× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
A dead body is being recovered in Syria in 10 minutes
google_news print-icon

‘১০ মিনিটে একটি লাশ উদ্ধার হচ্ছে সিরিয়ায়’

১০-মিনিটে-একটি-লাশ-উদ্ধার-হচ্ছে-সিরিয়ায়
সিরিয়ার আলেপ্পোতে ভবনের নিচ থেকে উদ্ধার হচ্ছে মানুষ। ছবি: আল জাজিরা
সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে ৩৮৬ জনের আর তুরস্কে মারা গেছে ৯১২ জন। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। এর বাইরে বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়েছে।

ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে সিরিয়ার অসংখ্য ভবন। এসব ভবনের নিচে চাপা পড়েছে বহু মানুষ। উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা।

সোমবার ভোরে তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্পে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে তার এক চিত্র ধরা পড়েছে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়া থেকে ভূমিকম্পের সংবাদ জানানো আল জাজিরার সাংবাদিক শৈয়ব আল আল খালাফ।

তিনি বলেছেন, ‘প্রতি ১০ মিনিটে উদ্ধারকর্মীরা একটি মরদেহ উদ্ধার করছেন। ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে চিৎকার শুনতে পাচ্ছি আমরা।

‘আহত অনেককে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। রক্তের অভাব দেখা দিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়েছে।’

সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে ৩৮৬ জনের আর তুরস্কে মারা গেছে ৯১২ জন। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। এর বাইরে বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়েছে।

সোমবার ভোররাত ৪টা ১৭ মিনিটে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয় সিরিয়া সীমান্তবর্তী তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে, যার উৎপত্তিস্থল কাহরামানমারাস প্রদেশের পাজারসিক জেলায়।

উৎপত্তিস্থলে এর গভীরতা ছিল ৭ কিলোমিটার। একই ভূমিকম্পে কাঁপে সিরিয়াও। পরে দু দেশেই আবারও আঘাত হানে ভূমিকম্প (আফটার শক)।

সিরিয়ার দামেস্কের প্রত্যক্ষদর্শী সামির বলেন, ‘বাড়ির দেয়াল থেকে পেইন্টিং পড়ে গেছে। আমি আতঙ্কিত হয়ে জেগে উঠেছি।’

আরও পড়ুন:
ভূমিকম্পে মৃত্যু ৩৮০০ ছাড়িয়েছে
‘দোলনার মতো দুলছিলাম’
তুরস্কে ভূমিকম্পে মৃত্যু ঠেকতে পারে ১০ হাজারে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Biden doesnt see a ceasefire deal in Gaza any time soon

শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না বাইডেন

শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না বাইডেন ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজার একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
বাইডেন বলেন, ইতালিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোজাসাপ্টা জবাব দেন, ‘আমি আশা হারাইনি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি শিগগিরই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন না। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, বৈশ্বিক সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত প্রস্তাবটি ইসরায়েল বা হামাস পুরোপুরি গ্রহণ করেনি।

বৃহস্পতিবার তিনি এসব কথা বলেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

বাইডেন বলেন, ইতালিতে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে শিগগিরই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোজাসাপ্টা জবাব দেন, ‘আমি আশা হারাইনি।’

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এই সপ্তাহে প্রস্তাবটির প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, যার লক্ষ্য স্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরতি ও গাজা থেকে সম্পূর্ণ ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা দেয়া।

বাইডেনের ঘোষিত প্রস্তাবে এসব বিধান থাকলেও ইসরায়েল শর্ত বাস্তবায়ন করবে কি না তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হামাস।

এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রতি ইসরায়েল পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় বলে যে দাবি করা হয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করেন।

সুলিভান বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ‘অবশিষ্ট ফাঁকগুলো দূর করতে ও একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আমরা কীভাবে কাজ করব তা খুঁজে বের করা’।

ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডারকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ইসরায়েলি সামরিক চৌকিতে রকেট ও বিস্ফোরক ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

হিজবুল্লাহর রকেট হামলা বন্ধ করতে কিছু ইসরায়েলি নেতা সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দেওয়ার পর এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীটি তার মিত্র হামাসের সমর্থনে যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইসরায়েলকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ৮ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৭ হাজার ১০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুদ্ধের মধ্যে সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলাবস্থা থাকায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের মধ্যে গাজার অন্তত ১০ লাখ মানুষ তীব্র খাবার সংকটের মুখোমুখি হবে। সূত্র: ইউএনবি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Cargo ship sailor injured in Houthi missile attack

