× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Election tension in Pakistan controlled Kashmir
google_news print-icon

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত-কাশ্মীরে-নির্বাচন-ঘিরে-উত্তেজনা-
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে পতাকা হাতে এক তরুণ। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর) নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। সেখানে আইনসভা নির্বাচনে ১২টি আসন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারত-শাসিত কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানে চলে যাওয়া শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত এই আসনগুলো বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)। তবে সরকার বলছে, সংবিধান সংশোধন ছাড়া এসব আসন বাতিলের সুযোগ নেই।

দীর্ঘদিনের বিক্ষোভ, সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই অঞ্চলটিতে আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৪৫ আসনের আইনসভা নির্বাচন তিন ধাপে ভাগ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, মিরপুর বিভাগে নির্ধারিত সময়েই ভোট হচ্ছে। মুজাফফরাবাদ বিভাগ ও শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২ আসনে ভোট হবে আগামী ২ আগস্ট। আর সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ পুঞ্চ বিভাগে ভোট হবে আগামী ১০ আগস্ট।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে গত জুনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি, সড়ক অবরোধ ও ধর্মঘটও হয়েছে। ব্যাংক বন্ধ ছিল প্রায় দুই সপ্তাহ। অধিকাংশ এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা এখনো সীমিত বা বন্ধ রয়েছে।

ভারতের সীমান্তবর্তী পুঞ্চ বিভাগে অস্থিরতা সবচেয়ে বেশি। কয়েক সপ্তাহ ধরে কার্যত বিচ্ছিন্ন থাকা এই অঞ্চলে আটা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া জেএসিসিকে গত ৫ জুন স্থানীয় সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সংগঠনটির নেতাদের কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন, কেউ আত্মগোপনে আছেন। আবার কেউ কেউ রাওয়ালাকোটে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুরুতে ভর্তুকি মূল্যে আটা, কম দামে বিদ্যুৎ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুবিধায় স্থানীয়দের অংশীদারত্বের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও পরে এর দাবি বেড়ে ৩৮ দফায় দাঁড়ায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত দাবি হলো শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আইনসভা আসন বাতিল করা।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের আইনসভায় মোট ৪৫টি নির্বাচিত আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি আসনে ওই অঞ্চলের ভৌগোলিক এলাকার ভোটাররা ভোট দেন। বাকি ১২টি আসন ভারত-শাসিত কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানে চলে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত।

এই ভোটাররা লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি ও শিয়ালকোটসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বসবাস করেন। এ বছর এই ১২ আসনের নির্বাচনী এলাকায় নিবন্ধিত ভোটার প্রায় ৪ লাখ ৩৯ হাজার।

জেএএসি বলছে, পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের আইনসভা নির্বাচনে ওই অঞ্চলের বাইরে বসবাসকারী ভোটারদের জন্য আসন রাখা গণতান্ত্রিকভাবে অযৌক্তিক। সংগঠনটির নেতাদের দাবি, এসব আসনের ভোটাররা আইনসভার আওতাধীন এলাকায় বসবাস করেন না।

তবে সাবেক প্রধান বিচারপতি চৌধুরী মুহাম্মদ ইব্রাহিম জিয়া এ দাবির বিরোধিতা করেছেন। তার মতে, শরণার্থীদের প্রতিনিধিত্বের ঐতিহাসিক ও সাংবিধানিক ভিত্তি রয়েছে। ১৯৪৭ সালের পর থেকে বিভিন্ন আইন ও সাংবিধানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে এই প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

