× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
I will see Imran after appointing army chief Pakistans defense minister
hear-news
player
google_news print-icon

‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’

সেনাপ্রধান-নিয়োগের-পর-ইমরানকে-দেখে-নেব
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (বাঁয়ে) এবং বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে সেনাপ্রধান নিয়োগ হয়ে যাবে। এরপরই উত্তেজনা শেষ হবে, তখন আমরা ইমরান খানকে মোকাবিলা করব।’

পাকিস্তানে নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগের পরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে দেখে নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। আগামী তিন দিনের মধ্যে সেনাপ্রধান নিয়োগের ইঙ্গিত দিয়ে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে সেনাপ্রধান নিয়োগ হয়ে যাবে। এরপরই উত্তেজনা শেষ হবে, তখন আমরা ইমরান খানকে মোকাবিলা করব।’

এদিকে সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সম্ভাব্য সেনাপ্রধানদের নাম প্রস্তাব করে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এর আগে টুইট বার্তায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, শিগগিরই সেনাপ্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হবে।

টানা ছয় বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২৯ নভেম্বর অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। তবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক দিন আগে সামনে আসে বিস্ফোরক এক তথ্য। পাকিস্তানভিত্তিক অনুসন্ধানমূলক প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্ট ফোকাস জানিয়েছে, গত ছয় বছরে বিলিয়নিয়ারের খাতায় নাম লিখিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের পরিবারের সদস্যরা।

বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধানমূলক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, জেনারেল বাজওয়ার পরিবারের জ্ঞাত সম্পদের পরিমাণ ১২ দশমিক ৭ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি। বাজওয়ার স্ত্রী আয়েশার ২০১৬ সালে কোনো সম্পদ না থাকলেও বর্তমানে তার ২ দশমিক ২ বিলিয়ন রুপির সম্পদ রয়েছে।

‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’
জেনারেল বাজওয়া ও তার স্ত্রী আয়েশা

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, ২৭ নভেম্বরের আগেই নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ হবে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের ৬ জন সিনিয়র লেফটেন্যান্ট সেনাপ্রধান হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। এই ৬ জন হলেন আসিম মুনির, সাহির শামশাদ মির্জা, আজহার আব্বাস, নোমান মেহমুদ, ফৈজ হামিদ ও মোহাম্মদ আমির।

সেনাপ্রধান নিয়োগ প্রশ্নে ১৮ নভেম্বর পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানান, সেনাবাহিনীর পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় তাদের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানের আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসি অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান সেনাপ্রধান নিয়োগে প্রভাব ফেলতেই লংমার্চ করছেন।

আব্বাসি বলেন, ’২৬ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে ঢোকার কথা জানিয়েছেন ইমরান খান। ওই সময় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান নিয়োগ হবে। শুধু প্রধানমন্ত্রীরই সেনাপ্রধান নিয়োগের অধিকার রয়েছে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Protests in China from frustration Xi Jinping

হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং

হতাশা থেকেই চীনে বিক্ষোভ: শি চিনপিং নিজ দেশে তুমুল বিক্ষোভের মুখে আছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
চিনপিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী ও কিশোরদের আন্দোলন।’

চীনে সরকারের ‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে চলছে তুমুল বিক্ষোভ। নিজের শাসনামলে এমন বিক্ষোভ দেখেনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। এ কারণে হয়ত এতদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

অবশেষে বিক্ষোভ প্রশ্নে মুখ খুলেছেন চিনপিং। বলেছেন, তিন বছর ধরে করোনার বিধিনিষেধের কারণে শিক্ষার্থীরা তাদের নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা বিক্ষোভ করছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায়। এতে বলা হয়, বেইজিংয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছেন চিনপিং।

এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকা ব্যবহারের জন্য চীনের প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন মিশেল। পরে তিনি চীন সরকারের করোনানীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জবাবে চিনপিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থী ও কিশোরদের আন্দোলন।’

ইউরোপিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন, বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্টের আচরণে এটা মনে হচ্ছে যে বিধিনিষেধ শিথিলে প্রস্তুত তিনি।

বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট বয়স্কদের টিকা দেয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জানান।

চীনের সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে ৬৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ করোনার তিন ডোজ টিকা নিয়েছেন। আর আশি বছরের বেশি ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ করোনা টিকার বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।

‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে চলা আন্দোলন চীনের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ থামাতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

লকডাউনের মধ্যে চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় উরুমকি শহরে কদিন আগে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আগুনে ১০ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর চীনের বিভিন্ন শহরে ‘জিরো করোনা’ নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা এক পর্যায়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেন। চীনের ক্ষমতাসীন দল কমিউনিস্ট পার্টি অফ চাইনা (সিপিসি) থেকেও তার পদত্যাগ চান বিক্ষোভকারীরা।

চীন সরকার এখন পর্যন্ত বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমগুলোতেও বিক্ষোভের খবর ব্যাপকভাবে ‘সেন্সর’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।

চীনে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরুর পর পশ্চিমানেতা হিসেবে মিশেলই প্রথম দেশটিতে সফর করলেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Attack on Pakistan Embassy in Kabul

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা উবাইদুর রহমান নিজামানি। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা হয়েছে। মিশন প্রধান নিজামানি অক্ষত আছেন। তাকে রক্ষায় করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ ‘গুরুতর আহত’ হয়েছেন।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাস হামলার শিকার হয়েছে। চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স উবাইদুর রহমান নিজামানিকে লক্ষ্য করে শুক্রবার এ হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এফও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দূতাবাসের কম্পাউন্ডে হামলা হয়েছে। মিশন প্রধান নিজামানি অক্ষত আছেন। তাকে রক্ষায় করতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী ইসরার মোহাম্মদ ‘গুরুতর আহত’ হয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজামানিকে হত্যাচেষ্টা এবং দূতাবাস কম্পাউন্ডে হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানিয়েছে পাকিস্তান।

দূতাবাদে হামলায় ক্ষেপেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে এই হামলার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তানে পাকিস্তানি কূটনৈতিক এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

গত ৪ নভেম্বর মিশন প্রধানের দায়িত্ব নেন নিজামানি।

দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হামলাকারী একজন ছিলেন। একটি ভবনের আড়াল থেকে বেরিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে সে।

‘রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কর্মীরা নিরাপদে আছেন। তারপরও সতর্কতার কারণে আমরা দূতাবাস ভবনের বাইরে যাচ্ছি না।’

কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, ‘দূতাবাসে হামলার ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। একটি অস্ত্র জব্দ হয়েছে। ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের বিস্তারিত পর জানানো হবে।’

আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তালেবানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বালখি বিবৃতিতে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করবে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেবে।

আরও পড়ুন:
আফগানিস্তানের স্কুলে বিস্ফোরণ, নিহত ১০  
ইমরানের আমলে বরখাস্ত আসিম হলেন সেনাপ্রধান
রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া
‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’
পাকিস্তানে পুলিশ টহল দলের ওপর গুলিতে নিহত ৬

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
10th Bangladesh Book Fair started in Kolkata

কলকাতায় শুরু ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা

কলকাতায় শুরু ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা ফাইল ছবি
এবারের কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কলেজ স্কয়ারে শুরু হলো ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা।

শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশের প্রবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং পশ্চিমবঙ্গের লোকনৃত্য রণপা পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মেলার উদ্বোধন হয়।

প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলা চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশ বইমেলার সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও বাংলাদেশের শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের উপ-হাই কমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রাত্য বসু বলেন, বাংলাদেশ বইমেলার সূচনা মঞ্চ আজ দুই বাংলার মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে। দুই বাংলাকে জুড়ে রেখেছে আমাদের শিল্প-সংস্কৃতি এবং অবশ্যই বই।যা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আটকানো যাবে না।

বইমেলার স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশক ও পাঠকদের সঙ্গে কথা বলেনদীপু মনি। তিনি বলেন, যেকোনো মেলাই আনন্দের। আর সেটা যদি বইমেলা হয় তা আরও আনন্দের। বইয়ের মতো ভালো বন্ধু হয় না।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার জয় করে বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ নামে একটি দেশ সৃষ্টি করে বাংলাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আমাদের দুই দেশের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় হয়েছে তা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে হয়েছে। বাংলাদেশ বইমেলার মধ্য দিয়ে সেই আত্মীয়তার বন্ধন আরও দৃঢ় হবে এই আশা করি।

এবারের কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলাটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