হুথির ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্গো জাহাজের নাবিক আহত

হুথির ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্গো জাহাজের নাবিক আহত
বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় নাবিক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। পরে আমেরিকান বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ জানিয়েছে।

এডেন সাগরে একটি কার্গো জাহাজ লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় নাবিক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। পরে আমেরিকান বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ জানিয়েছে। খবর এএফপির

হুথিরা ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে বিভিন্ন জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে এবং তারা বলেছে, তারা গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি প্রকাশ করছে।

হুথিদের এমন হামলায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি করলেও এ ক্ষেত্রে হতাহতের ঘটনা বিরল।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হুথিদের হামলায় পালাউয়ান পতাকাবাহী এম/ভি ভার্বেনা নামের জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। এতে একজন বেসামরিক নাবিক গুরুতর আহত হয়েছে। ক্রুরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। জাহাজটির মালিক হচ্ছেন ইউক্রেনের নাগরিক।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
G 7 will give 5 billion dollars to Ukraine

ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭

ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: বিবিসি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোতে রাশিয়ার প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা আছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এসব জব্দ করা হয়।

ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার জন্য পাঁচ হাজার কোটি ডলার (৫০ বিলিয়ন) ঋণ দেবে সাত দেশের জোট জি-৭।

জব্দ করা রাশিয়ার সম্পদ থেকে এ অর্থ দেয়া হবে বলে বিবিসির শুক্রবারের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ইটালির পুগলিয়াতে এবারের জি-৭ সামিট হচ্ছে। সেখানেই এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘৫০ বিলিয়ন ডলার ইউক্রেনের জন্য ব্যবহার করা হবে। এটা রাশিয়াকে আরেকবার মনে করিয়ে দেয়া যে, আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি না।’

তবে এ সিদ্ধান্তে মস্কো ‘সর্বোচ্চ বেদনাদায়ক’ পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছে।

এ অর্থ চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম, তবে এটি ইউক্রেনকে যুদ্ধ ও দেশটির অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইটালিতে জি-৭ সামিটে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং বাইডেন ১০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। চুক্তিটিকে কিয়েভ ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এ চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সামরিক ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দেবে, কিন্তু এখানে ওয়াশিংটন সৈন্য পাঠিয়ে সহায়তা করবে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।

বাইডেন বলেন, ‘মি. পুতিন আমাদের অপেক্ষা করিয়ে রাখতে পারবে না, তিনি আমাদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে পারবেন না এবং আমরা যুদ্ধে জয় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি।’

জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো হলো কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে এসব দেশ ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোতে রাশিয়ার প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা আছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এসব জব্দ করা হয়।

চুক্তিটির প্রশংসা করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক একে ‘গেম চেঞ্জিং’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আরও পড়ুন:
সফরের দ্বিতীয় দিনে চীনের ‘লিটল মস্কোতে’ পুতিন
চীন-রাশিয়ার ‘কষ্টার্জিত’ সম্পর্কের লালনপালন চান শি
ইউক্রেন সংকট নিরসনে চীনের পরিকল্পনায় সমর্থন পুতিনের
অর্থনীতিবিদ বেলাউসভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাচ্ছেন পুতিন
ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থাকে ৩০ লাখ ডলার দেবে কাতার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
120 million people forcibly displaced by 2023 UN

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ সংঘাতে-সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে সিরিয়ায় নিজ বাসভূম ছেড়ে অজানার উদ্দেশে ছুটছে নারী-শিশুসহ অসংখ্য মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই বিদেশে নির্বাসিত শরণার্থী এবং নিজ দেশের মধ্যে বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। আর এদের তিন-চতুর্থাংশই দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক।

বিশ্বের নানা প্রান্তে বিগত ২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে ১২ কোটি মানুষ। এক বছরে মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের এই সংখ্যা আগের বছর ২০২২ সালের বাস্তুচ্যুতির চেয়ে ৬০ লাখ বেশি। আর জাপানের মোট জনসংখ্যার সমান।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বৃহস্পতিবার ২০২৩ সালের বার্ষিক ‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর ওই প্রতিবেদনে এমন তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই বিদেশে নির্বাসিত শরণার্থী এবং নিজ দেশের মধ্যে বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। আর এদের তিন-চতুর্থাংশই দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক।

