× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Calls to expel Bolsonaro from the United States
google_news print-icon

বলসোনারোকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেয়ার আহ্বান

বলসোনারোকে-যুক্তরাষ্ট্র-থেকে-বের-করে-দেয়ার-আহ্বান-
ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো। ছবি: এএফপি
প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই দিন আগে বলসোনারো গত ৩১ ডিসেম্বর আমেরিকায় যান। প্রেসিডেন্ট হিসেবে বামপন্থি নেতা লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভার অভিষেকের মাত্র এক সপ্তাহ পর রোববার ব্রাজিলের রাজধানীতে সিরিজ হামলা চালিয়েছেন চালান তার সমর্থকরা।

ব্রাজিলে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে দাঙ্গার ঘটনায় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোর ভিসা বাতিল করার জন্য আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার তারা এ আহ্বান জানায় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ৪১ ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতাদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তারা ভুল তথ্য ছড়িয়ে ও সহিংস চরমপন্থাকে উস্কে দিয়ে গণতান্ত্রিক রীতিনীতিকে নষ্ট করলে তার স্বল্পকালীন এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কেমন হতে পারে তা আমরা জানি। বলসোনারো বা অন্য কোনো সাবেক ব্রাজিলীয় কর্মকর্তারা ন্যায় বিচার থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে পারবেন না।

ওই চিঠিতে বলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে আসা বৈধ কি না তা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, বলসোনারোকে নিয়ে ব্রাজিলের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। যদি কোনো অনুরোধ আসে তাহলে দ্রুত সাড়া দেয়া হবে।

প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই দিন আগে বলসোনারো গত ৩১ ডিসেম্বর আমেরিকায় যান। প্রেসিডেন্ট হিসেবে বামপন্থি নেতা লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভার অভিষেকের মাত্র এক সপ্তাহ পর রোববার ব্রাজিলের রাজধানীতে সিরিজ হামলা চালিয়েছেন চালান তার সমর্থকরা। পরে সোমবার ফ্লোরিডার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট।

তার স্ত্রী জানান, ২০১৮ সালে ছুরি হামলার পর বলসোনারো প্রায়ই পেটে ব্যথা অনুভব করেন।

সিএনএনকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলসোনারো জানিয়েছিলেন, জানুয়ারির শেষের দিকে তার ব্রাজিলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু স্বাস্থ্যগত কারণে এটি বিলম্ব হতে পারে।

আরও পড়ুন:
চলছে পেলের শেষকৃত্য
আলভেসের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ
পেলের বিদায়ে কাতর অন্য ক্রীড়ার তারকারাও
পেলের মৃত্যুতে শোক জামাল-সাকিবদের
অনবদ্য পেলে: ১৫ বছরে অভিষেক থেকে হাজার গোল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
G 7 will give 5 billion dollars to Ukraine

ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭

ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: বিবিসি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোতে রাশিয়ার প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা আছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এসব জব্দ করা হয়।

ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার জন্য পাঁচ হাজার কোটি ডলার (৫০ বিলিয়ন) ঋণ দেবে সাত দেশের জোট জি-৭।

জব্দ করা রাশিয়ার সম্পদ থেকে এ অর্থ দেয়া হবে বলে বিবিসির শুক্রবারের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ইটালির পুগলিয়াতে এবারের জি-৭ সামিট হচ্ছে। সেখানেই এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘৫০ বিলিয়ন ডলার ইউক্রেনের জন্য ব্যবহার করা হবে। এটা রাশিয়াকে আরেকবার মনে করিয়ে দেয়া যে, আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি না।’

তবে এ সিদ্ধান্তে মস্কো ‘সর্বোচ্চ বেদনাদায়ক’ পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছে।

এ অর্থ চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম, তবে এটি ইউক্রেনকে যুদ্ধ ও দেশটির অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইটালিতে জি-৭ সামিটে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং বাইডেন ১০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। চুক্তিটিকে কিয়েভ ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এ চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সামরিক ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দেবে, কিন্তু এখানে ওয়াশিংটন সৈন্য পাঠিয়ে সহায়তা করবে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নেই।

বাইডেন বলেন, ‘মি. পুতিন আমাদের অপেক্ষা করিয়ে রাখতে পারবে না, তিনি আমাদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে পারবেন না এবং আমরা যুদ্ধে জয় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি।’

