× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Israel claims to have recovered the bodies of 3 hostages from the Hamas tunnel
google_news print-icon

হামাসের সুড়ঙ্গ থেকে ৩ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

হামাসের-সুড়ঙ্গ-থেকে-৩-জিম্মির-মরদেহ-উদ্ধারের-দাবি-ইসরায়েলের
গাজায় তিন জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। ছবি: বিবিসি
আইডিএফ জানায়, গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় দক্ষিণ ইসরায়েলে গাজার সীমানার কাছে নোভা মিউজিক ফেস্টিভাল চলছিল। হামাসের হামলায় ওই উৎসবে উদ্ধার করা তিনজনসহ ৩৫০ জন প্রাণ হারান।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামাসের একটি সুড়ঙ্গে থেকে তিন জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

আইডিএফের বরাত দিয়ে শনিবার বিবিসি জানায়, গত বছর ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলায় তাদের হত্যা করা হয়েছে। এরপর তাদের দেহাবশেষ গাজায় ফিরিয়ে নেয়া হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, হামাসের একটি সুড়ঙ্গে মরদেহগুলো পাওয়া গেছে।

প্রাণ হারানো তিনজন হলেন শানি লোউক (২২), অমিত বুসকিলা (২৮) এবং ইজহাক গেলেরেন্তার (৫৬)।

এ ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা আমাদের সকল জিম্মি, জীবিত ও মৃত সবাইকে ফিরিয়ে আনব।’

রাতভর অভিযান চালিয়ে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে আইডিএফ।

বাহিনী জানায়, গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় দক্ষিণ ইসরায়েলে গাজার সীমানার কাছে নোভা মিউজিক ফেস্টিভাল চলছিল। হামাসের হামলায় ওই উৎসবে উদ্ধার করা তিনজনসহ ৩৫০ জন প্রাণ হারান।

হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। তারা আরও ২৫২ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান।

হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের পর গাজায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৩৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

আরও পড়ুন:
গাজায় বোলতার কামড়ে হাসপাতালে ইসরায়েলের ১২ সেনা
বাইডেন ইসরায়েলে সব সহায়তা বন্ধ করতে চান: ট্রাম্প
ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্য করতে জাতিসংঘে বিপুল ভোটে প্রস্তাব পাস
আমেরিকান অস্ত্র দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে থাকতে পারে ইসরায়েল
গাজায় একা লড়তে প্রস্তুত ইসরায়েল: নেতানিয়াহু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Israeli attack in Rafah kills 10 Palestinian security personnel

রাফাহতে ইসরায়েলি হামলায় ১০ ফিলিস্তিনি নিরাপত্তাকর্মী নিহত

রাফাহতে ইসরায়েলি হামলায় ১০ ফিলিস্তিনি নিরাপত্তাকর্মী নিহত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও ধ্বংসাবশেষ। ফাইল ছবি
সিনহুয়া সংবাদ সংস্থা জানায়, রাফাহ শহরের পূর্বে বুধবার বাণিজ্যিক পণ্যের নিরাপত্তা প্রদানকারী একদল নিরাপত্তাকর্মীকে লক্ষ্য করে বিমান থেকে গুলিবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

গাজা উপত্যকার দক্ষিণে রাফাহ শহরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা ও চিকিৎসা বিভাগ।

এ দুই বিভাগের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানায়, রাফাহ শহরের পূর্বে বুধবার বাণিজ্যিক পণ্যের নিরাপত্তা প্রদানকারী একদল নিরাপত্তাকর্মীকে লক্ষ্য করে বিমান থেকে গুলিবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের সবাইকে ইউরোপিয়ান গাজা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়ে গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ, তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সংস্থা ইউএনবি জানায়, এর আগে সোমবার রাতেও বাণিজ্যিক পণ্যের নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়।

ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, শর্ত সাপেক্ষে পশ্চিম তীর থেকে দক্ষিণের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অবরুদ্ধ অঞ্চলগুলোতে বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তারপরও এসব কর্মকাণ্ড চলাকালে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামাসের হামলায় দেশটির অন্তত ১ হাজার ২০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। সে সময় ২০০ ইসরায়েলিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় ফিলিস্তিসের সশস্ত্র শাসক গোষ্ঠী হামাস। ওই ঘটনার পর থেকে গাজায় ক্রমাগত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

ইসরায়েলি হামলায় বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৩৯৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