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ
ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি। ছবি: সংগৃহীত

ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেছেন, অভিবাসীদের এই প্রবাহ শুধু ধনী দেশগুলোরই মাথাব্যথার কারণ নয়। সারা বিশ্বের দৃষ্টি এখন গাজা ও ইউক্রেনে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সুদানে গত বছরের এপ্রিলে প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেলের অনুগত বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরুর পর বছরের শেষ দিকে অন্তত এককোটি ৮০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অথচ এ বিষয়টি প্রায় সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে।

গ্রান্ডি বলেন, তবে শরণার্থীদের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে জটিল চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পরিস্থিতির উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করতে চলেছে বাইডেন প্রশাসন। তবে নতুন আরোপিত আইন আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইনের লঙ্ঘন যেন না করে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

এ সময় সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর বাইডেন প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টির সমালোচনা করেছেন ইউএনএইচসিআর প্রধান। অনেকের কাছে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে এটি রাজনৈতিক কৌশল হলেও এই আইনে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।

তবে সমালোচনার পাশাপাশি প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার শরণার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টিরও প্রসংশা করেন ইউএনএইচসিআর প্রধান।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hezbollah top commander killed 4 in Israeli attack in Lebanon

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা। ছবি: সংগৃহীত
নিহত হিজবুল্লাহ কমান্ডার সামি আবদাল্লাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক নেতা ছিলেন। ৫৫ বছর বয়সী এই শীর্ষ হিজবুল্লাহ নেতা আবু তালেব নামেও পরিচিত ছিলেন।

ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননে হিজবুল্লাহ কমান্ডারসহ চারজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবারের এই হামলা নিহত কমান্ডার সামি আবদাল্লাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ সামরিক নেতা ছিলেন। ৫৫ বছর বয়সী এই শীর্ষ হিজবুল্লাহ নেতা আবু তালেব নামেও পরিচিত।

বার্তা সংস্থা এএফপি বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জৌআইইয়া শহরে এই হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।

পরবর্তীতে হিজবুল্লাহ অপর এক সদস্য নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করে। দ্বিতীয় এই যোদ্ধার নাম মোহাম্মাদ হুসেন সাবরা। তিনি বাকের নামেও পরিচিত।

সাম্প্রতিক সময়স হিজবুল্লাহ ও ইযরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের মাত্রা বেড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তের দুই পাশ থেকে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবারের এই হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, মঙ্গলবার সকালে হিজবুল্লাহ গোলান মালভূমিতে অন্তত ৫০টি রকেট হামলা চালানোর পর তারা এই পাল্টা হামলা চালায়।

ইসরায়েলি ভূখণ্ডে নয় মাস আগে হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় প্রতিশোধমূলক, নির্বিচার হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই সংঘাত শুরুর পর ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে হামলা শুরু করে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

গত ৯ মাসে লেবাননে ৪৬৭ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৯০ জন বেসামরিক ব্যক্তি ও ৩০৪ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা।

অপর পক্ষে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত ১৫ ইসরায়েলি সেনা ও ১১ বেসামরিক ব্যক্তি এসব হামলায় নিহত হয়েছেন। সংঘাত এড়াতে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার হাজারও মানুষ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত সপ্তাহে জানান, লেবানন সীমান্তে চরম মাত্রার সামরিক অভিযান চালাতে ইসরায়েল প্রস্তুত রয়েছে। তিনি যেভাবেই হোক না কেন, উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবেন।

আরও পড়ুন:
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের
গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি বোমা, নিহত ৩২
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল স্লোভেনিয়া
দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ইসরায়েল
গাজায় আরও চার বন্দির মৃত্যু: ইসরায়েল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hunter Biden found guilty in firearms case

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় হান্টার বাইডেন দোষী সাব্যস্ত

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় হান্টার বাইডেন দোষী সাব্যস্ত রায়ের পর ফেডারেল আদালত থেকে বেরিয়ে যান হান্টার বাডেন ও তার স্ত্রী মেলিসা কোহেন বাইডেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত
সিএনএন জানায়, হান্টার বাইডেনের সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন।

আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় মাদকাসক্তি নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত।

আদালত সাজা ঘোষণার জন্য তাৎক্ষণিক কোনো তারিখ নির্ধারণ করেনি। তবে আগামী চার মাসের মধ্যে এই ঘোষণা আসবে।

