× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Finally the serial rapist was identified
hear-news
player
google_news print-icon

অবশেষে সেই সিরিয়াল রেপিস্ট শনাক্ত

অবশেষে-সেই-সিরিয়াল-রেপিস্ট-শনাক্ত
ভুক্তভোগীদের বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে 'বন্ডি বিস্টের' একটি ডিজিটাল ছবি।
তদন্তকারী দেখতে পায়, সবগুলো ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট ডিএনএ-এর মিল পাওয়া যাচ্ছে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ নিশ্চিত হয় অপরাধী কিথ সিমস; যিনি গত ফেব্রুয়ারিতে ৬৬ বছর বয়সে মারা গেছেন।  

প্রথম ধর্ষণের প্রায় ৪০ বছর পর এক সিরিয়াল রেপিস্টকে শনাক্ত করতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ। তাদের দাবি, তিন দশকের বেশি সময় ধরে সিডনিতে এ অপরাধগুলো করেছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া পুলিশ জানায়, সিরিয়াল এই রেপিস্টের নাম কিথ সিমস। ১৯৮৫ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে ৩১ জন নারী তার শিকার হয়েছিলেন। কখনও বাড়িতে ঢুকে আবার কখনও প্রাতভ্রমণে তার নিপীড়নের শিকার হন নারীরা।

শুরুর দিকে গোয়েন্দারা ধারণা করেছিলেন, এ ঘটনাগুলোয় একাধিক ব্যক্তি জড়িত। তবে আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তি এই রহস্যের সমাধান দেয়। তদন্তকারীরা দেখতে পান, সবগুলো ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট ডিএনএ-এর মিল পাওয়া যাচ্ছে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ নিশ্চিত হয় অপরাধী কিথ সিমস; যিনি গত ফেব্রুয়ারিতে ৬৬ বছর বয়সে মারা গেছেন।

কখনও ‘বন্ডি বিস্ট’ আবার কখনও ‘দ্য ট্র্যাকসুট রেপিস্ট’ নামে পরিচিত ছিলেন ওই ধর্ষক। ক্লোভেলির সমুদ্রতীরবর্তী উপশহরে ১৯৮৫ সালে সিমসের প্রথম শিকার হন এক নারী। ২০০১ সালে দিকে একটি কবরস্থানে কাছে তিনি তার শেষ অপরাধটি করেন।

প্রতিটি ঘটনায় সেই সময়ে আলাদা তদন্ত হয়েছিল। তবে ২০০০ সালের দিকে সবগুলো ঘটনায় এক ব্যক্তির যোগসূত্র খুঁজে পেতে শুরু করে পুলিশ।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১২ জনের ডিএনএ একই ছিল; ১৯টি ঘটনায় নিপীড়নের ধরনের মিল ছিল।

সিমসের নিপীড়নের শিকার সবার বয়স ১৪-৫৫ বছরের মধ্যে। তারা সবাই নিপীড়কের একই বর্ণনা দিয়েছেন৷

‘ধর্ষক ১৬০ থেকে ১৮০ সেন্টিমিটার লম্বা ছিলেন, শ্যামলা বরণ, বাদামী চোখ এবং লম্বা নাক ছিল।

‘তিনি তার মুখ ঢেকে রাখতেন, সাধারণ মানুষের পোশাক পরতেন যেমন- ট্র্যাকসুট, হুডি বা ফুটবল শর্টস। সে হয় তার শিকারদের ছুরি দেখিয়ে হুমকি দিতেন অথবা তাদের বলতেন তার কাছে ছুরি আছে।’

তদন্তকারীদের ২০১৯ সালে এসব ঘটনায় প্রথম আলোর মুখ দেখেন। সে বছর ডাটাবেসে একটি পারিবারিক ডিএনএ-র মিল খুঁজে পায় পুলিশ; যা সন্দেহভাজনের তালিকাকে ৩২৪ জনের মধ্যে নামিয়ে আনে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সিমসের সঙ্গে ভুক্তভোগীদের ডিএনএ-এর হুবুহু মিল পায় পুলিশ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে অবশ্য পরিবার এবং বন্ধুরা সিমসকে অনেক চমৎকার বাবা, দাদা এবং সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

