× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
War on Hamas enters second phase Netanyahu
google_news print-icon

হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ দ্বিতীয় ধাপে গড়িয়েছে: নেতানিয়াহু

হামাসের-বিরুদ্ধে-যুদ্ধ-দ্বিতীয়-ধাপে-গড়িয়েছে-নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
জাতির উদ্দেশে দেয়া টেলিভিশন ভাষণে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘ ও কঠিন হবে। এটি আমাদের দেশের জন্য দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। এ অভিযান সহজ নয়। তবে আমরা প্রস্তুত।’

হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ দ্বিতীয় ধাপে গড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার জাতির উদ্দেশে দেয়া টেলিভিশন ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘এ পর্যায়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘ ও কঠিন হবে।’ খবর আল-জাজিরার।

তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের দেশের জন্য দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। এ অভিযান সহজ নয়। তবে আমরা প্রস্তুত।’

গাজা শহরকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ঘোষণা দিয়ে বাসিন্দাদের দক্ষিণে চলে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ লিফলেট ফেলা হয়েছে। ইন্টারনেট মনিটরিং গ্রুপ নেটব্লকস বলেছে, গাজা উপত্যকায় শুক্রবার থেকে টেলিফোন লাইন ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা বহির্বিশ্ব থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। তবে রোববার সকাল থেকে তা আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণ শুরুর পর থেকে এ লড়াইকে ইসরায়েলের ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে আসছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ করব এবং আত্মসমর্পণ করব না। আমরা স্থলে বা আকাশে কোথাও সৈন্য প্রত্যাহার করব না।’ পশ্চিমা দেশ ও আরব বিশ্বের মিত্ররা ইসরায়েলের পাশে আছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনেন। অপরদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী কারও নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘আমাদেরকে যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত করবেন না। আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা ভণ্ডামির শামিল। আমরা বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক সেনাবাহিনী।’

এদিকে নেতানিয়াহুর ঘোষণার ফলে গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করা একটি গৌন উদ্দেশ্যে পরিণত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ৭ অক্টোবর ইসরায়েল থেকে অপহৃত ২২০ জনেরও বেশি জিম্মির বিনিময়ে হামাস ইসরায়েলের কারাগারে থাকা সব ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির প্রস্তাব দেয়।

হামাস এ পর্যন্ত কয়েকজন জিম্মিকে মুক্তি দিলেও এখনো বেশিরভাগ তাদের হাতে বন্দি রয়েছে। নেতানিয়াহু হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া ইসরায়েলিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন, যারা গাজায় তীব্র হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জিম্মিদের নিরাপত্তা ও মুক্তি নিশ্চিত করতে ইসরায়েল গাজায় সামরিক হামলা থামাতে পারে, যারা এমনটা আশা করেছিলেন তারা নেতানিয়াহুর ঘোষণায় অনেকটাই হতাশ।

তবে নেতানিয়াহুর দাবি, জিম্মিদের উদ্ধার করা সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যগুলোর একটি ‘অবিচ্ছেদ্য’ অংশ। গাজাকে ‘শয়তানের আখড়া’ অভিহিত করে তিনি সেখান থেকে জিম্মিদের বাড়ি ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন:
বিপর্যস্ত গাজা, জাতিসংঘের গুদাম ভাঙল ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিরা
গাজায় মানবিক বিরতির পক্ষে জাতিসংঘে ভোট
ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি দিলেই বন্দিদের মুক্তি: হামাস
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ছাড়াল ৭ হাজার
হামাস, কাসাম ব্রিগেড ও ইসরায়েলের হামলা নিয়ে যা জানা প্রয়োজন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Nuclear war if western troops enter Ukraine Putin

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা এলেই পারমাণবিক যুদ্ধ: পুতিন

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা এলেই পারমাণবিক যুদ্ধ: পুতিন বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি সতর্কতা উচ্চারণ করেন পুতিন। ছবি: স্কাই নিউজ
গত সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউক্রেনে ন্যাটো জোটের সেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশ সঙ্গে সঙ্গে তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কথা ওঠার পর পুতিন আজ এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।

ইউক্রেন যুদ্ধে নাক গলানোয় পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য দেশগুলো যদি সেনা পাঠায় তাহলে সত্যি সত্যিই একটি পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে পশ্চিমা যেকোনো নিশানায় আঘাতে সক্ষম মস্কো।

বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে তিনি এ সতর্কতা উচ্চারণ করেন।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ১৯৬২ সালে কিউবায় মিসাইল সংকটের পর থেকে এখন পর্যন্ত মস্কোর সঙ্গে পাশ্চাত্যের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। কিউবায় পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনকে কেন্দ্র করে তখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

ভাষণে ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ সমস্যা’ বলে আখ্যায়িত করেন পুতিন। বলেন, ‘এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, সেটা পশ্চিমা নেতারা উপলব্ধি করতে পারছেন না।’

গত সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউক্রেনে ন্যাটো জোটের সেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, ‘ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য দেশের সেনাদের ইউক্রেনে পাঠানো যেতে পারে।’

তবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশ সঙ্গে সঙ্গে তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কথা ওঠার পর পুতিন আজ এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদেরও এমন অস্ত্র রয়েছে, যেগুলো পশ্চিমা দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। তাদেরকে অবশ্যই এটা উপলব্ধি করতে হবে। তারা পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি তৈরি করছে, যে যুদ্ধ মানব সভ্যতার অন্ত ঘটাতে পারে। তারা এটা বুঝতে পারছে না?’