গেল জুনে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। আদালত জানায়, ১২টি আসন সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। তাই নির্বাহী আদেশ বা জনচাপের মাধ্যমে এগুলো বাতিল করা যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন হবে আনুষ্ঠানিক সাংবিধানিক সংশোধন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি জিয়া বলেন, ‘নতুন আইনসভা নির্বাচিত হওয়ার আগে এ ধরনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করার সুযোগও নেই। সরকারের পক্ষ থেকেও একই অবস্থান জানানো হয়েছে।’ পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ফয়সাল মুমতাজ রাথোর বলেছেন, ১২টি আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেবল নির্বাচিত আইনসভার প্রতিনিধিদের রয়েছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফও বলেছেন, আসনগুলোর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত ভোটারদের মাধ্যমে হওয়া উচিত, রাস্তায় আন্দোলনের চাপের মাধ্যমে নয়। জেএএসি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। সংগঠনটির নেতারা সমর্থকদের ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, ১২টি আসনের বিতর্ক শুধু একটি নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন, রাজনৈতিক ক্ষমতা ও পাকিস্তানের কাশ্মীর নীতিও জড়িত।

সমালোচকদের অভিযোগ, মুজাফফরাবাদের নির্বাচিত নেতৃত্বের হাতে প্রকৃত ক্ষমতা সীমিত। পাকিস্তানের আমলাতন্ত্র, সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা কাঠামো অঞ্চলটির রাজনীতিতে বড় প্রভাব রাখে বলে তাদের দাবি।

কানাডাভিত্তিক কাশ্মীরি রাজনীতি ও বাস্তুচ্যুতিবিষয়ক গবেষক এরশাদ মাহমুদের মতে, স্থানীয় নেতৃত্ব নিজেদের জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা করার মতো পর্যাপ্ত ক্ষমতা রাখে না। পাকিস্তানের অবস্থান হলো, শরণার্থীদের প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা ঐতিহাসিকভাবে কাশ্মীরের বৃহত্তর দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, এই ১২ আসনের মাধ্যমে পাকিস্তান পুরো জম্মু ও কাশ্মীরের প্রতিনিধিত্বের দাবি বজায় রাখতে চায়।

১৯৪৯ সালের জাতিসংঘের একটি প্রস্তাব অনুযায়ী কাশ্মীরের চূড়ান্ত মর্যাদা অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণের কথা ছিল। প্রায় ৮০ বছর পরও সেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়নি।

এই দীর্ঘ অমীমাংসিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যেই পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে নির্বাচন হচ্ছে। ফলে ১২টি আসন নিয়ে বিতর্ক এখন শুধু স্থানীয় রাজনৈতিক ইস্যু নয়; এটি অঞ্চলটির গণতন্ত্র, স্বায়ত্তশাসন ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্ষমতার কাঠামো নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলেছে।

শুরুতে ভর্তুকি মূল্যে আটা, কম দামে বিদ্যুৎ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুবিধায় স্থানীয়দের অংশীদারত্বের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও পরে এর দাবি বেড়ে ৩৮ দফায় দাঁড়ায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত দাবি হলো শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আইনসভা আসন বাতিল করা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Gulf countries agree to allow Iran to collect tolls

ইরানকে টোল আদায়ের সুযোগ দিতে রাজি উপসাগরীয় দেশগুলো

ইরানকে টোল আদায়ের সুযোগ দিতে রাজি উপসাগরীয় দেশগুলো ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের ফলে স্থবির হয়ে পড়া বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্য স্বাভাবিক করতে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে ওমান। ওমানের তৈরি করা একটি প্রস্তাবনায় সমর্থন জানিয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো। প্রস্তাব অনুযায়ী, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী জাহাজগুলো থেকে ইরান ‘স্বেচ্ছামূলক ফি’ সংগ্রহ করতে পারবে। বিশ্বখ্যাত বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কী রয়েছে ওমানের প্রস্তাবে?

