× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Pakistan broke due to political failure Army chief Bajwa
hear-news
player
google_news print-icon

রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া

রাজনৈতিক-ব্যর্থতায়-পাকিস্তান-ভেঙেছে-সেনাপ্রধান-বাজওয়া
বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া তার অবসর গ্রহণের আগে প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবসে ভাষণ দিচ্ছেন। ছবি: ডননিউজটিভি
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হিসেবে জাতির উদ্দেশে নিজের শেষ ভাষণে জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া বলেন, ‘সাবেক পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) ছিল রাজনৈতিক ব্যর্থতা, সামরিক ব্যর্থতা নয়।’

পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া । তিনি বলেছেন, বেশিরভাগ মানুষ এই বিষয়টি এড়িয়ে যান।

১৯৬৫ সালের যুদ্ধে নিহত সেনাদের আত্মত্যাগ স্মরণে বুধবার রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) আয়োজিত প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেনারেল বাজওয়া। সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ‘গৃহযুদ্ধে’ সেনাবাহিনীর অবস্থান নিয়েও কথা বলেন।

জেনারেল বাজওয়া বলেন, ‘আমি কিছু তথ্য সংশোধন করতে চাই। প্রথমত, সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ছিল রাজনৈতিক ব্যর্থতা, সামরিক ব্যর্থতা নয়।

‘যুদ্ধরত সেনার সংখ্যা ৯২ হাজার ছিল না। যুদ্ধ করেছে ৩৪ হাজার সেনা। বাকিরা ছিল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের লোকজন। এই ৩৪ হাজার সেনা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২ লাখ ৫০ হাজার সদস্য এবং মুক্তিবাহিনীর ২ লাখ যোদ্ধার মুখোমুখি হয়েছিল।

‘এই কঠিন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে আমাদের সেনাবাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। ত্যাগ স্বীকার করেছে; যা ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল মানেকশ স্বীকার করেছেন।’

জাতি এখনও এই ত্যাগকে যথেষ্ট সম্মান জানাতে পারেনি দাবি করে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বাজওয়া বলেন, ‘এটা অবিচার। আজকের আয়োজনে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমি এই শহীদদের অভিবাদন জানাই। এটা অব্যাহত থাকবে। তারা আমাদের নায়ক। তাদের নিয়ে জাতির গর্ব করা উচিত।’

ছয় বছর ধরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল বাজওয়া। ২৯ নভেম্বর অবসরে যাবেন তিনি।

২০১৬ সালে তিন বছরের জন্য সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন বাজওয়া। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে তার মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ে।

সেনাপ্রধান হিসেবে জনগণের উদ্দেশে নিজের শেষ ভাষণের একটি বড় অংশে ছিল রাজনৈতিক ইস্যু।

জেনারেল বাজওয়া বলেন, ‘আমি প্রায় অবাক হই। ভারতীয় সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। তারপরও তারা নিজেদের জনগণের কাছে কদাচিৎ সমালোচিত হয়।

‘বিপরীতে, আমাদের সেনাবাহিনী যারা দিন-রাত দেশ সেবায় ব্যস্ত থাকে, তারা প্রায়শই সমালোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এর একটি বড় কারণ গত ৭০ বছর ধরে রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ, যা অসাংবিধানিক।

‘এ কারণেই গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেনাবাহিনী অনেক ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে তারা কোনো রাজনৈতিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি যে আমরা এই বিষয়ে কঠোরভাবে অনড় থাকব।’

অহং পাশ কাটিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সেনাপ্রধান বাজওয়া।

তিনি বলেন, ‘দেশ গুরুতর অর্থনৈতিক হুমকিতে রয়েছে। এই অবস্থা থেকে কোনো রাজনৈতিক দল দেশকে বের করতে পারবে না।

‘আসলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাধ্যতামূলক। সময় এসেছে সব রাজনৈতিক দলের নিজেদের অহংকে দূরে সরিয়ে রাখার। তাদের উচিত অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।’

জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ উল্লেখ করে বাজওয়া আরও বলেন, ‘প্রতিটি দলকে জয়-পরাজয় মেনে নেয়ার শক্তি অর্জন করতে হবে। অসহিষ্ণুতা কিংবা আমি মানি না’... এমন মনোভাব থেকে বের হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
অবশেষে নেয়া হলো ইমরানের মামলা, অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ
হাসপাতাল ছাড়লেন ইমরান
হামলার স্থান থেকে ফের শুরু হবে ইমরানের লং মার্চ
ইমরানের সংবাদ সম্মেলন সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
পাকিস্তানে সেনা হস্তক্ষেপ চাইলেন ইমরান খান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
IS claimed responsibility for the attack on Pakistan Embassy in Kabul

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলার দায় নিল আইএস

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলার দায় নিল আইএস
আইএসের দাবি, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ও তার নিরাপত্তারক্ষীকে লক্ষ্য করে তাদের দুই সদস্য এই হামলা চালিয়েছে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

টেলিগ্রামে পোস্ট করা আইএসের একটি সহযোগী চ্যানেলের বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স

আইএসের দাবি, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ও তার নিরাপত্তারক্ষীকে লক্ষ্য করে তাদের দুই সদস্য এই হামলা চালিয়েছে।

এর আগে শুক্রবার ওই দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা চালানো হয়। মিশনপ্রধান উবাইদুর রহমান নিজামানিকে লক্ষ্য করে হওয়া এ হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ গুরুতর আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে এই হামলার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তানে পাকিস্তানি কূটনৈতিক এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হামলাকারী একজন ছিলেন। একটি ভবনের আড়াল থেকে বেরিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে সে। রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কর্মীরা নিরাপদে আছেন। তার পরও সতর্কতার কারণে আমরা দূতাবাস ভবনের বাইরে যাচ্ছি না।’

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, ‘দূতাবাসে হামলার ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। একটি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।’

আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তালেবানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বালখি বিবৃতিতে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করবে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেবে।’

আরও পড়ুন:
শীর্ষ নেতা নিহতের খবর জানাল আইএস
এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন
ভারতীয় শীর্ষ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনকারী ‘আইএস জঙ্গি ধরেছে’ রাশিয়া

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Case against Paresh Rawal for commenting on Bengali

বাঙালি নিয়ে মন্তব্যে পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা

বাঙালি নিয়ে মন্তব্যে পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা বলিউড অভিনেতা পরেশ রাওয়াল। ছবি: সংগৃহীত
তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন বলিউড অভিনেতা বিজেপি সাংসদ পরেশ রাওয়াল। পরেশ রাওয়াল ক্ষমা প্রার্থনা করলেও শুক্রবার রাতে তার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন সিপিএম নেতা সেলিম।

বিজেপির হয়ে ভারতের রাজনৈতিক প্রচারণায় গিয়ে বাঙালি নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কিত বলিউড অভিনেতা পরেশ রাওয়াল । ওই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম।

শুক্রবার রাতে কলকাতার তালতলা পুলিশ স্টেশনে এ মামলা করা হয়।

অভিযোগপত্রে সেলিম লিখেছেন, 'বাঙালিদের একটি বড় সংখ্যকই রাজ্যের বাইরে বসবাস করেন। পরেশ রাওয়ালের এই মন্তব্যের কারণে রাজ্যের বাইরে বসবাসকারী বাঙালিরা নিশানা ও প্রভাবিত হতে পারেন। ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান, শত্রুতা ছড়ানো, জনসাধারণের মধ্যে হিংসা ছড়ানোর মতো অপরাধে পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হোক।'

বৃহস্পতিবার বিজেপির হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে গুজরাটের ভালসাদের এক সভায় পরেশ রাওয়াল গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, 'গ্যাসের দাম বাড়লে তা আবার কমে যাবে । মূল্য বৃদ্ধি হলে সেটাও লাগামের মধ্যে চলে আসবে। সকলের কর্মসংস্থানও হবে। কিন্তু দিল্লির মতো আপনাদের চারপাশে যদি রোহিঙ্গা আর বাংলাদেশি ঘুরে বেড়ায় তখন কী করবেন ? কম দামের গ্যাসে বাঙালিদের মাছ ভাজা করে খাওয়াবেন?'

