× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Irans new foreign minister Ali Bagheri Kani
google_news print-icon

ইরানের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি বাঘেরি কানি

ইরানের-নতুন-পররাষ্ট্রমন্ত্রী-আলি-বাঘেরি-কানি
আলি বাঘেরি কানি। ছবি: আইআরএনএ
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনি জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মোখবারকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীও নিহত হওয়ার ঘটনার পর ইরানের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী আলি বাঘেরি কানি।

ইরান সরকারের মুখপাত্র আলী বাহাদোরি জাহরোমি সোমবার এ ঘোষণা দেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ানের মৃত্যুর পরে মন্ত্রণালয়েরর দায়িত্ব পুনর্বন্টন করে দেশটির মন্ত্রিসভা। নির্বাহী, সংসদ ও বিচার- সরকারের তিন বিভাগের এক বৈঠকের পর ঘোষণাটি আসে।

এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনি জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মোখবারকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

একটি সাক্ষাতকারে ইরানের মন্ত্রিসভার মুখপাত্র হাদি তাহান নাজিফ বলেছেন, সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদন সাপেক্ষে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান, সংসদের স্পিকার ও ভাইস প্রেসিডেন্টের সমন্বয়ে গঠিত কাউন্সিল আগামী ৫০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন:
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
রাইসিসহ সবার মরদেহ উদ্ধার, ইরানে ৫ দিনের শোক
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর সঙ্গে ইসরায়েল জড়িত নয়: কর্মকর্তা
রাইসিকে নিয়ে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি সম্বন্ধে যা জানা গেল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
9 deaths due to floods in China warning issued

চীনে বন্যায় ৯ মৃত্যু, সতর্কতা জারি

চীনে বন্যায় ৯ মৃত্যু, সতর্কতা জারি
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য চীনের হেনান ও আনহুই প্রদেশের পাশাপাশি উপকূলের জিয়াংসু প্রদেশ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় গুইঝৌ প্রদেশে শিলাবৃষ্টি ও শক্তিশালী বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশের গ্রামীণ এলাকায় বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট স্মরণকালের বন্যায় ৯ জন মারা গেছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৬ জন।

বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় শুক্রবার সকালে অন্যান্য স্থানেও সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার রাতে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, গুয়াংডংয়ের মেইঝৌ শহরের মেক্সিয়ান জেলায় ৪ জন নিহত ও ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। মেইঝৌ প্রদেশের জিয়াওলিং কাউন্টিতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

সিসিটিভি জানিয়েছে, রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সবচেয়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে দেশটিতে। এতে গাছ উপড়ে পড়াসহ ভেঙে পড়েছে বাড়িঘর। ভারী বৃষ্টিপাতের সময় মেক্সিয়ান জেলার একটি প্রধান সংযোগ সড়ক পুরোপুরি ধসে পড়েছে। মেইঝৌয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সোংইয়ুয়ান নদীতে সবচেয়ে বড় মাত্রার বন্যা দেখা গেছে বলে টেলিভিশন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এই বন্যার ফলে জিয়াওলিং কাউন্টিতে আনুমানিক ৩ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ইউয়ান (৫০২ মিলিয়ন ডলার) এবং মেক্সিয়ান জেলায় ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ইউয়ান (১৪৬ মিলিয়ন ডলার) সরাসরি অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র(এনএমসি) দক্ষিণের বেশ কয়েকটি প্রদেশ এবং উত্তরের কয়েকটি পৃথক জায়গায় সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য অংশেও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হবে বলেও উল্লেখ করেছে এনএমসি।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মধ্য চীনের হেনান ও আনহুই প্রদেশের পাশাপাশি উপকূলের জিয়াংসু প্রদেশ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় গুইঝৌ প্রদেশে শিলাবৃষ্টি ও শক্তিশালী বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, হেনান, আনহুই ও হুবেই প্রদেশে একদিনে ৫০ মিলিমিটার থেকে ৮০ মিলিমিটার (১ দশমিক ৯ থেকে ৩ দশমিক ১৪ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

গত সপ্তাহে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফুজিয়ান ও গুয়াংজি প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে ভূমিধস ও বন্যা দেখা দেয়। গুয়াংজিতে বৃষ্টিতে ভরে ওঠা নদীতে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: ইউএনবি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The number of pilgrims who have died in Saudi has exceeded a thousand