ওমান ও ইরান—উভয় দেশই হরমুজ প্রণালীর উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী: হরমুজ প্রণালী পরিচালনায় কোনো একক কর্তৃত্ব থাকবে না; ওমান ও ইরান যৌথভাবে প্রণালীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবে।

প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর ওপর বাধ্যতামূলক ফি আরোপের পরিবর্তে ‘স্বেচ্ছামূলক ফি’ আদায় করা হবে।

এ ব্যবস্থাটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ‘মালাক্কা প্রণালী’র মডেলে তৈরি, যেখানে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর পরিবেশ সুরক্ষা, নেভিগেশন সুবিধা এবং উদ্ধার কাজের জন্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর কাছ থেকে স্বেচ্ছামূলক সহায়তা ফি গ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান

বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি সরবরাহ হয় এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলার জবাবে ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজের জন্য প্রণালীটি কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো ধরনের বাধ্যতামূলক ফি আদায় বেআইনি। ওয়াশিংটন যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতি বজায় রেখে সব ধরনের ফি ছাড়া অবাধ জাহাজ চলাচলের পক্ষে। অন্যদিকে ইরান দাবি জানিয়েছিল তারা উপকূলীয় দেশ হিসেবে প্রণালীটি পরিচালনা করবে এবং সার্ভিস ফি নেবে। ওমানের প্রস্তাবিত ‘স্বেচ্ছামূলক ফি’ উভয়পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তিতে একটি নমনীয় সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনীতিবিদরা।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর টানা দুই সপ্তাহের বোমাবর্ষণ সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে সংকট সমাধানে আলোচনা চলছে। যদিও তেহরান ওয়াশিংটনের সাথে সরাসরি নতুন কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে, তবে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ওমান ও সৌদি আরবের সাথে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Trump threatens to attack Iran

ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া নতুন আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের কঠোর হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২৭ জুলাই) মিশিগানে যাওয়ার পথে এই হুমকি দেন তিনি।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে ভালো ও গভীর আলোচনা চলছে। কিন্তু ইরান পাল্টা দাবি করেছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চললেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা হচ্ছে না।

চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে নতুন করে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর জুনে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা হলেও, হরমুজ প্রণালীতে তেল ট্যাংকার হামলা ও সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে গত জুলাইয়ের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং ১৩ জুলাই থেকে মার্কিন বাহিনী আবারও নতুন করে বিমান হামলা ও সামরিক পদক্ষেপ শুরু করে।

টানা ১৩ রাত হামলার পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান স্থগিত করে। টানা চার দিনের মতো সোমবারও মার্কিন হামলা স্থগিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই তিনি হামলা স্থগিত করেছেন।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোলাবারুদের মজুত ও অন্যান্য সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিণতি নিয়ে তার উদ্বেগ তুলে ধরেন। এ বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উপস্থিতি ছিলেন। তারা দুজনই নতুন হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ইরানে হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ হওয়ায় ইরানও পাল্টা হামলা স্থগিত রেখেছে। তেহরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতে রয়েছে। ওমানের সঙ্গে মিলে নৌযান চলাচলের নতুন ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে, যার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পর্ক নেই।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The Yogi government wants to destroy the university established by the Muslim leader

মুসলিম নেতার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় গুঁড়িয়ে দিতে চায় যোগী সরকার

মুসলিম নেতার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় গুঁড়িয়ে দিতে চায় যোগী সরকার ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রামপুরে মোহাম্মদ আলী জওহর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টি ভবনের মধ্যে ৩৮টিই গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রশাসনিক নির্দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক ছাত্ররা। তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করছেন তারা। আন্দোলনকারীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই সংখ্যালঘু এই প্রতিষ্ঠানটিকে নিশানা করেছে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের বিজেপি সরকার।

তবে রামপুর জেলা প্রশাসন অভিযোগ করেছে, ভবনগুলো অবৈধভাবে ও নিয়ন্ত্রক নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে নির্মাণ করা হয়েছে। গত ১৫ জুলাই রামপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) এক নোটিশে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এসব ‘অবৈধ’ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ভাঙলে প্রশাসন নিজেই বুলডোজার দিয়ে অভিযান চালাবে এবং তার খরচ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে আদায় করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।

পরে রাজ্য প্রশাসন এই আদেশের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জহিরুদ্দিন জানিয়েছেন, স্থগিতাদেশের অর্থ এই নয় যে, ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এর অর্থ হলো আরডিএ-এর দেওয়া আগামী ৫ আগস্টের ডেডলাইনের মধ্যে ভবন ভাঙা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় এখন আদালত থেকে এমন এক রায় চাচ্ছে যাতে এই ধ্বংসের আদেশটি সম্পূর্ণ বাতিল বা খারিজ করা হয়।’

