× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Quran Desecration EU US Opposition to UN Resolution
google_news print-icon

কোরআন অবমাননা: জাতিসংঘের প্রস্তাবে ইইউ-যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা

কোরআন-অবমাননা-জাতিসংঘের-প্রস্তাবে-ইইউ-যুক্তরাষ্ট্রের-বিরোধিতা
ধর্মীয় বিশ্বাস সুরক্ষায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভোটে বড় ব্যবধানে প্রস্তাবটি পাস হয়। ছবি: সংগৃহীত
বুধবার পাস হওয়া রেজুলেশনটির বিরোধিতা করে ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে তাদের যে অবস্থান, তার সঙ্গে রেজুলেশনটি সাংঘর্ষিক।

সুইডেনের একটি মসজিদের সামনে সম্প্রতি পবিত্র কোরআন শরীফ পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা মুসলিম বিশ্ব। ঘটনাটির পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মীয় বিদ্বেষ ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একটি রেজুলেশন পাস করেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল (ইউএনএইচআরসি)।

রেজুলেশনে ধর্মীয় বৈষম্য, শত্রুতা, ঘৃণা বা সহিংসতা উসকে দেয়- এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ও বিচারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) ৫৭টি দেশের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে রেজুলেশনটি উপস্থাপন করে পাকিস্তান। পরে পাকিস্তানের আহ্বানে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসে ইউএনএইচআরসি।

মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য ধর্ম অধ্যুষিত অনেক দেশ এর পক্ষে ভোট দিলেও রেজুলেশনটির বিরোধিতা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার পাস হওয়া রেজুলেশনটির বিরোধিতা করে ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে তাদের যে অবস্থান, তার সঙ্গে রেজুলেশনটি সাংঘর্ষিক।

এ ঘটনায় সুইডেন তাৎক্ষণিক নিন্দা জানালেও দেশটির মতপ্রকাশ ও বিক্ষোভের স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকারকে সুরক্ষিত রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করে।

এক বিবৃতিতে দেশটির সরকার বলেছে, সংবিধান সবাইকে বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার দিয়েছে। কোরআন পুড়িয়ে যারা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাদেরও সাংবিধানিক অধিকার আছে। সে কারণেই তাদের বাধা দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফন্ত বলেন, ‘মানবাধিকারই মানুষকে রক্ষা করে; কোনো ধর্ম, মতবাদ, বিশ্বাস বা তাদের প্রতীক নয়। কোনটি পবিত্র- তা কোনো রাষ্ট্র, এমনকি জাতিসংঘও সঙ্গায়িত করতে পারে না।’

মঙ্গলবার ইউএনএইচআরসির বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ ও সহিংসতা উসকে দেয়ার উপায় হিসেবে এ ধরনের ঘটনাগুলো ঘটছে। এগুলো কেন ঘটছে তা খতিয়ে দেখতে হবে।’

সুইডেন সরকারের সম্মতিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলেও সে সময় অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় ইরান, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রীরা পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যকে সমর্থন করেন।

ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বলেন, ‘এভাবে আর চুপ করে থাকা যায় না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার এমন অপব্যবহার বন্ধ হওয়া উচিত।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক ইউএনএইচআরসিকে বলেন, ‘মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, ইসলামোফোবিয়া, ইহুদিবিদ্বেষ, খ্রিস্টানদের নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেমন আহমেদি, ইয়াজেদি, বাহাইদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ আচরণও অন্যায়। এসব কিছুই অন্যায়। এগুলো বন্ধ করা প্রয়োজন।’

আলোচনা, শিক্ষা ও ধর্মীয় আদান-প্রদানের মাধ্যমে হেটস্পিচ বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করেন ভলকার তুর্ক। এজন্য বিশ্বের সব দেশকে এগিয়ে এসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তার মতে, ‘কোরআন পোড়ানোর ঘটনা সার্বিকভাবে বিদ্বেষ তৈরি করেছে, সহিংসতার জন্ম দিয়েছে; সেসঙ্গে মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হেনেছে। এ ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত, যা বন্ধ হওয়া দরকার।’

