× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Pakistan Afghan tensions over the Taliban are dire
google_news print-icon

পাকিস্তান-তালেবান সম্পর্কে ভাটা

পাকিস্তান-তালেবান-সম্পর্কে-ভাটা-
সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান। ছবি: এএফপি
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে ডুরান্ড লাইনকে মেনে নেয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে কাবুল, যাতে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে।

আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে স্পিন বোল্ডাক ও চামন শহরের মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিং ফের চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল পাকিস্তান, তবে ১৩ নভেম্বর আন্তসীমান্ত গোলাগুলিতে পাকিস্তানের এক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হলে সে প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়।

এর কয়েক দিন পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে কাবুল সফর করতে দেখা যায়, যা আফগান তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের অবনতিশীল সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।

দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা

বিতর্কিত আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষ নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তান দখলে নেয়ার পর থেকেই এ ধরনের সংঘর্ষ বেড়েছে।

সম্প্রতি পাকিস্তানকে সীমান্ত সংঘাত বন্ধে উদ্যোগী হতে দেখা যায়। কূটনৈতিকভাবে সংকট নিরসনের আহ্বানও জানিয়েছে ইসলামাবাদ, তবে পশতু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে যে অস্থিরতা বাড়ছে, সেটি ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে না।

আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশের ডান্ড পাটানের কাছে ১৯ নভেম্বর তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানি সীমান্তরক্ষীদের উত্তেজনার পর দেশটির মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী সাজিদ হোসেন তুরি টুইটারে লেখেন, ‘কুররাম সীমান্তে আফগানিস্তান আইন লঙ্ঘন করেছে। সীমান্তে বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু বানানো নিন্দনীয়।’

আফগানিস্তানে তালেবান শাসকরা ইসলামি শাসন কায়েম করেছে। তার পরও আফগানিস্তান-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সমস্যাগুলো কাটছে না।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে ডুরান্ড লাইনকে মেনে নেয়ার বিষয়টি কাবুল প্রত্যাখ্যান করে আসছে, যাতে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে।

পাকিস্তান-তালেবান সম্পর্কে ভাটা

ক্ষমতা দখলের পর স্বস্তিতে নেই আফগান শাসকরা। তারা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, মানবিক সহায়তা, মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা, নারী শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ইসলামিক স্টেট অফ খোরাসান প্রভিন্সের (আইএসকেপি) হুমকি মোকাবিলায় শক্ত চ্যালেঞ্জে পড়েছে।

পাকিস্তানে যারা শরিয়া আইন চালু করতে চান, আফগানিস্তানের তালেবানকে দেখে তারা অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন। ডুরান্ড লাইনের ওপারে আফগান তালেবানের হামলা নিয়ে পাকিস্তানি রাষ্ট্রের উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। পাকিস্তানে এখন ‘জিহাদি বাহিনীর’ সমর্থন হু হু করে বাড়ছে।

যে আদর্শগত সংযোগ আফগানিস্তান তালেবানকে নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে, তা বুমেরাং হয়েছে। পাকিস্তানেই এখন ইসলামপন্থি মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

ইসলামপন্থি ও জিহাদি শক্তিগুলো এখন আর ভারতের বিরোধিতায় ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছে না। তারা এখন ইসলামি শাসন কায়েমের জন্য পাকিস্তান সরকারকে চাপ দিচ্ছে।

পরিবর্তনশীল সম্পর্ক

তালেবানের ভারতবিরোধী নীতিতে লাভবান হচ্ছিল পাকিস্তান, তবে তালেবান এখন আফগানিস্তানের ক্ষমতায়। ভারতবিরোধী হয়ে সরকার চালানো সহজ হবে না, এমনটি ভালোভাবেই বুঝতে পারছে তারা। আফগানিস্তান পুনর্গঠনে ভারতের আর্থিক সহায়তাও চাইতে পারে তালেবান।

কাবুলের তালেবান-নেতৃত্বাধীন শাসনের প্রধান সুবিধাভোগী পাকিস্তান হলেও এটি ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে, রাশিয়া, চীন, কাতারসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোও তালেবানকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে এসেছিল। আফগানিস্তান শাসনে পাকিস্তানের নির্দেশনা যে খুব একটা আমলে নেয়া হচ্ছে না, তালেবান সে ইঙ্গিত এরই মধ্যে দেয়া শুরু করেছে।