২০০৩ সালে গঠিত মোহাম্মদ আলী জওহর ট্রাস্টের মাধ্যমে তিন বছর পর এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন সমাজবাদী পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা আজম খান। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন আচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের এই আদেশকে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি’ বলে অভিহিত করেছেন সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য জাভেদ আলী খান। তিনি বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিশানা করার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন আজম খান। দ্বিতীয়ত, এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং। তৃতীয়ত, এটি উদ্বোধন করেছিলেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব এবং চতুর্থত, এটি একটি সংখ্যালঘু বিশ্ববিদ্যালয়।’

অন্যদিকে ভবন ভাঙার এই আদেশকে আইনি প্রক্রিয়ার সংগতিপূর্ণ দাবি করে বিজেপির মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠী বলেন, ‘কেউ কি অস্বীকার করতে পারবে যে, আজম খান অবৈধ জমিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছেন? সমাজবাদী পার্টি সরকারের সময়ে তিনি নিজের পদ ও ক্ষমতা ব্যবহার করে অবৈধ জমিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলেন এবং অবৈধ ভবন নির্মাণ করেন। আমরা কেবল অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে আইন অনুসরণ করছি, আর তার মানে হলো এই বিশ্ববিদ্যালয় ভেঙে ফেলা উচিত।’

রামপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও আরডিএ-এর ভাইস চেয়ারম্যান অজয় কুমার দ্বিবেদী জানান, তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং তারা লিখিত জবাবও দিয়েছে। জওহর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত ৪০টি ভবনের মধ্যে কেবল ২টি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। বাকি ৩৮টি ভবনই অবৈধ প্রমাণিত হয়েছে।

তবে এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে উপাচার্য জহিরুদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন সিংগনখেড়ায় আরডিএ-এর কোনো এখতিয়ার ছিল না। আমরা সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অনুমোদন নিয়ে কোর্স পরিচালনা করছি, যা সব শর্ত পূরণ করলেই কেবল অনুমোদন দেয়।’ আরডিএ-এর এই পদক্ষেপকে শিক্ষার সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘তারা স্বপ্নদ্রষ্টা আজম খানের বিরুদ্ধে একে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, যিনি সংখ্যালঘু, গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নতির জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেছিলেন।’

২৫০ একর জুড়ে বিস্তৃত এই ক্যাম্পাসে বর্তমানে ৩ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন, যার প্রায় অর্ধেকই ছাত্রী এবং এক-তৃতীয়াংশের বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Once again the warning of the movement of the cockroach party

আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির

আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির সংবাদ সম্মেলনে ককরোচদের মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দেশজুড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর গণগ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগে আবারও রাজপথে নামার হুমকি দিয়েছে সিজেপি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন শুরু হলে চাপের মুখে গত শনিবার দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। নরেন্দ্র মোদির ১২ বছরের শাসনকালে এটি কোনো মন্ত্রীর পদত্যাগের বিরল এক ঘটনা।

দেশব্যাপী আন্দোলনের মুখে গত শনিবার (২৫ জুলাই) সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দিলে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু এর পরপরই মোদি সরকারের আশ্বাসের বরখেলাপ করে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে শতাধিক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনেকের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সরকার চুক্তি না মেনে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে তারা আবারও আন্দোলন শুরু করতে বাধ্য হবেন।

