× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
The father and grandfather saved the child from the mouth of the python
hear-news
player
google_news print-icon

শিশুটিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল অজগর

শিশুটিকে-টেনে-নিয়ে-যাচ্ছিল-অজগর-
সৌভাগ্যবশত সেদিন বেনের বাবা ৭৬ বছরের অ্যালান ব্ল্যাক পুলের কাছেই ছিলেন। নাতির এই অবস্থা দেখে দেরি করেননি তিনি। পুলে ঝাঁপ দিয়ে সাপের সঙ্গে পেঁচানো অবস্থায় বিউকে টেনে তুলেন। অজগরটি তখন বিউকে ভালোমতই পেঁচিয়ে রেখেছিল। এরইমধ্যে বিউর বাবাও সেখানে চলে আসেন। বাবা-দাদা মিলে উদ্ধার করেন বিউকে। 

সুইমিংপুলের পানিতে শিশুটিকে পেঁচিয়ে রেখেছিল অজগরটি। সেখান থেকে বাবা ও দাদার সাহায্যে উদ্ধার হয় শিশুটি। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে ভয়াবহ এই ঘটনার সাক্ষী হয় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে।

শিশুটির নাম বিউ ব্লেক। ৫ বছরের ব্লেক তার বাড়ির সুইমিংপুলে সাঁতার কাটছিল। এক সময় পুল থেকে ওঠে সে। তারপর হঠাৎ-ই মস্ত বড় এক অজগর তাকে কামড়ে ধরে। ১০ ফুট লম্বা অজগরটি বিউর ৩ গুণ বড়।

বেন ব্ল্যাক বলেন, ‘বিউ সুইমিংপুলের কাছে দাঁড়িয়েছিল। কাছের একটি ঝোপ থেকে অজগরটি বেরিয়ে আসে। ওকে কামড়ে ধরে।’

সৌভাগ্যবশত সেদিন বেনের বাবা ৭৬ বছরের অ্যালান ব্ল্যাক পুলের কাছেই ছিলেন। নাতির এই অবস্থা দেখে দেরি করেননি তিনি। পুলে ঝাঁপ দিয়ে সাপের সঙ্গে পেঁচানো অবস্থায় বিউকে টেনে তুলেন। অজগরটি তখন বিউকে ভালোমতই পেঁচিয়ে রেখেছিল। এরইমধ্যে বিউর বাবাও সেখানে চলে আসেন। বাবা-দাদা মিলে উদ্ধার করেন বিউকে।

বেন ব্ল্যাক বলেন, ‘বিউ নিজেকে সামলাতে না পেরে পুলের পানিতে পড়ে গিয়েছিল। অজগরের কবল থেকে ওকে মুক্ত করতে ১৫-২০ সেকেন্ড লাগে। সাপটি যেখানে কামড় দিয়েছিল, সেখান থেকে কিছুটা রক্ত ঝরছিল। সেটা মুছে দিয়ে ওকে বলি, ভয়ের কিছু নেই...ওটা বিষাক্ত না।’

বেন জানান, তার ছেলে বীরের মতো লড়াই করেছে।

  • আরও পড়ুন: অজগরের পেট থেকে বেরোল নিখোঁজ নারী

সাপের কবল থেকে মানুষকে উদ্ধার করার ঘটনা আগেও ঘটেছে। কদিন আগে ইন্দোনেশিয়ার জাম্বি প্রদেশে অজগরের পেটে থেকে আস্ত এক নারীর মরদেহ বের করা হয়। জারাহ নামের ওই নারী ছিলেন এক রাবার বাগানের শ্রমিক।

৫০ বছরের জারাহ হঠাৎ-ই একদিন নিখোঁজ হয়ে যান। এর একদিন পর গ্রামবাসীদের চোখে পড়ে বড় পেটের বিশাল এক অজগর। সন্দেহ হয় তাদের। পরে অজগরটিকে মেরে সেটির পেট কেটে বের করা হয় জারাহ-র নিথর দেহ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Snow in Kiev leaves people stranded in winter due to lack of electricity

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ   ২৪ নভেম্বর রাশিয়ান রকেট হামলার পর এক দম্পতি কিয়েভের রাস্তায় হাঁটছে। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়া সম্প্রতিক বিমান হামলাগুলো ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট সৃষ্টি করেছে। বোমায় প্রাণ হারাচ্ছেন বেসামরিক নাগরিকরাও।