জি-৭ ভুক্ত দেশগুলো হলো কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে এসব দেশ ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোতে রাশিয়ার প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফ্রিজ বা জব্দ করা আছে। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর এসব জব্দ করা হয়।

চুক্তিটির প্রশংসা করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক একে ‘গেম চেঞ্জিং’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আরও পড়ুন:
সফরের দ্বিতীয় দিনে চীনের ‘লিটল মস্কোতে’ পুতিন
চীন-রাশিয়ার ‘কষ্টার্জিত’ সম্পর্কের লালনপালন চান শি
ইউক্রেন সংকট নিরসনে চীনের পরিকল্পনায় সমর্থন পুতিনের
অর্থনীতিবিদ বেলাউসভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাচ্ছেন পুতিন
ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থাকে ৩০ লাখ ডলার দেবে কাতার

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
120 million people forcibly displaced by 2023 UN

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ সংঘাতে-সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে সিরিয়ায় নিজ বাসভূম ছেড়ে অজানার উদ্দেশে ছুটছে নারী-শিশুসহ অসংখ্য মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই বিদেশে নির্বাসিত শরণার্থী এবং নিজ দেশের মধ্যে বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। আর এদের তিন-চতুর্থাংশই দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক।

বিশ্বের নানা প্রান্তে বিগত ২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে ১২ কোটি মানুষ। এক বছরে মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের এই সংখ্যা আগের বছর ২০২২ সালের বাস্তুচ্যুতির চেয়ে ৬০ লাখ বেশি। আর জাপানের মোট জনসংখ্যার সমান।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বৃহস্পতিবার ২০২৩ সালের বার্ষিক ‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর ওই প্রতিবেদনে এমন তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই বিদেশে নির্বাসিত শরণার্থী এবং নিজ দেশের মধ্যে বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। আর এদের তিন-চতুর্থাংশই দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক।

২০২৩ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ: জাতিসংঘ
ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি। ছবি: সংগৃহীত

ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেছেন, অভিবাসীদের এই প্রবাহ শুধু ধনী দেশগুলোরই মাথাব্যথার কারণ নয়। সারা বিশ্বের দৃষ্টি এখন গাজা ও ইউক্রেনে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সুদানে গত বছরের এপ্রিলে প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেলের অনুগত বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরুর পর বছরের শেষ দিকে অন্তত এককোটি ৮০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অথচ এ বিষয়টি প্রায় সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে।

গ্রান্ডি বলেন, তবে শরণার্থীদের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে জটিল চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পরিস্থিতির উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করতে চলেছে বাইডেন প্রশাসন। তবে নতুন আরোপিত আইন আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইনের লঙ্ঘন যেন না করে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

এ সময় সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর বাইডেন প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টির সমালোচনা করেছেন ইউএনএইচসিআর প্রধান। অনেকের কাছে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে এটি রাজনৈতিক কৌশল হলেও এই আইনে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন হতে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।

তবে সমালোচনার পাশাপাশি প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার শরণার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টিরও প্রসংশা করেন ইউএনএইচসিআর প্রধান।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hezbollah top commander killed 4 in Israeli attack in Lebanon

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহ শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ৪ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা। ছবি: সংগৃহীত
নিহত হিজবুল্লাহ কমান্ডার সামি আবদাল্লাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক নেতা ছিলেন। ৫৫ বছর বয়সী এই শীর্ষ হিজবুল্লাহ নেতা আবু তালেব নামেও পরিচিত ছিলেন।

ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননে হিজবুল্লাহ কমান্ডারসহ চারজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবারের এই হামলা নিহত কমান্ডার সামি আবদাল্লাহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ সামরিক নেতা ছিলেন। ৫৫ বছর বয়সী এই শীর্ষ হিজবুল্লাহ নেতা আবু তালেব নামেও পরিচিত।

বার্তা সংস্থা এএফপি বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ইসরায়েল-লেবানন সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জৌআইইয়া শহরে এই হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।

পরবর্তীতে হিজবুল্লাহ অপর এক সদস্য নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করে। দ্বিতীয় এই যোদ্ধার নাম মোহাম্মাদ হুসেন সাবরা। তিনি বাকের নামেও পরিচিত।