প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় একটি আইনি তহবিল গঠনের ঘোষণাও দিয়েছে সিজেপি। এ ছাড়া অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ) বিহারের পুলিশ প্রধানের সঙ্গে দেখা করে গ্রেপ্তার হওয়া আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনের মুখে বিহার পুলিশ কিছু মামলা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে এবং আসাম সরকারও গ্রেপ্তারদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ভিন্ন। এই রাজ্যটিতে ‘আপত্তিকর পোস্টার’ প্রদর্শনের অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত। এমনকি প্রধানমন্ত্রী মোদির কার্টুন প্রদর্শনের জন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধেও পুলিশে অভিযোগ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোদিবিরোধী পোস্ট মুছে ফেলার অভিযান শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমালোচনামূলক পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়, যা প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলেছিল। এরপর গত ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও পেলেট গান ব্যবহারের পর এই আন্দোলন দাবানলের মতো পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের কঠোর সমালোচনা করে বলেছিলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার ভারতের সংবিধান স্বীকৃত। মূলত যুবসমাজকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতির করা এক কটূক্তির জবাব হিসেবেই অভিজিৎ দিপকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠন করেন, যা আজ মোদি সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

দিল্লিতে পাল্টা আন্দোলনের ডাক

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর-মন্তরে রাজনৈতিক দল বা শিক্ষার্থীদের পর এবার আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন দিল্লি পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সাম্প্রতিক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও আহতের ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ৩১ জুলাই সেখানে অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছে দিল্লি পুলিশ ফেডারেশন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২০ জুলাই সিজেপির পার্লামেন্ট অভিযান কর্মসূচি চলাকালে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ১০০ জনেরও বেশি পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য আহত হয়েছেন। আন্দোলনস্থলে ঢুকে পড়া কিছু দুষ্কৃতকারী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায় বলে দাবি করেছে পুলিশ।

এর প্রতিবাদে এবং আহত সহকর্মীদের প্রতি সংহতি জানাতে আগামী ৩১ জুলাই বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত যন্তর-মন্তরে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অহিংস ধরনা কর্মসূচির অনুমতি চেয়ে দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের কাছে আবেদন পাঠিয়েছে সাবেক কর্মকর্তাদের এই সংগঠনটি।

অন্যদিকে, গত ২০ জুলাই শিক্ষার্থী আন্দোলনের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। পরীক্ষা ও নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের বিষয়ে দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানান, বিক্ষোভ সামলাতে পুলিশের আগের নিয়মকানুন মানা হয়নি এবং এই বিষয়ে নতুন প্রটোকল তৈরি করা জরুরি।

আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় কঠোর মন্তব্য করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘পুরো ঘটনার একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে। যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে কিংবা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে, তাদের প্রত্যেককে জবাবদিহিতার মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।’ অপরাধীদের দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট না করা গেলে তদন্তের কোনো মূল্য থাকে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন সর্বোচ্চ আদালত।

ছাত্রদের ওপর ছোড়া হয় ছররা গুলি

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলাকালে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে ছররা গুলি ছোড়েন র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) একজন ডেপুটি কমান্ড্যান্ট। দিল্লি পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনারের (ডিসিপি) সরাসরি নির্দেশে ওই গুলি চালানো হয়। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া এক সরকারি নথিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

নথি অনুযায়ী জানা গেছে, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ‘ডিসিপির নির্দেশে’ আরএএফ-এর ডেপুটি কমান্ড্যান্ট দাঙ্গাবিরোধী বন্দুক থেকে ৫৫ রাউন্ড নন-ইলেকট্রিক্যাল শেল, ১৫ রাউন্ড ইলেকট্রিক্যাল শেল, ৫টি টিয়ার স্মোক গ্রেনেড ও ছররা গুলিভর্তি ব্যালিস্টিক কার্তুজসহ ২ রাউন্ড গুলি ছুড়েছিলেন।

গত ২১ জুলাই ‘দ্য হিন্দু’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, আরএএফ সদস্যদের ছোড়া ওই ছররা গুলির আঘাতে মারাত্মক আহত দুই ব্যক্তিকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
New Jewish settlement near the grave of Moses pbuh

মুসা (আ.)-এর কবরের পাশে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপন

মুসা (আ.)-এর কবরের পাশে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপন নবী হজরত মুসা (আ)-র মাজার। ছবি: সংগৃহীত