শীত শুরু হয়েছে গেছে যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউক্রেনে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে কদিন ধরে চলছে তুষারপাত। রাজধানী কিয়েভে তাপমাত্রা রোববার শূন্যের কাছাকাছি রেকর্ড হয়েছে। রাশিয়ার তীব্র বিমান হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, ভয়াবহ এক মৌসুমের মুখে পড়েছে ইউক্রেনবাসী।

গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনারগো বলেন, ‘ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। মেরামতকর্মীরা ধ্বংসপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলো ঠিক করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।’

বুধবার রাশিয়ার মিসাইল হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো এখনও চালু করতে পারেনি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা। ফলে সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও প্রকোট হয়ে ওঠার আশঙ্কায় আছেন কিয়েভ শাসকরা। এই অবস্থায় ব্ল্যাকআউট দিয়ে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ছাড়া উপায় দেখছে না কর্তৃপক্ষ।

ইউক্রেনারগো বলেন, ‘ঘাটতির কারণে ব্যবহারে বিধিনিষেধ এখনও বহাল রয়েছে। এটা বর্তমানে প্রায় ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।’

মস্কো সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিমান হামলার মাধ্যমে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে; যা ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট সৃষ্টি করেছে। এসব হামলায় প্রাণ ঝরছে বেসামরিক নাগরিকদেরও।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। সে থেকে নানা কৌশলে কিয়েভ শাসকদের কোণঠসা করার চেষ্টায় আছে পুতিন বাহিনী। ৯ মাসের মধ্যে গত বুধবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইউক্রেনের।

হামলার প্রভাবে দেশটির তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেছে; লক্ষাধিক মানুষ আলো, পানি এবং উষ্ণতার সংকটে ভুগছে

কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ
রাশিয়ার বিমান হামলায় কিয়েভের অনেক অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই রাস্তায় এক দম্পতি চুমু খাচ্ছেন 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির রাজনৈতিক দলের প্রধান ডেভিড আরাখামিয়া শংকা করছেন, রাশিয়া আগামী সপ্তাহে নতুন অবকাঠামোতে হামলা চালাবে। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে হতে পারে।

জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের ১৭ অঞ্চলের মধ্যে ১৪টিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে প্রতিটি অঞ্চলে এক লাখের বেশি গ্রাহক বিপদে আছেন। কিয়েভ এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা তারা।

নাগরিকদের বিদ্যুৎ সংরক্ষণের আবেদন পুনর্ব্যক্ত করে শনিবার প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘সন্ধ্যায় যদি বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে তবে তখন বিভ্রাটও বাড়তে পারে। শক্তি সঞ্চয় করা এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে ব্যবহার করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ... এই পরিস্থিতিতে সেই শিক্ষায় আমরা পাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
শিডিউল জটিলতায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর বাতিল: মোমেন
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা
ল্যাভরভের ঢাকা সফরে লাভ-ক্ষতি

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Suicide to protest the imposition of Hindi

হিন্দি চাপিয়ে দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যা

হিন্দি চাপিয়ে দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যা হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে দক্ষিণ ভারতে আত্মহত্যা করেছেন এক বৃদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে মাতৃভাষা সবার জন্য খুব সংবেদনশীল একটি বিষয়। দেশটিতে শত শত ভাষা এবং উপভাষা রয়েছে। আর তাই ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তবে আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিজেদের ভাষাই ব্যবহার করে।

ভারতের স্থানীয় ভাষার পরিবর্তে হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তামিলনাড়ু রাজ্যের এক কৃষক। স্থানীয় পুলিশের বরাতে রোববার এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি।

বৃদ্ধের নাম এম ভি থাংগাভেল। তার বয়স ৮৫ বছর।

আত্মহত্যার আগে কৃষক থাংগাভেলের হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ছিল। সেখানে তামিল ভাষায় তাতে লেখা, ‘মোদি সরকার হিন্দি চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা বন্ধ করো। কেন আমরা আমাদের সমৃদ্ধ তামিল ভাষার পরিবর্তে হিন্দি ভাষা ব্যবহার করব? এতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

সেনথিল নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘কৃষক থাংগাভেল আত্মহত্যা করেছেন।’