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের জনপ্রিয়তা কমছে। এতে ইসলামাবাদের পুতুল হিসেবে নিজেদের দেখা এড়াতে শুরু করছে তালেবান।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এক ক্রিকেট ম্যাচে আফগানিস্তানের পরাজয় দুই জনগোষ্ঠীর শত্রুতাকে প্রকাশ্যে আনে, যার ফলে হতাশ আফগানভক্তরা পাকিস্তানি সমর্থকদের দিকে প্লাস্টিকের চেয়ার ছুড়ে মারার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তপ্ত বিতর্কে জড়ান।

কয়েক দশক ধরে শরণার্থী হিসেবে পাকিস্তানে অনেক আফগান বসবাস করে আসছে। সে বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে পাকিস্তানি সমর্থকরা পুরো আফগান জাতিকে নামাক হারাম (বিশ্বাসঘাতক) বলে অভিহিত করেছিল। জবাবে অনেক আফগান গোটা পাকিস্তানিদের ‘সন্ত্রাসী’ অ্যাখ্যা দেয়।

আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান দুই দেশেই তালেবান আন্দোলনের কিছু শিকড় রয়েছে। মূলত পশতুন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ এখন ইসলামাবাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দারিয়েছে। তালেবান তাদের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে এই পশতুন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আফগানিস্তান ও পাকিস্তান উভয় দেশেই তালেবান আন্দোলনের শিকড় রয়েছে। আর এই শিকড় হলো পশতু জাতিগোষ্ঠী। এই পশতুরা আবার তালেবানবিরোধীদের (ইসলামাবাদ) ব্যাপক দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে তালেবান এখন পশতুদের জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করছে ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় আছে।

উজ্জীবিত পাকিস্তান তালেবান

আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থানে ব্যাপক খুশি পাকিস্তানি তালেবান বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। তারা আফগান তালেবানকে রোল মডেল ঘোষণা করেছে।

শুধু তা-ই নয়, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে নিজেদের ঘাঁটি থেকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে টিটিপি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানও শুরু করেছে।

পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে টিটিপির পাঁচ মাসের যুদ্ধবিরতি শেষ হয় গত ২৮ নভেম্বর। এর ঠিক দুই দিন পর বেলুচিস্তান প্রদেশে পুলিশের ট্রাকে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়, যাতে অন্তত তিনজন নিহত এবং ২০ নিরাপত্তাকর্মীসহ ২৮ জন আহত হন

পাকিস্তান-তালেবান সম্পর্কে ভাটা

হামলার দায় স্বীকার করে টিটিপি। তারা জানায়, আগস্টে আফগানিস্তানে তাদের সিনিয়র কমান্ডার আব্দুল ওয়ালি ওরফে ওমর খালিদ খোরাসানিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

এখন যেহেতু টিটিপির সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি নেই, তাই টিটিপি অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় প্রাণঘাতী হামলা আরও হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

টিটিপির সঙ্গে যুদ্ধবিরতিটি এমন সময়ে শেষ হয়, যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে পরিবর্তন আসছিল। জেনারেল আসিম মুনির আহমেদ সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। টিটিপির সঙ্গে শান্তি আলোচনার বিষয়ে মুনিরের নীতি কী হবে, তা এখন দেখার বিষয়।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী এখন টিটিপির সরাসরি হামলার সম্মুখীন হচ্ছে। এতে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ের বিষয়ে অভিযোগ করতে বাধ্য হচ্ছে পাকিস্তান সরকার।

এমন প্রেক্ষাপটে আফগান ও পাকিস্তানি তালেবানের মধ্যে জোট আগের চেয়ে শক্তিশালী বলে মনে করা হচ্ছে। ডুরান্ড লাইনের ওপারে তাদের একীভূত হওয়ার লক্ষণও প্রবল হচ্ছে।