সৌদিতে মারা যাওয়া হজযাত্রীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

সৌদিতে মারা যাওয়া হজযাত্রীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে ছবি: সংগৃহীত
মারা যাওয়া হজযাত্রীদের বড় অংশই অনিবন্ধিত। তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষায় সৌদি সরকারের দেয়া সুবিধা থেকে অনিবন্ধিতরা বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়া পবিত্র হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। তাই মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের সময় তীব্র তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে হজযাত্রী মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। মারা যাওয়া এসব হজযাত্রীর অর্ধেকেরও বেশি অনিবন্ধিত ছিলেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যাগত ওই টালি করেছে বার্তা সংস্থাটি। সেই টালির স্শেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, হজ পালনের সময় মৃতদের তালিকায় বৃহস্পতিবার নতুন করে মিসরের আরও ৫৮ হজযাত্রীর নাম যুক্ত হয়েছে।

আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন কূটনীতিক এএফপিকে বলেছেন, হজ পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো সহস্রাধিক হজযাত্রীর মধ্যে কেবল মিসরেরই নাগরিক আছেন ৬৫৮ জন।

সৌদিতে মারা যাওয়া মিসরীয়দের প্রায় ৬৩০ জনই অবৈধভাবে হজ করতে গিয়েছিলেন। যে কারণে তারা প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদি সরকার, সেসব থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা হজযাত্রীরা এবার থাকা-খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধা পাননি।

চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে ১৪ জুন। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। বুধবারও মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি আরবে গেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তা ছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

এ ছাড়া পবিত্র হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন- এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজের সময় পদদলন, তাঁবুতে অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় গত ৩০ বছরে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যে কারণে হজের আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদে সম্পন্ন ও হজযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে নতুন অবকাঠামো তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে সৌদি সরকার।

তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চরম তাপদাহ থেকে হজযাত্রীদের রক্ষা করতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

ট্রাভেল অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালের চলতি বছরের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা তাপ প্রশমনের প্রচলিত কৌশলগুলোকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সের ২০১৯ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৌদি আরবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হজযাত্রীরা ভবিষ্যতে ‌‌‘চরম বিপদের’ সম্মুখীন হবেন।

সৌদির এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রত্যেক দশকে আঞ্চলিক তাপমাত্রা গড়ে শূন্য দশমিক ৪ সেন্টিগ্রেড হারে বাড়ছে এবং প্রশমন ব্যবস্থা নেয়ার পরও তাপদাহ পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে খারাপ আকার ধারণ করছে।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে মারা যাওয়া বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ১১৭

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin in Vietnam the day after signing a defense agreement with Kim

কিমের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিন ভিয়েতনামে পুতিন

কিমের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিন ভিয়েতনামে পুতিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভিয়েতনামে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেছেন। ছবি: সংগৃহীত
বুধবার ২৪ বছরের মধ্যে বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ায় প্রথম সফরে গিয়ে পুতিন বলেছেন, তিনি পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ‘সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা’ অস্বীকার করেননি। কারণ মস্কোর মতো একটি বিশ্বের অন্যতম পরমাণু শক্তিধর দেশ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার অধীনে রয়েছে।

উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পরই বৃহস্পতিবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভিয়েতনামে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেছেন।

পুতিন এবং কিম পিয়ংইয়ংয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলনে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন যাতে আক্রান্ত হলে একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসে। কিম ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধে ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। খবর বাসসের

ওয়াশিংটন এবং তার মিত্ররা ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে গোলাবারুদ এবং ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করার জন্য উত্তর কোরিয়াকে অভিযুক্ত করে আসছে এবং এ চুক্তির ফলে ভয়কে বাড়িয়ে দিয়েছে।

যখন একজন শীর্ষ ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা পিয়ংইয়ংকে ‘ইউক্রেনীয়দের ওপর গণহত্যা’ চালাতে মস্কোকে মদত দেয়ার অভিযোগ করেছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক ভালো হওয়া গভীর উদ্বেগের বিষয়।

বুধবার ২৪ বছরের মধ্যে বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ায় প্রথম সফরে গিয়ে পুতিন বলেছেন, তিনি পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ‘সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা’ অস্বীকার করেননি। কারণ মস্কোর মতো একটি বিশ্বের অন্যতম পরমাণু শক্তিধর দেশ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার অধীনে রয়েছে।

