× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
South Korea passes bill to ban dog meat
google_news print-icon

কুকুরের মাংস খাওয়া বন্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিল পাস

কুকুরের-মাংস-খাওয়া-বন্ধে-দক্ষিণ-কোরিয়ায়-বিল-পাস
কুকুরের মাংস খাওয়া ও বিক্রি বন্ধ করতে সংসদে বিল পাস করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ছবি: রয়টার্স
শতবছর ধরে কোরিয়ানদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে, কুকুরের মাংস খেলে মনোবল ও দেহের সহনশক্তি বৃদ্ধি পায়। হত্যার উদ্দেশ্যে দেশটিতে প্রতি বছর কয়েক লাখ কুকুর পালন করা হয়।

কুকুরের মাংস খাওয়া ও বিক্রি বন্ধ করার জন্য বিল পাস করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট।

দেশটির শতাব্দী পুরোনো এ কুকুরের মাংসের শিল্প নিষিদ্ধ করতে মঙ্গলবার বিলটি পাস করা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বিলটি ২০২৭ সাল থেকে মানুষের খাওয়ার জন্য কুকুরের মাংস জবাই, প্রজনন, ব্যবসা এবং বিক্রয়কে বেআইনি করে তুলবে এবং এ ধরনের কাজের জন্য ব্যক্তিকে দুই থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শতবছর ধরে কোরিয়ানদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে, কুকুরের মাংস খেলে মনোবল ও দেহের সহনশক্তি বৃদ্ধি পায়। দেশটিতে প্রতি বছর কয়েক লাখ কুকুর পালন করা হয় ও হত্যা করা হয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে এ ধারণা পরিবর্তিত হয়েছে।

বর্তমানে বেশিরভাগ কোরিয়ানরা কুকুরকে পোষা প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করেন। তাই কুকুর হত্যা করে মাংস খাওয়া নিয়ে সমালোচনা বেড়েছে।

হিউম্যান সোসাইটি ইন্টারন্যাশনালের কোরিয়ার নির্বাহী পরিচালক জুংআহ চে বলেন, ‘এটি একটি ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছে। আমি কখনোই ভাবিনি, আমার জীবদ্দশায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কুকুরের মাংস শিল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেখতে পাব।’

তবে এ বিল পাসের পর কুকুরের মাংসের কিছু ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদে সমাবেশ শুরু করার পরিকল্পনা করছেন।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ কোরিয়ায় বন্যায় ভূমি ধসে ২১ জনের প্রাণহানি
এক বছর বয়স কমলো দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের
বিএসএফের দায়িত্বে অবহেলা: ল্যালসির গর্ভধারণ  
কুকুরের আক্রমণে মরল ১৭৫ ভেড়া
শিশুকে ঘাড়ে কামড় দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল কুকুর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Putin in a supersonic bomber

সুপারসনিক বোমারু বিমানে পুতিন

সুপারসনিক বোমারু বিমানে পুতিন অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
পুতিন এ বিমান থেকে নেমে আসার পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি নতুন যন্ত্র। এটি বিভিন্ন দিক থেকে একেবারেই নতুন একটি বিমান। এটি পরিচালনা করাও অনেক সহজ। এমনকি আপনি একেবারে খালি ও অপ্রশিক্ষিত চোখ দিয়েও দেখতে পাবেন।’

জীবনের কোনো স্বাদই বুঝি আর অপূর্ণ রাখলেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এবার তিনি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম একটি সুপারসনিক সামরিক বিমানে পরীক্ষামূলক যাত্রা করেছেন। বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ কথা জানিয়েছে।

এএফপির জানায়, মস্কো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপনের দুদিন আগে এই শক্তি প্রদর্শন করল। এ ধরনের যুদ্ধবিমান তৈরির মধ্যদিয়ে রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে আরও গতি অর্জনের চেষ্টা করছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, সুপারসনিক এই বোমারু বিমানটিকে রাশিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় কাজানে অবস্থিত বিমান প্রস্তুতকারক একটি কোম্পানির রানওয়ে থেকে উড্ডয়ন করে কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে আসতে দেখা যায়।