পরেশ রাওয়ালের মন্তব্যে তীব্র শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে জুড়ে । তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, 'গ্যাসের দাম বাড়লে তার প্রভাব হিন্দু-মুসলিম সকলের ওপরেই পড়ে । পরেশ রাওয়াল নিজে ও মাই গডের মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন । ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করার প্রতিবাদ করেছেন সিনেমায়। সেই তিনি দুটো ভোট পাওয়ার জন্য গুজরাটে গিয়ে এ ধরনের কথা বলছেন । এই কথাগুলো অত্যন্ত অসম্মানজনক । পরেশের মনে রাখা উচিত, বাংলাতেও তার ছবি মুক্তি পায়। সেখানে তিনি বলছেন, কম দামে গ্যাস নিয়ে বাঙালিদের মাছ রান্না করে খাওয়াবেন? নাম না করে সব বাঙালিকে অনুপ্রবেশকারী বলছেন বিজেপি সাংসদ।'

যদিও তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন বলিউড অভিনেতা বিজেপি সাংসদ পরেশ রাওয়াল। শুক্রবার একটি টুইট বার্তায় তিনি বলেন, 'মাছ কথাটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। গুজরাটের মানুষও মাছ রান্না করে খান। বাঙালি জাতিকে অপমান করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না । বাঙালি বলতে, আমি বেআইনি বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের বোঝাতে চেয়েছি। তবে আমার কথায় কারও ভাবাবেগে আঘাত লাগলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।'

টুইট করে পরেশ রাওয়াল ক্ষমা প্রার্থনা করলেও শুক্রবার রাতে তার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন সিপিএম নেতা সেলিম।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
BSF baton in meeting of two Bengals

দুই বাংলার মিলনমেলায় বিএসএফের লাঠি

দুই বাংলার মিলনমেলায় বিএসএফের লাঠি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ এলাকায় বিএসএফের লাঠিচার্জ। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার গোবিন্দপুরে এক কালীপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই সীমান্তের দুপারের মানুষ কাঁটাতারের বেড়া উপেক্ষা করে জড়ো হন এক অঘোষিত মিলনমেলায় । দুদেশে থাকা প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ নেন স্থানীয় লোকজন। ব্যাপক লোকসমাগম হয় এতে।

বাংলাদেশের সীমান্তঘেঁষা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ এলাকায় শুক্রবার বসে দুই বাংলার মিলনমেলা। এতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার গোবিন্দপুরে এক কালীপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই সীমান্তের দুপারের মানুষ কাঁটাতারের বেড়া উপেক্ষা করে জড়ো হন এক অঘোষিত মিলনমেলায় । দুদেশে থাকা প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ নেন স্থানীয় লোকজন। ব্যাপক লোকসমাগম হয় এতে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএসএফ আচমকা লাঠি দিয়ে কাঁটাতারের কাছে জড়ো হওয়া মানুষদের সরাতে গেলে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কিতে কয়েকজন আহত হন। এসময় এক নাবালককে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়।

হেমতাবাদের মিলনমেলায় অংশ নেয়া বিমল নস্কর বলেন, 'বিএসএফ বারবার লাঠি দিয়ে তাড়া করায়, বহু মানুষ পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন ।' স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল কাজী বলেন, 'বিএসএফ নারী ও শিশুদের পর্যন্ত মারধর করেছে।'

যদিও বিএসএফের মাকড়হাট বিওপির ১৭৫ নম্বর ব্যাটালিয়ন লাঠিচার্জের ঘটনা অস্বীকার করে জানায়, সীমান্ত এলাকায় মিলন মেলার কোন অনুমতি ছিল না। সেখানে জড়ো না হওয়ার জন্য মাইকে ঘোষণাও করা হয়েছিল। কিন্তু নিষেধ না মেনে কয়েক হাজার মানুষ সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে জড়ো হন। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে একসময় পদক্ষেপ নিতে হয়।