ভারতে মাতৃভাষা খুব সংবেদনশীল বিষয়। প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে রয়েছে শত শত ভাষা-উপভাষা। এ কারণে ভারতের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। যদিও আঞ্চলিক সরকারগুলো তাদের নিজেদের ভাষাই ব্যবহার করে।

২০১১ সালের এক আদমশুমারি অনুযায়ী, ভারতের ৪৪ শতাংশ মানুষ হিন্দিতে কথা বলে। গত মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে একদল আইনপ্রণেতা হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার সুপারিশ করেন। এমনকি মেডিসিন ও প্রকৌশলের মতো কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমও হিন্দিতে করার আহ্বান জানান তারা।

সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির ব্যবহারকে ‘দাসত্বের মানসিকতা’ বলে সমালোচনা করে থাকেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর বদলে ভারতীয় ভাষার ব্যবহারে জোর দিয়ে থাকেন তিনি।

তবে বিরোধীদের অভিযযোগ, মোদির সরকার হিন্দি চাপিয়ে দিয়ে ভারতকে বিশেষত দক্ষিণাঞ্চলকে খেপিয়ে তুলছে। দক্ষিণের মানুষেরা প্রধানত দ্রাবিড় জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় কথা বলে। ইন্দো-ইউরোপীয় জাতিগোষ্ঠীর ভাষাগুলোর চেয়ে সে ভাষা একেবারে আলাদা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Khomeinis niece calls on the world to sever ties with Tehran
ইরান বিক্ষোভ

খামেনির বিরুদ্ধে এবার তার ভাগনি সোচ্চার

খামেনির বিরুদ্ধে এবার তার ভাগনি সোচ্চার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ভাগনি ফরিদা মোরাদখানি। ছবি: সংগৃহীত
ফরিদা বলেন, ‘হে স্বাধীন মানুষেরা, আমাদের সঙ্গে থাকুন এবং আপনার সরকারকে বলুন এই খুনি ও শিশু-হত্যাকারী শাসনকে সমর্থন দেয়া বন্ধ করতে। এই শাসনব্যবস্থা কোনো ধর্মীয় নীতির প্রতি অনুগত নয়। তারা বলপ্রয়োগ ও ক্ষমতায় টিকে থাকা ছাড়া কোনো কিছু জানে না।’

নারীর পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে ইরানে চলা বিক্ষোভে অংশ নেয়াদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাবাহিনীর ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ভাগনি ফরিদা মোরাদখানি। তিনি বলেছেন, পুলিশের এমন আচরণের জবাবে তেহরানের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত।

এক ভিডিও বার্তায় ফরিদা বলেন, ‘হে স্বাধীন মানুষে, আমাদের সঙ্গে থাকুন এবং আপনার সরকারকে বলুন এই খুনি ও শিশু-হত্যাকারী শাসনকে সমর্থন দেয়া বন্ধ করতে। এই শাসনব্যবস্থা কোনো ধর্মীয় নীতির প্রতি অনুগত নয়। তারা বলপ্রয়োগ ও ক্ষমতায় টিকে থাকা ছাড়া কোনো কিছু জানে না।

‘এখন সময় এসেছে সব স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ ইরান থেকে তাদের প্রতিনিধিদের প্রতীকী প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ফিরিয়ে নেয়ার। পাশাপাশি এই নৃশংস শাসকদের প্রতিনিধিদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেয়া।’

ফরিদা মোরাদখানি পেশায় প্রকৌশলী। তারা বাবা ছিলেন ইরানের সরকারবিরোধীদের একজন। যদিও তিনি খামেনির বোনকে বিয়ে করছিলেন।

মানবাধিকারবিষয়ক বার্তা সংস্থা এইচআরএনএ জানায়, ২৩ নভেম্বর ফরিদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তার ভিডিও বার্তাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে খামেনির অফিস থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

ভিডিওটি শুক্রবার ইউটিউবে শেয়ার করেন ফরিদার ভাই ফ্রান্সের বাসিন্দা মাহমুদ মোরাদখানি। যিনি নিজেকে তার টুইটার অ্যাকাউন্টে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরোধী এবং বিশিষ্ট ইরানি অধিকারকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন।

২৩ নভেম্বর মাহমুদ মোরাদখানি জানান, তার বোনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বছরের শুরুতেও ফরিদাকে গ্রেপ্তার করেছিল ইরানের গোয়েন্দারা। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এইচআরএনএ জানায়, ফরিদাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে তেহরানের এভিন কারাগারে রাখা হয়েছে।

