× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Citizens of 29 countries can perform Umrah without visa
google_news print-icon

ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক

ভিসা-ছাড়াই-ওমরাহ-করতে-পারবেন-২৯-দেশের-নাগরিক
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ প্রক্রিয়া সহজ, উন্নতমানের সেবাসহ সৌদির সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার জন্য দেশটির ভিশন-২০৩০-এর অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) ২৭ দেশের নাগরিকদের ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করার সুযোগ দেবে সৌদি আরব সরকার। ওমরাহ পালন করার জন্য এসব দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে হজের তত্ত্বাবধায়ক দেশটি।

সোমবার সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।

এছাড়া এসব দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা অন-অ্যারাইভাল প্রক্রিয়া আরও সহজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সৌদি সরকার। এমনকি, তারা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এসেছেন, না কি ওমরাহ পালনের জন্য এসেছেন, সে বিষয়টিও ধরা হবে না। এটি ভিসাধারীদের নিকটাত্মীয়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে ওই প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ প্রক্রিয়া সহজ, উন্নতমানের সেবাসহ সৌদির সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার জন্য দেশটির ভিশন-২০৩০-এর অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হজের জন্য যোগ্য ব্যক্তিরা সহজেই নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে তাদের ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা সাজাতে পারবেন। চাইলে এসব দেশের নাগরিকরা সৌদিতে পৌঁছেই ওমরাহ করতে পারবেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Rahul raised questions about the election process and EVMs

নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাহুল

নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাহুল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ফাইল ছবি
রাহুল গান্ধী বলেছেন, ভারতের নির্বাচনি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানে যখন জবাবদিহিতার অভাব থাকে তখন গণতন্ত্র জালিয়াতি ও প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়ে।

ভারতে সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। একইসঙ্গে ভারতে ইভিএম-কে ‘ব্ল্যাক বক্স’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেছেন, কেউই এটা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।

বার্তা সংস্থা পিটিআই’র খবরে বলা হয়, রাহুল গান্ধী রোববার বলেছেন যে ভারতের নির্বাচনি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যখন জবাবদিহিতার অভাব থাকে প্রতিষ্ঠানে তখন গণতন্ত্র জালিয়াতি ও প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়ে।

মুম্বাইয়ের উত্তর-পশ্চিম থেকে মাত্র ৪৮ ভোটের ব্যবধানে জয় পাওয়া শিবসেনার এক প্রার্থীর বিষয় উল্লেখ করে রাহুল এসব মন্তব্য করেন। ওই প্রার্থীর কাছে ইভিএম খোলা যায় এমন একটি ফোন ছিল বলে মিডিয়ায় রিপোর্ট হয়।

এছাড়া এক্সে ইলন মাস্ক একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি ইভিএম তুলে দেয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। সেই পোস্ট ট্যাগ করেছেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী।

ইলন মাস্ক তার পোস্টে বলেছেন, ‘আমাদের উচিত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) তুলে দেয়া। মানুষ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এই যন্ত্র হ্যাক করার ঝুঁকি অনেক বেশি।

প্রসঙ্গত, ভারতে বিরোধী দলগুলো নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসছে কিছুদিন ধরে। তারা ভিভিপিএটি স্লিপ শতভাগ গণনা দাবি করছে, যার অনুমতি দেয়া হয়নি। এদিন আরও আগে সাবেক ইলেক্ট্রনিকস অ্যান্ড ইনফর্মেশন টেকনোলজি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখরকে টেসলা প্রধান ইলন মাস্কের পোস্ট সম্পর্কে জানানো হয়। জবাবে তিনি বলেন, এসব উদ্বেগ ভারতীয় ইভিএম মেশিনের জন্য প্রযোজ্য নয়। ইলন মাস্ক যেটা বলতে চেয়েছেন তা হলো- যেকোনো কিছু হ্যাক হতে পারে।

আরও পড়ুন:
লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন রাহুল গান্ধী
অহংকার চূর্ণ হয়েছে, মোদিকে চায় না ভারতের জনগণ: রাহুল গান্ধী
ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে রাহুলের মন্তব্যের নিন্দা সংগীতশিল্পীর
রাহুল গান্ধীর সাজা স্থগিত, ফিরছেন সংসদে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The ritual of Hajj is completed by stoning Satan

