× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Tax evasion case in the name of Bidens son
google_news print-icon

বাইডেনপুত্রের নামে এবার কর ফাঁকির মামলা

বাইডেনপুত্রের-নামে-এবার-কর-ফাঁকির-মামলা
জো বাইডেন ও ছেলে হান্টার বাইডেন (বাঁয়ে)। ফাইল ছবি
হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে কর না দেয়া, ভুয়া করের রিটার্ন দাখিল, সঠিকভাবে কর না ধার্য করাসহ মোট ৯টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে হান্টার বাইডেনের ১৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে নতুন করে আরও একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

এবিসি নিউজের বরাতে জানা যায়, ফেডারেল প্রসিকিউটররা স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা করেছেন।

হান্টারের বিরুদ্ধে ৫৬ পৃষ্টার অভিযোগপত্রে বলা হয়, তিনি ইউক্রেন, চীন, রোমানিয়াসহ অন্য দেশে ব্যবসা ও স্কিম চালিয়ে প্রচুর সম্পদ আয় করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করলেও ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তার ফেডারেল ট্যাক্স অন্তত ১.৪ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেননি। তার বিরুদ্ধে কর না দেয়া, ভুয়া করের রিটার্ন দাখিল, সঠিকভাবে কর না ধার্য করাসহ মোট ৯টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে হান্টার বাইডেনের ১৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ।

এর আগে, আইনজীবী ও ব্যবসায়ী ৫৪ বছর বয়সী হান্টার বাইডেনকে গত সেপ্টেম্বরে আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
এক মাসে ৮৩৭ মামলা, বিএনপি নেতাসহ আসামি ২০,৩২৬
খান আকরামসহ ৭ জনের যুদ্ধাপরাধ মামলার রায় বৃহস্পতিবার
সাভারে যাত্রীবেশে ছিনতাইচক্রের প্রধানসহ গ্রেপ্তার ৫
স্ত্রীকে ভারতে নিয়ে বিক্রির অভিযোগে স্বামীর নামে মামলা
প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করানোর নামে ভাগ্নিকে ধর্ষণ, মামা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Zahir Uddin Swapan got bail in all the cases

সব মামলায় জামিন পেলেন জহির উদ্দিন স্বপন

সব মামলায় জামিন পেলেন জহির উদ্দিন স্বপন বিএনপি নেতা জহির উদ্দিন স্বপন। ফাইল ছবি
আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জানান, ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে পৃথক সাতটি মামলায় জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। বাকি তিন মামলায় জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর বাধা নেই।

বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন সবশেষ তিন মামলায় জামিন পেয়েছেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত বুধবার এই আদেশ দিয়েছেন। এ নিয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, পুলিশ হত্যা ও পুলিশের পিস্তল ছিনতাইসহ সাতটি মামলায়ই জামিন পেলেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপনের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জানান, ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে পৃথক সাতটি মামলায় জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি হাইকোর্ট ও দুটিতে সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান তিনি। বাকি তিন মামলায় বুধবার জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

এর আগে ৩০ জানুয়ারি জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জামিন আবেদন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে (সিএমএম) নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ পর্যায়ের সব নেতার বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।

২ নভেম্বর জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, নাশকতা ও সহিংসতার অভিযোগে দায়েরকৃত রমনা থানার মামলায় ৬ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার সিএমএম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগে মামলাসহ রমনা থানায় দায়েরকৃত দুটি এবং পল্টন থানায় পাঁচটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The officer was attacked while trying to rescue the forest land

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলার শিকার কর্মকর্তা

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলার শিকার কর্মকর্তা দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভূমিদস্যুদের হামলার শিকার বন কর্মকর্তা খাইরুল আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ বনের জমিতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন খাইরুল আলম নামে এক বন কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার মালিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নবাবগঞ্জ বনবিভাগে কর্মরত মোকারম হোসেন বলেন, ‘মালিপাড়া এলাকায় বাবলু নামে একজন অবৈধভাবে বনের জমি দখল করে ইটের দেয়াল করছিলেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল অপসারণ করে রওয়ানা দিয়েছি। হঠাৎ বাবলু তার পরিবারের সদস্যরাসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন।

‘এতে মাথা, হাত ও পায়ে আঘাত পান কর্মকর্তা খাইরুল আলম। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বন কর্মকর্তা খাইরুল আলমের মাথার ডান দিকে আঘাত লেগেছে। পাশাপাশি বাম পা ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়েছি। কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

চোরকাই রেঞ্জের বন কর্মকর্তা নিশিকান্ত মালাকার বলেন, ‘একদল ভূমিদস্যু বিভিন্ন উপায়ে বনের জায়গা দখল করে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে থাকে। সেগুলো দখলমুক্ত করতে গিয়ে বারবার হামলার শিকার হচ্ছি আমরা। আজকে খাইরুল আলমের সঙ্গেও এমনটা হয়েছে।