পুতিন এ বিমান থেকে নেমে আসার পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি নতুন যন্ত্র। এটি বিভিন্ন দিক থেকে একেবারেই নতুন একটি বিমান। এটি পরিচালনা করাও অনেক সহজ। এমনকি আপনি একেবারে খালি ও অপ্রশিক্ষিত চোখ দিয়েও দেখতে পাবেন।’

এই বোমারু বিমানের কাছে কর্মকর্তাদেরকে পুতিনের শুভেচ্ছা জানানোর ভিডিও ফুটেজ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বার বার প্রচার করা হয়। ভিডিও ফুটেজে ৭১ বছর বয়সী রাশিয়ার এ নেতাকে বিমানটি থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসতে দেখা যায়।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, পুতিন বিমানটিতে ৩০ মিনিট সময় কাটিয়েছেন। এটি সোভিয়েত ইউনিয়ন আমলে পরিকল্পিত একটি কৌশলগত বোমারু বিমান, যা রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রাগারের অংশ।

আরও পড়ুন:
কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন পুতিন
পুতিন দানব: ট্রুডো
‘ক্যানসারের টিকা আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে রাশিয়া’
পোল্যান্ড বা লাটভিয়ায় হামলার পরিকল্পনা নেই: পুতিন
পুতিনের ৫৯ বিমান!

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Appeal rejected Shamima is not returning to Britain

আপিল খারিজ, ব্রিটেনে ফেরা হচ্ছে না শামীমার

আপিল খারিজ, ব্রিটেনে ফেরা হচ্ছে না শামীমার শামীমা বেগম। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটেনের নাগরিকত্ব ফিরে পেতে আপিল করেছিলেন সিরিয়ায় অবস্থান শামীমা বগেম। সেই আপিল খারিজ করে দেয়া রায়ে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, শামীমা বেগমের মামলায় বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া কঠিন হলেও তিনি নিজেই তার দুর্ভাগ্যের ভিত্তি রচনা করেছেন।

তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দিতে ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্য থেকে সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া শামীমা বেগম ব্রিটেনে ফিরতে পারছেন না। নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়া নিয়ে শামীমার আপিল শুক্রবার যুক্তরাজ্যের আদালত খারিজ করে দিয়েছে। অর্থাৎ তিনি আর ব্রিটেনের নাগরিক নন। সূত্র: বিবিসি

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যে। কিন্তু আট বছর আগে ব্রিটেন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে আইএসে যোগ দেয়ার কারণে তার নাগরিকত্ব বাতিল করে ব্রিটিশ সরকার।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত বছরের অক্টোবরে লন্ডনের আপিল আদালতে মামলা করেন শামীমা।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার পর শামীমার আপিল মামলার রায় দেয় ব্রিটিশ আদালত। রায়ে জানানো হয়, আইনগতভাবেই শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল ব্রিটিশ সরকার এবং বর্তমানে সিরিয়ায় বসবাসরত শামীমা বেগমের যুক্তরাজ্যে ফেরত আসার আর কোনও সম্ভাবনা নেই।

প্রধান বিচারপতি বলেছেন, শামীমা বেগমের মামলায় বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া কঠিন হলেও, তিনি নিজেই তার দুর্ভাগ্যের ভিত্তি রচনা করেছেন।

আদালতের এই রায়ের পর সন্তোষ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ‘ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করাটা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আর তা করতে গিয়ে আমরা যে কোনো ধরনের বড় সিদ্ধান্ত নেব।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Bishop Saunders of Australia accused of rape

ধর্ষণে অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার বিশপ সন্ডার্স

ধর্ষণে অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার বিশপ সন্ডার্স অস্ট্রেলিয়ার বিশপ ক্রিস্টোফার সন্ডার্স। ছবি: এবিসি কিমবার্লি
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত শহর ব্রুম, কুনুনুরায় থাকার সময় এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠী কালুমবুরুর লোকজনের সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০১৪ সময়ের মধ্যে সন্ডার্স যৌন অপরাধগুলো করেন।