শয়তানকে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন

শয়তানকে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র নগরী মক্কার কাছে মিনায় শয়তানের উদ্দেশে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে রোববার চলতি মৌসুমের হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন হাজিরা। এরপর পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন তারা।

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে মিনায় শয়তানের উদ্দেশে পাথর ছোড়ার মধ্য দিয়ে রোববার চলতি মৌসুমের হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন হাজিরা। এরপর পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন তারা।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শয়তানের উদ্দেশে পাথর নিক্ষেপের জন্য শনিবার রাতে হাজিরা পাথর সংগ্রহ করেন এবং মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করেন। সেখানে তারা ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেই খোলা জায়গায় বসে প্রার্থনায় মশগুল থাকেন।

চলতি বছর বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদি আরবে হজ পালন করতে হাজির হয়েছেন ১৮ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলিম। মক্কার স্থানীয় সময় রোববার ভোর থেকেই মক্কা আল-মুকাররমার বাইরে অবস্থিত মিনা উপত্যকায় শয়তানের প্রতীকী তিনটি কংক্রিটের দেয়ালের প্রতিটিতে সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করেন হাজিরা।

পবিত্র হজব্রত পালনে ধর্মীয় এই রীতি হজরত ইব্রাহিমের (আ.) তিনটি স্থানে শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মারার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বলা হয়, সেখানে শয়তান তাকে তার পুত্রকে কুরবানি দেয়ার জন্য আল্লাহর আদেশ পালন থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছিল।

প্রসঙ্গত, পবিত্র হজব্রত পালন করতে গিয়ে এর আগে পাথর ছোড়ার রীতি পালনের সময় মিনায় একাধিকবার পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২০১৫ সালে সেখানে সবচেয়ে ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় দুই হাজার ৩০০ হাজি প্রাণ হারান। এরপর থেকে হজের সময় মিনায় হাজিদের অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে স্থানটি নতুন করে ঢেলে সাজিয়েছে সৌদি সরকার।

আরও পড়ুন:
হজের চূড়ান্ত পর্বে আরাফাতে ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রার্থনা
আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা
গাজায় যুদ্ধের মধ্যে হজ শুরু
সৌদিতে হজের নতুন আইন কার্যকর, ভাঙলেই সাজা
বাংলাদেশ থেকে ৩৪,৭৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
8 Israeli soldiers killed in Gaza attack by Hamas

গাজায় হামাসের হামলায় ইসরায়েলের ৮ সেনা নিহত

গাজায় হামাসের হামলায় ইসরায়েলের ৮ সেনা নিহত রাফাহতে অভিযানে অংশ নেয়া কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা সদস্য। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় শনিবার এই হামলা চালায় হামাস। এই হামলা ও সেনা সদস্যরা নিহত হওয়ার ঘটনার পেছনের সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনের গাজায় হামাসের হামলায় ইসরায়েলের আট সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিকে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর অন্যতম বড় আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজায় শনিবার এই হামলা চালায় হামাস। এই হামলা ও সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার পেছনের সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

হামাসের সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেড এর আগে জানায়, রাফাহর পশ্চিমে অবস্থিত তাল আল-সুলতানে কর্মরত শত্রু পক্ষের যানবাহনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে তারা।

তারা ইসরায়েলের একটি সামরিক বুলডোজার লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে বুলডোজারটিতে আগুন ধরে যায়। আর এতে থাকা সদস্যরা ক্ষতির শিকার হয়েছে।

বুলডোজার ও এর সদস্যদের উদ্ধার করার জন্য ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে এলে তাদের ওপরও হামলা চালান আল কাসসাম ব্রিগেডের সদস্যরা। এতে ইসরায়েলি সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) আক্রান্ত হয় এবং এতে থাকা সেনা সদস্যরা নিহত হন।

ঘটনার পর ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইযরায়েল কাৎজ এই শনিবারকে ‘একটি কঠিন দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া একটি পোস্টে তিনি বলেন, ‘রাফাহতে আমাদের সেরা ছেলেদের আটজন নিহত হয়েছেন। পরিণতি জানার পরও তারা সাহসিকতার সঙ্গেই হামাসকে ধ্বংস ও জিম্মিদেরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে রাফাহতে প্রবেশ করেন।’

ইসরায়েল সম্প্রতি রাফাহতে তাদের অভিযান জোরদার করেছে। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর থেকেই তারা সেখানে তীব্র মাত্রায় বিমান ও আর্টিলারি হামলা চালাচ্ছে।

