× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Iran has arrested two popular actresses
hear-news
player
google_news print-icon

বিক্ষোভে সংহতি: ইরানের দুই অভিনেত্রী আটক

বিক্ষোভে-সংহতি-ইরানের-দুই-অভিনেত্রী-আটক
হেনগামেহ গাজিয়ানি এবং কাতিইয়ুন রিয়াহি হিজাব ছাড়া জনসম্মুখে এসেছিলেন। ছবি: সংগৃহীত
‘সঠিকভাবে’ হিজাব না করার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর মাহসা আমিনি পুলিশ হেফাজতে মারা গেলে গত সেপ্টেম্বরে গোটা দেশে হিজাববিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে দুই অভিনেত্রীকে আটক করেছে ইরান সরকার।

হেনগামেহ গাজিয়ানি ও কাতিইয়ুন রিয়াহি এর আগে হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে হিজাব ছাড়া জনসমক্ষে এসেছিলেন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি

‘সঠিকভাবে’ হিজাব না করার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর মাহসা আমিনি পুলিশ হেফাজতে মারা গেলে গত সেপ্টেম্বরে গোটা দেশে হিজাববিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ হেফাজতে থাকার সময়েই মাহসা অসুস্থ হয়ে পড়েন, এরপর কোমায় চলে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। এর ঠিক পাঁচ দিন পরই ছিল মাহসার জন্মদিন।

একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত গাজিয়ানি এবং রিয়াহি উভয়েই রবিবার নৈতিকতা পুলিশের হাতে আটক হন।

আটক হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজিয়ানি লেখেন, 'আমার সঙ্গে যাই ঘটুক, আমি সব সময় ইরানি জনগণের পাশে আছি। এটাই হয়তো আমার শেষ পোস্ট।'

রবিবার ইরান ফুটবল দলের অধিনায়ক কাতার ফিফা বিশ্বকাপের আসরে বলেন, ‘আমাদের মেনে নিতে হবে যে, ইরানের পরিস্থিতি ভালো নয়, এবং আমাদের জনগণ অখুশি।’

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, ইরানে হিজাববিরোধী আন্দোলনে এ পর্যন্ত ৪০০ জনের বেশি নিহত এবং ১৬ হাজার ৮০০ জনের মতো আটক হয়েছেন।

ইরান সরকার বলছে, এটা আন্দোলন নয়, দাঙ্গা। বিদেশি শত্রুদের মদদে এটা পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বিক্ষোভ দমাতে শ্লীলতাহানিকে অস্ত্রের মতো ব্যবহার ইরানি পুলিশের
ইরানে রক্তক্ষরণে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ২৩৩
ইরান বিক্ষোভের স্ফুলিঙ্গ যে ৩ নারী
ইরানে বিক্ষোভ: আহমাদিনেজাদ নীরব কেন
বিক্ষোভে ২০০ ছাড়াল মৃত্যু, তেহরানের রাস্তায় আইনজীবীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
British intelligence claims that Russia has run out of missile stockpile

মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের

মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের রুশ মিসাইল। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার মিসাইল কমে যাওয়ায় তারা এখন পুরোনো ক্রুজ মিসাইল কাজে লাগাচ্ছে।

৯ মাস ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এরই মধ্যে ফুরিয়ে গেছে রাশিয়ার মিসাইলের ভান্ডার। এ কারণে এখন তারা নিজেদের পুরোনো মিসাইল ব্যবহার করছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার এমনটি জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার মিসাইল কমে যাওয়ায় তারা এখন পুরোনো ক্রুজ মিসাইল কাজে লাগাচ্ছে। তবে এর আগে পরমাণু ওয়ারহেড খুলে নেয়া হচ্ছে।

প্রমাণ হিসেবে ভূপাতিত করা একটি এএস-১৫ কেইএনটি ক্রুজ মিসাইলের ধ্বংসাবশেষের একাধিক ছবি প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এ মিসাইল ১৯৮০ সালে পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এটিতে থাকা পরমাণু অস্ত্রটির জায়গায় খুব সম্ভবত ব্যালাস্ট যুক্ত করে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। যাতে এটি ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে পারে।