ধর্ষণসহ বেশ কিছু যৌন অপরাধে (এর মধ্যে কিছু কিছু শিশুদের সঙ্গে) অভিযুক্ত করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিশপ ক্রিস্টোফার সন্ডার্সকে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, যৌন অপরাধের বিষয়ে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া পুলিশ ও ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ ফ্রান্সিসের তদন্তের আদেশের পর ব্রুম এলাকা থেকে বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মযাজক সন্ডার্সকে।

ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের যৌন অপরাধের অভিযোগ অতীতে অস্বীকার করা ৭৪ বছর বয়সী সন্ডার্সের জামিন নাকচ করা হয়েছে। তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

সন্ডার্সই সর্বজ্যেষ্ঠ ক্যাথলিক যাজক, যার বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

সন্ডার্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি, অবৈধ ও অশালীন আক্রমণের ১৪টি এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে শিশুর সঙ্গে অশালীন আচরণের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত শহর ব্রুম, কুনুনুরায় থাকার সময় এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠী কালুমবুরুর লোকজনের সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০১৪ সময়ের মধ্যে সন্ডার্স যৌন অপরাধগুলো করেন।

সন্ডার্সের আগে শিশুদের সঙ্গে যৌন অপরাধের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাবন্দি হন কার্ডিনাল জর্জ পেল, যিনি পরবর্তী সময়ে ‍খালাস পান।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ‍পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সন্ডার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘খুবই মারাত্মক’ এবং ‘গভীর পীড়াদায়ক’, বিশেষত তাদের জন্য, যারা অভিযোগগুলো করেছেন।

আরও পড়ুন:
তীরে এসে তরি ডুবল ভারতের, অস্ট্রেলিয়া বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
হেডের সেঞ্চুরি, জয়ের সুবাস পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বকাপ জিততে ২৪১ দরকার অস্ট্রেলিয়ার
আত্মবিশ্বাসের প্রদীপে যারা বেশি জ্বালানি ঢালতে পারবে, তারাই জিতবে
বিষাদের আখ্যান দীর্ঘায়িত করে বিদায় দক্ষিণ আফ্রিকার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Consensus to form the government in Pakistan Prime Minister Shahbaz President Zardari

পাকিস্তানে সরকার গঠনে ঐকমত্য, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ-প্রেসিডেন্ট জারদারি

পাকিস্তানে সরকার গঠনে ঐকমত্য, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ-প্রেসিডেন্ট জারদারি শাহবাজ শরিফ (বাঁয়ে) ও আসিফ আলী জারদারি। ছবি: সংগৃহীত
উভয় দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, তারা ‘জাতির স্বার্থে’ আবারও জোট সরকার গঠন করছেন।

পাকিস্তানে অবশেষে জোট সরকার গঠনে ঐকমত্যে পৌঁছেছে নওয়াজ-শাহবাজের পিএমএল-এন এবং বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিপিপি। দীর্ঘ আলোচনার পরে মঙ্গলবার গভীর রাতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন তারা। উভয় দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, তারা ‘জাতির স্বার্থে’ আবারও জোট সরকার গঠন করছেন।

পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি উভয় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) এখন সম্পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আমরা পরবর্তী সরকার গঠনের অবস্থানে রয়েছি।

কে পাচ্ছেন কোন পদ

বিলাওয়াল জানিয়েছেন, জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন শাহবাজ শরিফ এবং উভয় দলের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন তার বাবা আসিফ আলী জারদারি। সিনেটের চেয়ারম্যান হিসেবে পিএমএল-এন নেতা ইসহাক দারের মনোনয়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বিলাওয়াল বলেন, এ বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি দল আলাদাভাবে এর ঘোষণা দেবে।

তিনি বলেন, যদি অতীতের দিকে তাকাই, তাহলে আমরা আগের মেয়াদের তুলনায় অনেক দ্রুত ঐকমত্যে পৌঁছেছি এবং জোটের ঘোষণা দিয়েছি।