রাফাহ সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া অফিসার আহমেদ রেদোয়ান বলেছেন, রাফাহতে ইসরায়েলের হামলায় হতাহতদের দেহ সংগ্রহ করার জন্য তাদের কাছে অনেকেই আবেদন করেছেন। কিন্তু ইসরায়েলের তীব্র হামলার মধ্যে সিভিল ডিফেন্সের ক্রু সদস্যদের ওই এলাকায় প্রবেশ করা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে শুক্রবার হামাস জানায়, তাল আল-সুলতানে তারা রকেট প্রোপেলড গ্রেনেড ও মর্টার ব্যবহার করে ইসরায়েলি ট্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

অপরদিকে আইডিএফ জানায়, হামাস সদস্যদের অবস্থানস্থলটি বিভিন্ন বাড়ির নিচে। তারা হামাস সদস্যদের তৈরি করা সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বেনি গানৎজের
নুসেইরাত ক্যাম্প থেকে ৪ ইসরায়েলি জিম্মি উদ্ধার
ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের
গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি বোমা, নিহত ৩২

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US airstrikes on top ISIS leaders hideout

শীর্ষ আইএসআইএস নেতার আস্তানায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা

শীর্ষ আইএসআইএস নেতার আস্তানায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা আইএসআইএসের শীর্ষ নেতা আবদুল কাদির মুমিন। ছবি: সংগৃহীত
এনবিসি জানিয়েছে, ইউএস আফ্রিকা কমান্ড সোমালিয়ার বোসাসো থেকে ৮১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইএসআইএস জঙ্গিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ওই হামলায় তিনজন নিহত হলেও তাদের মধ্যে শীর্ষ নেতা আবদুল কাদির মুমিন রয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গত মে মাসের শেষের দিকে সোমালিয়ায় আইএসআইএসের শীর্ষ নেতা আবদুল কাদির মুমিনের গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে হামলায় আবদুল কাদির মুমিন নিহত বা আহত হয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

সংবাদমাধ্যম এনবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইউএস আফ্রিকা কমান্ড (দ্য আফ্রিকম) ৩১ মে এক বিবৃতিতে বলেছে যে তারা সোমালিয়ার বোসাসো থেকে ৮১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইএসআইএস জঙ্গিদের লক্ষ্য করে একটি বিমান হামলা চালিয়েছে। ওই হামলায় তিনজন নিহত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার আবদুল কাদির মুমিনকে প্রকাশ্যে সোমালিয়ায় আইএসআইএসের সহযোগী সংগঠনের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা দাবি করেন, আবদুল কাদির মুমিন গত বছর গোপনীয়তার সঙ্গে বিশ্বব্যাপী এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নেতা নির্বাচিত হয়েছেন।

অ্যামেরিকান তিন কর্মকর্তা বলছেন, আবদুল কাদির মুমিনকে লক্ষ্য করেই ওই হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় তিনি নিহত বা আহত হয়েছেন কিনা সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত হতে পারেনননি। তবে হামলার ফল যাচাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, সোমালিয়ায় আইএসআইএস তুলনামূলকভাবে ছোট। এখানে তাদের মাত্র ১০০ থেকে ২০০ যোদ্ধা রয়েছে, যারা মূলত উত্তর সোমালিয়ায় অবস্থান করছে। তবে লিবিয়া, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ দ্য কঙ্গো ও মোজাম্বিকসহ আফ্রিকার বিভিন্ন অংশে আইএসআইএসের অন্যান্য ছোট ছোট গ্রুপ রয়েছে।

আইএসআইএসের এখনও বিশ্বজুড়ে কয়েক হাজার যোদ্ধা রয়েছে, যারা প্রাথমিকভাবে উত্তর ইরাক ও উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় অবস্থান করছে।

তবে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কারণে আইএসআইএস নেতারা আফ্রিকাকে একটি সুরক্ষিত জায়গা হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। সেখানে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম।

তারা আফ্রিকায় আইএসআইএস সেলকে প্রসারিত করতে চায়। তাই ওই অঞ্চলে খলিফা বা শীর্ষ নেতা নির্বাচন করেছে বলে ধারণা যুক্তরাষ্ট্রের।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, আইএস নেতৃত্বের কৌশলগত নির্দেশনার কারণে আফ্রিকায় তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয়েছে।