আগামী ১৫ থেকে ১৭ মার্চ রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় নিশ্চিতভাবেই পুতিন আগামী ছয় বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হতে চলেছেন। নির্বাচনের আগে পুতিন তার ভাষণে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আধুনিকীকরণ কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনে সেনা পাঠাবে না ন্যাটো
ফাঁদে পড়ে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে ভারতীয়রা
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের ৩১ হাজার সেনা নিহত: জেলেনস্কি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US calls for al Aqsa prayers to be allowed in Ramadan

রমজানে আল আকসায় নামাজের অনুমতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

রমজানে আল আকসায় নামাজের অনুমতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগের মতোই শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের রমজানে আল আকসা ব্যবহারের সুযোগ দিতে আমরা ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত আহ্বান জানাচ্ছি।

আসন্ন রমজানে মুসলমানদের আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে নামাজ পড়ার অনুমতি দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

দখলকৃত পশ্চিমতীর থেকে আল আকসায় ফিলিস্তিনীদের নামাজ পড়তে উগ্র ডানপন্থী এক মন্ত্রীর বাধা দেয়ার প্রস্তাবের পর বুধবার যুক্তরাষ্ট্র এ আহ্বান জানিয়েছে বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগের মতোই শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের রমজানে আল আকসা ব্যবহারের সুযোগ দিতে আমরা ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এটি শুধু ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়ার বিষয় নয়, এটি তাদের প্রাপ্য এবং তাদের অধিকার আছে। তবে ব্যাপারটি সরাসরি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমতীর বা বৃহত্তর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির ব্যাপারটি ইসরায়েলের নিরাপত্তার স্বার্থে নয়।

ইসরায়েলে ঢুকে হামাস গত ৭ অক্টোবর আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দেশটি।

এ অবস্থায় গাজায় জিম্মি ব্যক্তিদের মুক্তি ও ইরসায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ও গাজায় মানবিক সহায়তায় পাঠানোর শর্তে গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফার যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।

এরপর এই যুদ্ধবিরতি চলে সাত দিন। এই সাত দিনে হামাস ১১০ জনকে এবং ইসরায়েল মুক্তি দিয়েছে ২৪০ জনকে। তবে আন্তর্জাতিক নানা মহলের চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়েনি। এখন পর্যন্ত গাজায় সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজারের মতো।

আরও পড়ুন:
গাজায় বিমান থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলার চিন্তা কানাডার
উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন: জাতিসংঘ
গাজায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতির আশা বাইডেনের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
7 beheadings in one day in Saudi

সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ

সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ
সৌদি আরবে ২০২২ সালের পর এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগে একদিনে ৮১ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল, যা সে সময় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে।

সৌদি আরবে একদিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ভয়েস অফ আমেরিকার খবরের বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

২০২২ সালের পর এটাই একদিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ৮১ জনের শিরশ্ছেদ, যা বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তুলেছিল।

উপসাগরীয় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সরকারি সৌদি প্রেস এজেন্সি বলেছে, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি ও এতে অর্থায়ন করার দায়ে ওই সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়নি।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রকাশিত নাম-পদবি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই সৌদি আরবেরই নাগরিক।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় সৌদি আরবে। গত বছর ১৭০ জনের শিরশ্ছেদসহ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। চলতি বছরে দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এ পর্যন্ত সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ২৯ জন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ২০২২ সালে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব, চীন ও ইরান।

গত বছর সৌদিতে যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে সন্ত্রাস-সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ৩৩ জন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই সেনা সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
হত্যার শিকার ২ বাংলাদেশির পরিবারকে ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ সৌদির

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
South Koreas birthrate is at an all time low fueling rising costs

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে, নেপথ্যে খরচ বৃদ্ধি

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে, নেপথ্যে খরচ বৃদ্ধি প্রতীকী ছবি
দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি পরিসংখ্যানের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, দেশটির প্রজনন হার ২০২৩ সালে ০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম। যদিও বর্তমানের পাঁচ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বজায় রাখতে ২.১ শতাংশ শিশু জন্মের প্রয়োজন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।

দেশটির সরকার বুধবার এ কথা বলেছে। এ জন্য অবশ্য বিশেষজ্ঞরা সন্তান লালন পালনের উচ্চ খরচসহ নানা বিষয় সামনে এনেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, জন্মহার বাড়ানোর নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও দেশটিতে জন্ম হার রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ আয়ুর দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সবচেয়ে কম। এই দুয়ের সংমিশ্রণে দক্ষিণ কোরিয়ায় জনসংখ্যাগত এই চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি পরিসংখ্যানের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, দেশটির প্রজনন হার ২০২৩ সালে ০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম। যদিও বর্তমানের পাঁচ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বজায় রাখতে ২.১ শতাংশ শিশু জন্মের প্রয়োজন।