যুদ্ধের মধ্যে সব সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ায় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলাবস্থা থাকায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪
নুসেইরাতের ঘটনায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে ইসরায়েল-হামাস: জাতিসংঘ
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস
ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বেনি গানৎজের
নুসেইরাত ক্যাম্প থেকে ৪ ইসরায়েলি জিম্মি উদ্ধার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hajj ends with stoning Satan and Tawaf of Kaaba Sharif

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজ সমাপ্ত

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ ও কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজ সমাপ্ত মিনায় তিন দিনের পাথর ছুঁড়ে মারার অনুষ্ঠানটি হজের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে একটি। ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুসারে, মক্কা ও এর আশেপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। প্রচণ্ড গরমে বৃদ্ধদের অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া, হিট স্ট্রোকে হাজিদের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপের মধ্যে তৃতীয় দিন মঙ্গলবার শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ এবং মক্কায় ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবা শরিফ তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) করার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ করেছেন হাজিরা।

মক্কার বাইরে মরু এলাকা মিনায় তিন দিনের পাথর ছুঁড়ে মারার অনুষ্ঠানটি হজের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমগুলোর মধ্যে একটি। এটি অশুভ ও পাপ দূরীকরণের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। শনিবার আরাফাতের ময়দানে হাজিদের জমায়েতের একদিন পর এই কার্যক্রম শুরু হয়।

হজের শেষ দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা একসঙ্গে ঈদুল আজহা উদযাপন করে। এসময় আর্থিক সামর্থ্যের আলোকে বিশ্বাসীরা ইসলামের নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর বিশ্বাসের পরীক্ষার কথা স্মরণ করেন। আল্লাহ তাকে (নবী ইব্রাহিম) তার একমাত্র পুত্রকে (ইসমাইল) কোরবানি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গবাদি পশু জবাই করে এর মাংস দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করে থাকে মুসলমানরা।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে হজ অন্যতম। ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কুরআন অনুসারে, এর অনুষ্ঠানগুলো মূলত নবী ইব্রাহিম ও তার পুত্র নবী ইসমাইল, ইসমাইলের মা হাজেরা এবং নবী মুহাম্মদের (সা.) বর্ণনায় উঠে এসেছে।

ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, সেদিন আল্লাহ তার রহমতের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইসমাইলকে রক্ষা করেন।

ইয়েমেন থেকে আসা হাজি মেজাহেদ আল-মেহরাবি পাথর ছুড়ে মারার অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিনে বার্তাসংস্থা এপিকে বলেন, ‘আমি শান্তি পেয়েছি। এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। যদি কারও (মক্কায়) গ্র্যান্ড মসজিদ পরিদর্শন করার সুযোগ থাকে, তার তা অবশ্যই করা উচিত।’

নাইজেরিয়ার হাজি আমির ওমর প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ শেষ করার পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে যে, আমি আমার ধর্মের একটি ফরজ পালন করেছি। আমি (আল্লাহর প্রতি) খুব কৃতজ্ঞ বোধ করছি।’

মঙ্গলবার সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুসারে, মক্কা ও এর আশেপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। প্রচণ্ড গরমে বৃদ্ধদের অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এছাড়া, হিট স্ট্রোকে হাজিদের বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গেছে।

জর্ডান ও তিউনিসিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪১ জন জর্ডানের এবং ৩৫ জন তিউনিসিয়ার নাগরিক। মিসরের স্থানীয় গণমাধ্যমও মিশরীয় হাজিদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। এবারের হজে এখনও মোট মৃত্যুর সংখ্যা জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

হজ পালনের সময় আরও অনেক হাজির হিসাব পাওয়া যায়নি। অনেক মিসরীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরাফাতের ময়দান ও মিনা উল্লেখ করে তাদের আত্মীয়দের খোঁজে পোস্ট দিয়েছেন। কয়েকজন হাজি গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের মক্কার আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের পর হাজিরা গ্র্যান্ড মসজিদে কাবা শরিফকে সাতবার তাওয়াফ করতে করতে মক্কার দিকে রওনা হন। শেষ তাওয়াফ নামে পরিচিত এই প্রদক্ষিণের মাধ্যমে হজের সমাপ্তি করে হাজিরা মক্কা শহর ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

হজ শেষে পুরুষরা তাদের মাথা ন্যাড়া করবে এবং নারীরা সমস্ত চুল ধরে আঙুলের এক কড় কেটে ফেলবেন, যা ইসলামের নবী রাসূলের সুন্নাহ।