ইউএনএইচআরসিতে হওয়া এ ভোটাভুটি আইনত বাধ্যতামূলক না হলেও বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী রাজনৈতিক বন্ধন তৈরিতে এর ভূমিকা রয়েছে।

রেজুলেশনে ধর্মীয় বিদ্বেষ নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধানকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেতে বলা হয়েছে। সেসঙ্গে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সরকারকে নিজ নিজ দেশে বিদ্যমান আইন ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধ, তার বিচার ও ধর্মীয় বিদ্বেষ সমর্থনে বাধা সৃষ্টি করতে যথেষ্ট কিনা’ তা পর্যালোচনা করে দেখতে এবং যদি কোনো ফাঁক থাকে, তা পূরণ করতে বলা হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ওই ভোটে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর বড় প্রভাব দেখা গেছে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোকে বড় হার দেখতে হয়েছে।

রেজুলেশনের পক্ষে ভোট দিয়েছে ২৮টি দেশ। যেখানে বিপক্ষে ভোট পড়েছে মাত্র ১২টি। আর সাতটি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল।

পক্ষে ভোট দিয়েছে যেসব দেশ: আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, বলিভিয়া, ক্যামেরুন, চীন, কিউবা, ইরিত্রিয়া, গ্যাবন, গাম্বিয়া, ভারত, আইভরি কোস্ট, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মালাউই, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, পাকিস্তান, কাতার, সেনেগাল, সোমালিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুদান, ইউক্রেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম।

বিপক্ষে ভোট দিয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, কোস্টারিকা, চেক প্রজাতন্ত্র, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মন্টিনিগ্রো ও রোমানিয়া।

ভোটদানে বিরত ছিল: বেনিন, চিলি, জর্জিয়া, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, প্যারাগুয়ে ও নেপাল।

গত ২৮ জুন ঈদুল আজহার দিন সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের প্রধান মসজিদের বাইরে পবিত্র কোনআন পুড়িয়ে বিক্ষোভ করেন দুই যুবক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে জানা যায়, ইরাক থেকে আসা অভিবাসী সালমান মোমিকা ও তার সঙ্গে থাকা আরেকজন ওই কাজ করেন।

সুইডেনের সরকারি টেলিভিশন এসটিভি জানায়, কোরআন নিষিদ্ধের দাবিতে ওই কাজ করেন তারা। এর জন্য তারা আদালতে আবেদন করলে দেশটির আদালত তাদের অনুমতি দেয়। তারপর ঘটনার দিন পুলিশের উপস্থিতিতে তারা কোরআন পুড়িয়ে প্রতিবাদ করেন। প্রথমে তারা কোরআনের পাতা ছেঁড়েন, তারপর তাতে আগুন দেন।

সালমানকে এ ঘটনায় সহযোগিতা করেন ওই ব্যক্তি। প্রায় দুই শ’ মানুষ এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়।

ঘটনার পর ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে গোটা মুসলিম বিশ্ব। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে সুইডেন সরকার।

মুসলিম বিশ্বের দাবি, এ ঘটনা তাদের বিশ্বাসের ওপর আঘাত। ব্যক্তির অধিকার কতদূর পর্যন্ত মেনে নেয়া হবে- এ বিষয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

মঙ্গলবার শুরু হওয়া এ বৈঠক শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। অন্য দেশগুলোও সেখানে তাদের বক্তব্য তুলে ধরবে।

আরও পড়ুন:
সুইডেনে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ঢাকার উদ্বেগ
স্টকহোমে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় নিন্দার ঝড়
কোরআন অবমাননায় চতুর্থ দিনেও সহিংস বিক্ষোভ সুইডেনে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Israel seizes Iranian ships in the Strait of Hormuz

হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজ জব্দ ইরানের

হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজ জব্দ ইরানের পর্তুগালের পতাকাবাহী জাহাজ এমএসসি অ্যারিসে অবতরণ করে সেটিকে ইরানের জলসীমায় নিয়ে গেছে আইআরজিসির হেলিকপ্টার। ছবি: আল জাজিরা
কার্গো জাহাজটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এমএসসি জানিয়েছে, জাহাজটি জব্দ করেছে ইরান। একে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ২৫ ক্রুর কল্যাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালিতে শনিবার ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট একটি পণ্যবাহী (কার্গো) জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, কৌশগলতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ করতে তেহরানের হুমকির কয়েক দিন পর এবং সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে হামলার জবাবের হুঁশিয়ারির মধ্যে জাহাজ জব্দের ঘটনাটি ঘটল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে জানানো হয়, হেলিকপ্টার থেকে পর্তুগালের পতাকাবাহী জাহাজ এমএসসি অ্যারিসে নেমে সেটিকে ইরানের জলসীমায় নিয়ে গেছেন আইআরজিসির সদস্যরা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাহাজটি ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট।

কার্গো জাহাজটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এমএসসি জানিয়েছে, জাহাজটি জব্দ করেছে ইরান। একে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ২৫ ক্রুর কল্যাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, জোডিয়াক মেরিটাইম নামের প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট গোর্টাল শিপিংয়ের কাছ থেকে অ্যারিস নামের কার্গো জাহাজটি লিজ নেয় এমএসসি।

জোডিয়াকের বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজের সমস্ত কর্মকাণ্ডের দায়ভার এমএসসির।

ইসরায়েলি ব্যবসায়ী এয়াল ওফারের আংশিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জোডিয়াক।

আরও পড়ুন:
ইরানে এবার সরাসরি হামলা চালানোর হুমকি ইসরায়েলের
ঈদের দিনে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার
ইসরায়েলি হামলা অবরোধের মধ্যে নিরুত্তাপ ঈদ গাজায়
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে
জিম্মি মুক্তিতে হামাসকে চাপ দিতে মিসর ও কাতারকে বাইডেনের চিঠি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Eyewitness accounts of the Sydney attack

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা কাঁদতে কাঁদতে বাসায় ফিরছেন শপিং মলে থাকা কয়েকজন। ছবি: বিবিসি
প্রত্যক্ষদর্শী হুমা হুসাইনি বলেন, ‘এর মধ্যে হঠাৎ গুলির আওয়াজ পাই। আমি তখন শেষ! ভেবেছিলাম, ওর কাছে পিস্তলও আছে।’

ঘড়িতে তখন তিনটা বেজে কিছু বেশি। সিডনির ওয়েস্টফিল্ড বন্ডি জংশন শপিং মলে তখন লোকে লোকারণ্য। হঠাৎ করেই শোরগোল, সেইসঙ্গে শপিং মল থেকে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের হুমমুড়িয়ে বের হয়ে আসতে দেখা গেল। জানা গেল, ভেতরে ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন এক ব্যক্তি।

প্রত্যক্ষদর্শী দোকানকর্মী রাশদান আকাশাহ বিবিসিকে বলেন, ‘ছুরি ধরে থাকা ব্যক্তি চলন্ত সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছিল। সেসময় একটি রড দিয়ে আরেক যুবক তাকে সিঁড়ি থেকে নামানোর চেষ্টা করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা
ক্রোতাদের নিরাপত্তায় তাদের দোকানের মধ্যে ঢুকতে সাহায্য করেন রাশদান। ছবি: বিবিসি

‘সঙ্গে সঙ্গে আমি দোকানের সিইওকে দোকানের শাটার নামানোর অনুমতি দিতে অনুরোধ করি। ওই লোকটি হামলা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায় আর এসব হচ্ছিল আমাদের দোকানের সামনেই।’

শপিং মল থেকে বের হয়ে একজন বলেন, ‘আমি তাকে (হামলাকারীকে) পুরোপুরি দেখিনি। কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বের হয়ে এসেছি।

‘এটা একেবারে পাগলামি। মনে হচ্ছিল, প্রাণটা বুঝি আজকেই গেল।’