যে গোয়েন্দা সিমসের পরিবারের কাছে খবরটি দিয়েছিলেন তিনি বলেছেন, তাদের এ বিষয়ে কোনো ধারণাই ছিল না।

গোয়েন্দা সার্জেন্ট শেলি জনস ডেইলি টেলিগ্রাফকে বলেন, ‘আমরা তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি। সব শুনে তিনি একেবারে হতবাক হয়েছিলেন।

‘তিনি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে মানুষটাকে তিনি চিনতেন, সেই মানুষটা এমন কাজ করতে পারেন।’

তদন্তকারীরা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অপরাধীকে শনাক্ত করার বিষয়টি জানিয়েছেন। তাদের বলা হয়, মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে আর কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে না।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
The husband divorced his wife at the daughters wedding

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইকে স্ত্রীকে তালাক

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে মাইকে স্ত্রীকে তালাক প্রতীকী ছবি
মেয়ের বিয়ের আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। তবে এই বিরোধের জেরে যে মেয়ের বিয়ের দিনই তিনি স্ত্রীকে তালাক দেবেন এটি ভাবতে পারেননি কেউ।

মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে স্ত্রীকে তালাক দিলেন এক ব্যক্তি। আর এই তালাকের ঘোষণাও তিনি দিয়েছেন মাইক্রোফোনে। ঘটনাটি ঘটেছে মিসরের দামিয়েত্তা শহরে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

ইতোমধ্যে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি তার মেয়ে ও জামাতার প্রতি শুভ কামনা জানাচ্ছেন। এরপরই মাইক্রোফোনে তিনি স্ত্রীকে তালাকের ঘোষণা দেন, যা শুনে আঁতকে ওঠেন উপস্থিত মানুষজন। তবে ওই সময় তালাকের কোনো কারণ জানাননি ওই ব্যক্তি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। তবে এই বিরোধের জেরে যে মেয়ের বিয়ের দিনেই তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে বসবেন এমনটা ভাবতে পারেননি কেউ। এই ঘটনার পর তার মেয়ের বিয়ে স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মিসরের সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা সেন্ট্রাল এজেন্সি ফর পাবলিক মোবিলাইজেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকসের (সিএপিএমএএস) তথ্য অনুসারে, দেশটিতে বিয়ের হার বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। আর বিবাহবিচ্ছেদের হার বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
3 criminals are waiting to kill me Imran Khan

আমাকে হত্যার অপেক্ষায় ওই তিনজন: ইমরান

আমাকে হত্যার অপেক্ষায় ওই তিনজন: ইমরান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে ইমরান খান বলেন, ‘দেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে ইমরান শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, তাকে হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্ত তিনজন আবারও তার ওপর হামলার অপেক্ষায় রয়েছে।

শনিবার রাওয়ালপিন্ডিতে এক সমাবেশে ইমরান এমনটি জানান। লং মার্চে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের এটি প্রথম সমাবেশে ভাষণ। পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগাম নির্বাচনের দাবিতে চলতি মাসের শুরুতে পাঞ্জাব প্রদেশের ওয়াজিরাবাদে আয়োজিত ইসলামাবাদ অভিমুখী লং মার্চে ইমরান খানের ওপর বন্দুক হামলা হয়। তার পায়ে গুলি লাগে। এই হামলার জন্য তিনজনকে দায়ী করেন ইমরান খান। তারা হলেন- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ ও সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ফয়সাল।

রাওয়ালপিন্ডিতে দেয়া ভাষণে ইমরান খান জানান, তিনি মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। হামলার সময় তার মাথার ওপর দিয়ে বুলেট চলে যায় বলেও জানান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান বলেন, ‘যখন আমি পড়ে গেলাম, তখনই বুঝতে পেরেছি আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছেন।’



সমাবেশে ভাষণে দলের কর্মীদের মৃত্যুভয় কাটানোর আহ্বান জানান পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রধান ইমরান খান।