এরপর অধিকাংশ হাজি মক্কা ছেড়ে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার দূরে মদিনা শহরের উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কবর জিয়ারত করবেন।

নবীজির কবরের পবিত্র কক্ষটি নবীর মসজিদের অংশ, ইসলামের তিনটি পবিত্রতম স্থানগুলোর মধ্যে একটি। অন্য দুটি হচ্ছে- মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ।

শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্য থাকলে প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে একবার হজ করা বাধ্যতামূলক (ফরজ)। অনেক ধনী মুসলমান একাধিকবারও হজ করে থাকেন।

সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৪ সালে ২২টি দেশের ১৬ লাখেরও বেশি হাজি এবং প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার সৌদি নাগরিকসহ ১৮ লাখ ৩ হাজারেরও বেশি মুসলমান হজ পালন করেছেন।

২০২৪ সালে বিধ্বংসী হামাস- ইসরায়েল যুদ্ধের পটভূমিতে হজের কার্যক্রম শুরু হয়। হামাস ও ইসরায়েলের এই যুদ্ধটি মধ্যপ্রাচ্যকে আঞ্চলিক সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।

ফিলিস্তিনি উপত্যকায় যুদ্ধ এবং নিজ দেশে এক দশক ধরে চলা সংঘাতের কথা উল্লেখ করে ইয়েমেনের হাজি আল-মেহরাবি বলেন, ‘আমি প্রথমে গাজা ও পরে ইয়েমেনের জন্য প্রার্থনা করেছি।’

আরও পড়ুন:
শয়তানকে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
হজের চূড়ান্ত পর্বে আরাফাতে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hamas rejects US demand for changes to cease fire proposal

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে পরিবর্তন চায় হামাস, অস্বীকার দলটির

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে পরিবর্তন চায় হামাস, অস্বীকার দলটির উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় বুধবার বিধ্বস্ত ভবনের পাশ দিয়ে হেঁটে যান এক ফিলিস্তিনি। ছবি: মাহমুদ ইসা/রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিকের ভাষ্য, গাজার শাসক দল হামাসের করা অনেক প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তবে নতুন কোনো ধারণা সামনে আনার কথা অস্বীকার করেছেন হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা ওসামা হামদান।  

ফিলিস্তিনের গাজায় আট মাসের বেশি সময় ধরে সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে হামাস অনেক পরিবর্তন চেয়েছে বলে বুধবার দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিকের ভাষ্য, গাজার শাসক দল হামাসের করা অনেক প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তবে নতুন কোনো ধারণা সামনে আনার কথা অস্বীকার করেছেন হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা ওসামা হামদান।

আল-আরাবি টিভির কাছে হামাসের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে হামদান বলেন, তার দল নয়, ইসরায়েলই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করছে এবং দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন করছে।

এদিকে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, হামাসের প্রস্তাবিত বেশির ভাগ পরিবর্তনই ছোট এবং এগুলো অপ্রত্যাশিত নয়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এ প্রক্রিয়ার উপসংহারে পৌঁছানো। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো দরাদরির সময় শেষ।’

গাজায় শান্তি স্থাপনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকা মিসরের দুটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে লিখিত গ্যারান্টি চায় হামাস।

দলটি বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে সমঝোতা আলোচনার বিষয়ে তাদের ‘ইতিবাচক’ মনোভাবের বিষয়ে জোর দেয়।

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধরত দলটি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির লক্ষ্যে চুক্তিতে ইসরায়েলকে রাজি করার জন্য চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাগিদ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের
গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি বোমা, নিহত ৩২
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল স্লোভেনিয়া
দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ইসরায়েল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Kuwait building fire 40 Indians lost their lives

কুয়েতে ভবনে আগুন: প্রাণ হারালেন ৪০ ভারতীয়

কুয়েতে ভবনে আগুন: প্রাণ হারালেন ৪০ ভারতীয় কুয়েতের মানগাফ শহরে বুধবার সকালে আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবন। ছবি: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ছয় তলা ভবনটির রান্নাঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটিতে প্রায় ১৯৫ জন থাকতেন, যাদের সবাই একই কোম্পানির শ্রমিক।

