× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

আন্তর্জাতিক
Americas relationship with Russia is very strong China
hear-news
player
google_news print-icon

রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন

রাশিয়ার-সঙ্গে-সম্পর্ক-অত্যন্ত-মজবুত-আমেরিকাকে-চীন-
ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
বাইডেনের মন্তব্যের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য মস্কো না করলেও, জবাব দিতে দেরি করেনি বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান শুক্রবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মস্কোর সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক ‘অত্যন্ত মজবুত’ এবং আগের মতোই চমৎকার।       

গোটা বিশ্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক নানা চাপেও টলানো যাচ্ছে না রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। বিশ্ব থেকে অনেকটা একঘরে হয়ে পড়া রাশিয়ার পুরোনো মিত্র চীনকে অবশ্য ইউক্রেন ইস্যুতে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায়নি। যদিও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তোলা প্রস্তাবে ভেটো দিয়ে বন্ধুত্বের প্রমাণ রাখছে বেইজিং।

অন্যতম পরাশক্তি চীনের এমন নিরবতার পেছনে বেইজিং-মস্কোর মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্বকে দায়ী করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘দুটি পরাশক্তি দেশ আলাদা হয়ে যাচ্ছে। চীন নিজেকে রাশিয়া থেকে দূরে রাখার চেষ্টায় আছে।’

বাইডেনের কথায় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য মস্কো না করলেও, জবাব দিতে দেরি করেনি বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান শুক্রবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মস্কোর সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক ‘অত্যন্ত মজবুত’ এবং আগের মতোই চমৎকার।

‘চীন এবং রাশিয়া নতুন যুগের কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদার; যারা কখনোই তৃতীয় পক্ষের মোকাবিলা বা লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করেনি।

তিনি আরও বলেন, ‘মস্কো এবং বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা ও স্থিতিশীল উন্নয়ন উচ্চ মাত্রার পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে।’

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার দাবি করেন, রাশিয়া এবং তার প্রেসডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি চীনের ‘অনেক শ্রদ্ধা’ থাকলেও, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে জোট হিসেবে দেখাতে চায় না বেইজিং। আর এ কারণেই মস্কো থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলছে বেইজিং।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। পূর্ব ইউক্রেনের চারটি বিদ্রোহী অধ্যুষিত অঞ্চল ‘গণভোটের’ মাধ্যমে নিজেদের করেছে নিয়েছে রাশিয়া।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই অভিযানের নিন্দা জানালেও, চীন এখন পর্যন্ত তা করেনি। এমনকি মস্কোর ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাতেও যোগ দেয়নি চীন। উল্টো রাশিয়ার আগ্রাসী হয়ে ওঠার জন্য পশ্চিম ও তাদের সামরিক জোট ন্যাটোকে দায়ী করে আসছে বেইজিং। অক্টোবরের শেষদিকে রাশিয়ান পক্ষকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
রাশিয়াকে ড্রোন দেয়ার কথা স্বীকার ইরানের
রাশিয়ায় বারে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৫
খেরসনের বেসামরিক বাসিন্দাদের সরে যেতে বলেছেন পুতিন
শস্য রপ্তানি চুক্তিতে ফিরল রাশিয়া
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়ে কাঁপছে ইউক্রেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক
Attempts to overthrow the government in Germany

জার্মানিতে অভ্যুত্থান পরিকল্পনায় জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার ২৫

জার্মানিতে অভ্যুত্থান পরিকল্পনায় জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার ২৫ জার্মানিতে সরকার উৎখাতের চেষ্টায় জড়িত সন্দেহে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: এএফপি
জার্মানিতে সরকার উৎখাতের চেষ্টায় জড়িত সন্দেহে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজনকে ধরা হয় অস্ট্রিয়া ও ইতালি থেকে। উগ্র ও বর্ণবাদী কার্যক্রমের জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন। তারা আধুনিক জার্মান রাষ্ট্রকেও স্বীকার করেন না।