পুতিন বলেন, ‘আজ আমরা যুক্তরাষ্ট্র এবং তার উপগ্রহের আধিপত্যবাদ এবং নয়া-ঔপনিবেশিক অনুশীলনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করছি।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে দেশ দুটি একে অপরের মিত্র ছিল এবং ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে বিশ্বব্যাপী পুতিনকে বিচ্ছিন্ন করার পর দেশ দুটির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা আরও জোরদার হয়।

পিয়ংইয়ং সফরের প্রতিক্রিয়ায়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেছেন,কোনও দেশেরই ‘মি. পুতিনকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তার আগ্রাসনের যুদ্ধের প্রচারের জন্য প্ল্যাটফর্ম দেয়া উচিত নয়।’

মুখপাত্র বলেছেন, ‘রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে গভীর সহযোগিতা একটি প্রবণতা যা কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগ্রহী সবার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হওয়া উচিত।’

পুতিন উত্তর কোরিয়ার রাজধানীতে একটি উচ্ছ্বসিত অভ্যর্থনা পেয়েছেন। কিম বিমান থেকে নামলে পুতিনকে আলিঙ্গন করেন এবং উল্লসিত জনতা, নৃত্যশিল্পী এবং উভয় দেশের পতাকা নাড়িয়ে শিশুরা স্বাগত জানান।

পুতিন বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুন:
অর্থনীতিবিদ বেলাউসভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাচ্ছেন পুতিন
পঞ্চম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন পুতিন
পারমাণবিক অস্ত্র মহড়ার নির্দেশ পুতিনের
ন্যাটো দেশে হামলা নয়, ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান দিলে ধ্বংস করা হবে
মস্কোতে হামলায় উগ্র ইসলামপন্থিদের হাত রয়েছে: পুতিন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Air pollution kills 2000 children every day in the world report

বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিদিন ২ হাজার শিশুর মৃত্যু: প্রতিবেদন

বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিদিন ২ হাজার শিশুর মৃত্যু: প্রতিবেদন প্রতীকী ছবি/নিউজ এইটিন
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের সংস্পর্শে ৮১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সব মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ তামাক ব্যবহার ও দুর্বল খাদ্যাভ্যাসকেও ছাড়িয়ে গেছে বায়ুদূষণ।

বায়ুদূষণের সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে সারা বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার শিশু মারা যায়। উচ্চ রক্তচাপের পর অকালে মৃত্যুর জন্য এটি দ্বিতীয় প্রধান ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে বুধবার এ দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বায়ুদূষণের সংস্পর্শে ৮১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সব মৃত্যুর প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ তামাক ব্যবহার ও দুর্বল খাদ্যাভ্যাসকেও ছাড়িয়ে গেছে বায়ুদূষণ।

ছোট বাচ্চারা বায়ুদূষণের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থাটির বার্ষিক স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার প্রতিবেদনের অংশীদার। এ ছাড়া এ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন পরিচালিত গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ স্টাডি থেকে দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলের ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ পাঁচ বছরের কম বয়সি সাত লাখেরও বেশি শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী। এর মধ্যে পাঁচ লাখেরও বেশি শিশুর মৃত্যুর জন্য কয়লা, কাঠ বা গোবরের মতো নোংরা জ্বালানি ব্যবহার করে ঘরের ভেতরে রান্না দায়ী। এসব মৃত্যুর অধিকাংশই হয়েছে আফ্রিকা ও এশিয়ায়।

হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের গ্লোবাল হেলথের প্রধান পল্লবী পান্ত বলেন, ‘এগুলো এমন সমস্যা, যা আমরা জানি যে সমাধান করা সম্ভব।’

প্রতিবেদনটিতে আরও দেখা যায়, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মানুষই প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর মাত্রার বায়ুদূষণে শ্বাস নেয়। ৯০ শতাংশেরও বেশি মৃত্যু পিএম ২.৫ নামের ক্ষুদ্র বায়ুবাহিত দূষণের সঙ্গে যুক্ত। পিএম ২.৫ নিশ্বাসে ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতিবেদনটির উদ্দেশ্য ছিল বায়ুদূষণের মাত্রার সঙ্গে এ ধরনের রোগের হারকে যুক্ত কর, কিন্তু এমন ভয়াবহ পরিসংখ্যান সত্ত্বেও প্রতিবেদনটি এখনও বায়ুদূষণের প্রভাবকে অবমূল্যায়ন করতে পারে বলে পান্ত জানান। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, বায়ুদূষণ কীভাবে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ বা তাপের জন্য শুষ্ক জ্বালানি ব্যবহারে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী উষ্ণ হওয়ায় ওজোনদূষণ আরও খারাপ হতে পারে। ২০২১ সালে প্রায় এটি পাঁচ লাখ মৃত্যুর জন্য দায়ী ছিল।