তিনি বলেন, ‘ভয় পুরো জাতিকে দাস বানিয়ে রাখে।’

কারবালায় হযরত ইমাম হাসান (রা.) শহীদ হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে ইমরান বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের প্রতিশোধের ভয়ে সেদিন কুফাবাসী তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।’

পাকিস্তানের কোনো সংসদেই পিটিআইর আর কোনো সদস্য থাকবে না বলেও জানান ইমরান । তিনি বলেন, ‘আমরা এই ব্যবস্থার অংশ হবো না। আমরা সবাই এসব দুর্নীতিগ্রস্ত সংসদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

পাকিস্তানের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অতীত থেকে শিক্ষা নেয় না বলেও মন্তব্য করেন ইমরান খান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন বর্তমান সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। তবে জনগণ দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা পিটিআইয়ের সঙ্গে আছে।

আরও পড়ুন: শেখ মুজিবের মতো লড়ছি: ইমরান খান

ইমরান খান বলেন, ‘আমার মনে আছে পূর্ব পাকিস্তানে কী ঘটেছিল…আমরা তাদের সঙ্গে বা পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ন্যায়বিচার করিনি এবং আমরা অতীত থেকেও শিক্ষা নেইনি।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সম্পদের অভাব নয় বরং শুরু থেকেই আইনের শাসন না থাকার কারণে তার দেশে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

শরিফ ও জারদারি পরিবার জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষা করে নিজেদের স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ইমরান।

ভাষণে করোনা মহামারিতে নিজ দলের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, ‘ওই সময় লকডাউন দেয়ার জন্য বিরোধীরা অনবরত বলে আসছিল। তবে দিনমজুর এবং শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে তা দেয়া হয়নি।’

পাকিস্তানের ক্ষমতাশালীদের আইনের আওতায় আনতে না পারাকে নিজের ব্যর্থতা বলেও জানান পিটিআই প্রধান। তিনি বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের আইনের আওতায় আনতে পারত তারা তা করেনি। বরং তারা অপরাধীদের সঙ্গে চুক্তি করছে।’

ভাষণে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে ইমরান বলেন, ‘দেশের ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে ইমরান শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
ইমরানের ওপর হামলার নিন্দা ক্রিকেটারদের
গুলিবিদ্ধ ইমরান, পাকিস্তানজুড়ে প্রবল বিক্ষোভ
রাতেও কেন ইমরান খানের চোখে সানগ্লাস
ইমরানের লং মার্চে লাইভ দিতে গিয়ে নারী সাংবাদিক নিহত
গ্রেপ্তারের ভয় ‘আপাতত কাটল’ ইমরানের

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
British intelligence claims that Russia has run out of missile stockpile

মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের

মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের রুশ মিসাইল। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার মিসাইল কমে যাওয়ায় তারা এখন পুরোনো ক্রুজ মিসাইল কাজে লাগাচ্ছে।

৯ মাস ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এরই মধ্যে ফুরিয়ে গেছে রাশিয়ার মিসাইলের ভান্ডার। এ কারণে এখন তারা নিজেদের পুরোনো মিসাইল ব্যবহার করছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার এমনটি জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার মিসাইল কমে যাওয়ায় তারা এখন পুরোনো ক্রুজ মিসাইল কাজে লাগাচ্ছে। তবে এর আগে পরমাণু ওয়ারহেড খুলে নেয়া হচ্ছে।

প্রমাণ হিসেবে ভূপাতিত করা একটি এএস-১৫ কেইএনটি ক্রুজ মিসাইলের ধ্বংসাবশেষের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এ মিসাইল ১৯৮০ সালে পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এটিতে থাকা পরমাণু অস্ত্রটির জায়গায় খুব সম্ভবত ব্যালাস্ট যুক্ত করে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। যাতে এটি ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে পারে।