বাংলাদেশের পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উদ্যোগে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাংলাদেশের সহযোগিতায় কলকাতার বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ১০ দিনব্যাপী এই মেলায় ৭৭টি বইয়ের স্টলে বাংলাদেশের সৃজনশীল বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশিত বইয়ের সম্ভার থাকছে।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সেমিনার, কবিতাপাঠ এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের শিল্পীদের দ্বারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা রয়েছে।

কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলায় অংশ নিয়েছে প্রান্ত প্রকাশন। বিজ্ঞানভিত্তিক, কৃষিভিত্তিক এবং গবেষণামূলক বই প্রকাশ করে এই সংস্থা।

প্রান্ত প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার আমিনুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, আমি আগেও কলকাতার বাংলাদেশ বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছি। ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে।

উত্তর কলকাতার গৌরীবাড়ি থেকে বাংলাদেশ বইমেলায় এসেছেন সুমিতা সরকার। তিনি বলেন, খুবই ভালো লাগছে। এভাবে স্টলে ঘুরে ঘুরে বাংলাদেশের প্রিয় লেখক লেখিকাদের বই কিনতে পারছি, এটা দারুণ পাওয়া।

২০১১ সালে বাংলাদেশ বইমেলার যাত্রা শুরু হয়েছিল কলকাতার গগনেন্দ্র সংগ্রহশালায়। পর পর ৩ বছর সেখানে বইমেলা চলার পর সেটি রবীন্দ্র সদনের খোলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৭ সালে রবীন্দ্র সদনের কাছে মোহরকুঞ্জে এই মেলা স্থানান্তরিত হয়। সেখানেও পর পর ৩ বছর বাংলাদেশ বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। গত দুবছর করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা করা সম্ভব হয়নি। এ বছর আবার কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা হচ্ছে। তবে মোহরকুঞ্জের পরিবর্তে এবার কলকাতার কলেজ স্কয়ারে মেলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা বইমেলা শুরু

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Wife killed by car to get insurance money

বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন

বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন মহেশ চাঁদ ও তার স্ত্রী শালু। ছবি: সংগৃহীত
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে, গত ৫ অক্টোবর। সেদিন মহেশ চাঁদ তার স্ত্রী শালুকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শ্যালকের মোটরসাইলেকে শালুকে মন্দিরে পাঠান মহেশ। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে শালুকে বহন করা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় একটি গাড়ি। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শালুর। গুরুতর আহত হন তার চাচাতো ভাই রাজু।

স্ত্রী মারা গেলেই পাবেন জীবন বীমার প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এ লোভ সামলাতে না পেরে ভাড়াটে খুনী দিয়ে স্ত্রীকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে ফেললেন এক ব্যক্তি। পুলিশ বলছে, খুনি তার সহযোগীদের নিয়ে ওই নারীকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে চাপা দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে, গত ৫ অক্টোবর। সেদিন মহেশ চাঁদ তার স্ত্রী শালুকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শ্যালকের মোটরসাইলেকে শালুকে মন্দিরে পাঠান মহেশ। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে শালুকে বহন করা মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় একটি গাড়ি। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শালুর। গুরুতর আহত হন তার চাচাতো ভাই রাজু।

শুরুতে এটিকে সাধারণ দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছিল পুলিশ। তবে তদন্তে উঠে আসে ভয়াবহ তথ্য। পুলিশ জানতে পারে মহেশ বীমার টাকার জন্য তার স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।

রাজস্থানের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভান্দিনা রানা বলেন, ‘লাইফ ইনস্যুরেন্স করেছিলেন শালু। সেখানে তার এক কোটি রুপি জমে। শানুর স্বাভাবিক মৃত্যু হলে প্রায় ১ কোটি (বাংলাদেশি মুদ্রায় এক কোটি ২৬ লাখ) এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ১ কোটি ৯০ লাখ রুপি (২ কোটি ৪০ লাখ) পাওয়ার কথা ছিল তার পরিবারের।’

এটি জানার পর মহেশ ভাড়াটে খুনি মুকেশ সিং রাথোরকে শালুকে হত্যার দায়িত্ব দেন। ১০ লাখ রুপিতে হয় চুক্তি। অগ্রিম সাড়ে পাঁচ লাখ রুপি নেন রাথোর।