আরেকজন বলেন, ‘ছুরি দিতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে একজন লুটিয়ে পড়ে। তারপর আমিও প্রাণভয়ে দৌড় দেই।’

ওলিন্ডা নেমার নামের এক যুবতী হামলাকারীকে সরে যেতে বাধ্য করেন। তার কথায়, ‘আমি তাকে কাউকে আঘাত করতে দেখিনি। তবে দেখলাম যে সে পালাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা
একটি দোকানের মধ্যে ঢুকে প্রাণ রক্ষা করেন ওলিন্ডা।

‘প্রথমে আমিও বুঝতে পারিনি ঘটনাটি কী ঘটেছে। ভেতরের লোকজন চিৎকার করছিল আর পালাচ্ছিল। তাই আমিও দৌড় দেই।

‘দৌড় দিয়ে এক দোকানে ঢুকে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তারা দরজা বন্ধ করে দেয়। সেখানে আরও অনেকে ছিল। কেউ কেউ পুলিশে ফোন করছিল। ফোন করার দশ মিনিটের মধ্যে পুলিশ চলে আসে।’

পুরো ঘটনার সময় ৪৫ মিনিট ধরে একটি দোকানের চেঞ্জ রুমে লুকিয়ে ছিলেন হুমা হুসাইনি ও মোহাম্মদ নাভিদ।

কাঁপতে কাঁপতে বিবিসিকে হুমা বলেন, ‘আমার এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না! ওর (হামলাকারীর) হাতে বিশাল বড় একটি ছুরি ছিল, প্রায় এক হাত হবে। আমি ওর খুব কাছেই ছিলাম।

‘আর ওর পেছনে দুই জন অল্পবয়সী নারী মেঝেতে পড়ে ছিলেন। একজন ওঠার চেষ্টা করলেও অন্যজন নিথর ছিলেন।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় সিডনির হামলা
পুরো ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন হুমা হুসাইনি (বাঁয়ে) ও মোহাম্মদ নাভিদ।

এর মধ্যেই পুলিশ এসে হামলাকারীকে গুলি করে। তবে বিষয়টি বুঝতে না পেরে আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন হুমা।

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে হঠাৎ গুলির আওয়াজ পাই। আমি তখন শেষ! ভেবেছিলাম, ওর কাছে পিস্তলও আছে। পরে বুঝতে পারি যে, পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গুলি করেছে।’

ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে ওই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে। এক নারী পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হন, যাকে স্থানীয় গণমাধ্যমে ‘হিরো’র তকমা দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত আটজন, যাদের মধ্যে নয় মাস বয়সী এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। শিশুটির মা অবশ্য প্রাণ হারিয়েছেন।

একাই ওই ব্যক্তি ঘটনাটি ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জানিয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ।

এ হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট হতে না পারলেও ঘটনার পুনরাবৃত্তির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সহকারী কমিশনার অ্যান্থনি কুক।

আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়ায় শপিং মলে ছুরি হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৭

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Knife attack in shopping mall in Australia killed 7 including the attacker

অস্ট্রেলিয়ায় শপিং মলে ছুরি হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৭

অস্ট্রেলিয়ায় শপিং মলে ছুরি হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৭ হামলার পর শপিং মলটি থেকে লোকজনকে বের করে দেওয়া হয়। ছবি: আল জাজিরা
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সহকারী কমিশনার অ্যান্থনি কুক লেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে এটা বোঝা যাচ্ছে যে, হামলাকারী একাই ছিলেন। ফলে ঘটনার পুনরাবৃত্তির কোনো আশঙ্কা নেই।’

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি ব্যস্ত শপিং মলে ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন এক ব্যক্তি। তার উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে ছয়জন নিহত ও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার কিছুক্ষণ পরই অবশ্য পুলিশের গুলিতে ওই দুর্বৃত্তের মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল চারটার কিছুক্ষণ আগে অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টফিল্ড বন্ডি জংশন শপিং মলে হওয়া এ হামলার খবর পায় পুলিশ।

