× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
How Africa is the second home of IS
google_news print-icon

আফ্রিকা যেভাবে আইএসের সেকেন্ড হোম

আফ্রিকা-যেভাবে-আইএসের-সেকেন্ড-হোম
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ সাভানা অঞ্চল থেকে উত্তরে সাহারা এবং সোমালিয়াকে আলাদা করেছে বিস্তীর্ণ শুষ্ক ভূমি সাহেল। এখানে মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারের সীমানা মিলেছে। ত্রি-সীমান্ত এই অঞ্চলটিই এখন জঙ্গিদের হটস্পট। স্থানীয় লোকজন এখানে জঙ্গি হামলার শিকার হয়; তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণ।

সাউথ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের অন্যতম ধনী একটি এলাকায় বড় সমাবেশে সন্ত্রাসীরা হামলার পরিকল্পনা করছে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশ। অপ্রত্যাশিত এই সতর্কবার্তা সাউথ আফ্রিকার সরকারের পাশাপাশি দেশটির জনগণকেও অবাক করেছে। ফলাফল, জোহানেসবার্গের রাস্তায় পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি

সতর্কতাটি ছিল ২৯ অক্টোবর ঘিরে। তবে উত্তেজনায় পানি ঢেলে শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র কিংবা সাউথ আফ্রিকার সরকারও পরে ওই হুমকি নিয়ে আর কথা বলেনি।

তবে বিশেষজ্ঞরা এই সতর্কতাকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না। তারা বলছেন, সমস্ত কর্মকাণ্ড সাউথ আফ্রিকায় একটি অসম্ভাব্য-নীরব অপরাধকে ইশারা করছে...মধ্যপ্রাচ্যের উগ্রবাদী সংগঠন-আইএস।

ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএসএস) প্রধান বিশ্লেষক মার্টিন ইউই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিশ্চিতভাবে হামলার প্রমাণ ছিল। এটি ছিল সুনির্দিষ্ট একটি সতর্কতা। কারণ, কখন এবং কোথায় হামলা হতে যাচ্ছে তা তারা প্রকাশ করেছিল। খুব কম সতর্কতায় এই ধরনের বিবরণ থাকে।’

শুরুতে সাউথ আফ্রিকা কর্তৃপক্ষ হুমকিটিকে অতটা গুরুত্ব দেয়নি। ২৯ অক্টোবর কোনো হামলা না হলেও, এই খবরে গোটা দেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবস্থা নিতে দেরি হয়ে গেছে। যে ভয়টা করা হচ্ছিল সেটাই হয়েছে। সাউথ আফ্রিকায় ইতোমধ্যে তারা ঢুকে পড়েছে। আইএস একটি দ্রুত সম্প্রসারিত নেটওয়ার্ক। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে আফ্রিকাকে তারা তাদের দ্বিতীয় বাড়ি (সেকেন্ড হোম) বানিয়েছে।

আফ্রিকায় আইএসের উপস্থিতি মোজাম্বিকে সবচেয়ে চোখে পড়ে। সেখানে আইএস নেতা আহলু সুন্নাহ ওয়া জামা’আ (এএসডব্লিওজে) দেশটির ৩ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে; প্রায় ১০ লাখ মানুষকে করেছে বাস্তুচ্যুত। বিলিয়ন ডলারের গ্যাস বিনিয়োগের ওপর হুমকিও দিয়েছে৷

তবে প্রতিবেশী সাউথ আফ্রিকায় আইএস সমর্থকদের একটি উদীয়মান নেটওয়ার্ক। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২ শতাংশ মুসলিম

আফ্রিকা যেভাবে আইএসের সেকেন্ড হোম
মোজাম্বিকে আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা করতে বতসোয়ানা থেকে এসেছেন সামরিক কর্মীরা। ছবি: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ জেসমিন ওপারম্যান বলেন, ‘আইএসের হুমকি এখানে বাড়ছে। সাউথ আফ্রিকানরা আসলে বোকা। তারা জোর করে এটা বিশ্বাস করতে চাইছে যে তাদের সঙ্গে কখনোই এমন কিছু ঘটতে পারে না।