সীমান্তে পাকিস্তানের বেড়া নির্মাণকে মেনে নেয়নি আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান। তারা এ প্রকল্পকে ‘একতরফা’ ও ‘অবৈধ’ বলে বর্ণনা করে। ডুরান্ডলাইন বরাবর অনেক জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া তালেবান যোদ্ধারা সরিয়ে নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

পাকিস্তানের একটি থিঙ্ক ট্যাংকের মতে, আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে অঞ্চলটিতে সন্ত্রাসী হামলা ৫০ শতাংশ বেড়েছে, যা দ্রুত অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। ধনীদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনপ্রণেতাদেরও তালেবান ব্ল্যাকমেইল করছে। গত কয়েক মাসে করাচিতে টিটিপির চাঁদাবাজি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

যদিও পাকিস্তানের নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসী ছিল যে, আফগান তালেবান টিটিপিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে, তবে আফগান তালেবান পাকিস্তানে তাদের আদর্শিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কাজ করেনি।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, ‘আফগানিস্তান থেকে পরিচালিত আইএস, আল কায়েদা, আইএসআইএল-কে এবং টিটিপির মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো পাকিস্তানকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছে।’

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি সম্প্রতি শেহবাজের কথায় সুর মিলিয়েছেন

ওয়াশিংটনের ভূমিকা

আফগানিস্তান থেকে আমেরিকার সেনা প্রত্যাহারের পর পাকিস্তানের ওপর হোয়াইট হাউসের নির্ভরতা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। পাকিস্তান এখন আফগানিস্তানে তার কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় একাধিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধে পাকিস্তান এখন আর ফ্রন্টলাইন রাষ্ট্র নয়। যদিও ২০২১ সালের আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের অসামঞ্জস্যতা ও অসংগতিগুলো কমিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তান-তালেবান সম্পর্কে ভাটা

ওয়াশিংটন ও কাবুলের মধ্যে সংলাপের সুবিধার্থে পাকিস্তানের ভূমিকার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন আফগানিস্তানে আমেরিকার বিশেষ প্রতিনিধি টমাস ওয়েস্ট।

আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি নিজেদের (আমেরিকার) ‘সামর্থ্যের’ ওপর জোর দেন।

পাকিস্তানি কূটনীতিক-বিশ্লেষকদের ভাষ্য

পাকিস্তানের সামরিক ও বেসামরিক নেতারা এখন দাবি করেছেন, তারা আফগানিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসছে, তবে এটা সত্যি যে ভারতের সামরিক হামলা প্রশ্নে আফগানিস্তানের ওপর পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। এ কারণে আফগানিস্তানে ইসলামাবাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য সম্পর্কে অনেকের সন্দেহ রয়েছে।

তালেবানের ক্ষমতা দখলের এক বছরেরও বেশি সময় পর সাবেক এক পাকিস্তানি কূটনীতিক বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানের উচিত আফগানদের আশ্বস্ত করা। তাদের বোঝাতে হবে, আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।’

পাকিস্তানের এক বিশ্লেষকও তার সরকারকে বলেছেন, আফগানিস্তানের ক্ষমতায় থাকা তালেবান আর অতীতে যে তালেবানকে ইসলামাবাদ মোকাবিলা করেছে, তারা এক নয়।

আরও পড়ুন:
প্রতারক বলেও ইমরানের সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত শেহবাজের
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয় ইংলিশদের
সীমান্তে সংঘর্ষে ৬ পাকিস্তানি, ১ আফগান নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের ৩ কর্মকর্তা
বিশ্বকাপে রেইনবো টি-শার্ট পরে আটক সেই সাংবাদিকের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Modi deeply saddened by Raisis tragic death

রাইসির ‘বিষাদময়’ মৃত্যুতে ‘গভীরভাবে দুঃখিত’ মোদি

রাইসির ‘বিষাদময়’ মৃত্যুতে ‘গভীরভাবে দুঃখিত’ মোদি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০২৩ সালের আগস্টে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলন চলাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলাপ। ছবি: এক্স
এক্সে দেয়া পোস্টে মোদি লিখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়েদ ইব্রাহিম রাইসির বিষাদময় মৃত্যুতে (আমি) গভীরভাবে দুঃখিত ও মর্মাহত। ভারত-ইরান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মজবুত করতে তার অবদান সবসময় স্মরণ করা হবে।’

ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে রোববার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সোমবার এক পোস্টে মোদি তার এ অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে প্রেস টিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের ভারজাকান ও জোলফা শহরের মধ্যবর্তী দিজমার বনে বিধ্বস্ত হয় ইরানের প্রেসিডেন্ট ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি। এতে থাকা আরোহীদের সবাইকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

এক্সে দেয়া পোস্টে মোদি লিখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সাইয়েদ ইব্রাহিম রাইসির বিষাদময় মৃত্যুতে (আমি) গভীরভাবে দুঃখিত ও মর্মাহত। ভারত-ইরান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মজবুত করতে তার অবদান সবসময় স্মরণ করা হবে।

‘তার (রাইসি) পরিবার ও ইরানের জনগণের প্রতি আমার হৃদয় নিংড়ানো সমবেদনা। শোকের এ সময়ে ইরানের পাশে আছে ভারত।’

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারির জবাব ভারতের
ভারতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
লোকসভা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে ভোট দিলেন মোদি
নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে ইরান-রাশিয়া সমঝোতা
ফের ‘ভুল’ না করতে ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ইরানের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
9 people died in a moving bus fire in India

ভারতে চলন্ত বাসে আগুনে ৯ জনের মৃত্যু

ভারতে চলন্ত বাসে আগুনে ৯ জনের মৃত্যু বাসটিতে মহিলা ও শিশুসহ ৬০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। ছবি: এনডিটিভি
বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০ দিনের জন্য তীর্থযাত্রা করতে বাস ভাড়া করেছিলাম। শুক্রবার রাতে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে ঘুমানোর সময় ধোঁয়ার গন্ধ পেয়েছি। মোটরসাইকেল আরোহী চালককে সতর্ক করার পরে বাসটি থামানো হয়।’

ভারতে হরিয়ানা রাজ্যে একটি যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন লেগে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের মথুরা ও বৃন্দাবনে তীর্থস্থান থেকে ফেরার সময় রাজ্যের নুহ জেলায় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এতে আহত হয়েছেন অনেকে।

বাসটিতে মহিলা ও শিশুসহ একটি পরিবারের ৬০ জনেরও বেশি লোক ছিল, যাদের সবাই পাঞ্জাবের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে বাসের পেছনে ধোঁয়ার গন্ধ পান তারা। একজন মোটরসাইকেল আরোহী বাসের পেছনে আগুন দেখতে পেয়ে সেটি অনুসরণ করেন। পরে তিনি বাসে উঠে বাস থামানোর জন্য চালককে সতর্ক করেন।

বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০ দিনের জন্য তীর্থযাত্রা করতে বাস ভাড়া করেছিলাম। শুক্রবার রাতে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে ঘুমানোর সময় ধোঁয়ার গন্ধ পেয়েছি। মোটরসাইকেল আরোহী চালককে সতর্ক করার পরে বাসটি থামানো হয়।’

ইন্সপেক্টর জিতেন্দ্র কুমার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, দুর্ঘটনায় ছয় নারী ও তিন পুরুষসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

স্থানীয় একজনের ভাষ্য, ‘আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার আগেই আমরা বাসের পেছনে দৌড়ে গিয়ে জানালা ভেঙে যতটা সম্ভব লোকদের বের করে আনতে পারি। পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আসতে অনেক সময় নেয়।’

আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারির জবাব ভারতের
ভারতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
মুম্বাইয়ে বিলবোর্ড পড়ে নিহত ১৪, আহত অন্তত ৭০
লোকসভা নির্বাচন: চতুর্থ ধাপে ভোট দিচ্ছেন ভারতীয়রা
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ঢাকায়

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Teesta is changing course

গতিপথ বদলাচ্ছে তিস্তা

গতিপথ বদলাচ্ছে তিস্তা গতিপথ বদলাচ্ছে তিস্তা নদী। ফাইল ছবি
গত অক্টোবরের সিকিমের হ্রদ বিপর্যয়ের পরে সমতলে তিস্তা কিছু জায়গায় নতুন পথ দিয়ে বইছে। তাই সেই সব এলাকাতেও বন্যা নিয়ন্ত্রণের কতটা কাজ করতে হবে তা নিয়ে আশঙ্কায় সেচ অধিদপ্তর।