একই সংবাদ সম্মেলনে পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ জানান, তিনি পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে সরকার গঠন করতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু তারা যথেষ্ট আসন দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

এ সময় বিলাওয়াল এবং আসিফ আলী জারদারিকে তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজ বলেন, উভয় দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে জারদারিকে যৌথ প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামানো হবে।

পিপিপি মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে পিএমএল-এন নেতা বলেন, প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রিত্ব চায়নি বিলাওয়ালের দল।
তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয় এবং পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান করা হয়। তবে এর মানে এই নয়, আমরা তাদের দাবি মেনে নিচ্ছি বা তারা আমাদের দাবি মেনে নিচ্ছে। তাদের নিজস্ব মতামত রয়েছে; কিন্তু মধ্যবিন্দুতে পৌঁছানোই আসল রাজনৈতিক সাফল্য।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিএমএল-এন সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ এবং পিপিপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরে মন্ত্রিত্ব সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় নতুন জোট সরকারের অংশীদার হওয়ায় মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান, ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদকেও ধন্যবাদ জানান শাহবাজ শরিফ।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mother demands Putins intervention to get Navalnys body

নাভালনির মরদেহ পেতে পুতিনের হস্তক্ষেপ দাবি মায়ের

নাভালনির মরদেহ পেতে পুতিনের হস্তক্ষেপ দাবি মায়ের ছেলের মরদেহ চান অ্যালেক্সেই নাভালনির মা। ভিডিও থেকে নেয়া
গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি ৪৭ বয়সী নাভালনির মৃত্যুর খবর দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ, তবে এখনও মরদেহ দেখার সুযোগ পায়নি তার পরিবার। মরদেহ কোথায় আছে জানানো হয়নি সে তথ্যও।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যাওয়া রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মরদেহ ফিরে দেশটির প্রেসিডন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তার মা।

যে কারাগারে পুতের ‘কট্টরতম সমালোচক’ হিসেবে পরিচিত নাভালনির মৃত্যু হয়েছে সেই কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে এক ভিডিওতে তিনি এই দাবি জানান বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি ৪৭ বয়সী নাভালনির মৃত্যুর খবর দেয় কারাগার কর্তৃপক্ষ, তবে এখনও মরদেহ দেখার সুযোগ পায়নি তার পরিবার। মরদেহ কোথায় আছে জানানো হয়নি সে তথ্যও।

বিবিসি বলছে, নাভালনির মাকে বলা হয়েছে, মরদেহ ‘রাসায়নিক বিশ্লেষণের’ জন্য রাখা হয়েছে। দু সপ্তাহ এভাবেই তা থাকবে। এরপর সিদ্ধান্ত হবে। আর তার স্ত্রীর দাবি, মরদেহ লুকিয়ে রেখেছে কারাগার কর্তৃপক্ষ।

সোমবার একটি ভিডিওতে ‘মুক্ত রাশিয়া’ এর জন্য লড়াই করতে তার কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইউলিয়া নাভালনায়া সরাসরি পুতিনকে তার স্বামীকে হত্যা করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, নার্ভ এজেন্ট নভিচক দিয়ে যে বিষক্রিয়া ঘটানো হয়েছে নাভালনির শরীরে সেই চিহ্ন অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত তার মরদেহ রাখা হবে কর্তৃপক্ষের কাছে।

মঙ্গলবার নাভালনির মা ভিডিওতে বলেন, ‘আমি তাকে পাঁচ দিন ধরে দেখতে পাচ্ছি না, তারা তার দেহ আমাকে দিতে অস্বীকার করছে এবং তারা বলছে না সে কোথায় আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি, ভ্লাদিমির পুতিন- সব আপনার একার ওপর নির্ভর করছে। আমাকে আমার ছেলেকে দেখতে দিন। তার মরদেহ অবিলম্বে ছেড়ে দেয়া হোক।’

প্রতিবেদন বলছে, নাভালনিকে গতবছরের শেষ দিকে রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতের আর্কটিক পেনাল কলোনিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই কারাগারেই ছিলেন তিনি।