কুয়েতের মানগাফ শহরের একটি ভবনে বুধবার আগুনে প্রাণ হারানো ৪৯ জনের মধ্যে ৪০ জনই ভারতীয় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এনডিটিভি জানায়, ব্যাপক প্রাণঘাতী ওই আগুনের সূত্রপাত হয় স্থানীয় সময় সকাল ছয়টায়।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ছয় তলা ভবনটির রান্নাঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটিতে প্রায় ১৯৫ জন থাকতেন, যাদের সবাই একই কোম্পানির শ্রমিক।

কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগুন ধরার সময় শ্রমিকরা ঘুমাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় বেশির ভাগ মৃত্যু হয় ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে অগ্নিকাণ্ডে নিজ দেশের নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনায় নিজ বাসভবনে উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তিনি প্রাণ হারানো প্রত্যেকের পরিবারকে দুই লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আগুনে মৃত্যু হওয়া ভারতীয়দের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধামন্ত্রীর নির্দেশনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জরুরি ভিত্তিতে কুয়েতে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি প্রাণ হারানো শ্রমিকদের দেহাবশেষ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের সহায়তায় কাজ করবেন।

আরও পড়ুন:
কুয়েতে ভবনে আগুনে কমপক্ষে ৪১ মৃত্যু
মাদারীপুরে খামারে আগুন, পুড়ে মরল ১৩ গরু
চট্টগ্রামে ঝুট গুদামে আগুন
পশ্চিমবঙ্গে বার্ড ফ্লু আক্রান্ত ৪ বছরের শিশু
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
At least 35 dead in Kuwait building fire

কুয়েতে ভবনে আগুনে কমপক্ষে ৪১ মৃত্যু

কুয়েতে ভবনে আগুনে কমপক্ষে ৪১ মৃত্যু কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলীয় মানগাফ শহরের একটি ভবনে আগুন ধরে। ছবি: মনোরমা নিউজ
কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আগুনে আহত প্রায় ৪৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলীয় মানগাফ শহরের একটি ভবনে আগুনে কমপক্ষে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে এনডিটিভি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ছয়টায় আগুন ধরা ভবনটিতে শ্রমিকরা থাকতেন।

কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আগুনে আহত প্রায় ৪৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

আগুনে হতাহতদের মধ্যে ভারতীয় কর্মী রয়েছেন।

এর আগে আরব নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, কুয়েত পুলিশ কর্মকর্তা ইদ রাশেদ হামাস সাংবাদিকদের আগুনে ১৫ জন আহত হওয়ার খবর জানান।

তিনি জানান, আগুনে আহত ১৫ জনকে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়, যাদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে চারজনের মৃত্যু হয়। আগুনে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কুয়েতের ফরেনসিক এভিডেন্স পরিচালক মেজর জেনারেল ইদ আল-ওয়াইহান বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং অগ্নিনির্বাপণ বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তারপর এ সংকট মোকাবিলায় গঠিত জরুরি টিম পরিদর্শন শুরু করে।’

আরও পড়ুন:
কৃষকের সেচ পাম্পে আগুন দিল কে
দিল্লিতে শিশু হাসপাতালে আগুনে ৭ নবজাতকের মৃত্যু
গুজরাটে গেমিং জোনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২২
ভারতে রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯
কালিয়াকৈরে কলোনিতে আগুন, পুড়ল শতাধিক ঘর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Benny Gantz resigns from Israels wartime cabinet

ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বেনি গানৎজের

ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বেনি গানৎজের ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে রোববার পদত্যাগের ঘোষণা দেন বেনি গানৎজ। ছবি: রয়টার্স
আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় রোববার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংবাদ সম্মেলনে গানৎজ তার পদত্যাগের বিষয়টি জানান।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বেনি গানৎজ।

এর মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি মন্ত্রিসভা থেকে সরে গেল মধ্যমপন্থি অংশ।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় রোববার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংবাদ সম্মেলনে গানৎজ তার পদত্যাগের বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু আমাদের আসল বিজয়ের পথে অগ্রসর হওয়া প্রতিহত করছেন। এ কারণে আমরা আজ ভারাক্রান্ত মন ও পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে জরুরি সরকার থেকে সরে যাচ্ছি।’

গানৎজ তার বক্তব্যে ইসরায়েলে আগাম নির্বাচনের আহ্বান জানান।

তার ভাষ্য, এমন একটি নির্বাচন হওয়া দরকার, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করবে, যেটি জনগণের আস্থা অর্জন করে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে।

