× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Eyewitness accounts of the Sydney attack
google_news print-icon

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা

প্রত্যক্ষদর্শীদের-বর্ণনায়-সিডনির-হামলা
কাঁদতে কাঁদতে বাসায় ফিরছেন শপিং মলে থাকা কয়েকজন। ছবি: বিবিসি
প্রত্যক্ষদর্শী হুমা হুসাইনি বলেন, ‘এর মধ্যে হঠাৎ গুলির আওয়াজ পাই। আমি তখন শেষ! ভেবেছিলাম, ওর কাছে পিস্তলও আছে।’

ঘড়িতে তখন তিনটা বেজে কিছু বেশি। সিডনির ওয়েস্টফিল্ড বন্ডি জংশন শপিং মলে তখন লোকে লোকারণ্য। হঠাৎ করেই শোরগোল, সেইসঙ্গে শপিং মল থেকে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের হুমমুড়িয়ে বের হয়ে আসতে দেখা গেল। জানা গেল, ভেতরে ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন এক ব্যক্তি।

প্রত্যক্ষদর্শী দোকানকর্মী রাশদান আকাশাহ বিবিসিকে বলেন, ‘ছুরি ধরে থাকা ব্যক্তি চলন্ত সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছিল। সেসময় একটি রড দিয়ে আরেক যুবক তাকে সিঁড়ি থেকে নামানোর চেষ্টা করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা
ক্রোতাদের নিরাপত্তায় তাদের দোকানের মধ্যে ঢুকতে সাহায্য করেন রাশদান। ছবি: বিবিসি

‘সঙ্গে সঙ্গে আমি দোকানের সিইওকে দোকানের শাটার নামানোর অনুমতি দিতে অনুরোধ করি। ওই লোকটি হামলা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায় আর এসব হচ্ছিল আমাদের দোকানের সামনেই।’

শপিং মল থেকে বের হয়ে একজন বলেন, ‘আমি তাকে (হামলাকারীকে) পুরোপুরি দেখিনি। কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বের হয়ে এসেছি।

‘এটা একেবারে পাগলামি। মনে হচ্ছিল, প্রাণটা বুঝি আজকেই গেল।’

আরেকজন বলেন, ‘ছুরি দিতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে একজন লুটিয়ে পড়ে। তারপর আমিও প্রাণভয়ে দৌড় দেই।’

ওলিন্ডা নেমার নামের এক যুবতী হামলাকারীকে সরে যেতে বাধ্য করেন। তার কথায়, ‘আমি তাকে কাউকে আঘাত করতে দেখিনি। তবে দেখলাম যে সে পালাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা
একটি দোকানের মধ্যে ঢুকে প্রাণ রক্ষা করেন ওলিন্ডা।

‘প্রথমে আমিও বুঝতে পারিনি ঘটনাটি কী ঘটেছে। ভেতরের লোকজন চিৎকার করছিল আর পালাচ্ছিল। তাই আমিও দৌড় দেই।

‘দৌড় দিয়ে এক দোকানে ঢুকে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তারা দরজা বন্ধ করে দেয়। সেখানে আরও অনেকে ছিল। কেউ কেউ পুলিশে ফোন করছিল। ফোন করার দশ মিনিটের মধ্যে পুলিশ চলে আসে।’

পুরো ঘটনার সময় ৪৫ মিনিট ধরে একটি দোকানের চেঞ্জ রুমে লুকিয়ে ছিলেন হুমা হুসাইনি ও মোহাম্মদ নাভিদ।

কাঁপতে কাঁপতে বিবিসিকে হুমা বলেন, ‘আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না! ওর (হামলাকারীর) হাতে বিশাল বড় একটি ছুরি ছিল, প্রায় এক হাত হবে। আমি ওর খুব কাছেই ছিলাম।

‘আর ওর পেছনে দুই জন অল্পবয়সী নারী মেঝেতে পড়ে ছিলেন। একজন ওঠার চেষ্টা করলেও অন্যজন নিথর ছিলেন।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা
পুরো ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন হুমা হুসাইনি (বাঁয়ে) ও মোহাম্মদ নাভিদ।