‘সাউথ আফ্রিকা সরকার বিষয়টিকে হালকাভাবে নিয়েছে। কয়েক বছর আগে ৬০ থেকে ১০০ সাউথ আফ্রিকান আইএসে যোগ দিতে সিরিয়া এবং ইরাকে চলে গিয়েছিল। তাদের কেউ কেউ ফিরে গেছেন।

‘আমাদের সজাগ হতে হবে, চোখ খুলে হুমকিটা দেখতে হবে।’

মধ্যপ্রাচ্যে ২০১৯ সালে আঞ্চলিক পরাজয়ের স্বাদ নেয় আইএস। তারপর থেকে তারা আফ্রিকায় পুনরায় সংগঠিত হয়েছে। আফ্রিকায় থিতু হতে প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, দুর্বল সীমান্ত ও শাসনের দেশগুলোকে বেছে নেয় আইএস।

ইউই বলেন, ‘আফ্রিকার অন্তত ২০ দেশের আইএসের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত। মধ্যপ্রাচ্যের পর আফ্রিকাকে একটি সক্রিয় হাব বানিয়েছে তারা।’

মধ্যপ্রাচ্যে আইএস খিলাফত প্রতিষ্ঠার নামে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। তবে সেখানে ব্যাপক মার খেয়েছে সংঠনটি। আফ্রিকায় তাই কৌশল পাল্টেছে আইএস। সরাসরি শাসনে না গিয়ে স্থানীয় বিদ্রোহীদের সহযোগিতা করছে তারা। শুধু তা-ই নয়, ‘চিরশত্রু’ আল-কায়েদার সঙ্গেও আফ্রিকায় আঁতাত করেছে আইএস।

যেসব দেশ আইএস নির্মূলে দৃঢ় অবস্থানে ছিল, সংগঠনটির পুনর্গঠনের পর সেসব দেশও হতবাক হয়েছে। একসময় আইএস এবং আল-কায়েদার মতো সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফায়দা নিত নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। আফ্রিকায় সেই দিনগুলো হয়তো শেষ হয়ে যাবে।

ইউই বলেন, ‘নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ। যখন জঙ্গিরা ইরাক এবং সিরিয়ায় ছিল তখন তাদের তাড়িয়ে দেয়া সহজ ছিল।

‘কিন্তু এখন যখন তারা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আপনি কীভাবে তাদের তাড়িয়ে দেবেন’?

২০১৪ সালের দিকে আফ্রিকা মহাদেশে ঢুকতে শুরু করে আইএস। মধ্যপ্রাচ্য কোণঠাসা হয়ে পড়লে তাদের মূল ফোকাস হয়ে উঠে আফ্রিকা৷ আফ্রিকান শাখাগুলো এখন মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোর চেয়েও শক্তিশালী হতে পারে।

আফ্রিকা যেভাবে আইএসের সেকেন্ড হোম
ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংস করে আইএস । ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

আইএসের পাশাপাশি আফ্রিকায় অনেকগুলো সন্ত্রাসী সংগঠন সক্রিয়। তাদের কর্মকাণ্ড দিন দিন বাড়ছেই। পেন্টাগনের অর্থায়নে পরিচালিত আফ্রিকা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অনুসারে, গত এক দশকে তাদের হামলার হার ৩০০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। জঙ্গি হামলায় গত বছর ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

দক্ষিণ সাভানা অঞ্চল থেকে উত্তরে সাহারা এবং সোমালিয়াকে আলাদা করেছে বিস্তীর্ণ শুষ্ক ভূমি সাহেল। এখানে মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারের সীমানা মিলেছে। ত্রি-সীমান্ত এই অঞ্চলটিই এখন জঙ্গিদের হটস্পট। স্থানীয়রা এখানে জঙ্গি হামলার শিকার হন; তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণ।

এসব জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে অন্যতম ইসলামিক স্টেট গ্রেটার সাহারা-আইএসজিএস। ২০২২ সালে সাহেলে আনুমানিক ১ হাজার ২০০ বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় সংগঠনটি অভিযুক্ত।