বর্তমানের এই প্রজনন হার অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২১০০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা দাঁড়াবে দুই কোটি ৬৮ লাখে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৩ সালে দুই লাখ ৩০ হাজার নতুন শিশু জন্ম নিয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ১৯ হাজার ২০০ কম।

দক্ষিণ কোরীয় সরকার শিশু জন্মদানে উৎসাহিত করতে হাজার হাজার বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। তবুও ২০২৩ সালে জন্ম নেয়া শিশুর হার ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে কম।

এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তান না নেয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সন্তান লালন পালনের উচ্চ খরচ, সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধিসহ ব্যাপক প্রতিযোগিতামূলক একটি সমাজে একটি ভালো বেতনের চাকরির অনিশ্চিয়তা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Economic growth and development of Bangladesh is an inspiration to many countries World Bank MD

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি ফাইল ছবি
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ ও রেয়াতি ঋণ আকারে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংকের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) আন্না বিজার্ড।

বাংলাদেশে তার প্রথম সফরে রোববার তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে গভীর সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক খাতের সংস্কার প্রয়োজন।

‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের গল্প অনেক দেশের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।’

সফর শেষে এক বিবৃতিতে বিজার্ড বলেন, ‘মুদ্রা ও রাজস্ব নীতিতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার বাংলাদেশকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, আর্থিক খাতের ঝুঁকি হ্রাস করতে এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সক্ষম করবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন তিনি। খবর ইউএনবির

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রোববার সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) আন্না বিজার্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: ফোকাস বাংলা

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান এবং তাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে দুটি নতুন প্রকল্পে ৬৫ কোটি ডলারের বেশি অর্থায়ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করছে বিশ্বব্যাংক ও সরকার।

তিনি বলেন, ‘অর্থায়নের প্রায় অর্ধেক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় করা হবে এবং অনুদানের শর্তেই তা ব্যয় করা হবে।’

বিজার্ড বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব নিয়ে আমি গর্বিত। দেশটি লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে সহায়তা করেছে। আমরা বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, একটি শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং জলবায়ুর অভিঘাত ও ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা অব্যাহত রাখব এবং একই সঙ্গে কেউ যেন পেছনে পড়ে না থাকে তা নিশ্চিত করব।’

সফরকালে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনার জন্য অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের নেতাদের এবং নারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ ও রেয়াতি ঋণ আকারে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বের বৃহত্তম চলমান আইডিএ কর্মসূচি এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Anna Buzzard MD of the World Bank in Dhaka

ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড

ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আন্না বেজার্ড। ছবি: সংগৃহীত
একদিনের সফরে বেজার্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বেসরকারি খাতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) (অপারেশনস) আন্না বেজার্ড শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় এসেছেন। এটি তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।

বিশ্বব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, একদিনের সফরে বেজার্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বেসরকারি খাতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এ সফরকালে আন্নার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইসার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে ছিল। এরপর আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থাটি বাংলাদেশকে ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যার অধিকাংশই অনুদান।

বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) সমর্থিত বৃহত্তম চলমান কর্মসূচি রয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
New US sanctions against Russia

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: সিএনএন
ইউক্রেনে যুদ্ধ ও রুশ কারাগারে বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়াকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আরও বেশ কিছু দেশ এ নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।

ইউক্রেনে রুশ হামলার দ্বিতীয় বার্ষিকীর প্রাক্কালে শুক্রবার রাশিয়া সংশ্লিষ্ট পাঁচ শতাধিক পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া, যা শেষ হয়নি দুই বছরেও।

ইউক্রেনে যুদ্ধ ও রুশ কারাগারে বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়াকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আরও বেশ কিছু দেশ এ নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।

রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। জবাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর রাশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মস্কো।

নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, এসব নিষেধাজ্ঞা বিদেশে রাশিয়ার আগ্রাসন এবং দেশটির অভ্যন্তরে বসবাসকারী জনগণের ওপর নিপীড়ন চালানোয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কঠোর মূল্য প্রদান নিশ্চিত করবে।

বাইডেন বলেন, ‘দুই বছর আগে তিনি (পুতিন) ইউক্রেনকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেয়েছিলেন। পুতিনকে যদি নাভালনির মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য মূল্য দিতে না হয়, তাহলে তিনি তা চালিয়েই যাবেন।’

রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় নাভালনির মৃত্যুর এক সপ্তাহের মাথায় রাশিয়ার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র। নাভালনির মৃত্যুর জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের দায় থাকার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন:
সুপারসনিক বোমারু বিমানে পুতিন
রাশিয়া সংশ্লিষ্ট ৫ শতাধিক লক্ষ্যবস্তুকে নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
নাভালনির মরদেহ পেতে পুতিনের হস্তক্ষেপ দাবি মায়ের
নাভালনির মরদেহ কোথায়, বলছে না রাশিয়া

মন্তব্য

p
উপরে