জার্মানিতে সরকার উৎখাতের চেষ্টার অভিযোগে সন্দেহভাজন ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

কর্তৃপক্ষ বলছে, উগ্র ডানপন্থি ও অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা পার্লামেন্ট ভবনে হামলা চালিয়ে সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনা করেছিলেন। তাদের হোতা ৭১ বছর বয়সী হেনরিখ এইট নামের এক জার্মান নাগরিকও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

জার্মানির নির্বাহী কৌঁসুলির বরাতে বিবিসি জানায়, দেশটির ১১ রাজ্যে অভিযান চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। এ ছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে অস্ট্রিয়া ও ইতালি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা ২০২১ সাল থেকে সরকার উৎখাতের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনাকারীরা চরমপন্থি রেসবার্গার নামের একটি দলের সদস্য। উগ্র ও বর্ণবাদী কার্যক্রমের জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন। তারা আধুনিক জার্মান রাষ্ট্রকেও স্বীকার করেন না।

জার্মানিতে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার সঙ্গে প্রায় ৫০ জন জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। বর্তমান সরকারকে উৎখাত করে তারা ১৮৭১ সালের আলোকে সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চান।

জার্মানির আইন ও বিচারমন্ত্রী মার্কো বুশম্যান টুইটে লেখেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী বড় ধরনের অভিযান চলছে। জার্মানির সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।’

জার্মান রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জেডিএফ জানিয়েছে, সংসদের নিম্নকক্ষের ডানপন্থি একজন সাবেক সদস্যও উৎখাত পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত।

ওই ব্যক্তি ক্ষমতা দখল করতে পারলে আইন ও বিচারমন্ত্রী হবেন বলে ঠিক করে ফেলেছিলেন।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Youth arrested for throwing eggs at King Charles

ফের ডিম ছোড়া হলো রাজা চার্লসের দিকে

ফের ডিম ছোড়া হলো রাজা চার্লসের দিকে গত মাসেও ডিম ছোড়া হয়েছিল যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের দিকে। ছবি কোলাজ: নিউ ইয়র্ক পোস্ট
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়, লুটন শহরে হাঁটছিলেন রাজা চার্লস। তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য লোকজন জড়ো হয়। ওই সময় রাজার দিকে ডিম ছুড়ে মারেন এক যুবক।

এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ডিম ছোড়া হলো যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের দিকে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবারের এ ঘটনায় ২০ বছর বয়সী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ।

বেডফোর্ডশায়ার পুলিশের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, লুটন শহরে হাঁটছিলেন রাজা চার্লস। তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য লোকজন জড়ো হয়। ওই সময় রাজার দিকে ডিম ছোড়া হয়।

পরে ভিড় থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যান চার্লসের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা। পরে আবারও লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু করেন চার্লস।

একটি পরিবহন উদ্বোধনের জন্য লুটন সফরে গিয়েছিলেন ব্রিটেনের রাজা।

গত মাসে রাজা চার্লস ও কুইন কনসর্ট ক্যামিলার দিকে ডিম ছুড়ে মারার ঘটনায় ২৩ বছরের যুবককে আটক করা হয়। আটক ওই ব্যক্তি ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

অভিযুক্ত ব্যক্তি ডিম ছোড়ার সময় চিৎকার করে বলছিলেন, ‘এই দেশ দাসদের রক্তে গড়া। (আপনি) আমার রাজা নন।’

আটক ওই ব্যক্তি পরে জামিনে ছাড়া পান।

যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনা নতুন নয়। ২০০২ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়।

এর আগে ১৯৯৫ সালে আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে হাঁটার সময় চার্লসকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারীরা।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Saying yes means yes Swiss parliament votes to toughen rape laws

ধর্ষণের সংজ্ঞার পরিধি বাড়াতে ভোট সুইস পার্লামেন্টে

ধর্ষণের সংজ্ঞার পরিধি বাড়াতে ভোট সুইস পার্লামেন্টে সুইজারল্যান্ড পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল কাউন্সিল। ছবি: সংগৃহীত
প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে পার্লামেন্টের সোশ্যালিস্ট দলের সদস্য তামারা ফুনিসিলো বলেন, ‘প্রতিবেশীর অনুমতি ছাড়া তার ওয়ালেট থেকে আপনি টাকা নেন না। কলিংবেল না বাজিয়ে কারও ঘরে প্রবেশ করেন না। তাহলে আমার ওয়ালেট ও ঘর কেন আমার দেহ থেকে বেশি সুরক্ষিত থাকবে?’