ঘটনার পর নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সহকারী কমিশনার অ্যান্থনি কুক এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বড় সড় ওই শপিং সেন্টারটি সবসময় লোকারণ্য হয়ে থাকে। ফলে হামলাকারীর আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘৯ মাস বয়সী এক শিশু ও তার মাসহ আটজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে পুলিশ জানায়, হাসপাতালে নেয়ার পর ষষ্ঠ ব্যক্তি নিহত হন। ঘটনার পরপরই শপিং মলটি খালি করে ফেলা হয়।

তবে এ হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট হতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ বলেছেন, ‘এ সময় যেকোনো অনুমানই বেঠিক হবে। আমাদের উচিৎ তদন্তকারী দলকে তাদের কাজ করতে দেয়া।’

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে অ্যান্থনি কুক বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে এটা বোঝা যাচ্ছে যে, হামলাকারী একাই ছিলেন। ফলে ঘটনার পুনরাবৃত্তির কোনো আশঙ্কা নেই।’

বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন বন্দুক ও ছুরি আইন থাকায় এ ধরনের হামলা অস্ট্রেলিয়ায় একেবারেই বিরল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, রক্তমাখা ছুরি নিয়ে হাফ প্যান্ট ও স্পোর্টস জার্সি পরা এক ব্যক্তি ঘুরছেন আর তাকে থামাতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছেন মলের ভেতরে থাকা লোকজন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
In Japan by 2050 one in five households will have a single elderly person

জাপানে ২০৫০ সালের মধ্যে ৫ পরিবারের একটিতে থাকবে একাকী বয়স্ক লোক

জাপানে ২০৫০ সালের মধ্যে ৫ পরিবারের একটিতে থাকবে একাকী বয়স্ক লোক ফাইল ছবি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ এক কোটি আট লাখ বয়স্ক লোক একাকী বাস করবে যা দেশটির মোট পরিবারের ২০.৬ শতাংশ।

জাপানে ২০৫০ সাল নাগাদ প্রতি পাঁচ পরিবারের একটিতে বাস করবেন একাকী বয়স্ক একজন মানুষ।

‘ন্যাশনাল ইন্সস্টিটিউট অফ পপুলেশন অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি রিসার্চ’ থেকে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে স্থানীয় সময় শুক্রবার জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।

সরকার অনুমোদিত ওই গবেষণাপ্রতিষ্ঠানটি প্রতি পাঁচ বছর পর পর গবেষণাপত্র প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ এক কোটি আট লাখ বয়স্ক লোক একাকী বাস করবে যা দেশটির মোট পরিবারের ২০.৬ শতাংশ।

এটি ২০২০ সালের পরিমাণ থেকে বেশি। ওই সময়ে বয়স্ক লোকের একাকী বাস করার সংখ্যা ছিল ৭৩ লাখ ৭০ হাজার যা মোট পরিবারের ১৩.২ শতাংশ।

এতে বলা হয়, জাপানে দিনদিনই বয়স্ক লোকের সংখ্যা বাড়ছে। তরুণদের মধ্যে বিয়ে না করা এবং বিয়ে করলেও সন্তান না নেয়ার প্রবণতার কারণে এমনটি ঘটছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে জনসংখ্যার এ পরিস্থিতিকে জাপান সংকট হিসেবেই বিবেচনা করছে। কারণ, বয়স্কদের পেছনে চিকিৎসা এবং কল্যাণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতিতে এর চাপ পড়ছে।

ইন্সস্টিটিউট বলছে, বর্তমানে বয়স্কদের অনেকের সন্তান কিংবা ভাই বোন রয়েছে যারা তাদের দেখাশোনা করছে। কিন্তু এখন থেকে ৩০ বছর পরে সন্তানহীন একাকী বাস করা বয়স্কদের সংখ্যা বাড়বে এবং তাদের ভাই বোনও তেমন থাকবে না।