একটি বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, যদিও এই ধরনের মিসাইলের মাধ্যমে ইউক্রেনের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তবে এগুলো দিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ক্রেমলিনের মিসাইল হামলায় ইউক্রেনে ৬০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। আসন্ন শীতে তাপমাত্রা কমতে থাকলে এই বিদ্যুৎ-সংকটের কারণে ইউক্রেনীয়রা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
রুশ দখলমুক্ত খেরসনে ইউক্রেনীয়দের উচ্ছ্বাস
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের কথা স্বীকার পুতিনঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Aftab dated Shraddhas dead body in the fridge

শ্রদ্ধার মরদেহ ফ্রিজে রেখেই ডেটিংয়ে আফতাব

শ্রদ্ধার মরদেহ ফ্রিজে রেখেই ডেটিংয়ে আফতাব শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ড মামলায় অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। ছবি: সংগৃহীত
মরদেহ ৩৫ টুকরা করে ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজে প্রায় তিন সপ্তাহ রাখেন আফতাব। ফ্রিজ থেকে টুকরাগুলো কয়েক দিন ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলেন তিনি।

লিভ ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়াকারকে হত্যার পর একজন নারী চিকিৎসকের সঙ্গে ডেটিং করেন ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। ওই নারী যখন তার বাসায় আসেন, তখনও আফতাবের ফ্রিজেই ছিল শ্রদ্ধার মরদেহের খণ্ডিত অংশ।

দিল্লি পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি

পুলিশ জানায়, শ্রদ্ধার সঙ্গে যে ডেটিং অ্যাপ থেকে পরিচয় হয় সেখান থেকেই ওই চিকিৎসকের সঙ্গে পরিচয় হয় আফতাবের।

মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক আফতাব পুনাওয়ালা তার লিভ ইন পার্টনার ২৬ বছরের শ্রদ্ধা ওয়াকারের সঙ্গে দিল্লির ছাতারপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। চলতি বছরের ১৮ মে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে সেদিন শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আফতাব।

পরে মরদেহ ৩৫ টুকরা করে ৩০০ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজে প্রায় তিন সপ্তাহ রাখেন। ফ্রিজ থেকে টুকরাগুলো কয়েক দিন ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফেলেন তিনি। ৮ নভেম্বর শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়াকার মেয়ের খোঁজে মেহরাউলি পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে ১২ নভেম্বর আফতাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এর আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, শ্রদ্ধার মরদেহের খণ্ডিত অংশ ফ্রিজে রেখেই আফতাব তার অ্যাপার্টমেন্টে আরেক নারীকে এনেছিলেন। তবে তখন ওই নারীর পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

এবার শেষ পর্যন্ত ওই নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, ওই নারী একজন সাইকোলজিস্ট।

শ্রদ্ধার ওয়াকারের মৃত্যু নিয়ে এখনো অনেক ধোঁয়াশা রয়েছে। শুক্রবার দিল্লির রোহিনির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্ট সম্পন্ন করেছে পুলিশ। এতে সে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে কি না তা যাচাই করা যাবে।

আরও পড়ুন: শ্রদ্ধার দেহাংশের সন্ধান দিয়েছি, আদালতে আফতাব

পলিগ্রাফ টেস্টে অভিযুক্তের সঙ্গে ওয়াকারের সম্পর্ক, সম্পর্কের টানাপোড়েন, মরদেহ কোথায় রাখা রয়েছে, কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয় তা জানতে চাওয়া হয়।

একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এনএনআইকে জানিয়েছেন, কয়েকদিন মধ্যে এই পরীক্ষার ফল তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশ এখনো শ্রদ্ধার খুলি ও মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করতে পারেনি। পাশাপাশি তাকে হত্যায় যেসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে তাও এখনো উদ্ধার হয়নি।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indias first 3D planetarium is opening on December 2