আরও পড়ুন:
খুলি ও টুকরো টুকরো মাংস উদ্ধার: নিখোঁজ শর্মিলার বাবার মামলা
ঢাকা মেডিক্যালে যমজ নবজাতকের একটিকে চুরি
খুলি নিয়ে টানাটানি করছিল কুকুর, বস্তায় মিলল টুকরো টুকরো মাংস
হাওরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
নিখোঁজের ১৭ দিন পর বাড়ি ফিরছে শিশুটি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin and Kim signed a defense pact

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন পুতিন ও কিম

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন পুতিন ও কিম চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভ্লাদিমির পুতিন ও কিম জং উন। ছবি: সংগৃহীত
কিম জং উন বলেছেন, ‘রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক সমৃদ্ধির নতুন যুগে প্রবেশ করছে এবং উত্তর কোরিয়া নিঃশর্তভাবে রাশিয়ার সব নীতিকে সমর্থন করবে। মস্কোর সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের পর উত্তর কোরিয়া তার দেশ বা রাশিয়ার মুখোমুখি হওয়া ঘটনা বা যুদ্ধের ক্ষেত্রে বিনা দ্বিধায় জবাব দেবে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বুধবার পারস্পরিক প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া পশ্চিমাদের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মুখোমুখি। এ অবস্থায় দুই দেশ বাইরের যেকোনো আক্রমণের সময় একে অপরকে সাহায্যের উদ্দেশ্যে পিয়ংইয়ংয়ে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দেশ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাই দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তির বিকল্প নেই। ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তির ফলে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য মস্কোর সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহের বিনিময়ে পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়া প্রসারিত করতে পারে রাশিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এনবিসি নিউজকে বলেছেন, এ ধরনের চুক্তি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য তা হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

পুতিন ২৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বুধবার উত্তর কোরিয়ায সফরে আসেন। তিনি ঠিক এমন সময়ে সফর করছেন যখন ক্রেমলিনের সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের পূর্ব ও উত্তরে এগিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে কিয়েভের প্রতিরক্ষার জন্য দেশটি তার মিত্রদের কাছ থেকে জোরালো প্রতিশ্রুতি পাচ্ছে।

কিমের দাদা ও উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতার নামে মধ্য পিয়ংইয়ংয়ের কিম ইল সুং স্কয়ারে এক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মধ্যাহ্নে পৌঁছান পুতিন।

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে দেশটির সাধারণ নাগরিক ও শিশুরা পুতিন ‌এবং কিমকেকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে কিম ও পুতিন কুমসুসান প্রাসাদে শীর্ষ বৈঠকের জন্য রওনা হন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মিডিয়া জানায়, আলোচনা শুরুর আগে পুতিন এক বক্তব্যে বলেন, ‘ইউক্রেনসহ রুশ নীতির প্রতি আপনার ধারাবাহিক ও অবিচল সমর্থনের আমরা ভূয়সী প্রশংসা করি।’

তিনি ইউক্রেনের বিষয়ে পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থানকে ‘তার সার্বভৌম নীতির আরেকটি প্রমাণ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

পুতিন এ সময় দাবি করেন, রাশিয়া দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের চাপিয়ে দেয়া সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।

অস্ত্র পরীক্ষা ত্বরান্বিত করা ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা উস্কে দেয়ার জন্য দায়ী কিম বুধবার ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে- কিম তার বক্তব্যে বলেছেন, ‘রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক সমৃদ্ধির নতুন যুগে প্রবেশ করছে এবং উত্তর কোরিয়া নিঃশর্তভাবে রাশিয়ার সব নীতিকে সমর্থন করবে।

‘উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক মৈত্রীর নতুন স্তরে পৌঁছেছে।’

কিম জং উন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মস্কোর সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের পর উত্তর কোরিয়া তার দেশ বা রাশিয়ার মুখোমুখি হওয়া ঘটনা বা যুদ্ধের ক্ষেত্রে বিনা দ্বিধায় জবাব দেবে।’