এদিকে শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি উপাত্ত থেকে জানা গেছে, জাপানে ২০২৩ সালে জনসংখ্যা পাঁচ লাখ ৯৫ হাজার কমে ১২ কোটি ৪০ লাখে দাঁড়িয়েছে।

এ কারণে জাপান সরকার অর্থপূর্ণ সাফল্য ছাড়াই জনসংখ্যার হ্রাস এবং বার্ধ্যকে ধীর করার উদ্যোগ নিয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Threat of Iranian attack on Israel is real White House

ইসরায়েলে ইরানের হামলার হুমকি বাস্তব: হোয়াইট হাউস

ইসরায়েলে ইরানের হামলার হুমকি বাস্তব: হোয়াইট হাউস
প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলায় দেশটির দুজন জেনারেল নিহত হওযার পর থেকেই ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা নিয়ে উদ্বেগ চলছে।

ইসরায়েলে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি বাস্তব।

হোয়াইট হাউস শুক্রবার এ কথা জানিয়েছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে ইসরায়েলি হামলায় দেশটির দুজন জেনারেল নিহত হওযার পর থেকেই ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা নিয়ে উদ্বেগ চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছেন, আমরা এখনও এখানে ইরানের সম্ভাব্য হুমকিকে বাস্তব, কার্যকর বলে মনে করি।

তিনি আরও বলেছেন, ‘কোন আকারে, কোন মাত্রায় এবং কোন সুযোগ নিয়ে হামলা হতে পারে, তা আমি বলতে পারছি না।’ তবে ইরানের হামলার হুমকি ‘কার্যকর’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ‘খুব, খুব নিবিড়ভাবে বিষয়টি দেখছে।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ইসরাইলে বড়ো ধরনের হামলার হুমকি দিচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ইরান হামলা চালালে ইসরাইলকে ‘লৌহবর্মের’ মতো সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সূত্র: বাসস

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Netanyahu is sitting with top officials fearing Irans attack

ইরানের হামলার শঙ্কা, শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসছেন নেতানিয়াহু

ইরানের হামলার শঙ্কা, শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসছেন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি
বিবিসি জানায়, নেতানিয়াহু ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়েভ গালান্ট ও বিরোধীদলীয় নেতা বেনি গানৎজের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।

সিরিয়ার দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেটে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে দামেস্কে হামলায় ইরানের জ্যেষ্ঠ কমান্ডারদের হত্যার ঘটনায় তেহরানের বদলার শঙ্কায় উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা দেশটিতে বিবিসির অংশীদার সিবিএস নিউজকে বলেন, ইসরায়েলের ওপর ‘চ্যালেঞ্জিং’ বড় ধরনের হামলা শিগগিরই হতে পারে। অন্যদিকে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটি প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মকভাবে প্রস্তুত।

বিবিসি জানায়, নেতানিয়াহু ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়েভ গালান্ট ও বিরোধীদলীয় নেতা বেনি গানৎজের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।

এমন বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা সিবিএসকে বলেন, হামলায় শতাধিক ড্রোন, বেশ কিছু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে ইরান। এগুলোর লক্ষ্য হতে পারে ইসরায়েলের সামরিক বিভিন্ন স্থাপনা।

এদিকে স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ইরানের হামলার হুমকি ‘বিশ্বাসযোগ্য’ এবং ওয়াশিংটন বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ইরানের হামলার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া তাদের নাগরিক ও কর্মকর্তাদের ইসরায়েলে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট কূটনৈতিক মিশনের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের তেল আবিব, জেরুজালেম ও বির শেভার বাইরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ তুঙ্গে
জিম্মি মুক্তিতে হামাসকে চাপ দিতে মিসর ও কাতারকে বাইডেনের চিঠি
ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস বা ক্ষতির শিকার গাজার ৬২% বাড়িঘর: জাতিসংঘ
গাজা বিজয়ী হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই চলবে: হিজবুল্লাহ
ইসরায়েলি হামলার জবাবের প্রস্তুতি: যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সরে যেতে’ বলল ইরান