সাম্প্রতিক সময়স হিজবুল্লাহ ও ইযরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের মাত্রা বেড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তের দুই পাশ থেকে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবারের এই হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, মঙ্গলবার সকালে হিজবুল্লাহ গোলান মালভূমিতে অন্তত ৫০টি রকেট হামলা চালানোর পর তারা এই পাল্টা হামলা চালায়।

ইসরায়েলি ভূখণ্ডে নয় মাস আগে হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় প্রতিশোধমূলক, নির্বিচার হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই সংঘাত শুরুর পর ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে হামলা শুরু করে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

গত ৯ মাসে লেবাননে ৪৬৭ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৯০ জন বেসামরিক ব্যক্তি ও ৩০৪ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা।

অপর পক্ষে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত ১৫ ইসরায়েলি সেনা ও ১১ বেসামরিক ব্যক্তি এসব হামলায় নিহত হয়েছেন। সংঘাত এড়াতে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার হাজারও মানুষ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত সপ্তাহে জানান, লেবানন সীমান্তে চরম মাত্রার সামরিক অভিযান চালাতে ইসরায়েল প্রস্তুত রয়েছে। তিনি যেভাবেই হোক না কেন, উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবেন।

আরও পড়ুন:
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের
গাজায় জাতিসংঘের স্কুলে ইসরায়েলি বোমা, নিহত ৩২
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল স্লোভেনিয়া
দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছে ইসরায়েল
গাজায় আরও চার বন্দির মৃত্যু: ইসরায়েল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Hunter Biden found guilty in firearms case

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় হান্টার বাইডেন দোষী সাব্যস্ত

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় হান্টার বাইডেন দোষী সাব্যস্ত রায়ের পর ফেডারেল আদালত থেকে বেরিয়ে যান হান্টার বাডেন ও তার স্ত্রী মেলিসা কোহেন বাইডেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত
সিএনএন জানায়, হান্টার বাইডেনের সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

আগ্নেয়াস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন।

আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় মাদকাসক্তি নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত।

আদালত সাজা ঘোষণার জন্য তাৎক্ষণিক কোনো তারিখ নির্ধারণ করেনি। তবে আগামী চার মাসের মধ্যে এই ঘোষণা আসবে।

ফেডারেল আদালতে রায় ঘোষণার সময় হান্টার বাডেন ও তার স্ত্রী মেলিসা কোহেন বাইডেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন উপস্থিত ছিলেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত মঙ্গলবার ফৌজদারি অপরাধের তিনটি অভিযোগেই হান্টার বাইডেনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছে।

হান্টারের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। দ্বিতীয় অভিযোগ হলো, অস্ত্র বিক্রেতার নথিপত্রে মিথ্যা তথ্য থাকার বন্দোবস্ত করেন তিনি। তৃতীয় অভিযোগ, অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র কাছে রাখা।

আদালত সাজা ঘোষণার জন্য কোনো তারিখ নির্ধারণ করেনি। তবে ১২০ দিনের মধ্যে এই ঘোষণা আসবে। অর্থাৎ আগামী ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই হান্টার বাইডেনের সাজা শুরু হতে পারে।

সিএনএন জানায়, হান্টার বাইডেনের সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় মিথ্যা তথ্য দেয়ার জন্য হান্টার বাইডেনের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। অস্ত্র বিক্রেতার নথিতে মিথ্যা তথ্য সন্নিবেশের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর এবং মাদকাসক্ত অবস্থায় অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র কাছে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, দেশটির নাগরিকদের অস্ত্র কেনার অধিকার রয়েছে। কিন্তু অস্ত্র কেনার সময় একজন ব্যক্তিকে আবেদনপত্রে অবশ্যই এটা উল্লেখ করতে হবে যে, তিনি মাদকে আসক্ত কি না।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Israel Hamas may face war crimes charges over Nuseirat incident UN

নুসেইরাতের ঘটনায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে ইসরায়েল-হামাস: জাতিসংঘ

নুসেইরাতের ঘটনায় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে ইসরায়েল-হামাস: জাতিসংঘ নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলার পরবর্তী দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার নুসেইরাতের শরণার্থী শিবিরের একটি ভবনে চার জিম্মিকে আটকে রাখার খবরে ব্যাপক সহিংসতা চালায় ইসরায়েল। তাদের বিমান ও স্থল অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭৪ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