এইআরএন-এর হিসাবে, ইরানে চলমান বিক্ষোভে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৪৫০ আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৩ শিশু রয়েছে। এ ছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর ৬০ জন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত আটক আছেন ১৮ হাজার ১৭৩ জন।

সঠিকভাবে হিজাব না করার অভিযোগে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যু হয় গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে।

খামেনির বিরুদ্ধে এবার তার ভাগনি সোচ্চার

যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত রাজতন্ত্রকে উৎখাত করার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ইরানে ইসলামি বিপ্লব ঘটে। এ বিপ্লবের চার বছর পর ইরানে হিজাব বাধ্যতামূলক করা হয়।

ফরিদার বাবা আলী মোরাদখানি আরঙ্গেহ একজন শিয়া ধর্মগুরু ছিলেন। খামেনির বোনের সঙ্গে বিয়ে এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণে কয়েক বছর তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিলেন। সম্প্রতি তেহরানে তিনি মারা যান।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Protests against corona rules are increasing in China

চীনে করোনা বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে

চীনে করোনা বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে চীনে করোনাভাইরাসজনিত বিধিনিষেধের প্রতিবাদে সাংহাইয়ে বিক্ষোভে নামে হাজারো মানুষ। ছবি: বিবিসি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশি সাংবাদিকদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, উরুমকিতে মৃত ব্যক্তিদের স্মরণ ও করোনা বিধির বিরুদ্ধে সাংহাই শহরে বিক্ষোভে নামে হাজারো জনতা। তাদের মধ্যে অনেকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল শিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে ভবনের আগুনে ১০ মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে দৃশ্যত বিস্তৃত হচ্ছে করোনাভাইরাসজনিত কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ।

বিবিসির রোববারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদেশি সাংবাদিকদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, উরুমকিতে মৃত ব্যক্তিদের স্মরণ ও কঠোর করোনাবিধির বিরুদ্ধে সাংহাই শহরে বিক্ষোভে নামেন হাজারো জনতা। তাদের মধ্যে অনেকে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

উরুমকিতে আগুনে মৃত্যুর জন্য অনেকে আবাসিক ভবনগুলোতে লকডাউনকে দায়ী করেন, তবে চীন কর্তৃপক্ষ এই কারণ মানতে নারাজ।

আগুনে প্রাণহানির পর উরুমকির কর্মকর্তারা শুক্রবার রাতে দুঃখ প্রকাশ করে দায়িত্বে অবহেলাকারীদের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আগুনে মৃতদের স্মরণে সাংহাইয়ে সমবেত জনতার কয়েকজনকে মোমবাতি প্রজ্বালন করতে দেখা যায়। কেউ কেউ সড়কে ফুল রেখে ভুক্তভোগীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

অনেককে ‘শি চিনপিং, সরে দাঁড়াও’, ‘কমিউনিস্ট পার্টি, বিদায় নাও’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। কাউকে কাউকে কালো ব্যানার নিয়ে দাঁড়াতেও দেখা যায়।

চীনে এ ধরনের প্রতিবাদ অস্বাভাবিক। দেশটিতে সরকার ও প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সরাসরি যেকোনো সমালোচনার পরিণতি হতে পারে কঠোর শাস্তি।

বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ পুলিশকে গালমন্দও করেন। তাদের একজন বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, তার এক বন্ধুকে পিটিয়েছে পুলিশ। দুজনের দিকে পিপার স্প্রে ছোড়া হয়েছে।

কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, লোকজন বিক্ষোভ করছে; পুলিশ তাকিয়ে দেখছে।

বিবিসির প্রতিবেদক দেখেছেন, বিক্ষোভস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
চীনে কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম কংগ্রেস শুরু
মিয়ানমার নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল চীন
চীনা নাগরিকের ৭ বছরের কারাদণ্ড
চীনের প্রবৃদ্ধি অনুসরণ করতে হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
বিচারমন্ত্রীর বিচার বসাল চীন, দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
32 killed by Russian shelling after leaving Kherson Ukraine

খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন

খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর হামলায় নিহত একজনকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
পুলিশপ্রধান ইহোর বলেন, প্রতিদিনের গোলাবর্ষণ শহরটিকে ধ্বংস করে ফেলছে। হত্যা করা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বাসিন্দাদের। খেরসন ছেড়ে যাওয়া রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে।

মস্কোপন্থি বাহিনী প্রত্যাহারের পর ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনে রাশিয়ার সেনাদের গোলাবর্ষণে কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের পুলিশপ্রধান ইহোর ক্লাইমেনকোর ফেসবুক পোস্টের বরাতে স্থানীয় সময় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

প্রায় ৯ মাস ধরে খেরসন দখল করে রেখেছিল রুশ বহিনী। গত ১১ নভেম্বর অবশেষে এই অঞ্চল ছেড়ে দিয়ে ডিনিপ্রো নদীর পূর্বপারে অবস্থান নিয়ে সেখান থেকেই গোলাবর্ষণ করে যাচ্ছে তারা।

পুলিশপ্রধান ইহোর বলেন, প্রতিদিনের গোলাবর্ষণ শহরটিকে ধ্বংস করে ফেলছে। হত্যা করা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বাসিন্দাদের। খেরসন ছেড়ে যাওয়া রুশ বাহিনী হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে।

পুলিশ আবারও এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদে থাকার জন্য অনেক লোক দেশের অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছে। কিন্তু অনেক বাসিন্দা তাদের বাড়িতেই রয়ে গেছে। আমাদের তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য নিরাপত্তা দিতে হবে।

এদিকে শহরে এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ আবার চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এক সিনিয়র সহকারী। আরেক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে জানান, যারা এলাকা ত্যাগ করতে চান তাদের সরিয়ে নেয়া হবে।

রুশ সেনাদের দ্বারা ওই এলাকায় ৫৭৮টি যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তকারীদের তদন্তের বরাতে জানিয়েছেন পুলিশপ্রধান ইহোর। তবে রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ খেরসন শহর থেকে রুশ সেনারা সরে যাওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউক্রেনের সেনারা। এর মধ্য দিয়ে যুদ্ধে দখলে থাকা একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী শহর থেকেও পিছু হটে রাশিয়া। এর আগে সেপ্টেম্বরে খেরসনসহ চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইউক্রেনও। যুদ্ধে প্রতিদিনই আসছে প্রাণহানির খবর।
পশ্চিমাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়াকে এই হামলা বন্ধের অনুরোধ করলেও তাতে সাড়া দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এ ছাড়া কয়েক দফা দুই দেশের বৈঠকেও আসেনি কোনো সমাধান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বে। বেড়েছে জ্বালানি, খাদ্যপণ্যসহ নানা পণ্যের দাম। ইউক্রেন থেকে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।

আরও পড়ুন:
মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের
ইউক্রেনে ৬০ লাখ পরিবার বিদ্যুৎহীন: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The husband divorced his wife at the daughters wedding

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইকে স্ত্রীকে তালাক

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইকে স্ত্রীকে তালাক প্রতীকী ছবি
মেয়ের বিয়ের আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। তবে এই বিরোধের জেরে যে মেয়ের বিয়ের দিনই তিনি স্ত্রীকে তালাক দেবেন, এটি ভাবতে পারেননি কেউ।

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে স্ত্রীকে তালাক দিলেন এক ব্যক্তি। আর এই তালাকের ঘোষণাও তিনি দিয়েছেন মাইক্রোফোনে। ঘটনাটি ঘটেছে মিসরের দামিয়েত্তা শহরে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

ইতোমধ্যে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি তার মেয়ে ও জামাতার প্রতি শুভ কামনা জানাচ্ছেন। এরপরই মাইক্রোফোনে তিনি স্ত্রীকে তালাকের ঘোষণা দেন, যা শুনে আঁতকে ওঠেন উপস্থিত মানুষজন। তবে ওই সময় তালাকের কোনো কারণ জানাননি ওই ব্যক্তি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। তবে এই বিরোধের জেরে যে মেয়ের বিয়ের দিনই তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে বসবেন- এমনটা ভাবতে পারেননি কেউ। এই ঘটনার পর তার মেয়ের বিয়ে স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মিসরের সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা সেন্ট্রাল এজেন্সি ফর পাবলিক মোবিলাইজেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকসের (সিএপিএমএএস) তথ্য অনুসারে, দেশটিতে বিয়ের হার বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৫ শতাংশ। আর বিয়েবিচ্ছেদের হার বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
3 criminals are waiting to kill me Imran Khan