একটি বিবৃতিতে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, যদিও এই ধরনের মিসাইলের মাধ্যমে ইউক্রেনের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তবে এগুলো দিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ক্রেমলিনের মিসাইল হামলায় ইউক্রেনে ৬০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। আসন্ন শীতে তাপমাত্রা কমতে থাকলে এই বিদ্যুৎ-সংকটের কারণে ইউক্রেনীয়রা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
রুশ দখলমুক্ত খেরসনে ইউক্রেনীয়দের উচ্ছ্বাস
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের কথা স্বীকার পুতিনঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Planning Minister wants reform in all areas not only income tax

শুধু আয়কর নয়, সব ক্ষেত্রে সংস্কার চান পরিকল্পনামন্ত্রী

শুধু আয়কর নয়, সব ক্ষেত্রে সংস্কার চান পরিকল্পনামন্ত্রী পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ফাইল ছবি
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সংস্কার সবখানে হওয়া দরকার। সবচেয়ে বেশি সংস্কার দরকার আয়করে। এ জন্য আমি সব সময় সংলাপের পক্ষে। যত বেশি আলোচনা হবে, সংস্কার প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ তত বাড়বে।’

কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য অনেক সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘শুধু আয়কর নয়, সিভিল সার্ভিসসহ সব ক্ষেত্রে আমাদের সংস্কার করতে হবে, তবে বিদ্যমান আইনকানুন মেনে সংবিধানের আলোকে এটি করতে হবে।’

শনিবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) আয়োজিত ‘শতবর্ষে আয়কর আইন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

আইবিএফবির সভাপতি হুমায়ন রশিদের সভাপতিত্বে এই সেমিনারে বক্তব্য দেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, আইএফবির সহসভাপতি এম এ সিদ্দীক, এনবিআরের সাবেক সদস্য আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্নেহাশীষ বড়ুয়া এফসিএ।

সংস্কারকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিকভাবে চান সংস্কার করা হোক, কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল সংস্কার চায় না। তারা বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে। এদের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংস্কার সবখানে হওয়া দরকার, তবে আমি মনে করি, সবচেয়ে বেশি সংস্কার দরকার আয়করে। রাজস্ব বাড়ানোর স্বার্থেই এটা করা জরুরি।

‘এ জন্য আমি সব সময় সংলাপের পক্ষে। কারণ যত বেশি আলোচনা হবে, সংস্কার প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ তত বাড়বে। এ জন্য সংস্কার হতে হবে সংলাপের মাধ্যমে সকলের পরামর্শ নিয়ে।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এটা ঠিক, আমাদের দেশে কর অব্যাহতি বেশি। সবাইকে যে যৌক্তিকভাবে সুবিধা দেয়া হয়, তা ঠিক না। একজন গরিব রিকশাচালক মূল্য সংযোজন কর-ভ্যাট দিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তাহলে যাদের বেশি সম্পদ আছে, তারা কেন অব্যাহতি পাবে?’

অনুষ্ঠানে একজন আলোচকের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘যে কর্মকর্তা ভূগোল বিষয়ে লেখাপড়া করেছেন, চাকরি জীবনে তিনি হয়তো কাজ করছেন ট্যাক্স বিভাগে। এটা সত্যি, তিনি তো ভালো নীতি প্রণয়ন করতে পারবেন না। এ জন্য সিভিল সার্ভিসে সংস্কার দরকার।’

মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে জিজ্ঞেস করেন কেন কর দেব? তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। আমাদের সংবিধানে বলা আছে, রাষ্ট্রের স্বার্থে জনগণ কর দিতে; বিনিময়ে রাষ্ট্র সেবা দেবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সরকার কি সব সেবা নিশ্চিত করতে পারছে?