লেক চাদ অঞ্চলে উগ্রবাদী সংগঠন ইসলামিক স্টেট পশ্চিম আফ্রিকা প্রদেশের (আইএসডব্লিওএপি) আধিপত্য রয়েছে। জুনে মূল সংগঠন আইএসআইএসকে নাইজেরিয়ায় হামলা চালাতে সহায়তা করেছিল আইএসডব্লিওএপি।

ইউই বলেন, ‘সোমালিয়া, লিবিয়া, মিশর এবং কঙ্গোয় তাদের সক্রিয় নেটওয়ার্ক রয়েছে। তানজানিয়া, নাইজার এবং কেনিয়ার তাদের শাখাগুলোকেও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। আসলে প্রতিটি দেশই বিপদে আছে।’

সাউথ আফ্রিকার স্যান্ডটনে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহান্তে হামলা হলে ভয়াবহ পরিস্থিতি হতো। সেদিন শহরে বার্ষিক কুচকাওয়াজের (প্রাইড মার্চ) আয়োজন ছিল; যেখানে যোগ দিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ। সেখান থেকে মাত্র ৩০ মিনিট দূরে আরেকটি সমাগমস্থল ছিল

আফ্রিকা যেভাবে আইএসের সেকেন্ড হোম
জোহানেসবার্গে ‘প্রাইড মার্চ ২০২২’। ছবি: এলিজাবেথ সেজাকে

জোহানেসবার্গ প্রাইডের প্রতিষ্ঠাতা কায় অ্যালি বলেন, ‘কিছু হলে অনেক মানুষের জীবনে তা প্রভাব ফেলত। তারপরও আমরা সেখানে উপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

‘কোভিডের কারণে গত দুই বছর অনলাইনে আয়োজন হয়েছে। এবারও যদি আয়োজন বাতিল করি তবে তা হতো সন্ত্রাসীদের কাছে নতিস্বীকার করা।

‘পুলিশের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা ছিল। নিরাপত্তাও ১০ গুণ বেশি ছিল। আমাদের কারও মনেই হয়নি যে আমরা বিপদে আছে।’

বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন প্রাইড মার্চ হতে পারে হামলার লক্ষ্য। সেখানে সাধারণত দেড় লাখ মানুষ উপস্থিত হন। নিরাপত্তা সতর্কতা ভাইরাল হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এবং সাউথ আফ্রিকা সরকার অ্যালিকে হুমকির বিষয়টি জানিয়েছিল।

তবে অ্যালি দাবি করেন, তার ইভেন্টে সরাসরি হুমকি ছিল না।

‘যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগে ছিল। কারণ, তাদের কর্মীদের ইভেন্টে থাকার কথা ছিল। তারাও কিছু বলেনি।’

সাউথ আফ্রিকার ডারবান এবং কেপটাউনকে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বলছে, আইএসআইএস নেটওয়ার্কগুলো মোজাম্বিক এবং ডিআর কঙ্গোর শাখাগুলোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে বলে মনে হচ্ছে৷

ইউই বলেন, উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর বেশির ভাগ সদস্য বৈধ ব্যবসায় জড়িত। এ কারণে তাদের আটক বা গ্রেপ্তার করা কঠিন। এখনও সন্দেহভাজনদের আটক বা সতর্কতার প্রতিক্রিয়া জানাতে খুব একটা সক্রিয় না সাউথ আফ্রিকা সরকার।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভাইস ওয়ার্ল্ড নিউজের মন্তব্যের অনুরোধে সরাসরি সাড়া দেয়নি। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস ঘটনার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ‘হোয়াইট হাউস সাউথ আফ্রিকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।

‘যখন আমাদের কাছে একটি সম্ভাব্য হুমকির বিষয়ে তথ্য থাকে, তখন আমরা আমেরিকান কর্মীদের (দূতাবাস কর্মী) তা সরবরাহ করি।’