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বিএসএফের কাজের সীমানা বৃদ্ধি নিয়ে আগেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। বিএসএফের কাজকর্ম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সুর চড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় থাকা এই রাজনৈতিক দলটি । হেমতাবাদের ঘটনা নিয়ে আবারও বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Anthonys world record with ear hair

কানের চুলে অ্যান্তনির বিশ্বরেকর্ড

কানের চুলে অ্যান্তনির বিশ্বরেকর্ড কানের চুল দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তামিলনাড়ুর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অ্যান্তনি ভিক্টর। ছবি: সংগৃহীত
অ্যান্তনির কানে সবচেয়ে লম্বা যে চুলটি আছে, তার দৈর্ঘ ১৮.১ সেন্টিমিটার বা ৭.১২ ইঞ্চি। এ কারণে তার স্কুলের সহকর্মী ও ছাত্রছাত্রীরা তাকে ‘কানে চুলওয়ালা স্যার’ বলেই ডাকতেন।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে কতরকম কারণেই না মানুষের নাম ওঠে । সর্বোচ্চ উচ্চতা হোক বা দীর্ঘতম চুল, গিনেস বুকে আছে এমন বহু রেকর্ড।

কিন্তু ভারতের তামিলনাড়ুর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অ্যান্তনি ভিক্টর যে বিশ্বরেকর্ড করলেন তা শুনে চমক উঠতে পারেন অনেকেই।

জানা গেছে, বিশ্বের দীর্ঘতম কানের চুল দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন অ্যান্তনি।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অ্যান্তনির কানে ৭ ইঞ্চিরও বেশি দৈর্ঘের লম্বা চুল রয়েছে। মজার কথা হলো, অ্যান্তনি এই রেকর্ড গড়েছেন সেই ২০০৭ সালে। এতদিন পরও তাকে কেউ ছাড়াতে পারেনি।

জানা গেছে, অ্যান্তনির কানে সবচেয়ে লম্বা যে চুলটি আছে তার দৈর্ঘ ১৮.১ সেন্টিমিটার বা ৭.১২ ইঞ্চি। এ কারণে তার স্কুলের সহকর্মী ও ছাত্রছাত্রীরা তাকে ‘কানে চুলওয়ালা স্যার’ বলেই ডাকতেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যান্তনির বিশ্বরেকর্ডের পোস্টে অভিনন্দনের বদলে হাসাহাসিই বেশি করেছে লোক। কেউ লিখেছে, ‘এমন আজব রেকর্ড কে গড়তে চায়!’ কারও বক্তব্য, ‘আমি আর কিছু শেভ করি বা না করি, এই চুল শেভ করবই।’ কেউ আবার ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘এই রেকর্ড ভাঙাই এখন আমার লক্ষ্য।’

তবে কানের চুল নিয়ে অ্যান্তনির আগেও গিনেস বুকে এই ক্যাটাগরিতে নাম তুলেছিলেন এক ভারতীয়। উত্তরপ্রদেশের মুদি ব্যবসায়ী রাধাকান্ত বাজপেয়ীর কানের চুল ছিল ১৩ দশমিক ২ সেন্টিমিটার লম্বা। ২০০৩ সালে গিনেস বুকে এ কারণে তার নাম উঠেছিল।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
US urges China to remain silent during joint exercises

ভারতের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় চীনকে চুপ থাকার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

ভারতের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় চীনকে চুপ থাকার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া। ছবি: সংগৃহীত
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূত এলিজাবেথ জোনস সাংবাদিকদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকে বলেছেন, ‘এ মহড়া নিয়ে চীনের নাক গলানোর দরকার নেই।’

ভারতের উত্তরাখন্ডের সীমান্ত এলাকায় যৌথ সেনা মহড়া চালাচ্ছে দিল্লি-ওয়াশিংটন। এ নিয়ে চীনের আপত্তির সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি বেইজিংকে এ সামরিক মহড়া নিয়ে মাথা না ঘামানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

শুক্রবার ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূত এলিজাবেথ জোনস সাংবাদিকদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকে বলেছেন, ‘এ মহড়া নিয়ে চীনের নাক গলানোর দরকার নেই।’

এ সময় ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যকেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