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Iran can attack Israel within 24 to 48 hours
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন

২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান

২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান গত ৫ এপ্রিল সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাত আইআরজিসি সদস্যের শেষকৃত্যের সময় তেহরানে বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর একটি কুশপুত্তলিকা ঝোলায়। ছবি: এএফপি
ইরানের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে পূর্ণ ধারণা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের এক কূটনীতিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘ইসরায়েলের লক্ষ্য অন্যত্র থাকাকালে কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের মাটিতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে ইরান। আমাদের গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো অন্তত তাই ইঙ্গিত করছে।’

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের মাটিতে ইরান হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এক কূটনীতিক এ তথ্য জানিয়েছেন বলে শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কয়েকজন কর্মকর্তাসহ ১৩ জন নিহত হন।

ইসরায়েল ওই হামলার দায় স্বীকার না করলেও তেল আবিবকেই দায়ী করেছে ইরান। ওই হামলার উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে বলেও তেহরানের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহসেন রিজাইয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তাসনিম নিউজ।

এ বিষয়ে পূর্ণ ধারণা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের এক কূটনীতিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘ইসরায়েলের লক্ষ্য অন্যত্র থাকাকালে কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের মাটিতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে ইরান। আমাদের গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো অন্তত তাই ইঙ্গিত করছে।’

ওই কূটনীতিক জানান, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই হামলা চালাতে পারে ইরান। এ হামলা মোকাবিলায় নিজেদের ভূখণ্ডের উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল।

তেহরানের প্রতিক্রিয়া

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে টাইমস অফ ইসরায়েলের খবরে বলা হয়, হামলার বিষয়ে তেহরান এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসেনি বলে জানিয়েছেন ইরানের এক কর্মকর্তা।

আইআরজিসির এক উপদেষ্টার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সপ্তাহের শুরুতে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ইসরায়েলে হামলা চালাতে বেশ কয়েকটি বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন আইআরজিসির কর্মকর্তারা। এর মধ্যে অত্যাধুনিক মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথাও উল্লেখ করেন তারা।

২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান
ইসরায়েলকে শুক্রবার উপযুক্ত জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই। ছবি: তাসনিম নিউজ

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্টগুলোতেও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলার হুমকি দেয়া হয়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের দিমোনার পারমাণবিক স্থাপনা, হাইফার বিমানবন্দরের মতো স্থাপনা, তবে এসব পোস্টের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি টাইমস অফ ইসরায়েল।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে উল্লেখ করা হয়, হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো কিছু করা হলে অবশ্যই তার পাল্টা জবাব দেবে তেল আবিব। এ ক্ষেত্রে দেশটি ইরানের কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে।

প্রস্তুত ইসরায়েল

ইসরায়েল ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাগযুদ্ধ নতুন মাত্রা পায় বৃহস্পতিবার। ওই দিন ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘(ইরান থেকে) আগত সব ধরনের হামলা মোকাবিলায় আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

এর পরপরই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল থেকে একাধিকবার তেহরানকে এমন কিছু না করতে সতর্ক করা হয়।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেসের (আইডিএফ) মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যেকোনো হামলার জন্য পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করছে ইসরায়েল। আমরা প্রতি মুহূর্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

‘আমরা নিজেদের প্রতিরক্ষার পাশাপাশি পাল্টা আক্রমণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের যেসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, তা দিয়েই শত্রুর মোকাবিলা করা হবে। তা ছাড়া আমাদের কৌশলগত মিত্ররাও এমন পরিস্থিতিতে আমাদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।’

ইসরায়েলকে পূর্ণ সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রল কমান্ডের জেনালের মাইকেল কুরিল্লা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলে পৌঁছান। সেখানে তিনি আইডিএফের চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হালেবির সঙ্গে নিরাপত্তাজনিত হুমকি ও তা মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। ওই আলোচনার পরই আইডিএফের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে মিত্রদের কথা তুলে ধরে আইডিএফ।