এর মধ্যেই পুলিশ এসে হামলাকারীকে গুলি করে। তবে বিষয়টি বুঝতে না পেরে আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন হুমা।

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে হঠাৎ গুলির আওয়াজ পাই। আমি তখন শেষ! ভেবেছিলাম, ওর কাছে পিস্তলও আছে। পরে বুঝতে পারি যে, পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গুলি করেছে।’

ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে ওই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে। এক নারী পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হন, যাকে স্থানীয় গণমাধ্যমে ‘হিরো’র তকমা দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত আটজন, যাদের মধ্যে নয় মাস বয়সী এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। শিশুটির মা অবশ্য প্রাণ হারিয়েছেন।

একাই ওই ব্যক্তি ঘটনাটি ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জানিয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ।

এ হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট হতে না পারলেও ঘটনার পুনরাবৃত্তির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সহকারী কমিশনার অ্যান্থনি কুক।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়ায় শপিং মলে ছুরি হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৭

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Netanyahu announced to continue the attack on Gaza

গাজায় হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা নেতানিয়াহুর

গাজায় হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা নেতানিয়াহুর ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত রাফার একটি এলাকা। ছবি: সিএনএন
রাফাতে ইসরায়েলি হামলা অন্তত ৪৫ জনের প্রাণহানি এবং বিমান হামলা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার মধ্যে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন নেতানিয়াহু।

গাজায় যুদ্ধবিরতি নয়, বরং হামলা চলবে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলি পার্লামেন্টে এক বক্তব্যে তিনি ঘোষণা দেন বলে বিবিসির মঙ্গলবারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রাফাতে ইসরায়েলি হামলা অন্তত ৪৫ জনের প্রাণহানি এবং বিমান হামলা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার মধ্যে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন নেতানিয়াহু।

রাফার গাজান শহরে রোববার ইসরায়েলি বিমান হামলায় একটি শরণার্থী শিবিরের তাঁবুতে আগুন লেগে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন।

ওই প্রসঙ্গ টেনে নেতানিয়াহু বলেন, হামলাটি ছিল একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনা। তবে প্রতিটি লক্ষ্য অর্জনের আগে আমি যুদ্ধ শেষ করতে চাই না।

হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, রাফার গাজান শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতদের মধ্যে ২৩ জন শিশু, নারী ও বৃদ্ধ ছিল।

হামলায় বেঁচে যাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গাজানের তেল আল-সুলতান এলাকায় হামলাটি চালানো হয়। পরিবারগুলো যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে।

সপ্তাহ দুয়েক আগে রাফায় আগ্রাসন শুরুর আগে সীমান্ত থেকে সরিয়ে দেয়া শরণার্থীদের একটি বড় অংশ এই এলাকায় ক্যাম্প করে আছে।

গাজায় ইসরায়েলের টানা হামলার মধ্যে সম্প্রতি হামাস ইসরায়েলের তেল আবিব এলাকায় একটি বড় রকেট হামলা চালিয়েছে। এমন সময় এ হামলা হয় যখন ইসরায়েল জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের রায়কে অমান্য করে রাফাহতে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলে গত ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। তারা আরও ২৫২ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়।
ওই সময়ই গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৬ হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Israeli attack on Rafah refugee camp kills at least 45

রাফায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলা, নিহত অন্তত ৪৫

রাফায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলা, নিহত অন্তত ৪৫ স্বজনদের মরদেহ ধরে কাঁদছেন কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
উম্মে মোহাম্মদ আল-আত্তার নামে এক ফিলিস্তিনি নারী বলেন, ‘নামাজ শেষে আমরা বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর জন্য বিছানা প্রস্তুত করছিলাম। সবকিছু স্বাভাবিকই ছিল। এরইমধ্যে বিকট শব্দ শুনতে পাই। তারপর চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।’

রাফার গাজান শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একটি শরণার্থী শিবিরের তাঁবুতে আগুন লেগে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছে।

রোববার রাতে হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৩ জন শিশু, নারী ও বৃদ্ধ ছিল।

হামলায় বেঁচে যাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গাজানের তেল আল-সুলতান এলাকায় হামলাটি চালানো হয়। পরিবারগুলো যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে।