আইএসের কয়েকজন সদস্যের তালিকা করেছে সাউথ আফ্রিকা। কোয়াজুলু-নাটালে দুই ব্রিটিশ উদ্ভিদবিদকে হত্যার দায়ে এক দম্পতিসহ তিনজনের বিচার চলছে। হত্যার পর দুই ব্রিটিশ নাগরিকের মরদেহ খুনিরা কুমিরের মুখে ফেলে দিয়েছিল। এ ছাড়া বোমা হামলার পরিকল্পনা এবং আইএসে যোগ দেয়ার অভিযোগে দুইজনকে জেলে ঢুকিয়েছে সাউথ আফ্রিকা সরকার।

ওপারম্যান বলেন, ‘অক্টোবরের নাটক সত্ত্বেও সাউথ আফ্রিকা আপাতত আইএস থেকে কিছুটা নিরাপদ। তারপরও হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। সতর্কতা না পেলে কর্তৃপক্ষ হয়তো বিষয়টি ধরতেই পারবে না।’

আরও পড়ুন:
কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলার দায় নিল আইএস
কেলেঙ্কারিতেও গদি ছাড়বেন না সাউথ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট
জঙ্গি ছিনতাইয়ের আসামি ঈদী আমিনের ৩ আশ্রয়দাতা কারাগারে
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে
শীর্ষ নেতা নিহতের খবর জানাল আইএস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
22 killed in school building collapse in Nigeria

নাইজেরিয়ায় স্কুল ভবন ধসে নিহত ২২

নাইজেরিয়ায় স্কুল ভবন ধসে নিহত ২২ স্কুলের কার্যক্রম চলাকালে ভবনটি ধসে পড়ে। ছবি: স্কাই নিউজ
নাইজেরিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এনইএমএ এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, এখনও হাসপাতালে আছেন ৩০ জন।

নাইজেরিয়ার প্লাটো রাজ্যে দুই তলা স্কুলের ভবন ধসে ২২ জন নিহত হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে স্কাই নিউজ।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল ১৫৪ জন মানুষ। তাদের মধ্যে প্রাণ হারানো ২২ জন বাদে বাকি সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের এক মুখপাত্রের বরাতে স্কাই নিউজের খবরে বলা হয়, উদ্ধারকৃতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নাইজেরিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এনইএমএ এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, এখনও হাসপাতালে আছেন ৩০ জন।

সংস্থাটি আরও জানায়, উদ্ধার তৎপরতা শেষ হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়েছে।

প্লাটো রাজ্যের জস উত্তর জেলার বুসা বুজি সম্প্রদায়ের সেন্ট অ্যাকাডেমির নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল দুই তলা স্কুল ভবনটি। স্কুলের কার্যক্রম চলাকালে ভবনটি ধসে পড়ে।

নিরাপত্তা তদারকিতে শৈথিল্য ও মানহীন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে নাইজেরিয়ায় প্রায়ই ভবন ধসে পড়ে।

আরও পড়ুন:
‘মদ্যপ’ চালকের টয়োটা কার্নিভাল, ৭ মৃত্যু  
মুম্বাইয়ে চারতলা ভবনধসে ১৯ জনের মৃত্যু
নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে নিহত ৩১
খ্রিষ্টান হওয়ার কারণেই কি নারীকে আক্রমণ
নাইজেরিয়ায় তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণ, শতাধিক মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
10 killed in fire at Kenyan parliament amid tax hike protests

কেনিয়ায় কর বৃদ্ধির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, নিহত ১০

কেনিয়ায় কর বৃদ্ধির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে পুলিশের গুলি, নিহত ১০ মঙ্গলবার কেনিয়ার রাজধানীতে এই বিক্ষোভ হয়। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই পার্লামেন্ট ভবনে ভাঙচুর শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পার্লামেন্টের ভেতর থেকে আগুনের শিখা দেখা যায়। তারপর গুলি, টিয়ার শেল ও জলকামান ছুড়তে শুরু করে পুলিশ।