ওই দিন রাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়েভ গালান্ট। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের ওপর ইরান ও এর আঞ্চলিক মিত্রদের ক্রমবর্ধমান হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে সুদৃঢ় সমর্থন দিয়ে যাবে।

‘ইরানি হামলা মোকাবিলায় মিস্টার গালান্ট যুক্তরাষ্ট্রকে গণনায় নিতে পারে। এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে’, উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

পরে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ‘আমরা (লয়েড) অস্টিনকে জানিয়েছি যে, ইরান সরাসরি ইসরায়েলে হামলা করলে আমরাও তাদের একইভাবে জবাব দেব।’

২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান
এ বছরের ২৬ মার্চ পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন (বাঁয়ে) ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়েভ গালান্ট। ছবি: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরেক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনাকালে অস্টিন গালান্টের কাছে অভিযোগ করেন, ১ এপ্রিলের ঘটনার বিষয়ে আগে থেকে পেন্টাগনকে কিছুই জানানো হয়নি।

এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইরানকে বিরত রাখতে চীনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

এদিকে ইসরায়েলে হামলায় নিরুৎসাহিত করার ব্যাপারে ইরানকে বোঝাতে বেইজিংয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে ওই ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ পালন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছেন চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই।

শুধু এ ফোনালাপ নয়, হামাসকে সহযোগিতা বন্ধের জন্য ইরানকে চাপ দিতে চীনকে প্রকাশ্যে বারবার অনুরোধ জানিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরে কূটনীতিকদের ভ্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা

ক্রমবর্ধমান হামলার হুমকি থাকায় এরই মধ্যে নিজ দেশের কূটনীতিকদের ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তেল আবিব, জেরুজালেম এবং বির শেভা এলাকার বাইরে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।’

নাগরিকদের সতর্ক করেছে ফ্রান্সও

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত নিজ দেশের নাগরিকদের ইরান, লেবানন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি অঞ্চল ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে ফ্রান্স।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্তেফান সেজোর্নের এক প্রতিনিধি শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে এএফপি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ইরানভিত্তিক ফরাসি কূটনীতিকদের আত্মীয়রা ফ্রান্সে ফিরে আসবেন। একই সঙ্গে ফ্রান্সের বেসামরিক নাগরিকদের ইরান, লেবানন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি অঞ্চল ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে।

উত্তেজনা কমাতে চাইলেও প্রতিশোধের বিষয়ে বদ্ধপরিকর ইরান

ওয়াশিংটনের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান এমন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা (ইসরায়েলের হামলার) এমনভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে যাতে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়।

সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় কোনো অবস্থাতেই তাড়াহুড়া করা হবে না বলে ইরানের সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরান ‘খুব স্পষ্ট’ করে বলেছে যে, দামেস্কে দূতাবাসে হামলার জবাব তারা অবশ্যই দেবে। সে ক্ষেত্রে তা যেন ‘নিয়ন্ত্রিত’ হয়, তা নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য আঞ্চলিক মিত্রদের ব্যবহার করা হতে পারে বলেও ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, এরই মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়ার মতো বিশ্ব মোড়লরাও ইরানকে সংযত হতে অনুরোধ জানিয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরান বলেছে, ইসরায়েলের হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ব্যবস্থা নিলে প্রতিশোধের ‘আবশ্যকতা’ হয়তো এড়ানো যেত।

এ বিষয়ে এক্সে দেয়া পোস্টে জাতিসংঘে ইরানের মিশন লিখেছে, ‘নিরাপত্তা পরিষদ যদি (দামেস্কের কূটনৈতিক চত্বরে) আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েলকে বিচারের মুখোমুখি করত, তাহলে ইরানের আর এই দুর্বৃত্তকে শাস্তি দেয়ার কথা চিন্তা করা লাগত না।’

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কূটনীতিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে এবার সরাসরি হামলা চালানোর হুমকি ইসরায়েলের
ঈদের দিনে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

মন্তব্য

p
উপরে