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের নবী হজরত মুসা (আ)-এর ঐতিহাসিক কবরের পাশে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে নতুন অবৈধ ইহুদি বসতি গড়ে তুলেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। একই সময়ে পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। তাদের বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব জেরুজালেম ও জর্ডান উপত্যকার মধ্যবর্তী কৌশলগত এলাকায় চরম আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে গত কয়েক মাসে অবৈধ বসতির সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনাও। যেগুলো প্রায়শই ‘ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সুরক্ষায়’ সংঘটিত হচ্ছে।

জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, সোমবার সকালে উগ্র ইসরায়েলি উপনিবেশকারীরা নবী মুসা (আ)-এর কবরের আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলে অস্থায়ী চৌকি ও অবকাঠামো নির্মাণ করা শুরু করে। মূলত ওই অঞ্চলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করা এবং জোরপূর্বক ভূখণ্ডের নতুন মালিকানা তৈরি করতেই এই নতুন বসতি গড়ে তোলা হয়েছে।

জেরুজালেম ও জর্ডান উপত্যকার মধ্যবর্তী এলাকায় ইসরায়েলিদের ভূখণ্ড দখলের এই প্রবণতা দিন দিন মারাত্মক রূপ নিচ্ছে। কেবল নতুন বসতি স্থাপনই নয়, বরং ফিলিস্তিনিদের চারণভূমি ও কৃষিজমি দখল করে নেওয়ার কারণে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব ও জীবিকা এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কর্মীদের মতে, পুরো অধিকৃত পশ্চিম তীর বিশেষ করে জেরুজালেমের চারপাশের ফিলিস্তিনি এলাকাগুলোর ভৌগোলিক সংহতি ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতেই সুপরিকল্পিতভাবে এই অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ চালিত হচ্ছে।

এদিকে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি দ্রুত সম্প্রসারণের পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলোর ‘‘কোনো আইনি বৈধতা নেই’’ এবং এগুলো আন্তর্জাতিক আইনের ‘‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’’।’

পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতা এবং বিদ্যমান বসতিগুলোকে বৈধতা দেওয়া ও নতুন বসতি স্থাপনের ইসরায়েলি পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন। গুতেরেস বলেন, ‘এসব বসতি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ‘‘ন্যায়সঙ্গত, স্থায়ী ও সার্বিক শান্তি’’ প্রতিষ্ঠার অন্যতম বড় বিষয়।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US public support for Iran war is declining
রয়টার্স এর জরিপ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের সমর্থন কমছে

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের সমর্থন কমছে ইরান যুদ্ধ নিয়ে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার প্রতি মার্কিন নাগরিকদের সমর্থন কমছে। রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, প্রতি তিন মার্কিনীর মধ্যে মাত্র একজন এই যুদ্ধকে সমর্থন করছেন। প্রায় ৬৯ শতাংশ নাগরিক মনে করেন যে, ইরানের মাটিতে মার্কিন সামরিক অভিযানের আসল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী, তা ব্যাখ্যা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে রোববার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত পরিচালিত এ জরিপে আরও দেখা গেছে, ট্রাম্পের সামগ্রিক জনসমর্থন সামান্য বেড়েছে। তবে বর্তমানে তার জনপ্রিয়তার হার ৩৭ শতাংশ, যা গত মাসের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেশি।

এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানকে অনেকেই অস্পষ্ট মনে করছেন। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের মতে, যুক্তরাষ্ট্র কেন এ যুদ্ধে জড়িয়েছে ও তাদের লক্ষ্য কী, সে বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। ট্রাম্পের সমর্থক রিপাবলিকানদের মধ্যেও প্রতি ১০ জনের প্রায় চারজন এ মত দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস এর ভাষ্য, জনমত জরিপ দেখে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেন না। তার দাবি, ট্রাম্পের প্রধান লক্ষ্য হলো, ইরানকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়া।

জরিপ অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর থেকেই এ যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন ৪০ শতাংশের নিচে রয়েছে। সাম্প্রতিক দশকগুলোর অন্য যুদ্ধের শুরুর সময়কার জনসমর্থনের তুলনায় এটি অনেক কম। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধের পক্ষে ছিলেন। আর ২০০১ সালে আফগানিস্তান যুদ্ধের শুরুতে সমর্থনের হার ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ।