‘স্বীকার করছি এখানে সরকারের ঘাটতি আছে। সেবার মান বাড়াতে বর্তমান সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। সবাই যদি একই প্রশ্ন করে, তাহলে উন্নয়ন থেমে যাবে। সুতরাং দেশের উন্নয়নে সামর্থ্যবান সবাইকে কর দিতে হবে।’

কর দেয়া নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে এম এ মান্নান বলেন, ‘একসময় রাজাকে খাজনা দিত জনগণ। তখন রাজাকে খাজনা বা কর দেয়া দায়িত্ব ছিল। এখন সরকারকে কর দেয়া দায়িত্ব।’

আরও পড়ুন:
মন্দের ভালো হিসেবে আ.লীগার হয়েছি: মান্নান
‘মাঝেমধ্যে টানাপোড়েন হলেও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বন্ধন অটুট’
‘আমরা একটু অসুবিধার মাঝে আছি, টাকার ঘাটতি পড়ি গেছে’
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শিগগির: পরিকল্পনামন্ত্রী
পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার বৈধতা ‘মন্দের ভালো’

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Kims daughter lives in luxury

কিমের মেয়ের বিলাসবহুল জীবন

কিমের মেয়ের বিলাসবহুল জীবন কিম জং উনের সঙ্গে তার মেয়ে। ছবি: সংগৃহীত
কিমের মতো তার পরিবার নিয়েও মানুষের ব্যাপক আগ্রহ আছে। বিষয়টা হয়ত বুঝতে পেরেছেন কিম। তাইতো গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো নিজের মেয়েকে প্রকাশ্যে আনেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন।

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই মানুষের। পশ্চিমের চোখে তিনি একজন ক্ষেপাটে শাসক। ক’দিন পর পর মিসাইল উৎক্ষেপণ করে বিশ্বকে চমকে দেন এই কিম। নিজ দেশ উত্তর কোরিয়া থেকে খুব একটা বের হন না কিম। এ কারণে চিরশত্রু দক্ষিণ কোরিয়া আর তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমেই উত্তর কোরিয়ার হালচাল জানতে পারে বিশ্ব।

কিমের মতো তার পরিবার নিয়েও মানুষের ব্যাপক আগ্রহ আছে। বিষয়টা হয়ত বুঝতে পেরেছেন কিম। তাইতো গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো নিজের মেয়েকে প্রকাশ্যে আনেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ তার মেয়ে কিম জু আয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। এতে কিমকে দেখা যায় মিসাইল উৎক্ষেপণের সময় মেয়ের হাত ধরে আছেন।

নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, কিমের মেয়ে কিম জু আয়ে’র বয়স ৯। ব্যাপক বিলাসীতার মধ্যে কাংওন প্রদেশের উপকূলীয় শহর ওনসানের একটি বিলাসবহুল প্রাসাদে বেড়ে উঠছে সে।

নিউ ইয়র্ক পোস্ট বলছে, প্রাসাদটি অনেকটা আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার-লাগো বাড়ির মতো। এই প্রাসাদে আছে সুইমিং পুল, টেনিস কোর্ট, ওয়াটার স্লাইড এবং দুটি স্টেডিয়াম।

কিমের মেয়ের বিলাসবহুল জীবন
ডনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার-লাগো বাড়ি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পুরো উত্তর কোরিয়াজুড়ে কিমের পরিবারের ১৫টি বিলাসবহুল প্রাসাদ আছে। এসবে মাটির নিচ দিয়ে চলাচলের সুবিধার জন্য রয়েছে টানেল; যেখানে রেলগাড়িও চলাচল করতে পারে। বিদেশি গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিতেই এসব ব্যবহার করেন কিমের পরিবার।

এসব বিবেচনায় আমেরিকার অলাভজনক বেসরকারি সংস্থা স্টিনসন সেন্টারের ফেলো ও উত্তর কোরিয়া বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যাডেন বলেন, ‘কিমের মেয়ের জীবনটা আসলেই খুব সুন্দর!’