তবে এ ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার প্রতিক্রিয়া কী হবে বা তিনি ঘটনা বা যুদ্ধ হিসেবে কী বোঝাতে চেয়েছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেননি।

উত্তর কোরিয়ার নেতা বলেন, ‘আমাদের দেশগুলোর মুখোমুখি হওয়া বিভিন্ন ঘটনা বা যুদ্ধের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাড়া দেয়ার দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা, দ্বিধা বা সিদ্ধান্তে কোনো পার্থক্য করবে না।’

দুই দেশের মধ্যে নতুন চুক্তি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ ও প্রতিরক্ষামূলক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই চুক্তি একটি বহু মেরুর বিশ্ব সৃষ্টিকে ত্বরান্বিত করবে যেখানে কোনো একক দেশ আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না।’

দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয়। কিম ও পুতিনের মধ্যে সামনাসামনি অতিরিক্ত প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনা চলে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

এর আগে বুধবার ভোরে পুতিন পিয়ংইয়ং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছলে কিম তাকে স্বাগত জানান। এ সময় দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং জড়িয়ে ধরেন। এরপর তিনি পুতিনের সঙ্গে লিমুজিনে করে কুমসুসান রাষ্ট্রীয় গেস্ট হাউসে যান। সফরকালে পুতিন এখানেই অবস্থান করছেন।

পুতিন বুধবার এই কৌশলগত চুক্তিকে একটি ‘মৌলিক দলিল’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এই চুক্তি রাশিয়া ও নর্থ কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ককে একটি শক্তিশালী রূপ দেবে।

হনুলুলুর এশিয়া-প্যাসিফিক সেন্টার ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের অধ্যাপক লামি কিম বলেন, এই চুক্তি অস্ত্র ব্যবসার ভিত্তি তৈরি করতে পারে এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতাকে সহজতর করতে পারে।

এদিকে পুতিনের কোরিয়া সফরে অস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগির শঙ্কা নিয়ে পশ্চিমা কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, এই চুক্তি ইউক্রেনে পুতিনের সেনাবাহিনীকে সহায়তা করবে এবং এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন মঙ্গলবার অভিযোগ করে বলেন, ‘ইউক্রেনের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আগ্রাসনের যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে এমন দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বিকাশ ও জোরদার করার জন্য রাশিয়া মরিয়া হয়ে উঠেছে।

‘উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে ইউক্রেনে ব্যবহারের জন্য উল্লেখযোগ্য অস্ত্র সরবরাহ করছে।

অ্যামেরিকার ছয় সিনিয়র কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে বলেছেন, পুতিন উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু সাবমেরিন ও ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সরবরাহ করছেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন। তারা বলেন, রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক সশস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম প্রথম সাবমেরিন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত পদক্ষেপ সম্পন্ন করতে সহায়তা করতে পারে, যা নিয়ে বাইডেন প্রশাসন উদ্বিগ্ন।

তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন হিসেবে অস্ত্র হস্তান্তরের বিষয়টি উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া উভয়েই অস্বীকার করেছে।

রাশিয়া চলতি বছরের শুরুতে নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো দিয়ে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছে। অভিযোগ করা হয় যে মস্কো তদন্ত এড়িয়ে যাচ্ছে এবং কিমকে তার অস্ত্র পরীক্ষার ফলে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা থেকে রক্ষা করতে চীনের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ার জব্দকৃত সম্পত্তিকেন্দ্রিক জি৭ চুক্তি, ‘চুরি’ বললেন পুতিন
অর্থনীতিবিদ বেলাউসভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাচ্ছেন পুতিন
পঞ্চম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন পুতিন
পারমাণবিক অস্ত্র মহড়ার নির্দেশ পুতিনের
ন্যাটো দেশে হামলা নয়, ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান দিলে ধ্বংস করা হবে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hajj ends with stoning Satan and Tawaf of Kaaba Sharif

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজ সমাপ্ত

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজ সমাপ্ত মিনায় তিন দিনের পাথর ছুঁড়ে মারার অনুষ্ঠানটি হজের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে একটি। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুসারে, মক্কা ও এর আশেপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। প্রচণ্ড গরমে বৃদ্ধদের অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া, হিট স্ট্রোকে হাজিদের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপের মধ্যে তৃতীয় দিন মঙ্গলবার শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ এবং মক্কায় ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবা শরিফ তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) করার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ করেছেন হাজিরা।