কর্মকর্তা বলেন, এফবিআই ও ইন্টারপোলের নজর এড়িয়ে অর্থায়নের মতো কৌশল একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেয়াসহ সোমালিয়ায় সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের তুলনায় আইএস জঙ্গিরা নির্দিষ্ট কিছু উপায়ে বেশি সক্রিয়।

অ্যামেরিকা বলছে, মুমিন গত এক দশক ধরে সোমালিয়া জুড়ে প্রাণঘাতী হামলার জন্য দায়ী। এসব হামলার মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে বিচার বিভাগীয় এক কর্মকর্তাকে হত্যা এবং ২০১৬ সালে পুন্টল্যান্ড অঞ্চল দখল করে কয়েক মাস ধরে অঞ্চলটি শাসন করা।

অ্যামেরিকা ২০১৬ সালে তাকে বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী ঘোষণা করে। তাকে অ্যামেরিকান নাগরিকদের নিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার জন্য উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

আইএসের সর্বশেষ শীর্ষ নেতা হিসেবে মুমিনের দায়িত্ব নেয়ার তথ্য অ্যামেরিকার কাছে ছিল না বলে জানিয়েছেন দুই অ্যামেরিকান কর্মকর্তা। তিনি ২০২২ সালের শেষের দিকে সিরিয়ায় যুদ্ধে নিহত আবু আল-হাসান আল-হাশিমি আল-কুরাশির জায়গা নেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bidens Embarrassing Mistake at the G 7 Summit

জি-৭ সম্মেলনে বাইডেনের ‘বিব্রতকর’ ভুল

জি-৭ সম্মেলনে বাইডেনের ‘বিব্রতকর’ ভুল ইতালির আপুলিয়ায় জি-৭ সদস্য সম্মেলনে প্যারাসুট প্রদর্শনের সময় অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটাহাঁটি করতে থাকেন বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত
জি-৭ সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রেসিডেন্ট বাইডেন অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটাহাঁটি, অপ্রয়োজনীয় স্যালুট এবং আলোচনার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ার মতো কিছু আচরণ করেন। এ অবস্থায় নির্বাচন সামনে রেখে তার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

ইতালির আপুলিয়ায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে তিনটি বিব্রতকর ভুল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার একদিনে এমন তিনটি ভুল মিডিয়ার চোখে ধরা পড়েছে। যেমন অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটাহাঁটি, অপ্রয়োজনীয় স্যালুট এবং আলোচনার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়া।

দ্য হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, জি-৭ সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের করা ভুলগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রেসিডেন্টের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে গোলটেবিল আলোচনা চলার মধ্যেই ৮১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট বাইডেন ঘুমিয়ে পড়েন। তখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিজ আসন ছেড়ে এগিয়ে এসে তাকে জাগাতে দেখা গেছে।

ক্যামেরায় দেখা গেছে, যখন জি-৭ এর দেশগুলোর প্রধান নেতারা ইতালি শীর্ষ সম্মেলনে প্যারাসুট প্রদর্শনের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখছিলেন, তখন বাইডেন অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটতে হাঁটতে অন্য দিকে চলে যান।

তিনি উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে থাকার পরিবর্তে ওই স্থান থেকে দূরে চলে যেতে থাকেন এবং ব্যাগ গোছাতে থাকা একজন অফিসারের সঙ্গে অপ্রত্যাশিত কথোপকথন শুরু করেন।

তখন সম্মেলনের স্বাগতিক দেশ ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি শেষ পর্যন্ত বাইডেনের কাছে এসে তাকে গ্রুপ ছবি তোলার জন্য অন্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে যান।

ক্যামেরা ফুটেজে আরও দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্যারাসুট প্রদর্শনের স্থান ছেড়ে দূরে চলে যাওয়ার আগে কোনো কারণ ছাড়াই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে স্যালুট করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা ইতালিতে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে ব্যঙ্গ করেছেন।

একজন ব্যবহারকারী তার এক্স পোস্টে লেখেন, ‘জি-৭ সামিট থেকে যে ধরনের ভিডিও বের হচ্ছে তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে যে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কিছুই ঠিক হচ্ছে না। নিশ্চিতভাবে তার চিকিৎসার প্রয়োজন।’

আরেকজন লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে শিশুর মতো ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।’