সপ্তাহদুয়েক আগে রাফায় আগ্রাসন শুরুর আগে সীমান্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া শরণার্থীদের একটি বড় অংশ এই এলাকায় ক্যাম্প করে আছে।

রাফায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলা, নিহত অন্তত ৪৫

উম্মে মোহাম্মদ আল-আত্তার নামে এক ফিলিস্তিনি নারী বলেন, ‘নামাজ শেষে আমরা বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর জন্য বিছানা প্রস্তুত করছিলাম। সবকিছু স্বাভাবিকই ছিল। এরইমধ্যে বিকট শব্দ শুনতে পাই। তারপর চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।’

রায়টার্সের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অন্ধকারের মধ্যে আগুন জ্বলছে এবং আতঙ্কে লোকজন চিৎকার করছে। একদল যুবক ঢেউটিন দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে।

এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে বলে আশঙ্কা করছে হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে হামাস
সুড়ঙ্গে নিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হত্যা ও বন্দি করার দাবি হামাসের
আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার
আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
14 people lost their lives in tornadoes in the United States

যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোতে ১৪ জনের প্রাণহানি

যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোতে ১৪ জনের প্রাণহানি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, আরকানসাস, ওকলাহোমা ও কেন্টাকি রাজ্যে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ টর্নেডোর আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েকশ’ ভবন। আহত অনেককে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চারটি রাজ্যে টর্নেডোর আঘাতে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছে। টেক্সাস, আরকানসাস, ওকলাহোমা ও কেন্টাকি রাজ্যে এই ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েকশ’ ভবন।

সার্দান প্লেইনস ও ওজার্কস এলাকায় টর্নেডোর প্রভাবে সৃষ্ট বজ্রপাতের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেছে উদ্ধারকারী দল।

ওকলাহোমা সীমান্তের কাছে উত্তর টেক্সাসে শনিবার রাতে একটি শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হানে। এতে কমপক্ষে সাতজন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে ভ্যালি ভিউর কুক কাউন্টি শহরে একটি পরিবারের দুই ও পাঁচ বছর বয়সী দুটি শিশু রয়েছে। এছাড়া ৫০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত অঞ্চলে দুই শতাধিক বাড়ি ও অন্যান্য কাঠামো ধ্বংস হয়েছে। ১২০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অ্যাবট জানান, টর্নেডোর আঘাত থেকে বাঁচতে গ্যাসোলিন স্টেশনের ভেতরে প্রায় ১২৫ জন আশ্রয় নেয়।

আশ্রয় নেয়া সবাই প্রাণে বেঁচে গেলেও ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া অসংখ্য মানুষকে মুক্ত করতে উদ্ধারকারী দলের প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। তবে টর্নেডো আঘাতের এই ঘটনায় কেউ নিখোঁজ হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, ভ্যালি ভিউতে টর্নেডোর সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৫ মাইল। একাধিক টর্নেডো এই অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। তবে সঠিক সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা যায়নি।

কুক কাউন্টি শেরিফ রে স্যাপিংটন বলেন, ‘ঝড়ের পর ওই এলাকার বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

একটি ভিডিও ফুটেজে বিপর্যয়-পরবর্তী অবস্থায় দেখা যায় বিস্তীর্ণ ঘরবাড়ি ও অন্যান্য ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক গাছ উপড়ে গেছে।

ডালাসের উত্তর-পশ্চিমে ডেন্টন কাউন্টিতেও শনিবার টর্নেডো আঘাত হানে। এতে ঘরবাড়ি ও অন্যান্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

কর্মকর্তারা বলেছেন, ঝড়ের কবলে পড়ে অনেক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

পাওয়ারআউটেজেসড.আস ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, টেক্সাস থেকে মিশিগান পর্যন্ত ১০টি রাজ্য জুড়ে রোববার ৪৫ হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন ছিলেন।

আরকানসাসের কর্মকর্তারা শনিবার ঝড়-সম্পর্কিত অন্তত তিনটি প্রাণহানির কথা জানিয়েছেন যার মধ্যে ব্যাক্সটার কাউন্টিতে ৭৩ বছর বয়সী একজন নারী রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেক রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে বা ধ্বংসাবশেষে আটকে আছে। গাছ, বিদ্যুতের লাইন, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের পাশাপাশি অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন।