ভারতের প্রথম থ্রিডি তারামণ্ডল উন্মুক্ত হচ্ছে ২ ডিসেম্বর

ভারতের প্রথম থ্রিডি তারামণ্ডল উন্মুক্ত হচ্ছে ২ ডিসেম্বর হাওড়া পৌরসভার উদ্যোগে তৈরি দেশটির প্রথম থ্রিডি তারামণ্ডল
প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে হাওড়া শরৎ সদনের কাছে তৈরি এই অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল রিসার্চ সেন্টারটি গত অক্টোবরে উদ্বোধন করেছিলেন কলকাতার মেয়র ও রাজ্যের পৌর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য এটি সেসময় খুলে দেয়া যায়নি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পৌরসভার উদ্যোগে তৈরি দেশটির প্রথম থ্রিডি তারামণ্ডল সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে আগামী ২ ডিসেম্বর।

প্রায় ১৪ কোটি রূপি ব্যয়ে হাওড়া শরৎ সদনের কাছে তৈরি এই অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল রিসার্চ সেন্টারটি গত অক্টোবরে উদ্বোধন করেছিলেন কলকাতার মেয়র ও রাজ্যের পৌর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সেসময় সাধারণের জন্য খুলে দেয়া যায়নি এ তারামণ্ডল।

হাওড়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানায়, এখন দর্শকদের জন্য প্রস্তুত এই থ্রিডি তারামণ্ডল। থ্রিডি অ্যানিমেশন ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত দিকগুলো ঠিক করতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করেছে। কলকাতার বিড়লা তারামণ্ডলের মতো এখানেও প্রদর্শনীর বিভিন্ন সময় থাকছে। বেলা তিনটা, বিকেল চারটা এবং বিকেল পাঁচটা, আপাতত এই তিনটি শো চলবে। প্রবেশ মূল্য ছোটদের জন্য ৭০ রুপি এবং বড়দের জন্য ১২০ রুপি। উন্নত থ্রিডি অ্যানিমেশনের মাধ্যমে মহাকাশের বিভিন্ন বস্তু সম্পর্কে জানা যাবে এখানে।

হাওড়া পৌরসভার প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী বলেন, ‘উদ্বোধন হয়ে গিয়েছিল। প্রযুক্তিগত কিছু কাজ বাকি ছিল। ১০০ টির মতো আসন রয়েছে এখানে। বিরতির সময় নিয়ে প্রত্যেকটি শো হবে ৪৫ মিনিটের। অডিটোরিয়ামের বেশ কিছু কঠোর নিয়ম মানতে হবে দর্শকদের। এটা দেশের প্রথম থ্রিডি প্ল্যানেটোরিয়াম। আশা করি শীতের ছুটিতে প্রচুর মানুষ এখানে আসবেন। আমরা চাই, স্কুল পড়ুয়ারা এখানে আসুক। তাদের ভালো লাগবে।’

হাওড়ার বাসিন্দা অনিল মাঝি বলেন, ‘আমাদের হাওড়ার জন্য এটা গর্বের বিষয়। ছেলেমেয়েকে নিয়ে অবশ্যই প্রথম দিন, প্রথম শো দেখতে যাব।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Mamta is getting deleted again

ফের ডি-লিট পাচ্ছেন মমতা

ফের ডি-লিট পাচ্ছেন মমতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
এই নিয়ে তৃতীয়বার ডি-লিট উপাধি পেতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওড়িশার কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি তাকে এই সম্মান প্রদান করে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি দিচ্ছে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি তার হাতে এই সম্মানিক তুলে দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সদর দপ্তর নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি-লিট সম্মান দিতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিল সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। চিঠি পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সম্মান নেয়ার বিষয়ে সম্মতি জানান ।

এ নিয়ে তৃতীয়বার ডি-লিট উপাধি পেতে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওড়িশার কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি তাকে এই সম্মান প্রদান করে।

২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটি ৭৭০ জন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে সম্মান জানাবে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডি-লিট উপাধি দেয়া হবে। উচ্চশিক্ষায় মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই সম্মান দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