প্রেসিডেন্ট বাইডেন এর আগেও বেশ কয়েকবার শীর্ষ নেতাদের নাম ভুল করে এবং অন্যমনস্ক আচরণ করে সমালোচিত হয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সমালোচকরা তার আচরণ, শারীরিক অবস্থা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বাইডেন বিরোধীরা বার বার দাবি করছেন, নভেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব নেয়ার মতো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ নন তিনি।

বাইডেন অবশ্য বরাবরই তা অস্বীকার করে চলেছেন।

আগামী ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন জো বাইডেন।

আরও পড়ুন:
ইরানের ওপর পশ্চিমাদের নতুন নিষেধাজ্ঞা
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন নিশ্চিত করে ভোটারদের বার্তা বাইডেনের
আরও বেশি সহায়তা পাঠাতে গাজায় অস্থায়ী বন্দর বানাবে যুক্তরাষ্ট্র
দেশ-বিদেশে হুমকিতে গণতন্ত্র: বাইডেন
বাইডেনের সঙ্গে ‘যেকোনো সময়’ বিতর্ক চান ট্রাম্প

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The Holy Hajj begins in Mecca

গাজায় যুদ্ধের মধ্যে হজ শুরু

গাজায় যুদ্ধের মধ্যে হজ শুরু শুক্রবার কাবা শরিফ তাওয়াফের পর মিনায় জড়ো হন হাজিরা। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি বাহিনী মিসরের সীমান্তে রাফা শহরে হামলা ও রাফা ক্রসিং বন্ধ করে রাখায় এ বছর হজে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি উপত্যকার ফিলিস্তিনি মুসলিমদের।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে মক্কার মরুভূমিতে একটি বিশাল তাঁবু শিবিরে (মিনা) জমায়েত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র হজ কার্যক্রম শুরু করেছেন হাজিরা। শুক্রবার ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবা শরিফ তাওয়াফের পর মিনায় জড়ো হন তারা।

সারা বিশ্বের ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী এরই মধ্যে মক্কা ও এর আশপাশের এলাকায় জড়ো হয়েছেন। এছাড়া সৌদি আরবের হাজিরা যোগ দেয়ায় এই সংখ্যা আরও বাড়বে। সৌদি কর্তৃপক্ষের ধারণা, চলতি বছর এ সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

এমন সময়ে এবারের হজ শুরু হলো, যখন ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা বিধ্বস্ত। স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ চলছে উপত্যকায়। যুদ্ধটি মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেয়ার দিকে ধাবিত হচ্ছে। যুদ্ধে হামাসকে সমর্থন দিয়ে আসছে ইরান। অন্যদিকে, ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ তাদের অন্যান্য মিত্ররা।

ইসরায়েলি বাহিনী মিসরের সীমান্তে রাফা শহরে হামলা ও রাফা ক্রসিং বন্ধ করে রাখায় এ বছর হজে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি উপত্যকার ফিলিস্তিনি মুসলিমদের।

এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে ৪ হাজার ২০০ হজযাত্রী মক্কায় পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমানের আমন্ত্রণে গাজা যুদ্ধে নিহত ও আহত ফিলিস্তিনিদের পরিবারের আরও এক হাজার সদস্যও হজ পালনের জন্য মক্কায় এসেছেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে সরাসরি গাজা থেকে নয়, রাফাহ ক্রসিং বন্ধ হওয়ার আগে ওই আমন্ত্রিতরা গাজার বাইরে (বেশিরভাগই মিসরে) ছিলেন।

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনুসের ৭৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি নারী আমনা আবু মুতলাক এপিকে বলেন, ‘ক্রসিং বন্ধ থাকায় এবং ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে আমরা হজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তারা (ইসরায়েল) আমাদের সবকিছু থেকে বঞ্চিত করেছে।’

মোহাম্মদ রফিক নামে এক ভারতীয় হাজি মিনার তাঁবু ক্যাম্পের দিকে যাওয়ার সময় বলেন, ‘আমরা মুসলমানদের জন্য, আমাদের দেশ ও জনগণের জন্য, সমগ্র মুসলিম বিশ্বের জন্য, বিশেষ করে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য প্রার্থনা করি।’

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে হজ একটি। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম হলে প্রত্যেক মুসলমানকে তাদের জীবনে অন্তত একবার হলেও পাঁচ দিনের এই তীর্থযাত্রায় সামিল হতে হবে।