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধ নিয়ে জনঅসন্তোষ ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান পার্টির ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সাবেক মেরিন সদস্য অ্যালেক্স ওম্যাক বলেন, ‘কেন আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালাম, সেটাই পরিষ্কার নয়। আমার কোনো ধারণা নেই।’

অ্যালেক্স জানান, উপসাগরীয় যুদ্ধে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের ভূমিকা পছন্দ করেই তিনি রিপাবলিকান হয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধের কারণে ট্রাম্পের প্রতি তার সমর্থন কমে গেছে।

এ পর্যন্ত এই যুদ্ধে ১৮ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরান ও লেবাননে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। দেশজুড়ে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম এখন চার ডলারের কিছু বেশি, যা যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল প্রায় তিন ডলার।

রিপাবলিকান দলের রাজনৈতিক বিশ্লেষক অ্যালেক্স কোনান্ট বলেন, ‘যুদ্ধে অর্থনীতির বেহাল দশার কারণে রিপাবলিকানদের জন্য ভোটারদের আস্থা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।’

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি কোনো যুদ্ধে জড়াবেন না। শুরুতে তিনি ধারণা দিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধ চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের বেশি চলবে না। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সমালোচনাও বেড়েছে। যদিও ট্রাম্প বারবার বলেছেন, এ যুদ্ধের সঙ্গে ভিয়েতনাম যুদ্ধের কোনো তুলনা চলে না।

জর্জিয়ার বাসিন্দা রায়ান অ্যান্ডারসন ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের উচিত বিদেশের যুদ্ধ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো বেশি গুরুত্ব দেওয়া।’ রায়ান বলেন, ‘আমার মনে হয়, আগে দেশের মানুষের সমস্যার দিকে নজর দেওয়া উচিত। (ইসরায়েল) আমাদের মিত্র, ঠিক আছে। কিন্তু এ দেশেই (যুক্তরাষ্ট্র) অনেক মানুষ আছেন, যাদের এখন সাহায্য প্রয়োজন।’

রয়টার্স/ইপসোসের সবশেষ জরিপে ১ হাজার ২৪৬ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক অংশ নেন। জরিপের ফলাফলে ত্রুটির সম্ভাব্য সীমা ছিল ৩ শতাংশ পয়েন্ট।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Shuvendu government has started the process of withdrawing the case against the agitators

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু শুভেন্দু সরকারের

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু শুভেন্দু সরকারের শুভেন্দু অধিকারী

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার । বিহার ও আসামের পর তৃতীয় রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপ শিথিল করার পথে হাঁটছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজ্যে পুলিশি অভিযানের তীব্র সমালোচনা করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির নেতারা দাবি করেন, কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা এর আগে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তারা কেন্দ্রকে স্মরণ করিয়ে দেন।

সিজেপির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও আসামে আটক আন্দোলনকারীদের জন্য বিনামূল্যে আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি মঙ্গলবারের মধ্যে সব বন্দিকে মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

সংগঠনটির এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রথমে বিহার সরকার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্তির উদ্যোগের কথা জানায়। পরে আসাম সরকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায়, আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় আটক ১৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে চার দফা নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

এরপর পশ্চিমবঙ্গ সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। জানা গেছে, প্রকৃত ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলবে। যদিও ওই মামলার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর আটক রাখা হবে না বলে জানা গেছে।

গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) কলকাতার ধর্মতলায় নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত মোট ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় কয়েকজন সংবাদকর্মীও হামলার শিকার হন।

এ ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ধর্মতলার বিক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। তদন্তে অন্তত ৭০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ, যাদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা ককরোচ জনতা পার্টির কোনো সম্পর্ক নেই বলে সরকারের দাবি।

সরকারের ভাষ্য, প্রকৃত আন্দোলনকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের আলাদা করে দেখা হচ্ছে। সে কারণেই ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সহিংসতা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

p
উপরে