আমাকে হত্যার অপেক্ষায় ওই তিনজন: ইমরান

আমাকে হত্যার অপেক্ষায় ওই তিনজন: ইমরান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে ইমরান খান বলেন, ‘দেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে ইমরান শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, তাকে হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্ত তিনজন আবারও তার ওপর হামলার অপেক্ষায় রয়েছে।

শনিবার রাওয়ালপিন্ডিতে এক সমাবেশে ইমরান এমনটি জানান। লং মার্চে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের এটি প্রথম সমাবেশে ভাষণ। পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগাম নির্বাচনের দাবিতে চলতি মাসের শুরুতে পাঞ্জাব প্রদেশের ওয়াজিরাবাদে আয়োজিত ইসলামাবাদ অভিমুখী লং মার্চে ইমরান খানের ওপর বন্দুক হামলা চালানো হয়। তার পায়ে গুলি লাগে। এই হামলার জন্য তিনজনকে দায়ী করেন ইমরান খান। তারা হলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ ও সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ফয়সাল।

রাওয়ালপিন্ডিতে দেয়া ভাষণে ইমরান খান জানান, তিনি মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। হামলার সময় তার মাথার ওপর দিয়ে বুলেট চলে যায় বলেও জানান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান বলেন, ‘যখন আমি পড়ে গেলাম, তখনই বুঝতে পেরেছি আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছেন।’



সমাবেশে ভাষণে দলের কর্মীদের মৃত্যুভয় কাটানোর আহ্বান জানান পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রধান ইমরান খান।

তিনি বলেন, ‘ভয় পুরো জাতিকে দাস বানিয়ে রাখে।’

কারবালায় হযরত ইমাম হাসান (রা.) শহীদ হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে ইমরান বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের প্রতিশোধের ভয়ে সেদিন কুফাবাসী তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।’

পাকিস্তানের কোনো সংসদেই পিটিআইর আর কোনো সদস্য থাকবে না বলেও জানান ইমরান । তিনি বলেন, ‘আমরা এই ব্যবস্থার অংশ হব না। আমরা সবাই এসব দুর্নীতিগ্রস্ত সংসদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

পাকিস্তানের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অতীত থেকে শিক্ষা নেয় না বলেও মন্তব্য করেন ইমরান খান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন বর্তমান সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। তবে জনগণ দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা পিটিআইয়ের সঙ্গে আছে।

আরও পড়ুন: শেখ মুজিবের মতো লড়ছি: ইমরান খান

ইমরান খান বলেন, ‘আমার মনে আছে পূর্ব পাকিস্তানে কী ঘটেছিল…আমরা তাদের সঙ্গে বা পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ন্যায়বিচার করিনি এবং আমরা অতীত থেকেও শিক্ষা নেইনি।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সম্পদের অভাব নয়, বরং শুরু থেকেই আইনের শাসন না থাকার কারণে তার দেশে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

শরিফ ও জারদারি পরিবার জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে নিজেদের স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ইমরান।

ভাষণে করোনা মহামারিতে নিজ দলের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, ‘ওই সময় লকডাউন দেয়ার জন্য বিরোধীরা অনবরত বলে আসছিল। তবে দিনমজুর এবং শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে তা দেয়া হয়নি।’

পাকিস্তানের ক্ষমতাশালীদের আইনের আওতায় আনতে না পারাকে নিজের ব্যর্থতা বলেও জানান পিটিআই প্রধান। তিনি বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের আইনের আওতায় আনতে পারত, তারা তা করেনি। বরং তারা অপরাধীদের সঙ্গে চুক্তি করছে।’

ভাষণে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে ইমরান বলেন, ‘দেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে, ইমরান শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
ইমরানের ওপর হামলার নিন্দা ক্রিকেটারদের
গুলিবিদ্ধ ইমরান, পাকিস্তানজুড়ে প্রবল বিক্ষোভ
রাতেও কেন ইমরান খানের চোখে সানগ্লাস
ইমরানের লং মার্চে লাইভ দিতে গিয়ে নারী সাংবাদিক নিহত
গ্রেপ্তারের ভয় ‘আপাতত কাটল’ ইমরানের

মন্তব্য

p
উপরে