কিমের সন্তানদের সঙ্গে গৃহকর্মীদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তারা বাবা-মায়ের সঙ্গেও সময় কাটায়।

মাইকেল ম্যাডেন বলেন, ‘কিম হয়েছেন তার বাবার মতো... কঠোর। তা সত্ত্বেও কিম ইল (কিমের বাবা) সন্তানদের প্রতি ভীষণ মনযোগী ছিলেন। আসলে একজন স্বৈরশাসকের কাছে সময় ব্যয় করার অফুরন্ত সুযোগ থাকে।’

কিমের মেয়ের বিলাসবহুল জীবন
স্ত্রী রি সোল জুকে'র সঙ্গে কিম জং উন

শুক্রবার প্রকাশিত ছবিতে কিমের স্ত্রী রি সোল জুকেও দেখা যায়। তিনিও জনসম্মুখে খুব কম আসেন।

কিমের পর উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্বে কে আসবেন তা অনিশ্চিত। বিশ্লেষকদের ধারণা, কিমের পর তার বোন অথবা কাছের কেউই পাবেন ক্ষমতা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Everything is banned in Qatar World Cup

কাতার বিশ্বকাপে যা কিছু নিষিদ্ধ

কাতার বিশ্বকাপে যা কিছু নিষিদ্ধ কাতার বিশ্বকাপে খেলা দেখছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সমর্থকরা। ছবি: সংগৃহীত
খেলা দেখতে আসা বিভিন্ন দেশের দর্শকদের প্রতি আতিথেয়তার জোর চেষ্টায় কাতার। তবে সরকার এটাও চাইছে, সমর্থকরাও তাদের দেশের সংস্কৃতি এবং নিয়মকে সম্মান জানাবে। আর এ কারণে দর্শকদের দেয়া হয়েছে কিছু বিধিনিষেধ। 

২০ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে কাতার বিশ্বকাপ। আর্জেন্টিনা ও জার্মানির মতো দলের হারের মধ্যে দিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অঘটন দেখেছে বিশ্ব। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আলোচনায় আছে আয়োজক কাতারও। যদিও দেশটির সরকাররের দাবি, খেলা দেখতে আসা বিভিন্ন দেশের দর্শকদের প্রতি আতিথেয়তার জোর চেষ্টায় কাতার। তবে সরকার এটাও চাইছে, সমর্থকরাও তাদের দেশের সংস্কৃতি এবং নিয়মকে সম্মান জানাবে। আর এ কারণে দর্শকদের দেয়া হয়েছে কিছু বিধিনিষেধ।

অ্যালকোহল

টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার মাত্র দুই দিন আগে কাতার কর্তৃপক্ষ জানায়, আটটি বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে বসে বিয়ার খেতে পারবে না দর্শক। দ্য গার্ডিয়ান জানায়, অ্যালকোহল কেবল হসপিটালিটি বক্সে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ফ্যান জোনে সন্ধ্যা ৭টার পর ১২ পাউন্ড খরচে বুডওয়েজারের ৫০০ মিলিলিটার বিয়ার কেনা যাবে।

কাতার বিশ্বকাপে যা কিছু নিষিদ্ধ



খাবার

খাবার নিয়েও বিশ্বকাপে কড়াকড়ি আরোপ করেছে কাতার। ইয়াহু নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশু খাবার বা চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত কোনো খাবার ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকা যাবে না। দর্শকরা স্টেডিয়ামের নিচতলায় বসানো কিয়স্ক থেকে খাবার এবং সফট ড্রিঙ্কস সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে তা স্টেডিয়ামের ভেতরে নেয়া যাবে না।

রেইনবো হ্যাট

আরব বিশ্বে সমকামিতা নিষিদ্ধ। আর এই সমকামীর প্রতীক হলো রেইনবো। এ জন্য রেইনবো টি-শার্ট বা হ্যাট পরে কাতার বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে উপস্থিত হওয়া যাবে না। সমকামী সম্প্রদায়ের সমর্থনে রেইনবো টি-শার্ট পরে সোমবার কাতারের একটি স্টেডিয়ামে ঢোকার চেষ্টাকালে অল্প সময়ের জন্য আটক হন আমেরিকার এক সাংবাদিক। এ ছাড়া সাবেক এক ফুটবলারকেও রেইনবো হ্যাট খুলে মাঠে প্রবেশ করতে হয়েছে।