সংজ্ঞার পরিধি বিস্তৃত করে সম্মতিহীন সব ধরনের যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করতে প্রস্তাবিত একটি আইনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল কাউন্সিলের আইনপ্রণেতারা।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সোমবার আইনটির পক্ষে ভোট দেন ৯৯ জন আইনপ্রণেতা; বিপক্ষে ভোট দেন ৮৮ জন। ভোট দেননি তিন আইনপ্রণেতা।

ইউরোপের দেশটির বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সঙ্গমকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

দেশটির নাগরিকদের অনেকেই মনে করেন, ধর্ষণের এ সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা দরকার। তাদের মতে, ভুক্তভোগীর জেন্ডার যাই হোক না, সম্মতিহীন যেকোনো শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণের সংজ্ঞাভুক্ত করতে হবে।

সুইজারল্যান্ডে সম্মতির মাত্রা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। এমন বাস্তবতায় না বলার পর শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করতে আইন উত্থাপন করা হয় পার্লামেন্টে।

আইনটি পাস হতে পার্লামেন্টের দুই কক্ষেরই ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। দুই কক্ষ একমত হওয়ার পরও আইনটি নিয়ে জনগণের ভোট নিতে পারে সরকার।

প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে পার্লামেন্টের সোশ্যালিস্ট দলের সদস্য তামারা ফুনিসিলো এটিএস নিউজকে বলেন, ‘প্রতিবেশীর অনুমতি ছাড়া তার ওয়ালেট থেকে আপনি টাকা নেন না। কলিংবেল না বাজিয়ে কারও ঘরে প্রবেশ করেন না। তাহলে আমার ওয়ালেট ও ঘর কেন আমার দেহ থেকে বেশি সুরক্ষিত থাকবে?’

গ্রিনস এমপি রাফায়েল মাহিম এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, ‘অন্যের শরীর কোনো খোলা বার নয়।’

পার্লামেন্টের অনেক সদস্য এ মতের বিরোধিতা করে বলেন, ‘এ চিন্তা মানুষের মধ্যে দ্বিধা সৃষ্টি করবে এবং এর চর্চা কঠিন হবে।’

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ ভোটকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, পাস হলে আইনটি নারীকে যৌন সহিংসতা থেকে বাঁচাতে ভূমিকা রাখবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, স্পেন, সুইডেন, ডেনমার্ক, বেলজিয়ামসহ ইউরোপের অনেক দেশ সম্মতিহীন যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে আসছে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
ধর্ষণ মামলার আসামি ধরতে পুলিশকে বাধা, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Massive Russian attack across Ukraine

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক রুশ হামলা

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক রুশ হামলা রাশিয়ার হামলায় বিধ্বস্ত ইউক্রেনের একটি বাড়ি। ছবি: আল জাজিরা
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি জানান, প্রায় ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত হয়েছে ইউক্রেনে। হামলায় দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলীয় দুটি রুশ বিমানঘাঁটিতে কিয়েভ হামলা চালিয়েছে দাবি করে ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।

এসব হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।

তার বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত হয়েছে ইউক্রেনে। হামলায় দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

শীতের মধ্যে রাশিয়ার এ হামলা ইউক্রেনের কিছু অংশকে আবার অন্ধকারে ডুবিয়েছে। দেশটির কিছু অঞ্চলের তাপমাত্রা কমে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে।

এ সংকট নিরসনে এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রিয়াজান ও সারাতোভ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে কিয়েভ। এতে তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন।