২০১৮ সালে তৎকালীন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর হাত থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া ডি-লিট সম্মান নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীকে ডি-লিট উপাধি দেয়া নিয়ে ব্যাপক জল ঘোলা হয়েছিল। এমনকি হাইকোর্টে মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছিল ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট সম্মান গ্রহণ করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘আমি খুব সাধারণ। আমার জীবন অবহেলা, অসম্মান ও সংগ্রামের। সারা জীবন লড়াই করেছি। এই সম্মান নেয়ার প্রস্তাব নিয়ে আমাকে কম অসম্মান করা হয়নি। আসব কি না, তা নিয়েও ভেবেছিলাম। আপনারা আমার জীবন পূর্ণ করে দিয়েছেন। আজকের দিনটি জীবনের মনিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। এর থেকে বড় সম্মান জীবনে আর কিছু চাই না। আজ আমি ধন্য। এই সম্মান আমার কর্ম প্রেরণা আরও বাড়িয়ে তুলবে। মানুষকে নিয়েই বাঁচব। আমি শুধু মানুষের ভালোবাসার কাঙাল।’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
The pressure has eased as Argentinas president returns to work

চাপ কমেছে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের, ফিরেছেন কাজে

চাপ কমেছে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের, ফিরেছেন কাজে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত
আগের চেয়ে ভালো আছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ। মানসিক ও শারীরিক চাপ না নেয়ার ব্যাপারে তার ওপর যে নির্দেশনা ছিল তা-ও কিছুটা শিথিল হয়েছে। কদিন বিশ্রামের পর কাজে ফিরেছেন তিনি।

কয়েক ঘণ্টা পরই বিশ্বকাপ ফুটবলে মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনার ফুটবল দল। শঙ্কা বুকে নিয়েও জয়ের আশা করছেন সমর্থকরা। মেসিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন এমন দ্বিধা; তখন দেশের জন্য কিছুটা হলেও এলো সুসংবাদ। না, ফুটবল দলের জন্য না। এই সুসংবাদ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য নিয়ে।

আগের চেয়ে ভালো আছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ। মানসিক ও শারীরিক চাপ না নেয়ার ব্যাপারে তার ওপর যে নির্দেশনা ছিল তা-ও কিছুটা শিথিল হয়েছে। কদিন বিশ্রামের পর কাজে ফিরেছেন তিনি।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্সির মুখপাত্র গ্যাব্রিয়েলা সেরুতি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ ভালো আছেন এবং দাপ্তরিক কাজে ফিরেছেন।

১৫ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ। সম্মেলনে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করার পর তিনি সেখানে আর কোনো বৈঠকে যোগ দেননি।

এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা তখন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট চাপ নিতে নিষেধ করেন। একই সঙ্গে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয় তাকে।

প্রেসিডেন্ট আলবার্তোকে এমন এক সময় চাপ নিতে নিষেধ করা হয়, যার দুদিন পরই কাতারে হওয়া বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে তার দেশ পরাজিত হয়। সে সময় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, খেলা নিয়ে মানসিক চাপে থেকে তিনি অসুস্থ হয়েছেন কি না। তবে খেলার সঙ্গে তার অসুস্থ হওয়া নিয়ে কোনো যোগসূত্র মেলেনি।

প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যের দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল ইউনিট এক বিবৃতিতে জানায়, ফার্নান্দেজের এন্ডোস্কোপিক পরীক্ষা করা হয়। তবে শরীরে কোনো ক্ষত পাওয়া যায়নি।

প্রেসিডেন্ট ফার্নান্দেজ গ্যাস্ট্রাইটিসে ভুগছিলেন। এই রোগ সংক্রামক ডায়রিয়া নামেও পরিচিত। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এতে পাকস্থলী এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রদাহ হয়। বমি, পেটে ব্যথা জ্বর, শক্তির অভাব এবং পানিশূন্যতা ঘটতে পারে এই রোগে।

পেনাল্টির গোলে লিওনেল মেসি শুরুটা ভালো করলেও সৌদি আরবের বিপক্ষে মাঠে নেমে শেষ পর্যন্ত শুরুটা ভালো করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ২-১ গোলে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। শনিবার রাত ১টায় মেক্সিকোর বিপক্ষে আবার মাঠে নামছে তারা।

আরও পড়ুন:
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা
মেসিই সেই জাদুকর: ওচোয়া
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের চাপ নেয়া নিষেধ

মন্তব্য

p
উপরে