ভারতে তিস্তা নদীর গতিপথ ক্রমেই বদলাচ্ছে। তাল মেলাতে এখন তাই হিমশিম পরিস্থিতি সেচ ও জলপথ অধিদপ্তরের।

বাংলাদেশ-ভারতের আন্তঃসীমান্ত এই নদীটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

গত অক্টোবর মাসে সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরে তিস্তা নদী একাধিক জায়গায় গতিপথ বদলেছে। তাই নদীতে জল বাড়লে কোথায় কী ঘটে যাবে তা ভেবে বর্ষার মৌসুমের আগে আশঙ্কা করছে সেচ অধিদপ্তর।

প্রতি বছরই বর্ষার আগে বন্যা মোকাবিলার কাজ শুরু হয়। কোন নদীবাঁধ দুর্বল, কোথায় নদীপার থেকে মাটি খসে পড়েছে, অনেকটা সে সব দেখে মেরামত করা হয়।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, গত অক্টোবরের সিকিমের হ্রদ বিপর্যয়ের পরে সমতলে তিস্তা কিছু জায়গায় নতুন পথ দিয়ে বইছে। তাই সেই সব এলাকাতেও বন্যা নিয়ন্ত্রণের কতটা কাজ করতে হবে তা নিয়ে আশঙ্কায় সেচ অধিদপ্তর।

সম্প্রতি আরআরআই তথা রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষে তিস্তার গতিপথ বদলানোর সমীক্ষা হয়েছে। সেই সমীক্ষা রিপোর্ট হাতে পেলে সেচ অধিদপ্তর বন্যা মোকাবিলার কাজ শুরু করতে পারবে।

সেচ দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা এখন সেই রিপোর্টের আপেক্ষায়। রিপোর্টেই নদী নিজস্ব গতিতে কোথায় স্বাভাবিকভাবে সরে গিয়েছে, কোথায় ফিরে আসার আশঙ্কা সে সব বোঝা যাবে। সেই মতো বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ না হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সেচ দপ্তর ইতোমধ্যেই প্রায় ২৮ কোটি রুপির প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। এ কাজের অধিকাংশই বদলে যাওয়া গতির তিস্তা নিয়ে।

সেচ অধিদপ্তরের দাবি, আগে যে এলাকাগুলো নিয়ে সেচ দপ্তরকে বেশি মাথা ঘামাতে হত না সেখানে এ বছর নতুন করে বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে হচ্ছে। যেমন প্রেমগঞ্জে, সেখানে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। দক্ষিণ চেংমারিতেও বন্যা রোখার কাজ চলছে। ময়নাগুড়ির বাকালির এক পাশে নতুন করে তিস্তা বইছে, সেখানেই বর্ষার আগে মেরামতির কাজ করতে হচ্ছে। লালটং বনবস্তি এলাকায় নতুন স্পার তৈরি করতে হবে বর্ষার তিস্তাকে বাঁধতে। এই এলাকাগুলিতে তিস্তা নতুন করে বইছে, সে কারণে বর্ষার সময়ে এ বছর নতুন এলাকায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

বিপর্যয়ের পর তিস্তা কোথাও ডান দিকে, কোথাও বাঁ দিক ঘেঁষে বইছে। পুরনো গতিপথ পাল্টে ফেলাতেই নতুন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা হয়েছে বর্ষার সময়ে। সমতলে নেমেছে তিস্তা। সেখান থেকেই গতিপথ বদলেছে।

এদিকে এর আগে উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমেও তিস্তার বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। উপগ্রহের মাধ্যমে সেই ছবি ধরা পড়েছে। আর সেই ছবিতে দেখা গিয়েছিল একাধিক জায়গায় তিস্তার গতিপথ বদলে গিয়েছে।

উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার জীবন জীবিকা এই তিস্তার ওপর নির্ভরশীল। জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা রয়েছে তিস্তা নদীর ধারে।

সেচ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, সমীক্ষার কিছু প্রাথমিক তথ্য আমরা পেয়েছি, সে মতো কাজও শুরু হয়েছে। তিস্তা কিছু জায়গায় নতুন পথে বইছে, তাই নতুন এলাকা বন্যায় প্লাবিত হবে এই আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Sachin Tendulkars security guard committed suicide with a pistol