পুলিশ জানায়, ২০১৫ সালে শালুর সঙ্গে মহেশের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি মেয়ে আছে। বিয়ের দুই বছর পরই তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এরপর থেকেই শালু তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ২০১৯ সালের শালু তার স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলাও করেছিলেন।

সম্প্রতি শালুর বীমার কথা জানতে পারেন মহেশ। একদিন তিনি শালুকে জানান, তার স্ত্রী ১১ দিন টানা মন্দিরে যাবে... এটা তার ইচ্ছা। আশ্বাস দেন, এমনটা করলে শালুকে ফিরিয়ে নেবেন তিনি। এরপর থেকেই চাচাতো ভাইকে নিয়ে মন্দিরে যাওয়া শুরু করেন শালু।

ঘটনার দিন শালুকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় রাথোর ও তার সঙ্গীরা। এ সময় মহেশ আরেকটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান মহেশ।

এ ঘটনায় রাথোর, সোনু এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়ির মালিক রাকেশ সিংকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও দুই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন:
২৯ বছর পর ৩ আসামির যাবজ্জীবন
সাবেক ছাত্রনেতা খায়রুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে
গৃহবধূ হত্যার ১৬ বছর পর ৬ আসামির যাবজ্জীবন
আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Indias media freedom is under question

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে!

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে! এনডিটিভির ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়েছেন গৌতম আদানি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় কুমার বলেন, ‘যারা সাংবাদিক হওয়ার জন্য লেখাপড়ার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন, তারা দালালের কাজ করতে বাধ্য হবে। আর যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তাদের ভুগতে হবে। কেউ কেউ এই পেশায় ক্লান্ত বোধ করছেন। আবার অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।’

এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানির আদানি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে দেশটির শীর্ষ বেসরকারি গণমাধ্যম নিউ দিল্লি টেলিভিশন (এনডিটিভি)। আর এরপরই ‘ব়্যামন ম্যাগসাইসাই’ পুরস্কারজয়ী ভারতীয় সাংবাদিক রবীশ কুমার এনডিটিভি থেকে পদত্যাগ করেন। এর আগে, বুধবার এনডিটিভির প্রতিষ্ঠাতা অর্থনীতিবিদ প্রণয় রায় ও তার স্ত্রী রাধিকা রায় পরিচালক বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেন।

আদানির লোকজন এখন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সুদীপ্ত ভট্টাচার্য, সঞ্জয় পুগলিয়া এবং সন্থিল সিন্নাইয়া চেঙ্গালভারায়ণকে এনডিটিভির পরিচালন বোর্ডে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এনডিটিভির ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক আদানির মিডিয়া নেটওয়ার্ক- এএমএনএল। এতদিন এই শেয়ারের মালিকানা ছিল প্রণয় রায় ও তার স্ত্রী রাধিকা রায়ের।

ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই এনডিটিভির আরও ২৬ শতাংশ শেয়ার বাজার থেকে কিনে নেবেন আদানি। এতে চ্যানেলটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ঘনিষ্ঠ’ আদানি।

রবীশ কুমার গত কয়েক দশক ধরে এনডিটিভির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কি রিপোর্ট, প্রাইম টাইম, হাম লোগ, দেশ কি বাতের মতো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন তিনি।

ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে!
এনডিটিভির সাবেক সাংবাদিক রবীশ কুমার


কুমার তার শো চলাকালীন প্রায়ই হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে অভিযুক্ত করতেন।

ইউটিউবে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় কুমার বলেন, ‘যারা সাংবাদিক হওয়ার জন্য লেখাপড়ার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করছেন, তারা দালালের কাজ করতে বাধ্য হবে। আর যারা বর্তমানে কাজ করছেন, তাদের ভুগতে হবে। কেউ কেউ এই পেশায় ক্লান্ত বোধ করছেন। আবার অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।’

রবীশ কুমারের পদত্যাগের পর টুইটারে লিখেছেন #RIPNDTV

১২ বছর এনডিটিভির সঙ্গে কাজ করেছেন রিভাতি লৌল। ২০০৯ সালে পদত্যাগ করেন তিনি। সম্প্রতি রিভাতি বলেন, ‘নির্বাচন বিশ্লেষণ, বাজেট বিশ্লেষণ এনডিটিভির মাধ্যমেই শুরু হয়েছিল।’