কেনিয়ায় কর বৃদ্ধি করে নতুন আইন পাস করায় বিক্ষোভ শুরু করেছে দেশটির নাগরিকরা। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুরের চেষ্টা চালালে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত ও অসংখ্য বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দেশটির রাজধানীতে এই বিক্ষোভ হয়। এসময় পার্লামেন্ট ভবনের একাংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই পার্লামেন্ট ভবনে ভাঙচুর শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পার্লামেন্টের ভেতর থেকে আগুনের শিখা দেখা যায়। তারপর গুলি, টিয়ার শেল ও জলকামান ছুড়তে শুরু করে পুলিশ।

পার্লামেন্টের বাইরে অন্তত ৫ বিক্ষোভকারীর মরদেহ দেখা গেছে বলে রয়টার্সকে জানান এক সাংবাদিক।

তবে এক চিকিৎসাকর্মী বলেছেন, পুলিশের গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আরেক চিকিৎসাকর্মীর বরাতে সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

মূল্যস্ফীতির কারণে কেনিয়ায় দৈনন্দিন ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার ফের কর বৃদ্ধি করায় ক্ষেপে গেছে দেশটির নাগরিকরা। প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ।

নাইরোবি ছাড়া দেশটির অন্যান্য ছোটবড় শহরেও বিক্ষোভ চলছে। বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষও ঘটছে।

মঙ্গলবার কেনিয়ার পার্লামেন্টে কর বৃদ্ধির প্রস্তাব উঠলে সংসদ সদস্যরা তাতে অনুমোদন দেন। বিলে এখন দেশটির প্রেসিডেন্ট সই করলেই তা আইনে পরিণত হবে। তবে প্রেসিডেন্টের কোনো আপত্তি থাকলে তিনি তা ফেরত পাঠাতে পারেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
South African President Cyril Ramaphosa

ফের দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা

ফের দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে পার্লামেন্টে হাস্যোজ্জ্বল প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। ছবি: ব্লুমবার্গ
রয়টার্স জানায়, এএনসি ও তার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী শ্বেতাঙ্গদের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স গতকাল জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠনে সম্মত হয়। এর মধ্য দিয়ে টানা ৩০ বছর এএনসির শাসনের পর পরিবর্তন দেখা গেল দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার গঠন প্রক্রিয়ায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুক্রবার পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি) নেতা সিরিল রামাফোসা।

রয়টার্স জানায়, এএনসি ও তার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী শ্বেতাঙ্গদের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স গতকাল জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠনে সম্মত হয়। এর মধ্য দিয়ে টানা ৩০ বছর এএনসির শাসনের পর পরিবর্তন দেখা গেল দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার গঠন প্রক্রিয়ায়।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুরুতে ভাবা না গেলেও ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের সঙ্গে চুক্তির ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ হলো রামাফোসার। পার্লামেন্টে ২৮৩ ভোটে পুনর্নির্বাচিত হন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রাণপুরুষ নেলসন ম্যান্ডেলার অগ্রণী ভূমিকায় ১৯৯৪ সালের নির্বাচনে এএনসির জয় ও জাতিবিদ্বেষের অবসানের পর দেশটিতে একেবারে বিপরীত অবস্থানে থাকা দুই দলের চুক্তি হলো।

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর রামাফোসা বলেন, ‘মহান এ দেশের জন্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আরও একবার বিশেষ সুবিধার ও আনন্দের হবে।’

পার্লামেন্টে দেয়া ওই বক্তব্যে নতুন সরকারকে ‘আশা ও অন্তর্ভুক্তির যুগ’ হিসেবে আখ্যা দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, সৌম্যকে বিশ্রাম
নিউ ইয়র্কের স্টেডিয়ামে পুলিশের স্নাইপার!
প্রোটিয়া বোলিংয়ে ধসে গেল শ্রীলঙ্কা
টস জিতে ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কা
২০২৭ বিশ্বকাপের ৮ ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Ramaphosa is the president again in the coalition government in South Africa

দক্ষিণ আফ্রিকায় জোট সরকার, ফের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন রামাফোসা