কারাকর্তৃপক্ষ বলেছে, হাঁটার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর আর তার চেতনা ফেরেনি।

নাভালনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তার মা এবং আইনজীবী প্রত্যন্ত ওই কলোনিতে যান। তবে মরদেহ শনাক্ত করার চেষ্টা বারবার ঠেকিয়ে দেয় কারাগারের মর্গ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ক্রেমলিন বলেছে, নাভালনির মৃত্যুর তদন্ত চলছে এবং এখনও পর্যন্ত কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।

নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিশ বলেন, তদন্তকারীরা নাভালনির মা লিউডমিলাকে বলেছেন, তারা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করার সময় নিয়েছেন, তারা দুই সপ্তাহের জন্য মরদেহ হস্তান্তর করবেন না।

পশ্চিমা নেতারা নাভালনির মৃত্যুর জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর দায় চাপিয়েছেন। সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, বিষয়টির সত্যতা হলো; পুতিন দায়ী। তিনি আদেশ দিয়েছিলেন কি না বা তিনি সেই ব্যক্তিকে যে পরিস্থিতিতে রেখেছেন তার জন্য তিনি দায়ী।

নাভালনির বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অন্যান্য অভিযোগে হওয়া মামলয় গত বছরের আগস্টে তাকে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেয় রাশিয়ার আদালত। তিনি বন্দি ছিলেন ২০২১ সাল থেকে।

নাভালনি ও তার সমর্থকরা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভুয়া বলে দাবি করে আসছেন। তার রাজনৈতিক আন্দোলনকে চরমপন্থি হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রধান বিরোধী দল রাশিয়া অফ দ্য ফিউচারের নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকে ২০২০ সালের আগস্টে বিষ প্রয়োগে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে।

নির্বাচনি প্রচার শেষে অভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইটে সাইবেরিয়ার টমস্ক থেকে মস্কো ফিরছিলেন নাভালনি। মাঝ আকাশে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ওমস্ক শহরে বিমানের জরুরি অবতরণ করিয়ে শুরু হয় চিকিৎসা। কোমায় চলে যাওয়া নাভালনিকে রাখা হয় আইসিইউতে।

তবে সেখানে সঠিক চিকিৎসা পাবেন না এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপে জার্মানিতে চিকিৎসা নেন নাভালনি। কয়েকটি মামলা থাকায় ক্রেমলিনের অনুমতি নিয়ে বার্লিনে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

জার্মান চিকিৎসকেরা জানান, নাভালনির ওপরে নভিচক নামে স্নায়ু বিকল করার বিষাক্ত এক রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় পুতিন সরকার জড়িত বলে দাবি করে আসছে নাভালনির দল ও পরিবার।

আরও পড়ুন:
নাভালনির মরদেহ কোথায়, বলছে না রাশিয়া
পুতিন দানব: ট্রুডো
কারাবন্দি রাশিয়ার বিরোধী নেতা নাভালনি মারা গেছেন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Putin gave Kim a car

কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন পুতিন

কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন পুতিন কিম জং উনকে একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: আল জাজিরা
যেহেতু উত্তর কোরিয়ায় জাতিসংঘের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এ উপহারটি উত্তর কোরিয়ায় অটোমোবাইলসহ বিলাসবহুল পণ্য সরবরাহ নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোর লঙ্ঘন হতে পারে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে রাশিয়ার তৈরি একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সোমবার এ কথা জানিয়েছে।

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) উদ্ধৃতি দিয়ে ইয়োনহাপ জানায়, উপহারটি দুই নেতার মধ্যকার বিশেষ ব্যক্তিগত সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির সেক্রেটারি ও উত্তর কোরিয়ার নেতার বোন কিম ইয়ো-জংকে গাড়িটি দেয়ার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। কিম জং উনকে দেয়া পুতিনের এ উপহারের জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিমের বোন কিম ইয়ো-জং।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কিমের রাশিয়া সফরের সময় পুতিন তার অরাস সেনেট লিমোজিন দেখিয়েছিলেন কিম জংকে। পুতিন তাকে রাশিয়ার তৈরি বিলাসবহুল গাড়িতে বসার সুযোগ দেন।