খোলামেলা পোশাক

বিদেশি দর্শকদের খোলামেলা পোশাক পরতে বারণ করেছে কাতার কর্তৃপক্ষ। যদি কেউ এই নির্দেশ অমান্য করে তবে কাতারের আইন অনুযায়ী কারাদণ্ড হতে পারে তার।

কাতার বিশ্বকাপে যা কিছু নিষিদ্ধ

কাতার সরকারের পর্যটনবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়, পোশাক পরিধানের প্রতি কাতারের মনোভাব শিথিল। তবে দর্শকরা (পুরুষ ও নারী) জনসমক্ষে অতিরিক্ত খোলামেলা পোশাক পরিহার করে স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাধারণত পুরুষ এবং নারীর জন্য তাদের কাঁধ এবং হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখতে সুপারিশ করা হয়েছে।

ফুটবল খেলা

বিশ্বকাপে ফুটবল খেলার ওপরই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কাতার সরকার। দোহার খলিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের বাইরে দর্শকরা ফুটবল খেলতে পারবে না। বিভিন্ন দেশের অনেক দর্শক বুধবার খেলার চেষ্টা করলে, তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া হয় বলে জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রো

মেট্রোতে গান গাওয়া

বিশ্বকাপে পছন্দের দল জয় পেলে দর্শকরা হোটেলে ফিরতে ফিরতে মেট্রো বা বাসে গান গেয়ে বা চিৎকার করে উদযাপন করে থাকে। কাতার সরকার এমন সমর্থকদের হইহুল্লোড় কমিয়ে উদযাপন করতে বলেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মেট্রোতে একজন স্থানীয় নাগরিক এমন একটি ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছেন।

বাদ্যযন্ত্র

স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টেডিয়ামের ভেতরে তীব্র শব্দ সৃষ্টিকারী ডিভাইস বা যন্ত্র নিষিদ্ধ। এসবের মধ্যে আছে ভুভুজেলা, হুইসেল, লাউডস্পিকার।

কাতার বিশ্বকাপে যা কিছু নিষিদ্ধ

এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্টাফ ডট কো-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টেডিয়ামের ভেতর ফ্রিসবিস, সাইকেল, রোলারব্লেড, স্কেটবোর্ড, কিক স্কুটার এবং ইলেকট্রিক স্কুটার বা বেলুনের মতো জিনিসপত্র নেয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া বেঞ্চ, ফোল্ডিং চেয়ার, বাক্স, কার্ডবোর্ডের পাত্র, ছাতা, বড় ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, স্যুটকেস এবং স্পোর্টস ব্যাগের মতো বড় জিনিসগুলোও মাঠে নেয়া যাবে না।

আরও পড়ুন:
ক্যামেরুনকে হারিয়ে শুভ সূচনা করল সুইজারল্যান্ড
জন্মভূমির বিপক্ষে গোল করে বিরস এমবোলো
মেসি-দি মারিয়াদের পাশে নাদাল

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Imrans sacked intelligence chief is Pakistans new army chief

ইমরানের আমলে বরখাস্ত আসিম হলেন সেনাপ্রধান

ইমরানের আমলে বরখাস্ত আসিম হলেন সেনাপ্রধান পাকিস্তানের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মুনির। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আমলে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর প্রধান হন আসিম। তবে নিয়োগের ৮ মাসের মধ্যে ২০১৯ সালে তাকে বরখাস্ত করেন ইমরান। আসিম মুনিরই পাকিস্তানের সবচেয়ে কম সময় গোয়েন্দাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