দক্ষিণ আফ্রিকায় জোট সরকার, ফের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন রামাফোসা টানা দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন সিরিল রামাফোসা। ছবি: সংগৃহীত
বর্ণবাদ নিয়ে লড়াইয়ের পর ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষমতায় আসে এএনসি। এরপর থেকেই দেশের শাসনভার নিজেদের হাতে রেখেছে দলটি। তবে মে মাসের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তারা। ফলে সরকার গঠন করতে হলে অন্য দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন ছাড়া বিকল্প ছিল না এএনসির।

ভোটে জিতলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে জটিলতায় পড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান শাসক দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)। তবে জোট সরকার গঠনে তাদের প্রধান বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (ডিএ) এএনসিকে সমর্থন দেয়ার পর সে জটিলতা কেটেছে। এর ফলে পুনরায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে কার্যত আর কোনো বাধা থাকছে না সিরিল রামাফোসার।

বর্ণবাদ নিয়ে লড়াইয়ের পর ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষমতায় আসে এএনসি। এরপর থেকেই দেশের শাসনভার নিজেদের হাতে রেখেছে দলটি। তবে মে মাসের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তারা। ফলে সরকার গঠন করতে হলে অন্য দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন ছাড়া বিকল্প ছিল না এএনসির। এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছিল দলটির শীর্ষ নেতারা।

শুক্রবার নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন হয়। সেখানে ডিএ নেতা জন স্টিনহুইসেন বলেন, প্রধান বিরোধী দল হলেও ডিএ এএনসির সঙ্গে জোট সরকার গঠনে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মত হয়েছে। এছাড়া, রামাফোসাকেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রাখার বিষয়ে তারা একমত।

সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে বিরতির সময় স্টেনহুইসেন বলেন, ‘আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সিরিল রামাফোসাকেই সমর্থন করছি।’

এর ফলে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে আর বাধা থাকছে না ৭১ বছর বয়সী রামাফোসার।

গত ২৯ মে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে এএনসি ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। তাদের প্রধান বিরোধী দল ডিএ পায় মোট ভোটের ২১ শতাংশ।

জোট সরকারে আরও দুটি তুলনামূলক ছোট দল রক্ষণশীল ইনকাথা ফ্রিডম পার্টি এবং ডানপন্থী প্যাট্রিয়টিক অ্যালায়েন্সও অংশ নেবে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mosque fire in Nigeria kills 11

নাইজেরিয়ায় মসজিদে আগুন, নিহত ১১

নাইজেরিয়ায় মসজিদে আগুন, নিহত ১১ নাইজেরিয়ায় মসজিদে আগুনের ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। ছবি: বিবিসি
মরক্কো ওয়ার্ল্ড নিউজ জানিয়েছে, পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হামলা করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে আগুন দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কানো রাজ্যের একটি মসজিদে এক ব্যক্তির হামলায় অন্তত ১১ জন মুসল্লি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অনেকে।

ওই ব্যক্তি মসজিদে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন লাগানোর আগে দরজা বন্ধ করে দেয় বলে বিবিসির বৃহস্পতিবারের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ফজরের নামাজের সময় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় ভেতরে প্রায় ৪০ জন মুসল্লি ছিলেন। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ভেতরে আটকে পড়াদের সাহায্য করতে ছুটে যায়।

এ ঘটনায় শফিউ আবুবকর নামে ৩৮ বছর বয়সী একজনকে সন্দেহভাজন অগ্নিসংযোগকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মরক্কো ওয়ার্ল্ড নিউজ জানিয়েছে, পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হামলা করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে আগুন দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

কানো ফায়ার সার্ভিসের ভাষ্য, অগ্নিকাণ্ড শুরুর সঙ্গে সঙ্গে তাদের ডাকা হয়নি। যদি আগে সতর্ক করা যেত, তবে তারা পরিস্থিতি আরও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পারতেন।