মস্কো থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সারাতোভ বিমানঘাঁটি। রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক বাহিনীর বোমারু বিমান এ ঘাঁটিতে রয়েছে।

ঘাঁটি দুটিতে হামলার দায় স্বীকার করেনি ইউক্রেন। মস্কোর দাবি সঠিক হলে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর এটিই হবে রাশিয়ায় চালানো ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় হামলা।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওই হামলাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Western Ambivalence on Riots Iran

‘দাঙ্গা’ প্রশ্নে পশ্চিমা আচরণ দ্বিচারিতা: ইরান

‘দাঙ্গা’ প্রশ্নে পশ্চিমা আচরণ দ্বিচারিতা: ইরান জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দাবিতে ব্রিটেনে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন খাতের কর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
বিক্ষোভের প্রতি ব্রিটিশ দৃষ্টিভঙ্গি ইরানের পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছে। তারা তেহরান এবং লন্ডন কীভাবে অস্থিরতা মোকাবিলা করছে, তার তুলনা করছে।

সম্ভাব্য বিক্ষোভের মুখোমুখি যুক্তরাজ্যে সেনা মোতায়েন এবং পুলিশের ক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে ইরান সরকার। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি রোববার মানবাধিকার প্রশ্নে পশ্চিমাদের দ্বৈত মানদণ্ডের জন্য নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিমাদের অপছন্দের কোথাও দাঙ্গা হলে, তখন সেটাকে তারা ভালো চোখে দেখে এবং সমর্থন দেয়।

জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর দাবিতে যুক্তরাজ্যে অনেকদিন ধরেই বিক্ষোভ করে আসছেন বিভিন্ন সেক্টরের কর্মীরা।

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাউই বলেছেন, বড়দিন ঘিরে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার ধাঁচ কমাতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে সরকার।

জাহাউই স্কাই নিউজের সোফি রিজ অন সানডে প্রোগ্রামকে জানান, প্রস্তাব অনুযায়ী সামরিক কর্মীরা অ্যাম্বুলেন্স চালানোর পাশাপাশি সীমান্তেও দায়িত্ব পালন করবেন।

ব্রিটিশ সরকার বলছে, বড়দিন ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সামরিক বাহিনী, সাধারণ নাগরিক এবং স্বেচ্ছাসেবকরা বিমান ও সমুদ্রবন্দরের দায়িত্ব পালন করবেন। এ জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

ঘোষাণাটি এমন সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক মন্দা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। বিভিন্ন সেক্টরে হাজার হাজার মানুষ এমন একসময়ে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দাবিতে ধর্মঘটে যাচ্ছে, যখন সরকার বারবার বলছে ধর্মঘটে যাওয়ার সময় এখন না।

জাহাউই স্কাই নিউজকে বলেছেন, ‘এখন ধর্মঘটের সময় না।

‘আপনি যদি মুদ্রাস্ফীতির বিষয়টি বিবেচনা করে কিছু ক্ষেত্রে অর্থ প্রদান করেন, তবে তা হবে ভুল সিদ্ধান্ত। এতে মুদ্রাস্ফীতি দীর্ঘায়িত হবে। কম আয়ের লোকজন সবচেয়ে বিপদে পড়বে। ইউনিয়নগুলোকে তাই বলতে চাই, এখন যে ধর্মঘটের সময় না সেটা আপনারা ভালো করেই জানেন। এখন সময় চেষ্টা করার, আলোচনায় বসার।’

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই বিক্ষোভের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার দাবি, প্রতিবাদকারীদের স্বার্থপর সংখ্যালঘু। তারা আইন ভঙ্গ করছে। তাদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা উচিত।

১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে এক বৈঠকের পর দেয়া বক্তব্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমার কথা হচ্ছে যারাই আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা উচিত।

"ইতোমধ্যে পুলিশকে ‘অবৈধ’ বিক্ষোভ দমন করার জন্য ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে পুলিশের প্রতি সরকারের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।"