ঝড়ের কারণে ওকলাহোমার কিছু অংশে শনিবার রাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

ঝড়টি রোববার উত্তর-পূর্ব দিকে স্থানান্তরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টল্যান্ড জুড়ে আবহাওয়া আরও বিপজ্জনক আকার ধারণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেন্টাকির লুইসভিলে ৮০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগে বাতাসের কারণে একটি গাছ ভেঙে পড়ে একজন মালি মারা গেছেন।

ওয়েদার সার্ভিস ওহাইও ও টেনেসির মধ্য দিয়ে অতিরিক্ত ঝড় বয়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে বলেছে- এতে ক্ষতিকারক বাতাস, বড়, শিলাবৃষ্টি এবং একাধিক টর্নেডোর আশঙ্কা আছে। ভারী বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহে আইওয়ার একটি গ্রামীণ শহরে শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হানার মাত্র কয়েকদিন পর বিপজ্জনক আবহাওয়ার কারণে চারজন মারা যায়।

আরও পড়ুন:
হিউস্টনে প্রবল ঝড়, চারজনের মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hamas attacked Israel

ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে হামাস

ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে হামাস
গত ৭ অক্টোবর এমন এক হামলার পরই ইসরায়েল বেশ বড় ধরনের হামলা শুরু করে গাজায়, তখন থেকে এখনও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকতার শাসক দল হামাস ইসরায়েলের তেল আবিব এলাকায় একটি বড় রকেট হামলা চালিয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর এমন এক হামলার পরই ইসরায়েল বেশ বড় ধরনের হামলা শুরু করে গাজায়, তখন থেকে এখনও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।

বিবিসি জানিয়েছে, রোববার হামাস বলেছে, তারা তেল আবিবে বড় ধরনের রকেট হামলা শুরু করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকা থেকে অন্তত আটটি রকেট ছোড়া হয়েছে। বেশ কয়েকটিকে আটকানো হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় চার মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো হামাস মধ্য ইসরায়েলে আক্রমণ করেছে। এমন সময় এ হামলা হলো যখন ইসরায়েল জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের রায়কে অমান্য করে রাফাহতে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি আলোচনার আগেও এমন হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার মাধ্যমে আলোচনার আগে তারাে শক্তি দেখানোর চেষ্টা করতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।

বিবিসি বলছে, ইসরায়েলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র তেল আবিবে জানুয়ারিতে সর্বশেষ হামলার পর থেকে কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে। কিন্তু আকস্মিক হামলায় ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিতে পারে।

ইসরায়েলি মিডিয়া প্রকাশিত ফুটেজে হার্জলিয়া এবং কেন্দ্রীয় শহর কেফার সাবার ভবনগুলোতে রকেট হামলার ক্ষয়ক্ষতি প্রকাশ করেছে।

ফিলিস্তিনি মিডিয়া জানিয়েছে, মধ্য রাফাহ শহরের একটি আবাসিক বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ইসরায়েলে গত ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। তারা আরও ২৫২ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। ওই সময়ই গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এতে প্রায় ৩৬ হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hamas claims to kill and capture Israeli soldiers in tunnels

সুড়ঙ্গে নিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হত্যা ও বন্দি করার দাবি হামাসের

সুড়ঙ্গে নিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হত্যা ও বন্দি করার দাবি হামাসের হামাসের সুড়ঙ্গে বন্দি করা হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাদের। ছবি: সংগৃহীত
মুখপাত্র বলেন, হামাস যোদ্ধারা শনিবার ইসরায়েলি সেনাদের কৌশলে সুড়ঙ্গে নিয়ে আসে এবং তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

ইসরায়েলি সেনাদের কৌশলে সুড়ঙ্গে নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যা ও বেশ কয়েকজনকে বন্দি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকতার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

হামাসের সামরিক শাখা আল কাসেম ব্রিগেডস গাজার জাবালিয়ায় ওই হামলা চালায় বলে তাদের মুখপাত্র আবু উবাইদার এক অডিও বার্তার বরাতে প্রতিবেদনে জানিয়েছে আল জাজিরা।