শচীন টেন্ডুলকারের নিরাপত্তারক্ষীর ‘আত্মহত্যা’

শচীন টেন্ডুলকারের নিরাপত্তারক্ষীর ‘আত্মহত্যা’ প্রতীকী ছবি
প্রতিবেদন বলছে, ছুটিতে তিনি নিজের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে হঠাতই নিজের সার্ভিস রিভলবার গলায় ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে দেন। তার বাবা-মা, স্ত্রী, দুই নাবালক সন্তান, ভাই এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য রয়েছেন।

কিংবদন্তি ভারতীয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের এক নিরাপত্তারক্ষীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মহারাষ্ট্রের জামনের শহরে নিজ বাড়িতে গুলি করে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাতে জানিয়েছে।

মহারাষ্ট্রের রাজ্য রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (এসআরপিএফ) ওই সদস্যের নাম প্রকাশ কাপড়ে। ভিভিআইপিদের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপত্তারক্ষী দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

প্রতিবেদন বলছে, ছুটিতে তিনি নিজের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে হঠাতই নিজের সার্ভিস রিভলবার গলায় ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে দেন। তার বাবা-মা, স্ত্রী, দুই নাবালক সন্তান, ভাই এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য রয়েছেন।

জামনের থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর কিরণ শিন্ডে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। ঠিক কী কারণে প্রকাশ আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। তদন্ত শুরু হয়েছে।

সংবাদ সংস্থাকে শিন্ডে বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তের পর আমরা জানতে পেরেছি ব্যক্তিগত কারণেই উনি এই কাজ করেছেন। আপাতত তদন্ত চলবে। সম্পূর্ণ তথ্য হাতে আসার পরই আমরা বাকিটা বলতে পারব।

প্রকাশের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ধারায় মামলা করেছে পুলিশ। আপাতত পুলিশ প্রকাশের পরিবারের সদস্য, সহকর্মী এবং অন্যান্য পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indias response to US sanctions warning
চাবাহার বন্দর পরিচালনা চুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারির জবাব ভারতের

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারির জবাব ভারতের ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: পিটিআই
যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার এক দিন পর বুধবার জয়শঙ্কর বলেছেন, বন্দরকেন্দ্রিক প্রকল্পটি পুরো অঞ্চলকে উপকৃত করবে এবং এ নিয়ে লোকজনের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত নয়।

ইরানের চাবাহার সমুদ্র বন্দর পরিচালনা নিয়ে দেশটির সঙ্গে ভারতের ১০ বছর মেয়াদি চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, তার জবাব দিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার এক দিন পর বুধবার জয়শঙ্কর বলেছেন, বন্দরকেন্দ্রিক প্রকল্পটি পুরো অঞ্চলকে উপকৃত করবে এবং এ নিয়ে লোকজনের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে চাবাহার বন্দরের বৃহত্তর প্রাসঙ্গিকতার তারিফ করেছে খোদ যুক্তরাষ্ট্র।

নিজের লেখা ‘ওয়াই ভারত ম্যাটার্স’ বইয়ের বাংলা সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জয়শঙ্কর।

চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মন্তব্যের কিছু অংশ দেখেছি, তবে আমি মনে করি এটি যোগাযোগ, বোঝানো ও লোকজনের বোঝার বিষয় যে, এটি (চুক্তি) মূলত সবার কল্যাণের জন্য করা হয়েছে। এ নিয়ে লোকজনের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত বলে মনে করি না।’

এর আগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তির বিষয়ে ভাবা যে কারও নিষেধাজ্ঞার সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।

আরও পড়ুন:
বাইডেনের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে রাফায় ইসরায়েলের হামলা
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ঢাকায়
এমআইটি’র ক্যাম্প পুনরুদ্ধার করেছে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা
লোকসভা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে ভোট দিলেন মোদি
যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ থেকে ২২০০ শিক্ষার্থী আটক

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
3 killed in clashes during protests in Kashmir

কাশ্মীরে বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষে নিহত ৩

কাশ্মীরে বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষে নিহত ৩
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ করার সময় সোমবার তারা নিহত হন।