তবে কিমকে পুতিনের দেয়া উপহারটি লিমোজিন কি না তা জানা যায়নি।

যেহেতু উত্তর কোরিয়ায় জাতিসংঘের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এ উপহারটি উত্তর কোরিয়ায় অটোমোবাইলসহ বিলাসবহুল পণ্য সরবরাহ নিষিদ্ধ করার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোর লঙ্ঘন হতে পারে।

আরও পড়ুন:
গাজায় দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান পুতিন
সিকিমে ৬ সেনাসহ ১৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৩
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র দৃঢ় সম্পর্কের প্রতীক: পুতিন
সিকিমে আকস্মিক বন্যায় ১৪ মৃত্যু, সেনাসহ নিখোঁজ ১০২
সিকিমে আকস্মিক বন্যা, নিখোঁজ ২৩ সেনা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Canada is giving 800 drones to Ukraine to fight with Russia

রাশিয়ার সঙ্গে লড়তে ইউক্রেনকে ৮০০ ড্রোন দিচ্ছে কানাডা

রাশিয়ার সঙ্গে লড়তে ইউক্রেনকে ৮০০ ড্রোন দিচ্ছে কানাডা ফাইল ছবি
এই বসন্তের শুরু থেকেই ইউক্রেনে ৮০০টিরও বেশি ড্রোন পাঠাবে কানাডা, যেগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে।

রাশিয়ার সঙ্গে লড়তে ইউক্রেনকে ৮ শতাধিক ড্রোন দিচ্ছে কানাডার সরকার।

কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার স্থানীয় সময় সোমবার এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে জানিয়েছে কিয়েভ টাইমস।

এই বসন্তের শুরু থেকেই ইউক্রেনে ৮০০টিরও বেশি ড্রোন পাঠাবে কানাডা, যেগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে।

ডিপার্টমেন্ট অফ ন্যাশনাল ডিফেন্স বিবৃতিতে বলেছে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা হয়ে উঠেছে। ড্রোনগুলো নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং যুদ্ধাস্ত্রসহ সরবরাহ স্থানান্তরের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

এগুলোর জন্য ৯৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের (৭০ মিলিয়ন ডলার) বেশি খরচ হবে এবং এগুলো ইউক্রেনের জন্য পূর্বে ঘোষিত ৫০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান (৩৭০ মিলিয়ন ডলার) সামরিক সহায়তার অংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কাইরেঞ্জার আর৭০ মাল্টি-মিশন মানবহীন এরিয়াল সিস্টেমগুলো অন্টারিও প্রদেশের ওয়াটারলুতে অবস্থিত টেলিডাইন-এর তৈরি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের দুই বছর পূর্তির কয়েকদিন আগে এই ঘোষণা এলো।

কানাডা এর আগে ইউক্রেনকে ১০০টি উচ্চ-রেজুলেশনের ড্রোন ক্যামেরা দিয়েছিল এবং গত দুই বছরে সামরিক সহায়তায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার (১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার) প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই রুশ সেনারা ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করেন।

দেশটিকে ‘অসামরিকায়ন’ ও ‘নাৎসিমুক্তকরণ’ এবং দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে রক্ষা করার জন্যই এমন সামরিক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে রাশিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন দিয়ে আসছে শুরু থেকে। ইউক্রেনের পক্ষে রাশিয়ার ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এসব দেশ। এ ছাড়া ইউক্রেনে অস্ত্রও পাঠিয়েছে কোনো কোনো দেশ।

আরও পড়ুন:
‘ইউক্রেনের ৬৫ যুদ্ধবন্দি’ নিয়ে রাশিয়ার সামরিক বিমান বিধ্বস্ত
পাঁচ লাখ নতুন সেনার প্রয়োজন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের কাছে অস্ত্র বেচেছে পাকিস্তান, দাবি বিবিসির

মন্তব্য

p
উপরে