হামাসের কাছে জিম্মি চার ইসরায়েলিকে মুক্ত করতে সম্প্রতি গাজার নুসেইরাতে প্রাণঘাতী অভিযান চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। শরণার্থী শিবিরে জিম্মিদের আটকে রাখা ও সেখানে হামলা চালানোর অভিযোগে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনী, দুই পক্ষই যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর।

শনিবার নুসেইরাতের শরণার্থী শিবিরের একটি ভবনে চার জিম্মিকে আটকে রাখার খবরে ব্যাপক সহিংসতা চালায় ইসরায়েল। তাদের বিমান ও স্থল অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭৪ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স। খবর ইউএনবি

জেনেভায় জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় জিম্মিদের আটকে রাখার মাধ্যমে আশপাশের বেসামরিক নাগরিক ও জিম্মিদের ‘বাড়তি ঝুঁকিতে’ ফেলছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী (হামাস)।

উভয় পক্ষের এসব কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আট মাসের বেশি সময় ধরে টানা আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। বেসামরিক মানুষের মাঝে এমন সামরিক আগ্রাসন ও এতে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করে লরেন্স বিষয়টিকে ‘বিপর্যয়কর’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেন।

জিম্মি ও তাদের পরিবারগুলো যে ‘অগ্নিপরীক্ষার’ মুখোমুখি হয়েছে, সে বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, চারজন জিম্মি মুক্তি পেয়েছে, এটা নিঃসন্দেহে খুব ভালো খবর। তবে এদের (জিম্মি) ধরে নিয়ে যাওয়া একেবারেই উচিৎ হয়নি। এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন। যত শিগগির সম্ভব হয়, বাকিদেরও মুক্তি দিতে হবে।

গত আট মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৬ হাজার ৭৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুদ্ধের মধ্যে সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য মৌলিক সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলাবস্থা থাকায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের মধ্যে গাজার অন্তত ১০ লাখ মানুষ তীব্র খাবার সংকটের মুখোমুখি হবে।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস
ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ বেনি গানৎজের
নুসেইরাত ক্যাম্প থেকে ৪ ইসরায়েলি জিম্মি উদ্ধার
ইসরায়েলকে শিশু নির্যাতনের ‘কালো তালিকায়’ যুক্ত করল জাতিসংঘ
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ রাশিয়া, চীনের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
UN Security Council passes Hamas Israel ceasefire resolution

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস হামলায় বিধ্বস্ত গাজার একটি এলাকা। ফাইল ছবি
প্রস্তাবে শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছে ‘পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি’, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তি, মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত দেয়া এবং ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময়।

ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাস হয়েছে।

প্রস্তাবে শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছে ‘পরিপূর্ণ যুদ্ধবিরতি’, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তি, মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ ফেরত দেয়া এবং ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময়।

বিবিসির মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪টি দেশই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। রাশিয়া ভোটদানে বিরত ছিল।

ইসরায়েল ইতোমধ্যে প্রস্তাবে সম্মত আছে বলে রেজল্যুশনে উল্লেখ করা হয়। হামাসকেও রাজি হতে তাগিদ দেয়া হয়েছে এতে।

অর্থাৎ, শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি সেভেনসহ বিভিন্ন দেশের সরকারের সাথেই নিরাপত্তা পরিষদের এই ইস্যুতে আলাপ হয়েছে। গত ৩১ মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তিন ধাপের প্রস্তাবটি তুলে ধরেন।

নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটির ফলে সংঘাত বন্ধে প্রস্তাবে ইতিবাচক চাপ বাড়বে দিতে দুই পক্ষের ওপরই।

শান্তি চুক্তির জন্য সমর্থন আদায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ বেশ কয়েকটি দেশের নেতাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বৈঠকের পরপরই জাতিসংঘে প্রস্তাব পাসের খবর পাওয়া গেল।

জাতিসংঘে ভোটাভুটির মাত্র কয়েক ঘন্টা আগেই আরব নেতাদের উদ্দেশে ব্লিঙ্কেন আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি চান, ‘হ্যাঁ’ বলতে হামাসের ওপর চাপ প্রয়োগ করুন।