জোনস বলেন, ‘বিগত ৭ বছরে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য দ্বিগুণ হয়ে ১৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এরপর আলাদাভাবে আর ভারত-যুক্তরাষ্ট্রর মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির কোনও প্রয়োজন নেই।’

উত্তরাখন্ড সীমান্তবর্তী আউলিতে যুদ্ধ অভ্যাস নামে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৮তম যৌথ সামরিক মহড়া চালাচ্ছে ভারত। যে জায়গায় মহড়া হচ্ছে সেটির অবস্থান চীন সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার আপত্তি জানিয়েছে বেইজিং। চীন বলছে, এই মহড়া বেইজিং ও দিল্লির মধ্যে দুটি সীমান্ত চুক্তির মূল নীতির লঙ্ঘন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছেন, ১৯৯৩ এবং ১৯৯৬ সালে চীনের সমঝোতা চুক্তির সঙ্গে এ যৌথ সামরিক মহড়ার সম্পর্ক নেই। উল্টো চীন এ চুক্তিগুলোর লঙ্ঘন করছে কি-না, তা নিয়ে ভাবার জন্য দেশটির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

১৯৯৩ সালে সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং সংলগ্ন এলাকায় শান্তি বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

ভারত-চীনের সীমানা নিয়ে বিরোধ বেশ পুরোনো। ১৯৬২-র যুদ্ধের পর, ভারতের প্রায় ৩৮ হাজার বর্গকিলোমিটার অংশ জুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চলটি দখল করেছে চীন। সবশেষ ২০২০ সালে লাদাখে চীন ও ভারতের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষেরই বেশ কয়েকজন সেনা হতাহত হন।

আরও পড়ুন:
সাত বছর পর ঢাকায় রোহিত-কোহলিরা
বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে
মোদির রাজ্যে শুরু প্রথম দফার ভোট
বৃষ্টির বাধাতেও সিরিজ নিউজিল্যান্ডের
পশ্চিমবঙ্গের নতুন জেলা সুন্দরবন

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Pakistans foreign minister called the defeat of 1971 a military failure

একাত্তরের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

একাত্তরের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (বাঁয়ে); ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় জেনারেল জে এস অরোরার কাছে পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজীর আত্মসমর্পণ; পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, ‘সেই বিপর্যস্ত সময়ে যখন জুলফিকার আলী ভুট্টো দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন গোটা জাতি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিল, সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সব চ্যালেঞ্জ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।’

১৯৭১ সালে গ্লানিকর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ নামের নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হওয়াকে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করার এক সপ্তাহ পর এমন মন্তব্য করেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো।

স্থানীয় সময় বুধবার করাচির নিশতার পার্কে পিপিপির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এই মন্তব্য করেন দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান বিলাওয়াল।

তিনি বলেন, ‘সেই বিপর্যস্ত সময়ে যখন জুলফিকার আলী ভুট্টো দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন গোটা জাতি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিল, সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সব চ্যালেঞ্জ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।’

বিলাওয়াল আরও বলেন, ‘তিনি (জুলফিকার আলী ভুট্টো) পাকিস্তান জাতিকে পুনর্গঠন করেছেন, জনগণের মধ্যে সাহস ফিরিয়ে এনেছিলেন। অবশেষে, আমাদের ৯০ হাজার সেনাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। ‘সামরিক ব্যর্থতার’ কারণে যে ৯০ হাজার সেনা সদস্য যুদ্ধবন্দি হয়েছিলেন তারা পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হতে পেরেছিলেন। আর এসবই সম্ভব হয়েছিল রাজনীতিতে আশা ছড়িয়ে দিয়ে ঐক্য আর অন্তর্ভুক্তির সমন্বয়ে।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা ও দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।

দেশটির অন্যতম সংবাদমাধ্যম ডনের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু।

অবসর নেয়ার ৬ দিন আগে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য তখনকার রাজনৈতিক নেতাদের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। সেই সঙ্গে তিনি সেই বিপর্যয়ে সেনাবাহিনীর ত্যাগ ও অবদানকে হেয় করারও তীব্র সমালোচনা করেন।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে নিহত সেনাদের আত্মত্যাগ স্মরণে গত ২৩ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় জেনারেল বাজওয়া এমন মন্তব্য করেন। সেই সময় সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ‘গৃহযুদ্ধে’ সেনাবাহিনীর অবস্থান নিয়েও কথা বলেন।