পাকিস্তানের নতুন সেনাপ্রধান হলেন লেফটেন্যাট জেনারেল আসিম মুনির। বৃহস্পতিবার তাকে বেছে নেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। শেহবাজের এই সিদ্ধান্ত এখন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির কাছ থেকে অনুমোদিত হতে হবে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন আসিম মুনির। তিনি হবেন পাকিস্তানের ১৭তম সেনাপ্রধান।

নতুন সেনাপ্রধানের নাম ঘোষণার সময় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যোগ্যতা, আইন এবং সংবিধান অনুযায়ী সেনাপ্রধান বাছাই করা হয়েছে।’

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে পাকিস্তানের সেনা সদর দপ্তরে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন আসিম মুনির। এর আগে তিনি গুজরানওয়ালার কর্পস কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আমলে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর প্রধান হন আসিম। তবে নিয়োগের ৮ মাসের মধ্যে ২০১৯ সালে তাকে বরখাস্ত করেন ইমরান। আসিম মুনিরই পাকিস্তানের সবচেয়ে কম সময় গোয়েন্দাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আসিম মুনিরকে এমন সময় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে যখন সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর বিরোধ তুঙ্গে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম রেডিও পাকিস্তানের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক হিলাল-ই-ইমতিয়াজ পেয়েছেন আসিম মুনির। এ ছাড়া অফিসার ক্যাডেটকে দেয়া সর্বোচ্চ সম্মানসূচক স্বীকৃতি সোর্ড অব অনারও অর্জন করেছেন তিনি।

আসিম মুনির পাকিস্তানের মাংলার অফিসার্স ট্রেনিং স্কুল থেকে স্নাতক পাস করেন।

৬২ বছর বয়সী জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া ২০১৬ সাল থেকে পাকিস্তানের সশস্ত্র সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছেন। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে তার মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ে। ২৯ নভেম্বর জেনারেল বাজওয়ার অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
After a long struggle the Prime Minister of Malaysia Anwar Ibrahim

সুদীর্ঘ লড়াইয়ের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

সুদীর্ঘ লড়াইয়ের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ার নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ছবি: এএফপি
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনোয়ার ইব্রাহিমের এ নিয়োগের মধ্য দিয়ে তার তিন দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার পূর্ণতা পেল। এর আগে মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বেশি মেয়াদে থাকা প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের অনুসারী, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের নেতা, পায়ুকামে দোষী হয়ে কারাবন্দি, বিরোধীদলীয় নেতার মতো বিভিন্ন ভূমিকা ও পরিস্থিতিতে দেখা গেছে তাকে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দীর্ঘদিনের বিরোধী নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম।

ভোটের পর ৫ দিন ধরে চলা অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার আনোয়ারকে নিয়োগ দেন রাজা আবদুল্লাহ।

স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান হিসেবে আনোয়ার ইব্রাহিমের এ নিয়োগের মধ্য দিয়ে তার তিন দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার পূর্ণতা পেল।

এর আগে মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বেশি মেয়াদে থাকা প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের অনুসারী, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের নেতা, পায়ুকামে দোষী হয়ে কারাবন্দি, বিরোধীদলীয় নেতার মতো বিভিন্ন ভূমিকা ও পরিস্থিতিতে দেখা গেছে তাকে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসানে উত্থান দেখা যায় পুঁজিবাজার ও মুদ্রাবাজারে। দুই সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে রিংগিত।

গত শনিবার অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আনোয়ার ইব্রাহিম ও সদ্যঃসাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন জোটের কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নজিরবিহীন ঝুলন্ত পার্লামেন্ট দেখেন মালয়েশিয়ার নাগরিকরা।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে কাছাকাছি অবস্থানে থেকেও প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি ৭৫ বছর বয়সী আনোয়ার ইব্রাহিম। নব্বইয়ের দশকে তিনি উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৮ সালে হবু প্রধানমন্ত্রী হয়েও শেষ পর্যন্ত চেয়ারে বসতে পারেননি।