ফেডারেল আদালতে রায় ঘোষণার সময় হান্টার বাডেন ও তার স্ত্রী মেলিসা কোহেন বাইডেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন উপস্থিত ছিলেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত মঙ্গলবার ফৌজদারি অপরাধের তিনটি অভিযোগেই হান্টার বাইডেনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছে।

হান্টারের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। দ্বিতীয় অভিযোগ হলো, অস্ত্র বিক্রেতার নথিপত্রে মিথ্যা তথ্য থাকার বন্দোবস্ত করেন তিনি। তৃতীয় অভিযোগ, অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র কাছে রাখা।

আদালত সাজা ঘোষণার জন্য কোনো তারিখ নির্ধারণ করেনি। তবে ১২০ দিনের মধ্যে এই ঘোষণা আসবে। অর্থাৎ আগামী ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই হান্টার বাইডেনের সাজা শুরু হতে পারে।

সিএনএন জানায়, হান্টার বাইডেনের সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় মিথ্যা তথ্য দেয়ার জন্য হান্টার বাইডেনের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। অস্ত্র বিক্রেতার নথিতে মিথ্যা তথ্য সন্নিবেশের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এবং মাদকাসক্ত অবস্থায় অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র কাছে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, দেশটির নাগরিকদের অস্ত্র কেনার অধিকার রয়েছে। কিন্তু অস্ত্র কেনার সময় একজন ব্যক্তিকে আবেদনপত্রে অবশ্যই এটা উল্লেখ করতে হবে যে, তিনি মাদকে আসক্ত কি না।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Israel Hamas may face war crimes charges over Nuseirat incident UN

নুসেইরাতের ঘটনায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে ইসরায়েল-হামাস: জাতিসংঘ

নুসেইরাতের ঘটনায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে ইসরায়েল-হামাস: জাতিসংঘ নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলার পরবর্তী দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার নুসেইরাতের শরণার্থী শিবিরের একটি ভবনে চার জিম্মিকে আটকে রাখার খবরে ব্যাপক সহিংসতা চালায় ইসরায়েল। তাদের বিমান ও স্থল অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭৪ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

হামাসের কাছে জিম্মি চার ইসরায়েলিকে মুক্ত করতে সম্প্রতি গাজার নুসেইরাতে প্রাণঘাতী অভিযান চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। শরণার্থী শিবিরে জিম্মিদের আটকে রাখা ও সেখানে হামলা চালানোর অভিযোগে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনী, দুই পক্ষই যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর।

শনিবার নুসেইরাতের শরণার্থী শিবিরের একটি ভবনে চার জিম্মিকে আটকে রাখার খবরে ব্যাপক সহিংসতা চালায় ইসরায়েল। তাদের বিমান ও স্থল অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭৪ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স। খবর ইউএনবি

জেনেভায় জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় জিম্মিদের আটকে রাখার মাধ্যমে আশপাশের বেসামরিক নাগরিক ও জিম্মিদের ‘বাড়তি ঝুঁকিতে’ ফেলছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী (হামাস)।

উভয় পক্ষের এসব কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আট মাসের বেশি সময় ধরে টানা আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। বেসামরিক মানুষের মাঝে এমন সামরিক আগ্রাসন ও এতে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করে লরেন্স বিষয়টিকে ‘বিপর্যয়কর’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেন।

জিম্মি ও তাদের পরিবারগুলো যে ‘অগ্নিপরীক্ষার’ মুখোমুখি হয়েছে, সে বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, চারজন জিম্মি মুক্তি পেয়েছে, এটা নিঃসন্দেহে খুব ভালো খবর। তবে এদের (জিম্মি) ধরে নিয়ে যাওয়া একেবারেই উচিৎ হয়নি। এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন। যত শিগগির সম্ভব হয়, বাকিদেরও মুক্তি দিতে হবে।

গত আট মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৬ হাজার ৭৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুদ্ধের মধ্যে সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলাবস্থা থাকায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের মধ্যে গাজার অন্তত ১০ লাখ মানুষ তীব্র খাবার সংকটের মুখোমুখি হবে।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস
ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বেনি গানৎজের
নুসেইরাত ক্যাম্প থেকে ৪ ইসরায়েলি জিম্মি উদ্ধার
ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের

মন্তব্য

p
উপরে