এনডিটিভির মতো আরেকটি সম্প্রচারমাধ্যম আর হবে না জানিয়ে লৌল আরও বলেন, ‘আমরা টেলিভিশন নিউজ রিপোর্টিংয়ের যুগ পেরিয়ে এসেছি। এখন সেখানে কেবল প্রোপাগান্ডা ছড়ায়।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংস্থা-দ্য ফ্রি স্পিচের সহপ্রতিষ্ঠাতা গীতা সেশু বলেন, ‘কুমার এবং রায়দের পদত্যাগগুলো ইঙ্গিত দেয় যে কীভাবে ভারতের স্বাধীন মতামতের জায়গা আরও সঙ্কুচিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক একটি দেশের জন্য একটি উদ্বেগের।’

প্যারসভিত্তিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তগণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৫০।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
From the wedding ceremony to the polling station

বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে

বিয়ের আসর থেকে ভোটকেন্দ্রে ভোটকেন্দ্রে নবদম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এই দম্পতি হলেন কবিতা ও বৈভব। তারা কুচ জেলার ভুজ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। 

ভারতে বিয়ের আসর থেকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে ছুটে গেলেন এক নবদম্পতি। বিয়ের পোশাকে তাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনে ঘটেছে এই ঘটনা।

‘গণতন্ত্রে’ বিশ্বাসী এই দম্পতি হলেন কবিতা ও বৈভব। তারা কুচ জেলার ভুজ আসনের একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।

ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, ব্লাউজের ওপর জরির কাজসহ লেহেঙ্গা পরে আছেন নববধূ কবিতা। গলায় ঝুলছে বিয়ের মালা। পাশে শেরওয়ানিতে দেখা যায় বৈভবকে।

২০১৭ সালেও এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল ভারত। গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে হলুদের অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে হাজির হন এক কনে। ফেনি পারেখে নামের ওই কনে সুরাটের কাতারগামের একটি কেন্দ্রে ভোট দেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
An easy test for Modi is the Gujarat assembly elections

গুজরাটে মোদির সহজ জয়ের আভাস

গুজরাটে মোদির সহজ জয়ের আভাস  গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনি জরিপ বলছে, বিজেপি এবার ১৩১-১৩৯ আসন পেতে পারে। যেখানে কংগ্রেস পেতে পারে ৩১-৩৯ আসন। আর এএপির পক্ষে যেতে পারে ১৫ আসন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্য গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। প্রথম ধাপে বৃহস্পতিবার বিধানসভার ১৮২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। ৫ ডিসেম্বর গুজরাটের দ্বিতীয় দফার ভোট হবে। ফল প্রকাশিত হবে ৮ ডিসেম্বর।

জরিপ বলছে, মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) গুজরাটে টানা সপ্তমবারের মতো জয় পেতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটে গেলে তা ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে শক্ত প্রভাব ফেলতে পারে।

গুজরাটে ১৯৯৫ সাল থেকে ক্ষমতায় বিজেপি। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে কংগ্রেসকে হারিয়ে মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগপর্যন্ত প্রায় ১৩ বছর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০০২ সালে গুজরাটে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়। ওই দাঙ্গায় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। দাঙ্গার জন্য রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ আছে।

গুজরাট নির্বাচনে বিজেপি-কংগ্রেসের সঙ্গে এবার লড়াইয়ে রয়েছে আম আদমি পার্টি (এএপি)। ২০১৭ সালের গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনে ৯৯ আসন পায় বিজেপি। অন্যদিকে কংগ্রেস পেয়েছিল ৭৭ আসনে জয়।

নির্বাচনি জরিপ বলছে, বিজেপি এবার ১৩১-১৩৯ আসন পেতে পারে। যেখানে কংগ্রেস পেতে পারে ৩১-৩৯ আসন। আর এএপির পক্ষে যেতে পারে ১৫ আসন।

মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের হার বাড়তে থাকলেও, ভারতের অনেক জায়গায় মোদি বেশ জনপ্রিয়। তার দল বিজেপি হিমাচলের বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ের প্রত্যাশা করছে। ৮ ডিসেম্বর হিমাচল বিধানসভার ফল প্রকাশ হবে।

মন্তব্য

p
উপরে