জেনারেল বাজওয়া বলেন, ‘আমি কিছু তথ্য সংশোধন করতে চাই। প্রথমত, সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ছিল ইসলামাবাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা, সামরিক ব্যর্থতা নয়।

‘যুদ্ধরত সেনার সংখ্যা ৯২ হাজার ছিল না। যুদ্ধ করেছেন ৩৪ হাজার সেনা। বাকিরা ছিল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের লোকজন। এই ৩৪ হাজার সেনা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২ লাখ ৫০ হাজার সেনা সদস্য এবং মুক্তিবাহিনীর ২ লাখ যোদ্ধার মুখোমুখি হয়েছিল।

‘এই কঠিন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে আমাদের সেনাবাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। ত্যাগ স্বীকার করেছে, যা ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল মানেকশ স্বীকার করেছিলেন।’

জাতি এখনও এই ত্যাগকে যথেষ্ট সম্মান জানাতে পারেনি দাবি করে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বাজওয়া বলেন, ‘এটা অবিচার। আজকের আয়োজনে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমি এই শহীদদের অভিবাদন জানাই। এটা অব্যাহত থাকবে। তারা আমাদের নায়ক। তাদের নিয়ে জাতির গর্ব করা উচিত।’

ছয় বছর ধরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল বাজওয়া। ২৯ নভেম্বর অবসরে যান তিনি।

২০১৬ সালে তিন বছরের জন্য সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন বাজওয়া। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে তার মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ে।

সেনাপ্রধান হিসেবে জনগণের উদ্দেশে নিজের শেষ ভাষণের একটি বড় অংশে ছিল রাজনৈতিক ইস্যু।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় জেনারেল জে এস অরোরার নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী।

আরও পড়ুন:
রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া
রাজাপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস
‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Protests in China from frustration Xi Jinping

হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং

হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং নিজ দেশে তুমুল বিক্ষোভের মুখে আছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
চিনপিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী ও কিশোরদের আন্দোলন।’

চীনে সরকারের ‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে চলছে তুমুল বিক্ষোভ। নিজের শাসনামলে এমন বিক্ষোভ দেখেনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। এ কারণে হয়ত এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

অবশেষে বিক্ষোভ প্রশ্নে মুখ খুলেছেন চিনপিং। বলেছেন, তিন বছর ধরে করোনার বিধিনিষেধের কারণে শিক্ষার্থীরা তাদের নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা বিক্ষোভ করছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায়। এতে বলা হয়, বেইজিংয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছেন চিনপিং।

এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকা ব্যবহারের জন্য চীনের প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন মিশেল। পরে তিনি চীন সরকারের করোনানীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জবাবে চিনপিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী ও কিশোরদের আন্দোলন।’

ইউরোপিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন, বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্টের আচরণে এটা মনে হচ্ছে যে বিধিনিষেধ শিথিলে প্রস্তুত তিনি।

বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট বয়স্কদের টিকা দেয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জানান।

চীনের সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে ৬৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ করোনার তিন ডোজ টিকা নিয়েছেন। আর আশি বছরের বেশি ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ করোনা টিকার বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে চলা আন্দোলন চীনের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ থামাতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

লকডাউনের মধ্যে চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় উরুমকি শহরে কদিন আগে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আগুনে ১০ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর চীনের বিভিন্ন শহরে ‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা এক পর্যায়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেন। চীনের ক্ষমতাসীন দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ চাইনা (সিপিসি) থেকেও তার পদত্যাগ চান বিক্ষোভকারীরা।

চীন সরকার এখন পর্যন্ত বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমগুলোতেও বিক্ষোভের খবর ব্যাপকভাবে ‘সেন্সর’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।

চীনে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরুর পর পশ্চিমানেতা হিসেবে মিশেলই প্রথম দেশটিতে সফর করলেন।

মন্তব্য

p
উপরে