বিক্ষোভের প্রতি ব্রিটিশ দৃষ্টিভঙ্গি ইরানের পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছে। তারা তেহরান এবং লন্ডন কীভাবে অস্থিরতা মোকাবিলা করছে, তার মধ্যে তুলনা করেছে। মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর গত দুই মাস ধরে ইরানে অস্থিরতা চলছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ বলছে, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সহিংস অস্থিরতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করছে। তারপরও অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ইরান পুলিশের ক্ষমতা সীমিত করেছে।

ইরান সরকারের মানবাধিকার বিষয়ে সমালোচনা করছে পশ্চিমারা, বিশেষ করে জার্মানি। দেশটি জাতিসংঘে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের জন্য চাপ দিচ্ছে। তবে শুরু থেকেই পশ্চিমাদের সমালোচনাকে প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি রোববার মানবাধিকার প্রশ্নে পশ্চিমাদের দ্বৈত মানদণ্ডের জন্য নিন্দা করেছেন।

যুক্তরাজ্যের পুলিশকে নতুন ক্ষমতা দেয়ার ঘটনায় দেশটির সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে কানানি টুইটারে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় জনগণের বিক্ষোভগুলো একদমই অযৌক্তিক। এগুলোকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। তবে এসব দেশের অপছন্দের কোথাও দাঙ্গা হলে, তারা তখন সেটাতে সমর্থন দেয়। ভালো বলে।’

এ সময় তিনি একটি বিখ্যাত ফার্সি প্রবাদও ব্যবহার করেন; বাংলায় অনুবাদ করলে যার মানে দাঁড়ায়- ‘মৃত্যু ভালো তবে তা প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে হলেই’। এটি এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে লোকেরা অন্যদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া খারাপ কিছুতে আনন্দ পায়।’

আরও পড়ুন:
পরাজয়ে উল্লাস ইরানে, গুলিতে নিহত ১
ইরানের স্বপ্ন ভেঙে পরের রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্র
চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ!
কথা না শুনলে ইরানি ফুটবলারদের পরিবার পড়বে বিপদে

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
UK plans to deploy troops to counter protests

উত্তাল ব্রিটেনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা

উত্তাল ব্রিটেনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাবি রোববার বলেন, ‘ইউনিয়নগুলোর প্রতি আমাদের একটি বার্তা আছে। সেটি  হলো, এখন ধর্মঘটের সময় না। এখন আলোচনা করার সময়। আমরা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি। প্রয়োজনে সেনারা অ্যাম্বুলেন্স চালাবে বলেও জানান কনজার্ভেটিভ বাহিনীর প্রধান।’

সরকারি কর্মীরা বিক্ষোভ বন্ধ না করলে বড়দিনের আগে সেনা মোতায়েন হতে পারে যুক্তরাজ্যে। মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে বিভিন্ন খাতে তুমুল আন্দোলন চলছে দেশটিতে। বর্তমানে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে নার্স এবং অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা।

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাবি রোববার বলেন, ‘ইউনিয়নগুলোর প্রতি আমাদের একটি বার্তা আছে। সেটি হলো, এখন ধর্মঘটের সময় না। এখন আলোচনা করার সময়। আমরা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি। প্রয়োজনে সেনারা অ্যাম্বুলেন্স চালাবে বলেও জানান কনজার্ভেটিভ বাহিনীর প্রধান।’

শুরু থেকেই বিক্ষোভ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল ব্রিটিশ সরকার। তাদের ভাষ্য, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় বেতন-ভাতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এখন যদি তা বাড়ানো হয়, তবে মুদ্রাস্ফীতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

যুক্তরাজ্যের খুচরা ইলেকট্রিক্যাল পণ্য বিক্রয়ের কোম্পানি কারিসের প্রধান নির্বাহী অ্যালেক্স ব্যালডক জানান, বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকতে তারা পণ্য সরবরাহের জন্য রয়্যাল মেইল ব্যবহার করবে না। রয়্যাল মেইল হলো ব্রিটিশ সরকারের পোস্টাল সার্ভিস; ১৫১৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