ওই সময় তিনি নির্বাচনের তারিখ ঠিক করতে নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানান।

গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা উপস্থাপন করা না হলে পদত্যাগ করবেন বলে গত মাসে জানিয়েছিলেন গানৎজ।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকার শাসক দল হামাসের হামলার জবাবে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এখন পর্যন্ত চলা এ হামলায় প্রাণ গেছে গাজার ৩৭ হাজারের বেশি বাসিন্দার।

আরও পড়ুন:
দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ইসরায়েল
গাজায় আরও চার বন্দির মৃত্যু: ইসরায়েল
গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাইডেনের পরিকল্পনা ‘মেনে নিচ্ছে’ ইসরায়েল
গাজায় শান্তি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে ইসরায়েল হামাসকে তাগিদ
ফিলিস্তিনিদের জিজি ও বেলা হাদিদ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The United Nations added Israel to the blacklist of child abuse

ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ

ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ গাজা উপত্যকার একটি হাসপাতালে আহত ফিলিস্তিনি শিশু। ছবি: এএফপি
সশস্ত্র সংঘাতে শিশুবিষয়ক জাতিসংঘের বার্ষিক প্রতিবেদনটিতে ‘শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় পক্ষগুলোর সম্পৃক্ততার’ তালিকায় স্কুল ও হাসপাতালে হামলাসহ শিশুদের হত্যা, আহত করা এবং যৌন সহিংসতার তথ্যপ্রমাণ থাকে।

গাজায় শিশুদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের কারণে ইসরায়েলকে ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করছে জাতিসংঘ। যে দেশগুলো সশস্ত্র সংঘাতে শিশুদের ওপর নির্যাতন করে তাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সংস্থাটি।

একজন ইসরায়েলি কূটনীতিক দেশটির কালো তালিকায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সংস্থাটির এক কর্মকর্তা ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে জাতিসংঘের বার্ষিক ‘চিলড্রেন ইন আর্মড কনফ্লিক্ট’ প্রতিবেদনে ইসরায়েলের তালিকাভুক্তির বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, তাদের সতর্ক করার জন্য এবং বিষয়টি যাতে ফাঁস না হয়, সেজন্য এমনটা করা হয়েছে।

ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ
ফিলিস্তিনি শিশুরা তাঁবুর মধ্যে খাবার রান্না করছে। ছবি: আবেদ জাগুত/আনাদোলু এজেন্সি

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান শুক্রবার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এটি আপত্তিকর এবং ভুল সিদ্ধান্ত। আমাদের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক বাহিনী। কালো তালিকাভুক্ত একমাত্র ব্যক্তি মহাসচিব, যিনি সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করেন এবং ইসরায়েলের প্রতি ঘৃণার দ্বারা উদ্বুদ্ধ।’

পরদিন এরদানের মন্তব্যের বিষয়ে ডুজারিক বলেন, ‘ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের ফোন কলটি দুঃখজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। এ ধরনের কিছু আমি আমার ২৪ বছরে এই সংগঠনের সঙ্গে থেকে দেখিনি।’

ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রতিবেদনটি ১৪ জুন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হবে এবং তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।’

সশস্ত্র সংঘাতে শিশুবিষয়ক জাতিসংঘের বার্ষিক প্রতিবেদনটিতে ‘শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় পক্ষগুলোর সম্পৃক্ততার’ তালিকায় স্কুল ও হাসপাতালে হামলাসহ শিশুদের হত্যা, আহত করা এবং যৌন সহিংসতার তথ্যপ্রমাণ থাকে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোররাতে গাজায় জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট একটি স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমায় কমপক্ষে ৩২ জন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানায় আল জাজিরা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৩১ হাজার ৬৪৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই নারী এবং শিশু। ওই দিন হামাসের হামলার ১ হাজার ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন এবং ২০০ জনকে জিম্মি করা হয়।

আরও পড়ুন:
গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাইডেনের পরিকল্পনা ‘মেনে নিচ্ছে’ ইসরায়েল
গাজায় শান্তি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে ইসরায়েল হামাসকে তাগিদ
ফিলিস্তিনিদের জিজি ও বেলা হাদিদ
ব্রুকলিন জাদুঘরে ঢুকে পড়েছে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা
বাইডেনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মানবেন না নেতানিয়াহু

মন্তব্য

p
উপরে