‘আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ওসির সঙ্গে কথা বলেছি। এ ঘটনায় আমরা মামলা করব।’

আরও পড়ুন:
শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫
অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও
পুলিশের ওপর মৌলভীবাজার যুবলীগ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Over 100 injured in Brahmanbaria group clash 33 detained

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩ বিজয়নগরে বুধবারের সংঘর্ষে আহত অনেককে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩৩জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিজয়নগর থানার ওসি আসাদুল ইসলাম জানান, বেশ কিছুদিন আগে স্থানীয় ইউপি মেম্বার কাউসার মিয়ার মেয়ে জয়নাল মেম্বারের গোষ্ঠীর এক তরুণের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধসহ নির্বাচন, রাজনৈতিক মতবিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে দুই গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশকিছু বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের এ ঘটনায় দু’পক্ষের শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতাল ও মাধবপুর হাসপাতাল এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া আহতরা হলেন- কাউসার, মুখলেস, মোহন, জহুরুল হক, আব্দুল্লাহ, ছোট্ট মিয়া, মিলন, রিপন, জাকির, আব্বাস আলি, তানভীর, আশু, শফিকুল, রফিক, জসিম, রিপন, আবু লাল, কাউসার, আবন মিয়া, জয়নাল, লুৎফুর, সাদেকুল, নাজমুল, ওহিদ, তারেক, রামিত, জসিম, সিরাজ, কুশনাহার, রাসেল, নাসির মিয়া, ফায়েজ মিয়া, বিল্লাল, আব্দুল্লাহ, আবু তাহের, মোশাররফ, সাকিব, মিলন, মনা, নাঈম, হাকিম, শামীম, আবুল হোসেন, মোজাম্মেল, মামুন ও আজগর।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে জড়িত থাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। থানায় পুলিশ এসল্ট মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মুন্সিগঞ্জে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭
দুই বংশের বিরোধে সংঘর্ষ, একজন নিহত
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
চবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ থামছেই না, এবার পুলিশসহ আহত ১৩
নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে যুবক নিহত

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Rape of pregnant woman by holding husband hostage No arrest in 5 days

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘ধর্ষণ’: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার নেই

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘ধর্ষণ’: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার নেই পাবনায় এক অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগকারী নারী বলেন, ‘আমরা আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া পথে তারা মাঠের মধ্যে পথ আটকায়। একপর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে এবং অস্ত্র আর ব্লেডের মুখে আমার স্বামীকে জিম্মি করে আর আমাকে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ শুরু করে।’

পাবনার আমিনপুরে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গর্ভের সন্তানটি মারা গেছে বলে জানান ওই নারী।

এরপর পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযোগকারীরা জানান, ঘটনার পর থেকেই নানা চাপে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পাবনার আমিনপুরের সাগরকান্দি ইউনিয়নের চর কেষ্টপুরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরপরই ছয়জনের নাম উল্লেখসহ থানায় মামলা করেন ওই নারীর স্বামী।

ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন চর কেষ্টপুরের সেলিম প্রামাণিক, একই এলাকার মো. শরীফ, রাজীব সরদার, রুহুল মন্ডল, লালন সরদার ও সিরাজুল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে চর কেষ্টপুরের একটি ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করা হয়। মাহফিলের ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন ওই নারীর স্বামী। টাকার প্রয়োজনে সেদিন রাতে তার স্বামীর কাছে যান তিনি। রাত ১২টার দিকে পাশে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে গতিরোধ করেন অভিযুক্ত ছয় যুবক। ওই নারী ও তার স্বামীকে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে স্বামীকে অস্ত্র ও ব্লেডের মাধ্যমে জিম্মি করে নারীকে পাশের একটি ক্ষেতে নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজন তাকে ধর্ষণ করেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা একজনকে আটক করে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেন, তবে বাকিরা পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে কথা হয় স্থানীয় লিটন মন্ডল, রাজ্জাক মন্ডল, নিফাস মন্ডল ও শহিদ মণ্ডলের সঙ্গে।

তারা বলেন, ওয়াজ মাহফিল চলা অবস্থায় রাত ১টার দিকে এক যুবক তাদের কাছে ছুটে গিয়ে জানান, কিছু ছেলে তাকে মারধর করে তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গেছে। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয়রা গিয়ে একজনকে হাতেনাতে ধরে পেটায়। আর মেয়েটিকে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন কাদেরীর কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অভিযোগকারী নারী বলেন, ‘আমরা আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া পথে তারা মাঠের মধ্যে পথ আটকায়। আমাদের বলে তোরা স্বামী-স্ত্রী কিনা। আমরা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী দাবি করলেও তারা শুনে না। একপর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে এবং অস্ত্র আর ব্লেডের মুখে আমার স্বামীকে জিম্মি করে আমাকে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ শুরু করে।’