চলতি বছর রয়্যাল মেইলের পোস্ট এবং পার্সেল বিভাগের কর্মীরা বেতন-ভাতা ও কাজের শর্তাবলি নিয়ে কয়েক দফা আন্দোলন করে। ডিসেম্বরে আরও বড় পরিসরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করছে তারা।

যুক্তরাজ্যে চলমান অর্থনৈতিক মন্দা আর রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্যুব নেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্দা কাটিয়ে না উঠতে পারলে পরবর্তী নির্বাচনে কনজার্ভেটিভ পার্টি ব্যাপক ভরাভুবির মুখে পড়তে পারে।

দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক এবং দমকল বাহিনীর মতো পাবলিক সেক্টরের কর্মীদের আন্দোলনের অধিকার রোধ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাক। নতুন বছরে যদি পরিস্থিতি না ঠিক হয় তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের জায়গায় ফার্মাসিস্টদের কাজে লাগাতে পারে ব্রিটিশ সরকার।

চলমান উত্যপ্ত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সরকারে আসার চেষ্টায় ব্যস্ত দেশটির প্রধান বিরোধীদল-লেবার পার্টি। সংকট নিরসনে তারা সরকারিকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কনজারভেটিভদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ব্রিটেনের বিক্ষোভের ঢেউ লেগেছে স্কটল্যান্ডেও। চার দশকের মধ্যে এই দেশটির শিক্ষকরা একটি ভাতার চুক্তি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসেও হাজার হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মীরা বেতন এবং তহবিল নিয়ে বিরোধের জেরে ধর্মঘটে নামবেন কিনা তা নিয়ে ভোট দিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যের এমন পরিস্থিতির জন্য আবারও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দুষেছেন কনজারভেটিভ প্রধান জাহাবি। তার দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম ও মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে।

মন্তব্য

আন্তর্জাতিক
Biden also read Putin also read Falling from the stairs defecating in Putins clothes

সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন ‘অসুস্থ’ পুতিন

সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন ‘অসুস্থ’ পুতিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
‘জেনারেল এসভিআর’ নামের সাবেক এক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তার টেলিগ্রাম চ্যানেলের বরাত দিয়ে এনওয়াই পোস্ট দাবি করে চলতি সপ্তাহে মস্কোতে নিজবাস ভবনে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান রুশ প্রেসিডেন্ট।

গুরুতর অসুস্থ থাকায় সিঁড়ি থেকে পড়ে গেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনটা দাবি করা হয়েছে।

‘জেনারেল এসভিআর’ নামের সাবেক এক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তার টেলিগ্রাম চ্যানেলের বরাতে এনওয়াই পোস্ট দাবি করে, চলতি সপ্তাহে মস্কোর নিজবাস ভবনে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান রুশ প্রেসিডেন্ট। বেশ কয়েক ধাপ গড়িয়ে নিচে নামেন তিনি। এ সময় পাকস্থলিতে ক্যানসার থাকায় অনিচ্ছাকৃত মলত্যাগ করে পোশাকও নোংরা করে ফেলেন পুতিন।

পুতিনের শারীরিক সমস্যা-সংক্রান্ত নানা গুঞ্জনের কথা শোনা যাচ্ছে বেশ কয়েক মাস ধরেই। বিশেষত রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর থেকেই পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এমন দাবি করছে।

গত মাসেই কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেলের সঙ্গে বৈঠকের সময় পুতিনের হাত কাঁপতে দেখা যায়। ওই সময় পুতিনের পা কাঁপতেও দেখা যায়।

পুতিনের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীও জানিয়েছেন, ব্লাড ক্যানসারে ভুগছেন পুতিন।

পুতিনের অসুস্থ হওয়ার খবর এই প্রথম নয়। প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র ২০১৪ সালে মার্কিন গণমাধ্যমের এ ধরনের প্রতিবেদনের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘তাদের ফাঁদ বন্ধ করা উচিত।’

মন্তব্য

p
উপরে