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিক্ষোভকারীদের সাথে আধা-সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে।

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ করার সময় সোমবার তারা নিহত হন।

সরকারি এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ কথা জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার থেকে হাজার হাজার মানুষ সেখানে বিক্ষোভ করে আসছে। এ অঞ্চলের জন্য আর্থিক সহায়তার সরকারের বিভিন্ন প্রস্তাব সত্ত্বেও সোমবার ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিক্ষোভ-সমাবেশে অংশ নেয়।

সরকার বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ওই এলাকায় রেঞ্জার্স নামে পরিচিত আধা-সামরিক বাহিনী পাঠায় এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সেখানে ইন্টারনেট সেবা একেবারে বন্ধ করে দেয়া হয়।

কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদের জেলা প্রশাসক নাদিম জানজুয়া বলেন, সেখানে সংঘর্ষে তিনজন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এরআগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগরীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের এক চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই ব্যক্তি মারা যাওয়ার খবর জানিয়েছিলেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
14 dead 70 injured as billboard falls in Mumbai in dust storm

মুম্বাইয়ে বিলবোর্ড পড়ে নিহত ১৪, আহত অন্তত ৭০

মুম্বাইয়ে বিলবোর্ড পড়ে নিহত ১৪, আহত অন্তত ৭০ মুম্বাইয়ে সোমবার সন্ধ্যায় প্রচণ্ড ঝড়ের সময় একটি বিশাল আকারের বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে। ছবি: দ্য হিন্দু
একজন প্রত্যক্ষদর্শী স্বপ্নিল খুপ্তে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘আমি সেখানে ছিলাম যখন বিলবোর্ডটি পড়ে গিয়েছিল। সব গাড়ি, বাইক এবং লোকজন আটকে গিয়েছিল। আমরা লোকদের বের হতে সাহায্য করেছিলাম এবং কোনোভাবে পালাতে সক্ষম হয়েছিলাম।’

ভারতের মুম্বাইয়ে প্রচণ্ড ধূলিঝড়ের সময় একটি বিশাল আকারের বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে ১৪ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৭০ জনের বেশি।

মুম্বাইয়ের ঘাটকোপার এলাকায় একটি জ্বালানি স্টেশনের বিপরীতে অবস্থিত ১০০ ফুটের বিলবোর্ডটি সোমবার সন্ধ্যায় ঝড়ের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়ে ভেঙে পড়ে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রত্যক্ষদর্শী স্বপ্নিল খুপ্তে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘আমি সেখানে ছিলাম যখন বিলবোর্ডটি পড়ে গিয়েছিল। সব গাড়ি, বাইক এবং লোকজন আটকে গিয়েছিল। আমরা লোকদের বের হতে সাহায্য করেছিলাম এবং কোনোভাবে পালাতে সক্ষম হয়েছিলাম।’

এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় বিলবোর্ডের ধাতব ফ্রেম জ্বালানি স্টেশনে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়ির ছাদকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দুর্ঘটনার পর থেকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ)।

পুলিশ জানিয়েছে, এনডিআরএফের দলগুলো ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকে থাকা জীবিতদের সন্ধান করছে।

বিলবোর্ডটি ইগো মিডিয়া একটি প্লটে স্থাপন করেছিল যা মহারাষ্ট্র সরকারের পুলিশ হাউজিং বিভাগ পুলিশ কল্যাণ কর্পোরেশনকে লিজ দিয়েছে। প্রাঙ্গণে ইগো মিডিয়ার চারটি হোর্ডিং (বিলবোর্ড) রয়েছে, যার একটি সোমবার সন্ধ্যায় ভেঙে পড়ে।

মুম্বাই পুলিশ ইগো মিডিয়ার মালিক এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

মুম্বাইয়ে গত সোমবার সন্ধ্যায় আকস্মিক এবং শক্তিশালী ধূলিঝড় হয়। এ ঝড় মহানগরকে অন্ধকারে ঢেকে ফেলে।

আরও পড়ুন:
লোকসভা নির্বাচন: চতুর্থ ধাপে ভোট দিচ্ছেন ভারতীয়রা

মন্তব্য

p
উপরে