হামাস এর আগে বলেছিল, তারা পরিকল্পনার কিছু অংশ সমর্থন করে। সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে তারা।

ধারণা করা যায়, হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা উপত্যকা থেকে পুরোপুরিভাবে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা চাইবে।

অবশ্য কাতারের দোহায় অবস্থানকারী সংগঠনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষে প্রস্তাবের ব্যাপারে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা।

প্রস্তাবটি গৃহীত হলে সংঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজার পুনর্নির্মাণে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের একটি খসড়া থেকে জানা যায়, তিন ধাপের মধ্যে প্রথম ধাপে জিম্মি-বন্দি বিনিময় এবং স্বল্প মেয়াদের যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে। স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসান এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার রাখা হয়েছে দ্বিতীয় ধাপে।

তৃতীয় ধাপটিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে গাজায় কয়েক বছরব্যাপী রিকনস্ট্রাকশন বা পুনর্নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
More than 300 people including 84 Bangladeshis arrested in Malaysia

মালয়েশিয়ায় ধরপাকড়, ৮৪ বাংলাদেশিসহ আটক তিন শতাধিক

মালয়েশিয়ায় ধরপাকড়, ৮৪ বাংলাদেশিসহ আটক তিন শতাধিক ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (অপারেশন) জাফরি এমবোক এক বিবৃতিতে বলেন, ড্রোন নজরদারিসহ প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে য ১৩০টি কন্টেইনারে আটশ’ ৫০ থেকে এক হাজার অভিবাসীকে রাখা হয়েছিল।

মালয়েশিয়ায় ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে। বিদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করার পর দেশটিতে এই ধরপাকড় শুরু হলো। গত কয়েক দিনে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের শত শত অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

দেশটির জোহর রাজ্যে শনিবার সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ৮৪ বাংলাদেশিসহ তিন শতাধিক অভিবাসীকে আটক করে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন।

ইমিগ্রেশনের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (অপারেশন) জাফরি এমবোক এদিন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কয়েক দিনের ড্রোন নজরদারিসহ প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, ১৩০টি কন্টেইনারে আটশ’ ৫০ থেকে এক হাজার অভিবাসীকে রাখা হয়েছিল।

এনফোর্সমেন্ট অফিসার, সিভিল ডিফেন্স ফোর্স, ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট, পিপলস ভলান্টিয়ার কর্পস (রেলা) ও ন্যাশনাল অ্যান্টি-ড্রাগস এজেন্সির সম্মিলিত ১৩০ জনের একটি দল এই অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকারী দলের আসার গাড়ির শব্দ শুনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অভিবাসীদের মধ্যে।

দলটি যখন নির্মাণস্থলে অভিযান চালায় তখন মোট ২৫২ জন অভিবাসীকে স্ক্রিন করা হয়। তাদের মধ্যে ১২৯ জনকে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩-এর অধীনে নিয়ম লঙ্ঘন, ওভার স্টে, চাকরিলাভের মাধ্যমে তাদের সামাজিক ভিজিট পাসের অপব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নির্মাণস্থলে আটকদের মধ্যে একজন ৪০ বছর বয়সি মালয়েশিয়ান ছিলেন। তিনি নিজেকে অভিযানে আটক ৩০ জন চীনা নাগরিকের অনুবাদক বলে দাবি করেছিলেন। অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য তাকে আটক করা হয়।

একই স্থানে আটকদের মধ্যে ৮৪ বাংলাদেশি রয়েছেন। এ ছাড়া ভারতীয়, ইন্দোনেশিয়ান, মিয়ানমার ও পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছেন।

অভিযানকারী দলটি শহরের কেন্দ্রস্থলে অন্য নির্মাণস্থলে অভিযানের সময় ৭২৫ অভিবাসীকে স্ক্রিন করে। মালয়েশিয়ায় থাকার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাদের মধ্যে ১৯৮ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে বাংলাদেশের একজন নাগরিক ছিলেন যিনি গ্রেপ্তার এড়াতে চেষ্টা করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয়ে ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে কমিটি
৩ থেকে ৪ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়া যেতে পারেননি
কর্মীরা ৩১ মে পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন: হাইকমিশনার
‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হবে না’
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশ জাতিসংঘ
p
উপরে