাধান করা হবে এবং সরকারি ও বিরোধী দল মিলে উন্নত ঢাকা গড়ে তুলবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন নিয়মিত কাজ করছে। ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিজে নিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি ডেঙ্গু ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

এ সময় পশ্চিম শেওড়াপাড়া ও মনিপুরী পাড়ার দীর্ঘদিনের পানির সমস্যা সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে পাঁচটি পানির পাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাম্পগুলোর জন্য দ্রুত স্থান নির্ধারণ করতে স্থানীয় জনগণকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান নেতারা।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বিরোধীদলীয় নেতা, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এবং ডিএনসিসি প্রশাসক প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন।

মতবিনিময় সভায় ওয়াসার এমডি, তিতাসের এমডি, উত্তর সিটি করপোরেশনের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অনুসন্ধান
Decision to set up 4 Police Stations 6 Investigation Centers and 2 Police Lines of DMP IGP

নতুন করে ডিএমপির ৪ থানা ৬ তদন্ত কেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের সিদ্ধান্ত: আইজিপি

নতুন করে ডিএমপির ৪ থানা ৬ তদন্ত কেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের সিদ্ধান্ত: আইজিপি ছবি: সংগৃহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) চারটি থানা, ছয়টি তদন্ত কেন্দ্র ও দুটি পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনটি ডিসি অফিস, ৪১টি পুলিশ বক্স এবং স্বতন্ত্র ডিএমপি বিভাগ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। বুধবার (১ জুলাই) সকালে পূর্বাচলে পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য দেন তিনি।

আইজিপি আলী হোসেন ফকির জানান, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) চারটি থানা, ছয়টি তদন্ত কেন্দ্র এবং দুটি পুলিশ লাইনস স্থাপনের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়াও তিনটি ডিসি অফিস স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসবের পাশাপাশি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের বিভিন্ন সেক্টরে ৪১টি পুলিশ বক্স স্থাপনের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

আইজিপি আরও জানান, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প ডিএমপির অধীনে এনে এখানে ডিএমপির অন্যান্য বিভাগের মতো একটি স্বতন্ত্র বিভাগ সৃষ্টি করে একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনানের তত্ত্বাবধানে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, ‘পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের জন্য পুলিশের প্রায় ৬ হাজার ৫২৪ জন জনবল সৃষ্টির প্রস্তাব বিবেচনায় রাখা হয়েছে।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে পুলিশের অনুকূলে ২৯.২১ একর জমি বরাদ্দের মধ্যে ১৮.৬৩ একরের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে পূর্বাচলকে ডিএমপির আওতায় এনে একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক বিভাগ গঠন এবং প্রায় ৬ হাজার ৫২৪ জন জনবল সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা ও স্থানীয়রা।

মন্তব্য

p
উপরে