টেলিগ্রামে ওই মুখপাত্র বলেন, হামাস যোদ্ধারা শনিবার ইসরায়েলি সেনাদের কৌশলে সুড়ঙ্গে নিয়ে আসে এবং তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের ওই দলটির সদস্যদের হত্যা, আহত এবং বন্দি করা হয়েছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) রোববার হামাসের এই দাবি অস্বীকার করেছে। সেনাদের বন্দি করার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে তারা।

ইসরায়েলে গত ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। তারা আরও ২৫২ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান। ওই সময়ই গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এতে প্রায় ৩৬ হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন।

নানা ঘটনার মধ্যে গাজা উপত্যকায় হামাসের একটি সুড়ঙ্গে থেকে গত মে মাসের মাঝামাঝি তিন জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের কথা জানায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The bodies of three more Israeli hostages were recovered

আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার

আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার হানান ইয়াবলোঙ্কা, মিশেল নিসেনবাউম ও ওরিয়ন হার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ভূখণ্ড থেকে আরও তিন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। বলা হয়েছে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যৌথ অভিযানের সময় উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া শহর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

ইসরায়েলি যেসব জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- হানান ইয়াবলোঙ্কা, মিশেল নিসেনবাউম ও ওরিয়ন হার্নান্দেজ। তাদের মধ্যে হানান ইয়াবলোঙ্কা ও ওরিয়ন হার্নান্দেজ নোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের স্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর নিহত হন।

গাজায় এখনও হামাসের কাছে প্রায় ১৩০ জন বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

‌ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘জিম্মিদের গাজা থেকে জীবিত উদ্ধার কারা আমাদের জাতীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। সে সঙ্গে মৃতদেরও দেশে আনতে সবকিছু করবে ইসরায়েল। আমরা তা-ই করছি।’

হামাস পুনরায় সংগঠিত হয়েছে দাবি করে ইসরায়েল দুই সপ্তাহ আগে জাবালিয়ায় পুনরায় অভিযান শুরু করে।

হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের পর থেকে গাজা উপত্যকা জুড়ে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। তাদের নির্বিচার হামলায় গত সাত মাসে ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আরও পড়ুন:
আগ্রাসন বন্ধে আইসিজের নির্দেশের পর রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা
রাফায় আগ্রাসন বন্ধ করতে ইসরায়েলকে আইসিজের নির্দেশ
রাফাহতে হামলা বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন, রায়ের অপেক্ষা
মধ্য গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২
ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hundreds killed in Papua New Guinea landslide

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধসে নিহত শতাধিক

পাপুয়া নিউগিনিতে ভূমিধসে নিহত শতাধিক
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাপুয়া নিউগিনির উত্তরাঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় বড় ধরনের ভূমিধসে শতাধিক মানুষ মারা গেছেন।

শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে অস্টেলিয়া ব্রডকাস্টিং করপোরেশন।

এনগা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রামটি রাজধানী পোর্ট মোর্সবি থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাত ৩টার দিকে যখন ভূমিধস শুরু হয়, তখন গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দা ঘুমে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে এক বিবৃতিতে জানান, তিনি এখনো পরিস্থিতি নিয়ে নির্ভরযোগ্য ব্রিফিং পাননি। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই দুর্যোগের মোকাবিলায় কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা এনগার প্রাদেশিক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ত্রাণ, মরদেহ উদ্ধার ও অবকাঠামো পুননির্মাণের উদ্যোগ সমন্বয় করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা বাহিনী, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের পাঠাচ্ছি।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এবিসি) ও অন্যান্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে ১০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমে বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ফটো ও ভিডিওতে ধ্বংসের মাত্রা দেখা যায়। এলাকাবাসীরা বড় বড় পাথর সরানোর চেষ্টা করছেন। অসংখ্য গাছ উপড়ে গেছে এবং ভেঙে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষের নিচে অনেকেই চাপা পড়েছেন।

কয়েকটি ছবিতে পাথরে নিচ থেকে মানুষকে বের করে আনার দৃশ্য দেখা গেছে।

পুলিশ এই ব্যাপারে কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

মন্তব্য

p
উপরে