পায়ুকাম ও দুর্নীতির মামলায় প্রায় এক দশক কারাবন্দি ছিলেন আনোয়ার। দুটি অভিযোগকেই অস্বীকার করে এগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
কর্মী হিসেবে মালয়েশিয়া যেতে সর্বোচ্চ খরচ ৭৯ হাজার টাকা
৫ লাখ কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়
কর্মী নিয়োগ: জট খুলতে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী ঢাকায়
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে সিন্ডিকেট প্রথা বাতিলের দাবি
বাংলাদেশ থেকে আরও কর্মী নিতে চায় মালয়েশিয়া

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
6 year old Ajka was under the rubble for 48 hours

ধ্বংসস্তূপে ৪৮ ঘণ্টা থেকেও অক্ষত ৬ বছরের আজকা

ধ্বংসস্তূপে ৪৮ ঘণ্টা থেকেও অক্ষত ৬ বছরের আজকা উদ্ধারকারী দল সিয়ানজুরে ধসে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে আজকা মাওলানা মালিক নামের ৬ বছরের ছেলেটিকে স্থানীয় সময় বুধবার অক্ষত অবস্থায় বের করে আনে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
শিশুটির মামা সালমান আলফারিসি বলেন, ‘আজকা এখন ভালো আছে, সে অক্ষত আছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুটি শারীরিকভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। কারণ গত দুই দিন সে কিছু খেতে পায়নি।’

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ৬ বছরের শিশুকে।

উদ্ধারকারী দল সিয়ানজুরে ধসে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে আজকা মাওলানা মালিক নামের ছেলেকে স্থানীয় সময় বুধবার অক্ষত অবস্থায় বের করে আনে। শিশুটি একটি ম্যাট্রেসের কারণে আঘাত থেকে বেঁচে যায়।

তার দাদির মরদেহ সেই রুমেই পাওয়া গেছে। সোমবার আঘাত হানা ভূমিকম্পে মারা গেছেন মালিকের মাও।

স্থানীয় ফায়ার ডিপার্টমেন্টের অনলাইনে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকারী দল শিশুটিকে নিরাপদে বের করে আনার পর তাকে শান্ত দেখাচ্ছিল।

শিশুটির মামা সালমান আলফারিসি বলেন, ‘আজকা এখন ভালো আছে, সে অক্ষত আছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুটি শারীরিকভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। কারণ গত দুই দিন সে কিছু খেতে পায়নি।’

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতালের বাইরে অস্থায়ী তাঁবুতে আজকার হাত ধরেছিলেন তিনি।

২২ বছর বয়সী তার মামা বলেন, ‘সোমবারের ভূমিকম্পে আজকা তার মাকে হারিয়েছে। সে এখন বাড়ি যেতে চায়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে বারবার সে তার মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করছে। আমরা কিছু জবাব দিতে পারিনি।’

তিনি বলেন, সিজেনডিলে ভাগ্নে ও বোনের সঙ্গে তাদের বসার ঘরে বসে ছিলেন যখন এই বিপর্যয় ঘটে। আমিসহ ভবনের অনেকে কোনোভাবে পালাতে সক্ষম হই। কিন্তু আমার বোন ও ছেলে আজকা ও আজকার দাদি আটকা পড়ে। এটা কেয়ামতের মতো অনুভূত হয়েছিল।’

ঘনবসতিপূর্ণ জাভা দ্বীপের পশ্চিমে সোমবার ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭১ জনে। তবে উদ্ধারকর্মী ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ ভারি বৃষ্টির কারণে কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এখনও ৪০ জন নিখোঁজ রয়েছে এবং ২ হাজারের বেশি আহত হয়েছে।

২০১৮ সালের পর এটি ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক ভূমিকম্প ছিল। সুলাওয়েসির পালু শহরে সমুদ্রের নিচে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ওই ভূমিকম্পের আঘাতে সৃষ্ট সুনামি ও ভূমিধসে ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৮, বেশির ভাগই শিশু
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৬২
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৪৬, আহত ৭০০

মন্তব্য

p
উপরে