এটি হাজিদের জন্য একটি চলমান আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা। তাদের বিশ্বাস, হজের মাধ্যমে পাপমোচন হয় এবং সারা বিশ্বের মুসলমান একত্রিত হয়ে সৃষ্টিকর্তার নিকটবর্তী হয়।

হজ উপলেক্ষে মক্কা ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এ বছর যাদের হজে অংশগ্রহণের অনুমতি নেই, তাদের প্রবেশ ঠেকাতে শহরের দিকে যাওয়ার রাস্তাগুলোতে তল্লাশি করা হচ্ছে।

শুক্রবার হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা হন এবং পরে হজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর শনিবার তারা মরুভূমির পাহাড় আরাফাতের ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। সেখানে নবী মুহাম্মদ (সা.) তার শেষ ভাষণ দিয়েছিলেন, যেটি ‘বিদায় খুতবা’ নামে পরিচিত। সুস্থ হজযাত্রীরা পায়ে হেঁটে এবং অন্যরা বাস বা ট্রেনে ভ্রমণ করে থাকেন।

অনেক হাজি সূর্যের তীব্র তাপ থেকে কিছুটা নিস্তার পেতে ছাতা বহন করছেন। মিনায় দাতব্য সংস্থাগুলো ঠান্ডা পানি বিতরণ করছে এবং হাজিদের শীতল রাখতে পানি ছিটাচ্ছে। মুসল্লিরা এদিন তাদের তাঁবু টাঙিয়ে ছোট্ট বিছানা পেতে বিশ্রাম নেন এবং পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে একসঙ্গে প্রার্থনা করেন।

শনিবার আরাফাতের ময়দানে হজ কার্যক্রম শেষে হাজিরা কয়েক কিলোমিটার ভ্রমণ করে মুজদালিফা নামের একটি স্থান থেকে নুড়ি সংগ্রহ করবেন। এরপর তিন দিনের জন্য মিনায় ফিরে এসে সেখানে তারা শয়তানের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতীকী স্তম্ভের দিকে তা নিক্ষেপ করবেন।

পরবর্তীতে তারা কাবা শরিফ চূড়ান্ত প্রদক্ষিণ করার জন্য মক্কায় ফিরে আসবেন যা ‘বিদায় তাওয়াফ’ নামে পরিচিত।

করোনা মহামারির কারণে তিন বছরের কঠোর বিধিনিষেধের পর সম্প্রতি হজ কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। ২০২৩ সালে ১৮ লাখের বেশি হাজি হজ পালন করেন। ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৪ লাখের বেশি।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে হজের নতুন আইন কার্যকর, ভাঙলেই সাজা
বাংলাদেশ থেকে ৩৪,৭৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden doesnt see a ceasefire deal in Gaza any time soon

শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না বাইডেন

শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না বাইডেন ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজার একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
বাইডেন বলেন, ইতালিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোজাসাপ্টা জবাব দেন, ‘আমি আশা হারাইনি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, বৈশ্বিক সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত প্রস্তাবটি ইসরায়েল বা হামাস পুরোপুরি গ্রহণ করেনি।

বৃহস্পতিবার তিনি এসব কথা বলেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

বাইডেন বলেন, ইতালিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোজাসাপ্টা জবাব দেন, ‘আমি আশা হারাইনি।’

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এই সপ্তাহে প্রস্তাবটির প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, যার লক্ষ্য স্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরতি ও গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা দেয়া।

বাইডেনের ঘোষিত প্রস্তাবে এসব বিধান থাকলেও ইসরায়েল শর্ত বাস্তবায়ন করবে কি না তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হামাস।

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রতি ইসরায়েল পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় বলে যে দাবি করা হয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করেন।

সুলিভান বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ‘অবশিষ্ট ফাঁকগুলো দূর করতে ও একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আমরা কীভাবে কাজ করব তা খুঁজে বের করা’।

ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলি সামরিক চৌকিতে রকেট ও বিস্ফোরক ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

হিজবুল্লাহর রকেট হামলা বন্ধ করতে কিছু ইসরায়েলি নেতা সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দেওয়ার পর এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীটি তার মিত্র হামাসের সমর্থনে যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইসরায়েলকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ৮ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৭ হাজার ১০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুদ্ধের মধ্যে সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলাবস্থা থাকায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের মধ্যে গাজার অন্তত ১০ লাখ মানুষ তীব্র খাবার সংকটের মুখোমুখি হবে। সূত্র: ইউএনবি

মন্তব্য

p
উপরে