মক্কার বাইরে মরু এলাকা মিনায় তিন দিনের পাথর ছুঁড়ে মারার অনুষ্ঠানটি হজের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে একটি। এটি অশুভ ও পাপ দূরীকরণের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। শনিবার আরাফাতের ময়দানে হাজিদের জমায়েতের একদিন পর এই কার্যক্রম শুরু হয়।

হজের শেষ দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা একসঙ্গে ঈদুল আজহা উদযাপন করে। এসময় আর্থিক সামর্থ্যের আলোকে বিশ্বাসীরা ইসলামের নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর বিশ্বাসের পরীক্ষার কথা স্মরণ করেন। আল্লাহ তাকে (নবী ইব্রাহিম) তার একমাত্র পুত্রকে (ইসমাইল) কোরবানি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গবাদি পশু জবাই করে এর মাংস দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করে থাকে মুসলমানরা।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে হজ অন্যতম। ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কুরআন অনুসারে, এর অনুষ্ঠানগুলো মূলত নবী ইব্রাহিম ও তার পুত্র নবী ইসমাইল, ইসমাইলের মা হাজেরা এবং নবী মুহাম্মদের (সা.) বর্ণনায় উঠে এসেছে।

ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, সেদিন আল্লাহ তার রহমতের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইসমাইলকে রক্ষা করেন।

ইয়েমেন থেকে আসা হাজি মেজাহেদ আল-মেহরাবি পাথর ছুড়ে মারার অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিনে বার্তাসংস্থা এপিকে বলেন, ‘আমি শান্তি পেয়েছি। এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। যদি কারও (মক্কায়) গ্র্যান্ড মসজিদ পরিদর্শন করার সুযোগ থাকে, তার তা অবশ্যই করা উচিত।’

নাইজেরিয়ার হাজি আমির ওমর প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ শেষ করার পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে যে, আমি আমার ধর্মের একটি ফরজ পালন করেছি। আমি (আল্লাহর প্রতি) খুব কৃতজ্ঞ বোধ করছি।’

মঙ্গলবার সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুসারে, মক্কা ও এর আশেপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। প্রচণ্ড গরমে বৃদ্ধদের অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া, হিট স্ট্রোকে হাজিদের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে।

জর্ডান ও তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪১ জন জর্ডানের এবং ৩৫ জন তিউনিসিয়ার নাগরিক। মিসরের স্থানীয় গণমাধ্যমও মিশরীয় হাজিদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। এবারের হজে এখনও মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

হজ পালনের সময় আরও অনেক হাজির হিসাব পাওয়া যায়নি। অনেক মিসরীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরাফাতের ময়দান ও মিনা উল্লেখ করে তাদের আত্মীয়দের খোঁজে পোস্ট দিয়েছেন। কয়েকজন হাজি গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের মক্কার আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের পর হাজিরা গ্র্যান্ড মসজিদে কাবা শরিফকে সাতবার তাওয়াফ করতে করতে মক্কার দিকে রওনা হন। শেষ তাওয়াফ নামে পরিচিত এই প্রদক্ষিণের মাধ্যমে হজের সমাপ্তি করে হাজিরা মক্কা শহর ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

হজ শেষে পুরুষরা তাদের মাথা ন্যাড়া করবে এবং নারীরা সমস্ত চুল ধরে আঙুলের এক কড় কেটে ফেলবেন, যা ইসলামের নবী রাসূলের সুন্নাহ।

এরপর অধিকাংশ হাজি মক্কা ছেড়ে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার দূরে মদিনা শহরের উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কবর জিয়ারত করবেন।

নবীজির কবরের পবিত্র কক্ষটি নবীর মসজিদের অংশ, ইসলামের তিনটি পবিত্রতম স্থানগুলোর মধ্যে একটি। অন্য দুটি হচ্ছে- মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ।

শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্য থাকলে প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে একবার হজ করা বাধ্যতামূলক (ফরজ)। অনেক ধনী মুসলমান একাধিকবারও হজ করে থাকেন।

সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৪ সালে ২২টি দেশের ১৬ লাখেরও বেশি হাজি এবং প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার সৌদি নাগরিকসহ ১৮ লাখ ৩ হাজারেরও বেশি মুসলমান হজ পালন করেছেন।