আরও পড়ুন:
গিনেস বুকে নাম তুলতে ৭ দিন ধরে কাঁদলেন যুবক
‘মদ্যপ’ চালকের টয়োটা কার্নিভাল, ৭ মৃত্যু  
নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে নিহত ৩১
খ্রিষ্টান হওয়ার কারণেই কি নারীকে আক্রমণ
নাইজেরিয়ায় তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণ, শতাধিক মৃত্যু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
45 killed in bus ditch in South Africa

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৫

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৫ দক্ষিণ আফ্রিকার লিমপোপো প্রদেশে বৃহস্পতিবার বাস দুর্ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স
জোহানেসবার্গ থেকে ৩০০ কিলোমিটার উত্তরে মামাতলাকালা এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে সেতুর ব্যারিয়ারে ধাক্কা খায় বাসটি। পরে ১৬৪ ফুট নিচের খাদে পড়া যানটিতে আগুন ধরে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় সেতু থেকে খাদে পড়া একটি বাসের ৪৬ যাত্রীর মধ্যে ৪৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবহন বিভাগ।

আল জাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবারের ওই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র যাত্রী আট বছর বয়সী এক মেয়ে, যাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, জোহানেসবার্গ থেকে ৩০০ কিলোমিটার উত্তরে মামাতলাকালা এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে সেতুর ব্যারিয়ারে ধাক্কা খায় বাসটি। পরে ১৬৪ ফুট নিচের খাদে পড়া যানটিতে আগুন ধরে যায়।

পার্শ্ববর্তী দেশ বতসোয়ানা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার লিমপোপো প্রদেশের মরিয়া যাওয়ার পথে বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ইস্টার সানডে উপলক্ষে লিমপোপোতে জনপ্রিয় উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ বছর ৩১ মার্চ দিবসটি উদযাপন করা হবে।

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পূর্ণ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবহনমন্ত্রী সিন্ডিসিওয়ে চিকুঙ্গা।

দুর্ঘটনায় কিছু কিছু যাত্রীর দেহ এমনভাবে পুড়ে গেছে যে, ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া তা শনাক্ত করা যাবে না।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার দপ্তর জানায়, বাস দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বতসোয়ানার প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন:
চলন্ত অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, চালক অঙ্গার
ট্রেন দুর্ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা থাকলে ব্যবস্থা: রেলমন্ত্রী
পুলিশ সদস্যের স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ আরও ৬
ভৈরবে প্রমোদতরি ডুবি: একজনের মৃত্যু, নিখোঁজ আট
শ্যালকের বিয়ে শেষে না ফেরার দেশে দুলাভাই

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
31 dead after bus falls into river in Mali

মালিতে বাস নদীতে পড়ে ৩১ জনের মৃত্যু

মালিতে বাস নদীতে পড়ে ৩১ জনের মৃত্যু মালিতে একটি যাত্রীবাহী বাস সেতু থেকে নদীতে পড়ে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: জিনহুয়া
পশ্চিম আফ্রিকায় বেশির ভাগ গণপরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া ও বেপরোয়াভাবে চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে একটি যাত্রীবাহী বাস সেতু থেকে নদীতে পড়ে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে মালিয়ান শহর কেনিয়েবা থেকে বুরকিনা ফাসো যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাসটিতে মালিসহ পশ্চিম আফ্রিকার অন্য দেশের নাগরিকও ছিলেন।

পশ্চিম আফ্রিকায় বেশির ভাগ গণপরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া ও বেপরোয়াভাবে চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।

২০২৩ সালে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকাতে বিশ্বের যানবাহন সুবিধার মাত্র দুই শতাংশ থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের প্রায় এক চতুর্থাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে মহাদেশটিতে।

আরও পড়ুন:
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
মালিতে স্বর্ণের খনিতে টানেল ধসে নিহত ৭০
মালিতে বন্ধ হলো জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন
দক্ষিণ আফ্রিকায় চাঁদা না পেয়ে বাংলাদেশির প্রাণ নিল সন্ত্রাসীরা

মন্তব্য

p
উপরে