মামলার বাদী ওই নারীর স্বামী বলেন, ‘আমার স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। গর্ভের সন্তান মারা গেছে। মামলা হলেও আমাদের এখনও কোনো কাগজপত্র দেয়া হয়নি। থানায় গেলে কিছু পুলিশ সদস্য নানান কথা বলেন। আর যারা ধর্ষণ করেছে তাদের পক্ষ থেকেও নানা হুমকি ও চাপ আসছে।’

ধর্ষণ এবং সন্তান হত্যার বিচার দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন কাদেরী বলেন, ‘স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে আমার কাছে নিয়ে আসলে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা দেই। পরে তাদেরকে বলি মেয়েটাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল বা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে।’

অভিযুক্তরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ার বিষয়ে সাগরকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী বলেন, ‘অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরছেন, কিন্তু তাদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। আমরা এ রকম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাই।’

তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে জানান আমিনপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তরা সবাই পলাতক আছেন। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। আমরা চেষ্টা করছি। ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসা হয় না, বাদীকে হুমকি-ধামকির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।’

তাদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শেরপুরে হাতুড়ির আঘাতে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক
হাতের সঙ্গে উঠে যাচ্ছে পিচ
কুড়িগ্রামে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার  
মানিকগঞ্জে দুই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
জাবিতে ধর্ষণের শাস্তিসহ ৫ দাবিতে ফের প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Young mans life for rape of Khubis student in temptation of marriage

খুবির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন 

খুবির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন  ধর্ষণের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত রাফি ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস সালাম খান বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম রাফি ইসলাম। কারাদণ্ডের সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মামলার আসামি রাফি ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে সোনাডাঙ্গার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ছেলের পরিবারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেও সমাধান হয়নি। আসামি একাধিকবার ভুক্তভোগীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।

পরে ওই ছাত্রী ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশনায় একই বছরের ১১ জানুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ মামলাটি নথিভুক্ত করে।

২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
DIG Mizans 14 sentences are upheld

ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল থাকছে

ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল থাকছে ফাইল ছবি
গত বছরের ২১ জুন জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় মিজানুর রহমানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এ ছাড়া এ মামলায় মিজানুর রহমানের স্ত্রী, ভাই ও ভাগনেকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ১৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ বহাল থাকছে।

মিজানের আপিল শুনানিতে বুধবার বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত বছরের ২১ জুন জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় মিজানুর রহমানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এ ছাড়া এ মামলায় মিজানুর রহমানের স্ত্রী, ভাই ও ভাগনেকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম ওই রায় ঘোষণা করেন। পরে এ নিয়ে আপিল করেন বরখাস্ত ডিআইজি মিজান।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান শেষে ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সংস্থার পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার পর আত্মগোপনে থাকা মিজান ওই বছরের ১ জুলাই হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ হয়। পরের দিন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
A drug dealer hidden in a fancy way was arrested in Naogaon

নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার

নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার নওগাঁর বদলগাছীতে গাঁজাসহ আটক ব্যক্তি। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক শেখ সাদিক বলেন,আটক মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বদলগাছী থানায় হস্তান্তর করা হবে।

নওগাঁর বদলগাছীতে প্রাইভেটকারসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে জয়পুরহাট ক্যাম্পের র‌্যাব-৫।

উপজেলার বদলগাছী চারমাথা থেকে মঙ্গলবার রাতে ওই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।

আটক৪২ বছর বয়সী মনির হোসেন সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার কুচরাই গ্রামের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে ৭২ কেজি গাঁজাসহ নগদ টাকা ও একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। প্রাইভেটকার চালক আলমগীর হোসেন পলাতক।

নওগাঁ সার্কিট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার বেলা ১২টার দিকে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক শেখ সাদিক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আটক মনির হোসেন ও পলাতক আসামি আলমগীর মাদককারবারি। তারা দীর্ঘদিন যাবত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন। তারা কুমিল্লা থেকে গাঁজা নিয়ে নওগাঁর উদ্দেশে অভিনব কায়দায় রওনা হন। এমন সংবাদে বদলগাছী উপজেলার চারমাথায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি শুরু করা হয়।

এ সময় প্রাইভেট কারে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৭২ কেজি গাঁজাসহ মাদক সম্রাট নামে পরিচিত মনিরকে প্রাইভেটকারসহ আটক করা হয়।প্রাইভেটকার চালক আলমগীর কৌশলে পালিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার সীমান্তবর্তী অঞ্চল হতে গাঁজার চালান সংগ্রহ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাইভেট কারে করে গাঁজা সরবরাহ করে থাকেন। আটক মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বদলগাছী থানায় হস্তান্তর করা হবে।

মন্তব্য

p
উপরে