২০২৪ সালে বিধ্বংসী হামাস- ইসরায়েল যুদ্ধের পটভূমিতে হজের কার্যক্রম শুরু হয়। হামাস ও ইসরায়েলের এই যুদ্ধটি মধ্যপ্রাচ্যকে আঞ্চলিক সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনি উপত্যকায় যুদ্ধ এবং নিজ দেশে এক দশক ধরে চলা সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ইয়েমেনের হাজি আল-মেহরাবি বলেন, ‘আমি প্রথমে গাজা ও পরে ইয়েমেনের জন্য প্রার্থনা করেছি।’

আরও পড়ুন:
শয়তানকে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
হজের চূড়ান্ত পর্বে আরাফাতে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin in North Korea to strengthen defense ties

প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে উত্তর কোরিয়ায় পুতিন

প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে উত্তর কোরিয়ায় পুতিন বিমানবন্দরে পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান কিম। ছবি: এএফপি
২০০০ সালের পর এটি পুতিনের উত্তর কোরিয়ায় প্রথম সফর।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উন বুধবার পিয়ংইয়ংয়ে শীর্ষ বৈঠক শুরু করেছেন। বৈঠকে তাদের মধ্যে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল ও পারস্পরিক সামরিক সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

পুতিন কুমসুসান স্টেট গেস্ট হাউসে আয়োজিত এ আলোচনার আগে একটি অনুষ্ঠানের জন্য কিম ইল সুং স্কোয়ারে পৌঁছেছিলেন। স্থানটি রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার পতাকা এবং দুই নেতার বড় প্রতিকৃতি দিয়ে সজ্জিত ছিল। খবর বাসসের

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, পুতিনের এ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে একটি ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

এর আগে কিম বিমানবন্দরে পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান। এই সময় দুই নেতা লাল গালিচায় আলিঙ্গন করেন। এটি ২০০০ সালের পর উত্তর কোরিয়ায় পুতিনের প্রথম সফর।

পুতিন ও কিম দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর জোর দেন। তাদের এই ঘোষণা সিউল ও ওয়াশিংটনে জন্য উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

পশ্চিমা দেশগুলো কিমকে উভয় দেশের উপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইউক্রেনে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ এনেছে। যদিও মস্কো ও পিয়ংইয়ং আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

গত সেপ্টেম্বরে স্পেস এয়ারপোর্টে পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কিম তার বুলেট প্রুফ ট্রেনে রাশিয়ার সুদূর পূর্ব অঞ্চলে যাওয়ার পর এক বছরের মধ্যে এটি দুই নেতার দ্বিতীয় বৈঠক।

পুতিনের এই ফিরতি সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘অজেয়তা ও স্থায়িত্ব’ তুলে ধরছে। পুতিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভসহ বেশ কয়েকজন রুশ কর্মকর্তার সঙ্গে সফর করছেন।

এই সফরটি প্রতিরক্ষা সম্পর্কের দিকে মনোনিবেশ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। যদিও নেতারা অর্থনৈতিক খাতে দুই দেশের সহযোগিতাকে প্রকাশ্যে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে, তবে যে কোনো ধরনের অস্ত্র চুক্তি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে রেজুলেশন রয়েছে, তা লঙ্ঘন করবে।

উত্তর কোরিয়াবিষয়ক গবেষক ডংগুক বিশ্ববিদ্যালয় ইমেরিটাস অধ্যাপক কোহ ইউ-হওয়ান বলেন, ‘ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র সমর্থন প্রয়োজন, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার চাপ কমাতে উত্তর কোরিয়ার খাদ্য, শক্তি ও উন্নত অস্ত্রের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সমর্থন প্রয়োজন।’

দক্ষিণ কোরিয়ার পাশাপাশি ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপারে পুতিনের এই উত্তর কোরীয় সফরটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সোমবার ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে।

দুই কোরিয়া তাদের ১৯৫০-৫৩ সালের দ্বন্দ্বের পর থেকে প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধে লিপ্ত এবং তাদের বিভক্ত করা সীমান্তটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সুরক্ষিত সীমানা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেন সংকট নিরসনে চীনের পরিকল্পনায় সমর্থন পুতিনের
অর্থনীতিবিদ বেলাউসভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাচ্ছেন পুতিন
মহাকাশে পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধের প্রস্তাবে রাশিয়ার ভেটো
নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে ইরান-রাশিয়া সমঝোতা
ইউক্রেন যুদ্ধে ৫০ হাজারের বেশি রুশ সেনা নিহত

মন্তব্য

p
উপরে